বুধবার ,২৯ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 10

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদিত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৭৬ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাহাত জামান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম সরকার।

গতকাল শুক্রবার রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।

নতুন কমিটিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন—
সিনিয়র সহ-সভাপতি: মো. সোহাগ
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজমুস সাকিব, মারুফ বিল্লাহ, মো. জহিরুল ইসলাম
সাংগঠনিক সম্পাদক: আদনান আহমেদ মোহন
দপ্তর সম্পাদক: শামসুজ্জামান প্রিন্স
ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক: রিমকাতুল রাশেদ অথৈ
ক্রীড়া সম্পাদক: ইফতেখার হোসেন সাকিব
সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মো. ইব্রাহিম খলিল নিয়ন

এ ছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আরও বেশ কয়েকজন নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যারা আগামী দিনে শাবিপ্রবির ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন কমিটির সভাপতি রাহাত জামান বলেন, “শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।” সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, “নতুন কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতন্ত্র, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবে।”

এদিকে, নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তারা মিছিল ও আনন্দ র‌্যালির মাধ্যমে নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

শাবিপ্রবি প্রশাসন নতুন কমিটির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছে, শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে ছাত্রসংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা চাই, নতুন নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করবে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে না।”

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিতে ছাত্রদল দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন হিসেবে সক্রিয়। নতুন কমিটির নেতারা আগামী দিনে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তাদের লক্ষ্য—সংগঠনের ঐক্য ধরে রাখা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে এগিয়ে নেওয়া।

 

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের প্রচেষ্টা, সৌদির সমর্থন, ইউরোপের বাধা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় ফিরেই যুদ্ধ থামানোর ব্যবস্থা নেবেন। সেই লক্ষ্যে তিনি ইতোমধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্পের দাবি, এই আলোচনা ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে এবং যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

এদিকে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সব ধরনের উদ্যোগকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে এই সংকট নিরসনে সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, যুবরাজ যেকোনো শান্তি প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবেন।

তবে রাশিয়া অভিযোগ করেছে, ইউরোপীয় দেশগুলো এই যুদ্ধ থামাতে আগ্রহী নয়। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, জার্মানি ও ফ্রান্স ২০১৪-১৫ সালের মিনস্ক চুক্তি লঙ্ঘনের কথা স্বীকার করেছে, যা ইউক্রেন সংকট নিরসনে ব্যর্থতার প্রমাণ। ব্রিটেন ২০২২ সালে ইউক্রেনকে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় যেতে নিরুৎসাহিত করেছিল বলে দাবি করেছে মস্কো।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সঙ্গে সামরিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় পুনরায় শুরু করতে সম্মত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের বিরোধের কারণে এই তথ্য বিনিময় বন্ধ ছিল। জেদ্দায় অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনায় ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়, তবে রাশিয়া এখনো এই পরিকল্পনা নিয়ে ‘গুরুতর প্রশ্ন’ রাখছে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে রাশিয়া। এ যুদ্ধের কারণে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ও ইউরোপে জ্বালানি সংকটসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে শান্তি আলোচনার চেষ্টা চলছে, তবে দুই পক্ষের অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়।

 

ধর্ষণের মামলা করে প্রাণ হারালেন বাবা, দীর্ঘসূত্রতার শিকার হাজারো বিচারপ্রক্রিয়া

বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করার পর বিচার পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় ভুক্তভোগীদের। এ সময় তারা নানা ধরনের হুমকি, সামাজিক চাপ ও পুলিশের অবহেলার শিকার হন। বরগুনার এক ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করার পর বাবার লাশ বাড়ির পাশের ঝোপে পাওয়া যায়।

আইন অনুসারে, ১৮০ দিনের মধ্যে এ ধরনের মামলার বিচার শেষ করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হচ্ছে না। সুপ্রিমকোর্টের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১ লাখ ৫১ হাজার ৩১৭টি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার মধ্যে ৩২ হাজার ৯৭২টি মামলা পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে। এছাড়া, পুলিশের কাছে তদন্তাধীন রয়েছে ২০ হাজার ১৩৫টি মামলা, যা মোট মামলার ৩৬ শতাংশ।

অপরাধীরা জামিন পেয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে

নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে বিচার দীর্ঘসূত্রতার কারণে অপরাধীরা জামিন পেয়ে নতুন করে অপরাধ করছে। মেহেরপুরের এক ঘটনায়, ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পেয়েই ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভিডিও ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার চাপ দেওয়ায় সদর থানার এক এসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

২০১৬ সালে দিনাজপুরে এক শিশুর বিরুদ্ধে ভয়াবহ যৌন নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি সম্প্রতি জামিন পেয়ে গেছে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার ধীরগতির আরেকটি উদাহরণ।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বাস্তবতা

২০১৩ সালে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে। তবে বাস্তবে দেখা যায়, বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় বাদীপক্ষ সামাজিকভাবে হয়রানির শিকার হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়।

এছাড়া, পুলিশের দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষীদের অনুপস্থিতি এবং নথিপত্রে ভুলের কারণে মামলার বিচার দুর্বল হয়ে পড়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসামি জামিন পেয়ে যায়, যা নতুন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে।

নারী নির্যাতনের বর্তমান চিত্র

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে ১৭ হাজার ৫৭১টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। আগের বছরগুলোর তুলনায় এই সংখ্যা কিছুটা কমলেও অপরাধীদের শাস্তি না হওয়ার কারণে অপরাধের মাত্রা কমছে না।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা অপরাধীদের আশার সঞ্চার করে। তারা মনে করে, বিচার না হলে অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়া সম্ভব। ফলে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা বারবার ঘটছে।

বিচারহীনতা দূর করতে করণীয়

  • নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত ও তদন্তকারী সংস্থা গঠন করতে হবে।
  • পুলিশ ও প্রশাসনের মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রাখতে হবে, যেন তারা নিরপেক্ষ তদন্ত করতে পারে।
  • ধর্ষণ মামলা দায়েরের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে হবে।
  • সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অপরাধীদের জন্য কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ এবং সামাজিক আন্দোলনের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই সংকট থেকে মুক্তি সম্ভব নয়।

 

স্বাক্ষর জাল করে বোনকে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন টিউলিপ

ঢাকা, ১৬ মার্চ: বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সরকারি প্লট হস্তান্তরের অভিযোগ এনেছে। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, টিউলিপ সিদ্দিক ভুয়া নোটারি পাবলিক ব্যবহার করে তার বোনের কাছে একটি সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন। এমনকি ব্যবহৃত নোটারি পাবলিকের সইও জাল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস গতকাল শুক্রবার এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ঢাকার পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে তার ও পরিবারের জন্য সরকারি প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন।

দুদকের অভিযোগপত্র

গত বৃহস্পতিবার দুদক প্রকাশিত এক অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক ভুয়া নোটারি পাবলিক ব্যবহার করে তার বোন আজমিনা সিদ্দিককে ঢাকার গুলশানের একটি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, এই নোটারিতে ব্যবহৃত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী সিরাজুল ইসলামের সিল জালিয়াতি করা হয়েছে। সিরাজুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি টিউলিপ বা তার বোনের সঙ্গে পরিচিত নন এবং তিনি এই নোটারি করেননি।

দুদকের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক ঢাকায় পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পের ৬০ কাঠা জমি নিয়মবহির্ভূতভাবে নিজের ও পরিবারের জন্য বরাদ্দ নিয়েছেন। বাংলাদেশে সরকারি প্লট পাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী, কারও নামে ঢাকায় আগেই সম্পত্তি থাকলে তিনি নতুন করে সরকারি জমি বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য নন। কিন্তু টিউলিপ সিদ্দিক এই শর্ত লঙ্ঘন করেই প্লট বরাদ্দ নেন।

শেখ হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্ত

দুদকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। পূর্বাচল প্রকল্পে বরাদ্দকৃত জমির অনিয়ম ছাড়াও তাদের সম্পদের উৎস ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, গত বছরের আগস্টে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসানের পর থেকেই তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। দুদকের দাবি, শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যরা আইন লঙ্ঘন করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন এবং এটি রাষ্ট্রের সম্পদের অপব্যবহারের শামিল।

টিউলিপ সিদ্দিকের প্রতিক্রিয়া

টিউলিপ সিদ্দিক এর আগে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এটি রাজনৈতিক চক্রান্তের অংশ এবং তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য করা হচ্ছে। তবে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের পক্ষ থেকে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

দুদকের এই অভিযোগ আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে।


 

ঈদের আগাম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু, শতভাগ অনলাইন ব্যবস্থা

ঢাকা, ১৬ মার্চ: আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৫ মার্চের আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট আজ শনিবার সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হয়েছে। এবার ঈদযাত্রায় ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনের মোট আসন সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৯৩৫টি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের নেওয়া বিশেষ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে, আর দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট। যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে এবং টিকিট বিক্রিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবারের ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৪ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৪ মার্চ, আর ২৬ মার্চের টিকিট বিক্রি হবে ১৬ মার্চ। একইভাবে ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকিট ১৮ মার্চ, ২৯ মার্চের টিকিট ১৯ মার্চ এবং ৩০ মার্চের টিকিট ২০ মার্চ অনলাইনে পাওয়া যাবে।

এছাড়া, চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ৩১ মার্চ, ১ ও ২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হতে পারে। যাত্রীদের সুবিধার্থে ২৫ শতাংশ টিকিট যাত্রা শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট প্রারম্ভিক স্টেশন থেকেও সংগ্রহ করা যাবে। তবে, একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি আসনের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন এবং এ টিকিট ফেরতের কোনো সুযোগ থাকছে না।

টিকিট নিয়ে যাত্রীদের বিশেষ নির্দেশনা

১. অনলাইনে কেনা টিকিট ফেরতযোগ্য নয়।
2. একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৪টি আসনের টিকিট নিতে পারবেন।
3. ২৫ শতাংশ টিকিট স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
4. পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রির সময় ভিন্ন।

টিকিট বিক্রির এই অনলাইন ব্যবস্থা যাত্রীদের সময় সাশ্রয় করবে এবং টিকিট কালোবাজারি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।


 

মেঘনা, এনআরবি ও এনআরবিসি ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের ব্যাংক খাতে চলমান সংকটের মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বুধবার রাতে মেঘনা ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক ও এনআরবিসি ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৃহস্পতিবার নতুন বোর্ড গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

কেন ভেঙে দেওয়া হলো বোর্ড?

বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের ব্যাংক খাতে নানা অনিয়ম ও সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে—

  • ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ একক গোষ্ঠীর হাতে চলে যাওয়া
  • ঋণের নামে অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচার
  • খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি ও তারল্য সংকট
  • ডলার ও রিজার্ভ সংকট

এসব কারণে ব্যাংক খাতের অবস্থা আরও নাজুক হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সমস্যার সমাধানে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগেও ভেঙেছে ১১ ব্যাংকের বোর্ড

সরকার পরিবর্তনের পর ইতোমধ্যে ইসলামী ব্যাংকসহ মোট ১১টি ব্যাংকের বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। এটি দ্বিতীয় দফায় আরও তিনটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

নতুন বোর্ড আসছে বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) এই তিন ব্যাংকের জন্য নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে। এতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে, যারা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে সহায়ক হতে পারে, তবে এটি যথেষ্ট কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

 

তিন রূপে ফিরলেন আফরান নিশো

প্রায় দুই বছর পর বড় পর্দায় ফিরলেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। আসন্ন ঈদে মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘দাগি’। আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটির টিজার, যা ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

তিন রূপে নিশো, গল্পে রহস্যের ইঙ্গিত

১ মিনিট ৭ সেকেন্ডের এই টিজারে নিশোকে দেখা গেছে তিনটি ভিন্ন লুকে। সিনেমায় তার চরিত্রের নাম নিশান। প্রথমে তাকে দেখা যায় বড় চুলে, এরপর স্বাভাবিক চেহারায় এবং সবশেষে কয়েদির পোশাকে, যেখানে তার বন্দি নম্বর ৭৮৬। এতে স্পষ্ট, গল্পে রয়েছে চমক এবং একাধিক পর্যায়ে চরিত্রের পরিবর্তন।

সিনেমাটিতে নিশোর বিপরীতে অভিনয় করেছেন তমা মির্জা ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত ও মিলি বাশার।

নির্মাতার বক্তব্য: ‘এটা তো কেবল শুরু!’

‘দাগি’ পরিচালনা করেছেন শিহাব শাহীন, যিনি এর আগে ‘মরীচিকা’ ও ‘সিন্ডিকেট’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করেছেন। এটি তার দ্বিতীয় সিনেমা। টিজার প্রকাশের পর নির্মাতা বলেন—

‘দর্শকরা টিজারটি পছন্দ করছেন, এটা আনন্দের। তবে বলতে চাই, এটা তো কেবল প্রথম ঝলক; আরও অনেক চমক অপেক্ষা করছে। যারা আমার কাজ সম্পর্কে জানেন, তারা জানেন যে গল্প বলার ক্ষেত্রে আমি নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি। আশা করছি, “দাগি” সেই প্রত্যাশা পূরণ করবে।’

প্রযোজকদের আশা, ‘দাগি’ নতুন কিছু দেবে দর্শকদের

সিনেমাটি প্রযোজনা করছে এসভিএফ আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড ও চরকি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহরিয়ার শাকিল বলেন—

‘টিজারে দর্শকদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। তবে সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখার পর যদি দর্শকরা পছন্দ করেন, সেটাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।’

নিশোর বক্তব্য: ‘প্রত্যেক ফ্রেমের গভীর অর্থ আছে’

আফরান নিশো বলছেন,

‘ভবিষ্যতে কী হতে যাচ্ছে, টিজারটি তার ইঙ্গিত দিয়েছে মাত্র। এই সিনেমার প্রতিটি ফ্রেমে গভীর অর্থ রয়েছে। “দাগি” এমন এক গল্প যা ভাগ্য এবং পরিণতি নিয়ে দর্শকদের মনে প্রশ্ন তুলবে।’

‘দাগি’—প্রায়শ্চিত্তের গল্প?

নির্মাতার ভাষ্যমতে, এটি এমন এক গল্প, যা বাংলাদেশের মূলধারার সিনেমায় আগে দেখা যায়নি। টিজারে যেমন রহস্যের ইঙ্গিত রয়েছে, তেমনি সিনেমার কাহিনীতেও দর্শকরা এক নতুন স্বাদ পাবেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

‘দাগি’ মুক্তি পাবে আসন্ন ঈদে। নিশোর সিনেমায় ফেরার এই চমক কি দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে? সেটাই এখন দেখার বিষয়।

 

কে হাসবেন শেষ হাসি?

কলকাতার চলচ্চিত্র জগতে বাংলাদেশি তারকাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকল। এবারের জয় ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বাংলার মনোনয়নে স্থান পেয়েছেন জয়া আহসান, চঞ্চল চৌধুরী ও মোশাররফ করিম।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ফিল্মফেয়ার। বলিউড ছাড়াও ভারতের আঞ্চলিক সিনেমাগুলোকে স্বীকৃতি দিতে চালু হয়েছে বিভিন্ন বিভাগ, যার মধ্যে অন্যতম ‘জয় ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বাংলা’। চলতি বছর এই আসর বসছে ১৮ মার্চ কলকাতায়।

এবারের আসরে বাংলাদেশি তারকারা আবারও নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন। সমালোচক বিভাগে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী ও মোশাররফ করিম। সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়নে রয়েছেন জয়া আহসান।

সমালোচক সেরা অভিনেতার দৌড়ে চঞ্চল-মোশাররফ

কলকাতার সিনেমায় প্রথমবার অভিনয় করেই ফিল্মফেয়ারের সমালোচক বিভাগে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। কিংবদন্তি নির্মাতা মৃণাল সেনের বায়োপিক ‘পদাতিক’-এ তার অনবদ্য অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের মন জয় করেছে। সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত এ সিনেমায় মৃণাল সেনের চরিত্রে চঞ্চলের অসাধারণ অভিনয় তাকে এই সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ করে দিয়েছে।

অন্যদিকে, কলকাতায় আরও আগেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে এসেছেন মোশাররফ করিম। এবার ‘হুব্বা’ সিনেমায় দুর্ধর্ষ গ্যাংস্টার হুব্বা শ্যামলের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনিও সমালোচক বিভাগে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েছেন। ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় এ সিনেমায় মোশাররফ করিমের অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সেরা অভিনেত্রী বিভাগে জয়া আহসান

বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসান প্রতি বছরই ফিল্মফেয়ার বাংলা পুরস্কারের মনোনয়নে থাকেন। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ‘ভূতপরী’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রী বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।

এই বিভাগে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন—অপরাজিতা আঢ্য (এটা আমাদের গল্প), কৌশানী মুখার্জি (বহুরূপী), ঐন্দ্রিলা সেন (মির্জা), ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (অযোগ্য) ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি (বাবলি)।

ফিল্মফেয়ারের মঞ্চে বাংলাদেশিদের শক্ত অবস্থান

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশি শিল্পীদের কলকাতার সিনেমায় অংশগ্রহণ ও স্বীকৃতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম ও জয়া আহসান কলকাতার সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন।

১৮ মার্চ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। ফিল্মফেয়ারের মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে বাংলাদেশের তারকারা এবারও গৌরবের নতুন অধ্যায় যোগ করতে পারেন কি না, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

 

‘পেইন-কিলার’ মাহমুদউল্লাহকে স্মরণ করলেন হৃদয়-তামিম-রিশাদ

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন। তার বিদায়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন তরুণ ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলার পর থেকেই ভক্ত-সমর্থকদের পাশাপাশি সতীর্থ ও তরুণ ক্রিকেটারদের কাছ থেকে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে জাতীয় দলে নতুন আসা তরুণ ক্রিকেটাররা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।

হৃদয়ের চোখে মাহমুদউল্লাহ ‘পেইন-কিলার’

২০২৩ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া তাওহিদ হৃদয় শৈশব থেকেই মাহমুদউল্লাহর খেলা দেখে বড় হয়েছেন। ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন,

“ছোটবেলায় টিভির সামনে বসে দেখা প্রত‍্যেকটা ব্রিলিয়ান্ট মুহুর্তের জন্য ধন্যবাদ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাই। সবাই আপনাকে সাইলেন্ট কিলার ডাকলেও, আমাদের বন্ধুমহলে আপনার নাম ছিলো ‘পেইন-কিলার’। এমন অনেক ম‍্যাচ আছে যেগুলোর শেষ মুহূর্তের রিলিফ আপনার থেকে উপহার পেয়েছি।”

হৃদয় আরও লেখেন, “আমার দোয়ায় থাকবেন আপনি, যেমনটি সবসময় ছিলেন। অবসর জীবনের জন্য শুভকামনা!”

তানজিদের অনুপ্রেরণা মাহমুদউল্লাহ

হৃদয়ের মতোই ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া তানজিদ হাসান তামিমও স্মরণ করেছেন শৈশবের স্মৃতি। তিনি মাহমুদউল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন,

“বাংলাদেশ ক্রিকেটে আপনার অসাধারণ প্রতিটি মুহূর্তের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাই। শৈশবে ক্রিকেটে দেখা আপনার অসাধারণ সব মুহূর্তই আমার বর্তমানে ক্রিকেটার পরিচয়ের পেছনের অন্যতম অনুপ্রেরণা।”

তানজিদ আরও বলেন, “পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকা, ছোটভাইয়ের মতো সবসময় আমাকে আগলে রাখা, আদর, যত্ন—সবকিছুর জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনার পরবর্তী অধ্যায় হোক আরও দুর্দান্ত।”

রিশাদের চোখে মাহমুদউল্লাহ কিংবদন্তি

জাতীয় দলের আরেক উদীয়মান ক্রিকেটার রিশাদ হোসেন মাহমুদউল্লাহকে কিংবদন্তি আখ্যা দিয়ে লেখেন,

“একটি যুগের পরিসমাপ্তি! মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। আপনার ত্যাগ-তিতিক্ষা ও লাল-সবুজ জার্সিতে ভোলার মতো নয় এমন পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনি সবসময়ই কিংবদন্তি।”

বাংলাদেশ ক্রিকেটের নীরব নায়ক

শান্ত স্বভাব, ধৈর্য, এবং চাপে ঠান্ডা মাথায় খেলার দক্ষতার জন্য মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হতো। ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া এই ক্রিকেটার ২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন। তার বিদায়ে শুধু তরুণ ক্রিকেটাররাই নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটেই এক শূন্যতা অনুভূত হচ্ছে।

অবসরের পর নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেও, তরুণদের কাছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আজীবন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে জমজমাট লড়াই: মুখোমুখি হবে ইউরোপের সেরা দলগুলো

নতুন আঙ্গিকের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সেরা আট নিশ্চিত হয়েছে। আগামী ৮ ও ৯ এপ্রিল প্রথম লেগ এবং ১৫ ও ১৬ এপ্রিল ফিরতি লেগে কোয়ার্টার-ফাইনালের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে মুখোমুখি দলগুলো হলো:

  • বার্সেলোনা বনাম বরুশিয়া ডর্টমুন্ড: স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা লড়বে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে। গত আসরের রানার্সআপ ডর্টমুন্ড এবার শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবে।
  • বায়ার্ন মিউনিখ বনাম ইন্টার মিলান: ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখের প্রতিপক্ষ ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলান। দুই দলই তাদের সেরা ফর্মে রয়েছে।
  • আর্সেনাল বনাম রিয়াল মাদ্রিদ: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব আর্সেনাল খেলবে ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে। দুই দলের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
  • পিএসজি বনাম অ্যাস্টন ভিলা: ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) মুখোমুখি হবে ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার। পিএসজি তাদের তারকাখচিত দল নিয়ে শিরোপার দিকে এগিয়ে যেতে চায়।

কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে ৮ ও ৯ এপ্রিল, এবং ফিরতি লেগ ১৫ ও ১৬ এপ্রিল। দর্শকরা এই ম্যাচগুলোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।