বুধবার ,২৯ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 15

সেমিফাইনালের সমীকরণ জটিল: টিকে থাকতে বাংলাদেশের জয়ের বিকল্প নেই

অনেক আশা নিয়ে শুরু করা টুর্নামেন্টে এখন কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে পাকিস্তান। ২৯ বছর পর নিজেদের মাটিতে আইসিসির কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেলেও, সেই টুর্নামেন্টেই প্রথম বিদায় নেওয়ার শঙ্কায় আছে বাবর আজমের দল।

গ্রুপপর্বে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বসেছে পাকিস্তান। ফলে, সেমিফাইনালে যেতে হলে তাদের ভাগ্যের অনেকটাই নির্ভর করছে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের ওপর। একমাত্র অবশিষ্ট ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। তবে ততক্ষণে যদি বাংলাদেশ আজ নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায়, তাহলে আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে পাকিস্তানেরও।

কঠিন সমীকরণে পাকিস্তান

আজ (সোমবার) বাংলাদেশ রাওয়ালপিন্ডিতে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের। যদি বাংলাদেশ এই ম্যাচে হেরে যায়, তবে ভারতের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডও সেমিফাইনালে চলে যাবে, আর পাকিস্তানের বিদায়ও নিশ্চিত হয়ে যাবে। তবে যদি বাংলাদেশ জয় পায়, তখন টুর্নামেন্টে টিকে থাকবে পাকিস্তানও।

এরপর সমীকরণ এমন দাঁড়াবে—

  • পাকিস্তানকে নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে।
  • নিউজিল্যান্ডকে ভারতের কাছে হারতে হবে।

এই দুটি শর্ত পূরণ হলেই কেবল পাকিস্তানের সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশের জন্যও কঠিন পথ

বাংলাদেশও নিজেদের সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ নিউজিল্যান্ডকে হারাতেই হবে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়।

  • এরপর শেষ ম্যাচে ভারতকে হারানোর পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডেরও ভারতের কাছে হারের প্রার্থনা করতে হবে।
  • যদি বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড সমান ৪ পয়েন্ট করে অর্জন করে, তাহলে নির্ধারণ হবে রানরেটের ভিত্তিতে।

এই জটিল সমীকরণ মিলিয়ে সেমিফাইনালে যেতে হলে আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প নেই টাইগারদের। এখন দেখার অপেক্ষা, শান্তরা কঠিন এই চ্যালেঞ্জ কীভাবে সামাল দেন!

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পিনাকী ভট্টাচার্যের খোলা প্রশ্ন, কার্যকর নেতৃত্বের পরামর্শ

দেশের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নেতৃত্ব ও কার্যক্রম নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্ট লেখক, ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য

আজ সোমবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বেশ কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন এবং বিকল্প নেতৃত্ব কেমন হওয়া উচিত, তা ব্যাখ্যা করেছেন।

পিনাকীর প্রশ্ন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মাঠে কতটা সক্রিয়?

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে পিনাকী ভট্টাচার্য লিখেছেন:

“স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আপনি কয়টা থানায় ভিজিট করেছেন? কয়বার বাহিনীর সদস্যদের সাথে মাঠে নেমেছেন? তাদের ক্যান্টিনে বসে খেয়েছেন? তাদের পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন?”

তিনি আরও বলেন, “একজন নেতা তখনই প্রকৃত নেতৃত্ব দিতে পারেন, যখন তার বাহিনীর সদস্যরা তাকে পিতার মতো সম্মান করতে পারেন। তখন তারা প্রাণ দিয়ে কাজ করবে, অনুপ্রেরণা পাবার জন্য কোনো পরিকল্পনা বা প্রণোদনার দরকার হবে না।”


নেতৃত্বের বিকল্প মডেল: যদি আমি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হতাম

পিনাকী ভট্টাচার্য তার পোস্টে ব্যাখ্যা করেছেন, যদি তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হতেন, তাহলে তিনি কী করতেন:

  1. গভীর রাতে সংবাদ সম্মেলন না করে নিজেই টহল দলে যোগ দিতেন
    • “গভীর রাতে প্রেস কনফারেন্স ডেকে আলগা সিরিয়াসনেস না দেখিয়ে রাতেই যদি নিজে টহল দল নিয়ে ঢাকার এলাকায় এলাকায় যেতেন, আজকেই পরিস্থিতি পালটে যেতো।”
  2. পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের উৎসাহ দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিতেন
    • “আমি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হলে আজকেই গাড়ি ভর্তি করে খাবার আর পানীয় নিয়ে প্রত্যেকটা টহল দলের সাথে দেখা করতাম। তাদের উৎসাহ দিতাম। সারারাত ঢাকার রাস্তায় চষে বেড়াতাম।”
  3. নাগরিকদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতেন
    • “সকালে ফজরের নামাজের সময়ে মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। মুসল্লিদের সালাম দিয়ে কুশলাদি জিজ্ঞাসা করতাম।”
    • “যতোদিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, ততোদিন আমি এই কাজ চালিয়ে যেতাম।”
  4. নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি
    • “প্রত্যেক নাগরিক নিরাপদ বোধ না করা পর্যন্ত আমি ঘুমাতে যেতাম না।”

প্রেক্ষাপট: কেন এই প্রশ্ন উঠছে?

সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতির মতো অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় জনমনে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষত, গত রবিবার রাত ১০টায় বনশ্রীতে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাই এবং মোহাম্মদপুরে ডাকাতির ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।

এরপর রবিবার দিবাগত রাতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেন যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সোমবার থেকে টহল জোরদার করা হবে।

তবে সরকারি এই প্রতিক্রিয়াকে যথেষ্ট মনে করছেন না পিনাকী ভট্টাচার্য এবং আরও কার্যকর ও মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব প্রদানের তাগিদ দিচ্ছেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, টহল বাড়ানোর ঘোষণা

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

গতকাল রবিবার মধ্যরাতে হলপাড়া থেকে মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রতিক্রিয়া

বিক্ষোভের জবাবে রবিবার দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমার পদত্যাগের দাবি তো নতুন নয়। শিক্ষার্থীরা মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি চান। আমি সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে, সামনে আরও হবে।”

তিনি আরও বলেন, “দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে, অবনতি হওয়ার সুযোগ নেই। কেউ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

টহল বাড়ানোর ঘোষণা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সোমবার থেকে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, “যেখানেই অপরাধ সংগঠিত হবে, সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের গাফিলতি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।

অপরাধ বৃদ্ধিতে জনমনে উদ্বেগ

গত কয়েক দিনে দেশব্যাপী ধর্ষণ, ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে।

সর্বশেষ রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বনশ্রীতে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাইমোহাম্মদপুরে ডাকাতির ঘটনা জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেন।


 

ঝিনাইদহে চরমপন্থিদের গোলাগুলিতে নিহত ৩

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় চরমপন্থিদের গোলাগুলিতে ৩ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ত্রিবেনী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর শ্মশানঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে—
🔹 আবু হানিফ ওরফে হানিফ আলী (৫৬) – ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুর আহাদনগর গ্রামের বাসিন্দা ও পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা।
🔹 লিটন (৩৫) – হানিফের শ্যালক, ঝিনাইদহের শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা।
🔹 অপরজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত নয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা যায়, রাত সাড়ে আটটার দিকে এলাকায় তিন-চারটি গুলির শব্দ শোনা যায়। তবে আতঙ্কে কেউ ঘর থেকে বের হননি। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ ও দুটি মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (জনযুদ্ধ) ও জাসদ গণবাহিনী নামে দুটি চরমপন্থি দলের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল।

পুলিশের ধারণা, শুক্রবার রাতে পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা রামচন্দ্রপুর শ্মশানঘাটে গোপন বৈঠক করছিলেন। তখন জাসদ গণবাহিনীর শীর্ষ নেতা কালুর নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

এই হত্যার দায় স্বীকার করে জাসদ গণবাহিনীর নেতা কালুর পরিচয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় বলা হয়—
🗣️ “পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি নামধারী কুখ্যাত ডাকাত বাহিনীর শীর্ষ নেতা হানিফ ও তার দুই সহযোগীকে হত্যা করা হয়েছে। যারা অপরাধে যুক্ত থাকবে, তাদেরও একই পরিণতি হবে।”

হানিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমা

নিহত হানিফের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ১৩টি হত্যা মামলা রয়েছে।

  • ২০০৩ সালের ৫ ডিসেম্বর একই স্থানে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছিল, সেই ঘটনায়ও তার সম্পৃক্ততা ছিল।
  • আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল এবং উচ্চ আদালতও সেই রায় বহাল রাখে।
  • পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিশেষ ক্ষমায় তিনি মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফিরে আসেন।

শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান বলেন, “আমরা খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ পেয়েছি। তাদের মাথায় গুলির চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।”

এলাকায় চরমপন্থিদের সংঘর্ষ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে পূর্বেও। এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে যেতে বাংলাদেশের সমীকরণ

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা নিয়ে দুবাই পাড়ি জমিয়েছিল বাংলাদেশ দল। তবে শুরুটা মোটেও সুখকর হয়নি। ভারতের বিপক্ষে ৬ উইকেটের পরাজয়ে গ্রুপ পর্বের শুরুতেই চাপে পড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল।

বর্তমানে ‘এ’ গ্রুপে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের ঝুলিতে একটি করে জয় থাকলেও, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এখনো পয়েন্টশূন্য। যদিও সেমিফাইনালের দৌড় থেকে এখনই ছিটকে যায়নি টাইগাররা। কারণ প্রতিটি দলের হাতে আছে মাত্র তিনটি করে ম্যাচ।

বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ

১️. বাকি দুই ম্যাচে জয়
বাংলাদেশ যদি বাকি দুটি ম্যাচে—নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পায়, তবে তাদের পয়েন্ট হবে ৪।

  • ভারত ও নিউজিল্যান্ডও যদি আরও একটি করে ম্যাচ জেতে, তাহলে তিন দলেরই সমান ৪ পয়েন্ট হবে।
  • সেক্ষেত্রে সেরা দুই দল নির্ধারিত হবে নেট রান রেটের ভিত্তিতে। তাই বড় ব্যবধানে জয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

২️. একটি ম্যাচে জয়, একটি ম্যাচে হার
বাংলাদেশ যদি নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে পাকিস্তানকে হারায়, তাহলে টাইগারদের পয়েন্ট হবে ২।

  • এ অবস্থায় পাকিস্তান-ভারত ও নিউজিল্যান্ড-ভারত ম্যাচের ফলের উপর নির্ভর করতে হবে।
  • অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে পাকিস্তানের কাছে হারলে টাইগারদের সম্ভাবনা আরও জটিল হবে, কারণ কিউইদের ইতোমধ্যে ২ পয়েন্ট রয়েছে।

৩️. দুই ম্যাচেই হারলে বিদায়
নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষে পরাজিত হলে কোনো সমীকরণই কাজে আসবে না, সরাসরিই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হবে বাংলাদেশকে।

৪️. পাকিস্তান-ভারত ম্যাচের প্রভাব
পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে ২৩ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে হেরে যায়, তাহলে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কিছুটা উজ্জ্বল হবে। কারণ তখন পাকিস্তানের পয়েন্ট শূন্যই থাকবে, ফলে টাইগারদের সামনে সুযোগ থাকবে।

  • তবে পাকিস্তান যদি ভারতকে হারিয়ে দেয়, তাহলে বাংলাদেশের পথ আরও কঠিন হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের সামনে পরিষ্কার সমীকরণ—বাকি দুই ম্যাচ জিতলে সেমিফাইনালের দৌড়ে ভালো সম্ভাবনা থাকবে। তবে একটি ম্যাচ হারলে অন্যান্য দলের ফল ও নেট রান রেটের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। তাই টাইগারদের জন্য প্রত্যেক ম্যাচ এখন বাঁচা-মরার লড়াই।

ব্রাজিলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ১২ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১৯

ব্রাজিলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষের ফলে ১২ শিক্ষার্থী নিহত এবং আরও ১৯ জন আহত হয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার (স্থানীয় সময়) সাও পাওলো রাজ্যের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় শহর রিবেইরাও প্রেতোতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় দমকল বাহিনী ও সংবাদমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানা গেছে।

দুর্ঘটনার বিবরণ

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি ফ্রাঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বহন করছিল, যা ইউনিফ্রান নামেও পরিচিত। দুর্ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত করা না হলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, ট্রাকটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়।

রাজ্যের দমকল বাহিনী তাদের সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৩১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১২ জন মারা গেছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শোক প্রকাশ ও তদন্ত শুরু

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া সংস্থা ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতি প্রকাশ করেছে, যেখানে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

এপি জানিয়েছে, ব্রাজিলে সড়ক দুর্ঘটনা বেশ সাধারণ ঘটনা। দেশটিতে ২০২৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ বিশ্লেষণ করছে।

আওয়ামী স্বার্থে কাজ করা কর্মকর্তারা আতঙ্কে

রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রেখে প্রশাসন পরিচালনার নীতিতে অটল থাকার গুরুত্ব অপরিসীম। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে বৈষম্যহীনভাবে সেবা প্রদান করা সরকারি কর্মচারীদের অন্যতম দায়িত্ব। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত নির্বাচনের ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি প্রশাসন ও পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকা রাখা জেলা প্রশাসকের (ডিসি) দায়িত্ব পালনকারী ২২ কর্মকর্তাকে গত বৃহস্পতিবার অবসরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও অনেক কর্মকর্তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে এবং কিছু কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্রমতে, বিতর্কিত নির্বাচন ও প্রশাসনিক অসংগতির তদন্তের অংশ হিসেবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে আলোচনাও চলছে।

নির্বাচন ব্যবস্থায় প্রশাসনের ভূমিকা

স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটগ্রহণ ও গণনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সরকারি কর্মকর্তাদের উপর ন্যস্ত থাকে। গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ আচরণ আবশ্যক। তবে পূর্ববর্তী কিছু নির্বাচনে সরকারি কর্মচারীদের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে ১০৩টি আসনের ২১৩টি ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়ার তথ্য সামনে আসে। এ ধরনের অস্বাভাবিক ফলাফলের কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে।

ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও প্রশাসনিক সংস্কার

অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। সরকারি চাকরিবিধি অনুসারে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে কোনো নির্বাচন বিতর্কিত না হয়, সে জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থার কঠোর পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

জনগণের আস্থা ফেরাতে সরকারি কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তাই এই উদ্যোগকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সুষ্ঠু প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ, রাজনীতির সম্পৃক্ততায় আজীবন বহিষ্কার

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ পেলে তাকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে এবং ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না।

আজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৩তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

সংঘর্ষ ও তদন্ত কমিটি গঠন

গতকাল (১৮ ফেব্রুয়ারি) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

এই ঘটনা তদন্তে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এম. এম. এ. হাসেমকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনের পদক্ষেপ

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানান, গতকালের ঘটনায় জড়িত বহিরাগতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এছাড়া, সংঘর্ষে জড়িত শিক্ষার্থীদের সাময়িক বহিষ্কার করা হবে। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

পাঁচ দফা দাবি

সংঘর্ষের পর রাতেই ক্যাম্পাসের মেডিকেল সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়—
1️⃣ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতির সম্পৃক্ততা থাকলে আজীবন বহিষ্কার ও অধ্যাদেশ জারি
2️⃣ সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা ও শাস্তি
3️⃣ ক্যাম্পাসের বাইরে সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন
4️⃣ আহতদের চিকিৎসার ব্যয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে
5️⃣ ব্যর্থতার দায় নিয়ে উপাচার্য, সহ-উপাচার্য ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের পদত্যাগ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।

দামে সস্তা হলেও পাঙাশ মাছ অবহেলার নয়

মাছপ্রেমী বাঙালির পাতে রুই-কাতলা বা ইলিশের জায়গা দিন দিন দখল করে নিচ্ছে স্বল্পদামি পাঙাশ মাছ। অনেকেই মনে করেন, কম দামের কারণে পাঙাশে পুষ্টিগুণ কম। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিকভাবে চাষ ও রান্না করলে এই মাছ হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস।

পুষ্টিগুণে ভরপুর পাঙাশ

পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রাম পাঙাশ মাছে পাওয়া যায় ৬৭৬ কিলোক্যালরি শক্তি, ১৫ গ্রাম আমিষ, ১১ গ্রাম ফ্যাট, ১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২৯ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম, ১৩০ মিলিগ্রাম ফসফরাস এবং ১.৮৫ মিলিগ্রাম জিংক। এছাড়া, এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

কেন খাবেন পাঙাশ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঙাশ মাছ হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক, স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে কার্যকর এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া, এতে থাকা প্রোটিন শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে সাবধানতা প্রয়োজন

বর্তমানে অধিকাংশ পাঙাশ মাছ পুকুরে চাষ করা হয়, যেখানে ব্যবহৃত খাবার ও রাসায়নিক উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ক্ষতি করতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া, পাঙাশে অতিরিক্ত তেল থাকায় অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে রক্তে চর্বির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, খাওয়ার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করা এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্না করাই পাঙাশ মাছ খাওয়ার সঠিক উপায়।

যুবকদের জন্য সার্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণ চালুর বিষয়ে সরকারের আলোচনা

 

দেশের যুব সমাজের জন্য সার্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণ চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে।

তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী আবদুল হাফিজ জানান, এক জেলা প্রশাসকের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়টি আলোচনায় আসে।

তিনি বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্ম সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় প্রতিরক্ষায় অবদান রাখতে পারে। তবে এটি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, যার জন্য আর্থিক বিবেচনাও জরুরি। সরকার অনুমোদন দিলে সশস্ত্র বাহিনী এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত আছে।” এছাড়াও, সম্মেলনে বেসামরিক প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আবদুল হাফিজ জানান, আগস্টের অস্থিরতার সময় লুট হওয়া ৬,০০০ অস্ত্রের মধ্যে তিন-চতুর্থাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো ১,৪০০ অস্ত্র এবং ২,৫০,০০০ রাউন্ড গুলি নিখোঁজ রয়েছে। তিনি বলেন, “যৌথ বাহিনী অবশিষ্ট অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে।”

এছাড়া, তিনি সতর্ক করে বলেন, “স্বৈরাচারী শক্তি ও তাদের মিত্ররা নতুন করে সংগঠিত হয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। জেলা প্রশাসকদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

আসন্ন রমজান উপলক্ষে বাজার স্থিতিশীল রাখা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন হাফিজ। তিনি ডিসিদের এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “মানুষ রাতে শান্তিতে ঘুমাতে চায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সুলভ মূল্যে পেতে চায় এবং ঝামেলাবিহীন সরকারি সেবা প্রত্যাশা করে। পর্যায়ের কর্মকর্তারাই সরকারের প্রকৃত প্রতিনিধি।”দেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় আনার লক্ষ্যে ডিসি সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে। সার্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণের বাস্তবায়ন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোরদার করার বিষয়ে সরকারী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন।