শুক্রবার ,২৪ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 33

‘নৌকা মার্কায় ভোট না দিলে পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস কিচ্ছু থাকব না’- শেখ ফরিদ ভূঁইয়া

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ ভূঁইয়া ওরফে মাসুম মন্তব্য করেছেন নৌকা মার্কায় ভোট না দিলে পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস থাকবে না। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের ঋষিপাড়া এলাকায় নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর পক্ষে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এই কথা বলেন।

এই অংশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার ওই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আজ রোববার বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তিনি ওই ছাত্রলীগ নেতার বক্তব্যের বিষয়ে পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পুলিশ সুপার ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

ছাত্রলীগ নেতা শেখ ফরিদ ভূঁইয়া মাসুম এই ব্যাপারে বলেন, ‘অতীতে অনেকেই রূপগঞ্জের ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু কেউ এই ঋষিপাড়ার মানুষকে মূল্যায়ন করেননি। গোলাম দস্তগীর গাজী তাঁদের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির ব্যবস্থা করেছেন। তাঁদের মন্দির করে দিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত না হলে আবারও ঋষিপাড়ার মানুষ অবহেলিত হবেন। তাঁদের গ্যাসের সমস্যা, পানির সমস্যা সৃষ্টি হবে। বক্তব্যে আমি সে কথাই বলেছি। বিপক্ষের প্রার্থীরা এটাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছেন।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রাতে ঋষিপাড়া পঞ্চায়েত কমিটি এলাকার মন্দিরের সামনে ওই উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। প্রায় ছয় মিনিট বক্তব্য দেন শেখ ফরিদ ভূঁইয়া। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানকার (ঋষিপাড়া) মা–খালারা জানেন, আজ থেকে ১০ বছর আগেও কিন্তু এত সুন্দর মন্দির ছিল না। উপজেলার সবচেয়ে পুরোনো মন্দির কালীবাড়ি মন্দির। সেই মন্দির থেকেও ঋষিপাড়ার মন্দিরটি সুন্দর। গোলাম দস্তগীর সব সময় আপনাদের পাশে আছেন। আপনাদের বয়স্ক ভাতা দিচ্ছেন, পানি দিচ্ছে, গ্যাস দিচ্ছে। সব দিকের গ্যাস কিন্তু কাইটা দিছে, একমাত্র মুড়াপাড়ার গ্যাসে কেউ হাত দিতে পারে নাই। এটা কিন্তু মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর অবদান।’

গোলাম দস্তগীর গাজীর পক্ষে ভোট চেয়ে শেখ ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, ‘অনেকেই আইসা বলব, “আমিও আওয়ামী লীগ করি।” কিন্তু নেত্রী শেখ হাসিনার মার্কা হলো নৌকা। তিনি রূপগঞ্জে গাজী সাহেবকেই নৌকার দায়িত্ব দিছেন। আপনাদের আইসা কেউ যদি ভুলভাল বলে, আপনারা কিন্তু কোনো ভুল করবেন না। আপনাদের যে মূল্যবান ভোট, আপনাদের যে আমানত, এটা কিন্তু গাজী সাহেবকেই দিতে হবে। নৌকা মার্কায়ই আপনাদের ভোট দিতে হবে। এটা মনে রাইখেন। নয়তো এই যে আপনাগো পানি আছে, বিদ্যুৎ আছে, গ্যাস আছে—এইগুলা কিন্তু কিচ্ছু থাকব না। এইগুলা কিচ্ছু থাকব না।’

জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছেএই সরকার : এবি পার্টি

আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারা আরো বলেছে, আওয়ামী লীগের ‘একদলীয়’ নির্বাচনী ট্রেন পুরো দেশকে নিয়ে শিগগিরই লাইনচ্যুত হবে।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে এক সমাবেশে এবি পার্টির নেতারা এসব কথা বলেছেন। ‘প্রহসনের নির্বাচন বর্জন করুন, জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণে প্রচার’ স্লোগানে পদযাত্রা উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশের পাশাপাশি ভোট বর্জনের আহ্বানে ঢাকার বিজয়নগর, কাকরাইল, পুরানা পল্টন এলাকায় পদযাত্রা করেছেন এবি পার্টির নেতা–কর্মীরা। এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল ওহাব বলেন, সরকার জনগণের ভোটাধিকার পদদলিত করে একটি প্রহসনের নির্বাচন করতে যাচ্ছে। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্তহীন আওয়ামী লীগের ‘একদলীয়’ নির্বাচনী ট্রেন পুরো দেশকে নিয়ে শিগগিরই লাইনচ্যুত হবে। দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও কিছু দালাল ছাড়া এই নির্বাচনী ট্রেনে অন্য কোনো যাত্রী নেই।

আওয়ামী লীগ সরকার ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে অভিযোগ করে এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা গণভবনে বসে ঠিক করছেন কে নৌকায়, কে লাঙ্গলে আর কে মশাল আর ঈগল নিয়ে নির্বাচন করবে। নৌকা, লাঙ্গল, মশাল, ঈগল, বাস আর একতারা—সবই শেখ হাসিনার লোক।

ট্রেনে আগুন লাগিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হত্যার ঘটনা আওয়ামী লীগ ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংগঠনটির যুগ্ম সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

গুলিস্তানে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

আগামীকাল বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি ডাক দিয়েছে কিন্তু আগের আজ শনিবার রাতে রাজধানীর গুলিস্তান টোল প্লাজার পাশে একটি যাত্রীবাহী রজনীগন্ধা পরিবহনের বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ফায়ার সার্ভিস কৰ্মীথেকে জানা যায় রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে বাসে আগুন দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। বিস্তারিত এখনো কিছু জানা যায়নি।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন গণমাধম সূত্র থেকে জানা যায় যে ,২৮ অক্টোবরের পর থেকে আজ ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ২৫৭টি যানবাহনে (ট্রেন ছাড়া) আগুন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীতে ১২৭টি যানবাহনে আগুন দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ট্রেনে নাশকতার পাঁচ ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু।

গত ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ পুলিশের অভিযানে পণ্ড হওয়ার পর ২৯ অক্টোবর থেকে দলটি চার দফা হরতাল ও ১২ দফায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করে দলটি। কাল রোববার ১৩তম দফায় সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা অবরোধের কর্মসূচি রয়েছে। এরপর আবার নতুন কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে বিএনপির সূত্রগুলো জানিয়েছে।

২১ ডিসেম্বর থেকে বিএনপিসহ আন্দোলনে থাকা দলগুলো সরকারের একতরফা ভোট বর্জন ও বর্তমান সরকারকে অসহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে সারা দেশে প্রচারপত্র বিতরণ করে। শনিবার শেষ দিনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করেন।

দিন দিন কমে যাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড এর মার্কেট শেয়ার!

বর্তমানে আমরা সকলেই অ্যান্ড্রয়েড‌ এবং আইফোনের সাথে সকলেই পরিচিত। একটা সময় অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনের প্রতিযোগিতা তীব্র ছিল। কিন্তু, বর্তমানে বেশিরভাগ লোকই অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করতে চান না এবং অনেকেই অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহার করা ছেড়ে দিচ্ছেন।

সময়ের সাথে সাথে মানুষের পছন্দের পরিবর্তন হয়েছে। ‌বর্তমানে, অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে এবং আইফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে, ‌মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। ‌আর মাত্র পাঁচ বছরে বিশ্বব্যাপী অ্যান্ড্রয়েডের মার্কেট শেয়ার ৮% কমেছে। ‌যদিও সার্বিক দিক বিবেচনা করলে Android এর মার্কেট শেয়ার শুধুমাত্র ৮ শতাংশ কমেছে। ‌কিন্তু, এই ৮% মার্কেট শেয়ার কমার কারণে বিলিয়নের ও বেশি লোক অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করা ছেড়ে দিয়েছে এবং যারা আইফোনে স্যুইচ করেছে।

যদিও বর্তমানে iPhone মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া আন্তর্জাতিক বিশ্বে অতটা জনপ্রিয়তার লাভ করেনি। তবে, বিশ্বের অন্যান্য দেশে ও এই মুহূর্তে আইফোন সবচেয়ে পছন্দের একটি ডিভাইস।

অ্যান্ড্রয়েড এর বর্তমান মার্কেট শেয়ার

গত ২ দশক ধরে অ্যান্ড্রয়েড বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। আর বছরের পর বছর ধরে তারা স্মার্টফোন মার্কেটে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ দখল করেছিল। কিন্তু, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যান্ড্রয়েড এর অবস্থান পরিবর্তিত হচ্ছে।

গত ৫ বছরে বিশ্বব্যাপী Android এর ৭৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার থেকে ৮% ব্যবহারকারী কমে গিয়ে ৬৯% হয়েছে। যদিও আপনার কাছে এটিকে সামান্য পরিবর্তন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু, আমরা যদি বিশ্বের সমস্ত মানুষের কথা কল্পনা করি তাদের সবার হাতে স্মার্টফোন রয়েছে, তাহলে ৮% অ্যান্ড্রয়েডের মার্কেট শেয়ার কমে যাওয়ার কারণে অ্যান্ড্রয়েড তাদের বিশ্বব্যাপী অর্ধ বিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী হারিয়েছে।

ন্ড্রয়েড এর এই পতনের পেছনে বেশ কিছু প্রভাব রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ‌অন্যতম হলো ভোক্তাদের পছন্দের পরিবর্তন, স্মার্টফোন প্রযুক্তির বিকাশ, আকর্ষণীয় ফিচার, প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের উত্থান সহ আরো বেশ কিছু কারণে অ্যান্ড্রয়েড এর মার্কেট শেয়ার কমে যাচ্ছে। এমনকি আঞ্চলিক ও জনসংখ্যা গত বৈচিত্রতার কারণে ও Android ব্যবহারকারীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাচ্ছে। আর এ কারণে লক্ষণীয় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের বহিরাগত হিসেবে দেখা হয়।

পহেলা জানুয়ারি ঢাকার জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের দপ্তর সূত্র মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। ১ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় মোহাম্মদপুর-ধানমন্ডির শারীরিক চর্চা কেন্দ্রীয় মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন।

বছরের প্রথম দিন আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকায় জনসভা করবে আওয়ামী লীগ। ঢাকা-১০ ও ১৩ সংসদীয় আসনে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আগামী ১ জানুয়ারি ঢাকা-১৩ আসনে জনসভা হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও শেখ হাসিনা জনসভায় উপস্থিত থাকবেন।

সুষ্ঠু নিবার্চনের জন্য দরকার সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা তৈমুর

তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠ হবে কিনা তা নিয়ে ‘শঙ্কা’ প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেন ‘নির্বাচনে মোতায়েন করা সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা’ দেওয়া দরকার। তিনি জানান, ‘২০১৮ সালেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তখন তা গোপালের ভূমিকা পালন করেছেন। তারা শুধুমাত্র ডানে বা বামে ঘুরে দেখেছেন, তাদের হাতে ব্যবস্থা গ্রহন করার কোনো ক্ষমতা ছিল না।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকা রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জে প্রচারণা কার্যক্রম চলাকালীন সাংবাদিকদের তিনি এ দাবির কথা জানান।

সম্প্রতি উপজেলার কাঞ্চন বাজারে ক্ষমতাসীন দলের দুই পক্ষের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষের কথা তুলে ধরে তৈমুর বলেন, ‘কাঞ্চনে সরকারদলীয় দুইপক্ষের লোকজন যেভাবে রাম দা, দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে, তাতে এখন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি হবে না, তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ছি।

‘নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমি দেখি না। পরিস্থিতি তো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে’, যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সরকারি দলের মধ্যেই যদি এ রকম খুনোখুনি শুরু হয়, আর এর যদি কোনো ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী নিতে ব্যর্থ হন, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি তিনি রক্ষা করতে পারবেন না। তিনি তাহলে কীভাবে আমাদের নিরাপত্তা দেবেন? তাহলে তো বিরোধী দলের কথাই সত্য হবে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। ‘

সেনাবাহিনীকে ‘বিচারিক ক্ষমতা’ প্রদানের দাবি জানিয়ে তৈমুর বলেন, ‘সেনাবাহিনীকে নামানো হবে, আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু সেনাবাহিনীকে সাক্ষী-গোপাল করে রাখা যাবে না। যেখানে সন্ত্রাস সেখানে প্রতিরোধ করতে পারার ক্ষমতা সেনাবাহিনীকে দিতে হবে৷ জনগণ যেন সেনাবাহিনীর কার্যকলাপে মনে করতে পারে, সেনাবাহিনী আসছে একটা সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য৷’

তৃণমূল বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ‘রাস্তাঘাটে ঘুরে না বেড়িয়ে সেনাবাহিনী যেন কেন্দ্রে অবস্থান করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে৷ কারণ ভোট জালিয়াতি হয় কেন্দ্রে৷ নতুবা সেনাবাহিনী মোতায়েন করে কাজের কাজ কিছুই হবে না।’

তৈমুর বলেন, ‘দেশের প্রায় সব জায়গায় তৃণমূল বিএনপির প্রার্থীরা সরকারের পার্থী দ্বারা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা কোন পোস্টার লাগাতে পারছে না। আমি নিজে আমার এলাকার পোস্টার রাতের পর আর খুজে পাচ্ছি না। আমি এ ব্যাপারে পুলিশকে জানিয়েছি দেখি তারা কি ব্যবস্থা নেয়।’

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ৬৫৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সারা দেশে পাঁচ দিনের জন্য ৬৫৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আইন শাখার উপসচিব আব্দুস সালাম সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেন। এ সময় আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়। আদেশ অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনী এলাকার অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারবেন। যেমন, ব্যালট পেপার ছিনতাই, ব্যালট বক্স ছিনতাই, ব্যালট পেপার ধ্বংস করা, ভোটদানে বাধা দেওয়া বা বাধ্য করা, ভোটকেন্দ্রের পরিবেশকে ভোটের উপযোগী না রাখা- এসব অপরাধের তাত্তক্ষনিক বিচার করতে পারবেন।

এসব নির্বাচনী অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে নির্বাচনী এলাকায় ৬৫৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ভোটগ্রহণের পূর্বের দুই দিন, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরের দুই দিন (৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারি) তারিখ পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ প্রদান করল। ইসি জানায়, ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী এলাকায় উক্ত নিয়োগকারীরা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব বরাবর যোগদানপত্র দাখিল করবেন তারপর সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করবেন। ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করার সময় কোনো নির্বাচনী অপরাধ আসলে তা আমলে নিলে তার প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব (আইন) বরাবর প্রেরণ করবেন। জানা গেছে, ম্যাজিস্ট্রেটরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করার সময় কয়েকজন সহকারী সঙ্গে নিতে পারবেন। অফিস প্রধান এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য তাদের নিজ নিজ নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট সহকারী বিধি অনুসারে দৈনিক যাতায়াত ভাতাপ্রাপ্ত হবেন।

একযুগে বাংলাদেশে বিদেশী ঋণ বেড়েছে আড়াই গুণ: বিশ্বব্যাংক

২০২২ সালে বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সম্মিলিত বিদেশী ঋণের পরিমাণ কমলেও বাংলাদেশের বেড়েছে। গত বছর নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সম্মিলিত ঋণের পরিমাণ ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমলেও বাংলাদেশের বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ১২ বছরে বাংলাদেশের ঋণ আড়াই গুণের বেশি বেড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বৈশ্বিক ঋণ প্রতিবেদন ২০২৩-এর তথ্যানুসারে, ২০২২ সাল শেষে বাংলাদেশের বিদেশী ঋণের পরিমাণ ছিল ৯৭ দশমিক শূন্য ১২ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ৭১২ কোটি ডলার। ২০২১ সালে যা ছিল ৯১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ১৪৭ কোটি ডলারের বেশি। সেই হিসাবে এক বছরে বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশের বেশি। ২০১৫ সালের পর ২০২২ সালে এ প্রথম নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে নিট ঋণ প্রবাহ কমেছে। ২০২২ সালে এসব দেশ ঋণ পেয়েছে ১৮৫ বিলিয়ন বা ১৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার; ২০২১ সালে যা ছিল ৫৫৬ বিলিয়ন বা ৫৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ এই এক বছরে নিট ঋণ প্রবাহ কমেছে ৬৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।

 

গত বছর স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় প্রকৃতির ঋণই কমেছে। বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক ঋণ প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, ২০১০ সালে বাংলাদেশের মোট বিদেশী ঋণ ছিল ২৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন (২ হাজার ৬৫২ কোটি) ডলার; ২০১৮ সালে যা ৫৭ দশমিক ১২ বিলিয়ন (৫ হাজার ৭১২ কোটি) ডলার ও ২০২২ সালে তা ৯৭ বিলিয়ন (৯ হাজার ৭০০ কোটি) ডলার ছাড়িয়ে যায়। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০১০ সালের পর ১২ বছরে বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ বেড়েছে আড়াই গুণের বেশি। ২০২২ সালে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বিনিয়োগের গতি প্রকৃতি বদলে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ বেড়েছে। দেশের ঋণ নিয়ে এক ধরনের উদ্বেগ তৈরি হলেও সামগ্রিক ঋণ-জিডিপির অনুপাত এখনো ৪০ শতাংশের নিচে। তবে বিদেশী ঋণের অর্থে যেসব প্রকল্প হচ্ছে, সেখান থেকে বিদেশী মুদ্রা আয়ের তেমন সুযোগ নেই। সেই সঙ্গে টাকার যেভাবে অবমূল্যায়ন হচ্ছে, তাতে সরকারের ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়ে যাবে। এর সঙ্গে রাজস্ব আয় আনুপাতিক হারে না বাড়লে ঋণ পরিশোধ নিয়ে শঙ্কা থেকে যায় বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। ২০২১ সালে বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সম্মিলিত বিদেশী ঋণের পরিমাণ ছিল ছিল ৯ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন বা ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি ডলার। ২০২২ সালে ঋণের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৯ ট্রিলিয়ন বা ৯ লাখ কোটি ডলারে। অর্থাৎ এ সময়ে সম্মিলিতভাবে এসব দেশের বিদেশী ঋণ কমেছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রীর ভোট চাওয়ার মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করে আওয়ামী লীগ

আজ সিলেট সমাবেশে দেশবাসীর কাছে তাঁর দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘নৌকায়’ ভোট চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তিনি জানায় আগামীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ের কথা। এই ভোট চাওয়ার মধ্যে দিয়ে মধ্য দিয়ে আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন তিনি।ঐতিহ্য মেনে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহ পরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন শেখ হাসিনা।এই সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন এবং সমাবেশের মঞ্চেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ মানে স্মার্ট সরকার, স্মার্ট জনগণ, স্মার্ট ইকোনমি এবং স্মার্ট সোসাইটি। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব, যা টেকসই অর্থনীতি, মেধাভিত্তিক শিক্ষা, উন্নত সমাজ, ন্যায়পরায়ণ বাংলাদেশ, স্বচ্ছ বাংলাদেশ হবে।’
‘আগামী নির্বাচনে আমরা যাদের নৌকা মার্কার প্রার্থী দিয়েছি, তাদের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন। আপনাদের কাছে সেটাই আমার আহ্বান।’
‘আপনারা কি নৌকার প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন?’ প্রধানমন্ত্রী সমবেত জনতার উদ্দেশে এ প্রশ্ন রাখলে উপস্থিত জনতা সমস্বরে দুই হাত তুলে তাতে সম্মতি জানান।

সমাবেশে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লুটেরা-খুনি-দুর্নীতিবাজ ও এতিমের টাকা আত্মসাৎকারীরা নির্বাচন বানচাল করার জন্য মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করছে। যারা লুটেরা, খুনি, হত্যাকারী, দুর্নীতিবাজ, এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী; তারাই এ দেশের মানুষকে আগুন দিয়ে পোড়ায়। নির্বাচন বানচাল করতে চায়। তিনি অগ্নিসংযোগ এবং মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
অগ্নিসন্ত্রাস করে বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, মানুষের জীবন কেড়ে নেবে, মানুষকে ভোট দিতে দেবে না, নির্বাচন বন্ধ করবে, এত সাহস কোথা থেকে পায়?

প্রধানমন্ত্রী ‘কুলাঙ্গার’ বলে আখ্যায়িত করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে, ওই লন্ডনে বসে একটা কুলাঙ্গার হুকুম দেয়, আর কতগুলো লোক এখানে আগুন নিয়ে খেলে। আগুন নিয়ে খেলতে গেলে আগুনেই হাত পোড়ে, এটা তাদের মনে রাখা উচিত। তারা মনে করেছে, অগ্নিসংযোগের কয়েকটি ঘটনা ঘটালেই সরকার পড়ে যাবে। অত সহজ নয়।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার ফলে জনগণ সুফল পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সোনার বাংলা গড়ে তোলা এবং সেই লক্ষ্যেই আমি নিরলস কাজ করছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর হারানোর কিছু নেই। কারণ, তিনি বাবা, মা, ভাইসহ পরিবারের আপনজন সবাইকে হারিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আর আমার একমাত্র ছোট বোন। সবকিছু হারিয়ে এবং আমার ছোট বাচ্চাদের তাদের মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত করে আমি ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসেছি শুধু আমার বাবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণ করতে।’

তাঁর সরকারের বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে সিলেটে মেট্রোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে, বন্যা রোধে নদীর তীর উন্নয়ন, ঢাকা-সিলেট রুটে ডাবল ট্র্যাক রেললাইন বসানো, সিলেটের প্রবেশদ্বারখ্যাত কিনব্রিজের পাশে আরেকটি ব্রিজ নির্মাণ, কুশিয়ারা, মনু ও অন্যান্য নদীতে ড্রেজিং পরিচালনার পাশাপাশি এখন ৫০ বছর পর সুরমা নদীর ড্রেজিং করা হচ্ছে এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ নৌকায় ভোট দিলে এবং আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারলে সমগ্র বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী করে তুলব। আর কোনো মানুষ গৃহহীন, ঠিকানাবিহীন এবং ভূমিহীন হবে না। এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে।’

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৩৩৭

আজ বুধবার রাতে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ১ম পর্বের বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ৩৩৭ জন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট -এ ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।

মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

৮ ডিসেম্বর ৩ বিভাগের ১৮ জেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।