বুধবার ,১৩ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 207

কলকাতায় বাংলাদেশের বইয়ের সমাহার

ভারতের কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে (বইপাড়া) অত্যাধুনিক সাজসজ্জায় অভিযান বুক ক্যাফের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই বুক ক্যাফেতে বাংলাদেশের বইয়ের বিশাল সমাহার থাকবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রদীপ জ্বালিয়ে বুক ক্যাফেটি উদ্বোধন করেন দেজ পাবলিকেশনের প্রকাশক সুধাংশু শেখর দে, লেখক কমল চক্রবর্তী, কবি রুদ্র গোস্বামী, প্রকাশক রূপা মজুমদার, কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সন্দীপ দত্ত, বাংলাদেশের প্রকাশক দীপঙ্কর দাস, মনিরুজ্জামান মিন্টু প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, বর্তমান সময়ে বুক স্টোর ও ক্যাফে একটি জনপ্রিয় ধারা।

অভিযান বুক ক্যাফেতে বাংলা প্রকাশনা ও মুদ্রণের ২৪৪ বছরের ইতিহাসকে ফুটিয়ে তোলার মধ্য দিয়ে সেই ধারা অনন্য হয়ে উঠেছে। প্রায় এক শ বছরের পুরনো ছাপার মেশিন রাখা হয়েছে এখানে। দেয়ালে দেয়ালে স্থান পেয়েছে মুদ্রণ ও প্রকাশনায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংস্থার ছবি। চায়ের কাপে রয়েছে বাংলার প্রথম মুদ্রণের বর্ণমালা।

 

বাংলাদেশের অভিযান প্রকাশনীর কর্ণধার কবি মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‘বাংলাদেশের বইয়ের বিশাল সমারোহ ও অভিযান বুক ক্যাফের এই পথচলা-বাংলা বইয়ের বাজারকে সমৃদ্ধ করবে। শুধু বইয়ের দোকান নয় এটি, বুক ক্যাফে বটে! ফলে শিল্পের অপরাপর মাধ্যমগুলোও কোনো না কোনোভাবে এটাকে যুক্ত করবে। ’

দেড় দশক ধরে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন কবি ও কথাসাহিত্যিক ড. রাহেল রাজিব। তিনি বলেন, ‘বই বিষয়ক যেকোনো আয়োজন একটি সমাজকে সামনে এগিয়ে নেয়। অভিযান বুক ক্যাফের অবস্থান কলকাতা কলেজ স্ট্রিট হলেও সেখানে বাংলাদেশের বইয়ের সমাহার এবং শিল্পবিষয়ক অপরাপর বিষয়গুলোর সম্পৃক্তি প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেবে। ’

মহাকাশ স্টেশনে ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলা বই

১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল রাশিয়ার নাগরিক ইউরি গ্যাগারিন পৃথিবীর প্রথম কোনো মানুষ হিসেবে মহাকাশে গমন করেন। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ৪২ টি দেশের প্রায় ৬০০ নাগরিক মহাকাশে গমন করেছেন। ১৯৯৮ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন তৈরির পর থেকে আজ পর্যন্ত সব সময় পৃথিবীর কোনো না কোনো মহাকাশচারী গবেষণার জন্য মহাকাশে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থান করছেন।

এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি মহাকাশচারী মহাকাশে গমন না করলেও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের লাইব্রেরিতে জায়গা করে নিয়েছে বাংলা ভাষায় লেখা বই ‘মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’।

মহাকাশের বিভিন্ন মৌলিক বিষয় নিয়ে বইটি লিখেছেন শাহ জালাল জোনাক। এটি বাংলা ভাষার প্রথম বই, যা মহাকাশে বা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের লাইব্রেরিতে স্থান করে নেয়।
রাশিয়ান মহাকাশচারী এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বর্তমান কমান্ডার ওলেগ আর্তেমইয়েভ গত ১৮ই মার্চ ২০২২ তারিখে কাজাখস্তানে অবস্থিত রাশিয়ার বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে মহাকাশে যাওয়ার সময় এই বইটি মহাকাশে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি মহাকাশে অবস্থান করছেন এবং  ৩ জুন তিনি বইয়ের লেখক শাহ জালাল জোনাককে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে তাঁর বইয়ের ছবি এবং একটি ভিডিও ক্লিপ প্রেরণ করেন যাতে দেখা যায় বাংলা ভাষার প্রথম কোনো বই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ভেসে বেড়াচ্ছে।

 

ছবি ও ভিডিও এর সাথে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বর্তমান কমান্ডার রাশিয়ান মহাকাশচারী ওলেগ আর্তেমইয়েভ একটি ক্ষুদে বার্তাও পাঠান, সেখানে তিনি লিখেন- “তোমার দেশ এবং তোমার দেশের মানুষের জানা উচিত যে তোমাদের ভাষার বই ইতোমধ্যেই মহাকাশে চলে এসেছে এবং পরবর্তী ধাপ হওয়া উচিত মহাকাশে তোমার দেশের মানুষের কোনো প্রতিনিধি (মহাকাশচারী) এবং এটা তোমার হওয়া উচিত। ”

শাহ জালাল জোনাক বর্তমানে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে রাশিয়ার বাউমান মস্কো স্টেট টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে রকেট কমপ্লেক্স অ্যান্ড স্পেস সায়েন্স বিষয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের শতভাগ শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করছেন এবং একজন মহাকাশচারী হবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন।

শাহ জালাল জোনাক বলেন, প্রায় ১৩০০ বছর ধরে চলতে থাকা আমাদের বাংলা ভাষার কোনো বই এই প্রথম মহাকাশে স্থান করে নেয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে আমার লেখা “মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি” বইটির ভিডিও করে পাঠিয়েছেন রাশিয়ার মহাকাশচারী এবং বর্তমান আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কমান্ডার ওলেগ আর্তেমইয়েভ। এই গর্ব শুধু আমার না বা বাংলাদেশের না, এই গর্ব পুরো বাংলা ভাষাভাষীর।

তাঁর লেখা ‘মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’ বইটি ২০২০ সালে তাম্রলিপি প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করা হয়। এই বইটি ছাড়াও শাহ জালাল জোনাক আরও ৬টি বই লিখেছেন।

শেষ হলো নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলা

মানুষের উপচে পড়া ভিড়, বই বিক্রি, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চার দিনের নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলা। নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকা পারফরমিং আর্টস সেন্টারে বইমেলার ৩১তম আসরটি বসে।

এবারই প্রথম উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলা। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে জ্যামাইকা পারফরমিং আর্টস সেন্টার পরিণত হয় লেখক-প্রকাশক ও পাঠকদের মিলনমেলায়।

 

সেই সঙ্গে মেলা প্রাঙ্গণ জমিয়ে রাখেন নিউ ইয়র্কের সংস্কৃতিপ্রেমীরা।

 

kalerkantho

রবিবার (৩১ জুলাই) মেলার সমাপনী দিন প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন স্টল দেখেন। প্রকাশক, লেখক ও পাঠকদের সঙ্গে কথা বলেন। অংশ নেন বই আলোচনায়। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলার একদম শুরু থেকেই আমি যুক্ত ছিলাম। এটি একটি অসাধারণ উদ্যোগ। বিশেষ করে প্রবাসে বাংলাভাষী মানুষের অংশগ্রহণে এটি অন্যতম বড় একটি আয়োজন। এই মেলা আসলে একটি মিলনকেন্দ্র। এখানে এলে আমার সব সময়ই ভালো লাগে। ’

kalerkantho

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, মেলায় এবার বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। সব মিলিয়ে ২০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মেলায় বেচা-বিক্রিও ছিল প্রত্যাশা অনুযায়ী।

তিনি বলেন, এবারের মেলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য খোলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়া। ফলে মানুষের অংশগ্রহণে মেলা হয়ে ওঠে আরো প্রাণবন্ত।

ঢাকা থেকে অংশ নেওয়া অনন্যা প্রকাশনীর প্রকাশক মনিরুল হক বলেন, কভিড-পরবর্তী সময়ে কার্যকর মেলা করা যায়নি। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচল। মেলায় বিক্রিও বেশ ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, মূলত বাংলা একাডেমি, কলকাতার মেলার পর নিউ ইয়র্কের এ মেলাই বাংলা ভাষার অন্যতম বইমেলা। ফলে এর আকর্ষণ অন্য রকম।

গত বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) চার দিনের এই বইমেলা শুরু হয়। এর উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক অমর মিত্র। কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘যখন আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম তখনো ভাবতে পারিনি এত বড় একটি মেলায় আমি যোগ দিতে যাচ্ছি। এককথায় আমি বলব, এটি একটি অসাধারণ আয়োজন। বিপুল সংখ্যক পাঠকের অংশগ্রহণ দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। ’

এবারের বইমেলায়, মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন ভাষা গবেষক, লেখক অধ্যাপক গোলাম মুরশিদ। এ পুরস্কারের অর্থমান ৩০০০ ইউএস ডলার। ২০১৬ সালে কবি নির্মলেন্দু গুণকে প্রদানের মাধ্যমে এ পুরস্কারটি মুক্তধারা ফাউন্ডেশন প্রবর্তন করে। এরপর শামসুজ্জামান খান, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, দিলারা হাশেম, সেলিনা হোসেন ও সমরেশ মজুমদার এ পুরস্কারে ভূষিত হন। এদিকে দেশি কবিতা বইয়ের জন্য শহীদ কাদরী গ্রন্থ পুরস্কার পেয়েছেন কবি মুজিব ইরম। মেলায় রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ অন্য শিল্পীদের গান দর্শকদের জন্য বাড়তি আনন্দের খোরাক জোগায়।

‘মাসুদ রানা’ ও ‘কুয়াশা’ সিরিজের ৩১০ বই প্রকাশ-বিক্রিতে স্থিতাবস্থা

পাঠকপ্রিয় স্পাই থ্রিলার ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের ৩১০টি বইয়ের মালিকানা স্বত্ব সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যথন্ত এসব বইয়ের প্রকাশ ও বিক্রিতে ‘স্থিতাবস্থা’ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

সেই সঙ্গে এসব বইয়ের মালিকানা স্বত্ব সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীদের আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীদের লিভটু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) গ্রহন করে সোমবার এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুরাদ রেজা ও হামিদুল মিসবাহ।

রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও মো. ইফতাবুল কামাল অয়ন।
আইনজীবী খুরশীদ আলম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, “মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের ৩১০টি বইয়ের লেখক শেখ আব্দুল হাকিম বইগুলোর ‘মালিকানা সত্ব’ দাবি করে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই কপিরাইট অফিসে কপিরাইট আইনের ৭১ ও ৮৯ ধরা লঙ্ঘনের অভিযোগ  দায়ের করেছিলেন। আপিল বিভাগ সে কার্যইক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি এসব বইয়ের প্রকাশ ও বিক্রিতে স্থিতাবস্থাও জারি করেছেন। ”
আর কপিরাইট অফিসের আরেক আইনজীবী মো. ইফতাবুল কামাল অয়নের ভাষ্য, “এসব বইয়ের বাণিজ্যিক কার্যেক্রমে স্থিতাবস্থা জারি করায় সেবা প্রকাশনী বা অন্য যে কেউ ৩১০টি বই প্রকাশ বা বিক্রি করতে পারবে না। ”
তবে কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীদের আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, “আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে স্টেটাস কো (স্থিতাবস্থা) দিয়েছেন। তার মানে হল- সেবা প্রকাশনী চাইলে মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের ৩১০টি বই প্রকাশ বিক্রি করতে পারবে। ”
‘মাসুদ রানা‘ ২৬০টি এবং ‘কুয়াশা’ সিরিজের ৫০টি বইয়ের ‘মালিকানা সত্ব’ দাবি করে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই কপিরাইট অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন বইগুলোর লেখক শেখ আব্দুল হাকিম। সেখানে কপিরাইট আইনের ৭১ ও ৮৯ ধরা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয় কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে।
তিন দফা শুনানি, দুই পক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি ও তৃতীয় পক্ষের বক্তব্যের পার রেজিস্ট্রার অব কপিরাইট ২০২০ সালের ১৪ জুন রায় দেন। রায়ে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনের ৭১ ও ৮৯ ধারা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়। রায়ের সিদ্ধান্তে বলা হয়, ‘সুষ্ঠু সমাধান ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে কপিরাইট বোর্ড বা বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহন পর্যরন্ত আবেদনকারীর দাবিকৃত ও তালিকাভুক্ত বইগুলোর প্রকাশ বা বণিজ্যিক কার্যরক্রম গ্রহন থেকে বিরত থাকার জন্য প্রতিপক্ষকে (কাজী আনোয়ার হোসেনকে) নির্দেশনা দেওয়া হলো। এছাড়া প্রতিপক্ষকে আবেদনকারীর কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনকৃত প্রকাশিত বইগুলোর সংস্করণ ও বিক্রিত কপির সংখ্যা এবং বিক্রয় মূল্যের হিসাব বিবরণী এ আদেশ জারির তারিখের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হল। ’
কপিরাইট অফিসের এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালে হাইকোর্টে রিট করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানির পর ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট কপিরাইট অফিসের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল দেন। ‘এখতিয়ার বহির্ভূত’ বিবেচনায় কপিরাইট অফিসের ওই রায় কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- জানতে চাওয়া হয় রুলে।
সব পক্ষের শুনানির পর রুল খারিজ করে অর্থাৎ কপিরাইট অফিসের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। আদালত রায়ে বলে দেন কাজী আনোয়ার হোসেন কোনো প্রতিকার চাইলে কপিরাইট আইন, ২০০০ অনুযায়ী জেলা অথবা দায়রা জজ আদালতে যেতে পারবেন।
এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীরা। গত ২৪ এপ্রিল সে আবেদন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে উঠলে তা শুনানির তারিখ দিয়ে নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। সে ধারাবাহিকতায় সোমবার শুনানির পর আদেশ হল।

জেনে নিন চুলের রুক্ষতা দূর করার ঘরোয়া উপায়

রুক্ষ-শুষ্ক চুলে স্টাইল করা বেশ কঠিন। থাকে না কোনো উজ্জ্বলতা। চুলে হাত দিলেই বুঝবেন খসখসে হয়ে গেছে। যত্নের অভাবে বা অন্য কোনো কারণে চুল শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

যেমন হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেইটনার, কার্লিং আয়রন এর নিয়মিত ব্যবহারের কারণে চুল ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে আগা ফেটে যায়, চুল ভেঙে যায় বা চুল রুক্ষ হয়ে যায় সহজেই। তবে ভয়ের কিছু নেই। চুলের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে পারেন কিছু ঘরোয়া উপায়ে। চলুন জেনে নেই।

১.চুলের আগা ছেঁটে ফেলা

আপনার চুল যদি খুব শুষ্ক হয়ে পড়ে অথবা আগা ফেটে যায় তাহলে, চুলের আগা একটু ছেঁটে নেওয়া ভালো। এরপর নিয়মিত চুলের যত্ন নিন।

২.চুলের যত্নে ভিটামিন

আমরা জানি শরীরের জন্য ভিটামিন খুব দরকারি। জানেন কী কিছু ভিটামিন সরাসরি চুলের ওপর প্রভাব ফেলে। হতের নখের জন্যও বেশ কার্যকরী। যেমন ভিটামিন এ, সি এবং বায়োটিন এবং মিনারেল আয়রন। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, বায়োটিন চুলের জন্য খুব বেশি একটা কাজ করে না। বাকি ভিটামিনগুলো খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে পারেন।

৩.ওমেগা-৩ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার

সামুদ্রিক প্রোটিন আছে এমন জিনিস খেয়ে দেখতে পারেন। এত আছে ওমেগা-৩ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা চুলের জন্য বেশ ভালো। সামুদ্রিক প্রোটিন  চুলকে পাতলা হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। চুলকে আরো উজ্জ্বল করে। সামুদ্রিক মাছে পাবেন প্রচুর ওমেগা-৩। আখরোট, কিডনি বিন, ব্লুববেরি, ব্রকলি এবং টমেটোতে পাবেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটিও আপনার চুল উজ্জ্বল করবে। শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাবে।

৪. প্রতিদিন চুল ধুবেন না

শ্যাম্পু আপনার চুলের ময়লা, ঘাম দূর করে। তবে প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু লাগালে চুলের ‘সিবাম’নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সিবাম হলো চুলের প্রাকৃতিক তেল যা, চুলকে সুন্দর রাখে। এক দিন পরপর চুল ধোয়া ভালো। যদি আপনার চুল ধুতেই হয় তাহলে, বেবি শ্যাম্পু বা ড্রাই হেয়ারর জন্য তৈরি শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন। এতে চুলে থাকা প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হবে না।

৫. তোয়ালে দিয়ে চুল জড়িয়ে রাখুন 

চুলের আদ্রতা ধরে রাখেতে, চুল ভেজানোর পর তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন। বাতাসে চুল শুকানোর পর যদি আপনার মনে হয় চুল শুষ্ক হয়ে গেছে, তবে এই কাজটি করে দেখতে পারেন। অনেক সময় চুল ভেজা রাখবেন না। ভেঁজা চুল বেঁধে রাখবেন না।

৬. নারিকেল তেল

নারিকেল তেল চুলের জন্য বেশ উপকারি আমরা সবাই জানি। নারিকেল তেল চুলে শ্যাম্পু করার আগে এক ঘন্টা বা একদিন রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন। এতে চুলের শুষ্কতা দূর হবে।

৭. সূর্য এবং চুল 

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আপনার চুলের ক্ষতি করে। তেমনি আপনার ত্বকের ক্ষতিও করতে পারে। আপনার যদি শুষ্ক চুল হয়, তবে রোদে কম বের হবেন। বের হতে হলে টুপি বা ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। রোদের কারণে চুলের ক্ষতি যদি হয়েই যায়, তাহলে অ্যালোভেরা জেল লাগাতে পারেন। এতে চুল মসৃণ হবে।

৮. ঠান্ডা পানি

শীতের সময় গায়ে গরম পানি ব্যবহার করলেও, চুলে ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করবেন। এতে চুল শুষ্ক হবে না। চুল দ্রুত লম্বা হবে।

রোমান্স ও রণবীর সিংকে নিয়ে সীরাত কাপুরের মন্তব্য

বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি প্রতি বছর শত শত ফিল্ম তৈরি করে। বলিউডের সিনেমাগুলো নাটকীয়, সুন্দর এবং হৃদয়বিদারক প্রেমের গল্প বলে। তবুও একটি জনরা যেটি সবসময়ই বলিউডে আধিপত্য বিস্তার করে, তা হল রোম্যান্স। সম্প্রতি বলিউডের রোমান্স এবং নিজের ইচ্ছা সম্পর্কে কথা বললেন অভিনেত্রী সিরাত কাপুর।

kalerkanthoঅভিনেত্রী সিরাত কাপুর

সিরাত কাপুর ইন্ডাস্ট্রির একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রী। তিনি একজন ফ্যাশন আইকন যিনি তাঁর পোশাক নিয়ে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা উপভোগ করেন। সীরাত কাপুর সর্বদা তাঁর অনুগামীদের নিজের দুর্দান্ত শৈলী ও প্রশিক্ষণের আপডেট দিয়ে মাতিয়ে রাখেন। সম্প্রতি, সিরাত একটি ক্লাসিক রোমান্টিক চলচ্চিত্র করার জন্য উন্মুখ হওয়ার বিষয়ে তাঁর ইচ্ছার কথা উল্লেখ করেছেন।

সিরাত বলেন,‘মিষ্টি প্রেমের গল্প হোক বা হৃদয় বিদারক ট্র্যাজেডি যা দর্শকদের কয়েকদিন ধরে আবেগী করে রাখে, যা কিছুই হোক না কেন, বলিউডের মতো কেউ রোম্যান্স করে না’। রোমান্সের দিক থেকে বলিউড সবসময় সেরা। ’

সম্প্রতি তোলা ছবিতে সীরাত কাপুর

এরপর রণবীর সিংকে উদ্দেশ্য করে অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে সংযোগ করার এই অবিশ্বাস্য ক্ষমতা রণবীর সিংয়ের রয়েছে। তাঁর সঙ্গে রোমান্স করাটা দুর্দান্ত হবে। ’

তুষার কাপুর এবং নাসিরুদ্দিন শাহের বিপরীতে বলিউডের একটি প্রধান চলচ্চিত্র ‘মারিচ’ এর মধ্য দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করবেন সীরাত কাপুর।

সেই ছোট্ট আয়েশা বড় হয়ে ফের সিনেমায় আসছেন!

২০০৫ সালে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘ব্ল্যাক’। ছোট্ট ছয় বছরের মেয়েকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছিল ছবির গল্প। যার নাম মিশেল। যে কানে শুনতে পেত না, চোখে দেখত না।

কিন্তু অসম্ভব জেদ ছিল তার মধ্যে। সেই ছোট্ট মেয়ের শিক্ষক ছিলেন অমিতাভ বচ্চন। বিগ বির চরিত্রের নাম ছিল দেবরাজ।

ছোট্ট মিশেলের চরিত্রে, বয়স বাড়লে সেই চরিত্রে আসেন রানি মুখার্জি। সময় পেরিয়েছে। এখন সেই ছোট্ট মিশেল অনেকটাই বড় হয়ে গেছে। কিন্তু সে এখন কোথায়? কী করছে? পর্দার মিশেলের আসল নাম আয়েশা কাপুর। এখন তার বয়স ২৮ বছর। পড়াশোনার জন্য নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়াতে ছিলেন তিনি।

আবার অভিনয় জগতে ফিরছেন আয়েশা। নতুন সিনেমায় অভিনয় করার জন্য ছয় মাস ধরে তালিম নিচ্ছেন। ‘হরি ওম’ ছবিতে অংশুমান ঝার বিপরীতে দেখা যাবে তাঁকে। কুলবিন্দর বকশিশের কাছে হিন্দির উচ্চারণ শিখছেন আয়েশা। আসন্ন এই ছবিতে বলতে গেলে মূল চরিত্র আয়েশারই। তাই সে ক্ষেত্রে ভাষার দক্ষতা জরুরি বলেই মনে করছেন নির্মাতারা।

নিজের আসন্ন ছবি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আয়েশা জানিয়েছেন, “অভিনয়ে ফিরে আসা নিয়ে আমার মধ্যে উত্তেজনা কাজ করছে। ‘হরি ওম’ একটি মিষ্টি, পারিবারিক ছবি, যা সব বয়সী মানুষকেই কোনো না কোনোভাবে স্পর্শ করবে। হরিশ স্যার যে সারল্য দিয়ে গল্প লেখেন, যেভাবে তার চরিত্রগুলোকে ফুটিয়ে তোলেন, আমি বেশ ভালো লাগে। খুব বাস্তব মনে হয়। ”

আয়েশা বলেন, ‘তাঁদের সঙ্গে একই ফ্রেমে কাজ করার উত্তেজনা তো রয়েছেই। অনেক কিছু শিখতে পারব। অংশুমানের মতো গুণী অভিনেতার বিপরীতে কাজ করাও আনন্দের। মধ্য প্রদেশে শুটিং শুরুর অপেক্ষায় রয়েছি। ’

সেপ্টেম্বরেই শুরু হচ্ছে এই ছবির শুটিং। মধ্য প্রদেশে ভোপালের বিভিন্ন অংশে শুটিং হওয়ার কথা রয়েছে।

নিজের অজান্তেই লিভারের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন না তো?

লিভার ছোট একটি অঙ্গ। তাকে কী, প্রতিদিন ৫০০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে এই লিভার। এবং কোনো বিরতি ছাড়াই। তাই লিভারের যত্ন অপরিহার্য।

লিভার বর্জ্য পরিত্যাগ করা, রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখা, রক্ত ​​জমাট বাঁধা নিয়ন্ত্রণ এবং আরো অনেক কাজ করে।

নিজের অজান্তে লিভারের ক্ষতি করে ফেলছেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে যা জানা যায়।

কোমল পানীয়

শুধু যে অ্যাকোহল পানে লিভারের ক্ষতি হয় তা কিন্তু নয়। বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয় লিভারের ক্ষতি করে। গবেষণায় জানা গেছে, যারা অতিরিক্ত কোমল পানীয় পান করে তাদের ফ্যাটি লিভার, প্রদাহ, ফাইব্রোসিস এবং এমনকি লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি বেশি।

অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট

অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। যতটুকু আপনার ডাক্তার আপনাকে খেতে দিবে সেই পরিমাণই খেতে হবে। অনেকে পরামর্শ ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের সাপ্লিমেন্ট খেয়ে থাকেন। তাঁরা নিজের অজান্তেই লিভারের ক্ষতি করে ফেলছে। অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

ওষুধ

শরীর একটু খারাপ লাগলেই ওষুধ খেয়ে নেবেন, এমন করা মোটেও ঠিক নয়। অনেকেই নিজের ইচ্ছামতো দোকান থেকে ওষুধ কিনে খান। আপনি বুঝতেও পারছেন না লিভারের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না।

পুষ্টি

স্বাস্থ্যকর খাবার অবশ্যই খেতে হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবার আপনার লিভারে চর্বি জমায়। ঠিকমতো কাজ করতে বাধা দেয়। অিতিরিক্ত তেল-চর্বি, ফাস্ট ফুড লিভারের কোষগুলোকে নষ্ট করে ফেলে।

সূত্র : ইট দিস নট দ্যাট।

ধামরাইয়ে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

ঢাকার ধামরাইয়ে কুল্লা ইউনিয়নের পাল্লী এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় (১৯) এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এলাকাবাসী জানায়, আজ মঙ্গলবার পল্লী গ্রামে সোলায়মান হোসেনের ইটভাটার পশ্চিম পাশে পানিতে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় তারা।

খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান জানান, মানসিক প্রতিবন্ধী এক তরুণ নৌকায় উঠে খেলা করছিলেন। এ সময় আকস্মিকভাবে পানিতে পড়ে গিয়ে তিনি মারা যান। লাশের গায়ে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া না গেলেও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে কিভাবে মৃত্যু হয়েছে তা জানা যাবে।

গুদামে মজুদ ৬২৫ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

যশোরের অভয়নগরে সরকারি সার গুদামে রেখে মজুদ করার অপরাধে জাকির হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় ৬২৫ বস্তা সরকারি টিএসপি ও ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার নওয়াপাড়া বাজারের হাইস্পিড ঘাট (শাহজাহান মোল্যার গলি) এলাকায় ‘দি মুন এন্টারপ্রাইজের’ গুদামে অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও সার জব্দ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দীন।

উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব কৃষি কর্মকর্তা গোলাম ছামদানী কালের কণ্ঠকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নওয়াপাড়া হাইস্পিড ঘাট এলাকায় ‘দি মুন এন্টারপ্রাইজের’ গুদামে অভিযান চালানো হয়।

এসময় গুদামের মধ্যে ২৫০ বস্তা টিএসপি ও ৩৭৫ বস্তা ডিএপি সার অবৈধভাবে মজুদ করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানের মালিক জাকির হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মজুদকৃত সার সরকারি হওয়ায় তা জব্দ করা হয়েছে।