বুধবার ,৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 660

অভিনয়ে প্রশংসিত নাইরুজ সিফাত

২০১৪ সালে দীপ্ত টিভির ‘অপরাজিতা’ নামের একটি দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটকে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে আলোচনায় আসেন নাইরুজ সিফাত।

এরপর থেকে ভিন্ন ধর্মী কিছু কাজ দিয়ে দর্শকের মনযোগ আকর্ষণে সক্ষম হন এই অভিনেত্রী। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত মানসম্মত কাজ দিয়ে দর্শকের মন জয় করে অভিনয় করে যাচ্ছেন তিনি।

সম্প্রতি তার অভিনীত ‘ঢাকা ড্রিম’ নামের একটি সিনেমা মুক্তি পায়। এতে তার অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়। এ সিনেমায়ও কেন্দ্রীয় চরিত্রে সিফাত অভিনয় করেছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানরকে নিয়ে বিটিভির সাবেক মহাপরিচালক হারুন অর রশীদের গল্পে তথ্যচিত্র ‘আমার বাবার নাম’-এ অভিনয় করেও প্রশসিংত হয়েছিলেন তিনি। হোসনে মোবারক রুমীর নির্দেশনায় ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’ সিনেমাতেও অভিনয় করছেন তিনি।

পাশাপাশি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ উদদ্দৌলার মৃত্যুপরবর্তী সময়ের গল্পে বিটিভির প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে ‘জিন্দাবাহার’ ধারাবাহিক নাটক। এ নাটকেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।

এছাড়াও বৈশাখী টিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক ‘জমিদার বাড়ি’তে অভিনয় করছেন তিনি। বর্তমান সময়ের অভিনয় প্রসঙ্গে নাইরুজ সিফাত বলেন, খুব ভালো একজন অভিনেত্রী হবারই স্বপ্ন আমার। ইচ্ছা আছে নিজের শ্রমে অর্জিত অর্থ দিয়ে পৃথিবীর ৬০টি দেশ ঘুরে বেড়ানোর। জানি না সেই স্বপ্ন পূরণ হবে না।

পুত্র ঈশানকে ভক্তদের সামনে আনলেন নুসরাত

দীপাবলির উৎসবে ভক্তদের বড়সড় চমক দিলেন কংগ্রেস নেত্রী ও টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান!

ইনস্টাগ্রামে নিজের ও স্বামী যশ দাশগুপ্তের দীপাবলি উদযাপন তো বটেই, এই প্রথম প্রকাশ্যে এনেছেন সদ্যোজাত ঈশানের ছবিও। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

বেগুনি সিল্ক শাড়ির সঙ্গে ছিমছাম গহনা, হালকা রূপটান। নরম আলোয় মোহময়ী নুসরাত। আঁচলের ফাঁকে বেরিয়ে পড়েছে ছেলে ঈশানের ছোট্ট মাথা।

বেগুনি রঙের পাঞ্জাবি, চোস্ত পাজামায় স্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়েছেন যশও। ইনস্টাগ্রামে নুসরাতের দীপাবলির উপহারে মাতোয়ারা ভক্তরাও।

আলোর উৎসবের আগেই কাশ্মীর থেকে ফিরেছেন এ নায়িকা। ভূস্বর্গে যশের সফরসঙ্গী ছিলেন। পাশাপাশি এনা সাহার আগামী ছবিতে ফের জুটি বাঁধছেন দুজনে। সেই ছবির একটি গানও ক্যামেরাবন্দি হয়েছে কাশ্মীরে। ছবির পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক।

ক্যারিবিয়দের সঙ্গে লঙ্কানদেরও বিশ্বকাপ শেষ

শিমরন হেটমায়ার যে ঝড় তুলেছিলেন, সেটা যদি আর একটি ওভার আগে তুলতে পারতেন, তাহলে ম্যাচের ফলটা ভিন্ন হলেও হতে পারতো। কিংবা হেটমায়ারকে কেউ যদি যোগ্য সঙ্গ দিতে পারতেন!

কিন্তু কিছুই হলো না। শেষ মুহূর্তে ক্যারিবিয়ান টর্নেডো চালিয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না হেটমায়ার। শ্রীলঙ্কার কাছে ২০ রানে হেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের।

চারটি ম্যাচ খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছে কেবল একটিতে। বাকি থাকা ম্যাচটিতে জিতলেও কাজ হবে না ক্যারিবিয়দের।

আর এই ম্যাচে জয় পেলেও ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কার বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। কারণ, গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচ খেলে ফেলেছে তারা। জিতেছে কেবল দুটিতে। ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিতে যাওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে তাদের।

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৪২ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় শ্রীলঙ্কা। ২ চার ও ১ ছক্কায় ২১ বলে ২৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন কুশল পেরেরা।

৫ চারে ৪১ বলে ৫১ রান করে ব্রাভোর বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন আরেক ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। তবে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের মূল ভিত্তিটা ছিলেন চারিথ আশালাঙ্কা। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৪১ বলে ৬৮ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে হেটমায়ারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।

১৪ বলে ২৫ রান আসে দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে। নির্ধারিত ২০ ওভারে কেবল ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তুলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। বাকি উইকেট পান ডোয়াইন ব্রাভো।

১৯০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ক্রিস গেইল আউট হয়ে যান ১ রান করে। এভিন লুইস করেন ৮ রান। রস্টোন চেজ আউট হয়ে যান ৯ রান করে।

৪৭ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর নিকোলাস পুরান আর শিমরন হেটমায়ারের ব্যাটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে ক্যারিবীয়রা। কিন্তু নিকোলাস পুরান ৩৪ বলে ৪৬ রান করে আউট হয়ে যান।

একপ্রান্তে ক্যারিবীয়দের উইকেট পড়তে থাকলেও অন্যপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকেন হেটমায়ার। করুনারত্নে হাতে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ২ রান করে ফিরে যান আন্দ্রে রাসেল। এবারের বিশ্বকাপটা তার জন্য হয়ে থাকলো দুঃস্বপ্ন। অধিনায়ক কাইরন পোলার্ডের জন্যও একই। তিনি গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরে যান সাজ ঘরে।

জেসন হোল্ডার ৫ বলে ৮ রান করেন। ডোয়াইন ব্রাভোও ব্যর্থতার পরিচয় দেন। ৩ বলে তিনি করেন ২ রান। আকিল হোসেন মাঠে নামলেও ১ বলে ১ রান করে একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকেন। মূলত তাকে দাঁড় করিয়ে রাখেন হেটামায়ার। অন্যপ্রান্তে তিনি একাই ঝড় তোলেন এবং ক্যারিবীয়দের রান নিয়ে ১৭০-এর কাছাকাছি। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন হেটমায়ার। ৮টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার মারেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৮৯/৩

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৬৯/৮

ফল: শ্রীলঙ্কা ২০ রানে জয়ী

খালি হাতেই ফিরছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল একটি জয় নিয়ে দেশে ফেরা। অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ছিল বড় ব্যবধানে জিতে নেট রান রেটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে টপকে সেমিতে ওঠার লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়া।

লক্ষ্য অর্জনে অস্ট্রেলিয়া পুরোপুরি সফল, বাংলাদেশ ব্যর্থ। বিভীষিকাময় হারে ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ করে শেষ হলো বাংলাদেশের দুঃস্বপ্নের বিশ্বকাপ।

সুপার টুয়েলভে পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরে মাহমুদউল্লাহরা আজ দেশে ফিরছেন খালি হাতেই। নিঃস্ব-রিক্ত হয়ে। আসরজুড়েই জঘন্য ব্যাটিং প্রদর্শনীতে নিজেদের সামর্থ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করা বাংলাদেশের ব্যাটাররা সবচেয়ে খারাপটা যেন তুলে রেখেছিলেন শেষ ম্যাচের জন্য। দুবাইয়ে কাল ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটেও মাত্র ৭৩ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশ হেরেছে আট উইকেটে।

৪০ ওভারের ম্যাচ শেষ ২১.২ ওভারেই! ১৫ ওভারে বাংলাদেশকে অলআউট করার পর ৭৪ রানের মামুলি লক্ষ্য ছুঁতে অস্ট্রেলিয়ার লাগে মাত্র ৬.২ ওভার। ডেভিড ওয়ার্নার ১৪ বলে ১৮ ও অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ২০ বলে ৪০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে ফেরার পর তাসকিনের বলে বিশাল ছক্কায় জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন মিচেল মার্শ (পাঁচ বলে ১৬*)।

এই ম্যাচ থেকে যা চাওয়ার ছিল, বাংলাদেশকে ব্যাটে-বলে গুঁড়িয়ে এর প্রায় সবই পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ৮২ বল হাতে রেখে জেতায় তাদের রান রেট অনেক বেড়ে গেছে। চার ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার সমান ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া।

১৯ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন অসি স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। বিশ্বকাপের আগে মিরপুরের স্পিন মঞ্চে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে টি ২০ সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। দুবাইয়ের স্পোর্টিং উইকেটে মাহমুদউল্লাহদের নিয়ে ছেলেখেলা করে অস্ট্রেলিয়া যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে কতটা গলদ ছিল।

বাংলাদেশের ক্ষতি যা করার, পাওয়ার প্লেতে করেন অসি পেসাররা। এ সময়ই বাংলাদেশ চার উইকেট হারায় মাত্র ৩৩ রানে। পরে জাম্পা এসে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারে ছুরি চালান। সত্যি বলতে কী, এই ম্যাচে মাহমুদউল্লাহরা তাদের ব্যাটিং নিয়ে বেশিকিছু বলার অবকাশই রাখেননি। ২০২১-এ এসে ৭৩ রানে গুটিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। বাংলাদেশের ব্যাটাররা একেকজন বাইশ গজে এসেছেন নিজেদের ছায়া হয়ে। যেন মৃত্যুর পথের যাত্রী তারা।

ফিরেও গেছেন একইভাবে। জাম্পার অফ-স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে শরীফুল ফিঞ্চের গ্লাভসবন্দি হয়ে মিছিলের শেষভাগে যখন শামিল হন, তখনও ইনিংসের ৩০ বল বাকি। শরীফুলের উইকেট জাম্পার পঞ্চম, যা টি ২০ বিশ্বকাপে কোনো অসি বোলারের সেরা বোলিং ফিগার।

জাম্পার জন্যই যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। যেন দেশে ফেরার আগে শপিং করার জন্য ভীষণ তাড়া ছিল বাংলাদেশের ব্যাটারদের। দুবাইয়ে শপিংমলের অভাব নেই। সাততাড়াতাড়ি খেলা শেষ করে মুশফিকুররা কেনাকাটার জন্য ছুটবেন, সেজন্যই কি এই আত্মাহুতি?

বাংলাদেশের বিবর্ণ ব্যাটিংয়ের শুরু প্রথম ওভারেই। ইনিংসের তৃতীয় বলে বোল্ড লিটন দাস। মিচেল স্টার্কের ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার বেগের ডেলিভারি বাংলাদেশি ওপেনারের লেগ স্টাম্প উড়িয়ে দেয়। এমন বীভৎস সূচনা থেকে কোনো শিক্ষাই নেননি সৌম্য সরকার। হ্যাজলউডের নিরীহ গোছের বল টেনে আনেন নিজের স্টাম্পে। দুবাইয়ের দুপুরেই বাংলাদেশ শিবিরে যেন সন্ধ্যা নামে। মুশফিকুর রহিম লেগ বিফোর হওয়ার পর রিভিউ নেওয়ারই প্রয়োজন বোধ করেননি। ম্যাক্সওয়েল তাকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন।

বাংলাদেশের যে তিনজন ব্যাটার দুই অঙ্কের রান করেছেন তাদের অন্যতম মোহাম্মদ নাঈম স্কয়ার লেগে কামিন্সকে ক্যাচ দেন হ্যাজলউডের বলে। বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারায় ৩২ রানে। আফিফ হোসেনকে তুলে নেন জাম্পা। স্লিপে ক্যাচ নেন ফিঞ্চ। মিরপুরের উইকেটে যে ওষুধ প্রয়োগ করে অসিদের ঘুম পাড়িয়েছিল, সেই একই ওধুধে এবার কাজ হলো উলটোভাবে।

দুই অঙ্কের রান করা আরেক বাংলাদেশি ব্যাটার শামীম হোসেন ধরা পড়েন উইকেটের পেছনে। কাট করতে গিয়ে ধরাশায়ী হন শামীম। ব্যাটের কানায় লেগে বল ওয়েডের গ্লাভসে। শিকারি সেই জাম্পা। পরের বলে আউট মেহেদী হাসান। তার গোল্ডেন ডাকে তৃতীয় উইকেট পেয়ে যান জাম্পা। অধিনায়ক হিসাবে মাহমুদউল্লাহর দায়িত্ব ছিল ঠান্ডামাথায় খেলে পুরো ২০ ওভার শেষ করা। তিনি সেই উদাহরণ তৈরি করতে ব্যর্থ। স্টার্কের বলে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে। ১৮ বলে ১৬ রান তার সামান্য পুঁজি।

জাম্পা তার পরের ওভারের প্রথম বলে হ্যাটট্রিক পেয়ে যেতেন। যদি তাসকিনের ক্যাচ ওয়েড ফেলে না দিতেন। মোস্তাফিজকে নিজের চতুর্থ শিকার বানিয়ে সেই খেদ মেটান জাম্পা। আর শরীফুলকে ফিঞ্চের ক্যাচ বানিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট। বাংলাদেশ এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ১০০’র কম রানে অলআউট হলো। আগের ম্যাচে ৮৪ রানে অলআউট হয়েছিল তারা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

বেপরোয়া গতির পিকআপ কেড়ে নিল ৩ প্রাণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি বাজার এলাকায় বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টা ২০মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ময়মনসিংহ জেলার পাগলার থানার দেউলপাড়া গ্রামের মৃত শহর আলীর ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৩৫), চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার পাইকপাড়া গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুল মজিদ জনি (৩২) ও খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার ফতেহপুর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে ইব্রাহীম হাবিব (৩২)।

তারা শ্রীপুর পৌরসভার ২নং সিঅ্যান্ডবি বাজার এলাকায় ভাড়া থেকে স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে ভ্রাম্যমাণ দোকানে মালামাল বিক্রি করতেন।

মাওনা হাইওয়ে থানার এসআই হাদিউল ইসলাম জানান, হতাহতরা ওয়াজ মাহফিলসহ হাটবাজারে তসবি, জায়নামাজ, আতর, টুপিসহ নামাজের নানা উপকরণ বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে তারা একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে ফিরে এমসি বাজার এলাকায় ফুটপাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় বেপরোয়া গতির একটি মুরগিবাহী পিকআপ তাদের চাপা দিলে জনি ও হাবিব ঘটনাস্থলেই ও তোফাজ্জলকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, পিকআপটি আটক করা গেলেও চালক পালিয়ে গেছেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

না.গঞ্জে হত্যাকাণ্ডের ছবি নিয়ে আদালতে ফাতেমার কান্না

নারায়ণগঞ্জে স্বামী হত্যাকাণ্ডের ছবি নিয়ে আদালতে উপস্থিত হয়ে কিলার ওসমান গনির জামিনের বিরোধিতা করেন ফাতেমা বেগম। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ দৃশ্য দেখে আদালতে উপস্থিত অনেকেরই চোখের জল পড়ে। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাংবাদিক মনি ইসলামকে মারধরের মামলার শুনারি সময় এ ঘটনা ঘটে।

শুনানি শেষে আদালত আসামি ওসমান গনিকে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন। শুধু ফাতেমা বেগম নন, ওসমান গনির হাতে নির্যাতনের শিকার আরও একাধিক পরিবার আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের বিরোধিতা করে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী হাসান ফেরদৌস জুয়েল বলেন, ফতুল্লার বক্তাবলী আকবরনগর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহে গেলে বেসরকারি আনন্দ টেলিভিশনের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি মনি ইসলামকে মারধর করে স্থানীয় সামেদ আলীর ছেলে ওসমান গনি। এ ঘটনায় ওসমান গনির বিরুদ্ধে মামলা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ৭টি হত্যাসহ ২২টি মামলা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মনি ইসলামের মামলায় ওসমান গনিকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এতে আকবরনগর এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। এরপর ওসমান গনির জামিন শুনানির খবর পেলেই তার হাতে খুন হওয়া একাধিক পরিবার আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের বিরোধিতা করে।

তালেবানে বহিরাগত ঢুকেছে, হুশিয়ারি আখুন্দজাদার

তালেবানের শীর্ষনেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হুশিয়ারি দিয়েছেন যে, দলে বহিরাগতরা অনুপ্রবেশ করেছে এবং তারা তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে।

বিবৃতি আকারে আসা তালেবান প্রধানের এই সতর্কবার্তা বৃহস্পতিবার তালেবান নেতাকর্মীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আকারে শেয়ার করা হয়।

গত তিন মাস আগে আফগানিস্তানের আশরাফ গনি সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে তালেবান। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে তালেবান প্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা জনসম্মুখে আসেননি।

কিন্তু তালেবানের পক্ষ থেকে দাবি কর হয়, গত রোববার প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে আসেন হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরের দক্ষিণাঞ্চলে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন তিনি।

আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তালেবানের নেতারা দলে দুর্বৃত্ত ও অপরাধীদের প্রবেশ নিয়ে বারবার সতর্ক করেছে। এই অনুপ্রবেশকারী দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলেও নেতাদের অভিযোগ।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে তালেবানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (ভারপ্রাপ্ত) মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব একটি অডিও বার্তায় বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কিছু খারাপ ও দুর্নীতিবাজ তালেবানে যোগ দিতে চায়। তালেবানের গায়ে কালিমা লেপন করতেই তারা এমনটি চায় বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

মোল্লা ইয়াকুব তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মোহাম্মদ ওমরের ছেলে। তালেবানে যে কোনো দুর্বৃত্তপনা শক্তহাতে দমন করা হবে বলেও সতর্ক করেছিলেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে তালেবান দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দলে নতুন সদস্য নিয়োগ দিয়েছে। কিন্তু দলটি ‘ইসলামি স্টেট’ (আইএস খোরাসান শাখার) ভয়াবহ হামলার মুখে পড়ছে।

গত মঙ্গলবার কাবুলের সর্ববৃহৎ সামরিক হাসপাতালে ভয়াবহ হামলায় তালেবানের হাক্কানি শাখার এক শীর্ষ কমান্ডারসহ অন্তত ১৯ নিহত হন। এর আগেও তালেবানের ওপর একাধিক হামলা হয়েছে। এসব হামলার পরিপ্রেক্ষিতে তালেবান প্রধান এমন সতর্কবার্তা দিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কলকাতার সাবেক মেয়র সুব্রতর মৃত্যুতে মমতার শোক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতার সাবেক মেয়র সুব্রত মুখোপাধ্যায় (৭৫) বৃহস্পতিবার রাতে মারা গেছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নসহ রাজ্যের চারটি দফতরের মন্ত্রী সুব্রত।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যাণার্জি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

এক শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা লেখেন, ‘রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি।

সুব্রতদা ক্রেতা সুরক্ষা, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দফতরের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।

হাসিমুখে তিনি জেলায় জেলায় ঘুরে আমাদের সরকারের কাজে অতুলনীয় অবদান রেখেছেন। কলকাতার মেয়র হিসাবে কলকাতার সামগ্রিক উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা স্মরণীয়।

 

ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং শিশুদের জন্য ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা থাকা জরুরি

হরের মতো গ্রামেও ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং শিশুদের জন্য ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। পানি, বিদ্যুত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খেলার উপযুক্ত মাঠ, কমিউনিটি সার্ভিসসহ বিবিধ নাগরিক সুবিধাদি। গ্রামে কর্মহীনতা, নদীভাঙন, কৃষি ভিত্তিক উপার্জন কমে যাওয়া সহ সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং শিশুদের জন্য ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা না থাকা।

কৃষি ভিত্তিক এবং অ-কৃষি ক্ষুদ্র শিল্প সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামে প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সঙ্গে সঙ্গে যদি উন্নতমানের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সম্মিলন করে গ্রামের নাগরিকদের দেয়া যায়, তাহলে গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষেরগ্রাম থেকে শহরে অভিগমন বা স্থানান্তর অনেকাংশে কমে যাবে।

সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্যোক্তা-পরিচালক জনাব শেখ মনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় “আমার গ্রাম আমার শহর : প্রেক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল” শীর্ষক অনলাইন ওয়েবিনারে শনিবার এসব মন্তব্য করেন বিশেষজ্ঞরা।

ওয়েবিনারে অংশ নেন পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের আই.এম.ই.ডির অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের সাবেক সচিব ড. গাজী মো: সাইফুজ্জামান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. শফিক উর রহমান, ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো: তাজ উদ্দিন।

মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৫৫৪ ডলার

বাংলাদেশিদের মাথাপিছু আয় আড়াই হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। নতুন ভিত্তিবছর ধরে অর্থনীতির সূচক পরিমাপ করায় গত অর্থবছরের সংশোধিত হিসেবে বার্ষিক গড় মাথাপিছু আয় বাড়ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে দেশের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৫৫৪ ডলার।

২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় এক লাফে ৩২৭ ডলার বা ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে নতুন এই খসড়া হিসাব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমাদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জিডিপি শাখার পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ। এতদিন ২০০৫-২০০৬ ভিত্তিবছর ধরে এসব গণনা করা হতো।

নতুন হিসাবে, বাংলাদেশের জিডিপির বেড়ে ৪০৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বিবিএসের আগের হিসেবে ছিল ৩২৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার।

ফলে গড় মাথাপিছু আয়ও ২ হাজার ৫৫৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা আগের হিসেবে ছিল ২ হাজার ২২৭ ডলার।

দেশের অভ্যন্তরে কৃষি, শিল্প ও সেবাসহ সকল খাত থেকে সকল আয়ের সঙ্গে প্রবাসীরা যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান তা যুক্ত করে মোট জাতীয় আয় হিসেবে হিসাব করা হয়। এক অর্থবছরে জাতীয় আয়কে দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।

মাথাপিছু আয় কোনো ব্যক্তির একক আয় নয়। দেশের অভ্যন্তরের পাশাপাশি রেমিট্যান্সসহ যত আয় হয়, তা দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে দেওয়া হয়।

গতবারের মতো এবারও মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গত অক্টোবরে দেওয়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২১ সালে চলতি মূল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ২ হাজার ১৩৮ ডলার। আর ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে ২ হাজার ১১৬ ডলার।