শনিবার ,১৩ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 456

ওরাল হেলথ ও খাদ্য নির্বাচন

আমাদের শরীরের সুস্থতার জন্য যেমন পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন তেমনি আমাদের মুখের স্বাস্থ্য যেমন দাঁত, মাড়ি, জিহ্বার স্বাস্থ্যও অনেকাংশেই পুষ্টিকর খাবারের ওপর নির্ভরশীল।

ওরাল হেলথ বা মুখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো মন্দ খাবার, খাবারের ধরণ, খাওয়ায়ার পরিমাণ সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত। কোনো ধরণের খাবারগুলো দাঁত, মাড়ি, মুখ গহ্বর, জিহ্বার জন্য উপকারি এবং কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি তা আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না।

দাঁতের জন্য উপকারি খাবার

তৈলাক্ত মাছ: ওমেগা-৩, ভিটামিন-ডি মাড়ি ও দাঁতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যা তৈলাক্ত মাছ থেকে পাওয়া যায়। অনেকের মাড়িতে ব্যাথা, মাড়ি থেকে রক্তপাত, দাঁত থেকে মাড়ি আলগা হয়ে যাওয়ার সমস্যা থাকে। ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার এই সমস্যাগুলো দূর করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে ভিটামিন-ডি দাঁতের এনামেল গঠনে কার্যকর। ক্যালসিয়ামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ভিটামিন-ডি কাজ করে। টুনা, স্যামন, পাঙ্গাশ ওমেগা-৩ ও ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ মাছ। এছাড়া বাদাম, দুধ, ডিম দাঁতের জন্য উপকারি।

সবুজ শাক-সবজি: আমাদের মুখে যে ব্যাক্টেরিয়া আছে তার মধ্যে কিছু আছে উপকারি ব্যাক্টেরিয়া এবং কিছু আছে অপকারি। সবুজ শাক-সব্জি উপকারি ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ কমায়। প্রচুর মিনারেল থাকায় এগুলো দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে। অনেকের মুখে ঘা হওয়ার প্রবণতা থাকে। বি-ভিটামিন এর ঘাটতি থাকলে অনেক সময় এই সমস্যা দেখা দেয়। সমৃদ্ধ সবুজ শাক-সব্জি এই ঘা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

সাইট্রাস ফল: লেবু, কমলা, মাল্টা, আঙ্গুর সাইট্রাস ফলের মধ্যে বহুল পরিচিত। যা ভিটামিন-সি তে ভরপুর। মুখে ঘা, যেকোন ক্ষত, রক্তপাত কমাতে ভিটামিন সি কার্যকর। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে সাইট্রাস ফল গ্রহণ অনেক সময় এনামেল ক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পানি: আমাদের শরীরের প্রায় ৭০% পানি। শরীরের সুস্থতার পাশাপাশি মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে পানি। পর্যাপ্ত পানির অভাবে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, দুর্গন্ধ, মুখে লালার পরিমাণ কমে যাওয়া ও অন্যান্য রোগ দেখা দেয়। পানি খাবারের অবশিষ্টাংশ মুখে জমতে দেয় না। অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম পানীয়, খাবার দাঁতের জন্য বিপদ ডেকে আনে।

সামুদ্রিক খাবার: সমুদ্রের পার্শ্ববর্তি এলাকায় জন্মানো খাবার ফ্লোরাইড যুক্ত হওয়ায় এই ধরণের খাবার গুলো দাঁতের জন্য উপকারি। এছাড়া অন্তত সপ্তাহে একদিন সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। কেননা এই মাছে দাঁতের জন্য উপকারি অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে।

দাঁতের যত্নে যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন

মিষ্টি জাতীয় খাবার, ড্রাই ফ্রুট, কুকিজ, সফট ড্রিংক, শক্ত খাবার, পেস্ট্রি, ক্যান্ডি, সাদা চিনি, অতিরিক্ত পরিমাণ চা ও কফি মুখের সুস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এই ধরণের খাবার মুখের অপকারি ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে, সেনসিটিভিটি, ইনফেকশন, প্রদাহ, দাঁতের ক্ষয় ও হলদে ভাব সহ অনেক ধরণের ক্ষতি করে থাকে। তামাক, ধূমপান, এলকোহল এগুলো ওরাল ক্যান্সারের অন্যতম কারণ।

পুষ্টিকর খাবার, মুখের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, ক্ষতিকর খাবার এড়িয়া চলা আমাদের ওরাল হেলথ ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

একুশের আলপনায় সেজেছে জবির ক্যাম্পাস

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস সাজানো হয়েছে একুশের আলপনায়। রঙিন আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ভবনগুলো। রাতের অন্ধকারকে দূর করে এ সকল লাল-নীল-সবুজ বাতির আলোয় জ্বলজ্বল করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের চারপাশ।

রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা ১মিনিট পর্যন্ত ভাষা শহীদ রফিক ভবন প্রাঙ্গনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল ছয়টি সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘চেতনায় একুশ’ শিরোনামে একুশের প্রথম প্রহর উদযাপন করবে।

আবৃত্তি সংসদের সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রালি এ অনুষ্ঠান করছে। অংশগ্রহণকারী সংগঠনসমূহ- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাইম সোসাইটি, উদীচী শিল্পগোষ্ঠী, জবি সংসদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রঙ্গভূমি (জবিরঙ্গ),‌ মুক্তমঞ্চ পরিষদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, প্রধান আলোচক হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জুয়েল, ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদ এবং সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, আহবায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক স্ট্যান্ডিং কমিটি।

মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ বলতে হবে

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যে স্লোগান কণ্ঠে নিয়ে প্রাণ বিসর্জন দিতে ঝাঁপিয়ে পড়ত বাংলার দামাল সন্তানরা সেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দ্রুত এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভা কক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠকে ‘ব্যাংক আমানত বিমা আইন’ সংশোধন করার উদ্দেশ্যে ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত সুরক্ষা আইন’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ‘বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (সংশোধন) আইন-২০২১’-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

‘জয় বাংলা’ স্লোগান প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম জানান, উচ্চ আদালত থেকে রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করার বিষয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রজ্ঞাপন দিয়ে জাতীয় স্লোগান হিসাবে ‘জ য়বাংলা’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় বা সরকারি অনুষ্ঠানের শেষে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবিধানিক পদধারীগণ, রাষ্ট্রের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ‘জয় বাংলা’ বলবেন। মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে হবে। স্কুল-কলেজে অ্যাসেম্বলি বা এ ধরনের কোনো অনুষ্ঠানের পর সরকারি-বেসরকারি যারা থাকবেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ব্যবহার করবেন। তবে ঠিক কবে ‘জয় বাংলা’র বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে তার নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানাননি তিনি।

একুশে ফেব্রুয়ারি আমার ভ্যালেন্টাইন্স ডে: শুভশ্রী

সপ্তাহ খানেক আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল ভ্যালেন্টাইন্স ডে। বিশ্বজুড়ে প্রেমিক যুগল নানা আয়োজনে উদযাপন করেছেন বিশেষ এই দিনটি। তবে তাদের মধ্যে ব্যতিক্রম শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এই টালিউড সুন্দরীর ভ্যালেন্টাইন্স ডে ১৪ ফেব্রুয়ারী নয়, বরং ২১ ফেব্রুয়ারি। নিজের ভ্যারিফাইড ইনস্টাগ্রামে সোমবার এ খবর জানিয়েছেন শুভশ্রী নিজেই।

শুভশ্রী জানান, ২১ ফেব্রুয়ারি তার মনের মানুষ রাজ চক্রবর্তীর জন্মদিন। স্বামীর জন্মদিনটাই নিজের ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে উল্লেখ করেছেন শুভশ্রী।

এদিন ইনস্টাগ্রামে রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে শুভশ্রী লেখেন, আজ আমার ভ্যালেন্টাইন্স ডে। কারণ আজ আমার ভালবাসার জন্মদিন। আমার জীবনের সেরা পাওনা তুমি। জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। তোমার সব ইচ্ছা পূরণ হোক। পোস্টের শেষে ভালবাসার ইমোজি দিতেও ভোলেনি তিনি।

কানাঘুষা আছে, ২০১৬ সালে ‘অভিমান’ সিনেমার শুটিং করার সময় রাজ-শুভশ্রীর প্রেম শুরু হয়েছিল। ২০১৮ সালের মার্চে শুভশ্রীর সঙ্গে বাগদান পর্ব সারেন রাজ। সে বছরই ১১ মে সাতপাকে বাঁধা পড়েন এই যুগল।

আঠারো বছরে হৃদয়ে মাটি ও মানুষ

২১ ফেব্রুয়ারি ১৮ বছরে পদার্পণ করছে শাইখ সিরাজের কৃষি কার্যক্রম অনুষ্ঠান ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’। ২০০৪ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার হয় অনুষ্ঠানটি।

দেশের কৃষির বহুমুখী উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা ও সাফল্যের পেছনে রয়েছে এ অনুষ্ঠানটির প্রভাব। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের অগণিত শিক্ষিত তরুণ যুক্ত হয়েছেন কৃষিতে।

খাদ্যশস্য ও ফল ফসল উৎপাদনে তারা রেখে চলেছেন অসামান্য অবদান। শখের পরিচালনা থেকে শুরু করে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রসঙ্গে এ অনুষ্ঠানটি রেখে চলেছে অসামান্য অবদান।

হৃদয়ে মাটি মানুষ শুধু দেশের কৃষি সাফল্য নয়, তুণমূল কৃষকদের অধিকার সুরক্ষা, তাদের কণ্ঠস্বরকে জাগ্রত করার ক্ষেত্রে রেখেছে অবদান। হৃদয়ে মাটি ও মানুষের প্রতি বছরের অর্থনৈতিক গবেষণাধর্মী আয়োজন ‘কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট’ দেশের কৃষি অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই শাইখ সিরাজ কৃষকের জন্য প্রতিবছরের বিনোদন আয়োজন ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ আয়োজন করে থাকেন। এছাড়া হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক কৃষি কার্যক্রম ‘ফিরে চল মাটির টানে’, কৃষকের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ‘কৃষকের স্বাস্থ্য সেবাসহ নানাবিধ আয়োজন হয়েছে। যে আয়োজনগুলো দেশের কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে রেখে আসছে অনন্য ভূমিকা।

হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় আরেকটি অনুষ্ঠান হৃদয়ে মাটি ও মানুষের ডাকও শুরু হয় একই সময়ে। এ অনুষ্ঠানটি এখন ‘ছাদকৃষি’ অনুষ্ঠান হিসেবে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সমাদৃত। এ অনুষ্ঠানের কল্যাণে দেশের শহর নগরে ছাদকৃষি অনুশীলনের ব্যাপকভিত্তিক কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে দেখানো হয় ‘প্রবাসে বাঙালির আঙিনা কৃষি’। সেটিও প্রবাসের নাগরিকদের ব্যাপকভাবে আলোড়িত করেছে। এখন প্রবাসেও হাজার হাজার নাগরিক সুবিধামতো সময় ও জায়গায় কৃষিকাজ করছেন।

পাকিস্তান ক্রিকেটকে কলঙ্কিত করতে দেব না: আফ্রিদি

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের বিপক্ষে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে চলমান পিএসএলে তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের জেমস ফকনার।

এ অসি অলরাউন্ডারের অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ী তাকে পারিশ্রমিক দেয়নি (পিসিবি)। দেব দেব বলে বারবার মিথ্যা বলেছে তারা।

পিসিবির বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ এনে পাকিস্তান সুপার লিগ ছেড়ে নিজ দেশে ফিরেও গেছেন ফকনার।

বিষয়টি নিয়ে যখন ক্রিকেটবিশ্বে বিতর্ক চলছে তখন এ নিয়ে মুখ খুললেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। তার মতে, ফকনারের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এইভাবে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে পাকিস্তান ক্রিকেটকে তিনি কাউকে কলঙ্কিত করতে দেবেন না।

এক টুইটে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার বলেন, ‘জেমস ফকনার এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ পাকিস্তানের আতিথেয়তা ও ব্যবস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। সব খেলোয়াড়ের সঙ্গে সম্মানের সাথে আচরণ করি আমরা (পিসিবি) এবং কখনোই পারিশ্রমিক পরিশোধে আমাদের বিলম্ব হয়নি।
পাকিস্তান, দেশটির ক্রিকেট এবং পিএসএলের ব্র্যান্ডের ইমেজ কলঙ্কিত করার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।’

আপনারা আমাদেরকে গালি দেবেন না: স্পিনার নাসুম

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে দর্শক থাকছে। নির্দিষ্ট আসনের ৫০ শতাংশ দর্শক মাঠে প্রবেশ করাতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে বিসিবি।

তবে পূর্ণ দর্শক উপস্থিতিতেও হতে পারে ম্যাচ। কারণ ২২ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না।

এক কথায় করোনার কারণে শূন্য হয়ে পড়া গ্যালারিতে আবার প্রাণ ফিরছে। এ খবরে বেশ উচ্ছ্বসিত হলেও দর্শকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্পিনার নাসুম আহমেদ বললেন, তারা যেন মাঠে বসে ক্রিকেটারদের গালি না দেন।

এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাতীয় দলের এ তারকা স্পিনার বলেন, ‘অনেকদিন পর মাঠে দর্শক ফিরছে, জেনে খুব ভালো লাগছে। যারা মাঠে আসতে পারবেন না, তারাও দূর থেকে আমাদের সাপোর্ট দেবেন—এটাই আশা করি। তবে আপনারা আমাদের গালি দেবেন না। কারণ কোনো ক্রিকেটারই খারাপ খেলতে চায় না। সবাই চায় নিজের দেশকে জেতাতে। দল হেরে গেলে আপনাদের চেয়ে আমাদের আরও বেশি খারাপ লাগে। খেলোয়াড়দের ‘খারাপ ভাষায় আক্রমণ’ না করার অনুরোধ রইল।’

ক্রিকেটারদের শিক্ষার্থীর সঙ্গে তুলনা করে এ বাঁহাতি অর্থডক্স স্পিনার বলেন, ‘অনেক পড়াশোনার পর একজন শিক্ষার্থী কিন্তু পাশ বা ভালো ফলাফল পেতেই পরীক্ষা দিতে যায়। খেলোয়াড়দের জীবনও তেমন। প্রতিটি ম্যাচই আমাদের জন্য পরীক্ষা। আমরাও চাই ভালো করতে।আমাদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করব, আপনারা শুধু পাশে থাকুন, আমাদের সাপোর্ট করুন।’

বিএনপি নেতা ফজলুল হক মিলনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক এমপি ফজলুল হক মিলনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা হয়েছে।

গাজীপুরের পূবাইল মেট্রোপলিটন থানা বিএনপির পদবঞ্চিত নেতারা পকেট কমিটি দেওয়ার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করে।

সোমবার সকাল ১০টায় পূবাইল থানার মিরের বাজার ঢাকা বাইপাস মহাসড়কের চৌরাস্তায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।

পূবাইল ৪২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সুলতান উদ্দিন আহমদ, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী নজরুল ইসলাম খান বিকি, আবদুল আলিম, আসাদুজ্জামান বুলবুল, আফজাল হোসেন, মোবারক হোসেন, মীর আতাউর রহমান, ইসলাম উদ্দিন খান, জাহাঙ্গীর আলম মুন্সি, নুর মোহাম্মদ নুরালি, আবু বকর সিদ্দিক, ওসমান ভূইয়া, আজিম উদ্দিন ভুট্টো, শহিদুল ইসলাম খান, হুমায়ুন আহমেদ, হারেজ উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, আলী মমনসুর, খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে প্রায় চার শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিলটি মিরের বাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে ঢাকা বাইপাসের চারদিক প্রদিক্ষণ করে হাজি সফদার আলী মার্কেটের সামনে এসে শেষ হয়।

এ সময় গাজীপুরের ভিবিন্ন স্থানে পকেট কমিটি দেওয়ার অভিযোগ তুলে নেতারা বলেন- ১৫/২০টি করে রাজনৈতিক মামলার আসামি ও মহানগর কাউন্সিলর পদে তিনজন বিএনপির হয়ে নির্বাচন করা ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে পূবাইল মেট্রোপলিটন থানায় পকেট কমিটি করা হয়েছে। আমরা এই কমিটি মেনে নিতে পারি না।

পিরোজপুরে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সোমবার রাত ১২ টা এক মিনিটে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমানসহ আরও অনেকে শ্রদ্ধা জানান।

এ ছাড়া পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মালেক, জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী রেবেকা খান, মুক্তিযোদ্ধা সমীর কুমার দাস বাচ্চু, গৌতম রায় চৌধুরিসহ জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা পরিষদ, স্বাস্থ্য বিভাগ, পিরোজপুর পৌরসভা, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, বিচার বিভাগ, জেলা তথ্য অফিস, সড়ক বিভাগ, এলজিইডি, গণপূর্ত বিভাগ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, প্রেস ক্লাব, জেলা যুবলীগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, জেলা ছাত্রলীগ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা বৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নবাবগঞ্জে শহিদ মিনারে জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শ্রদ্ধা

শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকার নবাবগঞ্জে শহিদ মিনারে জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

সোমবার সকালে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপির পক্ষে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় মোবাইলে এক অডিও বার্তায় সালমা ইসলাম এমপি বলেন, মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭০ বছর পূরণ হলো আজকের এই দিনে। যাদের প্রাণের বিনিময়ে মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার নিশ্চিত হয়েছে, তাদের আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্যদিয়ে আমাদেরকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, তাহলে ভাষা শহিদদের আত্মা শান্তি পাবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির নেতা খন্দকার নুরুল আনোয়ার বেলাল, ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, জাতীয় পার্টির নেতা নেতা খলিলুর রহমান, কফিল উদ্দিন, এমএ মজিদ, আব্দুল মতিন মেম্বার, আইনুল চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, রেশমা আক্তার প্রমুখ।

অপরদিকে শাহ আবুবকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে নবাবগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভূইয়া কিসমত, যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আরিফুর রহমান সিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাফিল উদ্দিনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, ‍উপজেলা ছাত্রলীগ ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, হালিমা আক্তার লাবণ্য, ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষে কমরেড আজহারুল হক, আব্দুল জলিল, ইব্রাহীম খলিল ও জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এছাড়া নবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।