শুক্রবার ,২৪ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 745

যেসব আমলে কোরবানির সমান সওয়াব

কোরবানি তো তারাই দেবে, যাদের সামর্থ্য রয়েছে। যাদের রয়েছে কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার মতো নেসাব ও সম্পদ, তাদের ওপরই কোরবানি ওয়াজিব।

কিন্তু আল্লাহর মেহেরবানি, ইচ্ছা করলে অসামর্থ্যবানরাও কোরবানির সওয়াব হাসিল করতে পারে। তারাও পারে আল্লাহর অফুরন্ত রহমত কুড়াতে, এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে। এটি শুধু কোরবানির ক্ষেত্রেই নয়, অন্যান্য আমলের ক্ষেত্রেও।

জান্নাত কেবল ধনীদের জন্য নয়, বরং এতে সবার প্রবেশাধিকার রয়েছে। তবে শর্ত হলো— প্রত্যেকে তার অবস্থা অনুযায়ী দায়িত্ব আদায় করা। যারা গরিব, তারা যদি আপন অবস্থার ওপর শোকর ও সবর করে, এবং অন্যান্য ফরজ দায়িত্বগুলো আদায় করে, তা হলে সে ধনীদের ৫০০ বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। নবীজি (সা.) হাদিসে এমনটিই বলেছেন।

এমনিতে তো প্রত্যেক মুসলমানই একটি কোরবানির সওয়াব অবশ্যই পাবে। জীবনে সে কোরবানি করুক বা না করুক। কারণ আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) তার প্রিয় উম্মতের পক্ষ থেকেও কোরবানি করেছেন। এর দ্বারা উম্মতের ওয়াজিব দায়িত্ব পূর্ণ হবে না; কিন্তু সওয়াব প্রাপ্ত হবে।

এটি ছাড়াও আসন্ন কোরবানিতে দরিদ্ররাও দুভাবে কোরবানির সওয়াব কামাই করতে পারে।

১. কোরবানি করার নিয়ত ও আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। হায়, আমি যদি পারতাম, তা হলে আমিও কোরবানি করতাম। বহু মানুষ কাল কেয়ামতের মাঠে বহু নেকি নিয়ে ওঠবে শুধু নিয়তের কারণে। অথচ এ আমল সে জীবনেও করেনি এবং এটা করার সামর্থ্য তার ছিল না।

এ জন্য নবীজি (সা.) বলেছেন— ‘মুমিনের নিয়ত তার আমলের চেয়েও সরস।’

২. যারা কোরবানির সামর্থ্য রাখে না, তারা যদি ঈদের দিন ক্ষৌর কর্ম করে। অর্থাৎ জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর ক্ষৌরকার্য না করে ঈদের নামাজ পড়ে এসে ক্ষৌরকর্ম করে।

একটি হাদিসে এমন ব্যক্তিকে একটি কোরবানির সওয়াব দেওয়ার সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

আমর বিন আস (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন: আমাকে আজহার দিনকে ঈদ পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এটিকে আল্লাহতায়ালা সমগ্র উম্মতের জন্য ঈদ করেছেন।

জনৈক ব্যক্তি বললেন, আমার কাছে ধার করা দুধের বকরি ছাড়া আর কিছু না নেই, আমি কি কোরবানি করবে? নবীজি বললেন— না। তুমি তোমার চুল, নখ, গোঁফ কাটবে, এবং নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এর দ্বারা তুমি আল্লাহর কাছে পূর্ণ কোরবানির সওয়াব প্রাপ্ত হবে। (সুনানে নাসায়ী, হাদিস নং ৪৩৬৫, আবু দাউদ, ২৭৮৯)

কাজেই, যাদের এখনও জরুরি ক্ষৌরকর্মের প্রয়োজন রয়েছে, তারা জিলহজের চাঁদ ওঠার আগেই তা সেরে নিন। প্রয়োজন না থাকলে করার দরকার নেই। এর পর ঈদের দিনের অপেক্ষা করুন। সেদিন এই ক্ষৌরকার্য সম্পন্ন করুন। ইনশাআল্লাহ একটি পূর্ণ কোরবানির সওয়াব পাবেন।

জরুরি মাসয়ালা

ক্ষৌরকার্য ঈদের প্রথম দিন সম্ভব না হলে ২য়, ৩য় দিনও করা যাবে। সকালে সম্ভব না হলে বিকাল বা রাতেও করা যাবে।

যারা কোরবানি করবেন, তারাও ঈদের দিন ক্ষৌরকার্য করা মুস্তাহাব। (সহীহ মুসলিম: ১৯৭৭)

ক্ষৌরকর্মের মধ্যে দাড়ি শেভ করা অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং এক মুষ্ঠির নিচে দাড়ি কাটা মাকরূহে তাহরিমি।

আজ কোন মুদ্রার বিনিময় হার কত

এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তাদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

বিশ্বের নানা প্রান্তে পাড়ি জমানো প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে টাকার বিপরীতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময়মূল্য পাঠকদের সামনে তুলে ধরছে জাগো নিউজ।

মুদ্রার বিনিময় হার

jagonews24

সূত্র: এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড

মিশ্র প্রবণতায় চলছে পুঁজিবাজার লেনদেন

সোমবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের সামান্য উত্থানে চলছে লেনদেন।

ডিএসই ও সিএসইসূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

এদিন বেলা ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্সের লেনদেনে ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৬ হাজার ২১৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৩৪৬ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২২৫১ পয়েন্টে।

এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৯টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ১৪৮টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৩টির।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ২১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বাতাসের দূষণ খেয়ে ফেলবে গাড়ি

বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সক্ষম একটি গাড়ি চীনের গুডউড ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়েছে। গাড়িটি বাতাসের দূষণ ‘খেয়ে ফেলতে পারে’! বলে জানানো হয়। গাড়িটির নকশা করেছেন ব্রিটিশ ডিজাইনার থমাস হিদারউইক। ২০২৩ সালের মধ্যেই গাড়িটি বাজারে আনা হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। তবে গাড়িটির ব্যাপারে সমালোচনা করতে ছাড়েননি সমালোচকরা। গাড়িটি বায়ুদূষণ রোধে সক্ষম এ কথা তারা কোনোভাবেই মানতে চাচ্ছেন না। থমাস হিদারউইক আরও কয়েকটি স্থাপত্য প্রকল্পে কাজ করেছেন। বিশেষ করে লন্ডনের নতুন ভার্সনের বাসের ডিজাইন তারই করা। তবে তিনি এ প্রথম গাড়ির ডিজাইন করেছেন বলে জানান।

বায়ুদূষণ রোধে সক্ষম গাড়িটির ডিজাইনার থমাস এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যখন আমি ডিজাইনার হিসাবে তৈরি হচ্ছি, তখন গাড়ির ব্যাপারে মানুষের চিন্তাভাবনা তেমন ছিল না। তখন মানুষ ফোর্ড সিয়েরা কিংবা ফিয়াট পান্ডা গাড়ি ব্যবহার করতেন।’

থমাস আরও বলেন, ‘আমরা যখন চীনে প্রথমবারের মতো আইএম মোটরসের প্রস্তাব দিয়েছি, তখন তারা আমাদের বায়ুদূষণ রোধে সক্ষম একটি গাড়ি নির্মাণ করতে বলেছিল। কিন্তু তখন আমি বলেছিলাম, আমি তো এ ব্যাপারে অদক্ষ। তারা বলেছিল, সেই কারণে তুমি এমন গাড়ি তৈরি করবে।’ গাড়ির ক্রেতাকে বেশি খরচ করতে হবে না। এর দাম ৪০ হাজার পাউন্ড।

চলতি বছরের এপ্রিলে সাংহাই কার শোতে প্রথম দেখানো এ গাড়িটির একটি বড় কাচের ছাদ রয়েছে। এর ভেতরটা একটি ঘরের মতো করে নকশা করা হয়েছে। ‘অ্যাডজাস্টেবল’ সিটগুলো বিছানায় রূপান্তর করা যায়। আবার মিটিং বা খাবারের জন্য একটা টেবিলও বানিয়ে ফেলা যায়।

ইন্টারনেটের প্রথম কোড নিলামে

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের প্রথম কোড নিলামে তোলা হয়েছে। স্যার টিম বার্নার্স লি নিজের লেখা প্রথম কোড এনএফটি আকারে নিলামে তুলেছেন। কোডটির উদ্বোধনী মূল্য ধরা ছিল এক হাজার ডলার। সেই মূল্য এখন পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ লাখ ডলারে। ডিজিটাল স্বাক্ষরিত ইথেরিয়াম ব্লকচেইনভিত্তিক নন-ফাঞ্জিবল টোকেন (এনএফটি), যাতে ডিজিটাল সম্পদের মালিকানার রেকর্ড রাখা যায়, তাতে উল্লেখ করা এ সম্পদের মধ্যে রয়েছে স্যার টিমের লেখা মূল সোর্স কোড, একটি অ্যানিমেটেড ভিজুয়ালাইজেশন, বার্নার্স-লি’র লেখা একটি চিঠি এবং মূল ফাইলের পুরো কোড নিয়ে তৈরি একটি ডিজিটাল পোস্টার। নিলাম শেষ হবে বুধবার গ্রিনউইচ মান সময় সন্ধ্যা ৬টা ১ মিনিটে।

উল্লেখ্য, কম্পিউটার বিজ্ঞানী বার্নার্স-লি ১৯৮৯ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব উদ্ভাবন করেন যার ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে আজকের ইন্টারনেট জগৎ। তথ্য তৈরি এবং শেয়ার করার ক্ষেত্রে এ উদ্ভাবন বিপ্লব নিয়ে এসেছে। ইউরোপে, পঞ্চদশ শতাব্দীর জার্মানিতে ছাপাখানা তৈরির পর এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হিসাবে বিবেচিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল সম্পদের মালিকানা দলিল হিসাবে এনএফটি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ বছরই মার্চ মাসে শিল্পী মাইক উইঙ্কেলম্যানের একটি ডিজিটাল কোলাজ, যা বিপল নামেও পরিচিত, সেটি ক্রিস্টির নিলামঘরে বিক্রি হয় ছয় কোটি ৯৩ লাখ ডলারে। প্রথম সারির কোনো নিলাম ঘরে এটিই ছিল স্পর্শযোগ্য নয় এমন কোনো শিল্পকর্মের প্রথম নিলাম। তারপর থেকে আর কোনো এনএফটি’র মূল্য এর কাছাকাছি আসেনি।

কানাডায় প্রবাসীদের স্ট্যাম্পপিড ব্রেকফাস্ট ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কানাডার ক্যালগেরিতে বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে স্ট্যাম্পপিড সপ্তাহ পালনের অংশ হিসেবে ‘স্ট্যাম্পপিড ব্রেকফাস্ট’ এবং সেখানকার নতুন প্রজন্মের মাঝে “চারা রোপণ” কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

ক্যালগেরির বাংলাদেশ সেন্টারে রোববার (১১ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান চলে।

দুই দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সদস্যরা।

এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি যশোরাজ সিং হালান, এম এল এ ইরফান সাবির, এম এল এ ডেভিনদর টুরসহ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু ও সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম কাজল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. তাসফিন হোসাইন তপু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শুভ মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ সানিলা মাহমুদ পুনম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম মাজাহার, সোশ্যাল সেক্রেটারি হাসান রহমান, পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি মেহেদী হাসান রনি, প্রফেশনাল এবং স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি রিনাত হক নিলয়, মাল্টিমিডিয়া সেক্রেটারি মোশারফ হোসাইন মাসুদসহ অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। এ সময় তরুণ প্রজন্ম স্ট্যাম্পপিড ব্রেকফাস্টের খাবার বিতরণে সহযোগিতা করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতি মো. রশিদ রিপন বলেন, ‘কানাডা অন্য অনেক দেশের চাইতে সবুজ। আমাদের এই চারা রোপণ কর্মসূচি কোমলমতি শিশুদেরকে সবুজের গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করবে এবং কানাডাকে আরও বেশি সবুজে ভরে তুলতে অনুপ্রেরণা দেবে। এটি একই সঙ্গে প্রকৃতিপ্রেম ও দেশপ্রেমের সংমিশ্রণ। ফলে তারা সুনাগরিক হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।’
এছাড়াও তিনি আদিবাসীদের মৃত্যুর খবরে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের নতুন প্রজন্মের মানসিক ও শিক্ষা বিকাশের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মকাণ্ডে ও দক্ষতা অর্জনে পারদর্শী হয়ে উঠুক আর সেই লক্ষ্যেই আমাদের আজকের এই কর্মসূচি।’

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শুভ মজুমদার বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারির এই সময়ে চারা বিতরণের এ কর্মসূচি ছোট ছোট শিশু কিশোরদের তাদের অবসর সময়টুকুকে আরও আনন্দময় করে তুলবে।’

কোষাধ্যক্ষ সানিলা মাহমুদ পুনম বলেন, ‘ভিন্নধর্মী এই উদ্যোগ আমাদের কোমলমতি শিশুদের আগামী দিনের পথচলায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। কমিউনিটির উন্নয়নে তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসবে, দেশ সেবার ব্রত তাদের নিজেদের এবং সমাজের উন্নয়ন ঘটাবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

নতুন প্রজন্মের মাঝে চারা বিতরণ কর্মসূচির পরিকল্পনাকারী ছিলেন রিতা কর্মকার।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক গভীরভাবে বজায় রাখতে এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

অভিবাসন আইন শিথিলের দাবিতে পর্তুগালে আন্দোলন

অভিবাসন আইন, অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা ও দেশটিতে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন বিষয়ে সমঅধিকারের দাবি আদায়ে রাজপথে নেমেছে পর্তুগালের অভিবাসীদের সংগঠনগুলো। রোববার (১১ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় লিসবন এবং বন্দর নগরী পোর্তোতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ডাকে সাড়া দিয়ে পর্তুগালে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।

অভিবাসীদের উল্লেখযোগ্য মৌলিক দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিদেশি ও সীমান্ত পরিষেবা (এসইএফ) কার্যক্রমের উন্নতি, যাদের চাকরি ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের চাকরি নিশ্চিত করা, রেসিডেন্স কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন এমন নতুন অভিবাসীদের এসইএফ-তে সাক্ষাৎকারের তারিখ ধারাবাহিকভাবে ইমেইলে সংযুক্ত করা, ইমেইল পাওয়ার সময়সীমা কমিয়ে আনা, ইমেইল পাওয়ার তারিখ থেকে ৫ বছরের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়ার সময় নির্ধারণ করা এবং সর্বেশেষ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষে সকল অভিবাসীকে এসএনএস নম্বর দেয়া।

আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্রাজিলিয়ান নাগরিক এন্ডারসন পাউলিনা বলেন, আমি বিবাহিত এবং আমার দুটি সন্তানও রয়েছে। পর্তুগালে আমি সর্বনিম্ন বেতনে একটি গুদামে কাজ করি। ব্রাজিলে থাকাকালীন অবস্থায় আমি একজন ভারি ট্রাকচালক ছিলাম। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, আমার ভারি ড্রাইভিং লাইসেন্স হওয়ার পরেও শুধুমাত্র রেসিডেন্স কার্ডের অভাবে পর্তুগালের রাস্তায় ভারি গাড়ি চালানোর অনুমোদন পাচ্ছি না।

বাংলাদেশি প্রবাসী মোহাম্মদ শাহাজান বলেন, আমরা বাংলাদেশিরা বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করে বিদেশি অভিবাসী এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সাথে একাত্মতা পোষণ করেছি। কারণ আমরা জানি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা আমাদের অধিকার ফিরে পাব। আশা করি আজকের এ আন্দোলন পর্তুগালের গণমাধ্যমগুলোতে জোরালোভাবে প্রকাশ পাবে, ফলে আমরা ফিরে পাবো আমাদের ন্যায্য অধিকার।

বিয়ের দুই মাসের মাথায় মা হওয়ার ঘোষণা দিলেন নায়িকা!

বিয়ের দুই মাস না যেতেই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘোষণা দিলেন বলিউড অভিনেত্রী অ্যাভলিন শর্মা।

গত ১৫ মে অ্যাভলিন অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ডেন্টাল সার্জন ডা. তুশান বিন্দিকে বিয়ে করেন।

ভারতের বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বলিউড বাবল এ তথ্য জানিয়েছে।

‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ অভিনেত্রী ভারতের একটি শীর্ষ দৈনিককে জানিয়েছেন, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় খুব খুশি তিনি। উৎফুল্ল তুশানও। অ্যাভলিন এ খবরকে ‘সেরা উপহার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

অ্যাভলিন আরও জানিয়েছেন, তাদের সন্তান জন্ম নেবে অস্ট্রেলিয়ায়। এখন এ দম্পতি সেখানেই বসবাস করছেন।

অ্যাভলিন ও তুশানের প্রথম দেখা হয়েছিল ২০১৮ সালে। তাদের দেখা হয় দুজনের এক কমন ফ্রেন্ডের মাধ্যমে। ২০১৯ সালে এ যুগল বাগদান সারেন।

মেয়ে

আমার আত্মা হতে জাত তুই,মেয়ে,
হৃদয়ের গভীর হতে তোর জন্ম নেয়া,
অবিনশ্বর অনুভূতিতে আছিস ছেয়ে
তোর জন্যই এ জীবন বিলিয়ে দেয়া।
শরীরের থেকে একটু একটু করে
রক্ত-মাংস-চামড়ার ফুল ফোটা
আমারই আরেক আপন সত্তা তুই
তোরই জন্য এ ‘জননী’ হয়ে ওঠা।
শূককীট যেন তুই এক খোলস পরা-
এগিয়ে যাস রাঙা প্রজাপতি হতে
তোর আশাতে আমি বুক বেঁধে রই-
আমার স্বপ্ন বেঁচে ওঠে তোর পথে।
তবু কুৎসিত কিছু আশঙ্কা হয়,
দুরু দুরু বুকে এ প্রাণ কাঁপে কেন!
পথের ওপর অশুভর নিঃশ্বাস
বাঁকে বাঁকে দেখি শকুনের ছায়া যেন।
সুরক্ষিত আবরণ গড়ে দেবো
তোর চারপাশে রেশম মথের মতো
নিজের যা কিছু দেবই বিসর্জন
ঠেকিয়ে রাখব কালছায়া আছে যত।
যতদিনে তুই কঠিন পাথর হয়ে
আঘাত বদলা আঘাত শিখে যাবি-
ছোঁয়াচ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে তোকে
ঠিক ততদিন আমায় পাশে পাবি।
চাইনা তুই এক প্রজাপতি হ
রঙিন ঝিলিক দিগন্ত আলো করে,
ভীমরুল বা বোলতার মতো সেই
ছিপছিপে সৌন্দর্যে গড়ব তোরে ।
নাশ করিস যত অযাচিত অশুভ
যেন এক ঠোকরে ঢালিস হলাহল
নিপাত যাক লোলুপতায় ভরা
ঘিরে থাকা যতো নরপশুর দল ।
ততদিন পর্যন্ত যদি কোনভাবে
বাঁচিয়ে রাখতে পারি আমি এই তোকে
এক সুন্দরী তন্বী নয়রে, মাগো
তোর সফলতা দেখতে চাই দু’চোখে।
শিক্ষা, বুদ্ধি ও শক্তিতে দশভূজা
হয়ে ওঠ তুই প্রতিক্ষণ-রোজদিনে,
ধ্বংস করিস চারদিকে যত মন্দ
নরকের নীচ কীট পতঙ্গকে চিনে।
ঠিক ততোদিন পর্যন্ত যদি,মাগো,
পারি যদি আমি বাঁচিয়ে রাখতে তোকে-
মেয়ে থেকে তুই ‘মানুষ’ হয়ে উঠিস
মরার আগে দেখে যেতে চাই চোখে।
চোখ পেতে রই আশায় ভরা পথে-
জিতব কবে সেই অনাগত দিনে
সেদিন তোকে শুধুই ‘মেয়ে’ নয়,
পুরো মানুষের অবয়বে নেবো চিনে।

চাঁদপুরে প্রচলিত কয়েকটি প্রবাদ-প্রবচন

১. জাগিয়া না করে রাও/হগল কতার বুঝে ভাও।
২. ছেলে নষ্ট হাটে, ঝি নষ্ট চাটে/ বৌ নষ্ট পড়শিবাড়ির ঘাটে।
৩. গরুরে দিও না ভালা ঘাস/ বউরে দিও না পরবাস।
৪. যার লাগি নাই/মেজবানির বাইতও নাই।
৫. সুন্দরী পায় না বর/ ঘরণী পায় না ঘর।
৬. মেয়ে বিয়ে দেও ভাতে/ছেলে বিয়ে করাও জাতে।
৭. হস মাডিতে বিলাই খামসায়/টাইড মাডিতে শাবলও ডরায়।
৮. একে তো নাচুইন্না বুড়ি/আরও দিসে ঢোলে বাড়ি।
৯. পিঠা বলো, বিড়া বলো, ভাতের সমান নয়/ চাচি বলো জেঠি বলো মায়ের সমান নয়।
১০. বাপে পুতে ডাইকা ভাই/কোনো রকম দিন কাটাই।