সোমবার ,৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 663

অস্থায়ীভাবে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে

অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

এ ছাড়া রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। খবর বাসসের।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টি হয়নি।

গত মঙ্গলবার কক্সবাজারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বাঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সাহায্য করতে চায় অস্ট্রেলিয়া

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা সৃষ্টিতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায় অস্ট্রেলিয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

মঙ্গলবার কপ-২৬ এর সাইডলাইন আলোচনায় তিনি এ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে দুই নেতার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই নেতা দুদেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বিশেষ করে জলবায়ু সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। অস্ট্রেলিয়ারও দাবানল, বন্যা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চরম ক্ষতির অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই আমরা দুদেশ জলবায়ু ক্ষতিকর প্রভাবের বিরুদ্ধে স্থিতিস্থাপকতা গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে পারি।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে অব্যাহত সমর্থনের জন্য অস্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন এবং অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগদানের লক্ষে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে দুই সপ্তাহের সফরের উদ্দেশ্যে গত ৩১ অক্টোবর গ্লাসগো পৌঁছান।

পবিত্র কুরআনের কাব্যানুবাদ: একটি শরীয়াহ পর্যালোচনা

সুন্দর, শালীন, মার্জিত এবং ইসলামি চিন্তা-দর্শন ও জীবন-বিধান সমর্থিত কাব্যচর্চার সীমিত পরিসরে অনুমতি থাকলেও সামগ্রিক বিবেচনায় শরীয়তে কাব্যচর্চার প্রতি খুব উৎসাহিত করা হয়নি।

কুরআনের অপার্থিব ছন্দময়তার কারণে কুরআনুল কারীমকে কাব্যগ্রন্থ আর হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কবি মনে করতে লাগলে আল্লাহতায়ালা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেন, ‘আর এটা কবির কাব্যসমগ্র নয়’। (সুরা আল হাক্কাহ)।

তিনি আরো বলেন, আর আমি নবীকে কাব্যরচনা শেখাইনি, আর তা তার জন্য শোভনীয়ও নয়; বরং এ হচ্ছে উপদেশ বানী এবং সুস্পষ্ট পঠিতব্য গ্রন্থ আল কুরআন (সুরা ইয়াসিন: ৬৭)।

এজন্যই হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারাণত কাব্য রচনা বা আবৃত্তি করতেন না।

তিরমিযি, নাসাঈ ও আবুদাউদ শরিফের সূত্রে ইবনে কাসীর উল্লেখ করেন, ‘হজরত আয়েশাকে (রা.) জিজ্ঞাসা করা হল, রাসুলুল্লাহ (সা.) কি কখনো কবিতা রচনা করতেন?

তিনি জবাব দিলেন, কবিতা রচনা করা তার নিকট সর্বাপেক্ষা অপছন্দনীয় ছিল। কিন্তু কোনো কোনো সময় তিনি বনি কায়েস গোত্রের জনৈক ব্যক্তির কবিতা আবৃত্তি করতেন। তবে তাতে তিনি উলটপালট করে ফেলতেন এবং হজরত আবু বকর (রা.) তা সংশোধন করে দিতেন যে, এটা এমন নয়; বরং এমন। তখন রাসুল (সা.) বলতেন, আল্লাহর কসম আমি কবি নই এবং কবিতা রচনা আমার জন্য শোভনীয় নয়।’ (তাফসিরে ইবনে কাসীর:২৯৯/৩, তাওকীফিয়্যাহ,কায়রো,মিসর)

কাব্যচর্চা সম্পর্কে একদা তিনি বলেন, ‘কবিতা দ্বারা তোমাদের কারো পেট ভর্তি হওয়ার পরিবর্তে পুঁজ দ্বারা ভর্তি হওয়া উত্তম’ (মুসলিম: ২২৫৭)।

তিনি আরো বলেন, ‘যে ব্যক্তি এশার নামাজের পরে কবিতা রচনা বা আবৃত্তি করবে তার সেই রাত্রের নামাজ আল্লাহতায়ালার দরবারে কবুল হবে না’ (মুসনাদে আহমাদ ইবনে হাম্বাল)।

পবিত্র কুরআন কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়; বরং তা হচ্ছে হিদায়াতের বানী সম্বলিত ঐশীগ্রন্থ। আর কবিরা তো কখনো কখনো তার পদ্য ও পঙতির ছন্দ রক্ষায় উপযুক্ত শব্দ চয়ন ও বাক্য গঠনে নিয়ন্ত্রনহীনতা ও উদ্ভ্রান্তির শিকার হয়ে যায়।

পক্ষান্তরে কুরআনে কারিম হিদায়েতের কিতাব হিসেবে এর প্রতিটি শব্দ ও অর্থ উভয়টাই সীমাহীন তাৎপর্যপূর্ণ।

ইমাম কুরতুবী (রহ.) সুরায়ে ইয়াসিনের উপরোক্ত আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে বলেন, ‘কাব্যচর্চা শানে নবুয়াতের জন্য সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় নবীজি (সা.) কখনোই কাবিতা আবৃত্তি বা কাব্যচর্চা করতেন না, প্রাচীন কোন পদ্যের উপমা পেশ করতে হলে ছন্দ ভেঙ্গে মূল বক্তব্য টুকু কেবল তিনি উপস্থাপন করতেন।’(তাফসিরে কুরতুবী)।

কাব্যচর্চাকারীগণ স্বভাবজাত আবেগপ্রবন হওয়ায় এবং প্রকৃতি ও পরিবেশের বাহ্যিকতায় খুববেশি প্রভাবগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অনুসরন একজন পরকাল বিশ্বাসী মানুষের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর উদ্ভ্রান্তরাই কেবল কবিদের অনুগামি হয়।’ (সুরা শু’আরা)

তবে ইসলামি চিন্তা-দর্শন ও আকিদা-বিশ্বাস এবং জীবনাচারের প্রতি পূর্ণ সঙ্গতি রেখে কাব্যচর্চা করলে সে বিষয়টি ভিন্ন।

আল্লাহতায়ালা পরের আয়াতে বলেন, ‘তবে যারা ঈমান আনয়ন করে সৎকর্ম সম্পাদন করেছে এবং আল্লাহর স্মরনে খুববেশি বিভোর তাদের বিষয়টি ভিন্ন।’ (সুরা শু’আরা)।

হুজুরে পাক (সা.) বলেন, নিশ্চয় কিছু বক্তব্য যাদুময় আর কিছু কবিতা প্রজ্ঞাময়।’ (আল আদাবুল মুফরাদ: ৬৬৯)

এরই ধারাবাহিকতায় মক্কার কাফের মুশরিকদের বিরুদ্ধাচারণমূলক কবিতার সমুচিত ভাষায় জবাব দেওয়ার জন্য ক্ষেত্রবিশেষ বিশিষ্ট সাহাবী হজরত কা’ব ইবনে মালেক, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওআহা, হাসসান ইবনে সাবিতসহ কতিপয় সাহাবিকে রাসুল (সা.) কাব্যচর্চার অনুমতি দিয়েছেন; বরং উৎসাহিত করেছেন।

গযওয়ায়ে আহযাব এবং গযওয়ায়ে হুনাইনের যুদ্ধকালে হুজুরে পাক (সা.) কবিতাবৃত্তির বিচ্ছিন্ন ঘটনা কাব্যচর্চার উদ্দেশ্যে ছিলো না; বরং অনিচ্ছাকৃতভাবে মুখে উচ্চারিত হয়ে ছন্দময় বাক্য তৈরি হয়েছিলো।

তাফসিরে ইবনে কাসিরের তৃতীয় খণ্ডের ৩০০ পৃষ্ঠায় ইবনে কাসির লিখেছেন, ‘উপরোক্ত উভয়বিধ বক্তব্যের দ্বারা স্পষ্ট প্রতিভাত হয় যে, ইসলামি চিন্তা-দর্শন, আকিদা-বিশ্বাস এবং জীবণাচারের আবেদন অক্ষুণ্ণ রেখে কাব্য রচনা ও কবিতা আবৃতি করার অনুমতি থাকলেও বিষয়টি শরীয়তের দৃষ্টিতে বিশেষ কাম্য ও প্রশংসনীয় নয়।

এতো ছিলো সাধারণ কাব্যরচনা ও কবিতাবৃত্তির কথা। কিন্তু কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদের প্রসঙ্গটি সম্পূর্ণই ভিন্ন। কুরআন ঐশী গ্রন্থ। এর ধারা-ব্যাঞ্জনা ও বর্ণনাশৈলীর অলঙ্করণ স্পর্শ করা মানুষের সাধ্যের বাইরে।

আরবি ভাষার গভীর ব্যুৎপত্তি ছাড়া যা সঠিকভাবে অনুধাবন করা অসম্ভব। তাই ইসলামি ইতিহাসের সূচনাকাল থেকেই ভিন্ন ভাষায় কুরআনে কারিমের অনুবাদ করা যাবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট মতভিন্নতা ছিলো।

তবে ভিন্ন ভাষাভাষীদের বোঝার স্বার্থে কালামে পাক থেকে যথাযথ যোগ্যতা সম্পন্ন মুফাসসির যে অর্থ ও মর্ম অনুধাবন করেন, তা অনারবী ভাষায় ব্যাক্ত করা ও লেখার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

এজন্য এটাকে ‘তরজমাতুল কুরআন’ না বলে মুহাক্কিক ও গবেষক আলেমগণ ‘তরজমাতু মাআনিল কুরআন’ বলাকেই সঙ্গত মনে করেন।

এখন সেই মর্মবাণীর কাব্যিক রূপ প্রদানের ক্ষেত্রে অন্তমিল, ছন্দ ইত্যাদির প্রয়োজনে সঠিক মর্মের প্রকাশ ব্যাহত হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। অথবা প্রকাশ সঠিক হলেও শ্রোতা বা পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারে-এই আশংকার প্রতি লক্ষ্য করে ফুকাহায়ে কেরাম কুরআনের কাব্যানুবাদের প্রতি কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।

ফিকহে হানাফির প্রসিদ্ধ আকর গ্রন্থ মাজমাউল আনহুরে আছে-‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কালামকে তার নিজের কথায় ঠাট্টার ছলে ব্যবহার করে, তাকে কাফের সাব্যস্ত করা হবে। অনুরূপ যে ব্যাক্তি ফার্সি ভাষায় কুরআনের কাব্যানুবাদ করে, তাকেও।’ (মাজমাউল আনহুর: ৬৯৩/১)

বিখ্যাত ফতোয়াগ্রন্থ আলমগীরীতে এসেছে-‘যে ব্যক্তি ফার্সি ভাষায় কুরআনের কাব্যিক অনুবাদ করেছে, তাকে হত্যা করা হবে। কেননা সে কাফের।’ (ফতোয়ায়ে আলমগীরী: ২৬৭/২)। একটু চিন্তা করে দেখুন-কত ভয়ঙ্কর ব্যাপার!

এজন্য হাকীমুল উম্মত, মুজাদ্দিদে মিল্লাত হজরত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী (রহ.)-এর কাছে কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে, তিনি কঠোরভাবে নিষেধ করেন।

ইমদাদুল ফাতোয়ার উদ্ধৃতিটি দেখুন- সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, কুরআন শরিফের উর্দুতে কাব্যানুবাদ করার বিধান কী?

উত্তর দেওয়া হয়েছে-‘সম্পূর্ণ না জায়েজ, বরং ফতোয়ায়ে আলমগীরীতে আছে-যদি কোন ব্যক্তি ফার্সিতে কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদ করে তাহলে তাকে হত্যা করা হবে। কারণ, সে কাফের। বলাবাহুল্য ফার্সি কাব্যানুবাদ আর উর্দু কাব্যানুবাদ-এর ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য।

বাহ্যত কুফরির কারণ হচ্ছে-কুরআনের কাব্যানুবাদ করলে কুরআনে কারিমের অবমাননা হয়। সুতরাং যদি কারো কুরআন অবমাননার ইচ্ছা না থাকে তাহলে তাকে কাফের আখ্যায়িত করা হবে না। তবে কুরআনের কাব্যানুবাদ করতে তাকে বাধা দেওয়া হবে। বাধা দেওয়া সত্ত্বেও যদি সে বিরত না থাকে তাহলে সে ফাসেক এবং মারাত্মক গুনাহগার হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের কাব্যানুবাদ করা এবং প্রকাশ ও প্রচার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

সম্প্রতি বিশ্ব বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাকিস্তানের জামিয়া ফারুকিয়া বিন্নোরী টাউন করাচির দারুল ইফতা থেকে প্রকাশিত একটি ফতোয়াতে কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদের প্রতি কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ফতোয়াটি তুলে ধরা হলো-একজন প্রশ্ন করেছেন, কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদের কী বিধান? এটা কি জায়েজ? অনুগ্রহপূর্বক দলিলসহ বিস্তারিত জানাবেন।

জামিয়া ফারুকিয়া বিন্নোরী টাউন করাচি-এর পক্ষ থেকে উত্তর দেওয়া হয়েছে-কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদ করা জায়েজ নেই। এর থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা জরুরি। এতে বহুবিধ সমস্যা ও অসুবিধা রয়েছে, যা হাকীমুল উম্মত মুজাদ্দিদে মিল্লাত হজরত মাওলানা শাহ আশরাফ আলী থানভী (রহ.) সবিস্তার আলোচনা করেছেন। বিস্তারিত জানতে দারুল উলূম করাচী থেকে প্রকাশিত ইমদাদুল ফাতাওয়ার চতুর্থ খণ্ডের ৫১ পৃষ্ঠা দেখুন।

একটি সংশয় নিরসন

সম্প্রতি দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে প্রকাশিত একটি ফতোয়াতে শর্তসাপেক্ষে কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদ জায়েজ হওয়ার যে প্রচারনা চালানো হচ্ছে- এব্যাপারে সঠিক কথা হচ্ছে-আলোচ্য ফতোয়াটিতে কুরআনে কারিমের কাব্যানুবাদের ব্যাপক অনুমতি দেওয়া হয়নি; বরং শর্তসাপেক্ষে জায়েজ আখ্যায়িত করা হয়েছে।

এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, সকল শর্তের ভিত্তিতে জায়েজ বলা হয়েছে সেগুলো খুব সহজলভ্য নয়।

সুতরাং আরবি প্রবাদ ‘ইজা ফাতাশ শারতু ফাতাল মাশরুত’-এর ভিত্তিতে এটা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি করার কোন সুযোগ নেই।

এছাড়া হাকীমুল উম্মত, মুজাদ্দিদে মিল্লাত হজরত মাওলানা শাহ আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর ফতোয়ার সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ায় উভয় ফতোয়া ‘রাজেহ-মারজুহ’-এর মূলনীতি অনুযায়ী হাকীমুল উম্মতের ফতোয়াটি অগ্রগণ্য ও কার্যকর বলে বিবেচিত হবে।

কুরআনের কাব্যানুবাদে তাহরীফে কুরআন বা কুরআন বিকৃত হওয়ার শুধু সম্ভাবনাই নেই; বরং অনেকটা অবশ্যম্ভাবী। তাই যেকোন ভাষায় কুরআনের কাব্যানুবাদকে শরীয়ত অনুমোদন বা উৎসাহিত করে না। এ কারণেই ইসলামের ইতিহাসে পবিত্র কুরআনের কাব্যানুদের তেমন চর্চা পরিলক্ষিত হয় না।

তাই এধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঈমানী দায়িত্ব। কারণ একবার এটির চর্চা শুরু হলে এ ধারাবাহিকতা চলতে থাকবে।

লেখক: মুফতি মামুন আব্দুল্লাহ কাসেমী, প্রধান মুফতি ও প্রিন্সিপাল, মারকাযুদ দিরাসাহ আল ইসলামিয়্যাহ, মিরপুর, ঢাকা। মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামি’আ ইসলামিয়া লালমাটিয়া, মোহাম্মাদপুর ঢাকা।

কিরাতে কোন ধরনের ভুলের কারণে নামাজ নষ্ট হয়?

কিরাতে আয়াতের শব্দসমূহের উচ্চারণের সাধারণ কমতি অথবা অর্থের সাধারণ পরিবর্তনের কারণে নামাজ নষ্ট হয় না।

যদি নামাজে সুরা পাঠে এমন কোনো ভুল হয়ে যায়, যাতে আয়াতের অর্থে বড় ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়; অর্থাৎ এমন কোনো অর্থ সৃষ্টি হয়ে যায়, যার বিশ্বাস রাখা একজন মুমিনের জন্য কুফুরি।

আর ভুল পড়া আয়াত-বাক্য এবং সহিহ শব্দাবলির মাঝে কোনো পরিপূর্ণ ওয়াকফ (থামা না হয়) করা না হয় (যাতে বিষয় বস্তুর বিচ্ছিন্নতার দরুন নামাজ নষ্ট হওয়া থেকে বেচে থাকা যায়) এবং নামাজের ভেতরেই সেই ভুলের সংশোধন করা না হয়, তা হলে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

কিরাতের ভুলের কারণে নামাজ নষ্ট হওয়া বা না হওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে এটি হচ্ছে মূলনীতি, যা আমরা মাত্র ওপরে উল্লেখ করলাম। তবে কারও কেরাতে যদি ভুল হয়, তা হলে সে ভুল উল্লেখকরত কোনো বিজ্ঞ মুফতির কাছে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।

তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট থাকা ভালো যে, যদি আয়াতের উচ্চারণগত পরিবর্তন অথবা শব্দাবলির কমবেশির কারণে অর্থে কোনো পরিবর্তন না হয় অথবা আয়াতের অর্থে পরিবর্তন হয়; কিন্তু সেটি বড় ধরনের পরিবর্তন নয়, তা হলে এসব কারণে যদিও নামাজ নষ্ট হবে না।

তবে সহিহ তিলাওয়াতের ওপর ক্ষমতাবান থাকা এবং এ বিষয়টি জানা সত্ত্বেও এভাবে কিরাত পড়ে নামাজ পড়া মাকরুহ থেকে মুক্ত নয়। এবং এতে করে তার তিলাওয়াতের সওয়াব কম হবে।

তাই নামাজে যদি এমন কোনো ভুলের উপলদ্ধি হয়, তা হলে সে আয়াত বা শব্দবলিকে নামাজেই পুনরায় সংশোধন করা উচিত।

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য উচিত যে, বিশুদ্ধ ও তাজবিদ সহকারে পবিত্র কুরআনে কারিম তিলাওয়াতে গুরুত্ব দেওয়া। আর যদি নিজে নিজে তিলাওয়াত সহিহ করতে না পারে, তা হলে কোনো একজন বিজ্ঞ কারীর তত্বাবধানে থেকে নিজের কেরাতের মশক (চর্চা) করা উচিত।

বুয়েটে ৩০ শিক্ষক নিয়োগ

শিক্ষক নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে যোগ্যতাসম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে।  মোট ১৪টি পদে অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও লেকচারার মিলিয়ে ৩০ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। ডাকযোগে বা সরাসরি গিয়ে করা যাবে আবেদন।

১. নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে
অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা
সহকারী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

২. কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার বিভাগে
সহযোগী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা

৩. রসায়ন বিভাগে
সহযোগী অধ্যাপক ২ জন, বেতন- ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা

৪. পুরকৌশল বিভাগে
সহযোগী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা
সহকারী অধ্যাপক ৩ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

৫. গণিত বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

৬. গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

৭. বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

৮. আইআইসিটি বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

৯. ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ২ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

১০. স্থাপত্য বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ৩ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
লেকচারার ২ জন, বেতন- ২২,০০০- ৫৩০৬০ টাকা

১১. কেমিকৌশল বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
লেকচারার ১ জন, বেতন- ২২,০০০- ৫৩০৬০ টাকা

১২. তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ১ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
লেকচারার ১ জন, বেতন- ২২,০০০- ৫৩০৬০ টাকা

১৩. যন্ত্রকৌশল বিভাগে
সহকারী অধ্যাপক ২ জন, বেতন- ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
লেকচারার ২ জন, বেতন- ২২,০০০- ৫৩,০৬০ টাকা

১৪. পানিসম্পদ কৌশল বিভাগে
লেকচারার ২ জন, বেতন- ২২,০০০- ৫৩০৬০ টাকা

এসব পদের প্রতিটির জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও বয়সসীমা। নিয়োগের বিস্তারিত জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের নিয়ম
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফরম https://regoffice.buet.ac.bd/ -এ থেকে আবেদন করতে হবে অথবা সরাসরি গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২১ নভেম্বর ২০২১

শিক্ষক নেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বিভিন্ন বিভাগে ৩০ জন শিক্ষক নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীরা যোগ্যতা অনুযায়ী ডাকযোগে আবেদন করতে পারবেন।

যে ৫ কারণে শীতকালে খাবেন আমলকীর জুস

আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়টায় নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়। এ কারণে রোগ প্রতিরোধের দিকে সবার নজর দেওয়া উচিত। সে জন্য খাবার-দাবারে যত্ন নিতে হবে।

শীতকালে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি মেলে বাজারে। এগুলো থেকে অনায়াসে আপনি মিটিয়ে নিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের অনেকটাই। এর পাশাপাশি মেন্যুতে থাকতে পারে বিভিন্ন ফল ও ফলের জুস।

এমনই একটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ সুপারফুড হচ্ছে আমলকী। এটি আপনার শরীরে পুষ্টি সরবরাহের পাশাপাশি বৃদ্ধি করবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। জানুন শীতকালে আমলকীর জুস খাবেন যে ৫ কারণে—

১. রোগ প্রতিরোধে
আমলকী ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি শরীরের ভেতর থেকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে। এটি মৌসুমি ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

২. ত্বকের পুষ্টি পূরণ
আমলকীতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তকে বিশুদ্ধ করে দাগমুক্ত ও ত্বকে পুষ্টি পেতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আমলকীতে বার্ধক্যবিরোধী বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। এ কারণে এটিকে শীতকালীন খাদ্যতালিকায় রেখে ত্বকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারেন।

৩. ওজন কমাতে
শীতকাল প্রচুর সুস্বাদু খাবার মেলে। আর এগুলো খেলে অনেকেরই ওজন বেড়ে যায়। কিন্তু আপনার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় আমলকী জুস রাখলে এতে থাকা ডিটক্স আপনার ওজন কমানোর জন্য উপকারী হতে পারে।

৪. হজম শক্তি বাড়ায়
শীতকালে হওয়া আরেকটি সমস্যা হচ্ছে বদহজম। এমন পরিস্থিতিতে আমলকী হজমশক্তি বৃদ্ধি করে ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো করতে সহায়তা করতে পারে।

৫. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
আমলকী ক্রোমিয়ামের অনেক ভালো একটি সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় তা আমাদের শরীরকে ইনস্যুলিনের প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে। এ কারণে আমলকী ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে থাকে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

প্রভাষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা

১. অর্থহীনভাবে প্রত্যয়যুক্ত শব্দ কোনটি?

ক. মিঠাই খ. লোনা

√গ. লেজুড় ঘ. সাপুড়ে

২. কোনটি পুরাঘটিত অতীত কালের উদাহরণ?

√ক. সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম

খ. কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল

গ. এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি

ঘ. কে জানতে আমার ভাগ্য এমন হবে

৩. ‘ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন’- কোন অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?

ক. আদেশ খ. উপদেশ

√গ. প্রার্থনা ঘ. অনুরোধ

৪. ছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ধাতুগুলো কোন আদিগণভুক্ত?

ক. ঘুরা খ. নি

গ. লাফা √ঘ. ফিরা

৫. “কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়”-‘কান্নায়’ কোন কারক?

ক. অপাদান কারক খ. কালাধিকরণ

√গ. ভাবাধিকরণ ঘ. আধারাধিকরণ

৬. “বিনা স্বদেশি ভাষা মিটে কি আশা?”-এ বাক্যে ‘বিনা’ অনুসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করছে?

ক. সঙ্গে খ. প্রয়োজন

গ. নিমিত্তে √ঘ. ব্যতিরেকে

৭. “এদেশের মাঝে একদিন সব ছিল”-এ বাক্যে ‘মাঝে’ অনুসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

√ক. একদেশিক/ঐকদেশিক খ. মধ্যে অর্থে

গ. ব্যাপ্তি অর্থে ঘ. নিমিত্ত অর্থে

৮. আকাঙ্ক্ষার ভাব কোনটি?

ক. স্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ রেখ খ. মানুষ হও

গ. তুমি আসবে √ঘ. বাংলাদেশ চিরজীবী হউক

৯. ‘শাপেবর’ বাগধারাটির দ্বারা কী অর্থ বোঝায়?

ক. উভয় সংকট খ. চির অশান্তি

√গ. অনিষ্টের ইষ্ট লাভ ঘ. দুঃসাধ্য বস্তু

১০. “বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে।”-এটা কোন বাচ্যের উদাহরণ?

√ক. কর্মকর্তৃবাচ্য খ. কর্মবাচ্য

গ. কর্তৃবাচ্য ঘ. ভাববাচ্য

১১. প্রত্যক্ষ উক্তিতে এখানে পরোক্ষ উক্তিতে কী হয়?

ক. ওখানে √খ. সেখানে

গ. ঐখানে ঘ. এইখানে

১২. ‘গিন্নী’ কোন শ্রেণির শব্দ?

ক. খাঁটি বাংলা খ. দেশি

গ. বিদেশি √ঘ. অর্ধ-তৎসম

১৩. সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?

ক. রূপতত্ত্ব √খ. ধ্বনিতত্ত্ব

গ. পদক্রম ঘ. বাক্য প্রকরণ

১৪. কোন শব্দের আদি ‘এ’ স্বরধ্বনি সংবৃত?

ক. দেখ খ. এক

√গ. কেষ্ট ঘ. চেংড়া

১৫. পরের ‘ই’ কার ও ‘উ’ কার আগেই উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে কী বলে?

ক. বিপ্রকর্ষ খ. স্বরাগম

গ. অভিশ্রুতি √ঘ. অপিনিহিতি

১৬. “বৃষ্টি আসে আসুক”-বাক্যের ক্রিয়াপদটি কোন ভাব প্রকাশ করে?

ক. সাপেক্ষ ভাব খ. নির্দেশক ভাব

√গ. আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব ঘ. অনুজ্ঞা ভাব

রসায়ন

মো. বদরুল ইসলাম

সহকারী শিক্ষক, গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাইস্কুল তেজগাঁও, ঢাকা

পদার্থের গঠন

[পূর্বে প্রকাশিত অংশে পর]

২৮। নাইট্রক এসিডের আপেক্ষিক আণবিক ভর কত?

উত্তর : ৬৩

২৯। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নির্ণয়ে পোলট্রি ফার্মে ব্যবহৃত হয় কোন আইসোটোপ? উত্তর : 60co

৩০। কোন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থির কোষ-কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে? উত্তর : 131I

৩১। হাড়ের ব্যথার চিকিৎসায় কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়? উত্তর : 89Sr

৩২। হার্টে পেইসমেকার বসাতে কোন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়? উত্তর : প্লুটোনিয়াম-238

৩৩। চিকিৎসা ও কৃষি উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কোন আইসোটোপ? উত্তর : 32P

৩৪। পৃথিবীর বয়স নির্ণয়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?

উত্তর : 14C

৩৫। ক্যান্সার কোষ কলাকে ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয় কোন আইসোটোপ? উত্তর : 131I

৩৬। পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে ব্যবহৃত কার্বনের আইসোটোপটিতে নিউট্রনের সংখ্যা কত? উত্তর : 8

৩৭। খাদ্য সংরক্ষণে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা হয় কোন আইসোটোপ দ্বারা? উত্তর : 60co

৩৮। পোলট্রি ফার্মে কোন রশ্মি ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া দমন করা হয়? উত্তর : গামা (у) রশ্মি

৩৯। নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ পরমাণুর ব্যাসার্ধের কত ভাগ?

উত্তর : এক লাখ ভাগের এক ভাগ

৪০। ভারী পানি ও পানিতে বিদ্যমান হাইড্রোজেন আইসোটোপের পারমাণবিক সংখ্যার অনুপাত কত?

উত্তর : 1:1

৪১। তড়িচ্চুম্বকীয় তত্ত্ব কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর : ম্যাক্সওয়েল

৪২। কোন পরমাণুর বর্ণালী বোর পরমাণু মডেল ব্যাখ্যা করতে পারে? উত্তর : হাইড্রোজেন

৪৩। রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল আবিষ্কার হয় কত সালে?

উত্তর : ১৯১১ সালে

৪৪। নীলস বোর কত সালে পরমাণু মডেলটি প্রকাশ করেন?

উত্তর : ১৯১৩ সালে

৪৫। পরমাণুর বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায় কোন মডেলের সাহায্যে? উত্তর : বোর

৪৬। রাদারফোর্ড কত সালে নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন?

উত্তর : ১৯১১ সালে

৪৭। Cr(24) মৌলের তৃতীয় শক্তিস্তরে কতটি ইলেকট্রন থাকে? উত্তর : 13

৪৮। ভ ও ফ উপস্তরে যথাক্রমে কয়টি করে ইলেকট্রন থাকতে পারে? উত্তর : 14 ও 10

৪৯। রাদারফোর্ড পরমাণুর কেন্দ্রের কী নামকরণ করেন?

উত্তর : নিউক্লিয়াস

৫০। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেরের ভিত্তি কী?

উত্তর : œ-কণা বিচ্ছুরণ

৫১। শক্তিস্তর কাকে বলে?

উত্তর : ইলেকট্রনগুলো যে পথে ভ্রমণ করে তাকে শক্তিস্তর বলে।

৫২। জিংকের ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে সর্বশেষ ইলেকট্রন কোন উপশক্তি স্তরে প্রবেশ করে? উত্তর : d

৫৩। পটাশিয়ামের 19-তম ইলেকট্রনটি কোন উপস্তরে থাকে? উত্তর : 4s

৫৪। K+ এর বহিস্থ শক্তিস্তরে কতগুলো ইলেকট্রন আছে?

উত্তর : 8

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ৯০ শতাংশ ফেল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদের (ক ইউনিট) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এ ইউনিটে পাস করেছে ১০ হাজার ১৬৫ জন শিক্ষার্থী যা মোট পরীক্ষার্থীর ১০ শতাংশ (১০.৭৬)। প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

ক ইউনিটের ১৮১৫ আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৯৪ হাজার ৫০৯ জন। আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৭ জন।

বুধবার দুপুর ১টায় উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি অফিসে উপস্থিত থেকে এই ফল প্রকাশ করেন।

পাস করা শিক্ষার্থীদের আগামী ৪ নভেম্বর বিকাল ৩টা থেকে ২১ নভেম্বর বিকাল ৩টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে ঢুকে ফরম ও বিষয় পছন্দক্রম পূরণ করতে বলা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীদের ৪ -১২ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিন অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন বগুড়া আজিজুল হক কলেজের মেফতাহুল আলম সিয়াম তার স্কোর-১১৭.৭৫। দ্বিতীয় স্থান চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী আসিফ করিম, তার স্কোর- ১১২.৭৫ । তৃতীয় খুলনা পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী নিত্য আনন্দ বিশ্বাস। তার স্কোর- ১১১.৯৫১

১০ বছর মাকে হাসতে দেখিনি: সারা আলি খান

১৯৯১ সালে বিয়ে হয়েছিল সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংহের। একসময়ের তুমুল প্রেম গড়াল প্রবল তিক্ততায়। অবশেষে ২০০৪ সালে বিচ্ছেদ।

সংবাদমাধ্যমের কাছে সেই কঠিন সময় নিয়ে মুখ খুললেন এই তারকা জুটির বড় মেয়ে সারা আলি খান। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

সারা জানান, তার মা-বাবা একসঙ্গে সুখে ছিলেন না। আলাদা হয়ে যাওয়ার পর বরং শান্তিতে কাটছে দুজনের জীবন। একই বাড়িতে দুজন মানুষের সঙ্গে থাকা, যারা একসঙ্গে সুখে নেই। তার পর তাদের বাড়ি আলাদা হয়ে গেল, দুজনেই নতুন করে হাসতে শুরু করলেন। তা হলে সেই দুজন মানুষকে একসঙ্গে থাকতে বলব কেন?

সারা বলেন, মাকে ১০ বছর হাসতে দেখিনি। কিন্তু বাবার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর মা অনেক বেশি প্রাণোচ্ছ্বল।

২০০৪ সালের পর থেকে মেয়ে সারা ও ছেলে ইব্রাহিমের সঙ্গে আলাদা বাড়িতে থাকেন অমৃতা। মায়ের সঙ্গে দুই ছেলেমেয়ে বেড়াতে যান দেশের বিভিন্ন জায়গায়। তিনজনের সেসব সুন্দর সময়ের ছবিতে ঠাসা সারা-ইব্রাহিমের ইনস্টাগ্রাম।

তারকা-তনয়ার কথায় জানা গেল, অমৃতা এখন মশকরা-রসিকতায় মাতেন, ছেলেমেয়ের সঙ্গে হেসেখেলে সময় কাটান। সাইফের সঙ্গে থাকাকালীন এই অমৃতাই যেন হাসতে ভুলে গিয়েছিলেন!

সাইফ আলি খানের সঙ্গে অমৃতার যখন বিচ্ছেদ হয়, সারার বয়স তখন মাত্র ৯ বছর। এর পর মায়ের কাছ থেকে তার আদর্শেই ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠেন সারা। তাই অমৃতাকে ঘিরেই আবর্তিত সারার জীবন। সাইফ দ্বিতীয় বিয়ে করলেও (কারিনার সঙ্গে বিয়ে হয় সাইফের) অমৃতা একাই থেকেছেন তার সন্তানদের নিয়ে।