বুধবার ,৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 662

পাকিস্তানের সেই নারী ক্রিকেটারকে নিয়ে বাবর আজমের বাবার বক্তব্য ভাইরাল

পাকিস্তানের নারী ক্রিকেটার বিসমা আমজাদের চিকিৎসা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন দেশটির পুরুষ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বাবর আজমের বাবা আজম সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে বাবর আজম বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলে যে ম্যাচ ফি পেয়েছেন তা খরচ করা হোক ওই নারী ক্রিকেটারের চিকিৎসায়।

তার ওই বক্তব্য দেশটির সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। খবর জিও টিভির।

আজম সিদ্দিকী ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন, আমি পিসিবির চেয়ারম্যান রমিজ রাজাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় ক্রিকেটার বিসমা আমজাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। যদি পাকিস্তানের জার্সি পরা কেউ অসহায় হয় এর অর্থ হলো পুরো জাতিই অসহায়।

গত মাসে করাচিতে অনুশীলনের সময় ওই নারী ক্রিকেটার মাথায় আঘাত পান। এরপর তাকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা তার মেডিকেল বিল পরিশোধ করতে রাজি হননি।

পরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হলে পিসিবি একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।

এতে বলা হয়, পিসিবি একটি দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে তার সুস্থতার পাশাপাশি চিকিৎসার খরচও বহন করছে।

অপরদিকে এক ভিডিও বার্তায় বিসমা আমজাদ জানান, তিনি অনুশীলনের সময় মাথায় আঘাত পেয়েছেন। পরে পিসিবির কর্মকর্তারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।

বিসমা বলেন, আমি বর্তমানে ভালো অনুভব করছি। পিসিবি আমাকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে নিয়ে কী ভাবছে অস্ট্রেলিয়া?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গিয়ে দুধভাত দলে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। সুপার টুয়েলভের গত ৪ ম্যাচে একটিতেও জিততে না পেরে সবার আগে বিদায় ঘণ্টা বেজেছে টাইগারদের।

অথচ এই টাইগারদের গত সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে গর্জন শোনা গিয়েছিল মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে। কিন্তু একমাসের মধ্যে অচেনা রূপ মাহমুদউল্লাহ বাহিনীর। একের পর এক হারে বিপর্যস্ত তারা।

বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ কি ফিরিয়ে আনতে পারবে মিরপুরের সেই বাঘের গর্জন? সেপ্টেম্বরে ৪-১ ব্যবধানে হারানো সেই অসিদের বিপক্ষেই তো দুবাইয়ে নামবে টাইগাররা।

তার আগেই মাহমুদউল্লাহদের হুঙ্কার ছাড়লেন অসি স্পিনার অ্যাশটন অ্যাগার। জানালেন, এটা দুবাই, মিরপুরের মন্থর উইকেট নয়।

বুধবার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে অ্যাগার বলেন, ‘মিরপুরের কন্ডিশন এখানে নেই। বাংলাদেশে যেমনটা দেখেছি, আমার সন্দেহ, ততটা স্পিনবান্ধব উইকেট হবে না। মিরপুরের উইকেটে আমি ও অ্যাডাম জাম্পা দুজনই বোলিং উপভোগ করেছিলাম। কোনো ব্যাটার সেখানে ব্যাট করা উপভোগ করেনি। এমনকি বাংলাদেশিরাও। আসলেই ওটা একেবারে আলাদা কন্ডিশন। বাংলাদেশের মতো ওই কন্ডিশনে আমাদের অনেকে প্রথমবারের মতো খেলেছিল। আমরা বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলাম। ওই কন্ডিশনে বাংলাদেশ অসাধারণ খেলেছিল। তারা ঘরের মাঠে ভালো খেলেছে, এটা আমাদের কাছে আশ্চর্যের বিষয় নয়। মোস্তাফিজকে মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়েছিল। উইকেট তাকে সাহায্য করেছিল। স্লোয়ার বলে এককথায় অসাধারণ বল ঘুরেছিল তার। কিন্তু এখানে ভিন্ন ব্যাপার। আমাদের দল এখন আলাদা। উইকেট বাংলাদেশের মতো আচরণ করছে না। আমরা দেখব কী হয়। আমাদের জিততে হবে। জেতার জন্যই ছেলেরা খেলবে। এটা হবে দারুণ ম্যাচ।

দাফনের ৯ মাস পর কবর খুঁড়ে তোলা হলো যুবকের লাশ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় দাফনের ৯ মাস পর সজীব ভূঁইয়া (২৩) নামে এক যুবকের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করেছে পুলিশ।

ফরিদপুর অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে স্থানীয় মিঠাপুর কবরস্থান থেকে লাশটি তোলা হয়।

পরে লাশটি ফের ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সজীব ভূঁইয়া উপজেলার পৌর সদরের মিঠাপুর গ্রামের কামাল ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন পোশাক শ্রমিক ছিলেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলফাডাঙ্গা থানার এসআই মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, গত প্রায় ৯ মাস আগে লাশটি দাফন করা হয়। লাশ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ইমাম রাজী ও গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আনোয়ার নাসিম।

মামলাসূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি সজীব ভূঁইয়া তার কর্মস্থল গাজীপুর থেকে ছুটি নিয়ে বাড়িতে যান।

পর দিন বিকালে ধারের টাকা আদায়ের জন্য প্রতিবেশী ইস্রাফিল তালুকদারের বাড়িতে আটকে রেখে কয়েকজন যুবক তাকে মারধর করে। এতে সজীব অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এ সুযোগে তার মুখে বিষ ঢেলে দেন অভিযুক্তরা। এর পর ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সজীবকে আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে তার পরিবারকে খবর দেন অভিযুক্তরা।

২৯ জানুয়ারি সজীবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বোয়ালমারী উপজেলার বাইখীর নামক স্থানে মাইক্রোবাসে তার মৃত্যু হয়। পরে ৩০ জানুয়ারি ময়নাতদন্ত শেষে সজীবের লাশ তার বাড়ির পাশে কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় সজীবের বাবা কামাল ভূঁইয়া বাদী হয়ে ইস্রাফিল তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের বিরুদ্ধে ফরিদপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তর করা হয়।

সিআইডি সজীব ভূঁইয়ার মরদেহ উত্তোলনের মাধ্যমে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চাইলে আদালত অনুমতি দেন। আদালতের আদেশ পেয়ে কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

ভাসানচর থেকে পালানোর সময় ৬ রোহিঙ্গা আটক

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালাতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন ছয় রোহিঙ্গা।

বুধবার দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের চরজব্বর থানায় নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার কোস্টগার্ডের মাধ্যমে তাদের ভাসানচরের ক্যাম্পে পাঠানো হবে।

আটকরা হলেন— ভাসানচরের ৭৬ নম্বর ক্লাস্টারের হাসিনা বেগম (৩৭), সাইফুল ইসলাম (১১), আলমার জাহান (৩৩), মো. ইয়াছিন (৩), রোজিনা আক্তার (১৯) ও মো. আজিজ (১)।

জানা যায়, ভাসানচর আশ্রয়ণ কেন্দ্র থেকে নৌকায় দালালের সহযোগিতায় তারা পালিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন।

বুধবার দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন এলাকায় পৌঁছলে দালাল ও নৌকার মাঝিরা কৌশলে তাদের নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন চৌধুরীকে জানালে তিনি পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে চরজব্বর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসেন।

চরজব্বর থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন, আটক তিন শিশু ও তিন নারী চরজব্বর থানায় রয়েছে। সকালে কোস্টগার্ডের মাধ্যমে তাদের ভাসানচরের ক্যাম্পে পাঠানো হবে।

বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতা নিয়ে বৈঠক ২৯ নভেম্বর

ইরানের সঙ্গে বিশ্বশক্তির পরমাণু সমঝোতা পুনরায় কার্যকর করার লক্ষ্যে আলোচনা চলতি মাসে আবার শুরু হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ইরানের প্রধান আলোচক ও উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি বাকেরি-কানি জানিয়েছেন—তার সরকার ২৯ নভেম্বর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় বৈঠকে সম্মত হয়েছেন। খবর আলজাজিরার।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী বাকেরি-কানি বুধবার জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপপ্রধান ও আলোচনার মধ্যস্ততাকারী এনরিক মোরার সঙ্গে টেলিফোনালাপে আমরা আলোচনা ২৯ নভেম্বর থেকে ভিয়েনায় শুরু করতে সম্মত হয়েছি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা দূর করার লক্ষ্যেই এই আলোচনা হবে।

তেল চুরির মার্কিন প্রচেষ্টা যেভাবে রুখে দিল ইরান

ওমান সাগরে একটি ট্যাংকারের তেল চুরির মার্কিন প্রচেষ্টা রুখে দিয়েছে ইরান। এ ঘটনার বিস্তারিত ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

বুধবার এ ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ইরানের গণমাধ্যম প্রেস টিভি এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, গতমাসে মার্কিন সেনারা ইরানের এ তেল ট্যাংকার চুরি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আইআরজিসির কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে সে প্রচেষ্টা প্রতিহত করে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে দাবি করা হয়, ওমান সাগরে মার্কিন সেনারা ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটক করে এর তেল অন্য একটি ট্যাংকারে করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আইআরজিসির কমান্ডোরা হেলিবোর্নের সাহায্যে দ্বিতীয় ট্যাংকারে অবতরণ করেন এবং এটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে ইরান উপকূলের দিকে নিয়ে আসেন।

ঘটনাস্থলে একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটি আইআরজিসির কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা ইরানের কমান্ডোদের মুখোমুখি অবস্থানে থাকার পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আইআরজিসির যোদ্ধারা তেলবাহী ট্যাংকারটি ইরানের পানিসীমায় নিয়ে আসেন।

উপসাগরে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে ইরান বারবার যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা রোধে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সদস্যরা সাগরে টহল বাড়িয়েছে।

বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ান বলেন, তারা নিবিড়ভাবে এই ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছেন।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ উপেক্ষিত

করোনার সময়ে ছাঁটাই বা পদত্যাগে বাধ্য করা ব্যাংকারদের পুনর্বহালে নির্দেশ দিলেও তা এখনো কার্যকর করা হয়নি। এতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে মানছে না বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ফলে হতাশ হয়ে যাচ্ছেন ভুক্তভোগী ব্যাংকাররা।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা পরিপালন করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে আবারও পরিদর্শন করব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি চাকরি ফেরত না পেলে প্রথমে কৈফিয়ত তলব করব, জবাব সন্তোষজনক না হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী চাকরি হারানো ব্যাংক কর্মকর্তাদের দ্রুত পুনর্বহাল করা উচিত। তা না হলে ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, কেউ দণ্ডনীয় অপরাধ করলে সেটা ভিন্ন। কিন্তু করোনার মধ্যে যৌক্তিক কারণ ছাড়া যাদের ছাঁটাই বা পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা উচিত। খরচ কমানোর আরও অনেক খাত আছে। চাকরিচ্যুতি খরচ কমানোর কোনো খাত হতে পারে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে আরও কঠোর হতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করে, প্রমাণিত কোনো অভিযোগ ছাড়া এখন থেকে ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে না। করোনা ভাইরাসের এ সময়ে শুধু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ বা অদক্ষতার কারণ দেখিয়েও কাউকে ছাঁটাই করা যাবে না। আর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও করোনার এই সময়ে যাদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে আবেদন সাপেক্ষে তাদের পুনর্বহাল করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, করোনার এ সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা হলে কর্মীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে মনোবল ও কর্মস্পৃহা কমবে। ভবিষ্যতে মেধাবী ও অভিজ্ঞরা ব্যাংকে যোগদানে অনীহা দেখাবে। দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকিং খাতের জন্য যা ক্ষতিকর হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ রকম প্রেক্ষাপটে প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং কর্মস্পৃহা অটুট রাখার স্বার্থে এসব নির্দেশনা দেওয়া হলো। এরপর ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাংক এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

এই মুহূর্তে চাকরি পুনর্বহালের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ছাঁটাইয়ের শিকার ব্যাংকাররা। একবার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, একবার চেয়ারম্যান আবার গভর্নরের দপ্তরে চিঠি দিয়েও কোনো সুফল পাননি হাজারও ভুক্তভোগী।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে হতাশাগ্রস্ত এসব ব্যাংকার উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন যাবত সুখে-দুঃখে ব্যাংকের সঙ্গে ছিলাম।

অনেকেই বিভিন্ন সময়ে বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক, জোনাল হেডসহ বিভিন্ন উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করে এসেছি। বর্তমানে প্রায় সবাই চাকরি জীবনের মাঝামাঝি কিংবা শেষ প্রান্তে। প্রত্যেকের সন্তানেরা বিভিন্ন স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আছে। অনেকের গৃহনির্মাণসহ অন্যান্য ঋণের কিস্তি চলমান রয়েছে, যা বেতন-ভাতা থেকে নির্বাহ করি।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, করোনার এই সময়ে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অন্যায় ও অমানবিকভাবে ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এবং শাখা প্রধানসহ মধ্যম ও উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে টার্মিনেট করা, সার্ভিস বেনিফিটসহ আর্থিক সুবিধাদি থেকে বঞ্চিত করাসহ নানাবিধ হুমকি ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।

করোনার এই সময়ে যখন অন্যত্র চাকরি হওয়ার/পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই তখন কেউ-ই যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিনি বা পদত্যাগের নোটিশ প্রদান করিনি তা সহজেই বোধগম্য/অনুমেয়।

ইতোমধ্যে প্রত্যেক ভুক্তভোগী চাকরি পুনর্বহালে পৃথক আবেদন করেছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাচ্ছি না। এ অবস্থায় আমাদের আবেদন, সবাইকে সসম্মানে পুনর্বহাল করা হোক।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের একাধিক ভুক্তভোগী ব্যাংকার যুগান্তরকে বলেন, চাকরি ফেরত পেতে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পায়নি।

যমুনা ব্যাংকের কয়েকজন ভুক্তভোগী ব্যাংকার যুগান্তরকে জানান, করোনার এই সময়ে প্রায় ২০০ কর্মকর্তাকে ছাঁটাই এবং বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে যমুনা ব্যাংক। গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে চাকরি ফেরতে আবেদন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া মেলেনি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককেও জানিয়েছি। একইভাবে ওয়ান ব্যাংকের দুইজন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চাকরি ফেরতে আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনো কোনো সাড়া মেলেনি।

প্রসঙ্গত, ব্যাংকারদের অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি বেসরকারি খাতের ৬টি ব্যাংকে কর্মী ছাঁটাই বিষয়ে বিশেষ পরিদর্শন করে। এতে উঠে আসে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এই ব্যাংকগুলোর মোট ৩ হাজার ৩১৩ জন কর্মকর্তা চাকরি ছেড়েছেন।

এর মধ্যে বয়স থাকার পরও ‘স্বেচ্ছায় পদত্যাগ’ দেখানো হয়েছে ৩ হাজার ৭০ জনকে। এছাড়া ২০১ জনকে অপসারণ, ৩০ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও ১২ কর্মকর্তাকে ছাঁটাই করা হয়েছে। স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দেখানো বেশিরভাগই জানিয়েছেন, স্বেচ্ছায় পদত্যাগের জন্য মৌখিকভাবে তাদের একটি সময় দেওয়া হয়েছিল। ওই তারিখের মধ্যে পদত্যাগ না করলে কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না এমন ভয় দেখানো হয়। এমন প্রেক্ষাপটে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেন।

সূচকের ধসে শেষ হলো পুঁজিবাজারে লেনদেন

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের ধসের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সের লেনদেন ৫৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৮৯৮ পয়েন্টে। এ ছাড়া অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএস৩০ সূচক ২০ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে অবস্থান করছে ২৫৮৫ ও ১৪৬১ পয়েন্টে।

এদিকে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৯টির, কমেছে ২৪৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির শেয়ারের।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২১৬ পয়েন্ট। সূচকটি ২০ হাজার ১৮৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

টাঙ্গাইল জেলা শাখার ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কমিটিতে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক এবং মাহমুদুল হক সানুকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

বুধবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আপনাদেরকে কেউ সংলাপে ডাকছে না

বিএনপিকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখন বড় গলায় কথা বলছেন-‘নির্বাচনে অংশ নেব না, সংলাপেও যাব না’। আপনাদের কে ডেকেছে সংলাপে? শেখ হাসিনা গতবার সংলাপ ডেকেছিল সেটার আপনারা কি জবাবটা দিয়েছেন? সেই সংলাপের পর আপনাদের ভূমিকা কি ছিল? আপনাদের কেউ সংলাপে ডাকছে না। নিজেরাই আগ বাড়িয়ে সংলাপের কথা বললেন।

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বুধবার বঙ্গবন্ধুর অ্যাভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুল সাহেব আপনাকে পরিষ্কার বলে দিতে চাই, যতই হাঁকডাক করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিন্তু উচ্চ আদালতের আদেশে জাদুঘরে চলে গেছে। জাদুঘর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর ফিরে আসবে না। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, ঠিক সেভাবে বাংলাদেশেও নির্বাচন হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি চলছে। তিনি দেশের বাইরে আছেন। মুচলেকা দিয়েছিল আর রাজনীতি করবেন না। শেখ হাসিনা যথার্থই বলেছেন, সাহস থাকলে মাঠে আসেন, মাঠে এসে রাজনীতি করেন। আন্দোলনে, নির্বাচনে তাদের নেতা কে? সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা সেটা তাদের ব্যাপার। সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে। সময় ও স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না। নির্বাচনও কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। বিএনপি নির্বাচনে এলো কি এলো না, তা দেখার বিষয় নয়।

এর আগে বুধবার সকালে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বনানীতে জাতীয় তিন নেতার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর পর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে দেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উগ্র সাম্প্রদায়িকতার মূলোৎপাটন করাই এখনকার চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও বলেন, সব গণতান্ত্রিক, দেশপ্রেমিক ও অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে এক হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির মূলোৎপাটন করতে হবে।