শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 548

প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ওজন কমাবেন যেভাবে

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, কায়িম শ্রম কমে যাওয়াসহ নানা কারণে ওজন বাড়ছে। শরীরে বাড়তি মেদ যে কারও জন্য ক্ষতিকর। ওজন কমানোর জন্য আমরা নানা পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। প্রাকৃতিক নিয়মেও ওজন কমানো যায়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক ডা. আলমগীর মতি।

* ওজন কমাতে হলে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ লবণ শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

* দুধযুক্ত খাবার যেমন— পনির, মাখন খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এগুলো উচ্চ চর্বিযুক্ত। মাংস ও আমিষজাতীয় খাবারও নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে।

* বাড়তি মেদ ঝেড়ে ফেলার অন্যতম উপাদান হচ্ছে— তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি। তাই যাদের ওজন বেশি, তাদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত।

* উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন— চাল, আলু নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে, গম (আটা) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

* অতিরিক্ত স্বাদযুক্ত সবজি ও করলা ওজন কমানোর জন্য কার্যকর।

* মসলাজাতীয় খাবার, যেমন— আদা, দারুচিনি, কালো মরিচ এগুলো প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে। মসলাজাতীয় খাবার হলো ওজন কমানোর কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি।

* মধু দেহের অতিরিক্ত জমানো চর্বিকে রক্ত চলাচলে পাঠিয়ে শক্তি উৎপাদন করে, যা ব্যবহৃত হয় দেহের স্বাভাবিক কার্যকলাপে। মধু খাওয়া প্রথমে শুরু করতে পারেন অল্প পরিমাণে, যেমন— এক চামচ বা ১০০ গ্রাম, যা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে এর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন।

এ ধরনের চিকিৎসায় এক চামচ টাটকা মধুর সঙ্গে আধা চামচ কাঁচা লেবুর রস আধা গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নির্দিষ্ট বিরতি দিয়ে প্রতিদিন কয়েকবার খেতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধে পদক্ষেপ চায় ইউজিসি

দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন, সাপ্তাহিক আর নির্বাহী কোর্স ব্যবসা দারুণ রমরমা। লেখাপড়ার নামে একশ্রেণির চাকরিজীবী মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে এই ডিগ্রি অর্জন করছেন। একশ্রেণির শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষ মজা পেয়ে এ ধরনের কোর্সে মেতে উঠেছে।

এতে মূলধারার লেখাপড়া ও গবেষণা ভয়ানকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। ব্যবসায়িকভিত্তিতে পরিচালিত এসব কোর্স প্রকারান্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। শুধু তাই নয়, এমন কর্ম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে বেমানান। তাই এ ধরনের কোর্স বন্ধ হওয়া জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করেছে সংস্থাটি। আইন অনুযায়ী এখন এটি আগামী সংসদ অধিবেশনে পেশ করা হবে।

জানা গেছে, প্রতিবেদনে মোট ২০টি সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া সাক্ষাৎকালে ইউজিসি বিগত এক বছরের কার্যক্রম রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলো হচ্ছে-টিউশনসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের শিক্ষার্থী ফি যৌক্তিক পর্যায়ে আনা; পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম বন্ধে একটি নীতিমালা প্রণয়ন; প্রয়োজনে আর্থিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন সমুন্নত রেখে একটি ‘সমন্বিত আর্থিক নীতিমালা ও ম্যানুয়াল’ কার্যকর; বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যক্রম গ্রহণ; গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি বিষয়টি সংজ্ঞায়িতসহ এ বিষয়ক সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি; গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো; অস্তিত্বহীন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাস চিহ্নিত ও সীমিত পরিসরে স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অবকাঠামোগত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ শাখা অফশোর ক্যাম্পাস স্থাপন ও পরিচালনার অনুমতি।

এছাড়া উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে ইউনিভার্সিটি টিচার্স ট্রেনিং একাডেমি, সেন্ট্রাল রিসোর্স ল্যাবরেটরি ও ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার সুপারিশও করেছে ইউজিসি।

কলেজে ভর্তির আবেদন ৮ জানুয়ারি শুরু

এসএসসি পরীক্ষার ফলপ্রকাশের পর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি থেকে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রমের রোডম্যাপ জারি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। ২ মাস ধরে ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২ মার্চ একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

অন্যদিকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতেও ৮ জানুয়ারি থেকে আবেদন নেওয়ার চিন্তা চলছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে ভর্তি নীতিমালাসহ এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের রাতেই ভর্তি নীতিমালা জারি করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। সে অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। টানা ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে। পরে তিন ধাপে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। এবার শুধু অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। এরআগে এসএমএসেও আবেদন নেওয়া হতো। এবার ভর্তির ওয়েবসাইট xiclassadmission.gov.bd তে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করবে।

২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে যারা এসএসসি পাশ করেছে তারা আবেদন করতে পারবে। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরা ২২ বছর বয়সেও আবেদন করতে পারবে। আর যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি ও দাখিলের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবে তারা ১৫ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করলেও ফল পরিবর্তনকারীরা ২২ ও ২৩ জানুয়ারি আবেদন করতে পারবে। ২৪ জানুয়ারি পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হবে। আর ২৯ জানুয়ারি প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে তাকে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন নেওয়া হবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। ১১-১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে।

আবেদন ও নির্বাচন পর্ব শেষে ১৯ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। এবার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। নীতিমালায় ঢাকা ও জেলা পর্যায়ে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি ফিসহ সব ব্যয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ৫ হাজার টাকা, ঢাকা মহানগরের বাইরে ৩ হাজার, জেলা পর্যায়ে ২ হাজার আর উপজেলা ও মফস্বলে ১ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা যাবে। নির্ধারিত ফির বেশি অর্থ আদায় করা যাবে না। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সেশনচার্জ ও ভর্তি ফি গ্রহণ করা যাবে। উন্নয়ন ফি আদায় করা যাবে না।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া হয় এমন কলেজ ও মাদ্রাসা আছে ৮৮৬৪টি। অন্যদিকে সরকারি ও বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে সাড়ে ৫০০। কলেজ ও মাদ্রাসায় আসন আছে ২৪ লাখ ৪০ হাজার ২৪৯টি। আর পলিটেকনিকে আছে ১ লাখ ৬৯ হাজার। সবমিলে এ স্তরে আসনসংখ্যা ২৬ লাখ ৯ হাজার ২৪৯টি। বিপরীত দিকে এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে মোট পাশ করেছে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন। এর মধ্যে এসএসসিতে ১৬ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন, দাখিলে ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২ জন আর কারিগরি শাখা থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৩ জন পাশ করেছে।

অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলাম, কিন্তু করিনি : তসলিমা

কলকাতার এক চিত্রপরিচালকের কাছ থেকে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। অনেক বছর আগে তাকে এই অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে তিনি কাজটি করেননি। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইলে এমনটা দাবি করেন তসলিমা।

পশ্চিম বঙ্গের খ্যাতনামা পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের রহস্য সিরিজ ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ দেখার পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তসলিমা। সেখানেই নিজের অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। সৃজিতের এই সিরিজে কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘মুসকান জুবেরী’ ভূমিকায় ছিলেন বাংলাদেশের আজমেরি হক বাঁধন।

তসলিমা নাসরিন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, হইচইএ লগ ইন করার ইউজার নেম পাসোয়ার্ড সবে দিন তিনেক হলো পেয়েছি। মন্দারের একটি এপিসোড দেখার পর দেখলাম সৃজিতের ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’। এর প্রতিটি এপিসোডই দেখেছি। যে দেশে ক্রাইম সবচেয়ে কম সেই সুইডেনে ক্রাইম ফিকশান খুব জনপ্রিয়, যে সাদামাটা বাংলায় রহস্য বলতে বেশি কিছু নেই, সবই দিনের আলোর মতো পরিস্কার, সেই বাংলায় রহস্য উপন্যাস খুব জনপ্রিয়। ছোটবেলায় রাত জেগে কত শত রহস্য উপন্যাস যে পড়েছি!

এই সিরিজের যে ব্যাপারটা আমার খুব ভালো লেগেছে তা হলো যেহেতু দুই বাংলার অভিনেতা অভিনেত্রী অভিনয় করছেন, তাই ঘটনা ঘটিয়েছেন বর্ডারের কাছের শহরে। কেউ মুসলমান, কেউ হিন্দু। গল্পে বাংলাদেশ থেকে যে এসেছে, সে বাংলাদেশের অ্যাকসেন্টে বা উচ্চারণে বাংলা বলছে, আর যে পশ্চিমবাংলায় বড় হয়েছে, সে পশ্চিমবাংলার, মূলত কলকাতার উচ্চারণে বাংলা বলছে। ব্যাতিক্রম বাংলাদেশ থেকে আসা আতর আলীর চরিত্রে অভিনয় করা পশ্চিমবঙ্গের অনির্বাণ ভট্টাচার্য । তিনি এমনই রপ্ত করেছেন বাঙাল উচ্চারণ, যে, তাঁকে প্রায় নিখুঁতই বলা যায়। বিরল প্রতিভা বটে। মুসকান জুবেরির চরিত্রে বাঁধন যতই চেষ্টা করুন পশ্চিমবঙ্গের উচ্চারণে বাংলা বলতে, তাঁর বাঙাল উচ্চারণ বেরিয়ে এসেছে। সেই উচ্চারণ মানিয়ে যায়, কারণ গল্পে তাঁর জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশে।

আমাকে অনেক বছর আগে কলকাতার এক চিত্রপরিচালক অনুরোধ করেছিলেন তাঁর ছবিতে অভিনয় করতে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, চরিত্রটির কোথায় জন্ম, কোথায় বড় হওয়া। পরিচালক বলেছিলেন, কলকাতায়। তখন আমি বলে দিয়েছি, আমি অভিনয় করবো না, কারণ আমার উচ্চারণ কলকাতার উচ্চারণের মতো নয়। দীর্ঘদিন কলকাতার মানুষের সঙ্গে কথা বলে কলকাতার উচ্চারণ সামান্য রপ্ত করেছি বটে, তবে অভিনয় করতে হলে সামান্য হলে চলে না, সবটা হওয়া চাই। আমি ভানু বন্দোপাধ্যায় নই। তিনি দুটো অঞ্চলের উচ্চারণই সমান দক্ষতার সঙ্গে বলতে পারতেন। দীর্ঘদিন নয়, দীর্ঘযুগ কলকাতায় বাস করার ফল সেটি।

কলকাতার লোকেরা আর ঢাকা ময়মনসিংহের লোকেরা বাংলা বলার সময় মুখের যে পেশি ব্যবহার করে তা ভিন্ন। ফ্রান্সের লোকেরা ফরাসি বলার সময় মুখের যে পেশি ব্যবহার করে, সে পেশি ফরাসি বলার সময় কানাডার ফরাসি-ভাষী নাগরিকেরা বা সুইৎজারল্যান্ডের বা বেলজিয়ামের ফরাসি-ভাষী নাগরিকেরা ব্যবহার করে না। তাই তাদের ফরাসি শুনতে ফ্রান্সের ফরাসি থেকে আলাদা।

জয়া আহসান যখন কলকাতার মেয়ে চরিত্রে অভিনয় করেন, তখন তাঁর কথা শুনলে তাঁকে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। কারণ যতই চেষ্টা তিনি করুন, তিনি যে কলকাতার মেয়ে নন, তা তার উচ্চারণে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

চাকরি থেকে অবসর; শুভেচ্ছায় সিক্ত মাহবুব কবির মিলন

নিরাপদ খাদ্য থেকে রেলওয়ের অতিরিক্ত সচিব- সর্বক্ষেত্রেই মানুষের মন জিতে নিয়েছিলেন মাহবুব কবির মিলন। কোনো সরকারী কর্মচারীর এতটা জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে বেশ বিরল ঘটনাই বটে। রেলকে বদলে দিতে দারুণ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এরপর তার হুট করেই ওএসডি করে রাখা হয়। অবশেষে গতকাল ১৪ ডিসেম্বর মাহবুব কবীর মিলনের চাকুরিজীবন শেষ হলো।

সোশ্যাল সাইটে নিজের অবসরের ঘোষণা দিয়ে মাহবুব মিলন লিখেন, ‘আজ শেষ হল চাকুরি জীবন। অবসর হল শুরু। আমার নাম শুনলেই অসংখ্য মহোদয়ের গায়ে চাকাচাকা লাল এলার্জি উঠে যায়, এটাই আমার চাকুরি জীবনের অন্যতম সার্থকতা। আশা করি সামনে আরও উঠবে ইনশাআল্লাহ। সবাইকে কেনা যায় না, মাথা নত করানো যায় না, সেটা প্রমাণ করতে পেরেছি, এটাই আমার জীবনের পরম শান্তির বিষয়। আলহামদুলিল্লাহ। সকল সন্মানের মালিক একমাত্র আল্লাহপাক।’

 

এরপর থেকেই মাহবুব কবির মিলনের জন্য প্রশংসা আর শুভকামনায় ভরে যায় সোশ্যাল সাইট। প্রত্যেকে তার অবসর জীবনের জন্য শুভকামনা জানান। দেশের জন্য ভালো হয় এমন কোনো কাজে যুক্ত থাকার অনুরোধও করেন কেউ। মাহবুব মিলনের পোস্টে্ও তেমন ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অবশ্য কিছুদিন আগেই তিনি আদালতের নির্দেশে গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণায় অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ইভ্যালি’র অন্তবর্তীকালীন বোর্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন। গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়াও দারুণ চ্যালেঞ্জিং।

 

কিছুদিন আগেই নিজের অবসর জীবন নিয়ে মাহবুব মিলন লিখেছিলেন, ‘চাকুরি থেকে অবসরের পর আমি কী করব তা আল্লাহপাক ভাল জানেন। অনেকেই যোগাযোগ করেছেন বিভিন্ন খাদ্য পণ্য নিয়ে, তাঁদের সাথে থাকার বা পরামর্শ দেয়ার। খাদ্য পণ্যকে সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত এবং জনগণের আস্থার্জনের জন্য সবাইকেই পরামর্শ দেব ইনশাআল্লাহ। আপনারা কনফার্ম হয়ে আপনাদের ফার্ম, বা পণ্যের তালিকা দেবেন আমাকে। আমি কীকী পরীক্ষা করতে হবে, কোন ল্যাবে তা বলে দিতে পারব ইনশাআল্লাহ। নির্ভেজাল খাদ্য পণ্যের জন্য এগিয়ে আসুন সবাই। আমাদের বাচ্চাদের বাঁচাতে হবে। আমি জানি এদেশের প্রত্যেক খাদ্য পণ্যে কী আছে এবং সেটাকে কিভাবে আরো ভাল করা যায়। শুধু আমাদের সদিচ্ছার দরকার।’

দিনশেষে এমন সৎ এবং দেশপ্রেমিক সরকারী কর্মচারীই চাইবে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও হুইটলামের জীবন ও কর্মের ওপর সেমিনার

দু’জন সমসাময়িক কিংবদন্তী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড গফ হুইটলামের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক আদর্শের ওপর অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হুইটলাম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন ক্যানবেরা ও কনস্যুলেট জেনারেল সিডনি যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। হুইটলাম ইনস্টিটিউটে মাসব্যাপী গফ হুইটলাম এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে, যা জানুয়ারি পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর পিটার শেরগোল্ডের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যারেথ ইভানস স্বাগত বক্তব্য দেন। এছাড়া ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর বার্নে গ্লোভার মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ সময় বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগ এবং এক্ষত্রে তার পররাষ্ট্রনীতির অবদানের কথা উল্লেখ করেন ড. মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবিকতা, বন্ধুত্ব এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক বঙ্গবন্ধু যে বার্তা দিয়ে গেছেন তার মাধ্যমে সমসাময়িক বিশ্বের অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পালন এবং দুই নেতার জীবন ও কর্ম উদযাপনের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি দু’দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতা আরো বৃদ্ধি পাবে।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যারেথ ইভানস বলেন, বঙ্গবন্ধু ও হুইটলামের পাস্পরিক যোগাযোগ এবং ধর্মনিরপেক্ষতা ও সংসদীয় গণতন্ত্র দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শক্তিশালী ভিত্তি। এ দু’নেতার চিন্তাচেতনাকে ও প্রতিশ্রুতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ভবিষ্যতে দু’দেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্যের ঊর্ধ্বে নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক বিষয়েও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এবং অস্ট্রেলিয়ার মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার জেনি হকিং মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন। ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শ ও সমসাময়িক বিশ্ব এবং অধ্যাপক জেনি হকিং উন্নয়নশীল বিশ্বের সাথে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক স্থাপনে হুইটলামের অবদানের ওপর আলোচনা করেন। শান্তিপূর্ণ ভারতীয় মহাদেশীয় এলাকা এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় মহান এ দু’নেতার অঙ্গীকারের বিষয়ে তারা আলোকপাত করেন। জেনি হকিং স্মরণ করেন, কিভাবে জনগণের মঙ্গলার্থে বঙ্গবন্ধু ও হুইটলাম তাদের সারা জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বঙ্গবন্ধু ও হুইটলামের স্বপ্ন ও দূরদর্শিতা এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিবিধ সংস্কার ও অবদানের কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার সুফিউর রহমান এ মহান দু’নেতার বিষয়ে ও বাংলাদেশ বিষয়ে অধিক অধ্যয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এসময় প্যানেল আলোচনায় আলোচকগণ এ দু’নেতার চিন্তা ও দুরদর্শিতার প্রশংসা করে বলেন, এ দু্ই বিশ্বনেতা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উদ্যোগ ও নীতি গ্রহণ করেন। বিভিন্ন দেশের পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন, শান্তি ও মঙ্গল নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ও দু’নেতার প্রয়াসের ওপর তাঁরা আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সিডনিতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মাসুদুল আলম।

ছান্দসিকের জাগরণের পংক্তিমালা প্রশংসিত হলো লন্ডনে

ওরা চল্লিশজন কিংবা তার ও বেশী/ যারা প্রাণ দিয়েছে এখানে, রমনার রৌদ্রদগ্ধ কৃষ্ণচুড়া গাছের তলায় / ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য, বাংলার জন্য- মাহাবুব আলম চৌধুরীর বিখ্যাত কবিতা কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি।

৫২’র ভাষা শহীদদের স্মরণে আবৃত্তি দিয়ে শুরু হয় জাগরণের পংক্তিমালা। বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল আয়োজিত ‘Freedom and Independence Theatre Festival.’

শনিবার পূর্ব লন্ডনের কবি নজরুল সেন্টারে ছান্দসিক পরিবেশন করেছে’জাগরণের পংক্তিমালা’ জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী মুনিরা পারভীনের গ্রন্থনা এবং পরিচালনায় আবৃত্তিতে অংশ নেন শতরূপা চৌধুরী, সোমাভা বিশ্বাস,রাজ্ দাস এবং মুনিরা পারভীন। জাগরণের পংতিমালায় ৫২র ভাষা আন্দোলন থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং তার পরবর্তী ইতিহাস তুলে এনেছেন মুনিরা। আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি থেকে একে একে উচ্চারিত হয়, হেলাল হাফিজের এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/ এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়। নির্মলেন্দু গুণের সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের। ৭৫ এর ১৫ আগস্টের বেদনাহত কালো রাত নিয়ে, হুমায়ুন আজাদের, এ লাশ আমরা রাখবো কোথায়, তেমন যোগ্য সমাধী কই? মৃত্তিকা বলো, পর্বত বলো, অথবা সুনীল- সাগর- জল -সব কিছু ছেঁদো, তুচ্ছ শুধুই! তাইতো রাখি না এ লাশ, আজ মাটিতে পাহাড়ে কিম্বা সাগরে, হৃদয়ে হৃদয়ে দিয়েছি ঠাঁই পঙক্তিমালায় আবৃত্তি করেন বীরাঙ্গনাদের দিনিলিপি।

অনুষ্ঠানের শেষ পরিবেশনা ছিল, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা, আমরা তোমাদের ভুলবনা। ছোটগল্পের মতো, কবিতার পঙক্তিমালায় ছান্দসিক তুলে আনে ১৯৫২ থেকে বাংলাদেশের যাত্রা পথের ইতিহাস, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী র এক অনন্য পরিবেশনা ছিল অনুষ্ঠানটি।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বাংলাদেশের পঞ্চাশ বছরের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন, মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ হাসান এমবিই, মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেন এবং ডক্টর সেলিম জাহান। আলোচকরা ৭১ সালের বিভিষীকাময় দিনগুলির কথা এবং তাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির কথা বলেন। ডক্টর সেলিম জাহান দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন-তরুণদের হাত ধরেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে আরও অংশগ্রহণ করেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উর্মি মাজহার, সাংবাদিক আব্দুস সাত্তারসহ আরও অনেকে। উপস্থিত দর্শক শ্রোতা ছান্দসিকের এই ইতিহাসনির্ভর অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ছান্দসিকের চেয়ারম্যান মুনিরা পারভীন বলেন, ছান্দসিক শুরু থেকেই বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে অনুষ্ঠানমালা সাজিয়ে থাকে। স্বাধীনতার রজত জয়ন্তীতে আমরা বাংলাদেশের সোনালী অর্জনকে কবিতায় এবং আলোচনায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। সাংস্কৃতিক চর্চা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা, মুক্তিযুদ্ধের মূল যে চেতনা, সেই চেতনায় শান দিবে বলে ছান্দসিক বিশ্বাস করে। তাই বারবার আমরা বীরাঙ্গনাদের দুঃসহ দিনলিপি নিয়ে আসি মঞ্চে। দীর্ঘ দুই বছর পর করোনাকালীন বিধিনিষেধ কাটিয়ে মঞ্চে ফিরেছি আমরা- এইটা সবচেয়ে বড় বিষয়।

নোভেশন হ্যাকাথনে বিজয়ী দল পেল লাখ টাকা

প্রধান তথ্য-প্রযুক্তি কর্মকর্তাদের সংগঠন সিটিও ফোরামের ইনোভেশন হ্যাকাথনে প্রথম বিজয়ী হয়ে লাখ টাকা জিতে নিয়েছে ঢাকা এক্সিকিউটরস। এ ছাড়া দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দল নাটস পেয়েছে ৭৫ হাজার টাকার আর্থিক পুরস্কার এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দুটি দল যুগ্মভাবে অলটারনেট শিফট অটোমেশন অব ম্যানুয়াল প্রসেস ও টিম ডিসেন্ট্রালাইজড গুড হেলথ ও ওয়েল বিং চ্যালেঞ্জের জন্য ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার পেয়েছে। একই সঙ্গে টিমগুলোর মধ্যে অনেকে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কম্পানিতে চাকরির সুযোগও পাবেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় বাস্তবধর্মী ছয়টি সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্য নিয়ে সোমবার আয়োজিত ‘সিটিও ফোরাম ইনোভেশন হ্যাকাথন ২০২১’-এর সমাপনী পুরস্কার বিতরণ ও গালা নাইটে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব জিয়াউল আলম এবং হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের এমডি বিকর্ণ কুমার ঘোষ।

জাতিসংঘে ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে চীনের অভিযোগ

ইলন মাস্কের মালিকাধীন স্পেস-এক্স সংস্থার বিরুদ্ধে জাতিসংঘে অভিযোগ করেছে চীন। দেশটি দাবি করেছে, সম্প্রতি স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা প্রকল্পের স্যাটেলাইটের সঙ্গে চীনের মহাকাশ স্টেশনের দুইবারের মতো সংঘর্ষ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় সেই সংঘর্ষগুলো এড়ানো গেছে।

ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর আউটার স্পেস অ্যাফেয়ার্সের কাছে চীনের জমা দেওয়া নথি অনুসারে, ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স এরোস্পেস সংস্থার স্টারলিংক ইন্টারনেট সার্ভিসের দুটি উপগ্রহ ১ জুলাই ও ২১ অক্টোবর চীনা মহাকাশ স্টেশনের খুব কাছাকাছি চলে আসে। যদিও চীনের এই অভিযোগগুলো এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি, তবে এই ঘটনাগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক গণমাধ্যমে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইলন মাস্ক।

সূত্র : বিবিসি

শামি কাবাব তৈরির রেসিপি

শীতকাল আসলেই যেনো খাওয়া-দাওয়ার ধুম পড়ে যায়। আর এসময় চায় ভারী ও মজাদার খাবার। ঠান্ডার দিনে বেছে নিতে পারেন মজাদার শামি কাবাব। পোলাও বা ভাতের সাথে বা শীতের সন্ধ্যায় খেতে পারেন গরম গরম শামি কাবাব। দেখে নিন নাজিয়া ফারহানার দেওয়া শামি কাবাবের রেসিপি।

শামি কাবাব

উপকরণ

হাড় ছাড়া গরুর মাংস আধা কেজি, ডিম ১টি, পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়া ১ চা চামচ, বুটের ডাল ১ কাপ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ৪-৫টি, মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ, হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ, তেল ভাজার জন্য, লবণ স্বাদমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. প্যানে গরুর মাংস, বুটের ডাল, অর্ধেকটা পেঁয়াজ কুচি, সব বাটা ও গুঁড়া গুড়া মসলা অর্ধেক করে, সামান্য লবণ ও দেড় কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন।

২. সিদ্ধ হয়ে গেলে শিলপাটায় বেটে নিন। এবার একটি বাটিতে এই মিশ্রণ নিয়ে বাকি পেঁয়াজ কুচি, বাটা ও গুঁড়া মসলা, কাঁচা মরিচ কুচি, ডিম ও লবণ দিয়ে ভালো করে মেখে গোল গোল টিকিয়া তৈরি করুন।

৩. প্যানে তেল দিয়ে গরম করে তাতে টিকিয়াগুলো বাদামি করে ভেজে নিন।

৪. ব্যস, সহজেই হয়ে গেল শামি কাবাব। পোলাউ, বিরিয়ানি, তেহারির সঙ্গে পরিবেশন করুন।