রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 538

ফিরেছেন সাকিব

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে দেশে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। ওয়ানডে ফরম্যাটের বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) তিনি ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের হয়ে খেলবেন।

সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতে ওয়ানডে ফরম্যাটের সব ম্যাচ ৯, ১১ ও ১৩ জানুয়ারি সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ জানুয়ারি ফাইনাল। ফাইনালের ভেন্যু এখনো ঠিক হয়নি।

ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের লংগার ভার্সন শেষ হয়েছে কাল। এদিকে ৫০ ওভারের সংস্করণে খেলবেন মাশরাফি মুর্তজা, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ ও মোস্তাফিজুর রহমান। নির্বাচক দলের সদস্য হাবিবুল বাশার বলেন, ‘সাকিব অনেকদিন খেলার বাইরে। তাই সে বিসিএলে খেলতে আগ্রহ দেখিয়েছে। সামনে বিপিএল, ভালো প্রস্তুতি করতে চায় সে।’ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন সাকিব।

সরকারি সার পাচারের সময় গ্রেফতার ৬

নাটোরে ১২০০ বস্তা সরকারি ডিএপি সার পাচারের সময় ছয় ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেরপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে।

র‌্যাব নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানিয়েছে, নাটোর থেকে কয়েকটি ট্রাকে করে সরকারি সার বগুড়ার দিকে নেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার বামিহালি গ্রামে রাস্তার ওপর চেকপোস্ট বসানো হয়।

এ সময় তিনটি ট্রাকভর্তি সরকারি ১২০০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ এবং তিন ট্রাকের চালক ও তাদের সহকারী ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়।

তারা হলেন— ট্রাকচালক বগুড়ার কাহালু উপজেলার গুরবিশা গ্রামের মো. সবুর হোসেন (২৮), মো. রুহুল আমিন (৩০), বগুড়া সদরের মালতিনগরের মো. তানবির হোসেন (২৩), তাদের সহকারী মো. ইমরান হোসেন (২৩), মো. রাকিব হোসেন ও মো. বিশু।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সার পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

বাউফলে পিলার দিয়ে রাস্তা দখলের অভিযোগ

পটুয়াখালীর বাউফলে আলী আজম খান নামে এক ব্যক্তি পিলার দিয়ে রাস্তা দখল করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পৌরশহরের ৮নং ওয়ার্ডের ইঞ্জি. ফারুক আহমেদ তালুকদার মহিলা ডিগ্রি কলেজের পেছনের সড়কে ড্রেনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কিন্তু আলী আজম খান সড়ক ঘেঁষে বাড়ি নির্মাণ করায় ওই অংশে ড্রেন করা যাচ্ছে না।

এ ছাড়া বুধবার তিনি পিলার স্থাপন করে ওই সড়কের অর্ধেক দখল করেন। এর পর থেকেই ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ বিষয় জানতে চাইলে আলী আজম খান যুগান্তরকে বলেন, আমার জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে পিলার দিয়েছি। সরকারি রাস্তা আমি দখল করিনি। উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার এসে মেপে আমার জমি বুঝিয়ে দিয়েছেন।

একই এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জি. ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, এভাবে সড়কের মাঝে পিলার দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার কোনো যুক্তি নেই। হঠাৎ কোনো দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী সমস্যায় পড়বেন।

এ ব্যাপারে বাউফল পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম বলেন, সরকারের কোনো উন্নয়নকাজে তিনি বাধা দিতে পারেন না। পৌর কর্তৃপক্ষ ওই রাস্তা নির্মাণ করায় আলী আজম খানের জমির মূল্য বেড়েছে। এ বিষয়টি তার মাথায় রাখা উচিত।

বাউফলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বায়েজিদুর রহমান বলেন, তার জমি মাপা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তাকে রাস্তার মাঝে পিলার দিয়ে জনসাধারণের পথ আটকে রাখার কথা বলা হয়নি।

ভূমিকম্পে কাঁপল ভারত

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারতের উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকা। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ২।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে ভূমিকম্প হয়। রাতে হঠাৎ কম্পনে আতঙ্কে অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। কয়েক সেকেন্ড কম্পন স্থায়ী হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম নিউজ১৮ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটানের থিম্পু থেকে ৪৮ কি.মি দক্ষিণ-পশ্চিমে। ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীর থেকে কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। তবে ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

জলপাইগুড়ির এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাস্তার ওপর বাড়ি তাদের। বড় গাড়ি গেলে বাড়ি কাঁপছে বলে মনে হয়। এদিনও প্রথমে তেমনটাই ভাবেন তারা। কিন্তু কম্পন অল্প সময় স্থায়ী হওয়ায় সন্দেহ হয় তাদের। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। তার পরই জানতে পারেন ভূমিকম্প হয়েছে।

কুকুরের জন্মদিনে ৫২০টি ড্রোন ভাড়া, তোপের মুখে তরুণী

ধুমধাম করে প্রিয় পোষা কুকুরের জন্মদিন পালনের জন্য ৫২০টি ড্রোন ভাড়া করে তোপের মুখে পড়েছেন এক তরুণী। ড্রোনগুলো ভাড়া করতে তার ব্যয় হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ লাখ টাকার বেশি। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের হুনান প্রদেশের প্রাণীপ্রেমী এক তরুণী প্রিয় কুকুর ডুডুর ১০তম জন্মদিন পালনের জন্য এক লাখ ইউয়ান ব্যয় করে ৫২০টি ড্রোন ভাড়া করেন। ওই ড্রোনগুলো স্থানীয় একটি নদীর ওপর রাতের আকাশে লাইটশোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে ‘শুভ দশম জন্মদিন ডুডু’ লেখা। এছাড়া লাইট শোর মাধ্যমে আকাশে ফুটিয়ে তোলা হয় জন্মদিনের কেক এবং উপহারের বক্স।

অবশ্য ৫২০টি ড্রোন ভাড়া করার আরেকটি কারণ আছে। ম্যান্ডারিন উচ্চারণে ৫২০ সংখ্যাটি ইংরেজি ‘আই লাভ ইউ’ এর মতো। এ কারণেই ৫২০টি ড্রোন ভাড়া করেছেন তিনি।

এদিকে নো-ফ্লাইং জোনে ড্রোন উড়ানোর কারণে তোপের মুখে পড়েছেন ওই তরুণী। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি বহুতল ভবন থাকায় সেখানে ড্রোন উড়ানো বিপজ্জনক। এছাড়া আবাসিক এলাকায় ড্রোন উড়ানোর জন্য পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ঋণের কিস্তি পরিশোধে সময় পাচ্ছে ২৬ মাস

পোশাক শিল্পের কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় আগামী ২৬ মাস বাড়ানোর পক্ষে সম্মতি দিয়েছে। যদিও বিজিএমইএ পক্ষ থেকে এই ঋণ ফেরত দেওয়ার মেয়াদ ৩ বছর চেয়েছে।

 

এর আগে দেড় বছরের মধ্যে ১৮টি কিস্তি পরিশোধের জন্য সময় বেঁধে দেয় সরকার। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে সব কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি উদ্যোক্তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

সূত্র জানায়, প্রণোদনা ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে গত ২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে চিঠি দিয়েছে বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন পোশাক শিল্পের সংগঠন বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ। দুটি বৈঠকে ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় সায় দিয়েছে।

আরও জানা গেছে, পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা ঋণ ১৮টি কিস্তিতে পরিশোধের শর্ত ছিল। হিসাব করে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত উদ্যোক্তারা ঋণের ৫টি কিস্তি পরিশোধ করেছেন। বাকি ১৩টি কিস্তি এখনো বকেয়া আছে। এই ১৩ কিস্তি পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ ২৬ মাস সময় দেওয়ার পক্ষে সম্মতি দিয়েছে অর্থ বিভাগ। খুব শিগগিরই এটি কার্যকর হতে পারে। জানতে চাইলে বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি মো. হাতেম যুগান্তরকে জানান, আমরা ইতোমধ্যে ৫টি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করেছি। এখন পাওনা আছে ১৩টি কিস্তি। এটি পরিশোধের জন্য ৩ বছর সময় চেয়েছি। গত সপ্তাহে এ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। তারা আমাদের ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘ঋণের কিস্তি পরিশোধ করার মতো পরিস্থিতি এখনো পোশাক শিল্পে তৈরি হয়নি। এতদিন শুধু টিকে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে ওমিক্রন শঙ্কা বিদেশি ক্রেতারা সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানি মূল্য পরিশোধে বিলম্ব করছে।

এদিকে অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনার নানা ধরনের কারণে আরও গভীর সংকটের মুখে পড়েছে তৈরি পোশাক শিল্প। এ শিল্পের মালিকরা পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ, বিনিয়োগ পরিস্থিতি ও শ্রমিকদের মজুরিসহ অন্যান্য কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।

করোনাভাইরাসের কারণে বড় ধরনের হুমকির মধ্যে পড়েছিল এ খাত। সরকারের সহযোগিতার কারণে এ শিল্পের উদ্যোক্তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা এখনো অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু করোনার নানা ধরনের কারণে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করছে। এছাড়া রপ্তানি করা পণ্যের মূল্য পরিশোধে অনেক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান সময় নিচ্ছেন। অধিকাংশ ক্রেতা সময়মতো মূল্য পরিশোধ করছেন না। নির্দিষ্ট সময়ে পেমেন্ট না পাওয়ার কারণে শিল্পে তারল্য সংকট ক্রমেই বাড়ছে। তাই এই সংকটকালীন সময়ে কর্মীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধে কিস্তির সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।

জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিজিএমইএ প্রণোদনা ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে চিঠি দিয়েছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এর আগেও একবার কিস্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। এরপর কিছু কিস্তি পরিশোধও করেছেন তারা। নতুন করে বিজিএমইএ কিস্তি সংখ্যা বাড়ানোর যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, করোনায় পোশাক খাত ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। ২০২০ সালের এপ্রিলে এ খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে প্রথমে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। পরে এর পরিমাণ বেড়ে ১০ হাজার ৫শ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। ঋণের প্রথম কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ ছিল ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে। এরপর বিজিএমইএর পক্ষ থেকে কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পরিশোধের গ্রেস পিরিয়ড ৬ মাস দিয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধির সার্কুলার জারি করে। সেখানে বলা হয়, অক্টোবর থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ১৮টি সমান কিস্তিতে উদ্যোক্তারা এই টাকা পরিশোধ করবেন। এরপর মোট ৫টি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে ওমিক্রনের প্রভাব, যা এ শিল্পকে আবারও বড় ধরনের চাপের মুখে ফেলে দেয়।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং দলের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকে মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওবায়দুল কাদের, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ , লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সপ্তম ধাপের ১৩৮টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল।

সন্ধ্যা ছয়টায় মনোনয়ন বোর্ডের এই বৈঠক শুরু হয়ে রাত প্রায় দশটা পর্যন্ত চলে। এ সময় দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বিশ্লেষণ করে ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রার্থীদের বেছে নেয়া হয়।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তৈমুর মিথ্যাচার করছেন: ডা. আইভি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের দুইবারের সাবেক মেয়র ও নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডাক্তার সেলিনা হায়াত আইভী বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার মিথ্যাচার করছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন স্বীকার করছেন না। উনি যে যে ওয়ার্ডে যাচ্ছেন সেখানেই উন্নয়ন দেখেও স্বীকার করছেন না। যদি তিনি বলেন আমি কাজ করি নাই তাহলে উনার ভাই কাউন্সিলর খোরশেদ নিজেই ব্যর্থ। কারণ তিনি যে ওয়ার্ডের ভোটার সেই ১৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তার ছোটভাই খোরশেদ- ওই ওয়ার্ডে প্রায় দেড়শ কোটি টাকার কাজ হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে কাজ হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুন্দর লেকটি ভরাট করে উনি রাস্তা বানাতে চাচ্ছেন। উনি দেখেছেন সড়ক ও জনপথের সাথে আমার সমস্যা ছিল; কিন্তু সমস্যা সমাধান করেই আমি কাজ করছি। আপনারা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন, তাদের প্রতিক্রিয়া জানেন। প্রতিটি ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। আমি কাজ করেছি কিনা। উনি যে মিথ্যা কথা বলছেন সেগুলো সঠিক না।

বৃহস্পতিবার সিটি করপোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণাকালে আইভী এসব কথা বলেন। তিনি দিনভর সিদ্ধিরগঞ্জের বার্মাস্ট্যান্ড, পাঠানটুলি, এসিআই পানির কলসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ এবং পথ সভা করেন।

এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বাদ্য-বাজনা ও নৌকার ব্যানার ফ্যাস্টুন প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রচারণা করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও তার প্রচারণায় অংশ নেন।

আইভী এ সময় বলেন, আমরা ভোটের রাজনীতি করি, আমার লক্ষ্য হলো আমার ভোটার। বিএনপির নেতাকর্মীরা তার সাথে আছে কি নাই সেটা ভাবার সময় আমাদের নাই। ভোট দেয়ার মালিক যারা তারাই ভোট দিবে, তারা কি বলছে সেটা শোনেন। আমি ও আমার নেতাকর্মীরা মাঠে ব্যস্ত। তৃণমূল কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারাও আমার পাশে আছেন। কারণ আমি উন্নয়নের রাজনীতি করি। সাধারণ ভোটাররা আমার উন্নয়নের রাজনীতির সঙ্গে আছে। তাই ভোটররাই আমার পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচারণা করছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এত মাথা ব্যথা নেই যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর (অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দাকার) সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীরা আছে বা নেই সেটি দেখার।

এক প্রশ্নের জবাবে আইভী বলেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। এমপি শামীম ওসমানের সঙ্গে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা আছে। আদর্শগতভাবে উনিও আওয়ামী লীগ করেন, আমিও করি। স্থানীয় অনেক কিছুর সঙ্গে মতের অমিল থাকতে পারে, দ্বিমত থাকতে পারে কিন্তু শামীম ওসমানের সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

তিনি বলেন, তিনি (শামীম ওসমান) এমপি হিসেবে তো প্রচারণায় আসতে বা ভোট চাইতে আসতে পারেন না। কিন্তু শেখ হাসিনার কর্মীরা মাঠে আছেন কাজ করছেন। আর তৃণমূলের কর্মীরা সব সময়ই আমার সাথে আছেন। বিগত নির্বাচনে ছিলেন, এখনো আছেন। তৃণমূলে কোনো বিভেদ নেই।

সিটি করপোরেশন থেকে জন্মসনদ পেতে ভোগান্তির বিষয়ে আইভী বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে একটি নতুন সিস্টেম চালু করেছে। এই সিস্টেমটি নতুন হওয়ার কারণে অনেকেই বুঝে উঠতে পারছেন না বলে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তাছাড়া একসঙ্গে অনেক চাপ পড়ার কারণে সার্ভারে কিছুটা জটিলতা হয়েছে। আমি দেখে এসেছিলাম ৪ হাজারের মতো পেন্ডিং ছিল। গত ৩ দিন আগেও খবর নিয়েছি মোটামুটি পেন্ডিংগুলো ক্লিয়ার হচ্ছে। তবে সেবা একাবারে পাচ্ছে না এটা সঠিক নয়।

ট্যাক্সের বিষয়টি স্ট্যান্ডবাজি করছেন বলে উল্লেখ করে আইভী বলেন, তৈমুর আলম খন্দকার এবার এই অপপ্রচার করছেন, গতবার বিএনপির প্রার্থী সাথাওয়াতও করেছিল। আমি ট্যাক্স বাড়াইনি। পাশাপাশি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। আমি মন্দিরের মসজিদের জায়গা দখল তো করিইনি- উল্টো ৭টা মসজিদ করে দিয়েছি।

আইভী বলেন, নির্বাচন আসলে অপপ্রচার চলবেই। জনগণই আমাকে ভোট দেবে এবং জয়ের মালা আমাদের গলাতেই উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন আজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৃহস্পতিবার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান মেয়াদের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আগামীকাল (আজ) সন্ধ্যা ৭টায় ভাষণ দেবেন।’

বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলোতে তাঁর ভাষণটি সম্প্রচারিত হবে।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিজয়ী হওয়ার পর, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনা চতুর্থ বারের মতো (টানা তিনবার) প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা

পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আদায়ে একরকম উদাসীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এনবিআর-বহির্ভূত রাজস্ব হওয়ার কারণেই মূলত এটি আদায়ে তেমন আগ্রহ নেই ভ্যাট কর্মকর্তাদের-এমন মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের। তাদের আশঙ্কা-এতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় সরকারের এ মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যেতে পারে।

 

হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের (সিজিএ) কার্যালয়ের আইবাস প্লাস প্লাস ডেটাবেজের তথ্যমতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আদায় হয়েছে মাত্র ১ কোটি ৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

২০১৮-১৯-এ হয়েছে ৯৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জমা পড়েছে ৯৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা জমা হয়েছে। এ টাকা জমা দেওয়া হয়েছে সিলেট, বগুড়া, রংপুর ও ঢাকা ভ্যাট কমিশনারেট থেকে।

একাধিক ভ্যাট কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ এনবিআর-বহির্ভূত কর হওয়ায় এটি আদায়ে আগ্রহ কম থাকে। কারণ একজন কর্মকর্তার সাফল্য হিসাবে শুধু তার ওপর অর্পিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকেই ধরা হয়। এর বাইরে অন্য কর্মকাণ্ড আমলে নেওয়া হয় না। শুধু রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা আদায়ের ওপর ভর করে কর্মকর্তাদের পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হয়। যেহেতু পরিবেশ সারচার্জ এনবিআর-এর রাজস্ব আদায়ের মধ্যে পড়ে না তাই এ নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। প্রতিষ্ঠানগুলো স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে যা জমা দেয়, তাই জমা নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আলাদা মনিটরিং করা হয় না।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জের কাছাকাছি সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন সারচার্জ ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ আরোপ করা হয়। মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন সারচার্জ আদায় করা হয়। আর স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ আদায় করা হয় সিগারেট কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে। এ দুটি সারচার্জ নিয়মমাফিক আদায় করা হলেও পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আদায়ে ভ্যাট অফিসগুলো একেবারেই উদাসীন। প্রতিমাসে এনবিআর-এ পরিবেশ সারচার্জ আদায়ের তথ্য পাঠানোর নিয়ম থাকলেও ভ্যাট অফিসগুলো তা মানছে না।

এনবিআর-এর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ২০১৫ সালের পর পরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। এর মধ্যে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান তালিকা থেকে বের হওয়ার আবেদন করেছে। যেহেতু তালিকা পরিবেশ অধিদপ্তর করেছে, তাই এনবিআর-এর এক্ষেত্রে করার কিছু নেই।

সারা দেশের ভ্যাট আদায় কার্যক্রম মনিটরিং করে এনবিআর-এর মূসক বাস্তবায়ন শাখা। এ অনুবিভাগের সদস্য আব্দুল মান্নান শিকদারের কাছে পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ২২ ডিসেম্বর যুগান্তরকে বলেন, ‘এ বিষয়ে জেনে জানাতে হবে।’

একই সঙ্গে তিনি মূসক নীতি শাখায় এ ব্যাপারে কথা বলার পরামর্শ দেন। এরপর মূসক নীতি অনুবিভাগের সদস্য মাসুদ সাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ২০১৫ সালের পর পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জের তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। এটা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাজ।

২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আরোপ করা হয়। মূলত দেশীয় শিল্পের যেসব খাত পরিবেশ দূষণের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় সংবেদনশীল, সেসব শিল্পমালিককে বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপনে উৎসাহিত করা এবং পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করার অংশ হিসাবে পরিবেশহানিকর শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত সব ধরনের পণ্যের ওপর মূল্যভিত্তিক ১ শতাংশ হারে সারচার্জ আরোপ করা হয়। এ পদক্ষেপটি ওই সময়ে পরিবেশবাদী সব সংগঠনের প্রশংসা পায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন এবং পরে ২০১৭ সালে সারচার্জ আদায় বিধিমালা জারি করা হয়। এরপর পরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে পরিবেশ অধিদপ্তর ও এনবিআর-এর মধ্যে বহু চিঠি চালাচালি হয়। পরে ২০১৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পরিবেশ দূষণকারী ৭৫৭টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়।

হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-১০ অর্থবছরের সারচার্জ আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা টাকা। অর্থাৎ দূষণকারী ৭৫৭টি প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক টার্নওভার ১০৪ কোটি টাকা। সে হিসাবে গড়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর টার্নওভার দাঁড়ায় মাত্র ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। আর অজ্ঞাত কারণে সারচার্জের বিষয়ে নিশ্চুপ পরিবেশ অধিদপ্তর। প্রতিবছর দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা হালনাগাদ করার কথা থাকলেও ২০১৫ সালের পর আর নতুন তালিকা তৈরি করা হয়নি। এমনকি এ সারচার্জের অর্থের বিষয়ে সরকারকে কোনো সুপারিশও করেনি।

পরিবেশ আন্দোলনকর্মীরা বলছেন, পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ নিয়মমাফিক আদায় না করায় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের শুধরাচ্ছে না। পরিবেশ অধিদপ্তর নামকাওয়াস্তে বছরে দু-একটি অভিযান চালালেও আর্থিক দণ্ড খুবই সামান্য দেওয়া হয়। তাই প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশ দূষণ করেই যাচ্ছে। এছাড়া ২০১৭ সালে পরিবেশ দূষণকারী ৭৫৭টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়, সেখানেও গলদ আছে। প্রতিবছরই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত।

তাদের মতে, পরিবেশ দূষণ বন্ধে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় বছর যেসব প্রতিষ্ঠান সারচার্জ দেবে তারা তৃতীয় বছর দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকলে জেল-জরিমানা এমনকি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার মতো উদ্যোগ নিলে দূষণ অনেক কমে আসবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) মহাসচিব শরীফ জামিল বলেন, এনবিআর-বহির্ভূত কর হওয়ায় পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আদায়ে এনবিআর-এর ঢিলামি আছে। এক্ষেত্রে এনবিআর-এর আরও তৎপর হওয়া উচিত। শুধু এনবিআর নয়, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যসব মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরও তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না। জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবিলায় এদিকে সংশ্লিষ্ট সবার নজর দেওয়া উচিত।