সোমবার ,১৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 521

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতির বিরুদ্ধে সহসভাপতির ‘বিস্ফোরক’ অভিযোগ

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খানের বিরুদ্ধে ‘বিস্ফোরক’ সব অভিযোগ করেছেন সংগঠনের সহসভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ।

এক সময় ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আল নাহিয়ান জয়, এমন অভিযোগ রিয়াদের।

রিয়াদ বলেছেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির ‘ডামি প্রার্থী’ ছিলেন আল নাহিয়ানের বাবা। নাহিয়ানের ফুফাতো ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আল নাহিয়ান ছাত্রদলের হয়ে ধানের শীষে ভোট চেয়েছিলেন।

শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন সহসভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ।

লাইভে রিয়াদকে বলতে শোনা গেছে, আল নাহিয়ানের বাবা ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাবুগঞ্জ-উজিরপুর আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। সেই নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তার বাবা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বীমা কোম্পানিতে চাকরি করেছিলেন। তিনি তৎকালীন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার পিএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচন আওয়ামী লীগ বর্জন করেছিল, সেই নির্বাচনে বিএনপির ডামি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন আল নাহিয়ানের বাবা।

আল নাহিয়ানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া বিষয়ে রিয়াদ বলেন, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলেন আল নাহিয়ান। তখন তার ফুফাতো ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। তার কক্ষে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করেছেন, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন আল নাহিয়ান। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে তিনি ছাত্রদলের হয়ে ধানের শীষে ভোট চেয়েছিলেন। সাম্প্রতিক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আপন চাচাতো ভাইকে নিজের ক্ষমতাবলে নৌকার বিরুদ্ধে জিতিয়েছেন আল নাহিয়ান।

লাইভের একপর্যায়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন রিয়াদ।

আল নাহিয়ান ও লেখক ভট্টাচার্য অনিয়মতান্ত্রিক ও সংগঠনবিরোধী অনেক কর্মকাণ্ড করে সংগঠনকে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন করছেন বলে দাবি রিয়াদের।

ইয়াজ আল রিয়াদের এই লাইভের পর থেকে ছাত্রলীগের ভেতরে তোলপাড় চলছে। লাইভ সম্পর্কে তার মন্তব্য জানতে রিয়াদকে ফোন করা হলে তিনি যুগান্তরকে কোনো মন্তব্য দেননি।

গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে বেড়েছে শীত

ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগেই হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ঝরতে পারে। পরবর্তী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে যেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় হালকা/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়বে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সিলেটে ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ বিহার ও এর কাছাকাছি এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

শুক্রবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় সেখানে তীব্র শীত পড়েছে।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঢাকায় ১৮, ময়মনসিংহে ১৪ দশমিক ৩, চট্টগ্রামে ১৮ দশমিক ৮, সিলেটে ১৪ দশমিক ৭, রাজশাহী ১৩ দশমিক ৫, রংপুরে ১৩ দশমিক ৩, খুলনায় ১৭ দশমিক ৫ এবং বরিশালে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

ভোট দিয়ে যা বললেন তৈমুর

নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। এসময় তিনি বলেন, ‘ভোট শেষ হলে বুঝা যাবে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কিনা?

এখনই এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে চাই না।’

তৈমুর বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে। আমি লক্ষাধিক ভোটে জিতব।’

ভোট দেওয়ার পর বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা তৈমুর আলম বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ভোট কেন্দ্রে তার পোলিং এজেন্ট ঢুকতে দেয়নি। তবে ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ভোট দিতে পারছে না। অনেকে ফিরে যাচ্ছে। আঙুলের ছাপ দিয়ে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে তিনি আহ্বান জানান।

রোববার সকাল ৮টায় আদর্শ স্কুল কেন্দ্রে প্রতিটি বুথ পরিদর্শন করে আসেন। এরপর সকাল সোয়া ৮টার দিকে ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে তিনি ভোট প্রদান করেন।

এর আগে সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়; একটানা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

নাসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকালে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি চোখে পড়ছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে এবার ২৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রের এক হাজার ৩৩৩ ভোটকক্ষে পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

ভোটের মাঠে মেয়র পদে ছয়, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৩৪ এবং সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১৪৫ জনসহ মোট ১৮৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বছরের প্রথম সংসদ অধিবেশন বিকালে

নতুন বছরের প্রথম সংসদ অধিবেশন বসছে আজ। একাদশ সংসদের ষোড়শ এ অধিবেশন বিকাল ৪টায় শুরু হচ্ছে। রেওয়াজ অনুযায়ী সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব এনে তার ওপর আলোচনা হবে। সে হিসাবে এবারের অধিবেশন দীর্ঘ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অধিবেশন সংক্ষিপ্তও হতে পারে।

সংসদ সচিবালয় থেকে এ অধিবেশন আপাতত ১০ অথবা ১২ কার্যদিবস চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতির ওপর এর ব্যাপ্তি নির্ভর করছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও এর ওপর আলোচনা ছাড়াও বেশ কয়েকটি বিল উত্থাপন ও পাস হওয়ার কথা রয়েছে এবারের অধিবেশনে।

সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশন গত বছরের ১৪ নভেম্বর শুরু হয়ে ৯ কার্যদিবস চলে ২৮ নভেম্বর শেষ হয়। ওই দিন অধিবেশন সমাপ্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির আদেশ পড়ে শোনান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের অধিবেশনও সাংবাদিকরা সংসদ থেকে কাভার করতে পারবেন না। সাংবাদিকদের সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার থেকে কভার করতে হবে।

আদিতমারীতে শীতার্ত মানুষের মাঝে এক বেলা আহার, মাস্ক ও কম্বল বিতরণ

আদিতমারী (লালমনিরহাট) সংবাদদাতা: আন্তর্জাতিক মানবকল্যাণ, প্রতিবন্ধী ও পথ শিশুদের জন্য সংস্থার উদ্দ্যোগে লালমনিরহাটের আদিতমারীতে শীতার্ত মানুষের মাঝে এক বেলা আহার, মাস্ক ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারী) বিকালে উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নে আল -আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর সহযোগিতায় ১৫০টি কম্বল ও পথ শিশুদের এক বেলা আহার বিতরণ করা হয়। এ কাজে সহযোগিতা করেন ইত্তেফাকের কোর্ট রিপোর্টার রুবেল হাওলাদার, নবী এন্ড কোঃ, এফবিআই ফরওয়ার্ড কোচিংসহ অনেকেই।

আহার, কম্বল ও মাস্ক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইত্তেফাকের আদিতমারী সংবাদদাতা সুলতান হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান, সাইফুল ইসলাম অপু, আব্দুর রউফ রুবেল, আন্তজার্তিক মানবকল্যাণ, প্রতিবন্ধী ও পথশিশুদের জন্য সংস্থার অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ সুজন, সাধারন সম্পাদক আবুল হাসান ও সভাপতি অ্যাডভোকেট বিপ্লব।

 

এসময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, উত্তারাঞ্চলে শীতের তীব্রতায় খেটে খাওয়া মানুষ ও পথশিশুদের কষ্ট তাদের হ্রদয়ে নাড়া দিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে এবারই প্রথম সাধ্যমত তাদের পাশে দাঁড়ানো। ভবিষতে এর পরিধি আরো বৃদ্ধি করা হবা বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

জিমেইলে ই-মেইল শিডিউল করার উপায়

অনেক সময় গভীর রাতে অথবা কাকভোরে ইমেইল লিখতে পছন্দ করেন অনেকে। কিন্তু, সেই সময় জরুরি কোনও ইমেইল পাঠালে আপনার বস বা কলিগ বা অন্য কোনো পরিচিত কেউ যে রাগাশ্রয়ী হয়ে উঠতে পারেন, তা কি ভেবে দেখেছেন?

আর সেই সমস্যা থেকেই মুক্তি দিতে জিমেইল নিয়ে এসেছে দুর্দান্ত এক ফিচার। এই ফিচারে যে কোনো ইমেইল লিখে, তা নির্দিষ্ট সময়ে শিডিউলও করা যাবে। যথা সময়েই তা প্রাপকের কাছে পাঠিয়ে দেবে জিমেইল। কিন্তু, কী ভাবে করবেন এই কাজ? মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন), কম্পিউটার – সব মাধ্যম থেকেই সেই উপায় জেনে নিন।

কম্পিউটার থেকে জিমেইল শিডিউল করবেন যেভাবে

* প্রথমেই ব্রাউজারে জিমেইলওপেন করুন।

* Compose বাটনে ক্লিক করে ইমেইল লিখে ফেলুন।

* ইমেইল লেখা শেষ হলে প্রাপকের ইমেল আইডি ও সাবজেক্ট দিয়ে দিন।

* এর পরে সেন্ড বাটনের পাশে ড্রপ ডাউন অ্যারোতে ক্লিক করুন।

* এবার শিডিউল সেন্ড অপশনে ক্লিক করুন।

* তার ঠিক পরেই আপনি কবে, কোন সময়ে, সেই ইমেইল পাঠাতে চান, তা সিলেক্ট করতে হবে।

* তার জন্য পিক ডেট এন্ড টাইম সিলেক্ট করুন।

* এবার ক্যালেন্ডার থেকে দিন সিলেক্ট করে, সময়ও বেছে নিন।

* স্ক্রিনের ডান দিকে নীচে সিডুইল সেন্ড সিলেক্ট করুন।

কম্পিউটার থেকে শিডিউলড্ ইমেইল বাতিল করার নিয়ম

* জিমেইলহোম পেজ ওপেন করে বাঁ দিকে সিডুইল সিলেক্ট করুন।

* এখানে আপনার শিডিউল করা সব ইমেইল দেখতে পাবেন।

* যে ইমেইল বাতিল করতে চান, সেটিকে সিলেক্ট করে কেন্সেল সেন্ড অপশনটি বেছে নিন।

মোবাইল থেকে জিমেইল শিডিউল করবেন যেভাবে

* আইফোন অথবা অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোন থেকে জিমেইল অ্যাপ ওপেন করুন।

* এবার যে ইমেইল শিডিউল করতে চান, সেটিকে Compose করুন।

* অ্যানড্রয়েড ফোনে ডান দিকে উপরে থ্রি ডট মেনু দেখতে পাবেন। সেই মেনুতে ট্যাপ করুন।

* এবার পপ-আপ মেনুতে শিডিউল সেন্ড সিলেক্ট করুন।

* যে সময়ে এই ইমেইল পাঠানে চান সেই সময় সিলেক্ট করুন।

মোবাইল থেকে শিডিউল করা ইমেইল বাতিল করবেন যেভাবে

* জিমেইল অ্যাপ ওপেন করুন।

* এবার বাঁ দিকে উপরে হ্যামবার্গার মেনু সিলেক্ট করে, তা ওপেন করুন।

* এখানে শিডিউল ট্যাব সিলেক্ট করুন।

* এবার যে ইমেইল বাতিল করতে চান, সেটি সিলেক্ট করুন।

* সব শেষে কেন্সেল সেন্ড আইকনে ট্যাপ করুন। সেন্ড আইকনের সঙ্গে একটি x যুক্ত থাকবে।

স্মার্টফোনে ৩ মিনিটেই ৫০ শতাংশ চার্জ!

দ্রুততম চার্জিং প্রযুক্তির ওপর বর্তমানে একাধিক স্মার্টফোন সংস্থা কাজ করছে। ইনফিনিক্স তাদের ১৬০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি জনসমক্ষে এনেছে। শাওমিও গতবছর তাদের ২০০ ওয়াট হাইপারচার্জ ফাস্ট চার্জিং সিস্টেমের উপর থেকে পর্দা সরিয়েছে।

শাওমির এই দ্রুততম চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ৮ মিনিটের মধ্যে ফোনের ৪ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি শতভাগ চার্জ সম্পূর্ণ হয়, আর ৫০ শতাংশে যেতে মাত্র ৩ মিনিট এবং ১০ শতাংশ হতে মাত্র ৪৪ সেকেন্ড সময় নেয়।

নতুন এই চার্জিং প্রযুক্তি বাজারজাতের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি। তবে পূর্বে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শাওমি ২০০ ওয়াট চার্জিং প্রযুক্তির উৎপাদন শুরু করবে।

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কেউ লগইন করলে বুঝবেন যেভাবেআপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কেউ লগইন করলে বুঝবেন যেভাবে
অপো ইতোমধ্যে মধ্যে তাদের ১২৫ ওয়াটের ওয়্যারড চার্জিং প্রযুক্তির উৎপাদন শুরু করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ডুয়াল সেল ব্যাটারিতে চার্জিং প্রযুক্তির পরীক্ষা চালাচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাটারি সেফটি ডিটেকশন চিপ ব্যবহারের মাধ্যমে স্মার্ট চার্জিং প্রযুক্তি স্থাপনে কাজ করছে।

যে কারণে ওঠানামা করে তেলের দাম

প্রচেষ্টার তো আর কমতি নেই। যে যার মতো করে যথাসাধ্য পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সবুজ জ্বালানির উৎস খুঁজতে গিয়ে সবাই ব্যস্ত। লক্ষ্য একটাই—জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিনির্ভরতা কমিয়ে আনা। প্রচলিত জ্বালানি তেল ফুরিয়ে গেলে কী হবে, ভবিষ্যতের এই অজানা আশঙ্কা থেকেই এর বিকল্প অনুসন্ধান করা হচ্ছে হন্যে হয়ে। প্রথম বাণিজ্যিক তেলকূপ খনন করা হয়েছিল আজারবাইজানের অ্যাশেরন উপদ্বীপে এবং সেটি ১৮৬৭ সালে। এর ১২ বছর পর অর্থাৎ ১৮৫৯ সালে পেনিসিলভেনিয়ার টাইটাসভিল-এ উদ্দেশ্যমূলভাবে তেলকূপ খননের মাধ্যমে সূচিত হয়েছিল মার্কিন তেলশিল্প। ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে খননকাজ শুরু হলেও লক্ষ্যবস্ত্ত ছিল লবণজল। সব বিবেচনাতেই তেল আবিষ্কারের ঘটনাটা ছিল নিছক আকস্মিক।

গোড়ায় কেরোসিন ও প্রদীপের তেলের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। ব্যাপক উৎপাদনক্ষম সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক কূপটি খনন করা হয়েছিল ১৯০১ সালে; দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় টেক্সাসের স্পিন্ডেলটপ নামক স্থানে। সেখানে প্রতিদিন উৎপাদিত হতো ১ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল। এর সমপরিমাণ তেল উৎপাদন করতে পারত না যুক্তরাষ্ট্রের বাকি সব কূপ মিলেও। অনেকেই যুক্তি দেখান যে, ১৯০১ সালের ঐ দিনটিতেই আধুনিক তেলের যুগ সূচিত হয়েছিল, যেদিন বিশ্বের প্রধান জ্বালানি উৎস হিসেবে কয়লার স্থানটি দখল করে নিয়েছিল তেল। জ্বালানিতে তেলের ব্যবহার অব্যাহত থাকাতেই বিশ্ব জুড়ে আজ এ পণ্যটির এত বিশাল চাহিদা। অর্থনীতি সম্পর্কে ন্যূনতম খোঁজখবর রাখা যে কারো মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, তাহলে বিপুল চাহিদার এই তরল বস্তুটির মূল্য নির্ধারিত হয় কীভাবে? উচ্চ চাহিদার বৈশ্বিক পণ্য বনে যাওয়ার কারণেই এর দামের ওঠানামায় পৃথিবীর অর্থনীতিতে বিশাল প্রভাব পড়ে, যেটি কি না নিঃসন্দেহে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তেলের মূল্যে প্রভাব ফেলা দুটি প্রধান নিয়ামক হচ্ছে সরবরাহ ও চাহিদা এবং বাজার আচরণ।

চাহিদা ও সরবরাহের ধারণাটি একেবারে সোজাসাপ্টা। যখন চাহিদা বাড়ে (কিংবা সরবরাহ কমে যায়) তখন মূল্য বেড়ে যায়। অন্যদিকে চাহিদা কমে গেলে (অথবা সরবরাহ বেড়ে গেলে) দাম পড়ে যায়। এটি জলবৎ তরলং। কিন্তু নয়, তেলের প্রশ্নে অর্থনীতির এ মৌলিক নিয়ম হোঁচট খায়। জোগান ও সরবরাহের ভিত্তিতে এখানে দামের অঙ্ক মেলানো দুষ্কর। আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবারই এ বিষয়টি জানা যে, নির্দিষ্ট এ পণ্যটির প্রকৃতপক্ষে মূল্য নির্ধারিত হয় ফিউচার্স মার্কেটে। সহজভাবে বুঝতে চাইলে এটি বস্তুত একটি নিলাম বাজার। যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পণ্য কেনাবেচা করে। ভবিষ্যৎ চুক্তিও এখানে সম্পন্ন হয়। আর ফিউচার্স কন্ট্রাক্ট হচ্ছে একটি বাধ্যতামূলক চুক্তি, যেটি একজনকে ভবিষ্যতে পূর্বনির্ধারিত দিনে এবং পূর্বনির্ধারিত মূল্যে ব্যারেলপ্রতি তেল কেনার ক্ষমতা প্রদান করে। এখানে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে সুনির্দিষ্ট তারিখে অবশ্যই চুক্তির শর্তাদি মানতে হবে।

ফিউচার্স ব্যবসায়ী আবার দুই প্রকার—হেজার ও স্পেকুলেটর। স্পেকুলেটর বা অনুমানকারীরা ঝুঁকি গ্রহণ করে। ফিউচার্স মার্কেটে মূল্যের পরিবর্তন থেকে তারা লাভ করতে চায়। হেজার ফিউচার্স মার্কেটকে ব্যবহার করে মূল্য পরিবর্তনের বিপক্ষে নিজেকে সুরক্ষিত রেখে ঝুঁকি এড়ানোর কাজে। স্পেকুলেটরের কাজ হচ্ছে শুধু মূল্যের গতি অনুমান করা। কার্যত তার পণ্যটি কেনার কোনো ইচ্ছে থাকে না। শিকাগো মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের তথ্যানুসারে ভবিষ্যৎ বাণিজ্যেও বেশির ভাগ সম্পন্ন হয় স্পেকুলেটরদের দ্বারা। যে কারণে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ভবিষ্যৎ চুক্তির ক্রেতাদের দখল ৩ শতাংশের কম।

তেলের বাজার নির্ধারণের আরেকটি বড় নিয়ামক হচ্ছে আশঙ্কা। ভবিষ্যতের একটা পর্যায়ে তেলের চাহিদা নাটকীয়ভাবে বেড়ে যাবে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে তেলের বর্তমান বাজার দরও ওপর দিকে উঠতে থাকে দুরন্ত গতিতে। আর এ সুযোগেই ব্যবসার ধান্ধা খুঁজে নেয় হেজার ও স্পেকুলেটররা। বিপরীত চিত্রটাও দেখা যায়, নিকট ভবিষ্যতেই তেলের চাহিদা অনেক কমে যাবে, এমন খবরে তেলের বর্তমান বাজার দর পড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। উভয় পরিস্থিতিতেই ফিউচার্স কন্ট্রাক্টের হিড়িক পড়ে। তার মানে দামের ওঠানামা বাজার মনস্তত্ত্বের পরও বিশেষভাবে নির্ভর করে। আরো বহুবিধ কারণ উল্লেখ করা যায়।

২০২০ সালের বসন্তে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে তেলের দাম পড়ে যাওয়াকে ওপেক এবং তার মিত্ররা বাজার স্থিতিশীল রাখতে ঐতিহাসিক উৎপাদন কর্তনে রাজি হওয়া সত্ত্বেও দাম নেমে গিয়েছিল ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে—চুক্তিতে সবাই স্বাক্ষর করলেও দেখা যায় কেউ কেউ একটু বেশি লাভের আশায় লুকিয়েও অনেক দেশ তেল বিক্রি করে দেয়।

তেলের সঙ্গে শোধনাগারের বিষয়টিও বিশেষভাবে জড়িত। অপরিশোধিত তেল দিয়ে তো আর কাজ চালানো যায় না। শোধনাগারের সংখ্যার সঙ্গে তেলের দামের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। একটি উদাহরণ দিলেও বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়ে যাবে। যেমন, যুক্তরাষ্ট্র আগে প্রতি এক দশকে একটি শোধনাগার নির্মাণ করত। কিন্তু ১৯৭০-এর দশক থেকে এই গতিতে ভাটা পড়ে। তাছাড়া পণ্যের মূল্য চক্রও তেলের মূল্যে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।

ওমিক্রন শঙ্কায় অর্থনীতিতে ফের অনিশ্চয়তা

মহামারি থেকে শিগ্গিরই মুক্তি মিলবে এমনটাই আশা করছিল বিশ্ববাসী। কিন্তু ২০২১ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন আবিষ্কার হওয়া সে আশায় গুড়েবালি দেখা দেয়। বিশ্বের বহু দেশে তীব্র গতিবেগে ছড়িয়ে পড়তে থাকে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। ডেলটার চেয়ে এর সংক্রমণ সক্ষমতা অনেক বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওমিক্রনকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ বা উদ্বেগজনক ধরন হিসেবে ঘোষণা করেছে। মহামারি বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে জোরেসোরে আলোচনা হচ্ছে। চীনসহ বিশ্বের বড় অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের গতিপথই-বা কেমন হবে এবং বিশ্বব্যাপী মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা কি আরো নিম্নমুখী হবে, মূল্যস্ফীতি কি আকাশ ছুঁবে— আপাতত এসব প্রশ্ন নিয়েই ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, গত দুই বছর মহামারির দাপট ম্রিয়মাণ থাকার পর ২০২২ সালে বিশ্ব অর্থনীতি মাথা তুলে দাঁড়াবে কি না।

সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট প্রতিবেদন বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। বিশ্বব্যাংক উল্লেখ করেছে, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা, ঋণ ও আয়ের বৈষম্য বেড়ে যাওয়ায় উদীয়মান ও উন্নয়নশীল বিশ্বে পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে অর্থনীতির অনিশ্চয়তা আরো তীব্র হয়েছে।

করোনা মহামারির দুই বছর ধরে বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত রয়েছে। অর্থনীতির প্রতিটি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরই মধ্যে গত জুলাই থেকে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করায় করোনার প্রকোপ কমেছিল। এতে বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করা হচ্ছিল। অর্থনীতিবিদরাও প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির বার্তা দিচ্ছিলেন। এমন সময়ে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া করোনার ধরন ওমিক্রন বিশ্ব জুড়ে উদ্বেগ-আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। নতুন এই ধরনের ভয়াবহতা ও প্রভাব সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তারপরও মহামারিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতির নতুন শঙ্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে ওমিক্রন।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের প্রধান অর্থনীতিবিদ গ্রেগরি ডাকো বলেছেন, ওমিক্রনের প্রভাব যদি তুলনামূলকভাবে কম হয় এবং এর বিরুদ্ধে টিকা কার্যকর হয়—তারপরও অর্থনীতিতে এর প্রভাব মধ্যম মানের হবে, অর্থাৎ ২০২২ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি দশমিক ২৫ বাড়তে পারে। তবে যদি ওমিক্রন খুবই বিপজ্জনক হয় এবং বিশ্বব্যাপী লকডাউন দীর্ঘমেয়াদি দেওয়া হয়, তাহলে প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৩ ভাগ হ্রাস পেতে পারে। গোল্ডম্যান স্যাক্সের বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বছরে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। চাহিদাও বেড়েছে। বর্তমানে নীতিনির্ধারকরা মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানার চেষ্টা করছেন। তবে ওমিক্রনের প্রকোপ বাড়লে সেই সুযোগ মিলবে কি না, সন্দেহ রয়েছে।

বাংলাদেশেও নতুন করে করোনা বিস্তার লাভ করার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, ভারত এবং পাশের পশ্চিমবঙ্গে ওমিক্রন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় এই আশঙ্কা বেড়ে গেছে। আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাংলাদেশেও। আবার কি বন্ধ হয়ে যাবে সবকিছু? আমদানি-রপ্তানিতে যে গতি ফিরে এসেছিল, তা কি থমকে দাঁড়াবে।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর দীর্ঘদিন লকডাউন কার্যকর থাকায় তার একটা বড় প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতে বড় ধাক্কা খেয়েছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, যদি ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে করোনা অধিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করে, তাহলে অবশ্যই এর প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিখাতের ওপর পড়বে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে সঠিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের লাগাম টেনে ধরতে হবে

বাড়ছে ডেঙ্গু, প্রয়োজন সচেতনতা

মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ বলে বাংলায় একটা প্রবাদ আছে। বলা যায় আমাদের এখন সে দশাই চলছে। একে তো করোনার প্রকোপ তারপর বাড়ছে ডেঙ্গু। এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকা ছাড়া আসলে কোন উপায় নেই। আর ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে একমাত্র উপায় হল মশা উপদ্রব কমানো।এডিস মশার উপদ্রব কমাতে সতর্কতা মানতে হবে

কারণ আমরা সবাই জানি, এডিস মশাই ডেঙ্গু জ্বরের কারণ। এডিস মশার উপদ্রব কমাতে যে সকল সতর্কতা আমাদের মানতে হবে, সাধারণত এডিস মশা স্বচ্ছ পানিতে ডিম পারে এবং বংশ বিস্তার করে৷ তাই খেয়াল রাখতে বাড়ীর আশেপাশে বা বাড়ীর আঙ্গিনায় কোথাও যেন পানি না জমে।মশা যাতে কামড়াতে না পারে সে ব্যবস্থাও করতে হবে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমে থাকার বৃষ্টির পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার হয়, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী। ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করা। এটি করতে না পারলে চিকিৎসা দিয়ে কুলানো সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। ঢাকায় অনেকেই ছাদকৃষির সাথে জড়িত। তাছাড়া বহু মানুষ বারান্দায় গাছ লাগান। গাছের গোড়ায় পানি জমে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটতে পারে। তাই প্রতিদিন গাছের গোড়ায় পানি জমেছে কি না তা লক্ষ্য রাখতে হবে। পানি জমে গেলে সাথে সাথে কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করা
তাছাড়া প্লাস্টিকের বোতল বা অন্য কোনো জিনিস ব্যবহারেও সতর্ক থাকতে হবে। বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে এডিস মশা যেন জন্ম নিতে না পারে তারজন্য চারপাশ যথাসম্ভব পরিষ্কার রাখতে হবে। এত সতর্কতা সত্ত্বেও যদি কেউ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েই যায় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মশা বিরোধী বিভিন্ন ক্রিম ও তেল পাওয়া যায়। শরীরের খোলা অংশে তা ব্যবহার করতে পারেন
মালয়েশিয়ার এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজির একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে পেঁপে পাতার রস তা দ্রুত বৃদ্ধি করে। রক্ত প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে প্রতিদিন পেঁপে পাতার রস কিংবা পাকা পেঁপের জুস পান করলে উপকার পাওয়া যাবে বলে গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এডিস মশার বিস্তার রোধ করতে অবশ্যই মশক নিধনের ব্যবস্থা করতে হবে৷ সম্ভব হলে বাড়ী চারপাশ, ড্রেন নর্দমা এসব পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি স্প্রে করতে পারেন।

বাসায় মশার স্প্রে করতে পারেন
মশা যাতে কামড়াতে না পারে সে ব্যবস্থাও করতে হবে। যেমন শুধু রাতে নয়, দিনের বেলাও ঘুমানোর সময় মশারী টানাতে হবে। বাসায় মশার স্প্রে করতে পারেন। বাসার প্রতিটি স্থান ভালোভাবে পরিষ্কার রাখতে হবে। মশা বিরোধী বিভিন্ন ক্রিম ও তেল পাওয়া যায়। শরীরের খোলা অংশে তা ব্যবহার করতে পারেন৷ বিশেষ করে বাচ্চাদের প্রতি একটু বেশি নজর রাখবেন। তাদেরকে ফুল হাতার জামা ও প্যান্ট পড়িয়ে রাখুন।

ডেঙ্গুর সময়ে বাচ্চার প্রতি একটু বেশি নজর রাখবেন
ঘরে মশার প্রবেশ রোধ করতে দরজা জানালায় নেট লাগাতে পারেন। বাড়ীর ছাদ কিংবা বারান্দা কোথাও কোন পানি জমতে দেবেন না৷ বাড়ীর পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখতে চেষ্টা করুন৷