বৃহস্পতিবার ,৩০ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 31

এক বছরে দেশে ১৭০৫ জনের প্রাণ গেল ডেঙ্গুতে

দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক বছরে মৃত্যুর রেকর্ড গড়লো ২০২৩ এ । চলতি বছর এডিস মশাবাহিত এই রোগে মারা গেছেন ১ হাজার ৭০৫ জন। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে শুধু ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৮৫৩ জন। এ বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

এই বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে গত সেপ্টেম্বরে। প্রায় ৩৯৬ জনের মৃত্যু হয় ওই মাসে ডেঙ্গুতে। অক্টোবরে ডেঙ্গুতে মারা যান ৩৫৯ জন।

গত শতাব্দীর ষাটের দশকে দেশে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। এরপর ২০০০ সালে প্রথম বড় আকারে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ডেঙ্গু ছিল মূলত ঢাকা শহরকেন্দ্রিক। এরপর প্রতিবছর কমবেশি ডেঙ্গুর সংক্রমণ দেখা দিতে থাকে। তবে ডেঙ্গু বড় বড় শহরে সীমাবদ্ধ ছিল। ২০১৯ সালে বড় বড় শহরের পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামেও ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।

ঘুমানো উচিত নয় উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও নামার সময়

দীর্ঘ বিমানযাত্রায় অনেকেই ঘুমিয়ে পড়েন। তাতে কোনো ক্ষতি নেই। তবে উড্ডয়ন (টেক অফ) অর্থাৎ উড়োজাহাজ যখন উড়তে শুরু করে সে সময় ও ল্যান্ডিং বা নামার সময়টাতে না ঘুমানোই ভালো।

এই দুই সময়ে বাতাসের চাপের পরিবর্তন হয় খুব দ্রুত। এই পরিবর্তনের ফলে কানের পর্দায় আকস্মিক চাপ পড়ে, যার কারণে কানে ব্যথা অনুভূত হতে পারে বা কান বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নাম এয়ার ব্যারোট্রমা (বায়ুমণ্ডলীয় চাপ)। এমন সমস্যা এড়ানোর জন্য উড়োজাহাজের যাত্রীদের কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া ভালো। এ সময় চুইংগাম চিবানো, লজেন্স চুষে খাওয়া কিংবা হাই তোলার মতো মুখভঙ্গি করা ভালো। তাহলে বাড়তি চাপের কারণে কানের ভেতরে আর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। বরং কানের ভেতর ও বাইরের দিকের চাপের মধ্যে একটা ভারসাম্য চলে আসে।

কিন্তু আপনি যদি ঘুমিয়ে থাকেন, তাহলে কিন্তু এগুলোর কোনোটিই করতে পারবেন না। বরং স্বাভাবিকভাবে আমরা মুখের লালা যেভাবে গিলে নিই, ঘুমন্ত অবস্থায় সেটিও কমে যায়। অর্থাৎ মুখের পেশির যে ধরনের নড়াচড়ার সাহায্যে আপনি কানের পর্দার আকস্মিক চাপের হাত থেকে বাঁচতে পারতেন, সেগুলোর কোনোটিই আর করা হয় না। ফলে কানের পর্দায় বাতাসের চাপের প্রভাব আরও বেশি পড়ে।

তা ছাড়া টেক অফ ও ল্যান্ডিং—দুটি বিষয় বিমানযাত্রায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। আপনি যদি এই দুই সময় ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে কিন্তু হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে উপলব্ধি করতে পারবেন না সহসা। দুর্ঘটনা ঘটলে নিজের প্রতিরক্ষায় আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা বুঝে উঠতেও খানিকটা বেশি সময় লাগতে পারে।

দীর্ঘ আকাশযাত্রায় বোর্ডিং ও এয়ারপোর্টের অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে ক্লান্তি বোধ করাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তারপরও টেক অফ ও ল্যান্ডিংয়ের সময়টুকুতে জেগে থাকতে চেষ্টা করুন। ঘুমানোর জন্য এই দুই সময়ের আগের বা পরের কোনো সময়কে বেছে নিন। যেমন দীর্ঘ সময়ের জন্য বোর্ডিং হলে সেখানেই বিশ্রাম নিতে পারেন, যাতে উড়োজাহাজ ছাড়ার সময়টায় ঘুমিয়ে না পড়েন। মোটকথা, নিজের নিরাপত্তার জন্যই হুটহাট ঘুমিয়ে পড়া থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। যাত্রার সময়কাল, যাত্রাবিরতি ও অন্যান্য সব দিক খেয়াল রেখে ঠিক করুন, যাত্রার মধ্যে কখন বিশ্রাম নেওয়াটা ঠিক হবে।

বার্লিনে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি সমাবেশ নিষিদ্ধ

নববর্ষের প্রাক্কালে জার্মানির বার্লিনে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। শহরটিতে ফিলিস্তিনপন্থী একাধিক সংগঠন ‘নো সেলিব্রেশন ডিউরিং জেনোসাইড’ (গণহত্যার সময় উদ্‌যাপন নয়) শিরোনামে এই সমাবেশের উদ্যোগ নিয়েছিল। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এই সংহতি সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে বার্লিনে কয়েকটি সমাবেশ ও বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভ চলার সময় বার্লিনের নয়েকোলন এলাকায় সহিংসতাও ঘটেছে।

জার্মানির ডের স্পিগেল পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বছর শুরুর প্রাক্কালে আগামীকাল রোববার রাত ১০টা থেকে এই আয়োজন শুরু হওয়ার কথা ছিল। বার্লিনের নয়েকোলন এলাকায় রিশার্ড স্কয়ার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরুর পরিকল্পনা করেছিলেন ফিলিস্তিনপন্থীরা। মধ্যরাতে মিছিল শেষ হওয়ার কথা ছিল হারম্যান স্কয়ারে গিয়ে।

কিন্তু এখন পুলিশের নির্দেশে এই আয়োজন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। যদিও রোববার বিকেলে ফিলিস্তিনপন্থীদের আরেকটি বিক্ষোভ ও সন্ধ্যায় হারম্যান স্কয়ারে ইসরায়েলের সমর্থনে আরেকটি সমাবেশ আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বার্লিন পুলিশ জানিয়েছে, বছরের শেষ দিন হওয়ায় আতশবাজি ও এ–জাতীয় বিস্ফোরক জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে। তাই ফিলিস্তিন সংহতি সমাবেশ অন্য কোথাও আয়োজন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বার্লিন পুলিশের প্রধান বারবারা স্লোভিক বলেন, নতুন বছর বরণে নানা আয়োজন করা হয়ে থাকে। এর সঙ্গে এখন ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়ায় বার্লিন পুলিশের ওপর বাড়তি চাপ পড়েছে।

বার্লিন পুলিশ আরও জানিয়েছে, নতুন বছর উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী ধরনের কনটেন্ট আপলোড করা হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এ ছাড়া কোলন শহরের ক্যাথেড্রালে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি পাওয়ার ঘটনায় পুলিশ ওই ক্যাথেড্রাল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

ক্যারিয়ারের ১৭ বছরেও হারিয়ে যাননি ছোটপর্দার প্রাচী

প্রাচী দেশাই এর অভিনয়জীবন শুরু হয়েছিল ছোট পর্দা থেকে। তাঁর ক্যারিয়ারের বয়স ১৭ বছর হয় সত্তেও এত তারকার ভিড়েও হারিয়ে যাননি তিনি। প্রাচী মনে করেন, তাঁর মধ্যে কিছু আছে, তাই তিনি আজও দৌড়ে টিকে আছেন।

‘কসম সে’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রেখেছিলেন মাত্র ১৭ বছর বয়সি প্রাচী। টেলিভিশন আর বড় পর্দার পর এখন ওটিটিতেও সমানতালে অভিনয় করছেন তিনি। সদ্য তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হয়েছে তাঁর। আমাজন প্রাইম ভিডিওর ‘ধুতা’ ওয়েব সিরিজে অন্যতম চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। এই সিরিজে প্রাচীর সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণি তারকা নাগা চৈতন্য।

নাগা চৈতন্যর সঙ্গে কাজ করার প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী নব ভারত টাইমস পত্রিকাকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘সিরিজটিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। হিন্দি ছাড়া তেলেগুতেও কাজ করার অভিজ্ঞতা দুর্দান্ত।
আমি সত্যি কৃতজ্ঞ যে নাগা চৈতন্যর সঙ্গে আমার অভিষেক হয়েছে। বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, নিজের সংলাপ যথাযথ বলতে পারা এবং আমি যেন আমার চরিত্রের প্রতি পুরোপুরি সুবিচার করতে পারি।’

সাক্ষাৎকারে শুটিংয়ের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতার কথা মেলে ধরেন প্রাচী। অভিনেত্রীর কথায়, ‘প্রথম দিন আমি খুব নার্ভাস ছিলাম।

কিন্তু নাগা চৈতন্য আমাকে তখন সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, তাঁরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল “লাল সিং চাড্ডা” ছবির শুটিংয়ের সময়। তিনি আমাকে তাই ঘাবড়াতে বারণ করেছিলেন। আমি তেলেগু নিয়ে যতটা নার্ভাস ছিলাম, নাগা হিন্দি নিয়ে ততটাই নার্ভাস ছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। তিনি আমাকে অনেক সাহস জুগিয়েছেন। নাগা আমার সঙ্গে অনেক ধৈর্য ধরে কাজ করতেন। সেটে আমাকে কেউ বুঝতেই দেননি যে আমি তেলেগু জানি না।’

নিজের ১৭ বছরের অভিনয়জীবন নিয়ে প্রাচী বলেন, ‘জীবন আর ক্যারিয়ার নিয়ে এক সুন্দর সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমি যখন আমার এই ভ্রমণের দিকে ফিরে দেখি, আমার তখন মনে হয় যে অত্যন্ত বিশেষ কিছু না করেও আমি আমার একটা পরিচিতি গড়ে তুলেছি। নানি, মা, বোনের মতো নারীদের পাশে পাওয়ার জন্য আমি আমার এই জীবনের কাছে কৃতজ্ঞ। ১৭ বছর পরও আমি কাজ পাচ্ছি। আমি মনে করি, আমার মধ্যে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তাই আজও আমি টিকে আছি। আর দর্শক আমাকে আজও দেখতে চান। শিগগিরই মনোজ বাজপেয়ীর সঙ্গে “সাইলেন্স টু”-তে আমাকে দেখা যাবে।’

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাশ বানানোর চক্রান্ত বিএনপির: কাদের

এ নির্বাচন ঘিরে হয়তো কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা প্রার্থীকে লাশ বানানোর চক্রান্ত বিএনপির আছে। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি গুপ্তহত্যার দিকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতি ওবায়দুল কাদের ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই মন্তব্য করেন।

‘ডিসেম্বর থেকে তারা যে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করেছিল, তারা স্বাভাবিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নাশকতার দিকে গেছে। এখন আমরা খবর পাচ্ছি, লন্ডন থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে তারা গুপ্তহত্যার দিকে যাবে। এ নির্বাচন ঘিরে হয়তো দেখা যাবে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা প্রার্থীকে লাশ বানানোর চক্রান্ত তাদের আছে। আমরা সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এরকম বক্তব্যই করলেন তিনি।

এই নির্বাচনকে ব্যর্থ হতে দেওয়া হবে না জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার জনসভাগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হচ্ছে। তারা কী টের পাচ্ছে না, মানুষ কত উৎসবমুখর, স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। ৭ জানুয়ারি ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে যারা সন্দেহ করছে, লিফলেট বিতরণ করছে, মানুষ যেন ভোট না দেয়—এমনও হতে পারে, তারা লাশ বানিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। মানুষ যেন ভোটকেন্দ্রে না আসে। এ বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও সতর্ক হতে হবে।

বিএনপি খুবই ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে দাবি করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, সবকিছু ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন লিফলেট বিতরণ করছে। এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আরও ভয়ংকর কোনো হামলার। গুপ্তহত্যার পথে তারা যাচ্ছে, সেই খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা যেটুকু খবর পেয়েছি, তারা মানুষ পুড়িয়ে, আন্দোলনের নামে গাড়ি পুড়িয়ে, বাস পুড়িয়ে, ট্রেন পুড়িয়ে মা ও সন্তানকে মেরে তাদের কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পাচ্ছে না। এখন তারা এই নির্বাচনের বিষয়ে লাশ বানানোর যে অপরাজনীতি, সে পথেও তারা যেতে পারে।’

ঢাকায় ফেরদৌসের নির্বাচনী প্রচারণার সময় সমর্থকদের হাতাহাতি, আহত ১২

এবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদের নির্বাচনী প্রচারণার সময় সমর্থকদের মধ্যে তিনি ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডে এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ১২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন মুন্সি প্রথম আলোকে বলেন, আজ শনিবার দুপুরে নির্বাচনী প্রচারণার জন্য সেন্ট্রাল রোডে যান আওয়ামী লীগের প্রার্থী চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। এ সময় সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে কয়েকজনের তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

সেন্ট্রাল রোডে ১৮ নম্বর ইউনিট আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাহেদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর (ফেরদৌস) পাশে কারা থাকবে, তা নিয়ে কথা–কাটাকাটি থেকে হাতাহাতি হয়। এতে দুজনের হাত ভেঙে গেছে। তাঁরা এখন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির বিষয়ে জানতে ফেরদৌস আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি তাই ওনার সাথে এব্যাপারে কথা হয়নি।

জাজিরায় উৎসবমুখর পরিবেশে আওয়ামীলীগের মত বিনিময় ও আলোচনা সভা

জাজিরা (শরীয়তপুর) সংবাদদাতা : শরীয়তপুরের জাজিরার পৌরসভা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে শরীয়তপুর-১ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনীত দলীয় প্রার্থী ইকবাল হোসেন অপুর পক্ষে মত বিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উত্তর ও দক্ষিণ খোশাল শিকদার কান্দি,গফুর মোল্লা কান্দি,মনির বেপারী কান্দি,লকাই কাজি কান্দি ও আহাদ্দী মাদবর কান্দির আয়োজনে
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাজিরা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা পারভীন আক্তার।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করে আমাদের এলাকার চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। ৭ তারিখের নির্বাচনে আপনারা সকলে পরিবারের অন্যন্য সদস্যদের একসঙ্গে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে এসে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ৫ম বারের মতো নির্বাচিত করবেন।
মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি, জাজিরা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌকিদার, জাজিরা পৌরসভা মেয়র ইদ্রিস মাদবর, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মির্জা হযরত আলী, শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক খন,জাজিরা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্কাছ মুন্সি, জাজিরা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন আকন,জাজিরা উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি সেলিম মাদবর,জাজিরা উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ মাদবর,জাজিরা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাল, জাজিরা উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সোহাগ বেপারী,
জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল বেপারীসহ প্রমুখ।

ভয় দেখেয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধ করা হচ্ছে মানুষকে : গণতন্ত্র মঞ্চ

ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে আওয়ামী লীগবলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা। তারা একইসাথে বলেন তাদের এ চেষ্টা সফল হবে নাএবং এসব করে নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়া যাবে না। বরং নির্বাচনের নামে এই একতরফা প্রহসন জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টন থেকে বিজয়নগর পর্যন্ত মিছিল ও লিফলেট বিতরণ করে গণতন্ত্র মঞ্চ। এই আহ্বানের নাম দেন ‘একতরফা ভোট বর্জন করুন’ । মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন মঞ্চের নেতা–কর্মীরা।

গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে সরকার নির্বাচনের নামে একতরফা প্রহসন মঞ্চস্থ করছে। এ তামাশা প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ। আগামী ৭ তারিখ জনগণ ভোটকেন্দ্রে যাবে না জেনেই সরকার সারা দেশে জোর করে মানুষকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছে ও ত্রাসের সৃষ্টি করছে। তিনি আরও বলেন, এসব করে নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়া যাবে না। গণ–আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণ ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করবে।

‘জাতীয় বেইমান’ বললেন শমসের–তৈমুরকে তৃণমূল বিএনপির অন্য প্রার্থীরা

তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মুবিন চৌধুরী ও মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার তাঁদের মাঠে নামিয়ে এখন আর খোঁজ নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল বিএনপি থেকে বিভিন্ন আসনে প্রার্থী হওয়া নেতারা। তাঁরা দলের শীর্ষ দুই নেতাকে ‘জাতীয় বেইমান’ আখ্যায়িত করেছেন। শমসের, তৈমুর ও তৃণমূল বিএনপির নির্বাহী চেয়ারপারসন অন্তরা হুদা দলের তহবিল থেকে টাকা তছরুপ করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

এই পরিস্থিতিতে দলীয় সংকট সমাধান করে নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূল বিএনপি যেন সংসদের বিরোধী দল হতে পারে, সে জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাঁর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন দলটির এই নেতারা। ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া তৃণমূল বিএনপির এই নেতারা আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে এক সভায় এসব কথা বলেন। ‘তৃণমূল বিএনপির সব প্রার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দলের কো-চেয়ারপারসন কে এ জাহাঙ্গীর মাজমাদার এবং সভাপতি হিসেবে দলের ভাইস চেয়ারপারসন মেজর (অব.) ডা. শেখ হাবিবুর রহমানের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা আসেননি। সভায় বিভিন্ন আসনে তৃণমূলের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দাবি করেছেন, দলের ১৩০ জন প্রার্থী এখন তাঁদের সঙ্গে আছেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-১৫ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী খন্দকার এমদাদুল হক ওরফে সেলিম। নির্বাচনে তৃণমূল বিএনপির ১৩৭ জন প্রার্থী আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দলের চেয়ারপারসন ও মহাসচিব আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখছেন না। আমাদের সুবিধা-অসুবিধা, কীভাবে আমরা নির্বাচন করছি, আমাদের কী প্রয়োজন, সে ব্যাপারে কোনো খোঁজখবর রাখছেন না।’

দলের শীর্ষ দুই নেতা সবার সঙ্গে আলোচনা করে প্রার্থী দিলে তৃণমূল বিএনপি ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে পারত এবং অন্তত ১০০ আসন নিয়ে সংসদে বিরোধী দল হতে পারত বলে মন্তব্য করেন খন্দকার এমদাদুল হক। তিনি বলেন, ‘ওই দুই জাতীয় বেইমানের কারণে এটা হয়নি। তাঁরা তৃণমূল বিএনপির যে অবস্থা করেছেন, তাতে আমরা কষ্ট পাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমরা আমাদের দলের বিষয়ে আলোচনা করতে চাই।’

নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূল বিএনপি যেন সংসদে বিরোধী দল হতে পারে, সে জন্য দলটিতে চলমান সমস্যা সমাধানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাঁর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এমদাদুল হক। তিনি বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, আমরা দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। বিদেশিদের ও বিএনপির ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমরা জনগণের পাশে থাকতে চাই। কিন্তু আমাদের অবস্থা কী? শমসের ও তৈমুরের উদ্দেশ্য ভিন্ন। তাঁদের মুখে এক কথা, অন্তরে আরেক কথা। তাঁদের বহিষ্কার করে তৃণমূল বিএনপিতে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে এলে আমরা খুশি হব। ১৩৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ওই দুজন বাদে সবাই আমাদের সঙ্গে আছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এর বিচার করার অনুরোধ জানিয়ে তৃণমূল বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘শমসের, তৈমুর ও অন্তরা হুদা দলের তহবিল থেকে টাকা তছরুপ করে আমাদের উলঙ্গ করে নির্বাচনী মাঠে যে তামাশা করছেন, জাতির কাছে তার হিসাব দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে আমরা কঠোর হতে বাধ্য হব। ৬০ জন প্রার্থীকে নিয়ে আমি আমরণ অনশনে যেতে বাধ্য হব।’

শমসের মুবিন ও তৈমুর আলমকে ‘যুগশ্রেষ্ঠ মীর জাফর’ আখ্যায়িত করে নেত্রকোনা-৫ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াহাব হামিদী বলেন, তাঁরা যেকোনো মূল্যে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে নেমেছেন। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অভিভাবকত্বমূলক সহযোগিতা চান তিনি।

শমসের মুবিন ও তৈমুর আলম বিএনপির সঙ্গে আঁতাত করেছেন বলে অভিযোগ করেন গোপালগঞ্জ-২ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী জামাল উদ্দিন শেখ। কুমিল্লা-২ আসনে দলটির প্রার্থী মাইন উদ্দিন চলমান সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অনুষ্ঠানের সভাপতি খন্দকার এমদাদুল হক বলেন, ‘শমসের মুবিন ও তৈমুর আলমের আচরণে মনে হচ্ছে, তাঁরা পরোক্ষভাবে আমাদের নির্বাচন থেকে সরে যেতে বলছেন। আমাদের আলোচনার জন্য ঢাকায় ডেকে নিয়ে এসে ২৬ ডিসেম্বর বেলা ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত গুলশানে আমাদের বসিয়ে রেখেছেন। চার দিন ধরেই আমাদের ঢাকায় বসিয়ে রাখা হয়েছে।’

আরেক প্রার্থী মেজর (অব.) আবু নসর মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, এই মুহূর্তে প্রার্থীদের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন পরিস্থিতিতে ২৬ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত চার দিন সংসদ সদস্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করে ঢাকায় এনে বসিয়ে রাখা হয়েছে। এর চেয়ে নির্লজ্জ তামাশা আর কী হতে পারে?

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে তৃণমূল বিএনপির বরগুনা-১ আসনের প্রার্থী ইউনুস সোহাগ, ময়মনসিংহ-৪ আসনের প্রার্থী দীপক চন্দ্র গুপ্ত, ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী কাজী সিরাজুল ইসলাম, নেত্রকোনা-৪ আসনের প্রার্থী আল মামুন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি করার অধিকার নেই বিএনপির : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি-জামায়াত মানুষকে পুড়িয়ে মারার রাজনীতি করে আর আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করে বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বিএনপি সন্ত্রাসী দল তিনি আরো বলেন এই দলের রাজনীতি করার অধিকার নেই।

বরিশাল বিভাগীয় সদরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আজ শুক্রবার নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। এই সময় তার সাথে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ধিক্কার জানাই ওই বিএনপি-জামায়াতকে। বিএনপি হচ্ছে একটি সন্ত্রাসী দল। এই সন্ত্রাসী দলের কোনো রাজনীতি করার অধিকার বাংলাদেশে নেই। কারণ, তারা মানুষ পোড়ায়। মানুষ হত্যা করে। আমাদের রাজনীতি মানুষের কল্যাণে আর ওদের রাজনীতি মানুষ পোড়ানো। তাদের কি মানুষ চায়? মানুষ তাদের চায় না।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের (বিএনপির) দোসর হচ্ছে ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীরা; যারা গণহত্যা করেছে, লুটপাট করেছে, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ করেছে, মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে যাদের বিচার হয়েছে, শাস্তি হয়েছে—সেই জামায়াত। কাজেই খুনি, অর্থ পাচারকারী, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাকারবারি, এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারীদের সঙ্গে জুটেছে যুদ্ধাপরাধীদের দল। এরা নির্বাচন চায় না, নির্বাচন বানচাল করতে চায়। তিনি আরো বলেন ‘আপনাদের কাছে আহ্বান, আপনারা ৭ তারিখে সকাল সকাল সকলে ভোটকেন্দ্রে যাবেন।’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন প্রতীকটা কী? জনতা চিৎকার করে বলে ওঠে, ‘নৌকা’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়েই মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে। এই নৌকায় ভোট দিয়েই দারিদ্র্য বিমোচন হয়েছে। এই নৌকায় ভোট দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। এই নৌকায় ভোট দিলে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।

তারুণ্যের শক্তি বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেটাতেই আমরা বিশ্বাস করি।’ তিনি বলেন, ‘নতুন ভোটারদের কাছে আমার আহ্বান, যাঁরা প্রথমবারের মতো ভোট দিতে আসবেন, তাঁরা নিশ্চয়ই চাইবেন না আপনার প্রথম ভোটটি ব্যর্থ হোক, কাজেই আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে নৌকাকে জয়যুক্ত করবেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েছি। সেই ব্যথা-বেদনা বুকে নিয়ে দেশের মানুষগুলোকে আমি আমার আপন পরিবার হিসেবে গ্রহণ করেছি। আর এই পরিবারকে কীভাবে রক্ষা করতে হবে, কীভাবে উন্নতি করতে হবে, আমি সেভাবেই বাংলাদেশের মানুষকে দেখি এবং আপনাদের জন্যই আমি কাজ করে যাই, দেশকে উন্নত করতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘সব বাধা অতিক্রম করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ইনশা আল্লাহ এগিয়ে যাব। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ চাই। আপনাদের কাছে নৌকায় ভোট চাই।’