শুক্রবার ,১৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 573

ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে মাটিতে মিশে গেছে দ্বীপ, নিহত ৭৫

ঘূর্ণিঝড় রাইয়ের তাণ্ডবে ফিলিপাইনের দিনাগাট নামে একটি দ্বীপ মাটিতে মিশে গেছে।

দেশটির মধ্য এবং দক্ষিণাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই ঘূর্ণিঝড় ইতোমধ্যে ৭৫ জনের প্রাণ কেড়েছে। খবর আরব নিউজের।

আশঙ্কা করা হচ্ছে— মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রচণ্ড এ ঘূর্ণিঝড়ে আহত হয়েছেন কয়েকশ লোক। ঝড়ের প্রভাবে দেশটির বেশিরভাগ প্রদেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও টেলি যোগাযোগব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গেছে।

সর্বোচ্চ প্রায় ১৯৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়া এই ঘূর্ণিঝড় সাম্প্রতিককালে ফিলিপাইনে আঘাত হানা সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিল বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে।

গত শুক্রবার রাতে দক্ষিণ চীন সাগরের দিকে চলে গেছে ঝড়টি। ঝড়ের আগে কমপক্ষে তিন লাখ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। না হলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত বলে মনে করছে প্রশাসন।

যে ৭৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগেই ভেঙে পড়া গাছের তলায় চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে বহু মানুষ। সংবাদমাধ্যমগুলোর তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে— তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে রয়েছে বেশিরভাগ বাড়ি। উড়ে গেছে বহু ভবনের ছাদ। ঘূর্ণিঝড়টি দেশের যে দ্বীপটিতে সবার আগে আছড়ে পড়েছিল, সেই দিনাগাটের পরিস্থিতি ভয়াবহ।

দ্বীপটির গভর্নর আর্লিন ব্যাগ-আও প্রদেশটির সরকারি ওয়েবসাইটে লিখেছেন— ‘দ্বীপটি পুরো মাটিতে মিশে গেছে।’

আর্লিন আরও জানান, দ্বীপটির রাজধানী থেকে ইতোমধ্যে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে শহরতলি অঞ্চলগুলোর কী পরিস্থিতি তা অজানা। কারণ সেগুলো একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার, পানি, অস্থায়ী ছাউনি, জ্বালানি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দ্বীপটিতে পাঠানোর ব্যবস্থা করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। দ্বীপটির ৯৫ শতাংশ বাড়ির ছাদ উড়ে গেছে।

শিয়ারগাঁও ও বোহল প্রদেশেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে প্লাবনের জেরে অনেকেই বাড়ির ছাদ এবং গাছের ডালে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাদের উদ্ধার করছেন উপকূলরক্ষী বাহিনী।

প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে জানান, কোভিড মোকাবিলায় দেশের আপৎকালীন তহবিলের বেশিরভাগটাই খরচ হয়ে গেছে। এ সময় ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব প্রশাসনকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দিয়েছে। প্রদেশগুলোকে সাহায্য পাঠাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।

সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এবং অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন।

এ সপ্তাহের রোববার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৮৪৬ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএস৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে অবস্থান করছে ২৫৬৯ ও ১৪৫৫ পয়েন্টে।

দিনের এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে দরবৃদ্ধি পেয়েছে ১৪৩টি কোম্পানির এবং দর কমেছে ১৭৪টি কোম্পানির। এছাড়া দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৩টি কোম্পানির।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ১৬১ পয়েন্ট। একই সময়ে সূচকটি ১৯ হাজার ৯১৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

ভারত থেকে আবার এলো ৬৭০০ টন নিম্নমানের চাল

ভারত থেকে আবারও ৬ হাজার ৭০০ টন নিম্নমানের চাল আমদানির অভিযোগ উঠেছে। যদিও দেশটি থেকে আগে আনা ১৯ হাজার টনের বেশি নিম্নমানের চালের বিষয়ে এখনো সুরাহা হয়নি। নতুন আমদানি করা চালগুলোর রং ধূসর হয়ে গেছে, ৫-৬ মাস গুদামে থাকলে খাবার অনুপযোগী হয়ে পড়বে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ইতোমধ্যে জাহাজ থেকে ৬০০ টনের মতো চাল খালাস করে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো-সিএসডি, লোকাল স্টোরেজ ডিপো-এলএসডিতে পাঠানো হয়েছে। তবে নিম্নমানের প্রমাণ পাওয়ার পর খাদ্য বিভাগের পরিবহণ ঠিকাদাররা চাল খালাস বন্ধ করে দিয়েছেন। খাদ্য বিভাগ চালগুলো ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

এর আগে চলতি বছরের আগস্টে ‘এমভি ড্রাগন’ নামে আরেকটি জাহাজে করে ১৯ হাজার ২০০ টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। খালাস করতে গিয়ে দেখা যায় এসব চাল নিম্নমানের। পরিবহণ ঠিকাদারদের বাধার মুখে এসব চাল খালাস বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় খাদ্য বিভাগ। চালভর্তি ওই জাহাজটি প্রায় সাড়ে চার মাস ধরে বন্দরের বহির্নোঙরে রয়েছে। চালগুলো ফেরত পাঠাতে চলছে চিঠি চালাচালি। এ অবস্থায় নতুন করে নিম্নমানের চাল আমদানি নিয়ে তোলপাড় চলছে।

চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, গত সপ্তাহে ভারত থেকে ৭ হাজার ৬০০ টন আতপ চাল নিয়ে ‘বিএমসি আলফা’ নামে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। জিটুজির আওতায় সরকারিভাবে আমদানিকৃত চালের চালানটি ভারতের নেকফ ইন্ডিয়া নামের একটি প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে। এর শিপিং এজেন্ট ছিল ‘ইউনি শিপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’। চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ ভেড়ার পর খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা চাল খালাসের নানা আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। খাদ্য অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমদানি করা চালের নমুনা সংগ্রহ করেন। তা ল্যাবে পরীক্ষাও করা হয়। পরীক্ষা করে চালের গুণগত মান ভালো ও খাওয়ার উপযোগী বলে প্রতিবেদন দেওয়ার পর ১৫ ডিসেম্বর থেকে খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জাহাজটি থেকে ৫৬৫ টন চাল খালাস করা হয়। খালাস করা এসব চালের মধ্যে দেওয়ান হাট সিএসডিতে ৭৫ টন, হালিশহর সিএসডিতে ১৫ টন, সিলেট সিএসডিতে ৯০ টন, কুমিল্লার চকবাজার গুদামে ৬০ টন, চাঁদপুরের মতলবে ৪৫ টন, বরইছড়িতে ১৫ টন, জয়দেবপুরে ৪৫ টন, নারায়ণগঞ্জে ৩০ টন এবং তেজগাঁও সিএসডিতে ১৯০ টন সরবরাহ দেওয়া হয়।

জেটিতে খাদ্য অফিসের কর্মকর্তা ও পরিবহণ ঠিকাদাররা দেখতে পান ওপরের চালগুলো অপেক্ষাকৃত ভালো হলেও নিচের স্তরে থাকা চালগুলো নিম্নমানের। তাই তারা খালাস বন্ধ করে দেন। তারা বেশ কিছু চালের বস্তা পর্যবেক্ষণ করে দেখেন-‘এসব চাল সরকারের বিধি মোতাবেক নয়।’ এই সময় খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা চাল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে জাহাজ থেকে খালাস বন্ধ করে দেন। সরবরাহকারীর পক্ষ থেকে পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

একাধিক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরে ভারত থেকে আসা ৭ হাজার টন চালের পরিবহণ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। কারণ এসব চাল নিম্নমানের। যা পরিবহণ করে এলএসডি বা সিএসডিতে নিলে কর্মকর্তারা গ্রহণ করবেন না। পরে দায়ভার পরিবহণ ঠিকাদারদেরই নিতে হবে। এর চেয়ে চাল পরিবহণ না করাই ভালো।’

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবদুল কাদের যুগান্তরকে বলেন, ‘সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘সরকারের বিধি মোতাবেক চাল’ সরবরাহ না করায় খালাস বন্ধ করে দিয়েছি। চালের মানের ক্ষেত্রে খাদ্য বিভাগের অবস্থান জিরো টলারেন্স। চালগুলো পচা বা বেশি খারাপ বা খুদ নয়। তবে চালের রং ও আর্দ্রতা সরকারি বিধি মোতাবেক নয়। মহাপরিচালককে বিষয়টি লিখিত আকারে জানানো হয়েছে। ‘বিএমসি আলফা’ নামের জাহাজটিকে চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ নম্বর বার্থিং থেকে বহির্নোঙরে চলে যেতে বলা হয়েছে।’

বিএনপির বিজয় র‍্যালি দুপুরে

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আজ ঢাকায় বিজয় র‌্যালি করবে বিএনপি। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে দুপুর ২টার দিকে এ র‍্যালি বের হবে। র‌্যালির প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি শনিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যালিতে অংশ নিতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে যথাসময়ে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থাকতে বলেছেন।

র‌্যালি উপলক্ষে বিএনপির ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা নয়াপল্টনে এসে জড়ো হবেন। আজকের র‌্যালিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিলেট শহরসহ বৃহত্তর সিলেট শত্রুমুক্ত হওয়ার দিনটি শনিবার যোথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে বিএনপি। দলটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে সিলেট অঞ্চলকে মুক্ত করার দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে শনিবার সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

জাতীয় পার্টিই দেশ জনগণের কল্যাণে কাজ করে: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, দেশে রাজনৈতিক দল হিসাবে কেবল জাতীয় পার্টিই দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে। অন্যসব রাজনৈতিক দলের নেতারা উন্নয়নের নামে ব্যক্তিগত, দলগতভাবে অর্থ লুটপাট করেন। তারা বিদেশে টাকা পাচার করছেন। চার লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ হলেও এখনো বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠেনি। রাজধানীর জুরাইনে বিজয় সমাবেশ ও পতাকা মিছিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি শনিবার সকালে এ কথা বলেন। শ্যামপুর-কদমতলী থানা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে এ সমাবেশ ও বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আবু হোসেন বাবলা।

সমাবেশে জিএম কাদের বলেন, আজ আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে দেশের ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন, দুই লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন, তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। কারণ একটাই-লুটপাটের রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ব্যক্তিগত স্বার্থ আর দলীয় স্বার্থই বড়। জাতীয় পার্টির নেতারা নিজে লাভবান হওয়ার জন্য রাজনীতি করেন না। দেশের জন্য রাজনীতি করেন। এখন দেশে উন্নয়ন হচ্ছে; কিন্তু বৈষম্য এর চেয়ে বহুগুণ বেশি হচ্ছে। পদে পদেই বৈষম্য হচ্ছে। ইউপি নির্বাচনে পর্যন্ত বৈষম্য হচ্ছে। আমাদের প্রার্থী-নেতাকর্মীদের নির্যাতন করা হচ্ছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন নির্যাতনকারীদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। অথচ স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে স্বাধীনতার মূল চেতনা থেকে দেশকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ যেন তাদের প্রধান লক্ষ্য। সংবিধানের মূল নীতি থেকে সরে গেছে দেশ।

জিএম কাদের বলেন, আমরা ৩১ বছর ক্ষমতার বাইরে। আমাদের বিভক্ত করা হয়েছে-দলকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। নির্যাতন করে নেতাকর্মীদের মুখ বন্ধ করতে চেয়েছে-পারেনি, পারবেও না। জাতীয় পার্টি আছে, থাকবে। জাতীয় পার্টি মানুষের হৃদয়ে আছে। জাতীয় পার্টি একক ক্ষমতায় যাবে-আমরা সোচ্চার হচ্ছি। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকেই চাইছে। সিরাজগঞ্জে আমাদের প্রার্থীকে মারধর করে তার কাপড়চোপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। আমাদের একজন প্রার্থীকে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য। আমি বলতে চাই, কোনো নির্যাতনেই জাতীয় পার্টিকে দমিয়ে রাখা যাবে না। জাতীয় পার্টি মানেই মঙ্গল। লাঙ্গল মানেই দেশের উন্নয়ন, মানুষের উন্নয়ন। সমাবেশে আবু হোসেন বাবলা বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ জেগে উঠছে। তারা পরিবর্তন চায়। মানুষ এখন জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা কেবল জাতীয় পার্টিই গড়তে পারবে। পল্লীবন্ধুর আদর্শে বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় যাবে। জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা অন্যায়-দুর্নীতির সঙ্গে আপস করেন না। দলকে ভালোবেসে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করেন। সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহিরুল আলম রুবেল, ভাইস চেয়ারম্যান আমির উদ্দিন ডালু, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ সোবহান, আক্তার হোসেন দেওয়ান, যুগ্মদপ্তর সম্পাদক সমরেশ মণ্ডল মানিক, যুগ্মপ্রচার সম্পাদক শেখ মাসুকুর রহমান।

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের মনোনয়ন চূড়ান্ত

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার ডি হাসের মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে দেশটির সিনেট। এই পদে পিটারকে মনোনয় দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস। শনিবার সেই মনোনয়ন অনুমোদ করেছে সিনেট।

বর্তমান রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে পিটার ডি হাসের। বর্তমানে তিনি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থ ও বাণিজ্যবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন। তার মূল পদ হচ্ছে-একই মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপ সহকারী সচিব। তার কর্মস্থল ওয়াশিংটন ডিসিতে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত ৯ জুলাই বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার ডি হাসকে মনোনয়ন দেন।

পিটার হাস যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সার্ভিসে তার কর্মজীবনে ভারতের মুম্বাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র কন্স্যুলেট জেনারেলে কনসাল জেনারেল ছাড়াও পররাষ্ট্র দপ্তরে পাঁচটি ভৌগলিক ব্যুরোতে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পিটার হাস জার্মানির একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৮ মালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পড়াশোনা করেন এবং এরপর তিনি লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকস থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

মরক্কোর মার্কিন দূতাবাসে কূটনীতিক হিসেবে তার প্রথম কর্মজীবন শুরু হয়। এর পর যুক্তরাজ্য এবং ভারতেও মার্কিন দূতাবাসে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন পিটার।

সিনেটের অনুমোদন পেলে তিনি আর্ল আর মিলারে স্থলাভিষিক্ত হবেন। আর্ল আর মিলার ২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মালদ্বীপ সফর ২২ ডিসেম্বর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আগামী ২২ ডিসেম্বর মালদ্বীপ যাচ্ছেন। সফরে দেশটির সঙ্গে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।

এ বছরের মার্চে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মেদ সোলিহ ঢাকা সফর করেন। এর পর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সাইডলাইনে দুই নেতার বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রীর এবার হচ্ছে ফিরতি সফর।

গত মাসের শেষে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মালদ্বীপ সফর করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ২২ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত মালদ্বীপ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরে কিছু সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ সফরে যাবেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ঢাকা সফর করেছেন। কদিন আগে মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফর করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে কিছু চুক্তি হবে। দুই দেশের কর্মকর্তারা এগুলো নিয়ে কাজ করছেন। চুক্তি হলে জানতে পারবেন।

বাণিজ্য, কানেক্টিভিটি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। প্রধানমন্ত্রীর সফর এ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ায় নৌকা ডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯

মালয়েশিয়ার সমুদ্র উপকূলে অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছে ১৭ জন।

বুধবার সকালে দেশটির জহুর বারু প্রদেশের কোতা তিংগির তানজুং বালাউয়ের সমুদ্র উপকূলে নৌকাডুবির এই ঘটনা ঘটে। তবে কী কারণে নৌকাটি ডুবে গেছে তাৎক্ষণিকভাবে সেটা জানা যায়নি।

নিহত অভিবাসীরা কোন দেশের নাগরিক তা প্রকাশ না করা হলেও তারা সবাই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জোহরবারু প্রদেশের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ৮টার সময় উপকূল থেকে প্রায় ২০ মিটার দূরে ডুবে যাওয়ার আগে ৬০ আরোহীসহ নৌকাটি দেখা যায়। প্রথমে চারজন নারী ও ছয়জন পুরুষের লাশ তীরে ভেসে আসে।

মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (এমএমইএ) পরিচালক ফার্স্ট অ্যাডমিরাল নুরুল হিজাম জাকারিয়া বলেছেন, খারাপ আবহাওয়ার কারণে নৌকা ডুবে যাওয়ার আগে হতাহতরা অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার জলসীমায় প্রবেশ করেছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

শীতে যে চার বিষয়ে নজর দেওয়া জরুরি

টের পাওয়া যাচ্ছে শীতকাল এসে গিয়েছে। একটু একটু করে হিমেল চাদরে তাই মুড়ে যাচ্ছে পৃথিবী। সেই সঙ্গে দফা-রফা হচ্ছে অনেক কিছুর। খুচখাচ সর্দি-কাশি বারোটা বাজাচ্ছে স্বাস্থ্যের। সে না হয় সামলে নেওয়া যায়, দিনদুয়েক ওষুধ খেলেই!

কিন্তু তার পর? সর্দি-কাশি সেরে যাওয়ার পরেও এমন বেশ কয়েকটা ব্যাপার রয়েছে যার দিকে নজর না দিলে এই শীতে পস্তাতে হতে পারে। কীরকম?

পানি জীবন:
ছোট থেকে পাঠ্যবইতে পড়তে পড়তে কথাটা বেশ একঘেয়ে হয়ে এসেছে। কিন্তু শীত এলেই কথাটা কতটা সত্যি, তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়। আসলে হয় কী, শীতে আবহাওয়া শুকনো হয়ে থাকে বলে তার প্রভাবে শুকিয়ে যেতে থাকে আমাদের শরীরও।

শুধু ত্বকেই ভাঁজ পড়ে না, পাশাপাশি শরীর ভিতর থেকেও শুকিয়ে যায়। তাই শীতে ভালো থাকতে হলে ভিতরে-বাইরে, জল ছাড়া গতি নেই! তেষ্টা না পেলেও দিনে লিটার দুয়েক জল আপনাকে খেতেই হবে! অন্যথায় অসুস্থতা ছাড়া আর কিছু পাওনা হবে না!

রূপটান:
শীতের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ত্বকের উপরে। একেবারে হাতেনাতে বোঝা যায়, কতটা দুর্দশা হয়েছে ত্বকের। ফলে এই সময় ত্বক এমনিতেই খুব সংবেদনশীল একটা পর্যায়ে থাকে। তাতে হয় কী, সামান্য অনিয়মেও ব়্যাশ, অ্যালার্জি দেখা দেয়।

তাই এই শীতে মেকাপ, ক্রিম- এসব রূপটানের জিনিস খুব সাবধানে বাছুন! কম দামি কিছু ব্যবহার না করাই ভালো! কেন না, পারদ-যুক্ত কম দামের প্রসাধনী শুধু শীতে কেন, বছরের যে কোনও সময় ত্বকের বারোটা বাজাবার পক্ষে আদর্শ। শীতে ক্ষতিটা একটু তাড়াতাড়ি হয়, এই যা! পাশাপাশি, খুব হালকা ঘরোয়া কোনো ফেস-প্যাক ব্যবহার করতে পারেন ত্বককে কোমল রাখার জন্য।

তেলে ত্বক তাজা:
এই যে বলছি- শীতে ত্বকের ক্ষতি হয়, সে তো জানা কথাই! কিন্তু ক্ষতিটা ঠিক কীভাবে হয় বলুন তো? আসলে এই সময় ত্বকের অ্যাসিড লেভেল কমে যায়। ফলে, ত্বক তার আর্দ্রতা হারায়। খুব তাড়াতাড়ি শুকনো, অনুজ্জ্বল হয়ে পড়ে। ত্বককে তাই শীতে তরতাজা রাখার একমাত্র উপায় তেলের আদরে রাখা। রোজ স্নানের আগে নিয়ম করে তেল মাখুন! দেখবেন, রুক্ষ শীতেও ত্বক দিব্যি চকচকে থাকছে!

পায়ে পায়ে:
শীতে পা নিয়ে ভোগেন না- এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুর্লভ! কিছু না কিছু একটা সমস্যায় পা-কে ফেলেই শীত ঋতু। হয় দুর্গন্ধের সমস্যা, নয় ফাটা গোড়ালির সমস্যা। এর হাত থেকে বাঁচতে পা পরিষ্কার রাখুন। রোজ বাইরে থেকে এসে ভালো করে সাবান দিয়ে ঘষে পা পরিষ্কার রাখুন। তাতে শুকনো, মরা কোষ বেরিয়ে যাবে, পায়ে দুর্গন্ধ হবে না।

এছাড়া শীতে পা ফাটার হাত থেকে বাঁচতে বাড়িতেও খালি পায়ে থাকা বন্ধ করুন। তাতে পায়ে সরাসরি ঠাণ্ডা লাগবে না। এছাড়া ঘুমোতে যাওয়ার আগে পায়ের পাতায়, গোড়ালিতে কোনো ক্রিম ম্যাসাজ করুন। সবার শেষে মোজা পরে নিন। তাতে ক্রিমের আস্তরণের উপরে ধুলো-বালি জমে পায়ের ক্ষতি করতে পারবে না!

শীতের ঠাণ্ডাও যেভাবে শরীরের জন্য উপকারী

শীতকালে আমাদের শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। বছরের এই সময়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে শরীরে নানাবিধ জীবাণুর আক্রমণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে ঠাণ্ডার উপদ্রোপ তো আছেই। এ কথাও ঠিক যে, শীতের ঠাণ্ডা আমাদের শরীরের উপকারেও লাগে। যেমন-

ঘুমের ঘাটতি দূর করে : কাজের চাপ হোক কী স্ট্রেস, নানা কারণে আজকের যুব সমাজের চোখে একেবারেই ঘুম নেই। ফলে শরীর এবং মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে রেস্ট না পাওয়ার কারণে বাড়ছে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।

শীতের ঠাণ্ডা কীভাবে শরীরের জন্য উপকারী সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক ডা. আলমগীর মতি।

ঠাণ্ডার কারণে শরীরের ভিতরের তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে ঘুম আসতে সময় লাগে না। একটি গবেষণায় দেখা গেছে ঘুমানোর সময় ঘরের তাপমাত্রা যদি ১৫.৫-১৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকে, তাহলে সব থেকে ভালো ঘুম হয়।

ক্ষিদে বাড়ে : শীতকালে আমাদের ক্ষিদে বেড়ে যায়। ফলে ভালো-মন্দ খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে ভিতর থেকে শরীর শক্তিশালী হয়ে ওঠে, সেই সঙ্গে রোগভোগের আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

ওজন হ্রাস পায় : অতিরিক্ত ওজনের কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে সেই চিন্তা দূর হওয়ার সময় এসে গেছে। ঠাণ্ডার সময় শরীর প্রতি মুহূর্তে নিজেকে গরম রাখার চেষ্টা চালিয়ে যায়। এই কাজটা শরীর করে থাকে চর্বি গলানোর মধ্যে দিয়ে।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ বার্ন হতে শুরু করায় ওজন কমতে শুরু করে। শীতকালে আমাদের শরীরে জমতে থাকা খারাপ ফ্যাট বা ব্রাউন ফ্যাট গলতে শুরু করে। ফলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

শীতকালে আরেকভাবে ওজন কমে থাকে। পৃথক এক গবেষণায় দেখা গেছে ঠাণ্ডার সময় আমাদের কাঁপুনি হয়েই থাকে। এমনটা হওয়ার সময় প্রচুর পরিমাণে চর্বি ঝরতে শুরু করে। প্রায় ১ ঘণ্টা শরীরচর্চা করলে যে পরিমাণ চর্বি ঝরে, সেই একই পরিমাণ ঝরে প্রায় ১৫ মিনিট কাঁপুনি হলেও।

শরীরের প্রদাহ কমে : ঠাণ্ডার মৌসুমে শরীরের ভিতরে প্রদাহ বা ইনফ্লেমশন কমতে থাকে। ফলে যে কোনো ধরনের যন্ত্রণা কমতে একেবারেই সময় লাগে না। শীতকালে যেমন ব্যথা লাগার আশঙ্কা বাড়ে, তেমনি যন্ত্রণাও কমে খুব তাড়াতাড়ি।

মানসিক অবসাদ দূর হয় : ঠাণ্ডার সময় আমরা সহজে বাড়ি থেকে বেরতে চাই না। অনেকটা সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ মেলে। স্বাভাবিকভাবেই স্ট্রেস কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ারও বৃদ্ধি পায়।

মশাবাহীত রোগের প্রকোপ কমে : ঠাণ্ডায় মশারা এত মাত্রায় কাবু হয়ে পড়ে যে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং ম্যালেরিয়ার প্রকোপ স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পায়।

ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : আমাদের অনেকের মনে হয় যে শীতকাল মানেই আমাদের ত্বকের বারোটা বেজে যাওয়া। বাস্তবে কিন্তু ঠাণ্ডার সময় ত্বকের নানাভাবে উপকার হয়।

শীতকালে ত্বকের ভিতরে থাকা শিরা-ধমনীতে রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। ত্বকের আর্দ্রতা হারানো ছাড়া আর কোনো স্কিনের সমস্যা কিন্তু শীতকালে হয় না!