শুক্রবার ,১৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 574

১১ ভিন্ন পদে জনবল নেবে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ

জনবল নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। প্রতিষ্ঠানটির ‘জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা’ নামের একটি একাডেমিতে ১১ ভিন্ন পদে ১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

 

পদসমূহ—
১. ইন্সট্রাক্টর, ২ জন, বেতন ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা

২. প্রশিক্ষক (আইসিটি), ১ জন, বেতন ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা

৩. সহকারী ইন্সট্রাক্টর, ৩ জন, বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

৪. মেডিকেল অফিসার, ১ জন, বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

৫. ভেহিক্যাল সুপারভাইজার, ১ জন, বেতন ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা

৬. কম্পিউটার অপারেটর, ২ জন, বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

৭. আর্টিস্ট কাম ক্যামেরাম্যান, ১ জন, বেতন ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা

৮. কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ১ জন, বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৯. রেজিস্ট্রেশন সহকারী, ১ জন, বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

১০. সহকারী বাবুর্চি, ১ জন, বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

১১. কুক কাম বেয়ারার, ১ জন, বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

বয়স: আবেদনের সময়সীমা ২০২১ সালের ২০ ডিসেম্বর হিসেবে ১৮-৩০ বছর। তবে ২০২০ সালের ২৫ মার্চে ৩০ বছর হলেও আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://nactar.teletalk.com.bd/-এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ জানুয়ারী ২০২২ বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

ম্যানেজার নেবে ব্র্যাক ব্যাংক

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানের ব্রাঞ্চ কমপ্লায়েন্স বিভাগে ‘অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার/ম্যানেজার’ পদে লোক নেওয়া হবে। যোগ্যতা অনুযায়ী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।

 

পদের নাম: অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার/ম্যানেজার
পদ সংখ্যা: অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে স্নাতক পাস হতে হবে।
অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট কাজে ৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
বয়স: অনির্ধারিত

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা বিডি জবসের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন আবেদনের শেষ তারিখ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২১

এই সময়ে বাড়তে পারে বিভিন্ন চর্মরোগ, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

শীতকালে সাধারণত আবহাওয়া অনেকটা শুষ্ক থাকে। এ সময় বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা একেবারেই কমে যাওয়ার কারণে শরীরে থাকা বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়াতেও অনেকটা পরিবর্তন চলে আসে। আর এই শুষ্কতার কারণেই শীতকালে বিভিন্ন ত্বকের রোগ বা চর্মরোগ বেশি দেখা দিতে পারে।

আর এ সময়টায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে এক সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্য পরামর্শ দিয়েছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক এবং কনসালট্যান্ট ও কসমেটিক সার্জন ডা. জাহেদ পারভেজ বড়ভূইয়া।

শীতকালে বিভিন্ন চর্মরোগের সমস্যা বেশি দেখা দেয়?
শীতকালে বিভিন্ন চর্মরোগের সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। শীতকালে সাধারণত আবহাওয়া অনেকটা শুষ্ক থাকে। এ সময় বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা একেবারেই কমে যায়। যার কারণে শরীরে থাকা বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়াতেও যেগুলো আমাদের ত্বকে থাকে সেগুলোতে একটু পরিবর্তন চলে আসে। আর এই শুষ্কতার কারণেই শীতকালে বিভিন্ন ত্বকের রোগ বা চর্মরোগ বেশি দেখা দিতে পারে।

এ সময় বাচ্চাদের শুষ্ক ত্বক যাদের তাদের এ সমস্যাটি আরও প্রকট আকারে দেখা দিতে পারে। এটি হলে ত্বক চুলকাতে চুলকাতে চামড়া একদম ফেটে যেতে পারে। আর এমনটি হয়ে থাকলে বাইরে থেকে ব্যাক্টেরিয়া বা ফাঙ্গাশ আক্রমণ করে সহজেই চর্মরোগ শরীরে বাসা বাধতে পারে।

এ ছাড়া শীতকালে অনেকেই কড়া গরম পানি দিয়ে গোসল করেন বা দিনে একাধিকবার গরম পানি দিয়ে গোসল করে থাকেন। অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে বারবার গোসল করলে ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চার যেটি থাকে, সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক কমে যায়। এ কারণে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে গিয়ে বিভিন্ন ছত্রাকজনিত চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।

এ ক্ষেত্রে পরামর্শ হবে দিনে একবার বা ২৪ ঘণ্টায় একবার গোসল করলেই যথেষ্ট।

কী কী ধরনের চর্মরোগ শীতকালে বেশি দেখা দেয়?
বর্তমানে শীতকালে সবচেয়ে বেশি দুই ধরনের চর্মরোগ বেশি দেখা দিয়ে থাকে। একটি হচ্ছে দাউদ আর আরেকটি স্কেবিস বা পাচড়া।

দাউদ: দাউদ সব শরীরে হতে পারে। আবার মাথায়, মুখের ত্বকে, হাতে ও নখেও দাউদ হতে পারে। এক সময় দাউদের চিকিৎসা পদ্ধতি সহজ হলেও এটি বর্তমান সময়ে অনেকটা জটিল হয়ে গেছে। এর কারণ হচ্ছে— যখন দাউদের চিকিৎসায় একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ওষুধ দেওয়া হয়, তখন অনেকেই এমনটি করেন যে, অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেই ওষুধ খাওয়া
ছেড়ে দেন। ফলে শরীরের ভেতরে ভেতরে রোগটি সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায় এবং তার সংস্পর্শে কেউ এলে তার মাঝেও এটি ছড়িয়ে যেতে পারে।

দাউদ গরমকালেও হতে পারে আর শীতকালে এটি বেশি দেখা দিচ্ছে। আর এটি খুব বেশি ছোঁয়াচে হওয়ার কারণে এতে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে কেই এলে তারও হতে পারে।

পরামর্শ: দাউদ হলে চিকিৎসকের পরমর্শ নিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। এখন এ সমস্যাটির জন্য ভরিকোনাজল ও পোসাকোনাজল ওষুধ দুটি ভালো কাজ করছে।

 

স্কেবিস বা পাচড়া: স্কেবিস বা পাচড়া রোগটি একটি মাইক্রোস্কোপিক পোকার কারণে হয়ে থাকে। অনেকটা কচ্ছপের মতো দেখতে অনেক ছোট একটি মাইক্রোস্কোপিক পোকা এটির জন্য দায়ী। এটি খুব সহজেই মানুষের চামড়া বা ত্বকে আক্রমণ করে। আর রাতে যখন মানুষের শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে, তখন পোকাগুলো চলাচল করে আর এ কারণে চুলকানি বেশি হয়।

এটি মূলত আঙুলের ফাঁকে, কুনই, কব্জি, নাভি, স্তন, দুই পায়ের চিপা— এমনকি এটি প্রসাবের রাস্তাতেও হতে পারে। স্কেবিস হলে সেটি চুলকাতে অনেক আরাম লাগে। যার কারণে এটি হওয়ার শুরুতেই অনেকে গুরুত্ব দেন না। ফলে পুরো শরীরেই এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

পরামর্শ: একজনের স্কেবিস হলে পরিবারের সবারই এটির চিকিৎসা নেওয়া উচিত। আর এ রোগটির ক্ষেত্রে যত বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা যাবে এ সমস্যা থেকে ততই বেশি সুরক্ষিত থাকা যাবে। সমস্যাটি দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর এ সমস্যাটির ক্ষেত্রে পারমিথ্রিন লোসন বা ক্রিম গলা থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত একদিন ব্যবহার করে পরের দিন ব্যবহার করা সব কাপড় ও বিছানার চাদরসহ সব ধুয়ে দিতে হবে। লেপ বা কম্বল ব্যবহার করা হলে সেটি নিয়মিত কয়েকদিন সেটি বাইরে রোদে দিতে হবে।

স্কেবিস বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অনেকটাই ভয়াবহ হতে পারে। দীর্ঘদিন এটির কোনো চিকিৎসা না করা হলে সেটি কিডনির সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে।

১৬ ডিসেম্বর ‘স্বাধীনতা দিবস’- রাবির হলে এ কেমন ভুল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ১৬ ডিসেম্বরকে ‘মহান স্বাধীনতা দিবস’ উল্লেখ করে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হলটির নোটিশ বোর্ড, ডাইনিং ও ক্যান্টিনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই নোটিশ দেখা গেছে।

নোটিশে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সকল আবাসিক ছাত্রদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ১৬ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে ১৬.১২.২১ তারিখ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে এবং ৭টা ৫মিনিটে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। সেই লক্ষ্যে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে সব আবাসিক ছাত্রদের হল গেটে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হল।

সেই নোটিশে স্বাক্ষর করেছেন ফোকলোর বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও হলের প্রাধ্যক্ষ ড. রওশন জাহিদ।

এদিকে এমন ভুলের জন্য ‘আন্তরিকতা ও দায়িত্বের নিষ্ঠার’ অভাব বলে উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট নাট্যকার অধ্যাপক মলয় কুমার ভৌমিক বলেন, এগুলো খুবই স্পর্শকাতর বিষয়। এ ধরনের ভুল আমরা এর আগেও লক্ষ্য করেছি। এর অন্যতম কারণ হলো আমাদের নিষ্ঠার এবং আন্তরিকতার অভাব। আমরা আমাদের দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। সাধারণত কোনো বিষয় জনসম্মুখে প্রকাশের পূর্বে আমাদের উচিৎ সেটা যাচাই করে নেওয়া।

রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজকের এ দিনে এ ধরনের ভুল মেনে নেওয়া যায় না। বিজ্ঞপ্তি প্রচারের ক্ষেত্রে হল কর্তৃপক্ষের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এছাড়া হল কর্তৃপক্ষ কিভাবে এত বড় করে তা তদন্ত হওয়া দরকার।

বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যক্ষ ড. রওশন জাহিদ বিজয় দিবস ও বুদ্ধিজীবী দিবসের অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। তার কাছে এ রকম ভুল আশা করা যায় না। এটি খুবই দুঃখজনক। তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি।

তবে এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যক্ষ ড. রওশন জাহিদ বলেন, অনেক ব্যস্ততার মধ্যে থাকার কারণে বিষয়টি ঠিকভাবে খেয়াল করা সম্ভব হয়নি। নোটিশটি সরানোর ব্যবস্থা করছি। পাশাপাশি সংশোধিত নোটিশ প্রকাশ করার ব্যবস্থা করছি।

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে ইবিতে পঞ্চাশ আলপনা

মহান বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পঞ্চাশ আলপনায় ক্যাম্পাস রাঙিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রেস ক্লাব। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে এসব আলপনা আঁকা হয়।

আলপনা অঙ্কনে সহযোগিতায় ছিল সৃজনশীল শিল্প সংগঠন বুনন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, প্রশাসন ভবনের সম্মুখ, ডায়না চত্বর, আবাসিক হলগুলোর সামনে ও ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়কগুলোর সংযোগ স্থলে দক্ষ হাতে এসব আলপনা আঁকেন প্রেস ক্লাব ও বুনন কর্মীরা।

১৫ ডিসেম্বর সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত আঁকা এসব আলপনায় দেশের জাতীয় ও ঐতিহ্যবাহী ফুল, পশু-পাখি ও বাঙালি সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতেই এ ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করে ইবি প্রেস ক্লাব।

আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। ভিন্নধর্মী এ আয়োজনে সহযোগী হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন বুনন কর্মীরা।

তারা বলেন, সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ করলেও অজানা কারণে কোনো ক্লান্তি বোধ হয়নি। আমাদের হাতে আঁকা আলপনাগুলো যখন সবাই আগ্রহ ভরে দেখছে তখন অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে। ঐতিহাসিক এই সময়টিতে প্রেস ক্লাবের সাথে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব যে আয়োজন করেছে এটি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমি ঘুরে ঘুরে আলপনাগুলো দেখেছি, বিজয়ের দিনে এগুলো ক্যাম্পাসকে নতুন রূপ দিয়েছে।

এ দিকে দিবসটি উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়ানো হয়। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্বাধীনতার স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্ত বাংলা’য় শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনে মিলিত হয়।

পরে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রীতি ভলিবল ম্যাচ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আবাসিক হলগুলোতে প্রীতি ভোজের আয়োজন করা হয়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা মঞ্চ ও আবাসিক হলগুলোতে চলছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জন্মদিনে গাড়ি উপহার পেলেন শাকিল খান

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক শাকিল খানের জন্মদিন ছিল গত ৩ নভেম্বর। ওই দিন তিনি সস্ত্রীক ভারতে অবস্থান করেন।

ফেসবুক লাইভে এসে কেক কাটেন। সে সময় তার স্ত্রী তাকে নতুন একটি গাড়ি উপহার দেন। গাড়িটি গত সপ্তাহে জাপান থেকে দেশে আসে।

বর্তমান এর রেজিস্ট্রেশনের কাজ চলছে। স্ত্রীর দেওয়া এ উপহার পেয়ে অভিভূত শাকিল খান। তিনি বলেন, ‘যে কোনো উপহারই আনন্দের।

জন্মদিন উপলক্ষ্যে আমার স্ত্রী সব সময়ই আমাকে চমকে দেন। তবে এবারের চমকটি ছিল একেবারেই ভিন্ন। গাড়িটি হাতে পেয়েছি।

নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হলে শিগ্গির এটি নিয়ে রাস্তায় নামব।’ চমক রাখার জন্য সেটি কী ব্র্যান্ড বা কোন মডেলের গাড়ি তা এখনই প্রকাশ করতে চান না শাকিল খান।

বলেছেন, ‘আমার ভক্ত-দর্শকদের জন্য সেটা চমকই থাক।’

সবার সহযোগিতায় আমি আজকের শাবনূর

ঢাকাই সিনেমার একটি গর্বিত অধ্যায়ের নাম শাবনূর। দেশের দর্শকের কাছে এখনো জনপ্রিয় এ নায়িকা। দর্শক এখনো তার সিনেমা মুক্তির অপেক্ষার প্রহর গোনেন।

আজ তার জন্মদিন। তবে দিনটিতে তিনি অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ায়। ওটাই তার বর্তমান আবাসস্থল। জন্মদিন উপলক্ষ্যে সেখান থেকে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* আপনার তো এবারের জন্মদিন দেশে এসে উদযাপন করার কথা ছিল…

** পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সবকিছু মিলিয়ে আর হয়ে ওঠেনি। তাই এবারের জন্মদিনটা পরিবারের সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়াতে উদযাপন করছি।

* অস্ট্রেলিয়ায় এ সময়টা কীভাবে উপভোগ করেন?

** আগে তো সব সময়ই সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটত। জীবনের ধারাপাত বদলেছে এখন। কিন্তু ব্যস্ততা আমার একটুও কমেনি। আগের মতোই ব্যস্ত আমি। প্রতিনিয়ত আনুষঙ্গিক কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। তবে জীবনটা দারুণ উপভোগ করছি।

* নিজের বর্তমান অবস্থান নিয়ে কী সন্তুষ্ট আপনি?

** আল্লাহর রহমতে সিনেমায় এখনো যথেষ্ট সম্মান নিয়েই আছি। অভিনয় জীবনের পথচলায় আমার প্রত্যেক সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, সিনেমাটোগ্রাফার, কাহিনিকার, প্রোডাকশন বয়, ট্রলিম্যান থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবার সহযোগিতায় আমি আজকের শাবনূর। সিনেমার সবাইকে নিয়ে আমি ভালো থাকতে চাই।

* বহুদিন নতুন সিনেমায় নেই আপনি। এবার দেশে এলে নতুন সিনেমায় অভিনয় করার পরিকল্পনা আছে?

** আমিও অভিনয়, দর্শক সবকিছু মিস করি। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো টিভি চ্যানেলে আমার অভিনীত সিনেমা প্রচার হয়। সেগুলো দেখে দর্শকরা এখনো শুভেচ্ছা জানান আমার ফেসবুক অফিসিয়াল পেজের মাধ্যমে।

অভিনয়ের পরিকল্পনা আছে। তবে সেটা নির্ভর করছে সময় ও সুযোগের ওপর। অবশ্য এরই মধ্যে আমি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আমার আপডেট জানানোর জন্য। কারণ ভক্তরা আমার সম্পর্কে জানতে চান। তাদের জন্যই এ ইউটিউব চ্যানেল করা।

* অনেক আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন সিনেমা নির্মাণ করবেন। ইচ্ছাটা এখনো আছে?

** ইচ্ছাটা আছে। তবে আমি এখন আমার পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছি আমার একমাত্র সন্তান আইজেনের দিকে। তাকে একজন সত্যিকারের মানুষ হিসাবে গড়ে তুলাই আমার স্বপ্ন। আমার সেই স্বপ্নটা যেন মহান আল্লাহ পূর্ণ করেন, এ দোয়া চাই সবার কাছে।

পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে সিরিজ স্থগিত

বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি আর টেস্টে হোয়াইটওয়াশ করে ঘরের মাঠেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলছে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার ২০৮ রানের পাহাড় ডিঙিয়ে রেকর্ড জয় পেলেন বাবর আজমরা।

আর এমন সুসময়ে দুঃসংবাদ ভেসে এলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ শিবিরে।

দলটির খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফ— সব মিলিয়ে আটজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যে কারণে পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে সিরিজ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবারই শুরু হওয়ার কথা ছিল তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি।

কিন্তু করোনার থাবায় তা পিছিয়ে গেল ছয় মাস। আগামী বছরের জুনে এ সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে পিসিবি ও উইন্ডিজ বোর্ড।

দুই বোর্ড মিলে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে বিষয়টি নিয়ে।

সেখানে লেখা হয়েছে— ‘বৃহস্পতিবার সকালে পিসিবির কোভিড-১৯ প্রটোকল হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাকি ১৫ ক্রিকেটার এবং ৬ সাপোর্ট স্টাফের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়েছে। যেখানে ফলের সবই নেগেটিভ এসেছে। এ কারণেই তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। তবে দুদলের আলোচনার ভিত্তিতে, দলে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) যেহেতু পর্যাপ্ত ক্রিকেটার নেই, সে কারণে ওয়ানডে সিরিজটি ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।’

‘দেশ স্বাধীন না হলে মাশরাফি-সাকিবদের পেত না বাংলাদেশ’

৫০ বছর আগে অপার বিস্ময়ে এই বিশ্ব চাক্ষুস করেছে বাংলাদেশের অভ্যুদয়। লাল-সবুজের ঐশ্বর্যের, কৌলীন্যের অভূতপূর্ব সূর্যোদয়। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী। ক্রিকেটের পরিভাষায় হাফ সেঞ্চুরি।

এই ৫০ বছরে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে যে প্রশ্নের মুখে বাংলাদেশ – এই দীর্ঘ সময়ে খেলাধুলায় কতখানি এগিয়েছে লাল সবুজের পতাকাধারীরা?

সে ক্ষেত্রে মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট।

সে কথাই গর্বভরে উচ্চারণ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান বললেন, দেশ স্বাধীন না হলে মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের মতো এমন আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার পাওয়া যেত না।

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পূর্তির দিন বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আকরাম খান বলেন, ‘সত্যি বললে ক্রিকেটে আমরা অনেক অর্জন করেছি। বিশ্বে বাংলাদেশকে ভালো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ হিসেবে চেনে। এটা আমাদের জন্য অনেক কিছু। যাদের কারণে দেশ স্বাধীন হয়েছে তাদের আবারও স্মরণ করছি। মুক্তিযোদ্ধারা ত্যাগ না করলে মাশরাফি, আশরাফুল, তামিম, সাকিব, মুশফিক, রিয়াদ, মোস্তাফিজদের মত ভালো খেলোয়াড় পেতাম না।

৫০ বছর পর বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবস্থান কেমন?

আকরাম খানের জবাব, ‘ক্রিকেটে আমরা আস্তে আস্তে এগোচ্ছি। যেভাবে আশা ছিল সেভাবে এগোতে না পারলেও আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। আমার বিশ্বাস ভবিষ্যতে আরও ভালো হবে। আমাদের বয়স অন্য দেশের তুলনায় কম। সেই তুলনায় ঠিক আছে।’

করোনার প্রসঙ্গ টেনে এনে বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক বললেন, ‘গত দুই বছর করোনার জন্য যতটা পিছিয়ে পড়েছি, অন্য দেশ এত ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ইনশাআল্লাহ্‌ আমরা এখান থেকে ঘুরে দাঁড়াব এটা আমার বিশ্বাস।’

হিলিতে বেড়েছে শীতের প্রকোপ

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলাসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে বেড়েছে শীতের প্রকোপ।

একদিনের ব্যবধানে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে আজ শুক্রবার ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রিতে অবস্থান করছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ৬টায় দিনাজপুর জেলায় ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা নির্ণয় করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতা ৯০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪-৫ কিলোমিটার। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘণ্টায় তা ১০-১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উন্নীত হতে পারে।