শুক্রবার ,১৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 572

নবজাতকের যত্ন

শীতে শিশুদের ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা বেশি থাকে। নবজাতক হলে তো কথাই নেই। তার জন্য চাই সর্বোচ্চ সতর্কতা। ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় থেকেই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া চাই। শীতকালের চিরাচরিত উলের পোশাক শিশুর কোমল শরীরে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নবজাতকের শীতের পোশাক হতে হবে তার মতোই কোমল।

শূন্য থেকেই সতর্কতা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এবং নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ মো. আবদুল মান্নান জানান, শীতকালে নবজাতকের দেহের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রতি মনোযোগী হতে হবে সে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই। তার পরামর্শ হলো, স্বাভাবিকভাবে যদি ঘরে পূর্ণ গর্ভাবস্থায় শিশুর (পূর্ণ ৩৭ সপ্তাহ) জন্ম হয় তাহলে কক্ষের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হতে হবে। জন্মের পর নবজাতক যে কক্ষে থাকবে তখনো এটি প্রযোজ্য। রুম হিটার জ্বালিয়ে, দরজা-জানালা বন্ধ রেখে এ তাপমাত্রা নিশ্চিত করতে পারেন। অনেকে ঘরের কোণে কয়লা ও তুষের আগুন রাখেন। সেক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকুন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই নবজাতকের শরীর সুতির পুরনো পরিষ্কার ও নরম কাপড়ে মুছে ফেলুন। শরীরে গর্ভজাত তরল লেগে থাকলে খুব দ্রুত দেহের তাপ বের হয়ে যায়, যাকে ইভাপোরেটিভ হিট লস বলে। নবজাতককে আলাদা বিছানা বা ঠাণ্ডা কোনো স্থানে রাখার বদলে মায়ের পেটের কাছে বা বুকের ওপর রাখুন। খেয়াল রাখবেন, নবজাতকের ত্বকের সঙ্গে মায়ের ত্বক লেগে থাকবে। তারপর নবজাতককে উষ্ণ কাপড়ে ঢেকে যত দ্রুত সম্ভব শালদুধ খেতে দিন। এতে থাকা গ্লুকোজ, প্রোটিন, চর্বি শিশুর শরীর উষ্ণ করে। দুধ খেতে হালকা ব্যায়াম হয় বলে শরীর নিজ থেকেই উত্তাপ তৈরি করা শুরু করে।

কী করবেন না
বিশেষজ্ঞ মো. আবদুল মান্নান বলেন, শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই প্রচলিত কিছু আচরণের কারণে শীতে নবজাতকের অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই শিশুকে গোসল করিয়ে ফেলা আমাদের দেশের চিরাচরিত দৃশ্য। কারণ নবজাতকের দেহে জন্মের পরপরই একপ্রকার সাদা আবরণ দেখা যায়। অনেকেই এটি নোংরা ভেবে মুছে দেন বা গোসল করিয়ে ধুয়ে দেন। কেউ লিকুইড প্যারাফিনেও মুছে ফেলেন। কিন্তু এটি মূলত নবজাতকের সুরক্ষা কবচ। এটি নবজাতকের দেহের তাপমাত্রা ধরে রাখে, যেকোনো জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং ত্বককে সুরক্ষা দেয়। প্রায় সবাই এক দিনের মধ্যেই মাথার চুল কামিয়ে দেন। কিন্তু কখনো কখনো এর ফলে নবজাতকের নিউমোনিয়া পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। চুল নবজাতকের মাথার তাপমাত্রা ধরে রাখে। খুব বেশি বড় চুল হলে এবং তাতে সমস্যা তৈরি হলে কাঁচি দিয়ে বড়জোর একটু ছেঁটে দেওয়া যাবে। রোদে দেওয়ার জন্য অনেকে নবজাতককে ভোরের ঠাণ্ডা বাতাসে খালি গায়ে ফেলে রাখেন। শীতের ঠাণ্ডা বাতাস, কুয়াশা বা মেঘলা অবস্থায় শিশুকে বাইরে নেওয়াই অনুচিত। রোদ উঠলে ও বাতাস কম থাকলে বেলা ১২টার আগে নবজাতককে কোলে নিয়ে রোদে বসতে হবে। শরীর উষ্ণ হয়ে উঠতে থাকলে একটি একটি করে অঙ্গ পুরো শরীরে রোদ লাগাতে হবে, তাও আধা ঘণ্টার বেশি নয়। বিকালের রোদ নবজাতকের শরীরে লাগানো ক্ষতিকর।

আরেকটি প্রচলিত আচরণ হলো নাভির নাড়িতে তেল মেখে রোদে রাখা। মনে রাখবেন, এতে সংক্রমণের পথই শুধু তৈরি করা হয়। নাভি থাকবে উন্মুক্ত কিন্তু যেকোনো কিছুর স্পর্শ ছাড়া। বড়জোর ঢোলা সুতির পোশাকে ঢেকে রাখা যাবে। ডায়াপার পরালে তাও থাকবে নাভির নিচে। এক ডায়াপার ৪ ঘণ্টার বেশি কোনোভাবেই রাখা যাবে না।

হাড় শক্ত করতে ও শরীর গরম করতে নবজাতকের শরীরে তেল বা লোশন মালিশ করাটা আমাদের দেশে বহুল প্রচলিত। অথচ চিকিৎসকরা বলেন, প্রথম এক মাস শিশুকে তেল, সাবান, পাউডার, লোশন, ক্রিম, কালি, কাজল কিছুই ছোঁয়ানো যাবে না। দুই থেকে তিন মাস পর অলিভ অয়েল বা সরিষার তেল মালিশ করা যেতে পারে। অনেকেই উন্নতমানের ভেবে বিদেশি কোম্পানির তেল, লোশন ব্যবহার করেন। এগুলো আমাদের দেশের আবহাওয়ায় ব্যবহারের উপযোগী কিনা দেখে নিন। এসবে শিশুর অ্যালার্জির আশঙ্কাও থাকে।

কুসুম কুসুম পানিতে গোসল
শীতকালে অন্তত এক মাস নবজাতককে সরাসরি পানিতে গোসল করানো অনুচিত। সময়ের আগে ভূমিষ্ঠ হওয়া বা প্রি-ম্যাচিওরড বেবিকে দুই মাস গোসল করানো ঠিক হবে না। তিন দিন পর কুসুম কুসুম গরম পানিতে শরীর হালকা মুছে দিতে পারেন। এক মাস বা দুই মাস পর সপ্তাহে এক দিন পানিতে গোসল করানো যাবে। গোসল বা গা মোছানোর পানি প্রথমে ১০ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর হালকা কুসুম গরম করে নিতে হবে। পানিতে জীবাণুনাশক তরল মেশানো যাবে না। পানি সূর্যের রোদে গরম করা হলেও হবে না। শিশুর গোসল অবশ্যই বদ্ধ কোনো ঘরে হতে হবে। এর ফলে বাতাসে নবজাতক ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হবে না।

পোশাক হবে কোমল
নবজাতককে সরাসরি উলের পোশাক পরানো ঠিক নয়। চিকিৎসকরা বলেন, উলের ক্ষুদ্র লোমে অ্যালার্জি হতে পারে। সুতির পোশাকের ওপর উলের সোয়েটার চাপাতে পারেন, অন্তত তিন প্রস্থ পোশাক নবজাতককে পরাতে হয়। তা হতে পারে কাঁথা ও কম্বল। অবশ্যই তা হবে শিশুর উপযোগী।

দ্য বেবি শপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা আলী নবজাতকের উপযোগী পোশাক সম্পর্কে জানান, দেশেই পাওয়া যায় নবজাতকের ব্যবহারের উপযোগী পোশাক। এগুলো তৈরি হচ্ছে সুতি, উল ও অন্যান্য উষ্ণ কাপড়ে। নবজাতকের পোশাকের মধ্যে আছে বডি স্যুট ও রম্পার। এগুলোর মাধ্যমে জামা ও প্যান্টের কাজ একসঙ্গে চলবে। আরও আছে বেবি স্যাক। এটি অনেকটা ছালার মতো, কিন্তু কাজ করে কম্বলের। নবজাতককে সামনে থেকে খোলা যায় এমন পোশাক পরানো উচিত। বেবি স্যাকের সামনে চেইন লাগানো বলে সে সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়া নবজাতককে হাফহাতা বা ফুলহাতা সোয়েটার, টি-শার্টও পরাচ্ছেন অনেকে। শীতে নবজাতককে অবশ্যই হাতমোজা, পা-মোজা ও কানটুপি পরাতে হবে। তবে মনে রাখবেন, নবজাতকের দেহের আচ্ছাদন হিসেবে সুতি ছাড়া অন্য কোনো কাপড় লাগানো উচিত নয়। এত কিছুর পরও যদি ঠাণ্ডা লেগেই যায় নবজাতকের সর্দি মুছতে রাবারের নেজল অ্যাসপিরেটর ব্যবহার করুন এবং দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ লাখ আসন শূন্য থাকছে

দেশের বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই-তৃতীয়াংশ আসনই শূন্য থাকবে। ২ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়ে ৯ লাখ ৪০ হাজার ৮০৭ শূন্য আসনে ভর্তির আবেদন আহ্বান করা হয়। এসব আসনে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৭০৭ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।

সেই হিসাবে বাকি আসন প্রার্থীর অভাবে শূন্য থাকবে। এরপরও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পছন্দের বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে।

আজ রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে এ লটারি অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতদিন এসব বেসরকারি বিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভর্তি করে আসছে। কিছু বিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। এর অংশ হিসাবে ২৫ নভেম্বর অনলাইন আবেদন নেয়া শুরু হয়। ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭০৭ শিক্ষার্থী আবেদন করলেও তাদের কেউ একটি আবার কেউ ২-৫টি আবেদন করেছে। ফলে মোট আবেদন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১৪ হাজার ৮২১টি।

মাধ্যমিকে এক বিভাগ ২০২৫ থেকে

২০২৫ সালের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন হবে। এই শিক্ষাক্রমে আলাদা কোনো বিভাগ থাকবে না। নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে এক বিভাগ। যা বর্তমানে এই দুই শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা- এই তিনটি আলাদা বিভাগ রয়েছে।

শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

কাকরাইলে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য ২০২২ সাল থেকে প্রাথমিকে ১০০টি আর মাধ্যমিকে ১০০টি প্রতিষ্ঠানে পাইলটিং শুরু হচ্ছে। এ জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ চলছে, টিচার্স গাইড তৈরি হচ্ছে।

‘ছয় মাস পাইলটিংয়ের পর বিশ্লেষণ করে ২০২৩ সাল থেকে আশা করছি, আমরা নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করতে পারব। সে ক্ষেত্রে ২০২৩ সালে প্রাথমিকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে আর মাধ্যমিকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে এটি চালু হবে। এ ছাড়া পাইলটিং যেটি আগামী বছর করব, সেটি হবে প্রাথমিকে প্রথম শ্রেণি ও মাধ্যমিকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে।’

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি এবং অষ্টম ও নবম শ্রেণি হবে। ২০২৫ সালে এদিকে পঞ্চম এবং ওদিকে দশম শ্রেণি অর্থাৎ ইম্প্রিমেন্টেশনটা হয়ে যাবে। এটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘২০২৩ সাল থেকে এ কার্যক্রম সারা দেশে নিয়ে যাব। পরে আমরা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু করব। এরপর ২০২৫ সালে সারা দেশে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে।’

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপনবিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আসছে। পঞ্চম শ্রেণি সমাপনী পিইসি, অষ্টম শ্রেণি সমাপনী জেএসসি পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করা হবে। তবে সেগুলোয় ক্লাস সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেভাবে মূল্যায়ন করে সনদ দেব।

‌একইসঙ্গে নবম ও দশম শ্রেণিতে যে বিভাজনটি থাকে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ- সেটি আর থাকবে না। আলাদা বিভাগ থাকবে না। এই দুই ক্লাসে বাধ্যতামূলকভাবে কারিগরির একটি ট্রেড শিখতে হবে। নবম ও দশম শ্রেণিতে আলাদা বই হবে। যে ১০টি সাবজেক্ট আছে সবাই সেগুলো পড়বে।’

বিয়ের ৯ দিন পরই ক্যাটরিনাকে রেখে কোথায় গেলেন ভিকি?

সবাইকে চমকে দিয়ে ধুমধাম করে ক্যাটরিনাকে বিয়ে করে ঘরে তুলে নিয়েছেন ভিকি কৌশল। হলুদ, বিয়ে, ভ্যাকেশন— সব মিলিয়ে গত একটা সপ্তাহ তাদের সময়টা স্বপ্নের মতোই কেটেছে। বিয়ে উপলক্ষ্যে এক মাসেরও বেশি সময় কাজের বাইরে ছিলেন জনপ্রিয় এই বলিউড জুটি।

বহু কাজ জমা হয়ে আছে। এ কারণে বিয়ের পর নববধূকে দূরে কোথাও নিয়ে গিয়ে মধুচন্দ্রিমাও করা হয়নি ভিকির। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার মাত্র ৯ দিন পরেই কাজে ফিরতে হলো ভিকিকে। খবর বলিউড লাইফ ও এনডিটিভির।

তিনি শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি দিয়েছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে গাড়িতে করে শুটিংয়ে যাচ্ছেন। এই ছবির নিচে কমেন্টের বন্যা বইয়ে গেছে। নতুন বউকে রেখে এত দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ায় ভিকির অনেক ভক্ত-অনুরাগী অবাক হয়েছেন।

এক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী প্রশ্ন করেছেন— ক্যাটরিনা ভাবি কোথায়? কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন— এত দ্রুত ক্যাটরিনার কাছ থেকে দূরে সরে গেলেন? কেউ বলছেন— বিয়ের মাত্র ৯ দিন পরই ক্যাটরিনাকে রেখে কোথায় যাচ্ছেন? কেউ আবার দাবি তুলেছেন— প্লিজ ভাবিকে নিয়ে একটা ছবি দেন।

দীনেশের পরিচালনায় একটি ছবির কাজ বিয়ের কারণে পিছিয়ে দেন ভিকি। যেটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন সারা আলী খান।

অন্যদিকে টাইগার থ্রি ছবির কাজ পিছিয়ে দিয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ। যেটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন সালমান খান।

৯ ডিসেম্বর জয়পুরের একটি অভিজাত রিসোর্টে সাতপাকে বাঁধা পড়েন ক্যাটরিনা-ভিকি। ক্যাটরিনাকে সবশেষ দেখা যায় সুরাইয়াভানসি ছবিতে অক্ষয়ের বিপরীতে। আর ভিকি সবশেষ সরদান উধামের ছবিতে অভিনয় করেন।

বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন দেব!

কলকাতার সিনেমায় আলোচিত জুটি দেব ও রুক্মিণীর প্রেমের বিষয়টি টালিপাড়ায় ওপেন সিক্রেট। বেশ কয়েকবার এই দুজনের বিয়ের খবরও চাউর হয়েছে। বরাবরই প্রেমের কথা স্বীকার করলেও বিয়ের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন দুজনই।

শনিবার আনন্দবাজার অনলাইনের লাইভ আড্ডায় দেব আবার বিয়ে নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তবে তার উত্তরের ধরন শুনে মনে হয়েছে বিয়ে করতে ‘ভয়’ পাচ্ছেন এই তারকা এমপি।

বিয়ের কথা উঠতেই দেবের যুক্তি— যে হারে বিয়ে ভাঙছে, তাতে বিয়ে করার চেয়ে ভালো থাকাটাই বেশি জরুরি। বিয়ে তো যে কোনো দিন করতেই পারি। অনুষ্ঠানে কাছের মানুষদের ডেকে খাওয়াবও। এত ধুমধামের সেই বিয়ে যদি ১০ দিনও না টেকে, তখন?

তবে বাকিদের মতো ‘সম্পর্কের নিরাপত্তাহীনতায়’ ভুগছেন কিনা জানতে চাইলে সেটিও এক কথায় নাকচ করেন অভিনেতা।

তার মতে, তিনি বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানে বিশ্বাসী। কিন্তু এখনই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে মানসিকভাবে প্রস্তুত নন।

দেব আরও বলেন, আমার কাঁধে প্রচুর দায়িত্ব। সামনে প্রচুর কাজ। এ ছাড়া রুক্মিণী মাত্র বলিউডে কাজ করতে শুরু করেছে। পাশাপাশি বাংলাতেও কাজ করছে। আমি তার চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাই না।

তিনি বলেন, কাজ নিয়ে, ব্যস্ততা নিয়ে ভালো আছি। একইভাবে ভালো আছেন রুক্মিণীও। আমরা আপাতত এভাবেই থাকতে চাই। কারণ অসুখী দাম্পত্যের চেয়ে সুখী বন্ধুত্বে বিশ্বাস করি।

কোহলি বড্ড বেশি ঝগড়া করে: সৌরভ গাঙ্গুলি

ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব ছাড়া নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ চলছে বিরাট কোহলির।

বিশেষ করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি (বিসিসিআই) সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে কোহলি বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

কোহলির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল এমনটা সৌরভ জানালেও কোহলির দাবি তার সঙ্গে সঙ্গে বোর্ডের পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেনি।

এমন পরিস্থিতিতে কোহলিকে নিয়ে অন্যরকম একটি মন্তব্য করলেন সৌরভ।

বললেন, ‘কোহলির অ্যাটিটিউড আমার ভাল লাগে, তবে ও বড্ড ঝগড়া করে।’

ক্রিকট্র্যাকার নামক একটি ওয়েবসাইট জানিয়েছে গুরুগ্রামে একটি অনুষ্ঠানে সৌরভকে প্রশ্ন করা হয়, কোন ভারতীয় ক্রিকেটারের অ্যাটিটিউড সব চেয়ে ভালো লাগে আপনার?

তখনই সৌরভ সহাস্যে এ জবাব দেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের পর পরই টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন কোহলি। তবে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছাড়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না কোহলি।

ভারতীয় মিডিয়ার খবর, ৫০ ওভারের ম্যাচের নেতৃত্ব ছেড়ে দিতে কোহলিকে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয় সৌরভের বোর্ড। কোহলি থেকে কোনো জবাব না মিললে ৪৯তম ঘণ্টায় তাকে সরিয়ে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক ঘোষণা করে বিসিসিআই।

বিষয়টিকে অধিনায়কত্ব থেকে কোহলিকে ‘বরখাস্ত’ করা হয়েছে বলে জানায় অনেক ভারতীয় গণমাধ্যম।

এদিকে সমান তিন টেস্ট ও ওয়ানডে খেলতে সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় উড়ে গেছে ভারতীয় দল।
সফরে যাওয়ার আগে সংবাদ বৈঠক করেন কোহলি।

এক দিনের ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব থেকে তাকে সরানো নিয়ে কোহলি বলেছিলেন, ‘টেস্ট দল নির্বাচনের ৯০ মিনিট আগে আমাকে ফোন করেন নির্বাচকরা। পাঁচ নির্বাচক আমাকে জানান আমি আর এক দিনের দলের অধিনায়ক থাকছি না। উত্তরে আমি বলি, ঠিক আছে।’

অথচ সৌরভ জানিয়েছিলেন, এ ব্যাপারে কোহলির সঙ্গে তার কথা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: নিউজ এইটিন

আম্পায়ারকে হত্যার হুমকি দিয়ে আজীবন নিষিদ্ধ নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার

সিদ্ধান্ত বিপক্ষে যাওয়ায় আম্পায়ারকে হত্যার হুমকি দিয়ে বসলেন নিউজিল্যান্ডের এক ক্রিকেটার।

এমন অভাবনীয় ও অপেশাদার আচরণের জন্য সেই ক্রিকেটারকে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশন।

নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যম স্টাফ জানিয়েছে, আজীবন নিষিদ্ধ হওয়া সেই কিউই ক্রিকেটারের নাম টিমোথি উইয়ার। নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে পরিচিত তিনি। গিসবর্নে ওবিআর ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলেন উইয়ার।

উইয়ার এই গুরুতর অপরাধটি করেন গত ৪ ডিসেম্বরে। হাইস্কুল ওল্ড বয়েস ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচের শেষে আম্পায়ারকে হত্যার হুমকি দেন উইয়ার। শারীরিক নির্যাতন করে মারবেন বলেও হুমকি দেন তিনি।

উইয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগটি তোলেন সেই আম্পায়ার। স্বাধীন বিচার বিভাগীয় প্যানেলের মাধ্যমে তদন্ত শুরু হয়। এতদিন ধরে তদন্ত করে এবং সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে উইয়ারের বিরুদ্ধে লেভেল-৪ ধারা ভাঙার প্রমাণ পেয়েছে প্যানেল।

উইয়ারও অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেননি। ফলে শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। লেভেল-৪ অপরাধে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয় প্যানেল। এর পর দা পোভার্টি বে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন তাকে আজীবন নিষিদ্ধ করে। অপরাধটি এতই গুরুতর যে আপিলের সুযোগ নেই উইয়ারের। শুধু উইয়ারাই নয়, শাস্তি পেয়েছে তার ক্লাবও। প্রতিযোগিতাটি থেকে ওবিআর ক্রিকেট ক্লাবের ৮ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ দুজন নিহতের ঘটনায় মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এরশাদুল হক ও তার সহযোগীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় নিহত এরশাদুলের নিহতের ছোট ভাই আক্তারুজ্জামানের করা মামলাটি নথিভুক্ত করে পুলিশ। ওই মামলায় এজহারনামীয় ১৫ জন এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নবীনগর থানা পুলিশের ওসি আমিনুর রশীদ জানান, রাতে মামলা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে নান্দুরা গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়াকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাদল সরকার (২৩) এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে চেয়ারম্যান প্রার্থী এরশাদুল হক (৩৫) মারা যান।

নিহত এরশাদুল হক নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছেলে এবং আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।

নিহত বাদল একই ইউনিয়নের নান্দুরা গ্রামের সন্তোষ সরকারের ছেলে।

রোদের দেখা মিললেও কমেনি শীত, দিনাজপুরে তাপমাত্রা ১২.৬

দিনাজপুরের হিলিসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে সকাল থেকে রোদের দেখা মিললেও কমছে না শীতের প্রকোপ।

রোববার সকাল ৬টায় দিনাজপুর জেলায় ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ৮৪ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ১০-১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানায় আবহাওয়া সূত্র।

এদিকে অতিরিক্ত শীতের কারণে বয়স্করা বেশি বিপাকে পড়েছেন।

হিলির আতিয়ার রহমান নামে একজন বৃদ্ধ জানান, দিন দিন হিলিতে শীতের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। আমরা বয়স্ক মানুষরা খুব সমস্যায় আছি। সকালবেলা ঘর থেকে বের হতে পারছি না।

দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, গত দুদিন থেকে দিনাজপুর জেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে শীতের প্রকোপ তেমনটা কমেনি।

দিনাজপুর জেলায় রোববার সকাল ৬টায় ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ৮৪ শতাংশ। ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ৩-৪ কিলোমিটার। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ১০-১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত উন্নতি হতে পারে বলে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওই কর্মকর্তা।

কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সম্পন্ন

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে শ্রম বাজার নিয়ে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সম্পন্ন হয়েছে।

মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান এবং বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ চুক্তিতে সই করেন।

রোববার (১৯ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুরে এ চুক্তি সই হয়। এ সময় উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, স্থানীয় সময় আজ ভোর ৫টায় মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে পৌঁছান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ।
মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার, শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম, শ্রম কাউন্সিলর (দ্বিতীয়) মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল এবং মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ ও কমিউনিটি নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ তিন বছর বন্ধ থাকার পর গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে অনুমোদন দেয় মালয়েশিয়া। সব সেক্টরে কর্মী নেওয়ার অনুমোদন দেয় দেশটির মন্ত্রী পরিষদ।

বিশেষ করে গৃহকর্মী, বাগান, কৃষি, উৎপাদন, পরিষেবা, খনি ও খনন এবং নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে দেশটি। চুক্তি সই সম্পন্ন হওয়ায় এসব খাতে বাংলাদেশি কর্মীরা দেশটিতে যেতে পারবে।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার চেষ্টা বারবার ব্যাহত করেছে ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি। তাদের তৈরি সিন্ডিকেট অবৈধভাবে এ বাজার দখলের চেষ্টায় ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এটি বন্ধ হয়ে যায়।

ওই সময় প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কমিটির বৈঠকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ করে দেয় দেশটি।

জানা গেছে, আগের চেয়ে এবারের সমঝোতা স্মারকে বেশকিছু বিষয়ে পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জিটুজি প্লাস পদ্ধতি উল্লেখ থাকছে না; যুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার রিক্রুটিং এজেন্সি; থাকছে কর্মীদের বাধ্যতামূলক বিমা; কর্মীদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা ও খরচ বহন করবে নিয়োগদাতা; চুক্তি মেয়াদে কর্মীদের দায়িত্ব নিতে হবে মালয়েশিয়ার রিক্রুটিং এজেন্সিকেও; বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত।