বৃহস্পতিবার ,৩০ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 743

মালয়েশিয়ায় ছয় মাসে ৯,২০০ অভিবাসী গ্রেফতার

মালয়েশিয়ায় ছয় মাসে ৯ হাজার ২০০ অভিবাসী গ্রেফতার করেছে অভিবাসন বিভাগ। সংশ্লিষ্ট বিভাগ বলছে, এ বছরের প্রথম থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী ১৩,১২৭ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাযাইমি দাউদ বলেছেন, এই সময়কালে ২,০১১টি অভিযানে ৫৩,১৯৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।

সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই সময়ে মোট ৯৯ জন নিয়োগকর্তাকে আটক করা হয়েছিল এবং নির্বাসিতদের মধ্যে ১০,৪১ জন পুরুষ, ২,২৬৬ জন মহিলা, ২৮৯ ছেলে এবং ১৪৪ জন মেয়ে।
বিভাগের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তিনি বলেছেন, ২১ ডিসেম্বর থেকে ৮ জুলাই বাস্তবায়িত পুনরুদ্ধার কর্মসূচির মাধ্যমে ৮০,৮৬৫ জনকে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

খায়রুল দাযাইমি জানান, সোমবার সকালে পেরাক সুনগাই পেটানির ইয়ারা পার্কে একটি নির্মাণ প্রকল্পে অভিযান চালিয়ে ৬৩ জন অভিবাসীকে আটক করা হয়। এর মধ্যে মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশি রয়েছেন।
অভিযানে আটককৃতরা সবাই অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩৩ এর ধারা (১) এবং একই আইনের ধারা ১৫ (১) এর অধীনে অপরাধ করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পর্তুগালে অনিয়মিত অভিবাসীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

পর্তুগালে অভিবাসীদের অধিকার আদায়ের সংগঠন সলিদারীদাদ ইমিগ্র্যান্টের উদ্যোগে এবং কাজা দো ব্রাজিল দে লিসবোয়া, অ্যাসোসিয়েশন অল্হো ভিবো, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের অনিয়মিত অভিবাসীদের দ্রুত নিয়মিত করার দাবিতে রোববার বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

রাজধানী লিসবনের প্রাসা দো কমার্সিয়ো প্রাঙ্গণে বিকাল ৪টায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শতাধিক বিক্ষোভকারী একত্র হন। বিক্ষোভকারীরা আর অপেক্ষা নয়, সকলের জন্য রেসিডেন্ট কার্ড ইত্যাদি স্লোগান মুখরিত করে রাখেন। তারা পর্তুগিজ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বর্তমান প্রচলিত নিয়মের প্রতি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন কেননা অনেকে এক থেকে দুই বছর যাবত অপেক্ষা করছেন অথচ কবে নাগাদ রেসিডেন্ট কার্ড পেতে পারেন তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে আয়োজকদের একজন মুখপাত্র জুলিয়েট ক্রিস্টিনা বলেন, বর্তমান মহামারির মাঝেও আমারা এই সমাবেশ করতে বাধ্য হচ্ছি, কারণ আমরা ক্লান্ত। আমরা শ্রমজীবী কোনো অপরাধী নই। আমরা সরকারকে ট্যাক্স প্রদান করি। সুতরাং আমাদের বিষয়টি খেয়াল করতে হবে। অ্যাপয়েনমেন্ট নেওয়ার জন্য আমাদের পক্ষে ২৪ ঘণ্টা অনলাইনে থাকা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, পর্তুগালে রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে প্রথমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে জমা করতে হয়। অতঃপর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিচার-বিবেচনা করে ইমেইলে অনুমোদন প্রদান করেন যা প্রায় বর্তমান সময়ে এক বছরের মতো লেগে যাচ্ছে কিন্তু সবচেয়ে অসন্তোষের বিষয় হচ্ছে ফাইল অনুমোদন এর পরেও পাওয়া যাচ্ছে না ইমিগ্রেশন এর অ্যাপোয়েন্টমেন্ট তথাপি উক্ত অ্যাপয়নমেন্ট নিয়ে রয়েছে এক ধরনের অনৈতিক অভিযোগও।
কেননা বছরে মাত্র তিন থেকে চারবার স্বল্প সময়ের জন্য অ্যাপয়েনমেন্ট খোলা হয়ে থাকে তাই নির্দিষ্ট সময় না জানার কারণে অনেকের পক্ষেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া সম্ভব হয় না।
বিক্ষোভকারীরা এ ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ক্রমান্বয়ে অতি দ্রুত সময়ে প্রয়োজনে অনলাইনের মাধ্যমে সকলের রেসিডেন্ট কার্ড প্রদানের আহ্বান জানান। দ্রুত সময়ে ফাইলের অনুমোদন এবং ইমেইল অনুমোদনের সময় থাকে নিয়মিত নাগরিক হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানান।
অবশ্যই ইতিমধ্যে পর্তুগিজ সরকারের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী এদোয়ার্দো কাব্রিতা ইতিপূর্বে আনা অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো ধরনের দুর্নীতির বিষয় থাকলে তার তদন্তের নির্দেশ দেন এবং স্বয়ংক্রিয় অ্যাপয়েন্টমেন্টের বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন। অপরদিকে বিভিন্ন অনিয়ম জটিলতার কারণে পর্তুগিজ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর জন্য ইতিমধ্যে পর্তুগিজ সংসদে অনুমোদন হয়েছে যা কার্যকর হলে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে স্থবিরতার অবসান ঘটবে।

ঈদুল আজহা ও কুরবানিতে যা করতেন বিশ্বনবি

ঈদুল আাজহার দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য খুশির দিন। আরাফার দিন মুমিন মুসলমানের জন্য মাগফেরাতের দিন। আল্লাহর দরবারে কুরবানি পেশ করার সৌভাগ্য এবং কবুল হওয়া কুরবানি থেকে মেহমানদারী অর্জন এই খুশির মূল কারণ। কুরবানির দিন খুশি ও আনন্দ উদযাপন করা সেই ইবাদতেরই পূর্ণাঙ্গতার স্বরূপ।

ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান ও বিশেষ ইবাদত ঈদুল আজহা ও কুরবানি। এটি মুসলিম উম্মাহর আত্মত্যাগ ও ঐক্যের প্রতীক। এ কুরবানি মুমিন বান্দাকে আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে ধাবিত করে।

উম্মতে মুসলিমাহ এ কুরবানিকে মিল্লাতে ইবরাহিমের অনন্য আদর্শ মনে করেই আদায় করে থাকে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের এ আদর্শ পালন করেছেন এবং পালন করতে বলেছেন। হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনা থেকেই তা প্রমাণিত।

ইসলামি শরিয়তে যে কোনো ইবাদতের ক্ষেত্রে ইখলাসের পাশাপাশি প্রধান লক্ষ্যণীয় বিষয় হল প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ। তাই ঈদুল আজহা ও কুরবানি আদায়ে বিশ্বনবির করণীয় আমাদের জন্য পালনীয়। মর্যাদার দিন ঈদুল আজহা ও কুরবানি কীভাবে আদায় করতেন তিনি?

ঈদুল আজহা ও কুরবানিতে বিশ্বনবির আদর্শ
১. ঈদুল আজহার দিনের সর্বপ্রথম আমল হলো ঈদের নামাজ আদায় করা। হাদিসে এসেছে-
হজরত বারা ইবনে আযেব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানির দিন আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। তাতে বললেন, আমাদের এই দিনের প্রথম কাজ ঈদের নামাজ আদায় করা। সুতরাং যে এভাবে করবে তার কাজ আমাদের তরিকা মতো হবে। আর যে আগেই জবেহ করেছে (তার কাজ তরিকা মতো হয়নি) অতএব তা পরিবারের জন্য প্রস্তুতকৃত গোশত, (আল্লাহর জন্য উৎসর্গিত) কুরবানি নয়।’ (বুখারি)

২. নামাজের পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানির পশু জবেহ করতেন। নিজের পশু নিজ হাতেও জবাই করতেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু এক দীর্ঘ হাদিসে বর্ণনা করেন, ‘অতঃপর নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানির স্থানে এলেন এবং নিজ হাতে তেষট্টিটি উট নহর করলেন।’ (মুসলিম)

৩. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে কুরবানি করতেন এবং কুরবানি করার সময় যা পড়তেন; তাও এসেছে হাদিসে-
হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুটি সাদা-কালো বর্ণের (বড় শিং বিশিষ্ট) নর দুম্বা কুরবানি করেছেন। আমি দেখেছি, তিনি দুম্বা দুইটির গর্দানে পা রেখে ‘বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার’ বললেন। অতঃপর নিজ হাতে জবেহ করলেন।’ (বুখারি)

হজরত জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানির দিন দুইটি সাদা-কালো, বড় শিং বিশিষ্ট, খাসি দুম্বা জবেহ করেছেন। তিনি যখন তাদের শায়িত করলেন তখন বললেন-
إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ عَلَى مِلَّةِ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ عَنْ مُحَمَّدٍ وَأُمَّتِهِ بِاسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَ
এরপর জবেহ করলেন।’ (আবু দাউদ)

৪. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ কুরবানির পাশাপাশি উম্মাহাতুল মুমিনীন; এমনকি নিজ উম্মতের পক্ষ থেকেও কুরবানি করেছেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানির জন্য একটি শিং বিশিষ্ট দুম্বা আনতে বললেন। যার পা কালো, পেটের চামড়া কালো এবং চোখ কালো। দুম্বা আনা হলে নবীজী বললেন, আয়েশা, আমাকে ছুরি দাও। এরপর বললেন, একটি পাথরে ঘষে ধারালো করে দাও। তিনি ধারালো করে দিলেন। এরপর তিনি ছুরি হাতে নিলেন এবং দুম্বাটিকে মাটিতে শোয়ালেন। এরপর বিসমিল্লাহ বলে জবাই করলেন এবং বললেন-
اللهم تقبل من محمد، وآل محمد، ومن أمة محمد
ইয়া আল্লাহ! মুহাম্মাদের পক্ষ থেকে, মুহাম্মাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এবং মুহাম্মাদের উম্মতের পক্ষ থেকে (এ কুরবানি) কবুল করুন।’ (মুসলিম)

অন্য বর্ণনায় হজরত আয়শা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরো বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে গরু দ্বারা কুরবানি করেছেন।’ (বুখারি)

৫. পরিবারবর্গসহ নিজে কুরবানির পশুর গোশত খেতেন এবং অন্যদেরকেও খাওয়ানো ও গোশত সাদকা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত আবু রাফে রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কুরবানি করতেন। তখন তার গোশত গরিবদেরকে খাওয়াতেন, পরিবারবর্গসহ নিজেও সেখান থেকে খেতেন।’ (বায়হাকি)

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, (কুরবানির গোশত) তোমরা নিজেরাও খাও, অন্যদেরকেও খাওয়াও…।’ (মুসলিম)

৬. অনেক সময় তিনি সাহাবাদের মাঝে সরাসরি কুরবানির পশুও বন্টন করতেন। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার নিজ সাহাবীদের মাঝে কুরবানির পশু বন্টন করলে হজরত উক্ববা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও সেখান থেকে একটি পেলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, তুমি এটা দিয়েই কুরবানি কর।’ (বুখারি)

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত, হাদিসের অনুসরণ ও অনুকরণে ঈদুল আজহা ও কুরবানি উদযাপন করা। বিশ্বনবির আদর্শ নিজেদের মধ্যে বাস্তবায়ন করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের অনুসরণ ও অনুকরণে বিশ্বনবির মতো ঈদুল আজহার নামাজ পড়ার এবং কুরবানির পশু জবাই ও অন্যান্য কাজগুলো যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

নামাজের সময়সূচি : ১৩ জুলাই ২০২১

আজ মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১ ইংরেজি, ২৯ আষাঢ় ১৪২৮ বাংলা, ০২ জিলহজ ১৪৪২ হিজরি। ঢাকা ও তার পাশ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-

> জোহর- ১২:০৮ মিনিট।

> আসর- ৪:৪৩ মিনিট।

> মাগরিব- ৬:৫৩ মিনিট।

> ইশা- ৮:১৮ মিনিট।

> ফজর (১৪ জুলাই)- ৩:৫৪ মিনিট।

জাতির কল্যাণে আরও কিছুদিন তার বেঁচে থাকা প্রয়োজন ছিল

দেখতে দেখতে একটি বছর চলে গেল। এই এক বছরে অনেক আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং দেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ীসহ অনেককে হারিয়েছি। তাদের মধ্যে অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম ভাই। দেশ ও জাতির কল্যাণে নুরুল ইসলামের আরও কিছুদিন বেঁচে থাকাটা বড়ই প্রয়োজন ছিল।

তার সঙ্গে আমার পরিচয় তিন দশক আগে। ’৮০-র দশকে নাটোরের সুগার মিলের পাশে যমুনা ডিস্টিলারি লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় ঢাকা থেকে নাটোরের যোগাযোগ ব্যবস্থা এত উন্নত ছিল না, তাই তিনি নাটোরে খুব কমই যেতেন। কিন্তু তার পরিবারের যারা এ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের মাধ্যমেই নুরুল ইসলাম ভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রথম যোগাযোগ বা পরিচয়। আমি সে সময় স্থানীয়ভাবে জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে ছিলাম। ওই সময়ে এরশাদের সামরিক শাসনবিরোধী জোরদার আন্দোলন চলমান ছিল।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের অংশ হিসেবে বড় সভা-সমাবেশ উপলক্ষ্যে জাতীয় নেতারা নাটোর সফরে গেলে বা বিশেষ করে বড় কোনো অনুষ্ঠান হলে নুরুল ইসলাম ভাইকে আমরা জানাতাম, ঢাকার মতিঝিলে সেনাকল্যাণ ভবনে তার সেই অফিসে দেখা করতে বলতেন। আর কেন জানি নাটোর থেকে সুদূর ঢাকায় পাড়ি দিয়ে এই দেখা করার দায়িত্বটা পড়ত আমার ওপর। যখনই দেখা করতে তার অফিসে যেতাম, প্রায়ই দুপুরে তার সঙ্গে খাবার খেতে হতো।

জেলা শহরের একজন ছাত্রনেতার প্রতি এত সহমর্মিতা এবং সম্মান আমাকে বিমুগ্ধ করত। তিনি এত অর্থবিত্তের মালিক হওয়া সত্ত্বেও মোটা চালের ভাত খেতেন। আমি কৌতূহলী হয়ে একদিন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ভাই আপনি মোটা চালের ভাত খান? তখন উনি হেসে উত্তর দিয়েছিলেন যে, দেশের বেশির ভাগ মানুষই তো মোটা চালের ভাত খায়, দেশের বেশির ভাগ মানুষের যখন সরু চালের ভাত খাওয়ার সামর্থ্য হবে তখন না হয় আমিও খাব।

আর আমি তো সপ্তাহে একদিন বিভিন্ন প্রজেক্টে শ্রমিকদের সঙ্গে বসে দুপুরের খাবার খাই, মোটা চালের ভাতে অভ্যস্ত থাকার কারণে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে আমাকে খাবারের অভিনয় করতে হয় না, আমি এনজয় করি, শ্রমিকরাও খুশি হয়, আনন্দ পায়, এটা কম কী? আমি সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম যে, সাধারণভাবে জীবনযাপনের অন্তর্নিহিত দর্শনের গভীরতা কত সুদূরপ্রসারী।

এক সময় আমাদের সম্পর্কটা কাছাকাছি চলে আসে, ঘুচে যায় সামাজিকতার দূরত্ব, বয়সের ব্যবধান। কী অবলীলায় তিনি আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার আসনে সমাসীন হয়ে যান, আমি বুঝতেও পারিনি। পড়ন্ত বিকালে অফিসে কাজের চাপ কমে এলে অনেক গল্পই করতেন। নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের গল্প, স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের স্বদেশ, নিজের জীবনযুদ্ধের চড়াই-উতরাই, পরিবারে একজন দায়িত্ববান স্বামী, স্নেহ-ভালোবাসায় আপ্লুত একজন পিতার গল্প, আরও কত কী।

নুরুল ইসলাম ভাইয়ের সঙ্গে যখন তার স্ত্রী সালমা ইসলামের বিবাহ হয় তখন ভাবি ছিলেন এইচএসসি অধ্যয়নরত একজন মেয়ে, নুরুল ইসলাম ভাইয়ের উৎসাহে তিনি এমএ পাশ করেন, এলএলবি পাশ করে সুপ্রিমকোর্টের একজন স্বনামধন্য আইনজীবী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যন্ত হন। তার একমাত্র ছেলে শামীম ইসলামকে এইচএসসি পর্যন্ত ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা করিয়ে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে দেন।

শামীম ইসলাম লন্ডনে ছয় বছর পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে আসেন। তার তিন কন্যা সারীয়াত তাসরীন সোনিয়া, মনিকা নাজনীন ইসলাম ও সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। এই মহান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ভাই ও তার স্ত্রী সালমা ইসলাম তাদের পুত্র-কন্যাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত সন্তান এবং সুযোগ্য উত্তরাধিকার বিনির্মাণের কাজটি অত্যন্ত সুনিপুণ হাতে সম্পন্ন করে দায়িত্বশীল পিতামাতার এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

১৯৭৪ থেকে ২০২০ সাল-মাত্র ৪৬ বছরে তিনি ৪১টি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন শিল্পপতি হিসাবে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। তিনি কোনো ব্যাংকের টাকা মেরে দেননি, কোনো ব্যাংকে তার এক টাকাও খেলাপি ঋণ ছিল না। একজন দেশপ্রেমিক ব্যবসায়ী হিসাবে তার সব অর্থ, মেধা ও পরিশ্রম দেশেই বিনিয়োগ করেছেন। তিনি খেলাপি ঋণ এবং বিদেশে টাকা পাচারের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার ছিলেন।

এক সময় যমুনা গ্রুপের অ্যারোমেটিক কসমেটিক্স খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। আমার অনুরোধে নুরুল ইসলাম ভাই অ্যারোমেটিক কসমেটিক্সে আমার পরিচিত অনেকেরই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন, যারা এখন বর্তমানে অনেক ভালো ভালো জায়গায় অবস্থান করছেন। একদিন কথায় কথায় নুরুল ইসলাম ভাই বলেছিলেন যে, উনি একটি পত্রিকা বের করতে চান। ওই সময় একটি পত্রিকার কর্তৃপক্ষের অসৌজন্যমূলক ব্যবহারে কষ্ট পেয়ে বর্তমান জনপ্রিয় পত্রিকা যুগান্তর প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সে সময় কোনো একদিন বর্তমান যুগান্তর পত্রিকার জনপ্রিয় সম্পাদক সাইফুল আলম ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। সাইফুল আলম ভাই তখন ইনকিলাব পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন।

বর্তমানে নুরুল ইসলাম ভাইয়ের প্রতিষ্ঠিত দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশন দেশে বিভিন্ন সামাজিক বৈষম্য বিলোপ এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের সপক্ষে উচ্চকিত কণ্ঠে সাহসী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণ এবং বিদেশে টাকা পাচারের বিরুদ্ধে তার দৃঢ় অবস্থানের কারণে এ দুটি গণমাধ্যম খেলাপি ঋণ ও টাকা পাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সংবাদ প্রচার করে থাকে।

তিনি অতীতকে ভিত্তি করে অপূর্ব সুন্দর করে ভবিষ্যতের স্বপ্ন রচনা করতে পারতেন। আমি দেখেছি ওই সময় তার অফিসের ওয়েটিং রুমে অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতেন, তার সঙ্গে একটু খোশগল্প করার জন্য মুখিয়ে থাকতেন। যারা পরবর্তী সময়ে এমপি হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন এবং এখনো তাদের বেশির ভাগই জীবিত আছেন।

পরবর্তীকালে আমিও এমপি, মন্ত্রী হয়েছি। এ সময়ে অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনা ঘটেছে কিন্তু নুরুল ইসলাম ভাইয়ের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক অক্ষুণ্ন ছিল। গত ৩৫ বছর আমি তাকে অনেক কাছ থেকে দেখেছি। ভালো কিংবা খারাপ সময় আমি যেমন তার পাশে ছিলাম, ঠিক তিনিও সব সময় আমার পাশে ছিলেন।

গুলশানে পাশাপাশি বাসা হওয়ার সুবাদে প্রায়ই তার সঙ্গে গুলশান লেডিস পার্কে একসঙ্গে হেঁটেছি, জাতীয়ভাবে পালিত বিভিন্ন উৎসবে, পার্বণে, দিবসে একসঙ্গে অনুষ্ঠান করেছি। আমার দেখা তার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল, তিনি সব সময় সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলতে চেষ্টা করতেন। কিন্তু সত্য কথাটা স্পষ্টভাবে বলতেন। এজন্য অনেক সময় তাকে চড়া দামে অনেক মূল্য পরিশোধ করতে হয়েছে। তবে তাকে কখনো ভেঙে পড়তে বা সত্য ও ন্যায়ের প্রশ্নে বিচ্যুতির মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করতে দেখিনি।

তার জনকল্যাণমূলক ব্যবসা চিন্তা ও অর্ধলক্ষাধিক লোকের জন্য কর্মসংস্থান তৈরির মধ্য দিয়ে দেশ এবং জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর যখন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তখনো আমার সঙ্গে ফোনে তার নিয়মিত কথা হতো। স্বাস্থ্যগত অবস্থার অবনতি ঘটলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীকালে তার একমাত্র ছেলে শামীম ইসলামের সঙ্গে নিয়মিত কথা হতো, তখন উনি তার বাবার স্বাস্থ্যের উন্নতির কথাই বলতেন কিন্তু হঠাৎ একদিন টেলিভিশনে নুরুল ইসলাম ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ দেখলাম।

প্রবাদ আছে, পৃথিবীতে কিছু কিছু মৃত্যু নাকি পাহাড়ের মতো ভারী, আর কিছু কিছু মৃত্যু নাকি পালকের চেয়ে হালকা হয়, আমার কাছে নুরুল ইসলাম ভাইয়ের মৃত্যু পাহাড়ের মতো ভারী মনে হয়েছিল। তার এই অসময়ে চলে যাওয়াটা আমাদের জাতীয় জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াল। যার কাছে স্বপ্ন বাস্তব হয়ে ধরা দিত তার শূন্যতা এত সহজে পূরণ হওয়ার নয়। বাংলাদেশের অর্থনীতি তথা জনকল্যাণে তার অবদান এ দেশের মানুষ কখনো ভুলতে পারবে না।

তার সুযোগ্য উত্তরাধিকার যমুনা গ্রুপের বর্তমান এমডি শামীম ইসলাম হয়তো তার পিতার দেখানো পথ এবং ঐতিহ্যকে ধারণ করবেন। নতুন প্রজন্মের প্রাগ্রসর চিন্তার মাধ্যমে নেতৃত্ব প্রদান করে যমুনা গ্রুপকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তাহলেই নুরুল ইসলাম ভাইয়ের স্বপ্ন সার্থক হবে। প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার আত্মার মাগফিরাত এবং সেই সঙ্গে তার স্বপ্নের যমুনা গ্রুপের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি।

বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার প্রতিবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয়

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) থেকে প্রকাশিত মানবাধিকার প্রতিবেদনে উল্লেখিত বাংলাদেশ সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি ইস্যু নিয়ে যা বলা হয়েছে, তা ঢাকা ‘গ্রহণ’ করেনি। কারণ ওগুলো ‘তথ্যভিত্তিক’ নয়।’ খবর : বাসস।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ‘গৃহবন্দি’ রয়েছেন এমন উল্লেখ করে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি ওই প্রতিবেদনটি তথ্যভিত্তিক হতো, তবে তা আমাদের জন্য সহায়ক হতো। কিন্তু যেহেতু এটি ভুয়া, তখন এটি উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে হতে পারে, এটি ভালো নয়।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি রিপোর্ট-২০২০ -এর বাংলাদেশ অধ্যায়ে উল্লেখিত ইস্যুগুলো সম্পর্কে অসন্তোষ ব্যক্ত করতে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেলকে তলব করার একদিন পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করলেন।

ব্রিটিশ দূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, (খালেদা জিয়া) তার বাড়িতে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং বিদেশে ভ্রমণ করতে পারবেন না, এই শর্তে সরকার ২০২০ সালের মার্চ মাসে তার সাজা স্থগিত করে তাকে ‘মুক্তি’ দেয়।

তলবের বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, ব্রিটিশ ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন যে, তিনি ঢাকার এই অসন্তোষের কথা তার সরকারকে জানাবেন। তিনি এ ব্যাপারেও সম্মত হয়েছেন, যে কোনো মানবাধিকার প্রতিবেদন তথ্যভিত্তিক হওয়া উচিৎ।

ঢাকা এই বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রতিবেদনে উল্লেখিত বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা সরকারি নথি বা প্রতিবেদনে উল্লেখ করার ক্ষেত্রে তথ্যের প্রামাণ্য সূত্রের ব্যবহারের গুরুত্বের ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন।

এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি দিচ্ছে স্কয়ার টয়লেট্রিজ

স্কয়ার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডে (এসটিএল) ‘এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড
বিভাগের নাম: প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমএসসি ইন কেমেস্ট্রি/অ্যাপ্লায়েড কেমেস্ট্রি
অভিজ্ঞতা: ০১-০২ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ৩০ বছর
কর্মস্থল: পাবনা ও নারায়ণগঞ্জ

আবেদনের শেষ সময়: ২৪ জুলাই ২০২১

 

সেলসে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে রূপায়ন গ্রুপ

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, সেলস’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: রূপায়ন গ্রুপ
বিভাগের নাম: রূপায়ন সিটি উত্তরা

পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, সেলস
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০৫-০৭ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৮-৪০ বছর
কর্মস্থল: উত্তরা, ঢাকা

আবেদনের শেষ সময়: ৩১ জুলাই ২০২১

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকছে না আজ

জরুরি শাটডাউনের কারণে রাজধানীর মিরপুরের বেশ কয়েকটি এলাকায় মঙ্গলবার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে মিরপুরের ক্যান্টনমেন্ট, ডিওএইচএস, ১০, ১১, ১২ ‌ও ১০ নম্বর থেকে ১৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কের পূর্ব পাশের এলাকায়।

মঙ্গলবার তিতাস থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।

এতে আরও বলা হয়, জরুরি শাটডাউনের কারণে মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ৮টা ঘণ্টা এই সব এলাকার সব ধরনের গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

একইসঙ্গে আশেপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।

তনিমা হামিদ লড়ছেন নতুন পরিকল্পনায়

এক সময়ের জনপ্রিয় নাট্যাভিনেত্রী তনিমা হামিদ টিভি নাটকে এখন আর নিয়মিত অভিনয় করছেন না। তবে মঞ্চ নাটকে গত বছর থেকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।

করোনাকালে মিডিয়ায় কোনো কাজই করেন নি। তবে সম্প্রতি মাছরাঙা টিভির রান্নাবিষয়ক একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবারও উপস্থাপনায় ফিরেছেন। অনুষ্ঠানটির নাম ‘নানা স্বাদে রাঁধুনি’।
রিয়াদ শিমুলের গ্রন্থনায় এটি প্রযোজনা করেছেন মনিরুজ্জামান খান। এই অনুষ্ঠানের দুইটি সিজন শেষ করেছেন সফলতার সঙ্গে। তৃতীয় সিজনের শুটিং শুরুর কথা ছিল ১০ জুলাই। কিন্তু করোনার কারণে সেটির শুটিং সিডিউল পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

তবে গত মাস থেকে তিনি নতুন একটি কাজ শুরু করেছেন। তাদের নিজেদের এনজিওর মাধ্যমে সমাজের দুঃস্থ মহিলাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছেন। এনজিওটির নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তনিমা হামিদ।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ আমাদের নিজেদের এনজিওর মাধ্যমে দুঃস্থ নারীদের উন্নয়ন কাজ শুরু করেছি। এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ইচ্ছা আছে।’ শুধু মহিলাদেরই নয় দরিদ্র পরিবারের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত করার কাজটিও করছেন এই অভিনেত্রী। অন্যদিকে গত বছর থেকে আবারও মঞ্চ নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।

নাট্যচক্রের ব্যানারে গত বছর থেকে একক অভিনীত নাটক ‘ একা এক নারী’তে তিনি অভিনয় করছেন। দেবু প্রসাদ দেবনাথের নির্দেশনায় এরইমধ্যে নাটকটির ২৪টি প্রদর্শনী হয়েছে। নাট্যমঞ্চ খুললেই আবারও এটি নিয়ে মঞ্চ মাতাবেন এ অভিনেত্রী। পাশাপাশি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন তনিমা হামিদ।

122
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttontwitter sharing buttonpinterest sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button