মঙ্গলবার ,২৮ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 717

২৮ বছর বিদেশে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না মঞ্জুর

নরসিংদীর শিবপুরে ২৮ বছর যাবত পলাতক ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। নরসিংদী জেলার শিবপুর সৈয়দের খোলা এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মাহামুদুল হাসান মঞ্জু (৫৩) সৈয়দের খোলা এলাকা মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে। রোববার বিকেলে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন র্যা।ব-১১ এর নরসিংদী শাখার ক্যাম্প কমান্ডার ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌহিদুল মবিন খান।

র‌্যাব-১১ নরসিংদী শাখার ক্যাম্প কমান্ডার ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌহিদুল মবিন খান প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মাহামুদুল হাসান মঞ্জু দীর্ঘ ২৮ বছর আগে একজন কুখ্যাত ডাকাত ছিল। তৎকালীন সময়ে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণেরও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে জানা যায়।

তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানায় একটি ডাকাতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়মিত ডাকাতি মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় ১৯৯২ সালে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত। সাজা পরোয়ানা জারির পর সে দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে যায়। দীর্ঘ ২৮ বছর বিদেশে আত্মগোপনে থাকেন।

২০০৩ সালে সে দেশে এসেছিল এবং প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে দ্বিতীয় বিয়ে করে আবার বিদেশে পালিয়ে যায়। ইতোমধ্যে বিচারিক আদালতে পলাতক অবস্থায় দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করা হয়।

যেহেতু এটি ২৮ বছরের পুরাতন পরোয়ানা ছিল এবং সে পলাতক ছিল, সে কারণে তাকে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা প্রায় অনিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ ফিরে আসার তথ্য পাওয়ার পর র‌্যাব-১১, নরসিংদী দীর্ঘদিনের অপেক্ষমাণ সাজা ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করে তাকে খুঁজতে শুরু করে।

এরই মধ্যে গত ৬ মাস পূর্বে সে দেশে ফিরেছে। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পর গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওই আসামির অবস্থান নিশ্চিত হয় র‌্যাব-১১। এর পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-১১ এর একটি দল রোববার ভোরে নরসিংদী জেলার শিবপুর সৈয়দের খোলা এলাকা হতে আসামি মাহামুদুল হাসান মঞ্জুকে গ্রেফতার করে।

কাবুলে মসজিদের প্রবেশপথে বিস্ফোরণে নিহত ২

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি মসজিদের প্রবেশপথে এক বিস্ফোরণে দুজন নিহত হয়েছেন বলে তালেবানের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বিস্ফোরণে অনেকে আহতও হয়েছেন বলে জানা গেছে।

কাবুলের ঈদগাহ মসজিদের প্রবেশপথের কাছে রোববার বিস্ফোরণ ঘটেছে। তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের মায়ের জন্য আয়োজিত স্মরণসভায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে ওই প্রতিবেদনে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কারি সায়েদ খোস্তি জানান, বিস্ফোরণে প্রাথমিকভাবে দুজন নিহত ও তিন জন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। হতাহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে জানিয়েছেন তিনি।

তালেবানের মুখপাত্র বিলাল করিমি জানান, হতাহতরা সবাই মসজিদের বাইরে প্রবেশপথের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে মসজিদের পার্শ্ববর্তী এক দোকানের মালিক আব্দুল্লাহ জানান, ঈদগাহ মসজিদের কাছে বিস্ফোরণের শব্দের পাশাপাশি তিনি গুলিও শব্দও শুনেছেন।

বিস্ফোরণের পর হতাহতদের শাহর-ই নাও এলাকার একটি হাসপাতালের নিতে দেখা গেছে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টুইটারে চারজনকে চিকিৎসা দেওয়ার বিয়ষটি নিশ্চিত করেছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

‘জায়গাটা ছোট্ট, কিন্তু তার বৃত্তটা অনেক বড়

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তার নেতৃত্বে ভূমিধস জয় পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু নন্দীগ্রামে নিজের আসনে হেরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও ওই নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। ওই আসনের ফলাফল নিয়ে বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। যাইহোক, শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখতে যেকোনো একটি আসনে উপনির্বাচনে জিততেই হবে মমতাকে।

এ নির্বাচনে হেরে গেলে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতে হতো। তাই তৃণমূলের দুর্গ হিসেবে পরিচিত ভবানীপুর ছিল সবার কৌতুহলের জায়গা। শেষ পর্যন্ত মমতার রেকর্ড জয় হলো।

রোববার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কালীঘাটের বাসভবন থেকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে উচ্ছ্বসিত মমতা বলেন, কোনও ওয়ার্ডে আমরা হারিনি। এই প্রথম এটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। ২০১৬ সালে যখন লড়েছি তখন একটা দুটো ওয়ার্ডে ভোট কম পেয়েছিলাম। কিন্তু এবার সব ওয়ার্ডে জিতেছে দল। জায়গাটা ছোট্ট, কিন্তু তার বৃত্তটা অনেক বড়। আজ মন ভরে গিয়েছে, ভবানীপুরের মানুষ দেখিয়ে দিল। সারা বাংলা ভবানীপুরের দিকে তাকিয়ে ছিল।

মমতা বলেন, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। ভবানীপুরে মা-ভাই-বোন, সকল সহকর্মী এবং সারা বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সারা বাংলা খুব আঘাত পেয়েছিল যখন সব ভোটে জিতেও একটায় জিততে পারিনি। সেটা নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। সেটা নিয়ে এখন কিছু বলছি না। অনেক চক্রান্ত চলেছিল। সব চক্রান্ত জব্দ করে দিয়েছে বাংলার মানুষ, ভবানীপুরের মানুষ। ভবানীপুরের মানুষের কাছে আমি চিরঋণী।’

সূচকের উত্থানে শেষ হলো পুঁজিবাজারে লেনদেন

সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে আজকের শেয়ারবাজারের লেনদেন। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক বেড়েছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা যায় এসব তথ্য।

এদিন ২৭ পয়েন্ট বেড়ে ডিএসইর ডিএসইএক্স সূচক অবস্থান করছে ৭ হাজার ৩৫৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ৩১ পয়েন্ট বেড়ে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে অবস্থান করছে ২৭৪১ পয়েন্ট ও ১৫৯৩ পয়েন্টে।

এ ছাড়া দিনটিতে লেনদেন হওয়া ৩৭৬টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ারের দাম বেড়েছে ১০৯ কোম্পানির এবং কমেছে ২১৬ কোম্পানির। এ ছাড়া দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টি কোম্পানির শেয়ারের।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বেড়েছে সূচক। সিএএসপিআই সূচক ১৩৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২১ হাজার ৫১০ পয়েন্টে।

টানা কমছে রেমিটেন্স

দেশে রেমিটেন্স (প্রবাসী আয়) আসা ধারাবাহিকভাবে কমছে।গেল সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১৭২ কোটি ডলার রেমিটেন্স এসেছে।যেটি গত ১৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।এর আগে ২০২০ সালের মে মাসে সর্বনিম্ন ১৫০ কোটি ডলার রেমিটেন্স এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে প্রবাসী আয়ের এই করুণ চিত্র।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৭২ কোটি ৬৩ লাখ ডলার (১.৭২ বিলিয়ন) রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা ধরে) ১৪ হাজার ৭৫৯ কোটি টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় রেমিটেন্স কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয়ের অংক ছিল ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলার।

এদিকে গত তিন মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে রেমিটেন্স। এর আগে গত আগস্ট মাসে দেশে রেমিটেন্স এসেছিল ১৮১ কোটি ডলার। যা তার আগের মাস জুলাইয়ের চেয়ে ৬ কোটি ১৪ লাখ ডলার কম। এছাড়া আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ কোটি ৩৮ লাখ বা প্রায় ৮ শতাংশ কম।

এর আগে চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশে ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ডলার রেমিটেন্স আসে। যা তার আগের মাস জুনের চেয়ে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ডলার কম। এ ছাড়া আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২৮ শতাংশ কম।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে আরও ২ টাকা যোগ করে ১০২ টাকা পাচ্ছেন সুবিধাভোগী। এছাড়া ঈদ ও উৎসবে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সকারের প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি আরও এক শতাংশ দেওয়ার অফার দিয়ে আসছে। এতে করে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহী হয়ে উঠেন প্রবাসীরা। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে আবার নেতিবাচক ধারায় নেমে আসে রেমিটেন্স।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, গত বছরের শুরুতে মহামরি করোনার কারণে প্রবাসীরা এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে তাদের জমানো টাকা দেশে পাঠিয়েছিলেন। অনেকে চাকরি হারিয়ে কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে সব অর্থ দেশে এনেছেন। এ ছাড়া গত বছরের শুরুতে করোনার স্থবিরতার কারণে হুন্ডি প্রবণতা কমে যায়। ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠানো অর্থের অংক বেড়ে যায়। এসব কারণে মহামারির মধ্যেও রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছিল। এখন অনেকে দেশে এসে আটকা পড়েছেন। আবার অনেক প্রবাসী নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে দেশে রেমিটেন্স পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন। হুন্ডিও আবার বাড়ছে। এসব কারণে রেমিটেন্স নেতিবাচক ধারায় রয়েছে।

আন্দোলনে সব স্তরের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান

দলকে তৃণমূল পর্যায়ে অধিকতর শক্তিশালী করে দুঃশাসনের কবল থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে নেতাকর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে সব স্তরের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

রোববার ময়মনসিংহ বিভাগীয় জেলা ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠন বিষয়ে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

স্থানীয় এক হোটেলে বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ দক্ষিণ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা এবং ময়মনসিংহ মহানগর নেতাদের সঙ্গে দলের সাংগঠনিক পুনর্গঠনের অগ্রগতি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় হয়।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম, ওয়ারেস আলী মামুন, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ড. মাহবুবুর রহমান লিটন, যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু, আলমগীর মাহমুদ আলম, ফখর উদ্দিন বাচ্চু, আখতারুল আলম ফারুক, ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা, মাহবুবুল আলম, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ, নেত্রকোনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আনোয়ারুল হক, সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুল হক, মনিরুজ্জামান দুদু, মির্জা ফারহানা রহমান হোসনা, লিটন আকন্দ, শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল (ভার্চুয়াল সংযুক্ত), সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক ফরহাদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশীদ পলাশ, আবু রায়হান রুপম, আকরামুজ্জামান রাহাত, জামালপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল হক খান দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান আহমেদ খান লিটন, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লায়লা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাইল মিয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মতবিনিময় সভায় জেলা ও মহানগর নেতারা নিজ নিজ ইউনিটের সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলা, পৌর, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ইউনিটের সম্মেলন সমাপ্ত করার আহ্বান জানানো হয় সভায়।

এছাড়াও ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, আহমেদ তাইয়্যেবুর রহমান হিরন কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।অ্যাডভোকেট নুরুল হকের নেতৃত্বে আইনজীবী ফোরামের নেতারাও সাক্ষাৎ করেন।

আ.লীগের শোকজ নোটিশ, যা বললেন মেয়র জাহাঙ্গীর

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

শোকজ নোটিশে দলীয় ‘স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- তা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে জানাতে বলা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চত করেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের স্বাক্ষরে রোববার এই নোটিশ জাহাঙ্গীর আলমকে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে রোববার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার কথা জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একটি মহল ছাত্রজীবন থেকেই আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে আসছে। তারা নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এখন একটি এডিটেড বক্তব্য প্রকাশ করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে।

মেয়র বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশে আমার কাছে সত্য ঘটনা জানতে চাওয়া হয়েছে। আমি যথা সময়ে সত্য ঘটনা জানিয়ে নোটিশের জবাব দেব।

রোহিঙ্গা নেতা হত্যায় বিদেশি সংস্থার সম্পৃক্ততা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যায় কোনো বিদেশি সংস্থার সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, আমরা সবকিছু তদন্তের মাধ্যমে বের করে জানাব। কারা এ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রয়াস পাচ্ছে এবং কোনো বিদেশি সংস্থা এর সঙ্গে জড়িত আছে কি না, সবই আমরা তদন্ত করে দেখছি।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শারদীয় দুর্গোৎসবের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। আমরা অনেক কিছুই সন্দেহ করছি। তদন্তের পরই আপনাদেরকে জানাব।

তাহলে এটি (মুহিবুল্লাহ হত্যা) বিচ্ছিন্ন ঘটনা কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিকে বিচ্ছিন্ন বলুন, কিংবা উদ্দেশ্যমূলক বলুন, যাই হোক, আমরা তা বের করব।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে রয়েছে। এ ধরনের মারামারি আপনারা আগেও দেখেছেন। আপনারা দেখেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আগেও মিয়ানমার থেকে বিভিন্নভাবে অস্ত্র এসেছে। এ অস্ত্র নিয়ে এবং আধিপত্য বিস্তার করার জন্য বিভিন্ন গ্রুপে মারামারি দেখা গেছে।

খুন হওয়া আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই নেতা মায়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবসময় সোচ্চার ছিলেন। আমরা মনে করি ঘটনাটি তদন্ত করে এর মূল কারণ বের করতে হবে এবং আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি। তাকে যারা হত্যা করেছে বলে আমরা মনে করছি, আমরা তাদের শিগগিরই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারব। আমাদের তদন্ত, সবকিছুই খুব দ্রুত চলছে।

‘অস্থিরতা’ তৈরির জন্য মিয়ানমার থেকে ‘বিভিন্নভাবে অস্ত্র আসছে’

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিতে কোনো বিদেশি শক্তি জড়িত কি না- তা তদন্ত করা হচ্ছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ‘অস্থিরতা’ তৈরির চেষ্টায় মিয়ানমার থেকে বিভিন্নভাবে অস্ত্র আসছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শারদীয় দুর্গোৎসবের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা সবকিছু তদন্তের মাধ্যমে বের করে আপনাদের জানাব।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে নেতাকে হত্যা করা হয়েছে তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরাতে সোচ্চার ছিলেন। আমরা তদন্ত করে এর আসল কারণ বের করতে কাজ করছি। যারা হত্যা করেছে বলে মনে করছি, শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ সংগঠনের কার্যালয়ে অবস্থানকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ। এ ঘটনায় পরদিন রাতে উখিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়। যার বাদী নিহত মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিব উল্লাহ।

১ অক্টোবর দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-৬ থেকে মুহিবুল্লাহ হত্যায় জড়িত সন্দেহে মোহম্মদ সেলিম (৩৩) (প্রকাশ লম্বা সেলিম) নামের একজনকে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গ্রেফতার করে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করে। ২ অক্টোবর ভোররাতে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জিয়াউর রহমান ও আব্দুস সালাম নামের আরও দুইজনকে গ্রেফতার করে ১৪ এপিবিএন। ৩ অক্টোবর দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে-৫ এ অভিযান চালিয়ে মো. ইলিয়াস (৩৫) নামের আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট পরিমাণেই আছে। পরিস্থিতিও যথেষ্ট ভালো। আপনারা দেখেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার থেকে বিভিন্নভাবে অস্ত্র আসছে। এই অস্ত্র দিয়ে বিভিন্ন গ্রুপে মারামারিও আপনারা দেখেছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শিথিল হয়নি। এর চতুর্দিকে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ চলছে, এটা কিছুদিনের মধ্যে শেষ হবে। সেখানে আমরা ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করছি। সেটা শিগগিরই শেষ হবে। বিশাল জনগোষ্ঠীকে মেইনটেইন করা সহজ কাজ নয়।

শ্রীলংকা দলের নতুন দায়িত্বে জয়াবর্ধনে

ভারতীয় দলে যোগ দিলেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। অবশ্যই খেলোয়াড় হয়ে নয়; কোহলিদের পরামর্শক হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে উড়ে যাবেন ধোনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যান ইন ব্লুদের পরামর্শক তিনি।
ভারতীয় বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত মনে ধরেছে শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি)। তারাও তাদের সাবেক অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনেকে মেন্টর হিসেবে দলে টানলেন।
শুক্রবার এসএলসির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানকে আপাতত বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের জন্য দলের পরামর্শক করে নিয়ে যাচ্ছে শ্রীলংকা।
এ মুহূর্তে আরব আমিরাতেই আছেন জয়াবর্ধনে। আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের কোচ তিনি। আইপিএল শেষে যোগ দেবেন শ্রীলংকা দলের সঙ্গে। অর্থাৎ শ্রীলংকা দলের জৈব সুরক্ষাবলয়ে ঢুকতে তাকে কোনো বাড়তি কোয়ারেন্টিন করতে হবে না।
অবশ্য জয়াবর্ধনে কেবল শ্রীলংকার বিশ্বকাপ দলের পরামর্শকের দায়িত্ব-ই পাননি। শ্রীলংকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলেরও পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন জয়াবর্ধনে – সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে লঙ্কান বোর্ড।
এদিকে জয়াবর্ধনেকে পেয়ে খুশি এসএলসির প্রধান নির্বাহী অ্যাশলি ডি সিলভা।
এক বিবৃতিতে ডি সিলভা বলেছেন, ‘মাহেলাকে নতুন এই দায়িত্বগুলোয় পেয়ে আমরা খুব খুশি। শ্রীলংকার জাতীয় ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে তার উপস্থিতি খেলোয়াড়দের অনেক কাজে আসবে। তার অগাধ জ্ঞানকে মাঠে কাজে লাগাতে পারব আমরা। মাহেলার দক্ষতা সব সময় প্রশংসনীয় ছিল। প্রথমে খেলোয়াড় হিসেবে, তারপর অধিনায়ক হিসেবে, আর এখন বিভিন্ন দলের কোচ হিসেবে। ’
তথ্যসূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো