ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তার নেতৃত্বে ভূমিধস জয় পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু নন্দীগ্রামে নিজের আসনে হেরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও ওই নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। ওই আসনের ফলাফল নিয়ে বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। যাইহোক, শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখতে যেকোনো একটি আসনে উপনির্বাচনে জিততেই হবে মমতাকে।
এ নির্বাচনে হেরে গেলে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতে হতো। তাই তৃণমূলের দুর্গ হিসেবে পরিচিত ভবানীপুর ছিল সবার কৌতুহলের জায়গা। শেষ পর্যন্ত মমতার রেকর্ড জয় হলো।
রোববার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কালীঘাটের বাসভবন থেকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে উচ্ছ্বসিত মমতা বলেন, কোনও ওয়ার্ডে আমরা হারিনি। এই প্রথম এটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। ২০১৬ সালে যখন লড়েছি তখন একটা দুটো ওয়ার্ডে ভোট কম পেয়েছিলাম। কিন্তু এবার সব ওয়ার্ডে জিতেছে দল। জায়গাটা ছোট্ট, কিন্তু তার বৃত্তটা অনেক বড়। আজ মন ভরে গিয়েছে, ভবানীপুরের মানুষ দেখিয়ে দিল। সারা বাংলা ভবানীপুরের দিকে তাকিয়ে ছিল।
মমতা বলেন, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। ভবানীপুরে মা-ভাই-বোন, সকল সহকর্মী এবং সারা বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সারা বাংলা খুব আঘাত পেয়েছিল যখন সব ভোটে জিতেও একটায় জিততে পারিনি। সেটা নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। সেটা নিয়ে এখন কিছু বলছি না। অনেক চক্রান্ত চলেছিল। সব চক্রান্ত জব্দ করে দিয়েছে বাংলার মানুষ, ভবানীপুরের মানুষ। ভবানীপুরের মানুষের কাছে আমি চিরঋণী।’


