শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 467

সমরেশ বসু সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৩০ জন

সমরেশ বসু সাহিত্য পুরস্কার-২০২২’ পেয়েছেন ৩০ জন। শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আ. আ. ম. স আরেফিন সিদ্দিক।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আব্দুল হাদী, সাবেক সিনিয়র সচিব আবদুস সামাদ ফারুক, প্রকৌশলী মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী।

পুরস্কার পেয়েছেন যারা-
প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী (জীবনের গান-আত্মজীবনী) ও ফকির আলমগীর (মরণোত্তর), নাট্যজন ম. হামিদ (সেই অন্ধকার), শাহজাহান চৌধুরী (আমি, আশনা ও মং প্রু), লায়লা নাজনীন হারুন (যুদ্ধ ও পূর্ণবাসন), সাবেক সিনিয়র সচিব ও এসডিএফ চেয়ারপার্সন মো. আব্দুস সামাদ ফারুক (জল জোছনায় নাজমুল), মঞ্জুর-উল আলম চৌধুরী (বিশিষ্ট গীতিকার), মোস্তফা কামাল (বিশিষ্ট সাহিত্যিক) জামিউর রহমান লেমন (কাশবনের ভূত), হাসনাত লোকমান (রাসেলের জন্য ভালোবাসা-সম্পাদনা), ড. শাহাদাত হোসেন নিপু (নিপু শাহাদাত-সব্বার বন্ধু বঙ্গবন্ধু), মাহবুব আজীজ (কালের খেয়া সম্পাদনা, সমকাল), এ. কে. বাকী বিল্লাহ (সাংবাদিক), গোলাম কিবরিয়া (সচিত্র বাংলাদেশ সম্পাদনা), আলী নিয়ামত (সাংবাদিক), মুহাম্মদ মহিউদ্দিন (গল্পকার-সম্পাদনা), তাশিক আহমেদ (উপদেষ্টা, অনুষ্ঠান, এটিএন বাংলা), ড. মো. আলমগীর আলম (অণুকবিতা), সুরাইয়া আলমগীর (স্বপ্নের দেশে, দেশে), রাজেন্দ্রচন্দ্র দেব মন্টু (সাংবাদিক ও সংগঠক), রতনচন্দ্র বালো (অনুসন্ধানী প্রতিবেদন), নাজমুল খান (অভিনেতা ও সংগঠক), ফারহানা আহম্মেদ পলি (কবি), মুজতবা সউদ (লেখক), রেজানুর রহমান (বঙ্গবন্ধুর বাড়ি, সাংবাদিক), গাজী ফারুক (অভিনেতা ও নির্দেশক), ড. খলিলুর রহমান সরকার (ক্যান্সার চিকিৎসা), দিলীপ কুমার আগারওয়াল (কলামিস্ট, ডায়মন্ড ওয়াল্ডের কর্ণধার), শহীদুল ইসলাম বিজু (পাঠক সমাবেশ, প্রকাশক) ও সোহানূর রহমান সোহান (চলচ্চিত্র পরিচালনা)। বাংলা প্রকাশনীর উদ্যোগে এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কাতারের সাবেক যুগান্তর প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম আবুল আর নেই

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কাতারের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার কাতার প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম আবুল (৬৬) আর পৃথিবীতে বেঁচে নেই। ইন্না-লিল্লাহে ওয়ইন্না ইলাহে রাজিউন।

ঢাকা জেলার নবাবগন্জ উপজেলার মাগমারায় নিজ গ্রামে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ব্রেইন স্ট্রোক করে মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বন্ধু মশিউর রহমান টিটু ও তার পরিবার।

তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কাতারসহ বাংলাদেশ কমিউনিটির মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এছাড়া তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবসহ অন্যান্য সামজিক সংগঠন গভীর সমবেদনা জানায়।

শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গত মাসে তিনি কাতার থেকে বাংলাদেশে চিকিৎসার জন্য ছুটিতে যান। মৃত্যু কালে তার স্ত্রী এবং এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

তিন দিনেও গ্রেফতার হয়নি ঘাতক নিউইয়র্কে বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনার তিন দিন পরও কোনো ঘাতককে গ্রেফতার করতে পারেনি স্থানীয় পুলিশ। এখনো হত্যার কারণ উদঘাটন করতে পারেনি তারা। এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার জুমার নামাজের পর নিউইয়র্কের ওজোন পার্ক এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

সমাবেশে তারা অবিলম্বে মোদাচ্ছের খন্দকার (৩৬) হত্যার কারণ উদঘাটন করে হত্যাকারীকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বাংলাদেশিদের ক্ষোভ ও দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন মূলধারার রাজনীতিকরাও। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দেন তারা।

ওজোন পার্কের গ্লেনমোর এভিনিউয়ের কাছে ফরবেল স্ট্রিটে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে নিজ বাড়ির সামনেই বন্দুকধারীর গুলিতে গুরুতর আহত হন মোদাচ্ছের। পরে জ্যামাইকা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মোদাচ্ছের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানন্দরে কাজ করতেন। তার বাড়ি বাংলাদেশের মানিকগঞ্জে। তিনি মা, স্ত্রী ও পাঁচ বছরের এক ছেলেসহ নিউইয়র্কের ওজোন পার্ক এলাকায় বাস করতেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার ওজোন পার্কের আল-আমান জামে মসজিদের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের সদস্য, সমাজকর্মী এবং বিভিন্ন ধর্মের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে উপস্থিত হয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, খুনিদের আটকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, তারা যেন ন্যায়বিচার পান, সেজন্য পুলিশের পক্ষে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খুনিদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য সাড়ে তিন হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

খায়রুল ইসলাম খোকনের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে কমিউনিটি নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন বোরহান উদ্দিন কফিল, কবির চৌধুরী, মিসবাহ আবদীন, মোহাম্মদ খান, হেলাল শেখ, ওয়ালিউর রহমান প্রমুখ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা নিউইয়র্ক স্টেট ডেপুটি প্রেসিডেন্ট ডায়ানা রিচার্ডসন, এসেম্বলি মেম্বার জেনিফার রাজকুমার, ডিস্ট্রিক্ট ৩৭’র কাউন্সিল ওম্যান স্যান্ডি নার্স, ডিস্ট্রিক্ট ৩২’র কাউন্সিল ওম্যান জোয়ান আরিওলা, ডিস্ট্রিক্ট ৩৯’র কাউন্সিল ওম্যান শাহানা হানিফ, এনওয়াইয়পিডি’র ব্রুকলিন নর্থের কমান্ডিং অফিসার জুডিথ হ্যারিসন, ডেপুটি ইন্সপেক্টর রোহান গ্রিফিথ প্রমুখ।

বক্তব্য দেন মুদাচ্ছের খন্দকারের ছোট ভাই অনিক খন্দকার। এ সময় মুদাচ্ছেরের শিশুপুত্র লাবিব খন্দকারও উপস্থিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের তিন দিন হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আল আমান জামে মসজিদের ভাইস প্রেসিডেন্ট কবির চৌধুরী বলেন, খুনিদের ধরে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া না গেলে, তারা ভবিষ্যতে আরও দুঃসাহস দেখাবে। তাই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

দেশে প্রথম কর্পোরেট মার্কেটপ্লেস ‘ট্রেনিংপুল’ উদ্বোধন

বাংলাদেশের প্রথম এড-টেক এবং কর্পোরেট ট্রেনিং মার্কেটপ্লেস ‘ট্রেনিংপুল’ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত হোটেল সিক্স সিজনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি, বেসরকারি ও আইটি সেক্টরের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিবর্গ।

১০টি এড-টেক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান তাদের ৪০ এর অধিক প্রশিক্ষণ কোর্স নিয়ে ইতোমধ্যে ট্রেনিং পুলে-এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। এছাড়াও ৩০০ এর অধিক কোর্স নিয়ে ২৩টি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে কাজ করার জন্য সম্মত হয়েছেন।

ট্রেনিংপুল বাংলাদেশের প্রথম ট্রেনিং মার্কেটপ্লেস যেখানে ব্যবহারকারীরা এক জায়গাতেই দেশের সেরা কোর্সগুলো পাবেন। এছাড়াও একটি কোর্সের সঙ্গে অন্যটির তুলনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী কোর্স বেছে নিতে পারবেন। সরকারের প্রতিশ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে ট্রেনিংপুল।

প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তারা বলেন, যে কোনো প্রতিষ্ঠান বা প্রশিক্ষক ট্রেনিং-পুলের আধুনিক পদ্ধতি ব্যাবহার করে খুব সহজেই তাদের প্রশিক্ষণের কোর্স বা বিষয়বস্তু ট্রেনিং-পুল এর ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে পারবেন।

চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মানিত প্রতিনিধি, প্রশিক্ষক, পরামর্শদাতা, বিনিয়োগকারী এবং সাংবাদিকরা এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক মাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে নতুন আইন প্রস্তাব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম এমনকি অন্য যেসব মাধ্যম রয়েছে সেগুলোর প্রতি ব্যবহারকারীদের আসক্তি মোকাবিলায় নতুন বিল উত্থাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই সিনেটর।

ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেটর এমি ক্লবুশার এবং রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর সিনথিয়া লুমিসে এ বিল উত্থাপন করেন। ওই দ্বিদলীয় প্রস্তাবের অধীনে গবেষণায় নামবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন’ এবং ‘ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস’।

সিনেটর ক্লবুশারের দপ্তর থেকে পাওয়া এক বিবৃতির বরাতে জানা যায়, সামাজিকমাধ্যম আসক্তি মোকাবিলায় ফেসবুকের মতো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য করণীয় নিয়ে গবেষণা করবে সংস্থা দুটি।

গেল বছর প্রযুক্তিসেবার বাজারে আলোড়ন তুলেছিলেন ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁসকারী সাবেক কর্মী ফ্রান্সেস হাউগেন। হাউগেনের ফাঁস করা নথিপত্র থেকে উঠে আসে কিশোর বয়সিদের ওপর ইনস্টাগ্রামের বিরূপ প্রভাবের বিষয়ে জানা থাকলেও মুনাফার লোভে বিষয়টি চেপে গেছে সম্প্রতি মেটা নাম ধারণ করা ফেসবুক।

পরবর্তীতে সিনেট শুনানিতে হাজির হয়ে হাউগেন সাক্ষ্য দেন-করোনাভাইরাস এবং এর টিকা সম্পর্কে বিপজ্জনক ভুয়া তথ্য প্রচারের সুযোগ দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফরমটি। এ ছাড়াও নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি।

‘ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন’ এবং ‘ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস’-এর গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নতুন নীতিমালা তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি)’। নীতিমালা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফরমগুলোর বিরুদ্ধে।

‘দীর্ঘ সময় ধরে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের বলে এসেছে, ‘আমাদের বিশ্বাস করো। আমরা পারব। কিন্তু এখন আমরা জানি, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফরমগুলো বারবার মানুষের চেয়ে মুনাফাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এদের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের ধরে রাখতে বিপজ্জনক কনটেন্ট দেখায় এবং ভুয়া তথ্য ছড়ায়। এ বিলটি ওই সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করবে।’-বিবৃতিতে বলেছেন সিনেটর ক্লবুশার।

ফিস্টুলা চেনার উপায়, কী করবেন?

পায়ুপথের জটিল রোগগুলোর মধ্যে একটি ফিস্টুলা। অনেকে ফিস্টুলাকে পাইলসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। দুটির ভিন্ন ভিন্ন উপসর্গ ও চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। সঠিকভাবে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা নিতে পারলে সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব।

সাধারণত পায়ুপথের গ্লান্ডগুলোয় ইনফেকশন থেকে এনাল ফিস্টুলার শুরু। ইনফেকশন থেকে ফোড়া হয় এবং সেই ফোড়া ফেটে গিয়ে অথবা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুঁজ বের করে দিলে পায়ুপথের বাইরের ত্বকের সঙ্গে এনাল গ্লান্ডের সংযোগ স্থাপিত হয় এবং পায়ুপথের বাইরের ত্বকের সঙ্গে এনাল গ্লান্ডের মাঝে এক সুড়ঙ্গের মতো পথ তৈরি হয়।

পুঁজ বেরিয়ে যাওয়ার পর উপসর্গের উন্নতি হয়। পুঁজ ধীরে ধীরে আবার জমতে থাকে এবং একটা সময়ের পর ফোলা ব্যথা জ্বর ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। উপসর্গগুলোর মাত্রা রোগীভেদে কমবেশি হয়। দীর্ঘস্থায়ী ফিস্টুলা বাইরে এবং ভেতরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একাধিক ছিদ্র বা মুখ থাকতে পারে এবং ভেতরের মুখ যদি পেশির বেশ ওপরে হয়, তবে চিকিৎসা জটিলতার সম্মুখীন হয়।

ফিস্টুলা অস্ত্রোপচারের পর আবারও হতে পারে। অস্ত্রোপচারের পরের সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পদ্ধতিতে হিট বাথ নিতে হয়। পায়ুপথ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়।

পায়ুপথে ফিস্টুলা চেনার উপায় ও চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন কেয়ার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বৃহদান্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. নাজমুল হক মাসুম।

ফিস্টুলা চিনবেন কীভাবে

ত্বকের ওপরে যে মুখটা লাল ও প্রদাহময় যেখান থেকে পুঁজ অথবা রক্ত বেরিয়ে আসে। বাইরের মুখটা সহজেই চোখে পড়ে। পায়ুপথের ভেতরের মুখটা খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। এমআরআই স্ক্যান, এন্ডো-এনাল আল্ট্রাসাউন্ড ফিস্টুলা পথকে সঠিকভাবে চিত্রিত করতে পারে। যদি ফিস্টুলোগ্রাম এক্সরে ব্যবহার করা হয়, ফিস্টুলা পথটা যেহেতু সবসময় খোলা থাকে না, দূষিত ময়লাযুক্ত শক্ত পুঁজ দ্বারা বন্ধ থাকতে পারে, ফিস্টুলোগ্রাম এক্সরে দ্বারা ঠিক পথ নির্ণয় সাধারণত কষ্টকর, সবসময় বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

এই পরীক্ষাগুলো সাধারণত জটিল ফিস্টুলার জন্য সীমাবদ্ধ থাকে। বেশিরভাগ ফিস্টুলা জেনারেল এনেস্থেসিয়া দিয়ে অজ্ঞান করার পর লকহার্ট ম্যামারি নামে একজন ইংরেজ ব্রিটিশ সার্জন আবিষ্কৃত ধাতু নির্মিত ‘প্রব’ (লকহার্ট ম্যামারি প্রব) বাইরের মুখ থেকে ফিস্টুলা পথ দিয়ে ভেতরের মুখ দিয়ে বের করে এনে ফিস্টুলা পথটা পুরোপুরি শনাক্ত করা যায় এবং ফিস্টুলা পথটা পায়ুপথের মাংসপেশির ওপরে অথবা নিচের দিকে খুলেছে কিনা সেটি বুঝতে পারা যায়।

অস্ত্রোপচার

ফিস্টুলা পথ আচ্ছাদিত পায়ুপথের চর্ম ও পেশি কোনো মারাত্মক জটিলতা ছাড়াই কেটে দেওয়া যায় এবং ফিস্টুলা থেকে আরোগ্যলাভ সম্ভব হয়। কিন্তু যদি ফিস্টুলা পথের ভেতরের মুখ পায়ুপথের মাংসপেশির ওপরে উন্মুক্ত হয় তা হলে ফিস্টুলা পথ আচ্ছাদিত পায়ুপথের পেশি কেটে আরোগ্যলাভ তো সম্ভবই নয়, মল নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে পায়ুপথ দিয়ে অবিরত মল ঝরতে থাকে এবং রোগীর জীবন দুর্বিষহ এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অসম্ভবে পরিণত হয় সে কারণে উচ্চ অবস্থিত ফিস্টুলা চিকিৎসা সম্পূর্ণ আলাদা এবং কয়েকবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হয়ে থাকে, যাতে করে পায়ুপথ নিয়ন্ত্রণ নষ্ট না হয়ে যায়। যে বিভিন্ন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে উচ্চ অবস্থিত ফিস্টুলার রোগ মুক্তি সম্ভব তার মধ্যে সিটন, ফিস্টুলা প্লাগ, প্লাস্টিক ফ্ল্যাপ এবং অন্যান্য জটিল শল্যচিকিৎসা উল্লেখ্য।

ওমিক্রনে স্বাস্থ্যঝুঁকি কাদের, কী করবেন?

কোভিডের নতুন ধরন ওমিক্রন দাপট দেখাচ্ছে। দেশে বর্তমানে সংক্রমিত রোগীদের ৮০ ভাগের বেশি মানুষের দেহে ওমিক্রন ভাইরাস।

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটি আগের উদ্বেগজনক সংস্করণগুলোর থেকে আলাদা। এর তীব্রতা কম। তবে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার একটি অদ্ভুত ক্ষমতা রাখে।

ওমিক্রনের উপসর্গ ও এ ভাইরাস কাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন আইইডিসিআরের ফিজিশিয়ান সায়েন্টিস্ট ডা. এম সেলিম উজ্জামান।

টিকা নিলে করোনার অন্যান্য ধরনগুলো থেকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকলেও ওমিক্রন থেকে সুরক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ওমিক্রন-মিউটেশনগুলো আমাদের ভ্যাকসিন দ্বারা প্রদত্ত সুরক্ষা ক্ষমতার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

ওমিক্রনের লক্ষণের ঝুঁকি নির্ভর করে টিকা এবং বুস্টার ডোজ নেওয়া হয়েছে কিনাসহ বয়স, সামগ্রিক স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং রোগ প্রতিরোধের পুষ্টিগত অবস্থার উপর।

‘ওমিক্রন সংক্রমণ’ পরবর্তী উপসর্গগুলো দ্রুত আসে, লক্ষণগুলো প্রকাশ হতে তিন দিন সময় লাগে, যা ডেল্টার ক্ষেত্রে প্রায় চার দিন সময় নেয়, এবং আগে কোভিড-১৯-এ পাঁচ দিন এরও বেশি সময় নিয়েছে। তবে আগের করোনাভাইরাস ভ্যারিয়েন্টগুলোর মতো ওমিক্রনে সংক্রমিত বেশিরভাগ রোগীর সমস্যাগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুত সমাধান হয় এবং হাসপাতালে ভর্তির তেমন প্রয়োজনও হয় না।

ওমিক্রনের লক্ষণগুলো সাধারণ শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মতো, যেমন- সর্দি, গলা ব্যথা, নাক বন্ধ এবং হালকা-কাশি এবং জ্বর জ্বর ভাব।

ওমিক্রনের ৫টি প্রধান উপসর্গ/লক্ষণ হলো- সর্দি, নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথা ব্যথা, তীব্র ক্লান্তি, হাঁচি এবং গলা ব্যথা।

তবে কো-মরবিড রোগীর (ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ক্যানসার, হৃদরোগ, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, ইমিউনোসাপ্রেসড, অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী জটিল রোগ এবং যাদের অন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গুরুতর রোগ আছে, বয়স্ক ব্যক্তি বা অন্তর্নিহিত সমস্যা/রোগের অধিকারী ব্যক্তিরা, এসব অবস্থার কারণে) ক্ষেত্রে সেকেন্ডারি ইনফেকশন ও অন্যান্য গুরুতর রোগে জীবন-হুমকির অবস্থা হতে পারে।

কিছু রোগীর ক্ষেত্রে আইসিইউ এবং মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটর প্রয়োজন হতে পারে। ওমিক্রনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর মতো গন্ধ ও স্বাদ হ্রাস পায় না এবং রোগীদের (বয়স্ক রোগীসহ) শ্বাসকষ্টের সমস্যাও তুলনামূলকভাবে কম।

এছাড়া ভাইরাসের আপাত পরিবর্তনে ফুসফুসে গুরুতর সংক্রমণও সাধারণত কম। তবে অনেকেই বমি-বমি ভাব, রাতে শরীরে ঘাম এবং পিঠের নিচের দিকে ব্যথা, উপসর্গগুলো কথা উল্লেখ করেন।

ওমিক্রন কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরুন।

সঠিকভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

প্রত্যেককে টিকা নিন এবং অন্যকে উৎসাহিত করুন।

জনাকীর্ণ স্থানে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।

অসুস্থবোধ করলে দ্রুত পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং বেসিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ প্রকাশ করা হচ্ছে। বরাবরের মতো শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল এসএমএস দিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ফলের সার-সংক্ষেপ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা হস্তান্তর করবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি তিনি ফল প্রকাশের ঘোষণা দেবেন।

এর পর দুপুর ১২টা থেকে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.educationboardresults.gov.bd) এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসেই ফল পাওয়া যাবে।

আলিমের ফল পেতে ALIM লিখে স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

এ পরীক্ষায় এবার ১৪ লাখ ১৪৫ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষা শুরু হয় ২ ডিসেম্বর। শেষ হয় ৩০ ডিসেম্বর।

এবার সব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি। শুধু বিভাগভিত্তিক তিনটি করে নৈর্বাচনিক বিষয়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে অন্যান্য বিষয়ে এসএসসি ও জেএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সাবজেক্ট ম্যাপিং’ করে শিক্ষার্থীদের গ্রেডিং দেওয়া হবে।

২২ ফেব্রুয়ারি খুলতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আর বাড়ছে না। ২২ ফেব্রুয়ারি খুলে দেওয়া হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের পৃথক বক্তব্যে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী-২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি থাকছে।

করোনাভাইরাসের কারণে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা আসে ২১ জানুয়ারি। ওইদিন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি রাজধানীর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির ঘোষণা দেন। শনিবার একই প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ইঙ্গিত দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা সংক্রমণ কমে আসছে। আশা করি ২২ ফেব্রুয়ারি স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া সম্ভব হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে মাধ্যমিকের নতুন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। এ বিষয়ে শিক্ষকদের ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি যোগ দেন। ‘ইন্টারন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড ন্যাশন্স কনফারেন্সের’ সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, করোনা সংক্রামণের হার কমছে। হয়তো আরও কমবে। তাই শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে রোববার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে সেটি আরও দুদিন পর হবে। সেখানে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে। এ প্রসঙ্গে দীপু মনি আরও বলেন, আমরা কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে এর আগেও বিজ্ঞানসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সামনেও নেব।

এদিকে, শনিবার মানিকগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ কমে আসায় ২১ ফেব্রুয়ারির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে কোনো সমস্যা হবে না। দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শুভ্র সেন্টারে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকার সিদ্ধান্ত নেয়। আমাদের কাছে পরামর্শ চাইলে আমরা তা দিই। ২১ ফেব্রুয়ারির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন। তবে আমাদের পরামর্শ থাকবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়। আর স্কুল-কলেজের যেসব ছেলেমেয়ে এখনো করোনাভাইরাসের টিকা নেয়নি তারা যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা নিয়ে নেয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের লক্ষ্যমাত্রার ৮৫ ভাগ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি এখন অনেকটাই কমে গেছে। এরপরও আমাদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বাইরে গেলে মাস্ক পরতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে হবে। সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান সীমিতভাবে করার জন্য যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেসবও মেনে চলতে হবে।

মতবিনিময় সভায় জেলা সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম হোসেন খান চৌধুরী, মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশাদ উল্লাহ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সাড়া ফেলেছে নিপুণ-আমিন-তুষারের ‘হা-শো সিজন ৬’

বিগত বছরগুলোর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এনটিভিতে আবারও শুরু হয়েছে কমেডি রিয়্যালিটি শো ‘হা-শো সিজন ৬’। অনুষ্ঠানটি প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে প্রচার হচ্ছে। এরইমধ্যে অনুষ্ঠানটির অনুষ্ঠানটির পঞ্চম পর্ব প্রচার হয়েছে।

এবার এই আয়োজনের বিচারক হিসেবে আছেন চিত্রনায়ক আমিন খান, চিত্রনায়িকা নিপুণ ও অভিনেতা তুষার খান। জাহাঙ্গীর চৌধুরী ও কাজী মোহাম্মদ মোস্তফার যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে আছেন আবু হেনা রনি।

ইতোমধ্যেই এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারাদেশ থেকে বেরিয়ে আসা জোকস পারফর্মাররা দেশে-বিদেশে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানের প্রাথমিক পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

তাদের মধ্য থেকে বাছাইকৃত প্রতিযোগিদের নিয়ে দেশের ৭টি প্রধান বিভাগীয় শহরে অডিশন রাউন্ড শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগ থেকে ৪০ জন প্রতিযোগিকে বাছাই করা হয়। মূলত তাদের নিয়েই সাজনো হবে অনুষ্ঠানের মূল পর্বগুলো। এখান থেকে পর্যায়ক্রমে নির্বাচিত ৬ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে গ্র্যান্ড ফিনালে।