শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 466

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বসেরা হলো ইস্তানবুল বিমানবন্দর

টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বসেরা বিমানবন্দরের পুরস্কার পেল তুরস্কের ইস্তানবুল বিমানবন্দর।

চার হাজারেরও বেশি বিমান যাত্রী ও বিমানবন্দর কর্মকর্তাদের ভোটে এবার বর্ষসেরা হয়েছে ইস্তানবুল বিমানবন্দর। খবর ডেইলি সাবাহর।

ইউরোপের সর্ববৃহৎ এ বিমানবন্দরের সিইও কাদরি সামসুনলু বলেছেন, আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহণে বিশ্বের সব বিমানবন্দরকে টেক্কা দিয়ে ইস্তানবুল আবারও বর্ষসেরা হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।

তিনি আরও বলেন, করোনাকালে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে আমরা পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছি।

ইউরোপের বৃহৎ এ বিমানবন্দরটি নতুন হলেও সেবার মান বিশ্বের যে কোনো দেশের বিমানবন্দরের চেয়ে ভালো। গত বছরও বর্ষসেরা হয়েছিল ইস্তানবুল বিমানবন্দর।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেক দেখিয়ে ঋণ দেওয়া বন্ধের নির্দেশ

বাংলাদেশ ব্যাংকের চেক নিয়ে প্রতারণা করছে কয়েকটি নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আর এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেক দেখিয়ে ঋণ দেওয়া বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো চেক নিয়ে নানা ধরনের জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটে। এসব জালিয়াতির সঙ্গে কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা এবং প্রতারক চক্র জড়িত। এখন জালিয়াতি বা প্রতারক চক্রের নজর পড়েছে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের চেকের দিকে। প্রতিষ্ঠানগুলো এ ব্যাপারে কঠোর গোপনীয়তা অনুসরণ করলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে তা ধরা পড়েছে।

এ বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চিঠিতে বলা হয়েছে, বিধিবহির্ভূতভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো চেক যেন আর ব্যবহার না করা হয়। একই সঙ্গে চেক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের চেক শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিজেদের টাকা স্থানান্তর ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের চেক বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারে না। কারণ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কারও হিসাব নেই।

ফলে অন্য কাউকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেকও দেওয়া হয় না। কিন্তু এরপরও ঋণের অর্থছাড়ে বেআইনিভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেক ব্যবহার করার কয়েকটি ঘটনা ধরা পড়েছে। তারা নিয়ম মেনে চেক ইস্যু করলেও এটি ব্যবহার করা হয়েছে ঋণের টাকা তুলে নেওয়ার কাজে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হলেন হাবিবুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকেরই নির্বাহী পরিচালক। তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়ে রোবাবর আদেশ জারি করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ২০ জানুয়ারি এ নিয়োগ অনুমোদন করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সংক্রান্ত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাহী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমানকে প্রধান অর্থনীতিবিদ পদের দায়িত্বসহ গভর্নর কর্তৃক সময়ে সময়ে আরোপিত অন্যান্য দায়িত্ব পালনের শর্তে নিয়োগ দেওয়া হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংক এক দশক ধরে প্রধান অর্থনীতিবিদ পদে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী বাংলাদেশি নাগরিকদেরই নিয়োগ দিয়ে আসছিল। পদটি শূন্য হওয়ায়র পর বিগত বছরগুলোর মতো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়নি বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ছিলেন বিশ্বব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট হাসান জামান। এখন তিনি বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। এরপর ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রধান অর্থনীতিবিধ ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কোর্টল্যান্ডের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের সহযোগী অধ্যাপক বিরূপাক্ষ পাল। তার পরে আইএমএফের অর্থনীতিবিদ ফয়সাল আহমেদকে প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে তিনি পদ ছেড়ে দিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমানকে প্রধান অর্থনীতিবিদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তখন থেকেই তিনি এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। করোনার মধ্যে সময়মতো বিভিন্ন উদ্যোগ ও নীতি গ্রহণের কারণে তাকে এখন পূর্ণাঙ্গ প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

‘সংবিধানে সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে’

বাংলাদেশের সংবিধান প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ধর্মীয় রীতি-নীতি পালনসহ সব ধরনের অধিকার নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী।

রোববার যুক্তরাজ্যের ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর সমর্থনে সংখ্যালঘুদের অধিকারের ওপর ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্প (এফওআরবি) এর উপ প্রকল্প পরিচালক ডা. চার্লসের আমন্ত্রণে এক মতবিনিময় বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মহান ইসলাম ধর্মের অনুসারী। এদেশে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ নানান ধর্মের অনুসারীরা হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সহাবস্থান করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সব ধর্মের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন।

বর্তমানে সরকার উগ্রবাদ ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পবিত্র ধর্ম ইসলাম উগ্রবাদ প্রত্যাখ্যান করে। ইসলামের মহান নবী বলেছেন ‘আমি মানবতা ও নৈতিকতা জাগ্রত করতে প্রেরিত হয়েছি,অশান্তি সৃষ্টি কে তিনি হত্যা থেকে জঘন্য পাপ বলে উল্লেখ করেছেন।’

একদল মতলববাজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে, বিশেষ করে লন্ডন থেকে সরকার ও দেশের বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন মিছবাহুর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তাদের অধিকার হরণ করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট অধিকার হরণের প্রতিবাদ করে, যারাই মানুষের ন্যায় সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার কাজ করেন তাদেরকে বা তাকে সমর্থন করে।

ডা. চার্লস রিড বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের বক্তব্য সমর্থন করে বলেন, প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মীয় বিশ্বাস লালন করার অধিকার রাখেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সংখ্যালঘু মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করতে তার উপর অর্পিত দায়িত্বের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ৩ দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন ডা. চার্লস। ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের অবস্থান করবেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি মনিরুজ্জামান রাব্বানী, সহ-সভাপতি মো. জামান উদ্দিন, ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা মোশাররফ হোসেন মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান, সাংগঠনিক সচিব মাওলানা বোরহান উদ্দিন এবং ডা. চার্লসের দুইজন সহকর্মী।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিতে ‘তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী’

সদ্যঘোষিত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটিতে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক করার অভিযোগ উঠেছে। ওই শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম মফিজুর রহমান মামুন। তাকে পল্লবী থানার ৯১নং ওয়ার্ড (সাংগঠনিক ওয়ার্ড) কমিটির ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

গতকাল (শনিবার) ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ৭১টি ওয়ার্ড (সাংগঠনিক ওয়ার্ডসহ) কমিটি ঘোষণা করে। মামুনকে পল্লবী থানার ৯১নং ওয়ার্ড (সাংগঠনিক ওয়ার্ড) কমিটির ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

শনিবার রাতে সংগঠনটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা মো. জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ও সদস্য সচিব আমিনুল হক এসব কমিটি অনুমোদন করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মফিজুর রহমান মামুন পল্লবীর ধ ব্লকের মামুন হিসেবেই পরিচিত। বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন পিন্টুর হাত ধরেই এক সময় ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হন মামুন। ওই সময় ছুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও খুন-খারাবিতে হাত পাকান মামুন। এক সময় ছাত্রদলের রাজনীতিতে ‘দাগি অপরাধী’ হিসেবেই মিরপুরজুড়ে মামুনের নাম ছড়িয়ে পড়ে। ২০০১ সালে আপন ছোট ভাইকে ছিনিয়ে নিতে পল্লবী থানা ঘেরাও করে আলোচনায় আসেন সন্ত্রাসী মামুন। এরপর শুরু হয় তার ফেরারি জীবন।

২০০১ সালে গ্রেফতার হয়ে কিছুদিন কারাভোগের পর ২০০৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে যান। পাসপোর্ট জালিয়তি ও অনুপ্রবেশের অভিযোগে তিনি ২০০৮ সালে ভারতে গ্রেফতার হন। ওই সময় ১০ বছর সাজাভোগ করেন। কারাভোগ শেষে ভারতে বসেই মামুন বিদেশে অবস্থানরত মিরপুরের অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী ইব্রাহিম ও সাহাদাতের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন।

সর্বশেষ গত বছর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে পল্লবী এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। ওই সময় তার বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা, ১৫টি গ্রেফতারি পরোয়ানা ও ২টি মামলায় সাজা হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

পল্লবীর মুসলিম বাজারের স্থানীয়রা জানান, মামুন মিরপুরের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা নেন। তারা কিলার বাহিনীর সদস্যরা এ টাকা কালেকশন (সংগ্রহ) করেন। মামুনের কিলার বাহিনীর সদস্যরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এরা পল্লবী এলাকার আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পল্লবী থানা বিএনপির সাবেক এক সিনিয়র নেতা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহসভাপতি বলেন, মামুন কিছুদিন আগেও যুবদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেখানে পদ-পদবী না পাওয়ায় বিএনপির ওয়ার্ড কমিটিতে ঠাঁই নিয়েছে। এমন একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে দলে রেখে কী লাভ? সে তো ভারতে পালিয়ে থাকে। সে একজন ফেরারি (পলাতক)। তার নামে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দলের নাম ভাঙিয়ে আবারো সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করবে। ভবিষ্যতে অপকর্ম করার জন্য এই পদ বাগিয়েছে সে।

পল্লবী থানা বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি ও ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ওয়ার্ড কমিটিগুলো মহানগর থেকে দেওয়া হয়েছে। মহানগর নেতারা বলেছেন, এটা তাদের ঈমানি দায়িত্ব। মামুন কে, তার বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। কাদেরকে কমিটিতে আনা হয়েছে- সেটা মহানগরই ভালো জানে। তারা কমিটি দিয়েছে, তারাই বলুক মামুন কে?

মামুন সম্পর্কে পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন, ‘মামুন শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।’

বিদায়বেলায় যা বললেন সিইসি নূরুল হুদা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা ও চার কমিশনারের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হলো আজ।

এ উপলক্ষ্যে সোমবার গত পাঁচ বছরের সফলতা তুলে ধরতে ইসি সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এতে তিনি বলেন, দেখতে দেখতে নির্বাচন কমিশনে আমাদের পাঁচ বছর কেটে গেল। আজ আমাদের শেষ কর্মদিবস। দীর্ঘ পাঁচ বছর আমরা নির্বাচন কমিশনে ব্যস্ততম সময় পার করেছি। অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি এবং তা সফলভাবে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছি। দেশের সংবিধান প্রদত্ত দায়িত্বসহ যাবতীয় দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি।

তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন পাঁচ বছরে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ, জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন এবং সব স্থানীয় সরকার পরিষদের সাধারণ ও উপনির্বাচনসহ ৬ হাজার ৬৯০টি নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছে। করোনা মহামারির কারণে কিছু নির্বাচন সময়মতো করতে না পারলেও পরে তা যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। রুটিন কাজের বাইরেও আমরা নতুন নতুন কাজ শুরু করেছি।

প্রসঙ্গত ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বর্তমান নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেন। পাঁচ বছর মেয়াদ আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি কাজ করছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নতুন কমিশন গঠন না হওয়ায় কয়েক দিন কমিশনার পদ ফাঁকা থাকছে।

যুগ্ম সচিবদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরু

অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) বৈঠক বসতে যাচ্ছে।

এতে প্রশাসনের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের অর্থাৎ যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির বিষয়টি উঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাচের পদোন্নতিযোগ্য নিয়মিত কর্মকর্তার সংখ্যা ৭৭ জন। এর সঙ্গে আগের বাদ পড়া কিছু কর্মকর্তাকেও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তার সংখ্যা ১১৬ জন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বেশির ভাগ ব্যাচের নিয়মিত পদোন্নতি হলেও ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়েছে। চাকরির প্রায় শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে এ ব্যাচের কর্মকর্তারা অন্য ব্যাচের মতো সময়মতো পদোন্নতি পাননি।

এ ব্যাচের কর্মকর্তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ১৯৯৩ সালে শুরু হয়। ১০০ কিছু বেশি কর্মকর্তার এ ছোট ব্যাচ ২০০৫ সালে উপসচিব পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করে। কিন্তু ২০১২ সালে তাদের সেই পদোন্নতি হয়।

এরপর ২০১৫ সালে যুগ্ম সচিব হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেও তাদের পদোন্নতি হয়েছে দ্বিগুণ সময় নিয়ে অর্থাৎ ২০১৮ সালে। যুগ্ম সচিব হিসাবে দুই বছর চাকরি করলেই অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জিত হয়।

সে হিসাবে এ ব্যাচের অতিরিক্ত সচিব হওয়ার যোগ্যতা হয়েছে ২০২০ সালে। বর্তমানে ২০২২ সাল শুরু হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে এক মাসেরও অধিক সময় লাগতে পারে বলে জনা গেছে।

প্রশাসনে সবচেয়ে বেশি সময় অর্থাৎ দীর্ঘ চার বছর যুগ্ম সচিব থাকার পর এ ব্যাচটি পদোন্নতি পেতে যাচ্ছে। এতে ব্যাচের কর্মকর্তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

উপসচিব থেকে অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতির ক্ষেত্রে উল্লিখিত ব্যাচের প্রতিটি স্তরে সময় বেশি লাগায় অনেক কর্মকর্তার অবসরে যাওয়ার সময় কাছে চলে এসেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ১৫তম ব্যাচের অন্তত তিন-চার জন কর্মকর্তা এ বছরের শেষের দিকে অবসরে যাওয়ার সময় নির্ধারিত আছে।

তাই দেরিতে পদোন্নতি হওয়ায় তারা সচিব হওয়ার দৌড়ে তো থাকতেই পারবেন না, যারা সেই দৌড়ে থাকবেন তারাও সচিব হয়ে বেশি দিন থাকতে পারবেন না।

তাই তাদের পদোন্নতির বিষয়টি দ্রুত সম্পন্ন করার অপেক্ষায় এসএসবির দিকে তাকিয়ে আছেন সবাই। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সর্বশেষ অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

এর আগেও একবার অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। অর্র্থাৎ প্রশাসনের ১৩তম ব্যাচ দুই ভাগে পরপর দুইবার পদোন্নতি পাওয়ায় ১৫তম ব্যাচ অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতির দৌড়ে পিছিয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির পর প্রশাসনের ২০তম ব্যাচের উপসচিবদের মধ্যে যারা পদোন্নতি পাননি তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারে এসএসবি।

তবে ১৫তম ব্যাচের পদোন্নতির আগে ২০তম ব্যাচের পদোন্নতির বাকি অংশ শুরু হচ্ছে- এমন তথ্যই মিলছে দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নিয়োগ পদোন্নতি ও প্রেষণ) আনিছুর রহমান মিঞা রোববার রাতে যুগান্তরকে বলেন, পদোন্নতি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বেশ কয়েকটি বিষয়ে এসএসবি বৈঠক হবে। এসব বিষয়ের সঙ্গে ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদের পদোন্নতির বিষয়টি ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলের মৃত্যু, মাছের বিরুদ্ধে মামলা পুলিশের!

সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন মৎস্যজীবী জোগান্না। আর এজন্য দায়ী একটি মাছ! এ ঘটনায় ওই মাছের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে পুলিশ! শুনতে অবাক লাগলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপাটনাম জেলায়।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপাটনাম জেলার পারাবাদা পুলিশ এই মামলা দায়ের করেছে। একটি ব্লাক মার্লিনের হামলায় গত সপ্তাহে জোগান্নার মৃত্যুর ঘটনায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম নিউজ18 এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার পারাবাদা উপকূল থেকে আট কিলোমিটার পূর্বে নৌকা নিয়ে সাগরে যায় পাঁচজন জেলে। পরদিন মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে জাল ফেলে তারা। অন্য দিনের চেয়ে জাল অনেক বেশি ভারি ছিল, তাই পানিতে নামেন জোগান্না। এ সময় ধারালো নাক ও তলোয়ারের মতো কাঁটার জন্য বিখ্যাত একটি ব্লাক মার্লিন জোগান্নার ওপর হামলা করে।

এরপর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় জোগান্নার। নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নেয়ার আগেই মৃত্যু হয় তার। এরপর সহকর্মীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় ওই মাছের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ।

ওই মামলার পর আইনজীবী আব্দুস সালিম বলেন, মাছের বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া যাবে না। কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, প্রাণীর হামলায় বা মেশিন ব্যবহারের সময় মারা গেলে ১৭৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মসজিদের ভেতর পাওয়া গেল আরেক প্রাচীন মসজিদ

ইরাকের মসুল শহরের বিখ্যাত আল নুরি মসজিদটি আইএসআইএসের সদস্যরা ২০১৭ সালে ধ্বংস করে দেয়।

এরপর মসজিদটি আবার পুনরায় নির্মাণ করার কাজ হাতে নিয়ে ইরাকি সরকার ও ইউনেস্কো। এই নির্মাণ কাজে সহায়তা করছে আরব আমিরাত।

১২০০ শতকে নির্মিত মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করতে গিয়ে মসজিদের নিচেই আরেকটি পুরনো মসজিদের খোঁজ পেয়েছেন নির্মাণকারীরা।

ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া মসজিদটির ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করতে নিচ থেকে এটি খোঁড়া হচ্ছিল। তখনই মাটির নিচে পাওয়া যায় প্রাচীন মসজিদটি।

মসুলের প্রত্নতত্ত্ববিদ খায়রেদ্দিন নাসের যিনি মসজিদটি নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িত আছেন তিনি গণমাধ্যম এএফপিকে জানিয়েছেন, খোঁড়ার সময় মাটির নিচে নামাজের একটি বড় ঘর ও ওযুর চারটি ছোট ঘর আবিষ্কার করেন তারা। ঘরগুলো প্রাচীন যুগের টাইলস দিয়ে বাঁধানো ছিল।

খয়রেদ্দিন নাসের জানান, মসুলের প্রাচীন শহর যে মাটির নিচে এখনো অবস্থিত আছে তা মসজিদের ভেতরই আরেকটি প্রাচীন মসজিদের সন্ধান পাওয়ায় জোরালো হলো।

সূত্র: মিডল ইষ্ট আই

একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমানের কবিতার বই

এবারের একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমানের অষ্টম কবিতার বই “রক্তকলমে একশ কবিতা”।

লেখকের অষ্টম কবিতার বইটি প্রকাশ করেছে অয়ন প্রকাশনা। বইটি একুশের বই মেলায় ৫৪৪-৫৪৫-৫৪৬নং স্টল থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

কবিতার বইটিতে ৩৪টি নতুন কবিতা এবং ৬৬টি বাছাই করা কবিতা রয়েছে। তাছাড়া বইটির শুরুতেই আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গকৃত বারোটি কবিতা।

উল্লখ্যে, মাসুদুর রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে কন্সাল জেনারেল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বর্তমানে নাইজেরিয়ার বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার আগে তিনি চীনে বাংলাদেশ দূতাবাসের ডেপুটি চিফ মিশন হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।