সোমবার ,২৭ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 728

হাত-পায়ে হঠাৎ ব্যথা কেন হয়, কী করবেন?

আঘাত পাওয়া ছাড়াই অনেক সময় হাতে পায়ে ব্যথা দেখা দেয়। বিষয়টি অনেক সময় আমরা গুরুত্ব দিই না। এই অবহেলা বিপদের কারণ হতে পারে।

এই ব্যথা কোনো কোনো সময় স্বল্পমেয়াদী হয় আবার কখনও দীর্ঘসময় বয়ে বেড়াতে হয়। ধমনিতে ব্লক থেকেও অনেক সময় এই ব্যথা হয়। আবার হাত-পায়ের রক্ত চলাচলে বাধাপ্রাপ্ত হলেও এই সমস্যা দেখা দেয়।

হাত-পায়ে ব্যথার কারণ ও এ সমস্যা থেকে উত্তরণে করণীয় সম্পর্কে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. আবুল হাসান মুহাম্মদ বাশার।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণে অনেক সময় হাত-পায়ে ব্যথা দেখা দেয়।

আমরা সবাই জানি যে, রক্ত তরল অবস্থায় রক্তনালির ভেতর দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়। রক্তনালি বা হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াটা অস্বাভাবিক এবং বিপজ্জনক। বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের মধ্যে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। জমাট বাঁধা রক্তের এ টুকরো রক্তস্রোতের সঙ্গে প্রবাহিত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে শরীরের যেকোনো জায়গায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে এবং সেখানকার রক্ত সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। মস্তিষ্কে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তাকে স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়। হাত বা পায়ের ধমনি বন্ধ হলে ঘটনাটি পরিচিত হয় অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া নামে। হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার অনেক কারণ আছে।

রক্তনালি

মাঝে মাঝে রক্তনালি বা ধমনি নিজেই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হয়তো ধমনির ভেতরের দেয়ালে আগে থেকেই কলেস্টেরলের আস্তরণ ছিল। এ আস্তরণ কোন কারণে ভেঙে গেলে তার ওপর রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। এক পর্যায়ে এ জমাট রক্ত ধমনির রক্ত চলাচলের পুরো পথটাকেই বন্ধ করে দেয়। আর পুরো ঘটনাটা ঘটে অতি অল্প সময়ের মধ্যে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগীরা আগে থেকে ক্রনিক লিম্ব ইশকিমিয়ার লক্ষণাদি (যেমন হাঁটতে গেলে পায়ে ব্যথা) প্রকাশ করেন যদিও সেই সময় তারা তা টের পান না বা গুরুত্ব দেন না। ‘অ্যাকিউট অন ক্রনিক লিম্ব ইশকিমিয়া’র মূল দৃষ্টান্ত হলেন এসব রোগী।

কখনও ধমনির ফুলে যাওয়া অংশ বা অ্যানিউরিজম থেকে জমাট রক্ত ছুটে গিয়েও পরবর্তী অংশের ধমনি বন্ধ করে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

হাতের অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার ক্ষেত্রে সারভাইকাল রিবের কথা মাথায় না রাখলেই নয়। সারভাইকাল রিব ঘাড়ের নিচের দিকের কশেরুকা থেকে জন্ম নেওয়া একটি বাড়তি হাড় যা কখনও কখনও হাতে রক্ত সরবরাহকারী সাবক্লাভিয়ান ধমনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এ চাপের ফলে ধমনির ভেতরের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে করে অনেক সময় ধমনির আঘাতপ্রাপ্ত অংশ ফুলে যায় (অ্যানিউরিজম) ও এর ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এ জমাট রক্ত ছুটে গিয়ে পরবর্তী অংশের ধমনি বন্ধ করে দিয়ে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সৃষ্টি করে। রোগীরা ঠাণ্ডা হাত, তীব্র ব্যথা ও কালো/নীল আঙ্গুল নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এসব ক্ষেত্রে রক্তনালির অপারেশনের সঙ্গে সঙ্গে ঘাড়ের বাড়তি হাড় কেটে ফেলাও চিকিৎসার অংশ। সারভাইকাল রিব ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের বেশি হয়।

রক্ত

কখনও কখনও রক্তও অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ হয়ে ওঠে। রক্তের উপাদানগত সমস্যা বা কোনো কারণে সাময়িকভাবে রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে (যেমন পানিশূন্যতা) রক্ত ধমনির ভেতরেই জমাট বেঁধে যায় ও রক্ত চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার লক্ষণ

* হঠাৎ করে হাত বা পা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়ে তীব্র ব্যথা শুরু হয়।

* হাত, পা দ্রুত ফ্যাকাসে ও নীল হয়ে যেতে শুরু করে।

* হাত-পায়ে বোধ শক্তি কমে যেতে থাকে।

* নাড়াচাড়ার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।

* আক্রান্ত অংশে নাড়ির স্পন্দন টের পাওয়া যায় না।

কী ঘটে

পিভিডি বা ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়ার সঙ্গে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার মূল তফাৎটা হল সময়ের। ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে যে ঘটনা অনেক দিন, মাস, বছর ধরে একটু একটু করে ঘটতে থাকে, অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার ক্ষেত্রে সে ঘটনাই কয়েক মিনিট বা ঘণ্টার মধ্যে ঘটে যায়। অর্থাৎ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় একেবারে হঠাৎ করে। তাই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার বহিঃপ্রকাশও অত্যন্ত নাটকীয়। ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে একটু একটু করে রক্ত চলাচল কমতে থাকায় শরীর বিকল্প রাস্তা বা কোলেটারাল (Collateral) তৈরি করে নেওয়ার সময় পায়। অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়াতে বিকল্প পথ তৈরির সময় পাওয়া যায় না বলে আক্রান্ত অংশ হঠাৎ করে প্রায় পুরোপুরি রক্ত তথা অক্সিজেন ও পুষ্টি বঞ্চিত হয়ে পড়ে। দ্রুত রক্ত সরবরাহ ফিরিয়ে আনা না গেলে এর পরিণতি অঙ্গহানী।

কী করবেন

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া বুঝতে পারাটাই আসল কাজ। রোগীর লক্ষণ দেখে সমস্যার কথাটা মাথায় এলেই রক্ষা। রোগীর উচিত সময় নষ্ট না করে নিকটস্থ হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে যাওয়া। চিকিৎসকের দায়িত্ব রোগ নির্ণয় বা আন্দাজ করে দ্রুত রক্তনালি বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো। এ পাঠানো ব্যাপারটা নিয়ে আমাদের দেশে বিরাট সমস্যা দেখা যায়। প্রথমত রোগ নির্ণয়ে অনেকে ব্যর্থ হন, আবার রোগ নির্ণয় হলেও পাঠাতে বিলম্ব হয়। পথের দূরত্ব যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা এক্ষেত্রে দায়ী। কারণ যাই হোক, চিকিৎসার এ বিলম্বের মূল্য অনেক বেশি। যারা অর্থের মূল্য বোঝেন, তারা অর্থ উপার্জনে সময়ের দাম বুঝাতে বলেন- ‘টাইম ইজ মানি’। রক্তনালির চিকিৎসক হিসেবে আমরা অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ায় সময়ের দাম বুঝনোর জন্য বলি- ‘টাইম ইজ লিম্ব’।

হাঁটু ও কোমরের ব্যথা দূর করার ৭ উপায়

কিছুটা বয়স হলে অনেকেই হাঁটু ও কোমরের ব্যথ্যায় ভোগেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ নিলে সাময়িকভাবে কিছুটা ব্যথা কমলেও এর দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান পাওয়া অনেক কঠিন। কিছু দিন পরপরই ফিরে আসে এই কষ্টদায়ক ব্যথা।

কিন্তু প্রতিদিনের অল্প কিছু অভ্যাস অনুশীলনেই এ কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এর জন্য শুধু আনতে হবে জীবনযাত্রায় সাধারণ কিছু পরিবর্তন।

অনেক দিনের কোনো খারাপ অভ্যাসের পরিণতিই হাঁটু ও কোমরের ব্যথ্যা। তাই সময় থাকতেই হতে হবে সাবধান।

ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন—

১. বর্তমানে এ সমস্যাটির সবচেয়ে বড় কারণ পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রমের অভাব। অনেকেই কোনোরকম পরিশ্রম না করে সারাদিন শুয়ে-বসেই পার করেন। তারই ফল হিসেবে পেতে হয় এ কষ্টদায়ক ব্যথা। তাই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক ব্যায়াম করুন। এতে পেশি ও হাড় শক্তিশালী হবে এবং নমনীয়তা বৃদ্ধি পাবে।

২. কখনও একভাবে দীর্ঘ সময় বসে থাকা যাবে না। অফিসে কাজের ফাঁকে ছোট ছোট ব্রেক নিতে পারেন। চেষ্টা করুন হাঁটাহাঁটি করতে এবং কোমর ও পায়ের স্ট্রেচিং করতে।

৩. কম্পিউটারে বসে কাজ করার ক্ষেত্রে সঠিক চেয়ার-টেবিল ব্যবহার করুন। বসার সময় নজরে রাখতে হবে যেন শিরদাঁড়া মোটামুটি সোজা থাকে।

৪. সঠিক মাপের নরম কুশন ও সোলযুক্ত ভালো মানের জুতা পরার চেষ্টা করতে হবে। কারণ জুতার সঙ্গেও অনেক সময় হাঁটু ও কোমরের ব্যথার সম্পর্ক থাকে।

৫. প্রচুর পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি খান। ব্রকোলি, গাজর, বিনস্, অঙ্কুরিত ছোলা বেশি খেতে পারেন। সঙ্গে নিয়মিত দুধ-ডিম খেতে পারেন। ফলে শরীরে প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ হবে।

৬. অনেক সময় ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থেকেও হাঁটু ও কোমরের ব্যথা হতে পারে। তাই ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইউরিক অ্যাসিড পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি হলে টমেটো, কাবুলি ছোলা, মসুর ডালের মতো খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

৭. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ বা ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওয়া যাবে না। ব্যথার জন্য যে কোনো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করবেন।

তথ্যসূত্র: জিনিউজ

গিনেজ বুকে নাম উঠল বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফ্রেন্স ফ্রাই

বাইরে কোনো রেস্টুরেন্টে স্ন্যাকস জাতীয় খাবার খাওয়ার কথা আসলেই প্রথমেই সবার পছন্দের তালিকায় আসে ফ্রেন্স ফ্রাই। সব ধরনের স্ন্যাকস জাতীয় খাবারের সঙ্গেই খাওয়া হয়ে থাকে এটি। রেস্টুরেন্টে স্যান্ডউইচ, বার্গার এবং এমনকি যেকোন পানীয় খাবারের সাথে বাধা হয়ে থাকে ফ্রেন্স ফ্রাই।

ফ্রেন্স ফ্রাই মূলত আলু দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই আলু দিয়ে তৈরি খাবারটি এবার গ্রিনিস বুকে নাম লিখিয়েছে দামি খাবারের তালিকায়। সম্প্রতি আমেরিকার একটি রেস্তোঁরায় বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ফ্রেঞ্চ ফ্রাই প্রস্তুত করা হয়েছে। এর দাম পড়বে প্রায় ১৭ হাজার টাকা (২০০ ডলার)। আর এর কারণে এটি জায়গাও করে নিয়েছে গ্রিনিস ওয়াল্ড রেকর্ডসের তালিকায়।

গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটন সিটির ‘সেরেন্ডিপটি’ নামের একটি ফাস্ট ফুড রেস্তোরাঁয় তৈরি করা হয়েছে এটি। আর এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ক্রিম দে লা ক্রিম পোমে ফ্রেইটস’।

সাম্প্রতিক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সেরেন্ডিপটি রেস্টুরেস্ট জানায় তারা এই ফ্রেন্স ফ্রাইস তৈরিতে বিভিন্ন উপাদানের পাশাপাশি ব্যবহার করেছে ২৩ কেরেট সোনার ধুলো।

গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সাম্প্রতিক একিটি আইজিটিভি ভিডিওতে দেখানো হয়েছে সোনা দিয়ে তৈরি এই ব্যয়বহুল ফ্রাইগুলি। আর এগুলো তৈরি করেছেন রেস্টুরেন্টটির জৈ এবং ফ্রেডি নামের দুই শেফ।

মেদ কমাতে যেভাবে খাবেন আদা

আমাদের কাছে অতি পরিচিত একটি সমস্যা হচ্ছে মেদ। বিশেষ করে বর্তমানে লকডাউনের সময়ে ঘরে থেকে মেদ বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা যাচ্ছে আরও বেশি। মেদের কারণে বিরক্ত লাগার পাশাপাশি দেখা দিতে পারে নানান রকম শরীরিক সমস্যাও।

একবার মেদ হয়ে গেলে সেটি শরীর থেকে দূর করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আর দৈনন্দিন জীবনে মুখোমুখি হতে হয় নানা রকম সমস্যার। এমনকি আপনার পছন্দের পোশাক পরতেও বাধা হয়ে ওঠে এই মেদ। মেদের কারণে শরীরের ওজন বেড়ে গেলে সেটি নারীদের সন্তানগ্রহনেও অনেক সময় সমস্যা সৃষ্টি করে।

মেদ কমাতে অনেকেই নিয়ে থাকেন অনেক রকম পদক্ষেপ। জিম করে, ডায়েট করে, যোগ বেয়াম সহ নানা কিছু করে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করে থাকেন। কিন্তু জেনে অবাক হবেন, খুব সহজ উপায়ে এবং অতি পরিচিত একটি উপাদানই কমাতে সাহায্য করবে আপনার মেদের সমস্যা। আর এই জাদুকরী উপাদানটি হচ্ছে আদা।

জানুন কিভাবে মেদ কমাতে সহায্য করবে আদা-
১. আদা চা
চা আমরা প্রতিনিয়তই খেয়ে থাকি। তবে চয়ে দুধ, চিনি থাকলে সেটি আমাদের শারীরিক কিছু ক্ষতি করার পাশাপাশি ওজন বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু আপনি যদি সেটির পরিবর্তে আদা দিয়ে পানি ফুটিয়ে তার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে চা খানা তাহলে সেটি কমাতে সাহায্য করবে আপনার মেদ। আর চা খেতে না চাইলে শুধু গরম পানিতে আদা আর লেবুর রস ফুটিয়ে খেলেও একই কাজ হবে।

২. আদা ও অ্যাপল সিডার ভিনেগার
আগের উপায়েই যদি আপনি আদা ও কিছু পরিমানে অ্যাপল সিডার ভিনেগার পানিতে ফুটিয়ে খেতে পারেন তাবে এটিও আপনার মেদ কমাবে আরও দ্রুত। আর এটির প্রোবায়োটিক উপাদান আপনার শরীরে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি আপনাকে রাখবে ভেতর থেকে তরতাজা।

এগুলো ছাড়াও আদার রয়েছে অনেক রকম উপকারিতা। পেট খারাপ থেকে মুক্তি দিতে, বাতের ব্যথায়, কাশি কমাতে, হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে, মাইগ্রেনের সমস্যায়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সহ বিভিন্ন রকম উপকারী গুনাবলি আছে আদায়।

মহাসড়কে অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, তীব্র যানজটে নাকাল মানুষ

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে ঘরমুখো পরিবহনের চাপ বেড়েছে। এছাড়া দফায় দফায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ ও সিরাজগঞ্জ অংশে পরিবহন চলাচলে বাধার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী সাধারণ।

রোববার ভোর থেকে মহাসড়কের রাবনা বাইপাস, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গা, সল্লা, জোকারচর ও বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় তীব্র যানজট দেখা গেছে। তবে মাঝে মাঝে ঢাকামুখী লেনে গাড়ি চললেও উত্তরবঙ্গমুখী লেনে গাড়ি আটকে রয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকামুখী গরুবাহী ট্রাকের চাপ বাড়ছে। এতে করে দীর্ঘমেয়াদি যানজটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যানজটের ফলে চালক ও ঘরমুখো যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে সকাল থেকে যাত্রীবাহী বাসের থেকে ট্রাকের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই পাড়ের মহাসড়কে গাড়ির চাপ ও যানজটের কারণে দফায় দফায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধ রাখছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

তবে শনিবারের থেকে আজ যানজট কিছুটা কমেছে। গতকাল ভোর থেকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট দেখা যায়।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, লকডাউন শিথিল ও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ বেড়েছে। শনিবারও সারাদিন মহাসড়কের টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব পর্যন্ত পরিবহন চলেছে ধীরগতিতে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

3
Shares
facebook sharing button

৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধকে উদ্ধার করল পুলিশ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে এক মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধকে উদ্ধার করে সেবাযত্ন ও চিকিৎসা করল পুলিশ।

শনিবার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের নছরতপুর এলাকায় একজন মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে ৯৯৯-এ ফোন দেন স্থানীয় এক ব্যক্তি।

পরে ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই সনজিত ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। শুধু উদ্ধারই নয়, তিনি ওই মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের নখ কেটে দেন নিজ হাতে। পরে নরসুন্দর ডেকে চুল কেটে সাবান দিয়ে গোসল করান।
তার পর নতুন পাঞ্জাবি-পায়জামা পরিয়ে ওই বৃদ্ধের খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন তিনি। একজন পুলিশ কর্মকর্তার এমন মানবিকতায় নতুন উদাহারণ সৃষ্টি করল শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই সেবাযত্ন কাজে নিয়োজিত শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই সনজিত চন্দ্র নাথকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। তারা বলছেন— মানুষ মানুষের জন্য, তাই এসআইয়ের এমন কর্মকাণ্ড সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

উপজেলা নুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) তানভীর হোসেন শফিক বলেন, আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি পুলিশের এমন মানবিক কাজ সত্যিই মহৎ। তা দেখে পুলিশের অন্যান্য সদস্য এমন মানবিক কাজে উৎসাহিত হবেন।

এসআই সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে গোসল দিয়ে নতুন জামাকাপড় পরাই। এর পর উনার নক কেটে দিই। সমাজের প্রতিটি অসহায় মানুষের পাশে আমাদের দাঁড়ানো উচিত।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব বলেন, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধকে উদ্ধার করে তার সেবাযত্ন করা হয়েছে। এরই সঙ্গে নতুন পায়জামা-পাঞ্জাবিও দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবসময় প্রস্তুত।

শনিবার যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে আজ শনিবার বেশ কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে শিল্পাঞ্চলগুলোতে ব্যাংকের কার্যক্রমের সময় আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া রাজধানীর ব্যাংক পাড়া ম‌তি‌ঝিলে রফতা‌নি ও পোশাক কারখানার লেনে‌দেন ক‌রে এমন কিছু শাখাও খোলা রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকদের বেতন-বোনাস-ভাতা দেওয়ার সুবিধার্থে এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে। যেসব শাখা খোলা থাকবে এগুলো হলো- ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট শাখা।

এর আগে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধকল্পে সরকার কর্তৃক আরোপিত বিধি-নিষেধের মধ্যে ঈদের আগে-পরে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি জারি করে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদের আগে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করে আগামী ১৫, ১৮ ও ১৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার, রোববার ও সোমবার) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে।

১০ ই–কমার্সে লেনদেন বন্ধ করল বিকাশ

যথাযথ নিয়মকানুন অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা না করায় ১০টি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিকাশ কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে এসব কোম্পানির সঙ্গে সেবা বন্ধ করার ঘোষণা দেয়। গ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জুন এই ১০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটাসংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করে ব্র্যাক ব্যাংক।

প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে ইভ্যালি, আলেশা মার্ট, ধামাকা শপিং, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, নিডস, কিউকুম, আলাদিনের প্রদীপ, আদিয়ান মার্ট ও বুম বুম।

জানা গেছে, ১০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই বিকাশের চুক্তি ছিল। কিন্তু ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ নিয়মকানুন অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছিল না বলে বিকাশের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

২৩ জুন ব্যাংক এশিয়া ও ঢাকা ব্যাংক এবং ২৪ জুন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকও গ্রাহকের স্বার্থের কথা বলে একইভাবে ওই সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের কার্ড ব্যবহার স্থগিত করে।

মুম্বাই বিমানবন্দরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সোনম কাপুর

টানা এক বছর পর সম্প্রতি নিজের দেশ ভারতে ফিরেছেন বলিউড তারকা সোনম কাপুর।

মুম্বাই বিমানবন্দরে নেমে বাবা অনিল কাপুরকে দেখে আবেগে কেঁদে ফেলেন অভিনেত্রী।

এ ঘটনার একটি ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তা দেখেই নেটিজেনদের অনুমান, সোনম কাপুর অন্তঃসত্ত্বা!

ইনস্টাগ্রামে সোনম কাপুরের ওই ভিডিও দেখেই একাধিক নেটিজেন তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।
একজন লেখেন, ‘আমার মনে হয় সোনম মা হতে চলেছেন।’

আরেক একজন লেখেন, ‘সোনম যে অন্তঃসত্ত্বা তা দেখেই বেশ বোঝা যাচ্ছে।’

মুম্বাই ফেরার দিন নীল স্কার্টের ওপর গাঢ় নীল রঙের একটু বড় সাইজের জ্যাকেট পরেছিলেন সোনম। খুব সম্ভবত সে কারণেও অভিনেত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নেটিজেনদের মনে হয়ে থাকতে পারে।

তবে সোনম কাপুর সত্যিই অন্তঃসত্ত্বা কিনা, তার উত্তর এখনও মেলেনি।

২০১৮ সালে দীর্ঘদিনের প্রেমিক দিল্লির ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সোনম কাপুর।

দেহরক্ষীকে মাসে ১০ লাখ টাকা বেতন দেন আনুশকা

প্রকাশ সিংহ সনু। বলিউড তারকা আনুশকা শর্মার দেহরক্ষী। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের পরিবারের সঙ্গে প্রায় দেখাই হয় না তার।

এই সনুকে আনুশকা শর্মা প্রতিমাসে যে বেতন দেন তা শুনলে চোখ কপালে উঠবে আপনার।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নয় বছর ধরে আনুশকার ছায়াসঙ্গী হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সনু। দেশ ও দেশের বাইরে যেখানেই যান না কেন সঙ্গে সনুকে নিয়ে যান অভিনেত্রী।

এই নয় বছরে আনুশকার বিশ্বাস অর্জন করে তার পরিবারের সদস্য হয়ে উঠেছেন সনু। সনু এখন আর শুধু আনুশকাকেই নিরাপত্তা দেন না, বিয়ের পর থেকে ভারতের ক্রিকেট অধিনায়কেরও নিরাপত্তার দায়িত্ব গিয়ে পড়েছে তার ওপরেই।

আনুশকা প্রতি বছরই সনুর জন্মদিনও পালন করেন। স্ত্রী আনুশকার পথে হেঁটে বিরাটও সনুকে বেশ গুরুত্ব দেন।

মেয়ে ভামিকার জন্মের পর বিরাট এবং আনুশকাকে গাড়ি চালিয়ে ডাক্তারের ক্লিনিকে নিয়ে গিয়েছিলেন সনু। ভামিকার জন্মের পর প্রথম সেই ছবি ধরা পড়েছিল ক্যামেরায়।

তবে সনুর বেতন শুনে অনেকেই শুধু বিস্মিত হবেন না, কোনো কোম্পানি সিইও-ও লজ্জা পেতে পারেন।

বছরে সনু এক কোটি ২০ লাখ টাকা পান। অর্থাৎ প্রতি মাসে তার অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ টাকা করে ঢোকে।

শুধু মাসের শুরুতে পরিবারের কাছে বেতনের একটা অংশ পাঠিয়ে দেন সনু। বাকি সময় আনুশকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন তিনি।