শুক্রবার ,১ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 729

২৭ বছর শিরোপা খরায় ভুগেছিল ব্রাজিল

বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব থেকেই দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছিল ব্রাজিল। যার ধারাবাহিকতা কোপা আমেরিকায়ও দেখা গেছে। গ্রুপপর্বে শীর্ষস্থান দখল করে নকআউটে উঠে সেলেকাওরা।

কিন্তু ফাইনালে এসে ধরাশায়ী হয়েছে আর্জেন্টিনার কাছে।

ঐতিহাসিক স্টেডিয়াম মারকানায় ফের এক ট্রাজেডি লেখা হলো ব্রাজিলের।

গত ১১ জুলাই কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপার স্বাদ নিল আর্জেন্টিনা।

লিওনেল মেসির হাত ধরে ২৮ বছর পর বড় কোনো টুর্নামেন্টের ট্রফি ঘরে তুলল আলবিসেলেস্তেরা।

যে কারণে শিরোপা জয়ের উল্লাসটা একটু বেশিই করেছে টিম আর্জেন্টিনা। প্রশ্ন উঠতেই পারে, বিশ্বফুটবলের পরাশক্তি আর্জেন্টিনা একটি শিরোপার জন্য অপেক্ষা করেছে ২৮টি বছর!

যদিও বিষয়টি মোটেই আশ্চর্যের কিছু নয়, কারণ দীর্ঘবছর শিরোপার খরায় ভোগার ইতিহাস আছে ব্রাজিলেরও।

এক, দুই বছর নয়, গুণে গুণে ২৭টি বছর বৈশ্বিক কোনো শিরোপা ঘরে তুলতে পারেনি লাতিন আমেরিকার এই দেশ।

যদিও ব্রাজিলের হিসাবটি অনেক পুরনো। তবে তা ভেবে ইতিহাস তো মুছে দেওয়া যাবে না।

ইতিহাস বলছে, ১৯২২ সালের পর থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত কোনো ট্রফি জিততে পারেনি ব্রাজিল। ঘরের মাঠে ১৯২২ সালে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোপার শিরোপা জেতে দলটি। এরপর ১৯৪৯ সালে সেই ঘরের মাঠেই ট্রফি জেতে শিরোপ খরা কাটায় সেলেকাওরা।

মাঝের ওই ২৭ বছরে ১৪ বার কোপা আমেরিকা অনুষ্ঠিত হয়, বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় তিনবার। একটি শিরোপারও স্বাদ নিতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা।

ওই সময়ের মধ্যে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় -১৯৩০, ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে। ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিল গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ে যায়, শিরোপার লড়াই তো ভাবনার বাইরে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে আর রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা।

১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে উঠতে সক্ষম হয় ব্রাজিল। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি আর রানার্সআপ হয় চেকস্লাভাকিয়া। আর ১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে তৃতীয় স্থান অর্জন করে ব্রাজিল। সেবারও চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি আর রানার্সআপ হয় হাঙ্গেরি।

আর ১৯২২ সালের পর ১৪টি কোপা আমেরিকায় ৮ বার চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা, ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে। একবার শিরোপা ঘরে নেয় পেরু।

এরপর ১৯৪৯ সালে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২৭ বছর পর শিরোপার খরা মেটায় ব্রাজিল।

সাকিবকে গরু দিতে চান ভক্ত, বিনিময়ে যা চাচ্ছেন

আসন্ন ঈদুল আজহায় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে নিজের প্রিয় গরু দিয়ে দিতে চান তার এক ভক্ত।

এর জন্য নির্ধারিত কোনো মূল্য রাখবেন না তিনি। গরুর বিনিময়ে সাকিবের পক্ষ থেকে তাকে সপরিবারে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করলেই তিনি খুশি।

এমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান থানার মালখানগর ইউনিয়নের শফিকুল ইসলাম পলাশ।

প্রায় ৪ বছর ধরে গরুটি লালন-পালন করছেন শফিকুল ইসলাম পলাশ। গরুটির জন্ম তারই গোয়ালঘরে।
পলাশ তার প্রিয় গরুর নাম রেখেছেন ‘রাজ বিক্রমপুরী’।

বিশালাকার গরুটির ওজন কত জানেন না পলাশ, এতে কত মণ মাংস হবে সে বিষয়েও ধারণা নিতে চান না। কারণ এসব জেনে গরুটির বর্তমান বাজারমূল্য জানার কোনো ইচ্ছা নেই তার। তাই ‘রাজ বিক্রমপুরী’কে কখনও ওজন স্কেলে তোলেননি পলাশ।

জানা গেছে, বেশ কয়েক বছর মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটানোর পর দেশে ফিরে গরু পালনে মনোযোগী হয়েছেন পলাশ। তার স্বপ্ন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরুর মালিক হওয়া। সেই লক্ষ্যেই রাজ বিক্রমপুরীকে পালন করেছেন।

এবার পলাশের স্বপ্ন তার গরুকে সাকিব আল হাসানের হাতে তুলে দিতে। বিনিময়ে সপরিবারে হজে যেতে চান।

এ বিষয়ে পলাশ বলেন, ‘এই গরুর মাকেও লালন করেছি আমি। আমার গোয়ালঘরেই এর জন্ম। চার বছরে একে এতো বড় করেছি। স্বপ্ন ছিল সারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরু হবে আমার এই রাজ। তবে সেটা নিশ্চিত না করা গেলেও মুন্সিগঞ্জ জেলায় রাজ বিক্রমপুরীর চেয়ে বড় গরু আর নেই বলে মনে করি। গরুটিকে আমি সাকিব আল হাসানের হাতে তুলে দিতে চাই।’

শুধু সাকিবকেই কেন গরু দিতে চান প্রশ্নে পলাশের উত্তর, আর সবাইকে রেখে উনাকেই দিতে চাই। উনি আমার জন্য বিশেষ। উনার খেলা আমার পছন্দ। উনাকের দেশের সবাই চেনে।

কি খাইয়ে গরুকে এতো বড় করেছেন প্রশ্নে পলাশ বলেন, ‘প্রতিদিন ২১ কেজি খাবার খায় এটি। তার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আছে – একটি মিষ্টিকুমড়া, এক কেজি ছোলাবুট, খেসারি ভুসি, গমের ভুসি, কুড়া ও বিপুল পরিমাণে সবুজ ঘাস।’

গরুর নাম রাজ বিক্রমপুরী রাখার কারণ জানতে চাইলে পলাশ বলেন, ‘আমার মেয়ে যখন খুব ছোট তখন এর নাম রাজ রাখে। আমি ওই নামের সঙ্গে বিক্রমপুর এলাকার নাম জুড়ে দিয়েছি। তাই এর নাম – রাজ বিক্রমপুরী।’

এদিকে বিশালাকার গরুটিকে দেখতে আশপাশের গ্রামের মানুষ ছুটে আসছে।

জাহিদ হাসান নামে একজন বলেন, ‘আমি অনেক দূর থেকে এসেছি রাজ বিক্রমপুরীকে দেখতে। শুনেছি ক্রিকেটার সাকিবকে গরুটি উপহার দেওয়া হবে। তাই দেখতে এসেছি। আমি বিস্মিত। এতো বড় গরু আমি এই প্রথম দেখলাম।’

মোহাম্মদ ইয়াসিন সুমন, গরুটিকে দেখার মতো সুন্দর। গ্রামের সবাই এই গরু নিয়ে আলোচনা করছে। তাই কৌতূহল বশত গরুটি দেখতে এসেছি। সিরাজদীখানে এতো বড় গরু আর একটিও নেই বলে ধারণা করছি। ’

পরীক্ষার জন্য ছাপানো প্রশ্নেই অ্যাসাইনমেন্ট

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল প্রস্তুতি হয়ে যাবে অ্যাসাইনমেন্টে। এই দুই পরীক্ষার মধ্যে এসএসসির প্রশ্নপত্র ইতোমধ্যে ছাপানো হয়ে গেছে। সেখান থেকেই শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে অ্যাসাইনমেন্ট। অন্যদিকে এইচএসসির প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও পরিশোধন কাজ শেষ হয়েছে। শুধু মুদ্রণ বাকি আছে। এই স্তরেও অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এবং প্রণীত প্রশ্নপত্র অগ্রাধিকার পাবে। মূলত কাক্সিক্ষত ‘শিখনফল’ অর্জনের লক্ষ্যে সরকার এই প্রথা চালু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আজ রোববার সারা দেশে প্রায় ২২ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে অ্যাসাইনমেন্ট আপলোড করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেখান থেকে ডাউনলোড করে তা শিক্ষার্থীদের দেবে।

বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা, সাধারণ বিজ্ঞান, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার মতো আবশ্যিক এবং চতুর্থ বিষয়ে কোনো অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে না। এসব বিষয়ে পরীক্ষাও দিতে হবে না। বিভাগভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক করে মোট ৯ বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ১২ সপ্তাহ চলবে এই কার্যক্রম। প্রতিটি বিষয়ে আটটি করে ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। মধ্য অক্টোবরে এই কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এক মাস থাকবে পরীক্ষার প্রস্তুতির সময়। এর মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হলে মধ্য নভেম্বরে নেওয়া হবে এসএসসি পরীক্ষা। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮৪ কর্মদিবস ক্লাস করিয়ে এই দুই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেছেন, অ্যাসাইনমেন্ট ঠিকঠাকভাবে করলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভালো হবে। অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শেষে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি আর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে সব বিষয়ের ফল দেওয়া হবে ‘সাবজেক্ট ম্যাপিং’-এর মাধ্যমে। আর পরীক্ষা নেওয়া গেলে নৈর্বাচনিক বাদে বাকি সব বিষয়ে গ্রেড দেওয়া হবে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ শনিবার যুগান্তরকে বলেন, ‘কাস্টমাইজড’ (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাসের আলোকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হয়ে গেছে। সেখান থেকেই শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। প্রশ্নপত্র ছাপানো হওয়ায় বিকল্প সংখ্যা আগের মতোই থাকছে। এর ফলে আগের চেয়ে এখন ৫০ শতাংশ প্রশ্নের কম উত্তর লিখতে হবে। সব মিলে শিক্ষার্থীদের জন্য যতটা সহজ করা যায়, সেই দিকটি চিন্তায় রাখা হয়েছে। কিন্তু তাদের লেখাপড়া করতে হবে।

এদিকে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম নিয়ে অভিভাবক ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। হাসনা হেনা নামে বরিশালের এক অভিভাবক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট কঠোর লকডাউন চলবে। বর্তমানে সংক্রমণ পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক পর্যায়ে আছে। এ অবস্থায় অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াতে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ এম তারিক আহসান বলেন, নৈর্বাচনিক বিষয়গুলোয় অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিখনফল অর্জনের পদক্ষেপটি খুবই সৃজনশীল হয়েছে। তবে আমি মনে করি, সরকার আরও কিছু দিক বিবেচনা করে দেখতে পারে। এর কারণ হচ্ছে, যে গ্রেড দেওয়া হবে, সেটা তুলনামূলক অধিক বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে।

এমন পরিস্থিতি প্রবর্তন করা ঠিক হবে না, যেটার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেবে। কেননা তেমনটি হলে এই ফল ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে প্রশ্নের মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ফল তৈরির ক্ষেত্রে আরও কয়েকটি দিক ভেবে দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে আছে-শিক্ষকের কাছ থেকেই শিক্ষার্থী মূল্যায়ন বা গ্রেড, স্ব মূল্যায়ন (শিক্ষার্থী বলবে সে কত পেতে পারে), ইতঃপূর্বে স্কুলে করা বিভিন্ন মূল্যায়ন ফল এবং অ্যাসাইনমেন্ট। এগুলো গড় করে গ্রেড দেওয়া যেতে পারে। আর অ্যাসাইনমেন্টগুলো উন্মুক্তভাবে না দেওয়া। কারণ ইতঃপূর্বে অন্যান্য স্তরে অ্যাসাইনমেন্টের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর সমাধান আপলোড করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা তেমন একটা শিখছে না।

অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য অটোপাশের পরিবর্তে মূল্যায়ন করেই রেজাল্ট দেওয়া। এখন অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন চলতে থাকবে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবশ্যিক বিষয়ে পরীক্ষা না নেওয়ার কারণ দুটি। প্রথমত, সংক্রমণ রোধের চেষ্টা। কেননা আবশ্যিক বিষয়ে শতভাগ শিক্ষার্থীই পরীক্ষার হলে আসবে।

তাদের সঙ্গে এক-দুজন করে অভিভাবক এসে থাকেন। সেই ক্ষেত্রে ঢাকা কলেজ কেন্দ্রের দৃষ্টান্ত দিলে বলা যায়, সেখানে পরীক্ষার্থী ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার হবে আর বাইরে আরও ৩-৪ হাজার অভিভাবক থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা খুবই কঠিন হতো। তাই এ বিষয়গুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আরেকটি কারণ হচ্ছে, এসব বিষয়ে ইতঃপূর্বে বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়েছে।

জানা গেছে, পরীক্ষা নেওয়া হলে এক বেঞ্চে একজন করে এবং ‘জেড’ আকৃতিতে বসানো হবে। একেক দিন একটি করে গ্রুপের পরীক্ষা থাকবে। এরপরও যদি কোনো কেন্দ্রে আসনব্যবস্থার সংস্থান না হয়, তাহলে পার্শ্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে আসনব্যবস্থা করা যাবে। এ ব্যাপারে কেন্দ্র সচিবদের স্বাধীনতা দেওয়া হবে বলে জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

তিনি আরও বলেন, যেসব বিষয়ে ব্যাবহারিক আছে, সেগুলোয় ২৫-এর পরিবর্তে ৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। ইতোমধ্যে এসব শিক্ষার্থীকে কাজ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যাবহারিক খাতা জমাও নিয়েছে। এছাড়া ১২ নম্বরের এমসিকিউ এবং ২০-২৫ নম্বরের সৃজনশীল প্রশ্নের (সিকিউ) অংশের পরীক্ষা হবে। তবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও ফল তৈরি করা হবে পূর্ণমান ধরে (১০০ নম্বরে)। সিকিউ অংশে ২-৩টি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। তিন ঘণ্টার পরীক্ষা দেড় ঘণ্টা আর দুই ঘণ্টার পরীক্ষা এক ঘণ্টা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, ২৬ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। ওই স্তরের শিক্ষার্থীদের ১৫ সপ্তাহে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। এতেও গ্রুপভিত্তিক তিনটি করে নৈর্বাচনিক বিষয়ে মোট ছয়টি পত্রে (প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র) এই অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। প্রতি পত্রে পাঁচটি অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। তাদেরও সপ্তাহে দুটি করে অ্যাসাইনমেন্ট জমা থাকবে।

সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে গত বছরের মতো এসএসসি থেকে ৭৫ আর জেএসসি থেকে ২৫ শতাংশ নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার ফল করা হবে। এসএসসির ক্ষেত্রে নম্বর প্রাপ্তির শতভাগই গুরুত্ব থাকবে জেএসসির ফলের ওপর। যদি পরীক্ষা হয়, তাহলে নৈর্বাচনিক বিষয়ে আগের (জেএসসি ও এসএসসি) ফলে নজর দেওয়া হবে না। অ্যাসাইনমেন্টের ওপর জোর দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ।

নিজেদের ব্যবস্থাপনায় বাড়ি ফিরেছেন ঢাবির শিক্ষার্থীরা

করোনার সময়ে পরীক্ষা দিতে এসে আটকাপড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) কুমিল্লা জেলার শিক্ষার্থীরা নিজেদের ব্যবস্থাপনায় বাড়ি ফিরেছেন।

শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে তিনটি বাস ছেড়ে যায়।স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীরা বাসে উঠেন।

‘কুমিল্লা পরিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ প্লাটফর্ম শিক্ষার্থীদের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি লাঘবে এ উদ্যোগ নেয়। শিক্ষার্থীদের এ বাড়ি ফেরায় সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ‘কুমিল্লা পরিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর অন্যতম সংগঠক জহিরুল ইসলাম।

তিনি জানান, কঠোর লকডাউনের সময় শিক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েক দফা আবেদন করেও সাড়া মেলেনি। পরে এগিয়ে আসেন ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (র‍্যাব) মো. খোরশেদ আলম।

এ বিষয়ে খোরশেদ আলম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বিসিএস ক্যাডার হবে, অনেক বড় বড় চাকুরি করবে, ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠিত হবে। তখন তোমাদের জুনিয়রদের প্রতি লক্ষ্য রেখ। সবার ঈদযাত্রা শুভ হোক।’

২২ জেলার শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিল ববি প্রশাসন

পরীক্ষা দিতে এসে লকডাউনে আটকে পড়া ববি শিক্ষার্থীদের বিশেষ পরিবহণে দেশের ২২ জেলার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চলা এ বিশেষ পরিবহণে বাড়ি ফিরেছেন প্রায় এক হাজার ছাত্রছাত্রী।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার ২৪৩ জন শিক্ষার্থীকে ৯টি বাসে বরিশালের পার্শ্ববর্তী ১০টি জেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ৫৪৬ জন শিক্ষার্থীকে ১২টি বাসে ১০ জেলায় এবং শনিবার সকাল ৯টায় ঢাকা ও ময়মনসিংহের উদ্দেশে ১৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪টি বাস।

শিক্ষার্থী অমিত হাসান রক্তিম বলেন, কঠোর লকডাউনের মধ্যে বাড়ি ফিরতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একাধিক আবেদন করা হয়। আবেদনে সাড়া দিয়ে এ বাস সার্ভিস চালু করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিবহণপুলের ব্যবস্থাপক মেহেদি হাসান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৬টি বাসের সঙ্গে ৮টি ভাড়া বাস যুক্ত করে এ সার্ভিস দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শুধু ১৪টি জেলায় বিশেষ পরিবহণ সেবা প্রদানের সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় আরও ৮ জেলাকে এ সার্ভিসের আওতায় আনা হয়।

এ ব্যাপারে প্রক্টর ড. সুব্রত কুমার দাস বলেন, লকডাউনে বরিশালে আটকেপড়া সব শিক্ষার্থীকে বাড়ি ফিরতে বিশেষ পরিবহণ সেবা চালু করা হয়েছিল। এ সেবা নিতে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে নিবন্ধন করেছিল। প্রায় এক হাজারের মতো শিক্ষার্থী এ সেবা নিয়েছে।

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী নিয়োগ দিলেই কঠোর ব্যবস্থা

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ দিলেই নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশটির উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (২) জেনাথন ইয়াসিন শনিবার ১৭ জুলাই এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

এ বছর সাবাহ ইমিগ্রেশন বিভাগ ৬০১টি অভিযান চালিয়েছে। যার মধ্যে দেখা গেছে যে, ৩৪ জন নিয়োগকারীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে; ১০৬১ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১৭৩৯ জনকে তাদের নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

যৌথ অভিযানে অভিবাসীদের নিয়োগ ও সুরক্ষার জন্য সন্দেহযুক্ত নিয়োগকারীদের পাশাপাশি তাদের দেশে আনার সিন্ডিকেটগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

জেনাথন ইয়াসিন বলেছেন, বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আপস ছাড়াই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে বিভাগের উপসহকারী পরিচালক (প্রয়োগকারী) রোমেল মোকোকো রোডলফো সম্প্রতি ৬৭ ইমিগ্রেশন অফিসার, ২৭ জন পিপলস ভলান্টিয়ার কর্পস (রেলা) এবং সিভিল ডিফেন্সের চারজন কর্মী নিয়ে একটি যৌথ অভিযানে নামে। ১৬ জুলাই শনিবার থেকে শুরু হওয়া দুই দিনের অভিযানে ১৭৩ জন নিয়োগকর্তার মধ্যে ৬৫ জনকে সতর্ক করা হয়েছে ।

পাসপোর্ট বা অন্যান্য বৈধ কাগজপত্র না থাকার কারণে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৩ এর অধীনে বেশ কয়েকজন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের আটক কেন্দ্রে প্রেরণের আগে কোভিড-১৯ পরীক্ষাসহ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

এদিকে সাবাহে অবৈধ অভিবাসীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য এবং অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে অবৈধ অভিবাসীদের তথ্য দিতে সাবাহর জনগণকে অনুরোধ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

মদ্যপ রেল কর্মকর্তার কাণ্ড, ক্রসিংয়ে আটকে থাকল ট্রেন

সহকারী স্টেশন মাস্টার দায়িত্বরত অবস্থায় মদ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ায় সবুজ বাতি জ্বলার অপেক্ষায় প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে রেল ক্রসিংয়ে আটকে ছিল যাত্রীবাহী একটি ট্রেন।

ভারতের উত্তর প্রদেশের কাঞ্চৌসি রেলস্টেশনে এই ঘটনা ঘটে বলে জিনিউজ শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দিল্লি থেকে হাওড়াগামী ওই ট্রেনের বিলম্ব দেখে স্টেশন সুপার বিশ্বম্ভর দয়াল পান্ডেকে কাঞ্চৌসি রেলস্টেশনে পাঠায়। সেখানে গিয়ে মদ্যপ সহকারী স্টেশন মাস্টার অনিরুদ্ধ কুমারের মুখে পানি ছিটিয়ে তাকে জাগান বিশ্বম্ভর। পরে সবুজ সংকেত দেওয়ার পর ট্রেন ওই ক্রসিং পার হয়।
এ ঘটনায় অনিরুদ্ধকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনার তদন্ত চলছে। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য অনিরুদ্ধকে রেলওয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষায় মদ খাওয়ার বিষয়টি প্রমাণ হলে অনিরুদ্ধকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বিশ্বের বৃহৎ ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল উদ্বোধন

সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল উদ্বোধন করেছে। গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে সমুদ্র তীরবর্তী স্থানে গত ১৪ জুলাই (বুধবার) এ প্যানেলের উদ্বোধন করা হয়। এ প্রকল্প থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, তা দিয়ে দেশটির পাঁচটি পানি শোধনাগার চালানো যাবে। ১ লাখ ২২ হাজার প্যানেলের প্রকল্পটি ৪৫টি ফুটবল মাঠের সমান।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রসীমা বৃদ্ধিতে দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুর এমনিতেই হুমকিতে রয়েছে। সিঙ্গাপুরে মূলত স্থান সংকুলানের কারণে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিঙ্গাপুরে কার্বন নিঃসরণ কমাতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ভূমিকা রাখতে চারগুণ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

সিম্বকর্প ইন্ডাস্ট্রিজ সিঙ্গাপুরে সমুদ্রে সৌর প্যানেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এটি পশ্চিম সিঙ্গাপুরের একটি জলাধারে অবস্থিত। সিঙ্গাপুরের জাতীয় পানি সংস্থা পিইউবি ও সিম্বকর্পের দাবি, এ সৌরবিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর ৩২ কিলো টন কার্বন নির্গমন কমাতে সক্ষম হবে। এর অর্থ রাস্তা থেকে সাত হাজার গাড়ি সরিয়ে ফেললে যে পরিমাণ কার্বন কমবে, তার সমান।

সিম্বকর্প ইন্ডাস্ট্রিজের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সোলার প্রধান জেন টান বলেন, এ সৌর প্যানেল এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যাতে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে এবং পানির মধ্যে সূর্যের আলো পড়তে পারে। ২৫ বছরের বেশি সময় এ সৌর প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এটি রক্ষণাবেক্ষণে ড্রোনের সাহায্য নেওয়া হবে।

সবাইকে সজাগ থাকতে বললেন হানিফ

করোনা প্রতিরোধে মাস্কপরা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সতর্ক থাকা জরুরি। একশ্রেণির রাজনীতিবিদ ও ধর্ম ব্যবসায়ী ‘মাস্ক পরতে হবে না’ বলে অপপ্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪২নং ওয়ার্ড বেরাইদে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাবার ও ঈদসামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম রহমতুল্লাহ।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আনছার মিন্টুুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি বশির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, প্রচার ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পদক উইলিয়াম প্রলয় সমদ্দার বাপ্পি, ৪২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফারুক আহম্মেদ, মহানগর ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমপি একেএম রহমতুল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ‘তথাকথিত তলাবিহীন ঝুড়ি’ থেকে এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী করোনার টিকা সংগ্রহকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছেন। যত টাকাই লাগুক টিকা সংগ্রহ করে দেশের মানুষকে করোনা প্রতিরোধ টিকা দেওয়া হবে। টিকা কার্যক্রম চলছে। ডিসেম্বর নাগাদ পর্যন্ত টিকা এসে যাবে। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ধৈর্য রাখুন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় অতিতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা সফল হয়েছি। করোনা নিয়ন্ত্রণেও সফল হব, ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সুখে-দুখে, দুর্যোগে-দুর্বিপাকে সবসময় জনগণের পাশে থাকে।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি বলেন, আমাদের ওপর আল্লাহর অনেক রহমত আছে। তাই আমরা অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছি, নিরাপদ আছি। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মতো আসুন, সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, মাস্ক পরি। নিজে বাঁচি, পরিবার বাঁচাই, দেশ বাঁচাই।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর আইয়ুব আনছার মিন্টু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সংসদ সদস্য একেএম রহমতুল্লাহ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও দিকনির্দেশনায় আমরা আমাদের এলাকা রুটিন কাজের অংশ হিসেবে করোনাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি।

করোনায় সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরীর মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চার বারের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক খুররম খান চৌধুরী (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার বিকাল পৌনে ৫টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থার তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

খুররম খানকে গত ৮ জুলাই ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে করোনা পরীক্ষায় তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা একমাত্র ছেলে নাসের খান চৌধুরী, অস্ট্রেলিয়ায় একমাত্র মেয়ে মাফরিহীন খান চৌধুরী, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খুররম খান চৌধুরীর মৃত্যুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোক জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।