শনিবার ,২ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 723

বর্ষাকালের ডায়েটে যা খাবেন, যা খাবেন না

বর্ষার সময়ে দেখা মেলে হঠাৎ বৃষ্টির। এসময় মাঝে মাঝেই বৃষ্টি হওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পানি জমে থাকতেও দেখা য়ায়। আর এটি রোগবহনকারী বিভিন্ন অণুজীবের জন্য অনুকূল পরিবেশ দিয়ে থাকে। খাদ্য সংক্রমণসহ মশাজনিত বিভিন্ন রোগ বেশি হয়ে থাকে বর্ষাকালে।

তাই বর্ষার সময়ে আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভালো রাখতে কিছু ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যগ্রহণ করা উচিত। এসমেয় খুব সাধারন, পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে খাবার খাওয়ার মাধ্যমে নিজেকে বিভিন্ন রোগ থেকে নিরাপদ রাখতে এবং রোগে দ্রুত পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে পারেন আপনিও।

আর এই করোনা মহামারির মধ্যে সবসময় নিজের যত্ন নেওয়াটা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই বর্ষায় বিভিন্ন রোগ থেকে নিরাপদ থাকতে আপনার কী খাওয়া উচিত এবং কী খাওয়া উচিত নয় সে বিষয়ে রইল কিছু টিপস-

১. বিশুদ্ধ পানি পান করা
অনেকেই সরসরি বাসার যেকোন কল থেকে পানি পান করে থাকেন।কিন্তু অনেকেই জানেন না যে বর্ষাকালে এসব পানি খুব সহজেই জীবাণুতে পরিপূর্ণ ও দূষিত হতে পারে।আর এ পনি পান করার ফেল পেটে সংক্রমণ, ডায়রিয়া বা টাইফয়েড হতে পারে। সেজন্য বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে সবসময়।

২. টাটকা রান্না খাবার খেতে হবে
সবসময়েই টাটকা রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত। আর বর্ষার সময়ে বিভিন্ন কাচা সবজি সরাসরি না খেয়ে এর পরিবর্তে সিদ্ধ, বেকড বা স্যুট করে খেতে পারেন। কারণ বর্ষার সময়ে বিভিন্ন সবজিতে ময়লা থাকার কারণে এতে প্রচুর পরিমাণে জীবাণু থাকতে পারে। এটি আপনার গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যাগুলির কারণ হতে পারে।এ ছাড়া এই মৌসুমে সামুদ্রিক খাবারও এড়ানো উচিত।

৩. মশলাদার এবং তৈলাক্ত খাবার পরিহার করা
অনেকেই বৃষ্টির সময়ে পাকোড়া এবং সামোচা জাতীয় খাবারগুলো খেয়ে থাকেন। কিন্তু এসব খাবার আমাদের বিপাককে আরও ধীর করে দেয়। এজন্য এগুলো আমাদের পেটের জন্য ও স্বাস্থের জন্য অনেক ক্ষিতকারক হিসেবে কাজ করে।তাই বর্ষার সময়ে বেশি মশলাদার এবং তৈলাক্ত খাবার পরিহার করা উচিত।

৪. কিছু সবুজ শাক ও সবজি এড়ানো
পুষ্টির চাহিদা পূরনে সবসময় সবুজ শাক খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু বর্ষাকালে না খাওয়াই উত্তম। এ শাকগুলোর পাতায় আর্দ্রতা থাকার কারণে এটি সহজেই আপনার পেট খারাপের কারণ হতে পারে। এ ছাড়া বর্ষাকালে আবহাওয়া আর্দ্রতা থাকার কারণে এসব শাক জীবাণুর জন্য উপযুক্ত প্রজনন ক্ষেত্র হয়ে থাকে। তাই বর্ষাতে পালং শাক, বাঁধাকপি এবং ফুলকপির মতো খাবারগুলি এড়ানো ভাল।

৫. মসলা চা ও পানীয় খাওয়া
বর্ষার সময়ে আর্দ্রতা এবং ঘামের কারণে আমাদের দেহ থেকে প্রচুর তরল বের হয়ে যায়। তা্ই শরীরে তরলের ঘাটতি পূরণের জন্য অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানিয়, তরল খাবার এবং মশলা চা খেতে পারেন। এক্ষেত্রে তুলসী, আদা, এলাচ জাতীয় মশলা দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পনীয় অথবা চা খেলে সেটি আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সব ধরণের সংক্রমণ রোধ করতে উপকারী হতে পারে।

৬. মশলা
কিছু মশলা রয়েছে যেগুলো এন্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়এ থাকে। তাই আপনার প্রতিদিনের খাবারে হলুদ, কালো মরিচ এবং লবঙ্গের মতো মসলাগুলো রাখুন। এগুলো আপনাকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার পাসাপাশি ঠান্ডা এবং ফ্লুর মতো সমস্যা কমাতেও সাহায্য করবে।

শাবিপ্রবিতে শিক্ষক নিয়োগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জন্য শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন ডাকযোগে।

পদের নাম: প্রভাষক
পদসংখ্যা: ৩ জন
গ্রেড: ৯
বেতন: ২২০০০/- থেকে ৫৩০৬০/-

আবেদনের নিয়ম: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন প্লাটফরম থেকে নির্দিষ্ট ফরম সংগ্রহ করে তার সঙ্গে সব সনদ এবং প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত কপি ও পাসপোর্ট সাইজের ৪ কপি সত্যায়িত ছবিসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। আবেদন পাঠানোর ঠিকানা রেজিস্ট্রার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ৫ আগষ্ট পর্যন্ত আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন।

যেভাবে নির্ণয় হয় ক্যানসারের স্তর, কেমো কখন দিতে হয়?

ক্যানসার নামক জটিল রোগটি বর্তমানে বেশি হচ্ছে। ‘ক্যানসারে অবধারিত মৃত্যু’-এমন কথা এখন আর খাটে না। চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রসারের ফলে সঠিক সময়ে ক্যানসারের স্তর নির্ণয় করা গেলে কাজটা সহজ হয়ে যায়।
সঠিক সময়ে কেমো ও রেডিওথেরাপি দিতে পারলে রোগী সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।

সে কারণে ক্যানসারের স্টেজ নির্ণয়টা জরুরি। স্তর নির্ণয়ের উপায় ও দন্ত ক্যানসার রোগীদের কেমোথেরাপি নিয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন মুখ এবং দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফারুক হোসেন।

ক্যানসার শরীরের যে স্থানেই হোক না কেন তা অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিস্তার লাভ করে এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। ক্যানসার কোষের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে মেটাসটেসিস বলা হয়। বিনাইন টিউমারের ক্ষেত্রে মেটাসটেসিস হয় না, অর্থাৎ টিউমার যে স্থানে সৃষ্টি হয় সেখানেই বড় হতে থাকে। রক্ত পরীক্ষা বা বায়োপসির মাধ্যমে ক্যানসার নির্ণয়ের পর একজন রোগীর ক্যানসারের সার্বিক অবস্থা এবং এটি ছড়িয়ে পড়বে কিনা তা দেখার জন্য সিটি স্ক্যান বা এমআরআই করা হয়।

ক্যানসারকে বিভিন্নভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। আবার ক্যানসার কোনো পর্যায়ে বা স্টেজে রয়েছে তাও নির্ণয় করা হয়। ক্যানসারের শ্রেণিবিন্যাসগুলোর অন্যতম হলো TNM শ্রেণিবিন্যাস। TNM বলতে বোঝায় টিউমার, লিম্ফনোড এবং মেটাসটেসিস। TNM শ্রেণিবিন্যাসে টিউমারের অবস্থান, আকৃতি, ক্যানসার নিকটবর্তী কোনো লিম্ফনোডে বিস্তৃতি লাভ করেছে কিনা, তা দেখা হয়। আর মেটাসটেসিস বলতে ক্যানসারের ছড়িয়ে পড়াকে বোঝায়। মেটাসটেসিস কি পরিমাণ হয়েছে এবং কোথায় কোথায় হয়েছে তার ওপর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে।

ক্যানসারের শ্রেণিবিন্যাস এবং ক্যানসার কোন পর্যায়ে রয়েছে তা নিরূপণ করে নির্ধারণ করা হয় চিকিৎসায় কোনো রোগীর ক্ষেত্রে কি পরিমাণ বা মাত্রায় কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি প্রদান করা হবে। শুধু তাই নয়, রেডিওথেরাপি বা কেমোথেরাপি আগে দিয়ে পরে অস্ত্রোপচার করা হয়। আবার কখনও কখনও আগে ক্যানসারের অপারেশন করে পরে কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।

ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি দেওয়ার পর রোগীর মাথার চুল, শরীরের লোম এবং চোখের ভ্রু পড়ে যেতে পারে। কারণ কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি দেওয়ার সময় ক্যানসার কোষ মারা যাওয়ার পাশাপাশি কিছু সুস্থ কোষও মারা যায়। তাই ক্যানসারের চিকিৎসা রোগ নির্ণয়ের পর যত দ্রুত সম্ভব শুরু করা উচিত। অন্যথায় বিলম্ব হলে ক্যানসার কোষের মেটাসটেসিস বা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

অনেক সময় মেটাসটেসিস না হয়ে মাইক্রো মেটাসটেসিস হয়ে থাকে। সেসব ক্ষেত্রেও প্রয়োজন মতো রেডিওথেরাপি বা কেমোথেরাপি দিতে হয়। মুখের ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি হিসেবে সাইটোটক্সিক ওষুধ দেওয়ার পর রোগী দিনে বহুবার বমি করতে পারে। আবার বমি বমি ভাবও হতে পারে। আর মুখের কোনো আলসারকে সন্দেহজনক মনে হলে দ্রুত আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন মুখের ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে শতভাগ রোগ নিরাময় সম্ভব।

 

যেসব লক্ষণে বুঝবেন হাড়ে ক্ষয় ধরেছে, প্রতিরোধে কী করবেন

হাড় ক্ষয় একটি জটিল সমস্যা। বর্তমান সময়ে এই রোগে অনেকেই ভুগছেন। দীর্ঘদিন এই সমস্যা জিইয়ে রেখে একটা পর্যায়ে বড় ধরনের বিপদের সম্মুখীন হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

শুরুতে হাড় ক্ষয় রোগ শনাক্ত করা গেলে ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে মুক্তি মেলে।

হাড়ক্ষয়ের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন ল্যাবএইড হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. এসি সাহা।

তিনি বলেন, অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ হচ্ছে এমন একটি রোগ, যার ফলে হাড়ের ঘনত্ব নির্দিষ্ট মাত্রায় কমে যাওয়ায় হাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এতে হাড়ের ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমে যায়, হাড়ের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে ক্রমেই হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।

কারণ

* হাড়ের গঠন ও ক্ষয়ের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।

* মহিলাদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাব।

* থাইরয়েড এবং প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থিজনিত সমস্যা।

* অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ।

* জেনেটিক বা বংশানুক্রমিক রোগ যেমন- হাড়ের ক্যান্সার ইত্যাদি।

উপসর্গ ও লক্ষণ

অস্টিওপোরোসিসে হাড় নীরবে ক্ষয় হতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে হাড় ভাঙার মাধ্যমে এর উপস্থিতি প্রথমে টের পাওয়া যায়। প্রধান লক্ষণ-

* হাড় ও পেশিতে ব্যথা।

* ঘাড় ও পিঠে ব্যথা।

* খুব সহজে দেহের বিভিন্ন স্থানে হাড় (বিশেষ করে মেরুদণ্ড, কোমর বা কব্জির হাড়) ভেঙে যাওয়া।

* কুঁজো হয়ে যাওয়া।

যাদের ঝুঁকি বেশি

* মেনোপজ বা ঋতু বন্ধ-পরবর্তী মহিলা।

* অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করা।

* ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন করা।

* শরীরচর্চা না করা।

* রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গেঁটেবাত।

* এইডস, স্তন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি রোগ এবং এসব রোগের ব্যবহৃত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়।

* দীর্ঘ দিন ধরে কটিকোস্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করা।

যেভাবে শনাক্ত করবেন

সাধারণ এক্স-রে দ্বারা অস্টিওপোরোসিস সম্পর্কে ধারণা করা যেতে পারে। তবে সঠিকভাবে এর মাত্রা জানতে হলে বোন মিনারেল ডেনসিটি (বিএমডি) পরীক্ষা করা দরকার। সাধারণত কোমর, মেরুদণ্ড বা কব্জির ডেক্সা স্ক্যান করে বিএমডির সঠিক মাত্রা নির্ণয় করা হয়। বিএমডি দ্বারা হাড়ের ঘনত্ব সঠিকভাবে নির্ণয় করে হাড় ভাঙার ঝুঁকি এবং এর সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণ করা যায়।

বিএমডির মাত্রাগুলো জেনে নেয়া যাক

* স্বাভাবিক : I score-ISD এর সমান বা ওপর (পজেটিভ)

* অস্টিওপেনিয়া : T score- ISD থেকে-2.5 SD

* অস্টিওপোরোসিস : T score- 2.5 SD থেকে কম (নেগেটিভ)

কী করবেন

* সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।

* পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ।

* নিয়মিত শরীরচর্চা করা (যেমন- নিয়মিত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা ইত্যাদি)।

* ধূমপান ও মদপান থেকে বিরত থাকা।

ক্যালসিয়াম : প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের (১৮-৫০ বছর পর্যন্ত) দৈনিক ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ৫১ বছর বা তদূর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাবার থেকে গ্রহণ করা উচিত। দুধ, শাকসবজি, হাড়সহ ছোট মাছ, ফলমূল, সরিষার তেল ইত্যাদি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার।

ভিটামিন ‘ডি’ : ভিটামিন ‘ডি’-এর অন্যতম উৎস হল সূর্যালোক। মানবদেহের অভ্যন্তরে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি হওয়ায় একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যালোক দেহের সংস্পর্শে আসা প্রয়োজনীয়। সামুদ্রিক মাছ (যেমন- টুনা, সার্ডিন, স্যালমন ইত্যাদি), কড লিভার তেল, ডিম, দুধ, গরুর কলিজা, মাখন ইত্যাদি ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার।

ব্যায়াম: ব্যায়ামের মাধ্যমে সুস্থ হাড় পাওয়া সম্ভব। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস, সাইকেল চালান, সাঁতার কাটার মাধ্যমে নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

চিকিৎসা

সঠিক সময়ে অস্টিওপোরোসিসে চিকিৎসা না নিলে দেহের বিভিন্ন অংশের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক বিবেচনায় দুঃসহ জীবনযাপন করতে হয়। বিশ্বজুড়ে প্রতি পাঁচজনে একজন রোগী হাড় ভাঙার এক বছরের মধ্যে মারা যায়। কাজেই অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তার দিকে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। জীবনযাত্রার সঠিক নিয়মগুলো মেনে চলা উচিত।

* নিয়মিত ব্যায়াম করা।

* ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন করা।

* শরীরে ওজন কমান, ফাস্টফুড ও চর্বিজাতীয় খাদ্য এড়িয়ে চলা।

* পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার যেমন- ছোট মাছ, দুধ, ডিম ইত্যাদি গ্রহণ করা।

* চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক মাত্রার ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ ট্যাবলেট গ্রহণ করা যেতে পারে।

* বয়স্ক পুরুষ বা নারী এবং মেনোপজ পরবর্তী মহিলাদের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’-এর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাড় ক্ষয় প্রতিরোধকারী ওষুধ যেমন- বিসফসফোনেট, এলেনড্রোনিক এসিড, ইবানড্রোমি এসিড, জোলেনড্রোনিক এসিড জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করা যেতে পারে।

অস্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব কমে হার ছিদ্রযুক্ত, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। সঠিক সময়ে এর প্রতিরোধ বা চিকিৎসা না নিলে একান্ত ব্যক্তিগত কাজকর্ম যেমন- নামাজ পড়া, গোসল করা, টয়লেটে যাওয়া, হাঁটাচলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে তিন সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। এসএসসির জন্য ১২ সপ্তাহে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে শিক্ষার্থীদের। গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে এসব অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে।

রোববার রাতে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এই অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়। অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ ও মূল্যায়ন নির্দেশিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে এবার সব বিষয়ে না নিয়ে কেবল গ্রুপভিত্তিক নৈর্বাচনিক তিন বিষয়ে নেওয়া হবে। এই বিষয়গুলোর সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি শেষ করা হবে অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে।

গত বৃহস্পতিবার এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় হচ্ছে এসএসসি ও সমমান এ বছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ।

এই পরীক্ষার জন্য অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচির (সিলেবাস) ভিত্তিতে এসএসসি ও সমমানের অ্যাসাইনমেন্ট ১৮ জুলাই থেকে দেওয়া শুরু হবে। যেটি প্রকাশ করা হলো রোববার রাতে।

১২টি সপ্তাহে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে প্রতি সপ্তাহে দুটি করে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেবে শিক্ষার্থীরা। প্রতিটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে মোট আটটি করে অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি সম্পন্ন করো হবে।

তবে বাংলা, ইংরেজিসহ আবশ্যিক বিষয়ে এবং চতুর্থ বিষয়ে কোনো অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে না শিক্ষার্থীদের। আবশ্যিক বিষয়ের নম্বর জেএসসি, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ‘বিষয় ম্যাপিং’ করে নম্বর নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ শুধু নৈর্বাচনিক তিনটি বিষয়ের মূল্যায়ন হবে।

জনপ্রিয়তা বাড়ছে রাশেদ সীমান্তর

ছোটবেলায় মাঝে মধ্যে স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে একক অভিনয় করতেন রাশেদ সীমান্ত। বড় হয়ে সেই কাজটিও করেননি তিনি। পড়ালেখা শেষ করার পর চাকরি জীবনে ঢুকে পড়েন। বর্তমানে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের মার্কেটিং বিভাগে চাকরি করেন এই তরুণ অভিনেতা। অনেকটা শখের বসেই ২০১৮ সালের ঈদে আল হাজেনের পরিচালনায় ‘যেই লাউ সেই কদু’ নাটকে অভিনয় করেন। সাবলীল অভিনয়ের কারণে অভিষেকেই প্রশংসিত হন তিনি।

এরপর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতি ঈদ ও ভালোবাসা দিবসের নাটকে অভিনয় করে যাচ্ছেন রাশেদ সীমান্ত। ২০১৯ সালের কুরবানির ঈদের নাটক ‘মধ্য রাতের সেবা’তে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসিত হন। ইউটিউবের মাধ্যমে নাটকটির ভিউ ছিল প্রায় ১০ কোটির মতো। ২০২০ সালের দুই ঈদে ‘জামাই বাজার-১’ ও ‘জামাই বাজার-২’ নাটক দুটিও প্রায় দুই কোটির মতো ভিউ হয়। অল্প সময়েই তারকা বনে যাওয়া এই অভিনেতা আগামী ঈদেও চারটি নাটকে অভিনয় করেছেন। নাটকগুলো বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে।

ঈদের দিন রাত ৮টা ১০ মিনিটে রোমান রুনির পরিচালনায় প্রচার হবে নাটক ‘হাটা জামাই’।

ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত ১১টা ৫ মিনিটে প্রচার হবে একক নাটক ‘নয়ন তারা স্টোর’। এটি পরিচালনা করেছেন মিলন ভট্ট।

ঈদের তৃতীয় দিন রাত ৮টা ১০মিনিটে প্রচার হবে একক নাটক ‘ভাইয়ের সাথে একান্ত আলাপে’। এটি পরিচালনা করেছেন তারিক মুহম্মদ হাসান। এছাড়া ঈদের অনুষ্ঠানমালায় প্রতিদিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে রাশেদ সীমান্ত অভিনীত একমাত্র ধারাবাহিক ‘প্রবাসী টাকার মেশিন’। টিপু আলম মিলনের গল্পে নাটকটি পরিচালনা করেছেন আল হাজেন।

নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে রাশেদ সীমান্ত বলেন, নাটকে অভিনয় করে এত মানুষের প্রশংসা পাব তা ভাবতেই পারিনি এর আগে। অনেকটা শখের বসেই অভিনয় শুরু করেছিলাম। তবে বর্তমানের পরিকল্পনা হলো প্রতিটি উৎসবের নাটকে অভিনয় করে যাব। আর দর্শক যতদিন আমার অভিনয় পছন্দ করবেন, ঠিক ততদিনই কাজ করব। এখন পর্যন্ত দর্শকের কাছে থেকে যে সাড়া পেয়েছি তা আজীবন মনে থাকবে আমার। সবার কাছে দোয়া চাই যেন এই মহামারির মধ্যেও সুস্থ থাকতে পারি।

ঈদ আয়োজনে বিটিভিতে গাইবে ১৫টি ব্যান্ড

ঈদে বিটিভির অনুষ্ঠানমালার বড় একটা অংশ জুড়ে রয়েছে ব্যান্ড সংগীতের আয়োজন। যে অনুষ্ঠানগুলোতে গান গেয়েছে দেশের খ্যাতনামা ১৫টি ব্যান্ড।

বিটিভির অনুষ্ঠান বিভাগ জানিয়েছে, ঈদের দিন বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে প্রচার হবে ব্যান্ড শো ‘রক কার্নিভাল’। ৮টি ব্যান্ডের অংশগ্রহণে এ অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে ব্যান্ড চিরকুট গাইবে ‘কেউ জোনাক জেলে রং আঁকে’, আর্বোভাইরাস গাইবে ‘নিজেদের হয়নি দেখা আয়নায় অথবা নগ্নতায়’, ‘গহীনে টুকরো হয়ে গেছে আমাদের মন’ গাইবে ব্ল্যাক, ‘এখন তুমি সুখে নেই’ গানটি গাইবে নোভা, ‘আরো আগে ধ্রুবস্বরে ভেসে যায় অপরাপর’ গাইবে ব্যান্ড মেকানিক্স, ‘তোমার সঙ্গে আমি হারিয়ে যাব’ গানটি গাইবে ব্যান্ড ইনডালো, ‘জেগে জেগে রাত’ গাইবে পেন্টাগন এবং ব্যান্ড ট্রেইনরেক গাইবে ‘নাইন জিরো নাইন এন গাল্ফ হিশেল দ্যা ভেরি কগনিশন’। ফজলে আজিম জুয়েলের প্রযোজনায় ‘রক কার্নিভাল’ উপস্থাপনা করেছেন মুনিয়া ইসলাম।

ঈদের ৪র্থ দিন বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে প্রচার হবে ব্যান্ড শো ‘হাসতে দেখো গাইতে দেখো’। নীল হুরের জাহানের উপস্থাপনায় এটি প্রযোজনা করেছেন লুৎফর রহমান রবিন। এ আয়োজনে ‘ভাল আছি ভাল থেকো’ এবং ‘আমি আসি বলে তুমি’ গান দুটি গাইবে ব্যান্ড সিম্পনী, ‘নিঝুম রাতে এসরে বন্ধু’ এবং ‘স্বাধীনতা তোমাকে নিয়ে’ গান দুটি গাইবে ব্যান্ড পার্থিব, ‘নিশি রাতে জংলাফুল’ এবং ‘মনে করি আসাম যাবো’ গান দুটি গাইবে ব্যান্ড এফ মাইনর, ‘শহরতলীর আকাশ’ ও ‘হাসতে দেখো গাইতে দেখো’ গান দুটি গাইবে ব্যান্ড শহরতলী।

ঈদের ৬ষ্ঠ দিন রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে শাহ জামান মিয়ার প্রযোজনায় প্রচারিত হবে ব্যান্ড শো ‘ঈদের ব্যান্ড সংগীত’। ‘কেন তুমি বোঝ না’ ও ‘আকাশ বাতাস সাক্ষী রেখে’ এবং ‘যাচ্ছ দূরে যাও তুমি বাধা দেবে না’ গাইবে ব্যান্ড কিশোর এ্যান্ড ফ্রেন্ডস, ‘পায়ের মল শোনা যায়’ ও ‘কেন জানি বারে বারে’ এবং ‘রং চংগা এই শহরটায় কত বাদ্য শোনা যায়’ গাইবে ব্যান্ড নরদান স্টার, ‘নিন্দুকের মুখে ছাই পড়ুক’ ও ‘তোমরা দেখগো আসিয়া’ এবং ‘মাটির পরিচয় স্নেহময়ী জননী’ গাইবে ব্যান্ড রেশমি ও মাটি।

মেসির মতো চোখ ধাঁধানো ফ্রি-কিকে গোল করলেন জামাল ভূঁইয়া

ফ্রি-কিক সম্রাট কে? এক শব্দে উত্তর – মেসি। ইউরোপীয় লিগে বার্সেলোনার খেলায় ফুটবলপ্রেমীরা চাতকের ন্যায় চেয়ে থাকেন, কখন মেসির পায়ে ফ্রি-কিক দেখা যাবে।

লা লিগায় অসংখ্য ম্যাচে ফ্রি-কিক থেকে গোল পাইয়ে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মেসি। অসাধারণ সেসব ফ্রি-কিক নেটদুনিয়ায় ঘুরপাক খায়। সদ্য সমাপ্ত কোপা আমেরিকাতেও মেসির দুটি ফ্রি-কিক এখনও আলোচনায়।

ফ্রি-কিক নিয়ে মেসি বন্দনা কখনোই শেষ হবার নয়। মেসির দুর্দান্ত সব ফ্রি-কিক নিয়ে যখন আলোচনায় মশগুল বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা, তখন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া দেখালেন, আমিও পারি।

অসাধারণ এক ফ্রি-কিকে আরামবাগের জালে বল জড়িয়ে দিলেন জামাল ভূঁইয়া। কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষকের।

চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সোমবার আরামবাগের বিপক্ষে দর্শণীয় ফ্রি-কিকটি করেছেন জামাল।

ভারতের আই লিগে কলকাতা মোহামেডানের হয়ে খেলায় লিগের প্রথম পর্বে ছিলেন না জামাল। দ্বিতীয় পর্বে এসে যোগ দেন পুরনো ক্লাব সাইফে।

আজ আরামবাগের বিপক্ষে মাঠে নামে সাইফ। ৩-৩ গোলের সমতায় ম্যাচ ৮৮ মিনিট পেরিয়ে যায়। নিশ্চিত ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি হবে ধারণা করছিল অনেকে।

কিন্তু এ সময় দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে জামাল ভূইয়া কাঁপিয়ে দেন আরামবাগের জাল। ফ্রি-কিকটি ছিল লিওনেল মেসির মতোই চোখ ধাঁধানো।

ডিমের বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে ছুটছেন মেসি

পর্তুগিজ ফুটবলের যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানোর রোনাল্ডোর একটি বিশ্বরেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেন ফুটবলের আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি। আর তা নিজের অজান্তেই।

এবার একটি ডিমের রেকর্ড ভাঙতে ছুটছেন মেসি।

বোঝাই যাচ্ছে, রেকর্ডটি মাঠের বাইরের বিষয়।

এস্তাদিও দে মারাকানায় ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপার শিরোপা নিয়ে সাজঘরে খালি গায়ে একটি ছবি তুলেছিলেন মেসি, যা নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্টের পর এক সপ্তাহে রেকর্ড গড়েছে।

এখন পর্যন্ত ছবিতে প্রতিক্রিয়া পড়েছে প্রায় ২ কোটি ৯৭ লাখ ৭ হাজার ৬০০টি, যা রোনাল্ডোর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা যে কোনো ছবি থেকে বেশি।

সে অর্থে এখন ইনস্টাগ্রাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রতিক্রিয়া পাওয়া ‘ক্রীড়াবিষয়ক’ ছবি এখন মেসিরই।ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার রোনাল্ডোর। এরপরও রোনাল্ডোর ইনস্টাগ্রামে আপলোড করা কোনো ছবির প্রতিক্রিয়া ২ কোটি পার হতে পারেনি। তার ইনস্টাগ্রামে সর্বোচ্চ প্রতিক্রিয়া পাওয়া ছবিটি হচ্ছে গত বছরের ২৫ নভেম্বরে আপলোড করা একটি ছবি। কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন রোনাল্ডো। এতে এখন পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া এসেছে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৬৫ হাজার।

রোনাল্ডোকে ছাড়িয়ে গেলেও মেসির ছবিটি বিশ্বরেকর্ডে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। অবাক করা বিষয় হলো প্রথম অবস্থানে আছে একটি ডিমের ছবি। ওয়ার্ল্ডরেকর্ডএগ নামক অ্যাকাউন্ট থেকে মজার ছলে ২০১৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছবিটি আপলোড হয়। অদ্ভূত কারণে ছবিটি এতোই জনপ্রিয়তা পায় যে, ইনস্টাগ্রামে সর্বোচ্চ প্রতিক্রিয়া পাওয়া ছবি এটিই। সে ছবির প্রতিক্রিয়া সংখ্যা জানলে তাজ্জব বনে যাবেন যে কেউ। ছবিটিতে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫ কোটিরও বেশি প্রতিক্রিয়া এসেছে।

 

অর্থাৎ ডিমের ছবিকে হারিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়তে আরো অনেক দূর যেতে হবে মেসিকে।

রাজশাহীতে আরও ২০ জনের মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, নতুন করে মারা যাওয়া ২০ জনের মধ্যে চারজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। আর ১৬ জন মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে।

মৃত ২০ জনের মধ্যে রাজশাহীর আটজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই, নাটোরের পাঁচ, নওগাঁর দুই, পাবনার তিনজন রোগী ছিলেন। হাসপাতালটিতে এ মাসের ২০ দিনে ৩৪৯ জনের মৃত্যু হলো।

হাসপাতাল পরিচালক শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬০ জন। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন ৪৮০ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৪৫৪টি।