সোমবার ,৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 677

মাল্টায় শ্রমিক প্রেরণে সর্বোচ্চ ব্যয় দুই লাখ টাকা

দক্ষিণ ইউরোপের ক্ষুদ্র দেশ মাল্টায় দক্ষ শ্রমিক প্রেরণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশটিতে প্রায় ২০ হাজারের অধিক দক্ষ শ্রমিক আসার সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু দালালচক্র মানবপাচারে জড়িত হচ্ছে । এসব পাচারকারীদের দিকে সতর্ক দৃষ্টি ও খেয়াল রাখতে হবে। এ দালাল চক্রের অপতৎপরতা কারণে শুধু মাল্টা নয় পুরো ইউরোপের শ্রমবাজার বন্ধ হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় ইউরোপের সর্ববৃহৎ সংগঠন অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন আয়েবা আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সংগঠনটির মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ। তিনি বলেন, মাল্টায় শ্রমিক প্রেরণে ভিসা প্রসেসিং, অনুষঙ্গিক ফাইল চার্জ এবং যাতায়ত ভাড়াসহ সর্বোচ্চ ব্যয় হবে দুই লাখ টাকা। ইতোমধ্যে দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে মাল্টায় আসা ১৬৫ বাংলাদেশি জেলবন্দি রয়েছেন।

সংগঠনের সহ-সভাপতি ফখরুল আকম সেলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ। তিনি বলেন, মানব চক্রের খপ্পরে পড়ে মাল্টায় যে ১৬৫ বাংলাদেশি জেল বন্দি রয়েছেন, তাদের মুক্তির ব্যাপারেও আয়েবা উদ্যোগ নিয়েছে।

এ বিষয়ে যেকোনো পরামর্শ জানতে চাইলে যে কেউ আয়েবার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। মাল্টা এবং বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তার উন্নয়নেও আয়েবা তার ভূমিকা পালন করবে।

মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আয়েবা এক্সিকিউটিভ শরীফ আল মমিন, এমদাদুল হক স্বপন এবং টিএম রেজা।

চীনের আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ারে বাংলাদেশি পণ্যের সফল প্রদর্শনী

‘সহযোগিতার জন্য নতুন সুযোগগুলো উপলব্ধি করুন এবং উন্নয়নের একটি নতুন যাত্রা শুরু করুন’ স্লোগানকে সামনে রেখে চীনে ইএইএফ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড কো-অপারেশন এক্সপো এবং চায়না (শানশি) আমদানি ও রপ্তানি পণ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ থেকে ২১ অক্টোবর চীনের শানশি প্রদেশের রাজধানী শি’আন শহরে অবস্থিত শি’আন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে েএই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

আমদানি ও রপ্তানি পণ্য মেলা-২০২১ অনলাইন এবং অফলাইনে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলাতে চীনে বাংলাদেশি ব্যক্তি মালিকানধীন কোম্পানি ইউ এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইম্পোর্ট কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশি পাটজাত এবং হস্তশিল্পজাত পণ্য প্রর্দশন করে।

এ এক্সপো চীনের পশ্চিম অঞ্চলে প্রথম বৃহৎ আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের প্রদর্শনী। ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ফোরামের সাংগঠনিক কমিটির সহয়তায়, শানশি প্রাদেশিক বাণিজ্য বিভাগের সমন্বয়ে মেলাটি শি’য়ান পৌর জনগণের সরকার আয়োজন করে।

বাংলাদেশি কোম্পানীর স্টলে প্রদর্শিত হয়েছে পাটজাত হস্তশিল্পের আকর্ষণীয় পণ্যসামগ্রী, পাটের তৈরি ব্যাগ, ঝুড়ি, উপহার সামগ্রী, মেয়েদের অলংকার সামগ্রীসহ অন্য পণ্যসামগ্রী। মেলাতে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতি চীনা নাগরিকসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকদের আগ্রহ দেখা যায়। তাছাড়া বাংলাদেশি স্টলে ছিল ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়।

মেলায় অংশগ্রহণকারী শি’য়ান শহরে বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মো. খায়রুল এনাম বলেন, মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির প্রদর্শনীগুলো খুব কাছ থেকে দেখা, কথপোকথন ও তথ্য সংগ্রহ করেছি। যার অনেক ধারণা লজিস্টিকস ইঞ্জিনিয়ারিং একজন ছাত্র হিসাবে আমাকে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে।

মেলায় প্রদর্শনী এলাকাটি ৭২০০০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। ১২০০টির বেশি কোম্পানি তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যযুক্ত পণ্যগুলো মেলায় প্রদর্শন করে। বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ কোম্পানির মধ্যে ৪০টিরও বেশি কোম্পানি মেলায় অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস, চেক প্রজাতন্ত্র, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ভিয়েতনাম, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, রাশিয়া, নেপাল, লাটভিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, আর্মেনিয়া, আফগানিস্তান এবং অন্যান্য দেশের স্থানীয় কোম্পানিগুলো নিজ নিজ দেশের পণ্য নিয়ে আমদানি ও রপ্তানি মেলাতে অংশগ্রহণ করে। দর্শনার্থীরা মনে করেন বাংলাদেশি পণ্য ভবিষ্যতে চীনা বাজারে ভালো সাড়া ফেলবে।

মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে কিনা বুঝবেন কীভাবে

আমাদের সারা শরীর নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ না করলে সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়। মস্তিষ্কে নানামুখী সমস্যা দেখা দেয়।  এর মধ্যে  ব্রেন টিউমার সমস্যাটি দিন দিন বেড়েই চলেছে।

অনেক ধরনের ব্রেন টিউমার আছে।  কিছু ক্যান্সারযুক্ত (ম্যালিগন্যান্ট) এবং কিছু ননক্যান্সার (বেনিন)।  কিছু ম্যালিগন্যান্ট টিউমার মস্তিষ্কে শুরু হয়, আর তাদের প্রাথমিক মস্তিষ্কের ক্যান্সার বলা হয়।  এ ছাড়া ম্যালিগন্যান্ট ক্যান্সার শরীরের অন্য অংশ থেকে মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে সেকেন্ডারি ব্রেন টিউমার হয়।

মস্তিষ্কের টিউমারের অনেক সম্ভাব্য লক্ষণ রয়েছে।  আবার যাদের মস্তিষ্কে টিউমার আছে, তাদের এসব লক্ষণের সবই দেখা দেবে এমনটিও নয়।

আজ জানুন এমন কিছু বিষয়ে, যা মস্তিষ্কের টিউমার নিয়ে আপনার জানা উচিত—

১. মাথাব্যথায় পরিবর্তন
অনেক বেশি পরিমাণে মাথাব্যথা হওয়াটা মস্তিষ্কের টিউমারের অন্যতম একটি লক্ষণ। মস্তিষ্কের টিউমার একটি সংবেদনশীল স্নায়ু এবং এটি রক্তনালির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মস্তিষ্কের টিউমার মস্তিষ্কে তরল পদার্থকে অবাধে প্রবাহিত হতে বাধা দেয় এবং বর্ধিত চাপ সাধারণত মাথাব্যথার কারণ হয়।

এমন ব্যথা সাধারণত মাইগ্রেনের ব্যথার মতো হয় না। এর সঙ্গে বমিভাব, সকালে বেশি ব্যথা এবং ব্যথার কোনো ওষুধে কাজ করে না। এমনটি হলে আপনার দ্রুতই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. খিঁচুনি
টিউমার মস্তিষ্কের কাঠামোর ওপর চাপ দিতে পারে। এর কারণে এটি স্নায়ুকোষের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতগুলোতে হস্তক্ষেপ করতে পারে এবং এর ফলে খিঁচুনি হতে পারে। খিঁচুনি কখনও কখনও মস্তিষ্কের টিউমারের প্রথম লক্ষণ হলেও এটি যে কোনো পর্যায়েও হতে পারে।

৩. মেজাজে প্রভাব
মস্তিষ্কে টিউমার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ব্যাহত করে আপনার ব্যক্তিত্ব এবং আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে মেজাজের অনেক পরিবর্তনও ঘটতে পারে। আপনার অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন ভাব হলে অবহেলা না করে চিকিৎষকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪. স্মৃতিশক্তি হ্রাস
স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যা মস্তিষ্কের যে কোনো জায়গায় টিউমারের কারণে হতে পারে। বিশেষ করে এটি যদি টেম্পোরাল লোবকে প্রভাবিত করে তা হলে এ সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এটি স্মৃতিশক্তি হ্রাসের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণে, কোনো বিষয়ে মনোনিবেশ করা ও সহজেই বিভ্রান্ত হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৫. ক্লান্তি
অল্পতেই অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে যাওয়া মস্কিষ্কে টিউমারের লক্ষণ হতে পারে। দুর্বল বোধ করা, শরীরের অঙ্গগুলো ভারি মনে হওয়া, দিনের মাঝামাঝি সময়ে ঘুমিয়ে পড়া ও ফোকাস করতে না পারার মতো সমস্যা ক্যান্সারজনিত মস্তিষ্কের টিউমারের কারণে হতে পারে।

৬. বিষণ্নতা
মস্তিষ্কে টিউমার রোগীদের বিষণ্নতা হওয়াটা একটি সাধারণ উপসর্গ। অনুভূতি কমে যাওয়া, যে কোনো বিষয়ে অনাগ্রহ, ঘুমের সমস্যা, অনিদ্রা, আত্মহত্যা বা আত্মহত্যার চিন্তা, অপরাধবোধ বা মূল্যহীনতার অনুভূতি ইত্যাদি বিষয় কাজ করতে পারে মস্তিষ্কে। তাই এমনটি হলে চিকিৎষকের পরামর্শ নিন।

ফিস্টুলা কী, কারণ ও প্রতিকার

ফিস্টুলা মলদ্বারের একটি জটিল রোগ। এটি ভগন্দর নামেও পরিচিত। মলদ্বারের ভেতরের সঙ্গে বাইরের নালি তৈরি হওয়াকে বলা হয় ফিস্টুলা। এটি অতি প্রাচীন রোগ।

ফিস্টুলার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক। তিনি বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ।

এ রোগটির উৎপত্তি হয় মলদ্বারের বিশেষ ধরনের সংক্রমণের কারণে। মলদ্বারের ভেতরে অনেক গ্রন্থি রয়েছে, এগুলোর সংক্রমণের কারণে ফোড়া হয়। এই ফোড়া একসময় ফেটে গিয়ে মলদ্বারের চতুর্দিকের, কোনো একস্থানে একটি ছিদ্র দিয়ে বের হয়ে আসে এবং পুঁজ নির্গত হতে থাকে। এ সংক্রমণের কারণে মলদ্বারে প্রচুর ব্যথা হয়। রোগী সারা দিন ব্যথায় কাতরাতে থাকেন। পুঁজ বের হওয়ার পর ব্যথা কমতে থাকে। মলদ্বারে পার্শ্বস্থিত কোনো স্থানে এক বা একাধিক মুখ দিয়ে মাঝেমধ্যে পুঁজ বের হয়ে আসাকে আমরা ফিস্টুলা বা ভগন্দর বলে থাকি।

মলদ্বারের ক্যান্সার এবং বৃহদন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগেও ফিস্টুলা হয়ে থাকে। মলদ্বারে যক্ষ্মার কারণেও ফিস্টুলা হতে পারে।

প্রকারভেদ

ফিস্টুলা দুই প্রকার—

সাধারণ ফিস্টুলা : এটি মলদ্বারের মাংসপেশির খুব গভীরে প্রবেশ করে না, বিধায় চিকিৎসা সহজসাধ্য।

জটিল ফিস্টুলা : এর বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে এবং তা নির্ভর করে এর নালিটি মলদ্বারের মাংসের কতটা গভীরে প্রবেশ করেছে এবং কতটা বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে এটি বাইরের মুখ পর্যন্ত এসেছে। এগুলোর চিকিৎসা সত্যিকার দুঃসাধ্য। তার পর যদি এ নালি একের অধিক হয় তা হলে তো আর কথাই নেই। এ রোগের অপারেশনের প্রধান প্রতিবন্ধকতা হলো সঠিকভাবে অপারেশন সম্পাদন করতে ব্যর্থ হলে রোগী মল আটকে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে।

ফিস্টুলা বা ভগন্দরের লক্ষণ বা উপসর্গ
এ রোগের লক্ষণ মূলত তিনটি। যেমন- ১. ফুলে যাওয়া, ২. ব্যথা হওয়া এবং ৩. নিঃসরণ বা পুঁজ ও আঠালো পদার্থ বের হওয়া।
বেশিরভাগ রোগীই আগে মলদ্বারে ফোড়া হয়েছিল বলে জানান। ভেতরে ফোড়া হাওয়ার জন্য ফুলে যায় এবং ব্যথা হয়। যখন এগুলো ফেটে মুখ দিয়ে কিছুটা পুঁজ বের হয়ে যায় তখন ব্যথা এবং ফোলা কমে যায়। নিঃসরণ বা পুঁজ পড়া সাধারণত মাঝে মাঝে হয়। কখনও কখনও ২-৪ মাস রোগটি সুপ্ত থাকে।
কখনও কখনও মলের সঙ্গে পুঁজ ও আম পড়তে থাকে। সমস্যা একটানা না থাকার কারণে রোগীরা অনেক সময় ভাবেন যে সম্ভবত ভালো হয়ে যাব। কিন্তু দু’চার মাস পর আবার যখন একই সমস্যা দেখা দেয় তখন আবার আমাদের কাছে এসে বলে স্যার এখন কি করা যায়?

কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন
* প্রক্টস্কোপি, সিগময়ডসকপি
* কোলনস্কপি
* বেরিয়াম এক্সরে
* ফিস্টুলো গ্রাম : খুব একটা অবদান রাখতে পারে না। মলদ্বারের ভেতরে আঙুল দিয়ে পরীক্ষা করাটা আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়।
* এনাল এন্ডোসনোগ্রাফি।

অস্ত্রোপচার
বর্তমানে ফিস্টুলা চিকিৎসার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত অপারেশন পদ্ধতিগুলো হচ্ছে-

* ফিস্টুলোটোমি। * ফিস্টুলেকটোমি। * সিটন পদ্ধতি। * ফিস্টুলা প্লাগ। * ফিস্টুলা গ্লু। * ফ্ল্যাপ ব্যবহার। * রেডিওফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার। * লেজার ব্যবহার। * স্টেম সেল ব্যবহার। * মলদ্বারের মাংসপেশির মাঝখানের নালি বন্ধ করে দেওয়া। * এন্ডোস্কোপিক ফিস্টুলা সার্জারি।
এগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি বহুল ব্যবহৃত। বাকিগুলো বিশেষ ক্ষেত্রে কিংবা অতিজটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পদ্ধতি যাই হোক না কেন, ফিস্টুলার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয় যেমন- সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, ফিস্টুলা নালিটি বন্ধ করা এবং মল ধরে রাখার ক্ষমতা বজায় রাখা।
ফিস্টুলা চিকিৎসার অন্যতম দিক হলো অপারেশনের পর ফিস্টুলা পুনরাবৃত্তি না হওয়া এবং মল ধরে রাখার ক্ষমতা বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা।
সাধারণত কোমরের নিচ থেকে অবশ করে অপারেশন করা হয়। এক-দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। ফিস্টুলা অপারেশনের পর ঘা শুকাতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
জটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে সিটন পদ্ধতিতে দুই-তিন ধাপে অপারেশন করা হয়। প্রতিটি ধাপের মাঝে সাত থেকে ১০ দিন বিরতি দেওয়া হয়। এই সময় নিয়মিত ড্রেসিং করা প্রয়োজন। ড্রেসিং অপারেশনের পর পুনরায় ফিস্টুলা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।
এ কথা সত্য যে ফিস্টুলা অপারেশনের পর আবার হতে পারে। বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশনের পর ফিস্টুলা পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা তিন থেকে সাত ভাগ। জটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে এটি শতকরা ৪০ ভাগ পর্যন্ত হতে পারে। তবে এক কথায় জবাব দেওয়া সম্ভব নয় ফিস্টুলা অপারেশনের পর পুনরায় হবে কিনা। ফিস্টুলার ধরন, সার্জনের অভিজ্ঞতা এবং অপারেশনের পরের যত্নের ওপর ফিস্টুলা অপারেশনের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

যেসব সাধারণ খাবার হতে পারে বিষাক্ত

আমরা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন খাবার খেয়ে থাকি। আর এসব খাবারই আমাদের শরীরে শক্তি সরবরাহ করে অঙ্গগুলোকে কাজ করতে সহায়তা করে। কিন্তু আপনি জানেন কি যে, আমরা প্রতিনিয়ত যেসব সাধারণ খাবার খাই তার মধ্যেও কিছু বিষাক্ত থাকতে পারে?

এ বিষয়টি অনেকেই জানেন না। আর তাই নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আজকে জেনে নিন এমন কিছু সাধারণ খাবার সম্পর্কে যেগুলোর অংশ হতে পারে বিষাক্ত—

১. আপেল বীজ
আমরা প্রায়ই আপেল খেয়ে থাকি আর ভুল করে অনেকে আপেলের বীজও খেয়ে ফেলেন। কিন্তু আপনি জেনে অবাক হবেন যে, আপেলের বীজে সায়ানাইড থাকে, যেটি বিষাক্ত। এমনকি অল্প মাত্রায় সায়ানাইডও আপনার দ্রুত শ্বাস বন্ধ হয়ে, খিঁচুনি হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। তবে ভালো খবর এই যে, আপেলের বীজে একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরণ থাকে, যা সায়ানাইডকে আপনার সিস্টেমে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে। তাই এটি থেকে সাবধান হওয়াই ভালো।

২. জয়ফল
অনেকেই রান্নার স্বাদ বাড়িয়ে নিতে জয়ফলকে মসলা হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এটি ব্যবহারে আপনার সাবধান হওয়া উচিত। কারণ এটি বিষাক্ত হতে পারে। জয়ফলে থাকা মিরিস্টিসিন আপনার শরীরে সরাসরি গেলে তা বিষাক্ত হিসেবে কাজ করতে পারে এবং আপনার হ্যালুসিনেশন, তন্দ্রা, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি এবং খিঁচুনির মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৩. সবুজ আলু
আলুতে গাছ ও কান্ডে গ্লাইকোলক্যালয়েড নামে একটি বিষাক্ত পদার্থ থাকে। আর এ পদার্থটি আলুতে বেশি মাত্রায় থাকার কারণে তা সবুজ দেখায়।  এ কম সবুজ আলু বা উচ্চ গ্লাইকোলক্যালয়েডযুক্ত আলু খাওয়ার ফলে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, বিভ্রান্তি, মাথাব্যথা এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

৪. তেতো কাঠবাদাম
অনেক সময় আলমন্ড বা কাঠবাদাম বেশি তেতো মনে হতে পারে। আর এটি হয় সেই বাদামে বেশি পরিমাণে সায়ানাইড থাকার কারণে। আর এ ধরনের বাদাম খেলে তা ক্র্যাম্প, বমি বমি ভাব এবং ডায়রিয়া সমস্যা ঘটাতে পারে।

৫. কামরাঙ্গা
যদি আপনার কিডনির সমস্যা থাকে আপনার জন্য পুরোপুরি বিষ হিসেবে কাজ করতে পারে কামরাঙ্গা। কারণ সাধারণ কিডনি এ ফলের টক্সিন ফিল্টার করতে পারে না। তাই এর বিষ কিডনির চারপাশে আটকে থাকে ও মানসিক বিভ্রান্তি, খিঁচুনি এবং মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে।

৬. কাঁচা কাজু
কাঁচা কাজুর শাঁসে উরুশিওল নামের একটি বিষাক্ত উপাদান থাকে। তাই দোকানে যেসব কাজু কাঁচা অবস্থাতে পাওয়া যায় তার আবরনেও এ পদার্থটি লেগে থাকতে পারে। আর এ উপাদানটি আপনার অন্ত্রে সরাসরি গেলে তা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এবং সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

তথ্যসূত্র: ওয়েব এমডি ডটকম

১০০ জনকে নিয়োগ দেবে বিটিসিএল

শূন্যপদে জনবল নিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। এতে ‘জুনিয়র সহকারী ম্যানেজার’ পদে ১০০ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।

পদের নাম: জুনিয়র সহকারী ম্যানেজার (কারিগরি)
পদ সংখ্যা: ১০০ জন
যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ইলেকট্রিক্যাল/ ইলেকট্রনিকস/ মেকানিক্যাল/ পাওয়ার/ কম্পিউটার/ টেলিকমিউনিকেশন/ কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অথবা ডেটা কমিউনিকেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে। আর ৪ পয়েন্টের স্কেলে ন্যূনতম ২.৫০ সিজিপিএ পয়েন্ট থাকতে হবে।

বেতন: ২২,৪০০/- থেকে ৫৬,৬০৪/-

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বিটিসিএল চাকরি করেছেন এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৫০ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা ওই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট http://btcl.gov.bd/ -এ থেকে আবেদন করতে পারবেন। বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন।

হোয়াটসঅ্যাপে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পাঠাচ্ছিলেন তিনি

সমন্বিত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠানোর সময় এক ছাত্রীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে হোয়াটসআপের মাধ্যমে প্রেরণের সময় তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলার কমলপুর গ্রামে। হাবিপ্রবি সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার হাবিপ্রবির ড. এমএ ওয়াজেদ ভবনের ৩০৫নং কক্ষে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর ভর্তিচ্ছু ওই পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে হোয়াটসআপের মাধ্যমে প্রেরণ করছিল। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীদের চোখে পড়লে তারা হল পরিদর্শককে জানান। হল পরিদর্শক মোবাইল ফোনসহ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিষয়টি স্বীকার করেন ওই পরীক্ষার্থী।

পরে হাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ একটি এজাহার দিয়ে ওই পরীক্ষার্থীকে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করে। হাবিপ্রবির প্রক্টর প্রফেসর ড. মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে এই এজাহার দায়ের করেন।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোজাফ্ফর হোসেন রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জানান, এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

হাবিপ্রবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শ্রীপতি সিকদার জানান, সমন্বিত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় রোববার বি ইউনিটের পরীক্ষা ছিল। এই পরীক্ষায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু ৭ হাজার ২৫ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা থাকলেও পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ৯৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী। আগামী ১ নভেম্বর সি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

কেন্দ্রের নাম ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’, ভুল নাকি জালিয়াতি!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিটে পরীক্ষা দিতে আসা এক শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের তথ্যে গরমিল ধরা পড়েছে। সেখানে কেন্দ্রের নাম দেখা যায়, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’।

আবার প্রবেশপত্রের কিউআর কোড স্ক্যান করলে অনিক আখন্দ নামে অন্য এক পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল আসে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এটা ভুল নাকি জালিয়াতি। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও পরীক্ষা কমিটি তার আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা ৫২০১০০ রোলধারী সোনিয়া আক্তার শিলা নামে এক শিক্ষার্থীর কেন্দ্রের নামে লেখা ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’। এছাড়াও নিউ একাডেমিক বিল্ডিংয়ের ৭ম তলায় সিট পড়েছে বলে প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ম তলাবিশিষ্ট কোনো একাডেমিক ভবন নেই।

আবার প্রবেশপত্রে ছাপা কিউআর কোড স্ক্যান করলে অনিক আখন্দ নামে এক পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল আসে। যার কেন্দ্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়া প্রবেশপত্রের রোল অনুযায়ীও অনিক আখন্দের নাম আসে। প্রবেশপত্রের এমন কাণ্ডের পরও ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরীক্ষা কমিটি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের ‘বি’ ইউনিটের আহবায়ক ও কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমএম শরীফুল করীম বলেন, ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আমরা আলাদাভাবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তার উত্তরপত্র আলাদা খামে পাঠানো হবে। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে।

গুচ্ছ পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, এখানে কারিগরি সমস্যা হতে পারে। টেকনিক্যাল কমিটি ভালো বলতে পারবে।

বিষয়টি জানতে গুচ্ছ পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহবায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটা এডিট হতে পারে। কিউআর কোডে যেহেতু অন্য কারও নাম তাহলে হয়তো ঘাপলা আছে। কিউআর কোডে ভুল থাকার কোনো কারণ নেই। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই টেকনিক্যাল কমিটির কাছে প্যানেলে এক্সেস রয়েছে। তারা এটা চেক করে নিতে পারতো। টেকনিক্যাল কমিটিকে নির্দেশনা দেয়া আছে যে, তথ্যে গরমিল থাকলে চেক করে নিতে।

এদিকে বি ইউনিটের পরীক্ষায় এদিন কুবি কেন্দ্রে মোট উপস্থিতির হার ছিল ৯৫.৪৪ শতাংশ। মোট ২ হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৩৯১ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠুভাবে গুচ্ছের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা নিয়েছি।

আবারো বড়পর্দায় আসছেন মম

লাক্স সুন্দরী এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম করোনাকালে কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আবারো সপ্রতিভ হয়েছেন অভিনয়ে।

একখণ্ড ও ধারাবাহিক নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে ছবি মুক্তির সংখ্যা বাড়ছে। সেই তালিকায় উঠেছে মম অভিনীত ছবি ‘আগামীকাল’।

অঞ্জন আইচ পরিচালিত ছবিটি কিছুদিন আগে সেন্সর সাটির্ফিকেট পায়। এবার এটির মুক্তির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। পরিচালক জানিয়েছেন আগামী ডিসেম্বরেই এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। এতে কেন্দ্রীয় একটি চরিত্রেই অভিনয় করছেন মম।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছবিটির গল্প ভালোলাগার কারণেই এতে অভিনয় করেছিলাম। কারণ আমি সচরাচর ছবিতে অভিনয় কম করি। এছাড়া এটির নির্মাণ প্রক্রিয়াও ছিল গোছানো। এ ছবিটির সফলতা নিয়ে আমি আশাবাদী। আশা করছি এটি দর্শকের ভালো লাগবে।

এদিকে টিভি নাটকের অভিনয়ে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে তাকে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও অভিনয় করছেন মম। বলিউডে ‘ম্যাক্স কি গান’ নামের একটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন করোনাকালের আগে। সেটি মুক্তির অপেক্ষায় আছে।

অ্যামাজান প্রকাশ করল অরণ্য পাশার বই

একজন লেখক, মডেল, গীতিকার ও সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত অরণ্য পাশা। সম্প্রতি তার লেখা ইংরেজি প্রথম বই ‘মি. অ্যাংরি ওয়াটার মিলান’ প্রকাশ হয়েছে। শিশুদের এই গল্পের বই প্রকাশ করেছে বিখ্যাত ই-কর্মাস সাইট অ্যামাজন ডটকম।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অ্যামাজান অনেক বড় প্লাটফর্ম। ছোটদের জন্য লেখা এ বইটি সরাসরি অ্যামাজান প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন লেখকের বই প্রকাশ করেছে আমাজান। তবে বাংলাদেশ থেকে শিশুদের নিয়ে লেখা আমার বইটাই প্রথম অ্যামাজান প্রকাশ করল। এজন্য খুব আনন্দিত।

সাংবাদিকতা দিয়ে পেশা জীবন শুরু করলেও পাশাপাশি লেখক, গীতিকার ও মডেল হিসেবে পেয়েছেন আলাদা পরিচিতি। তিনি আরটিভিতে জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করেছেন ৪ বছর। অরণ্য পাশার লেখা ও মডেলিং করা সাতপাকের জীবন, রোদেলা আকাশ, আরতি দেবী, এই বুকেতে কেউ থাকেনা প্রভৃতি গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তার লেখা বইয়ের সংখ্যা ৪টি। ২টি উপন্যাস, ১টি ছোট গল্প ও ১টি জীবনী। বাংলাদেশ টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য নির্মাণ করছেন নাটক।

সম্প্রতি তার রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘কাইজ্যা’। শিগগিরই এটি প্রচারে আসবে। টেলিভিশনে প্রচারিত তার আলোচিত ধারাবাহিক নাটক ‘বিদেশি পাড়া’ এবং একক নাটক ‘ব্যাচেলর ফ্যামেলি’। সম্প্রতি তার রচনা ও চিত্রনাট্যে নির্মিত হয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘ডোম’। এটি পরিচালনা করেছেন রাশেদ রাহা।