বুধবার ,৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 667

‘স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর জান্নাত’ এই কথার কি ভিত্তি আছে?

প্রশ্ন: প্রায়শ অনেককে বলতে দেখা যায়— স্ত্রীর জন্য ‘স্বামীর পায়ের নিচে জান্নাত’। এই কথাটির কোনো ভিত্তি আছে? নাকি এটি সম্পূর্ণ মানুষের বানানো কথা?

উত্তর: অনেকে কথাটিকে হাদিস হিসেবে পেশ করে থাকেন। যার আরবি হলো— الجنة تحت أقدام الأزواج অথচ হুবহ এ শব্দ-বাক্যে কোনো হাদিস পাওয়া যায় না।

সুতরাং এটিকে হাদিস হিসেবে বলা যাবে না। তবে কিছু হাদিসে এর মর্মার্থ পাওয়া যায়, বিধায় কথাটাকে সম্পূর্ণ মিথ্যাও বলা যাবে না।

যেমন এক হাদিসে এসেছে— একবার এক নারী সাহাবি কোনো প্রয়োজনে রাসুলের (সা.) কাছে এলেন। যাওয়ার সময় রাসল (সা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি স্বামী আছে? তিনি বললেন, জি আছে।
নবীজি বললেন, তার সঙ্গে তোমার আচরণ কেমন? সে বলল, আমি যথাসাধ্য তার সঙ্গে ভালো আচরণ করার চেষ্টা করি।

তখন নবীজি বললেন, فانظري أين أنت منه، فإنما هو جنتك ونارك হ্যাঁ, তার সঙ্গে তোমার আচরণের বিষয়ে সজাগ থাকো, কারণ সে তোমার জান্নাত বা তোমার জাহান্নাম।

(মুআত্তা মালেক, হাদিস ৯৫২; মুসনাদে আহমাদ, ৪/৩৪১ হাদিস ১৯০০৩; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস ২৭৬৯; সুনানে কুবরা, বায়হাকি, হাদিস ১৪৭০৬)

অপর হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—
إذا صلت المرأة خمسها ، وصامت شهرها ، وحصنت فرجها ، وأطاعت زوجها قيل لها : ادخلي الجنة من أي أبواب الجنة شئت

নারী যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো আদায় করবে, রমজানের রোজা রাখবে, আপন লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে, স্বামীর আনুগত্য করবে, তখন সে জান্নাতের যেই দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস ৪১৬৩)

জার্মানির ট্রাফিক সিগন্যাল সরকারের যাত্রা শুরু

গত ২৬ সেপ্টেম্বর নতুন বুন্ডেস্ট্যাগের নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে, সোশ্যাল গণতান্ত্রিক এসপিডি, সবুজ ও লিবারেল গণতান্ত্রিক দলের সমন্বয়ে জার্মানির নতুন সরকার পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হয়েছে।সবকিছুই ট্রাফিক-লাইট কোয়ালিশনের দিকে ইঙ্গিত করে- লাল, সবুজ এবং হলুদ দলগুলোকে মিত্র করে এসপিডির ওলাফ সোলজের অধীনে চ্যান্সেলর হিসেবে বড়দিনের আগে সরকারি কাজ শুরু করা।

আপস করার জন্য প্রস্তুত ছিল, যা অবশ্যই সহজ ছিল না।এসপিডি এবং সবুজ উচ্চ আয়কর হার এবং একটি সম্পদ করের জন্য তাদের পরিকল্পনা বাদ দেয়।বিনিময়ে লিবারেল গণতান্ত্রিক দল বেশি উপার্জনকারী ব্যক্তি এবং কোম্পানিগুলোর জন্য ট্যাক্স ও ত্রাণের জন্য দীর্ঘস্থায়ী দাবি পরিত্যাগ করেছে।

সরকারি ঋণের ক্ষেত্রে, সমঝোতা খুঁজে পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল, যেহেতু শুধুমাত্র সবুজ তাদের নির্বাচনী ওয়াদায় ‘ডেট ব্রেক’ নরম করার আহ্বান জানিয়েছিল এবং এটা আশা করা যায় না যে দুই-তৃতীয়াংশ সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা সংসদে পাওয়া যাবে। সুতরাং দলগুলো এর কাঠামোর মধ্যে থাকতে সম্মত হয়েছে।

আশ্চর্যজনকভাবে লিবারেল গণতান্ত্রিক দল জানুয়ারি থেকে ৯৬০ ইউরো থেকে ১২ ইউরো পর্যন্ত ন্যূনতম মজুরিতে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছে।এটি নেদারল্যান্ডস (১০,৩৪), ফ্রান্স (১০,২৫) এবং বেলজিয়াম (৯,৮৫)এর স্তরের উপরে হবে। ২০০০ দশকের নব্য উদারপন্থি অবস্থান থেকে সরে এসেছে। পূর্ববর্তী মৌলিক আয় সহায়তা- বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি বেকারদের জন্য একটি ‘নাগরিকের আয়’ ব্যাপক কষ্টের সাথে প্রতিস্থাপন করার ইচ্ছার মধ্যেও স্পষ্ট। এটি আসলে একটি প্যারাডাইম পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাবে কিনা তা শুধুমাত্র জোট চুক্তি অনুযায়ী হলে বিচার করা যেতে পারে। সবুজ দল লাল বা হলুদের চাপে পিষ্ঠ হবে না- সবুজে ভরে যাবে দেশ তা দেখার পালা।

কন্যাসন্তানের বয়ঃসন্ধি ও মাসিক: বাবাদের নিয়ে কর্মশালা

২০১৬ সাল থেকে কিশোরীদের জন্য ইতিবাচক বয়ঃসন্ধি এবং মাসিক পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে ঋতু (Wreetu)। সমাজের সবার সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি মাসিকবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে এই সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গত জুন মাস থেকে শেয়ারনেট ইন্টারন্যাশনালের অর্থায়নে এবং শেয়ারনেট বাংলাদেশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাবাদের জন্য একটি মাসিক গাইডলাইন বানিয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

‘Be Your Daughter’s Superhero: A Comprehensive Period Guide for Dads to Help Daughters to be Empowered with Needed Knowledge, Confidence and Self-Esteem Ensuring their Menstrual Well being’ এই প্রজেক্টের অধীনে করা ভিডিও সিরিজ এবং বুকলেট এর মধ্যে ২৯ অক্টোবর শনিবার এক জুম সেশনের মাধ্যমে বুকলেট শেয়ার করা হয় অংশ্রগণকারীদের সঙ্গে।

এই কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল কন্যাসন্তানের বয়ঃসন্ধি এবং মাসিকের সঙ্গে বাবাদের পরিচিতি করিয়ে দেওয়া, তাদের কাছ থেকে তাদের কন্যাসন্তানকে নিয়ে ভাবনা, বয়ঃসন্ধির সময় কীভাবে গাইড করলে তাদের মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে উঠবে, কীভাবে এবং কখন আলোচনা করবে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা।বাবাদের কাছ থেকে দারুণ সব তথ্য উঠে এসেছে এই মুক্ত আলোচনায়।

অনেক বাবারা জানিয়েছেন, তাদের কিশোরী মেয়েদের সাথে তাদের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি নিয়ে।কোনো কোনো বাবা বললেন, বাংলায় বাবাদের জন্য এমন কোনো বই আগে কখনো হয়নি তাই এই বুকলেটের প্রাপ্ত তথ্য দিয়ে তার মেয়েদের সঙ্গে কথা বলার সময় খুব সহায়ক হবে। আবার অনেক বাবা অঙ্গীকার করেছেন তারা কোনোভাবেই তাদের কিশোরী মেয়েদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হতে দেবেন না; বরং মেয়েদের জন্য সাপোর্টিং
পরিবেশ তৈরি করবেন তাদের বাসায়।

কন্যাদের বয়ঃসন্ধিতে প্রস্তুত করার জন্য বাবাদের নিজেকেও প্রস্তুত হতে হবে। কন্যাসন্তানের বয়ঃসন্ধি এবং মাসিক বুকলেটটি বাংলা ভাষায় এবং বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বাবাদের জন্য লেখা হয়েছে যেন তারা তাদের কিশোরী কন্যাদের সঙ্গে একটা সুন্দর এবং সুস্থ বন্ধন গড়ে তুলতে পারে।

ঋতুর প্রতিষ্ঠাতা শারমিন কবীর এ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। কর্মশালায় যোগ দেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল কমিটি চেয়ার মেহেদী হোসেইন, হ্যান্ডিমামার প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও শাহ্ পরান, ইয়ুথ হাবের প্রেসিডেন্ট পাভেল সারওয়ার, টুথ কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা এবং কনসাল্টেন্ট মেজবাহ উল আজীজ, উইথ শীর প্রতিষ্ঠাতা ও কোঅর্ডিনেটর ইমরান জাহান আরাফাত, ঋতুর প্রোগ্রাম অফিসার আলিফ আজিজসহ সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করেন এমন আরও অনেকেই।

আগামী ৯ নভেম্বর বিকাল ৪টায় কাওরানবাজারের বেসিস অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ প্রজেক্টের নলেজ প্রোডাক্টগুলো সবার সঙ্গে শেয়ার করা হবে।ড. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল এ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে সদয় সম্মতি দিয়েছেন। এ প্রোগ্রামটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি আছে কিনা বুঝবেন ৫ লক্ষণে

আমাদের শরীরের জন্য অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে প্রোটিন। এর ঘাটতি দেখা দিলে শরীর নানা উপসর্গ দেখা দেয়। খাবার-দাবারে একটু সচেতন হলে প্রোটিনের ঘাটতি দূর করা সম্ভব।

শরীরের পেশি, ত্বক, এনজাইম, হরমোন বিল্ডিং ব্লক এবং সব টিস্যুর জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে প্রোটিন। আশাব্যঞ্জক খবর হচ্ছে— প্রায় সব খাবারেই কমবেশি প্রোটিন থাকে।

কিন্তু তার পরও আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে তা আপনাকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে ঠেলে দিতে পারে। এর ঘাটতির কারণে ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হওয়া, নখ ভেঙে যাওয়া, চুলের বিভিন্ন সমস্যাসহ ক্ষুধার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া— এমনকি উদ্বেগ পর্যন্ত সৃষ্টি হতে পারে।

তাই আপনাকে জানতে হবে কখন আপনার শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হচ্ছে এবং এর বিপরীতে প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। এ কারণে আজ আপনার জন্য থাকছে যে ৫ লক্ষণে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি—

১. এডিমা
প্রোটিনের অভাবের কারণে ত্বক ফুলে যাওয়া বা ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। মানুষের শরীরে প্রোটিনের অভাবের কারণে অনকোটিক চাপ কমিয়ে দেয়। আর এর ফলে টিস্যুতে তরল জমা হয়ে ত্বক ও শরীর ফুলে যেতে পারে।

২. ফ্যাটি লিভার
লিভারের কোষে চর্বি জমে যাওয়া বা ফ্যাটি লিভার হতে পারে প্রোটিনের ঘাটতির আরেকটি লক্ষণ। শুধু প্রোটিনের অভাবের কারণেই এমনটি হতে পারে তা নয়। তবে এমনটি হয়ে গেলে তার চিকিৎসা নেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নইলে এর ফলে প্রদাহ, যকৃতের দাগ এমনটি লিভার অকেজো পর্যন্ত হতে পারে।

৩. ত্বক, চুল ও নখের সমস্যা
ত্বক, চুল ও নখে প্রোটিন দিয়েই তৈরি হওয়ার কারণে প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দিলে এগুলোর ওপরে অনেক প্রভাব ফেলে। প্রোটিনের অভাবে চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, চুলের রঙ বিবর্ণ হয়ে যাওয়া, চুল পড়ে যাওয়া, নখ ভেঙে যাওয়া এবং ত্বক লালচেভাব হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪. হড়ের ক্ষতি
প্রোটিনের অভাব যে শুধু পেশি বা ত্বকের ওপরে প্রভাব ফেলে তা নয়। এটি হাড়েকেও অনেক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এটির অভাবে হাড়ের ক্ষয়, হাড়কে দুর্বল ও ফ্র্যাকচারের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৫. পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
পেশি হচ্ছে প্রোটিনের অন্যতম একটি বড় আশ্রয়স্থল। আর এ কারণে শরীরে প্রোটিনের অভাব হলে আপনার পেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এমনকি প্রোটিনের অভাবের কারণে পেশি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আর এমনটি বয়স্কদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি দেখা দেয়। তাই আপনার পেশি দুর্বল মনে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার খান।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন ডটকম

যেসব কারণে মানুষ কোমায় চলে যান

কোমা শব্দটির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত। মূলত কোমা হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যেটি দীর্ঘস্থায়ী অচেতনতা বা অজ্ঞান হয়ে থাকার মতো অবস্থার সৃষ্টি করে। এমনটি হলে মানুষের চেতনা কাজ করে না। তাই তারা জেগেও উঠতে পারে না।

এ সমস্যাটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বিশেষ করে মাথায় জোরে আঘাত পেলে, স্ট্রোক, মস্তিষ্কের টিউমার, বিভিন্ন ড্রাগ বা অ্যালকোহল গ্রহন বা নেশা, ডায়বেটিস বা বিভিন্ন অন্তর্নিহিত অসুস্থতার কারণেও এটি হতে পারে।

কোমা হচ্ছে একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি অবস্থা। এটি হলে তা সেরে ওঠাও অনেক কষ্টকর। আর এটি মস্তিষ্ককে অকেজো করে দেওয়া ও মৃত্যু ঘটানোর মতো পর্যায়ে যেতে পারে। তাই জীবন এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সংরক্ষণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এ জন্য নিজেকে সচেতন রাখতে জেনে নিন যেসব কারণে চলে যেতে পরেন কোমায়—

১. মস্কিষ্কে আঘাত
বেশিরভাগ কোমাই মস্তিষ্কে সজোরে আঘাত পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। তাই সচেতন থাকতে হবে যাতে মস্তিষ্কে আঘাত না লাগে।

২. স্ট্রোক
মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ হ্রাস বা বাধাগ্রস্ত হলে, রক্তবাহী ধমনীর পথ সংকীর্ণ হলে বা রক্তনালী ফেটে গেলে স্ট্রোক হয়। আর এ রকম বড় ধরণের স্ট্রোকের কারণে মানুষ কোমায় চলে যেতে পারে।

৩.টিউমার
মস্তিষ্কের ভিতর অনেকের টিউমার হয়ে তাকে। আর এ ধরনের টিউমারের কারণে অনেক সময় রোগীকে কোমায় চলে যেতে হতে পারে।

৪. ডায়াবেটিস
ডায়বেটিসের সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা হটাৎ খুব বেশি হয়ে গেলে অথবা খুব কম হয়ে গেলে কোমা হতে পারে।

৫. অক্সিজেনের অভাব
ডুবে যাওয়া থেকে উদ্ধার করা অথবা হার্ট অ্যাটাকের পরে পুনরুজ্জীবিত হওয়া ব্যাক্তিদের মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিতে পারে। আর এর ফলেও কোমা হতে পারে।

৬. সংক্রমণ
এনসেফালাইটিস এবং মেনিনজাইটিসের মতো সংক্রমণের ফলে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ডের কর্ড বা মস্তিষ্কের চারপাশের টিস্যু ফুলে যায়। আর এমন সংক্রমণের গুরুতর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের বড় ক্ষতি বা কোমা হতে পারে।

৭. খিঁচুনি
খিঁচুনির মাত্রা অনেক বেড়ে গেলে বা গুরুতর হয়ে গেলে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।

৮. টক্সিন
কার্বন মনোক্সাইড বা সীসার মতো বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং এর পরিণতিতে কোমায় চলে যেতে পারেন।

৯. মাদক এবং অ্যালকোহল
বিভিন্ন ওষুধ, নেশাজাত দ্রব্য এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণের কারণে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।

তথ্যসূত্র: মায়োক্লিনিক ডট ওআরজি

খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি

জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। চার পদে ২৯ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। তবে শুধু খুলনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা এতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হবে ডাকযোগে।

পদের নাম: সার্টিফিকেট পেশাকার (গ্রেড-১৬)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

পদের নাম: সার্টিফিকেট সহকারী (গ্রেড-১৬)
পদ সংখ্যা: ৬ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

পদের নাম: নাজির-কাম-ক্যাশিয়ার (গ্রেড ১৬)
পদ সংখ্যা: ৫ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

পদের নাম: ক্রেডিট চেকিং-কাম-সায়রাত সহকারী (গ্রেড ১৬)
পদ সংখ্যা: ১৪ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://khulna.gov.bd/ অথবা http://forms.mygov.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ করতে পারবেন। পরে আবেদন ফরম ডাকযোগে পাঠাতে হবে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায়। এ ছাড়া নিয়োগের বিস্তারিত দেখা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।

আবেদনের ঠিকানা: সভাপতি, বিভাগীয় বাছাই কমিটি, খুলনা ও বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা।

আবেদনের শেষ সময়: ২১ নভেম্বর ২০২১

চাকরি দেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

চাকরির সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিবিবি)। সম্প্রতি আইটি বিভাগে নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীরা যোগ্যতা সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন ডাকযোগে।

পদের নাম: আইটি এক্সিকিউটিভ

পদ সংখ্যা: অনির্দিষ্ট

আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস হতে হবে।

অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৩-৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ল্যান ও ওয়ানবিষয়ক কাজে দক্ষতা এবং পিসি/ল্যাপটপ মেরামতের কাজে পারদর্শী হতে হবে।

বেতন: অনির্দিষ্ট

কাজের ধরন: ফুল টাইম

কর্মস্থল: ঢাকা

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীদের আবেদনের জন্য প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় সিভি পাঠাতে হবে। এ ছাড়া নিয়োগের বিস্তারিত জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের ঠিকানা: চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, শেরেবাংলা ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর-২, ঢাকা ১২১৬।

আবেদনের শেষ সময়: ৮ নভেম্বর ২০২১

একাদশ শ্রেণির বাংলা প্রথমপত্র

সিনিয়র শিক্ষক, সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা

বিলাসী

-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

অনুধাবন প্রশ্ন : [পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

৪৮. বিলাসী আত্মহত্যা করিল কেন?

৪৯. ওর যদি না অপঘাত-মৃত্যু হবে, তো হবে কার?- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৫০. না পেলে এক ফোঁটা আগুন, না পেলে একটা পিণ্ডি, না হলো একটা ভুজ্যি উচ্ছুগ্যু- কেন বলা হয়েছে?

৫১. অন্নপাপ। বাপ রে! এর কি আর প্রায়শ্চিত্ত আছে- কেন বলা হয়েছে?

৫২. বিলাসীর আত্মহত্যার ব্যাপারটা অনেকের কাছে পরিহাসের বিষয় হইল কেন?

৫৩. সে দেশের লোকের সাধ্যই নাই মৃত্যুঞ্জয়ের অন্নপাপের কারণ বোঝে- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৫৪. মৃত্যুঞ্জয় হয়তো নিতান্তই একটা তুচ্ছ মানুষ ছিল, কিন্তু তাহার হৃদয় জয় করিয়া দখল করার আনন্দটাও তুচ্ছ নয়, সে সম্পদও অকিঞ্চিৎকর নহে- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৫৫. এই বস্তুটাই এ দেশের লোকের পক্ষে বুঝিয়া ওঠা কঠিন- ব্যাখ্যা কর।

৫৬. অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৫৭. বিলাসীর বাপকে খবর দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

৫৮. ইহা আর একটি শক্তি- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৫৯. তাহার বয়স আঠারো না আঠাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না- কেন?

৬০. সে তো আর সত্য সত্যিই মাপ করা যায় না- কোন প্রসঙ্গে কেন বলা হয়েছে?

৬১. সাপের বিষ যে বাঙালির বিষ নয়- কেন বলা হয়েছে?

৬২. মৃত্যুঞ্জয়ের জাত বিসর্জনের কারণ বর্ণনা কর।

৬৩. কলি কি সত্যই উল্টাইতে বসিল- কোন প্রসঙ্গে কেন বলা হয়েছে?

৬৪. বিলাসী গল্পে কে এবং কেন সহমরণে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে?

৬৫. বিলাসী-মৃত্যুঞ্জয়ের প্রেমকে সমাজ স্বীকৃতি দেয়নি কেন?

৬৬. শাস্ত্রমতে বিলাসী নরকে যাবে কেন? ব্যাখ্যা কর।

৬৭. মৃত্যুঞ্জয় সাপুড়ে জীবন গ্রহণ করল কেন?

সৃজনশীল প্রশ্নের দিকগুলো

১. তৎকালীন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি/বর্ণভেদ বা সম্প্রদায়িক মানসিকতার পরিচয়/ধর্মীয় রীতির অপব্যাখ্যা।

২. মৃত্যুঞ্জয়ের কাছ থেকে সুবিধা গ্রহণ।

৩. মৃত্যুঞ্জয়কে নিয়ে খুড়োর মিথ্যা বলা/মৃত্যুঞ্জয়ের সম্পত্তির প্রতি খুড়োর লোভ।

৪. মৃত্যুঞ্জয়ের অসুখ ও বিলাসীর সেবা দান।

৫. বিলাসীর প্রতি সমাজপতিদের নির্মম নির্যাতন।

৬. মৃত্যুঞ্জয়ের ধর্মত্যাগ ও সাপুড়ে জীবন গ্রহণ।

৭. ন্যাড়ার সাপুড়ে দলে যোগদান ও শিক্ষা অর্জন।

৮. বিলাসীকে বিয়ে করায় মৃত্যুঞ্জয়ের জাতধর্ম বিসর্জন ও সমাজপতিদের হাঙ্গামা।

৯. সমাজ কর্তৃক বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের বিয়ে মেনে না নেওয়া।

১০. মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ মৃত্যু ও সাপের মন্ত্রের অসারতা প্রমাণ।

১১. স্বামীকে এত ভালোবাসলেও তার মৃত দেহের সামনে থাকতে পারবে না।

১২. বিলাসী কর্তৃক মৃত্যুঞ্জয়ের হৃদয় জয় করা।

১৩. স্বার্থপর সমাজ বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের প্রেম বুঝতে না পারার কারণ।

১৪. দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার।

১৫. ছোটগল্পের বৈশিষ্ট্য/সার্থক ছোটগল্পের গঠনরীতি।

মূলদিক : রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের নির্মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে বিলাসীর মৃত্যুঞ্জয়ের মন জয়। অথবা, বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের নিষ্পাপ ভালোবাসায় রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের নির্মম আচরণ।

সৃজনশীল প্রশ্নের মডেল :

জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত জালিয়াৎ খেলছে জুয়া

ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া।

হুঁকোয় জল আর ভাতের হাঁড়ি, ভাবলি এতে জাতির জান,

তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ খান।

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জগত্তারিণী স্বর্ণপদক কোথা থেকে পেয়েছেন?

খ. সেকেন্ড ক্লাসে উঠিবার খবরও কখনো পাই নাই- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকে ‘বিলাসী’ গল্পের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপকে আলোচ্য গল্পের মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে বলে তুমি মনে কর কি? যুক্তি দাও।

পঞ্চম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

সহকারী শিক্ষক, মুনলাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভোলা

ইবাদত

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

৭৪। দুনিয়ার সকল মুসলিম কোন দিকে মুখ করে সালাত আদায় করে?

(ক) পূর্বদিকে (খ) কাবার দিকে √

(গ) পশ্চিম দিকে (ঘ) উত্তর দিকে

৭৫। সাহু সিজদাহ কী?

(ক) সিজদাহ (খ) ভুল সংশোধনের সিজদাহ √

(গ) নফল সিজদাহ (ঘ) ফরজ সিজদাহ

৭৬। জাকাতের মাসারিফ ক’টি?

(ক) ৫টি (খ) ৬টি

(গ) ৭টি (ঘ) ৮টি √

৭৭। ‘কুরবানি’-এর সমার্থক শব্দ কী?

(ক) উযহিয়্যাহ √ (খ) কুরবানুন

(গ) যাবহুন (ঘ) ত্যাগ

৭৮। সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে পিতামাতাকে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক ক’টি কাজ করতে হয়?

(ক) ৪টি √ (খ) ৫টি

(গ) ৬টি (ঘ) ৭টি

৭৯। সাহু সিজদাহ’র বিধান কী?

(ক) ফরজ (খ) ওয়াজিব √

(গ) সুন্নত (ঘ) মুস্তাহাব

৮০। সালাতের আরকান কখন পালন করতে হয়?

(ক) সালাতের শুরুতে (খ) সালাতের ভেতরে √

(গ) সালাত শুরুর আগে (ঘ) সালাতের শেষে

৮১। সাওম শব্দটির বহুবচন কী?

(ক) সাওমান (খ) সায়িম

(গ) সিয়াম (ঘ) সিয়ামাতুন √

৮২। মসজিদে প্রবেশ ও বসার সময় কী করবে?

(ক) হুড়োহুড়ি ও তাড়াতাড়ি করব

(খ) ধাক্কাধাক্কি করে আগে বসব

(গ) কোনো খালি জায়গা দেখে বসব √

(ঘ) নিজে না নিয়ে অন্যকে দেব

৮৩। আত্মীয়স্বজন কোরবানি দিলেও সবাইকে কোরবানির গোশত সবাইকে দিতে হয়, কারণ এতে-

(ক) সবাই একটু ভালো খাওয়ার সুযোগ হয়

(খ) সকলের মধ্যে আন্তরিকতা বৃদ্ধি পায় √

(গ) সবাই দেখতে পায়, এতে মর্যাদা বাড়ে

(ঘ) অন্যের কাছ থেকে পাওয়ার আশায়

৮৪। সালাতের নিষিদ্ধ সময় কয়টি?

(ক) তিনটি √ (খ) চারটি

(গ) পাঁচটি (ঘ) সাতটি

৮৫। দোয়া মাসূরা কখন পড়তে হয়?

(ক) নামাজে দাঁড়িয়ে

(খ) প্রথম রাকাত শেষ করে

(গ) সালাম ফেরানোর আগে √

(ঘ) সালাম ফেরানোর পরে

৮৬। মসজিদ শব্দের অর্থ কী?

(ক) সিজদার জায়গা√ (খ) সালাতের স্থান

(গ) আল্লাহর ঘর (ঘ) শান্তির ঘর

৮৭। কুরবানির পশু কেমন হবে-

(ক) স্বাস্থ্যবান (খ) সুদর্শন

(গ) স্বাস্থ্যবান ও সুদর্শন√ (ঘ) দামি

৮৮। আনুগত্যের জন্য প্রয়োজন-

(ক) ইমানের √ (খ) অর্থের

(গ) স্বাস্থ্যের (ঘ) পোশাক আশাকের

৮৯। হজ কবুলের মাধ্যমে কোন ধরনের গুনাহ মাফ হয়?

(ক) অতীত জীবনের√ (খ) ভবিষ্যৎ জীবনের

(গ) বর্তমান জীবনের (ঘ) পারলৌকিক জীবনের

৯০। সাওম পালনকারীর জন্য দুটি খুশি, একটি তার ইফতারের সময় আর অন্যটি হলো-

(ক) শয়তানের সাথে সাক্ষাতের সময়

(খ) ফেরেশতার সাথে সাক্ষাতের সময়

(গ) পীর বুজুর্গদের সাথে সাক্ষাতের সময়

(ঘ) আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের সময় √

৯১। নিসাব পরিমাণ মালের মালিক সকল প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীর ওপর কুরবানি করা কী?

(ক) সুন্নত (খ) সুন্নতে মুয়াক্কাদা

(গ) ফরজে কেফায়া (ঘ) ওয়াজিব √

৯২। বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মেলন কোন ইবাদতকে বলা হয়?

(ক) সালাতকে (খ) হজকে √

(গ) জুমার সালাতকে (ঘ) ঈদের সালাতকে

সন্তুষ্টি কিংবা আত্মতৃপ্তির বিষয়টি শুধু ভিউয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়

সময়ের সফল সংগীতশিল্পী ধ্রুব গুহ। গান করছেন, পাশাপাশি নিজের প্রতিষ্ঠিত অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ডিএমএস সামলাচ্ছেন দক্ষ হাতে। সম্প্রতি তার কণ্ঠের ‘যে পাখি ঘর বোঝে না’ শিরোনামের একটি গান ইউটিউবে পাঁচ কোটি ভিউয়ার্সের কোটা পার করেছে। এ গান ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* ‘যে পাখি ঘর বোঝে না’ গানটি সম্প্রতি ৫ কোটি ভিউ অতিক্রম করেছে। অনুভূতি কেমন?

** সত্যি কথা বলতে, এ অনুভূতি প্রকাশের যথোপযুক্ত শব্দ ভান্ডার আমার কাছে নেই। নিঃসন্দেহে এটি আমার জীবনের চরম ভালো লাগার বিষয়। কিন্তু ভিউ থেকেও যে বিষয়টা আমাকে সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি দেয়, গানটি নিয়ে শ্রোতাদের শতভাগ পজিটিভ কমেন্ট। দীর্ঘ ছয় বছর পরও শ্রোতারা এ গান সমান তালে শুনে যাচ্ছেন। এটি আমার জীবনের একটা বিশাল আশীর্বাদ।

* এ গানটি তৈরির পেছনের গল্প কী ছিল?

** প্লাবন কোরেশীর কথা ও সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন তরিক আল ইসলাম। এটি সাদামাটাভাবে আমার মতো করেই ভয়েস দিয়েছিলাম। কথাগুলো আমার হৃদয়ে ধারণ করে নিজস্ব আবেগ দিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। অন্যদিকে সিনে আর্টের শুভব্রত সরকার ভিডিও নির্মাণের মাধ্যমে গানটি অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। যার জন্য শ্রোতারা গানের সঙ্গে ভিডিওটি কানেক্ট করতে পেরেছেন।

* কখনো কি ভেবেছেন, এটি একটি অধিক শ্রোতাপ্রিয় গান হবে?

** যখন গানটি করেছি তখন আসলে এটি আমার কাছের মানুষ যারা আছেন, তাদের জন্যই করেছিলাম। এটা যে বাংলা গানের শ্রোতাদের ঘরে ঘরে স্থায়ীভাবে আসন করে নেবে, কখনো সেভাবে ভাবিনি। সব প্রশংসাই পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার আর আমার বাবা মায়ের আশীর্বাদ।

* আপনার পরের গানগুলোও বেশ শ্রোতা ও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। বলা যায় সবক’টিই কোটির ঘর পার করেছে বহু আগেই। গানের এ ভিউ নিয়ে আপনি কতটা সন্তুষ্ট?

** আমি আগেই বলেছি সন্তুষ্টি কিংবা আত্মতৃপ্তির বিষয়টি শুধু ভিউয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভিউকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। পছন্দের ভিউ আর অপছন্দের ভিউ। অপছন্দের ভিউ একবারই হয়, অন্যদিকে পছন্দের ভিউ বারবার হয়। যার জন্য উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ছয় বছর পরও ‘যে পাখি ঘর বোঝে না’ গানটি এখনো প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০-৫০ হাজার ভিউ হয়।

* ‘দাগা’ নামে একটি গান তৈরি করার কথা শোনা গেছে। সেটির অগ্রগতি কী?

** ‘দাগা প্রকাশের ব্যাপারে আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কথা বলেছি, তাই আজ আর কথা দেওয়া নয়, প্রকাশ করেই কথা বলব।

* আর কোনো নতুন গান নিয়ে কাজ করছেন?

** বেশকিছু গান তৈরি আছে, পর্যায়ক্রমে শ্রোতাদের জন্য প্রকাশ করা হবে।

* কোভিড পরবর্তী গানের সার্বিক অবস্থা কেমন বলে মনে করছেন?

** পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় কোভিড ১৯ প্রকোপ অনেকটা কমে এসেছে। তাই গানের কার্যক্রম বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে। আমি আশাবাদী মানুষ। নিশ্চয়ই আমাদের সংগীতাঙ্গন আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

* অডিও ভিডিও প্রযোজনার সঙ্গেও জড়িত আপনি। কোন পরিচয়টি দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সংগীতশিল্পী নাকি উদ্যোক্তা?

** নিঃসন্দেহে সংগীতশিল্পী, তবে অপেশাদার। কারণ গানকে ভালোবেসেই আমি সংগীত প্রযোজনা করি।

* ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের (ডিএমএস) জন্য নতুন পরিকল্পনা কী?

** অতীত থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে গানের মান সমুন্নত রেখে পুরোনোদের পাশাপাশি নতুন প্রতিভাবান শিল্পীদের অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাওয়া, এটাই ডিএমএসের সব সময় কর্মপরিকল্পনা।