মঙ্গলবার ,৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 652

উন্নয়নে কমছে বৈদেশিক অর্থের দাপট

দেশের উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নে কমছে বৈদেশিক অর্থের দাপট। একসময় মূল উন্নয়ন বাজেটের বেশির ভাগই ছিল বৈদেশিক ঋণ বা অনুদাননির্ভর। সেই সময় উন্নয়ন সহযোগীদের নানারকম প্রেসক্রিপশন বা পরামর্শ মানা ছিল বাধ্যতামূলক। কিন্তু ধীরে ধীরে অবস্থার পরিবর্তন ঘটছে। কারণ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে সরকারের ব্যয়ের সক্ষমতাও।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চিত্র। সেখানে বলা হয়েছে-প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস পেয়েছে। এ প্রবণতা অভ্যন্তরীণ সম্পদের শক্তিশালী অবস্থান চিহ্নিত করে।

জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এটা ঠিক যে একসময় বৈদেশিক অর্থায়ন না পেলে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হলেও সেটি নেওয়া বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব ছিল না। কিন্তু এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন এসেছে। এখন নিজেদের অর্থে বৈদেশিক ঋণ ছাড়াই প্রকল্প নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন হয়েছে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক দিক। কিন্তু তাই বলে বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজন নেই, এটা বলা যাবে না। কেননা বিদেশি ঋণের প্রকল্প হলে ভালো সংস্থাগুলো তদারকিও করে। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে একটা জবাবদিহি রক্ষা হয়। এছাড়া সরকার যদি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই সব ঋণ নিয়ে নেয়, তাহলে ব্যক্তি খাত ঋণ পাবে না। তাই এটাকে অতিসরলীকরণ করা যাবে না।

আইএমইডির সাবেক সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ বলেন, এটা আমাদের দেশীয় সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। এখন দেশীয় অর্থেই প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাড়ছে। সেক্ষেত্রে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প আমাদের টাকায় করা হচ্ছে। একসময় এ ধরনের প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা চিন্তাই করা যেত না। এছাড়া যত বেশি বৈদেশিক ঋণনির্ভরতা কমবে, ততই ভালো। কেননা এই ঋণ সুদসহ পরিশোধ করতে হয় ডলারে। ফলে রিপেমেন্টে (পরিশোধ) যদি কম করতে হয়, তখন আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। এটাকে আমি ইতিবাচক দেখছি।

আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুটি উৎস হতে অর্থায়নের জোগান দেওয়া হয়। একটি অভ্যন্তরীণ, অন্যটি প্রকল্প সাহায্য হিসাবে প্রাপ্ত ঋণ বা অনুদান (খাদ্য সহায়তা, বাজেট সহায়তা, পণ্য সহায়তা, বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা, ঋণ বা পলিসি ঋণ)। ধীরে ধীরে বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা কমে আসছে। বিগত বছরগুলোয় ধারাবাহিকভাবে এ অবস্থা দেখা যাচ্ছে।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত কয়েক বছরের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের মোট সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ২৭২ কোটি টাকা। এর মধ্যে দেশীয় অর্থায়ন ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা বা ৬৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয় ৬৩ হাজার কোটি টাকা, ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরের আরএডিপিতে মোট বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ১ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ধরা হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৯৮ কোটি টাকা বা ৬৯ দশমিক ১৮ শতাংশ। বৈদেশিক সহায়তা থেকে বরাদ্দ ছিল ৬২ হাজার কোটি টাকা বা ৩০ দশমিক ৮২ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের আরএডিপিতে মোট বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা বা ৭১ দশমিক ১২ শতাংশ। বৈদেশিক অর্থায়ন ছিল ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা ২৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিলের ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বা ৬৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। বৈদেশিক সহায়তার বরাদ্দ ছিল ৫২ হাজার ৫০ কোটি টাকা বা ৩৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আরএডিপি বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৮৩ হাজার ৪৯৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা বা ৬৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ। বৈদেশিক অর্থায়ন ছিল ৩৫ হাজার ৭৯৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ৩৩ দশমিক ০১ শতাংশ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম যুগান্তরকে বলেন, আমাদের পলিসিই হচ্ছে দিনে দিনে বৈদেশিক ঋণনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসা। সেক্ষেত্রে দেশে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) আকার যেহেতু বাড়ছে, সেহেতু দেশীয় অর্থায়নের বরাদ্দ বাড়াটাই স্বাভাবিক। এখন আমাদের দরকষাকষির সামর্থ্য বেড়েছে। আগে তো কথাই বলা যেত না।

তিনি আরও বলেন, সহজ শর্তে যেসব উৎস থেকে বৈদেশিক ঋণ পাওয়ার কথা, সেগুলো থেকে পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের উচিত একটা ভারসাম্য পরিস্থিতি তৈরি করা। কেননা পুরো উন্নয়ন বাজেটই যদি দেশীয় অর্থে করা হয়, সেটি খুব বেশি ভালো দিক নয়। কিছু বৈদেশিক অর্থায়ন থাকতেই হবে। এসডিজি বাস্তবায়নে যে পরিমাণ বৈদেশিক অর্থায়ন দরকার, সেটি পাওয়া জরুরি। এছাড়া বৈদেশিক ঋণের সুদের হারও কম। এক্ষেত্রে যা জরুরি, তা হচ্ছে বৈদেশিক ঋণ নিয়ে উৎপাদনশীল খাতের প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করতে হবে।

পালিয়ে বেড়াচ্ছেন চান্দিনা আ.লীগের ত্যাগী নেতাকর্মী

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শাহ সেলিম প্রধান নিজ দলের নেতাকর্মীদের হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি ও নির্যাতন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মাইজখার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে জয়লাভের পর থেকেই চেয়ারম্যান শাহ সেলিম নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পদে পদে নাজেহাল করছেন। তার বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শ শ নেতাকর্মী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন নেতাকর্মীরা।

দলীয় সূত্র জানায়, মাইজখার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু তার নেতৃত্ব মেনে নিতে পারছেন না আলোচিত ও প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহ সেলিম। এ কারণেই তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নানাভাবে নির্যাতন ও হামলা করে আসছেন। তার বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতন এবং মামলা-হামলার শিকার হয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগের ত্যাগী শ শ নেতাকর্মী। নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নাম। তার নির্যাতনের হাত থেকে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও রেহাই পাচ্ছেন না। এ নিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা চরম অসহায় হয়ে পড়েছেন। অভিযোগ, বিএনপি-জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী সেলিম চেয়ারম্যানের ক্যাডারদের মামলা-হামলা ও হয়রানির শিকার না হলেও নিজ দলের নেতাকর্মীরা পদে পদে নাজেহাল হচ্ছেন। চান্দিনার এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফের মৃত্যুর পর সেলিম চেয়ারম্যানের নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ।

মাইজখার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী সেলিম চেয়ারম্যান বিএনপি পরিবারের সদস্য। তার বাহিনীর লোকজন এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। সেলিম চেয়ারম্যান ও তার বাহিনীর অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। আমাকে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রবীণ সদস্য রেহান উদ্দিন প্রধান বলেন, আমি ৫০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমাকেও নানাভাবে অপমান ও নির্যাতন করেছে সেলিম চেয়ারম্যান। কিছুদিন আগে বাড়ি থেকে আমাকে তুলে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি তার বিচার চাই।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাধব সাহা বলেন, আমার অপরাধ একটাই-আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। সেলিম চেয়ারম্যান ও তার বাহিনীর হাতে আমি একাধিকবার মারধরের শিকার হয়েছি। এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মনির বলেন, সেলিম চেয়ারম্যান ও তার বাহিনীর অত্যাচার-অবিচারের হাত থেকে আমরা রেহাই পেতে চাই। যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান প্রধান বলেন, সেলিম চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তার বাহিনীর লোকজন আমাদের ১১টি পরিবারের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। এ বাহিনীর অত্যাচারে এলাকা ছেড়ে আমরা পাশের উপজেলায় বসবাস করছি। এছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক খোকন ভৌমিক, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আবুল হাশেম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল নোমান, যুবলীগ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন স্বপন, ছাত্রলীগ নেতা আরিফ আহমেদসহ শ শ নেতাকর্মী চেয়ারম্যানের হাতে নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত হয়েছেন। এসব নেতাকর্মীর অভিযোগ থানা-পুলিশ গ্রহণ করেনি বলেও ভুক্তভোগীরা জানান। এর প্রতিকার চেয়ে নির্যাতিতরা কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শাহ সেলিম প্রধান বলেন, আমি দলের কোনো নেতাকর্মীকে হয়রানি বা নির্যাতন করিনি। এটা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ও চক্রান্ত। বরং পাঁচ বছর ধরে আমিই দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছি। এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমীন বলেন, মাইজখার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের চেয়ারম্যান শাহ সেলিম প্রধান ও তাঁর লোকজন অত্যাচার করছে বলে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

‘দাম কমাও, মানুষ বাঁচাও’

তেল-গ্যাসের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণ অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকালে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘দাম কমাও, মানুষ বাঁচাও’।

সমাবেশে গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, আমরা আগামীতে দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। তারুণ্য আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই তরুণ্যকে সরকার কখনোই দমন করতে পারেনি। আজকে তেল-গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি কেন? কেন নিত্য প্রয়োজনীয় নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে?

কারণ বাজারের উপরে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যার মত লুটেপুটে খাচ্ছে।এই অবৈধ, জবাবদিহিতাহীন, ভোটডাকাত সরকার কোনকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেনা। জনগণকে কষ্ট দিয়ে এই অবৈধ সরকার আর এক মুহুর্তও ক্ষমতায় থাকতে পারেনা। তাই গণ অধিকার আদায়ে সবাই রাস্তায় নামতে হবে।

গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর বলেন, সরকার সব খেয়ে ফেলেছে, আছে শুধু খোসা। শেয়ারবাজার,ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ধ্বংস করছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সচিবালয় সব জায়গায় দলীয়করণ করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করে গ্রামে-গঞ্জে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়েছে। নৌকায় ভোট না দিলে একে ৪৭ ব্যবহারের হুমকি হুমকি দিচ্ছে। এটাই প্রমাণ করে, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে কিভাবে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ঘটিয়েছে।

ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা না থাকার কারণেই কোন ধরনের সমন্বয় না করে তেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়েছে। অথচ গত ৭ বছরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম থাকলেও সরকার দাম না কমিয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা লাভ করছে, যা দিয়ে অন্তত ৬ মাস ভর্তুকি দেওয়া যায়। কিন্তু সরকার জনগণের পকেট থেকে টাকা লোপাট করতেই এই দাম বাড়িয়েছে। যার ভুক্তভোগী জনগণ। তেল-গ্যাসের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম কমানো না হলে জনগণকে নিয়ে পরবর্তীতে ধারাবাহিক কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খাঁন বলেন, তেল- গ্যাসের দাম বেড়ে লাভবান হলো সরকার, বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়ায় লাভবান হলো মালিকরা।বরাবরের মত জনগণের উপরে সব কিছু চাপিয়ে দেওয়া হলো। জনজীবনে হাহাকার। সরকার মানুষের সাথে প্রতারণা করছে। সরকার বলেছিলো ঘরে ঘরে চাকরি দিবে, কিন্তু এখন ঘরে ঘরে মানুষ না খেয়ে মরছে। ১০ টাকায় চাল খাওয়ানোর কথা বলে ৭০ টাকায় চাল খাওয়াচ্ছে।

সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুহাম্মদ আতাউল্লাহ বলেন, দেশ আজ দুর্নীতিবাজ ও মাফিয়া সিন্ডিকেটের কবলে । তরুণ সমাজকে মাফিয়া ও দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। আজকে সরকার আমাদের ভাতে ও ভোটে মারছে। ভাত ও ভোটের অধিকার রক্ষায় সকলে একতাবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।

যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাব হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, সহকারি আহ্বায়ক তামান্না ফেরদৌস শিখা, সহকারী সদস্য সচিব শেখ খাইরুল কবির, সহকারী সদস্য সচিব এ্যাড. শিরিন আক্তার, যুব অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনজুর মোর্শেদ মামুন , সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

সরকার করোনার টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার চিন্তা করছে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সরকার করোনা ভাইরাসের টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার চিন্তা করছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।

নিউরোস্পাইন সোসাইটি অব বাংলাদেশের জাতীয় সম্মেলন এবং বৈজ্ঞানিক সেমিনার উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার মৌলভীবাজারের হোটেল গ্রান্ড সুলতানে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি ও বিএসএমএমইউর নিউরোসার্জারি বিভাগের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ। আরও বক্তৃতা করেন অধ্যাপক মো. আফজাল হোসেন, অধ্যাপক ডা. আবুল খায়ের, অধ্যাপক ডা. শফিক উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

সম্মেলনে দেশের ১৬০ জন নিউরোসার্জন অংশ নেন। তারা ৫০টি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্রখ্যাত নিউরোসার্জন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, করোনার কারণে দু’বছর আমাদের দেশের মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেননি। তারা দেশেই চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মানে হচ্ছে, আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনুন্নত নয়। আমাদের চিকিৎসকরা বিশ্বমানের চিকিৎসা পরামর্শ দিতে সক্ষম। তবে এক্ষেত্রে এখন চিকিৎসকদের বড় ভূমিকা আছে। সেটি হচ্ছে, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সেবা দেয়ার পাশাপাশি রোগীরা যাতে সন্তুষ্ট হয় সেভাবে তাদেরকে সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।

বিচারপতি এসকে সিনহার ঋণ জালিয়াতি মামলার রায় আজ

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এসকে সিনহা) ১১ জনের বিরুদ্ধে করা ঋণ জালিয়াতি মামলার রায় আজ।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে দুই দফা রায় ঘোষণার দিন পরিবর্তন হয়। দ্বিতীয় দফায় গত ২১ অক্টোবর রায় প্রস্তুত না হওয়ায় এবং প্রথম দফায় গত ৫ অক্টোবর বিচারক অসুস্থ থাকায় রায় ঘোষণা হয়নি।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ (দুদক) ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য প্রথম দফায় ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

আসামিদের মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী কারাগারে আছেন। আর ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান ও একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা জামিনে আছেন।

এছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ফারমার্স ব্যাংক থেকে ঋণের নামে চার কোটি টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে এসকে সিনহার ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তরের অভিযোগে গত বছরের ১০ জুলাই মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর দুদক পরিচালক মো. বেনজীর আহমেদ আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

গত বছরের ১৩ আগস্ট মামলায় এসকে সিনহাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। গত ২৪ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ২১ সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

ম্যানচেস্টার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ সিসিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন দ্বারা আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট 2021: বিল্ডিং সাসটেইনেবল গ্রোথ পার্টনারশিপ এর গর্বিত স্পন্সর ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড

৪ নভেম্বর ২০২১ এবং ৮ নভেম্বর ২০২১ এ লন্ডন এবং ম্যানচেস্টার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ সিসিউরিটি অ্যান্ড
এক্সচেঞ্জ কমিশন দ্বারা আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট 2021: বিল্ডিং সাসটেইনেবল গ্রোথ পার্টনারশিপ এর গর্বিত স্পন্সর ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড।  ৮ নভেম্বর ২০২১ তারিখে
ম্যানচেস্টার অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এমপি মাননীয় ভূমিমন্ত্রী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান ফজলুর রহমান এমপি। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবায়াত উল ইসলাম এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তূপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য অতিথিরা।

এর আগে গণপ্রজানন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ নভেম্বর ২০২১ তারিখে লন্ডন অধিবেশনের প্রধান অতিথি ছিলেন। তার সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ড. এ কে আব্দুল মোনেম, এমপি মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জনাব সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপিম মাননীয় ভূমিমন্ত্রী, জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং জনাব আনিসুজ্জামান চৌধুরী চেয়ারম্যান এক্সিকিউটিভ কমিটি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড।

উভয় দেশের অনেক সম্মানিত ও বিশিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে শীর্ষ সম্মেলনটি আয়োজিত হয়।

সাউথ বাংলা ব্যাংকের ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

গত ৬ নভেম্বর ২০২১, শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংকের ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব আবদুল কাদির মোল্লা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর মোঃ মকবুল হোসেন ভুঁইয়া। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শামসুল আরেফিন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম চৌধুরী ও আলতাফ হোসেন ভুঁইয়াসহ প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানগণ। সম্মেলনে ব্যাংকের সকল শাখার প্রধান, উপ-প্রধান এবং উপশাখার ইনচার্জগণ অংশ নেন।

হাই-টেক শিল্পে বিশেষ অবদানঃ ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ পেলো ওয়ালটন

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৯’ পেলো ওয়ালটন। দেশের শিল্প খাতে বিশেষ অবদান রাখায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মর্যাদাকর ওই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর ২০২১) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ওই পুরস্কার দেয়া হয়।

বেসরকারি খাতের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পঞ্চমবারের মতো রাষ্ট্রপতির নামে প্রবর্তিত এ পুরস্কার দিলো শিল্প মন্ত্রণালয়। পুরস্কার হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১টি করে ক্রেস্ট এবং সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। এ বছর ৬টি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনসহ ১৯টি প্রতিষ্ঠান ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ পেয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। সভাপতিত্ব করেন শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম মুর্শেদ। পুরস্কারপ্রাপ্তিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রণালয়সহ সরকারকে ধন্যবাদ জানান গোলাম মুর্শেদ। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার সফল বাস্তবায়ন করছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১২ বছর ধরে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে আসছি। দেশের উন্নয়নের অন্যতম উদাহরণ ওয়ালটন। যেখানে ৩০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স খাতে আমদানির্ভর দেশ থেকে বাংলাদেশ উৎপাদন এবং রপ্তানিমুখী দেশে পরিণত হয়েছে। চলতি বছর ওয়ালটন ১৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স খাতে ১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এটা সম্ভব হতো না।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, এসডিজির নবম লক্ষ্য হলো শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো। বাংলাদেশের বেসরকারি শিল্পখাতের উদ্যোক্তাগণ এখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তারা বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি এবং ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী যে লক্ষ্য নিয়েছেন, বরাবরের মতো সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তা অর্জনে বেসরকারি খাত সহায়ক  ভূমিকা পালন করবে। সর্বোপরি সরকার এবং দেশের সকল পর্যায়ের ক্রেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও।

মাওয়ায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের উপশাখা উদ্বোধন করা হয়েছে। ৭ নভেম্বর, রবিবার ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-অর-রশিদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপশাখাটি উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ঢাকা সাউথ জোনের প্রধান মনির হোসেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ রাশিদুল হক মুন্না, আলহাজ্ব আতাউর রহমান, মোতাহার উদ্দিন আহমেদ, লৌহজং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানিক মিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লৌহজং শাখা ব্যবস্থাপক জাকিউল্লাহ সিদ্দিক। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এফএভিপি মোঃ মোস্তফা কামাল। এসময়
বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক গ্রাহক-শুভানুধ্যায়ীর সমাগম ঘটে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-অর-রশিদ খান বলেন, শুধু আর্থিক লাভের জন্য এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষকে সুদের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক। তিনি নতুন শাখাসহ ব্যাংকের সকল শাখায় শরীয়াহ্ সম্মতভাবে সর্বোচ্চ গ্রাহকসেবার নিশ্চয়তা দেন।

স্থায়ীভাবে খুশকি দূর করতে রসুনের ৫ ব্যবহার

মাথার ত্বকের অনেক সাধারণ একটি সমস্যা হচ্চে খুশকি। মূলত এটি হয়ে থাকে মাথার ত্বকের মৃত চামড়া ওঠার কারণে। আর অতিরিক্ত পরিমাণে খুশকির ফলে চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়।

রসুন বিভিন্ন স্বাস্থ্য এবং ত্বকের সমস্যার জন্য একটি প্রাচীন ঘরোয়া প্রতিকার।  এটিতে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর খুশকির সমস্যা নিরাময়ের জন্য অ্যান্টিফাঙ্গাল অনেক ভালো কাজ করে এবং স্থায়ীভাবে দূর করতে পারে আপনার এ সমস্যাটি। তবে মনে রাখবেন, রসুন সরাসরি আপনার মাথার ত্বকে ব্যবহার করা যাবে না।

তা হলে আসুন জেনে নিই কীভাবে রসুনের ব্যবহারে স্থায়ীভাবে দূর করবেন খুশকি—

১. রসুন ও জলপাই তেল
রসুনের তেল ও জলপাই তেল ব্যবহার করে দূর করতে পারেন খুশকির সমস্যা। আর এই দুটি উপাদান ব্যবহার করলে পেয়ে যেতে পারেন স্থায়ী সমাধান।
এর জন্য রসুনের তেল দুই চামিচ ও জলপাই তেল পাঁচ চামচ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এর পর ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিলেই পাবেন উপকার।

২. রসুন ও নারিকেল তেল
খুশকি সমস্যা সমাধানের উপায় হিসেবে রসুনের তেল ও নারিকেল তেলের মিশ্রণও অনেক ভালো কার্যকরী। এটি ব্যবহারেও পুনরাবৃত্তি বন্ধ হতে পারে খুশকি সমস্যার।
এর জন্য দুই চামিচ রসুনের তেল ও চার চামচ নারিকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য গরম করে নিন। এর পর সেটি ঠাণ্ডা হয়ে এলে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিলে মিলবে সমাধান।

৩. রসুনের গুঁড়া ও দই
মাথা থেকে স্খায়ীভাবে খুশকি দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন রসুনের গুঁড়া ও দইয়ের মিশ্রণ।
এর জন্য দুই চামচ রসুনের গুঁড়া ও পাঁচ চামচ দইয়ের সঙ্গে সামান্য পানি নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এর পর মাথার ত্বকে নারিকেল তেল ভালো করে ম্যাসাজ করে নিয়ে তার ওপরে মিশ্রণটি লাগান। ২০-৩০ মিনিট রেখে দিয়ে ধুয়ে নিলেই মিলবে উপকার।

৪. রসুনের রস ও অ্যালোভেরা জেল
রসুনের রস ও অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে ১০ মিনিটেই তৈরি করে নিতে পারেন খুশকি দূর করার দাওয়াই।
এর জন্য একটি পাত্রে রসুনের রস দুই চামিচ ও অ্যালোভেরা জেল চার চামচ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিলেই মিলবে সমাধান।

৫. রসুন, মধু ও লেবু
অনেক উপকারী এই তিনটি উপাদান ব্যবহার করে সহজেই দূর করতে পারেন খুসকি সমস্যা।
এর জন্য একটি পাত্রে রসুনের তেল দুই চামচ, এক চামচ মধু ও দুই চামচ লেবু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এর পর মাথার ত্বকে নারিকেল তেল ভালো করে ম্যাসাজ করে নিয়ে তার ওপরে মিশ্রণটি লাগান। শাওয়া ক্যাপ পরে ২০ মিনিট রেখে অপেক্ষা করুন। পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিলেই মিলবে উপকার।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম