মঙ্গলবার ,৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 634

নকল করে পাস বা জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নিলে বেতন হালাল হবে?

পরীক্ষায় নকল করা কিংবা জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়া মিথ্যা, খেয়ানত, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা এবং যোগ্য ব্যক্তিদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার মতো গুনাহ।

তাই পরীক্ষায় নকল করা শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে জায়েজ নয়। যারা এসব কর্মে লিপ্ত হয়, তাদের জন্য তওবা, ইশতিগফার করা আবশ্যক।

পরীক্ষায় নকল করা মারাত্মক গুনাহের কাজ৷ এটি ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার শামিল। হাদিসে এসেছে—

আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়; আর যে ব্যক্তি আমাদের ধোঁকা দেবে সেও আমাদের দলভুক্ত নয়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৯৪)

ইবনে মাসউদের (রা.) হাদিসটি যা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি আমাদের ধোঁকা দেয়, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং ষড়যন্ত্রকারী ও প্রতারক জাহান্নামে যাবে না। এবং আবু বকর সিদ্দিক রা. থেকে বর্ণিত ‘অভিশপ্ত সে যে কোনো মুসলমানের ক্ষতি করে বা তার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে।’ তিরমিজি বর্ণনা করেছেন। (জামিউল উলুম ওয়াল হিকামি: ৯/৩৫)

এখন প্রশ্ন হচ্ছে— যদি কোনো ব্যক্তি চাকরি পাওয়ার জন্য পরীক্ষা দেয়, কিন্তু পরীক্ষায় সে কিছু জালিয়াতি করে, যেমন প্রশ্ন ফাঁস বা নকল করে, তা হলে সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে ?

প্রশ্নে উল্লিখিত অবস্থায় কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি পেয়ে যায়, তা হলে সে গুনাহগার হবে। ফলে তার জন্য আন্তরিকভাবে তওবা করা আবশ্যক হবে। তবে ওই ব্যক্তি যদি সেই চাকরির জন্য যোগ্য হন এবং তিনি তার দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে পারেন, তা হলে সেই অবস্থায় বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে। কারণ বেতন বা মজুরি কর্মের বিনিময়ে হচ্ছে।

আর যদি চাকরি না পাওয়া যায়, তবে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং দ্বীনদারির সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব আদায় করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও প্রতারণা করে চাকরি পাওয়া জায়েজ হবে না।

দ্বিতীয় আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে— পরীক্ষায় নকল করে প্রাপ্ত সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে চাকরির বেতনের বিধান কি?

পরীক্ষায় নকল করা কিংবা জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়া খেয়ানত, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা ও গুনাহের কাজ। যারা এসব কর্মে লিপ্ত হয়, তাদের জন্য অতিসত্বর তওবা, ইশতিগফার করা আবশ্যক।

তবে নকল করে প্রাপ্ত ডিগ্রির ভিত্তিতে চাকরি করে যে বেতন গ্রহণ করা হয় তা হালাল না হারাম হবে, সে বিষয়ে মূলনীতি হচ্ছে যে, যদি সেই ব্যক্তি তার সেই চাকরি ব্যাপারে যোগ্যতা রাখে এবং তিনি তার সব দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে পারে, তা হলে সেই অবস্থায় বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে।

কেননা বেতন হালাল হওয়ার সম্পর্ক হলো দায়দায়িত্ব সঠিকভাবে আদায় করার সঙ্গে।

আর যদি এমন হয় যে সেই ব্যক্তি ওই দায়িত্ব ও চাকরির যোগ্য না হয় অথবা চাকরির যোগ্য কিন্তু সঠিকভাবে দ্বীনদারির সাথে কাজ করে না, তাহলে তার বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে না।(অর্থাৎ যে পরিমাণ খিয়ানত হবে সে পরিমাণ বেতন হালাল হবে না।)

তথ্যসূত্র- জামিয়া ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন,করাচী, ওয়েবসাইট ফাতাওয়া নম্বর ১৪৪০১০২০০৩১৯,
দারুল ইফতা, জামিয়াতুর রশিদ, করাচী, ফাতাওয়া নং ৫৭/৬১১৫৯

পুরুষের স্তন ক্যান্সার কীভাবে বুঝবেন?

স্তন ক্যান্সার সাধারণত নারীর মধ্যেই বেশি প্রচলিত। তবে পুরুষেরও কিন্তু এটি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর আমরা নারীর স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন থাকলেও কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে তেমন সচেতন হতে দেখা যায় না।

পুরুষের স্তন ক্যান্সার বিরল হলেও কিন্তু এমন নয় যে এটি হয়ই না। সম্ভাবনা কম থাকলেও এটি হতেই পারে।

তাই পুরুষের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। এ জন্য পুরুষের স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ ও উপসর্গ সম্পর্কে নিজেকে সচেতন করা উচিত। জানুন পুরুষের স্তন ক্যান্সার কীভাবে বুঝবেন—

১. একটি স্তনে ব্যথাহীন পিণ্ড
পুরুষের স্তন ক্যান্সার হলে একটি স্তনে ব্যথাহীন পিণ্ড দেখা যেতে পারে। এমনটি মনে হলে দ্রুতই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

২. স্তনবৃন্ত দেবে যাওয়া
স্তন ক্যান্সারের আরেকটি লক্ষণ হচ্ছে স্তনবৃন্ত দেবে যাওয়া। স্তন ক্যান্সার হলে আপনার স্তনে এমন পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। আবার স্তনে পিণ্ড বা ফোলাভাবও দেখা দিতে পারে।

৩. স্তনের ত্বকে জ্বালা বা ডিম্পলিং
স্তনের ত্বকে জ্বালাপোড়া ও ডিম্পলিং দেখা দিতে পারে স্তন ক্যান্সার হলে।

৪. স্তনবৃন্ত স্রাব
স্তন ক্যান্সার হলে পুরুষেরও স্তনে স্তনবৃন্ত স্রাব দেখা যেতে পারে।

৫. স্তনের বোঁটা টেনে যাওয়া বা স্তনবৃন্তের জায়গায় ব্যথা হওয়া
স্তন ক্যান্সার হলে এটি আরেকটি উপসর্গ। এমনটি হলে স্তনের বোঁটা টেনে যাওয়া বা স্তনবৃন্তের জায়গায় ব্যথা হতে পারে।

এই লক্ষণগুলো হচ্ছে— স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক সতর্কীকরণ লক্ষণ। তবে কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো থেকে আরও ভালোভাবে বোঝা যায় যে, ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ছে। যেমন— লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া, স্তনে ব্যথা এবং হাড়ের ব্যথা হলে সেটি আরও গুরুতর কিছু হতে পারে।

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের মতে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ে। বেশিরভাগ স্তন ক্যান্সার ৫০ বছর বয়সের পরে হয়ে থাকে বলে স্বাস্থ্য সংস্থা পরামর্শ দেয়। এ ছাড়া নিয়মিত স্তন স্ক্রিনিং পুরুষের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির কোনো লক্ষণ শনাক্ত করার একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, সিডিসি ডট গভ

কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম-ফেজ২ প্রজেক্ট (এনএটিপি-২) নামের একটি প্রকল্পে ‘কম্পিউটার অপারেটর, পিএমইউ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করা যাবে ডাকযোগে।

প্রকল্পের নাম: ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম-ফেজ২ প্রজেক্ট (এনএটিপি-২)
পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর, পিএমইউ
পদ সংখ্যা: ২ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ৫৪,০০০
চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর হিসাবে ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে।

আবেদনের নিয়ম: আবেদনের জন্য http://natp2pmu.gov.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। পরে আবেদনপত্র পূরণ করে ডাকযোগে পাঠাতে হবে। বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের ঠিকানা: প্রকল্প পরিচালক, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম-ফেজ২ প্রকল্প, এআইসি ভবন, রুম নং-৪০৬, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫।

আবেদনের শেষ সময়: ৭ ডিসেম্বর ২০২১ বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকালে

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলন আজ। ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এ পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিকাল ৪টায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের আগে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষে গঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা হবে।

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় ২ নভেম্বর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে। সেই ঘোষণা মোতাবেক ১৪ নভেম্বর থেকে চলছে এসএসসি পরীক্ষা।

বরিশালে নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী

বরিশালে ট্রেইনি রিক্রুট কন্সটেবল নিয়োগ প্রক্রিয়ার লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র গ্রেপ্তার হয়েছেন।

বুধবার দুপুরে নগরীর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন।

আটক আবুল খায়ের আরাফাত জুয়েল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগের ছাত্র।

কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক লোকমান হোসেন জানান, মুক্তিযোদ্ধা কোটার (পুরুষ) প্রার্থী উজিরপুরের বাসিন্দা জীবন হালদারের ছেলে সৌরভ হালদারের জন্য প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে আরাফাত গ্রেপ্তার হয়।

এর আগে প্রবেশ পত্র যাচাই করে হাজিরা শীটে স্বাক্ষর নেওয়ার সময় সন্দেহ হয় হল পরিদর্শকের। সে সময় বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর না দিতে পেরে সব শেষে সে প্রক্সি দিতে এসেছে বলে স্বীকার করে।

৩০ হাজার টাকা চুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আরাফাত এই পরীক্ষা দিতে এসেছে বলে পুলিশকে জানায়। এছাড়া মূল পরীক্ষার্থী সৌরভ হালদারের খাতা বাতিল করা হয়েছে। তার ঠাকুরদা হরলাল হালদার মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, সেই কোঠার প্রার্থী ছিলেন সৌরভ হালদার।

গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের একজন সাব ইন্সপেক্টর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

অভিনেত্রী শ্রীলেখা অসুস্থ

অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।

শ্রীলেখার বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, গলায় কষ্ট হচ্ছে। শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে তার। চিকিৎসকের নির্দেশের আগে তিনিই ছাড়তে চান তার নবম শ্রেণি থেকে সঙ্গী এই বদ (ধূমপান) নেশাকে। বুধবার বিকাল থেকেই অসুস্থ তিনি। জ্বর, গলা, গা-হাত-পা ব্যথায় কাবু করেছে তাকে।

শ্রীলেখা বলেন, ‘এখনও স্বাদ-গন্ধ চলে যায়নি। মনে হচ্ছে, জীবাণুঘটিত জ্বর হয়েছে আমার। আপাতত তাই কোনও পরীক্ষা করাননি।

বুধবার থেকেই গলার স্বর অল্প বদলেছে শ্রীলেখার। বিকালে অসুস্থ হওয়ার পরেই অনুরাগীদের জানান, আপাতত তিনি হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলবেন।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে ‘নির্ভয়া’ ছবির অন্যতম অভিনেত্রীর গলার স্বর ভাঙা। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে তার। ঘুমেই বিশ্রাম খুঁজছেন তিনি। এও জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মা-বাবার অভাব তার মন দুর্বল করে দিয়েছে। এদিকে, অসুস্থতার মধ্যেও নজর সারমেয়দের দিকে। এক হারিয়ে যাওয়া সারমেয় শিশুর ছবি দিয়ে তাকে তার অভিভাবকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন শ্রীলেখা।

প্রসঙ্গত, অংশুমান প্রত্যুষের ‘নির্ভয়া’য় শ্রীলেখার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। নভেম্বরের শেষে মুক্তি পাবে বহু প্রতীক্ষিত ‘অভিযাত্রিক’। শুভ্রজিৎ মিত্রের সাদা-কালো ছবিতে ধরা রয়েছে ‘পথের পাঁচালী’র শেষ অংশ। যা সত্যজিৎ রায় তার ছবিতে বন্দি করেননি। শ্রীলেখা এই ছবিতে অপুর এক প্রতিবেশী দিদি ‘রাণু’।

অভিনেত্রী শ্রীলেখা জানান, হইচই প্ল্যাটফর্মের নতুন তিনি একটি সিরিজেও তিনি সদ্য অভিনয় করলেন। এখনও ডাবিংয়ের কাজ চলছে।

নুসরাত জাহানের সঙ্গে নিখিল জৈনের বিয়ে বৈধ ছিল না

বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে টালিউড অভিনেত্রী ও তৃণমূলের এমপি নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে করা মামলায় জিতে গেলেন তার সাবেক স্বামী নিখিল জৈন।

নুসরাতের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে কলকাতার আলিপুর আদালতে বিচ্ছেদ চেয়ে দেওয়ানি মামলা করেছিলেন নিখিল। কিন্তু আদালতে কখনও মুখোমুখি হননি সাবেক এ দম্পতি। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

আদালত বুধবার বলেছেন, ২০১৯ সালে তুরস্কে গিয়ে নিখিল জৈনের সঙ্গে এমপি নুসরাত জাহানের যে বিয়ে হয়েছে তা ভারতে বৈধতা পায়নি।

নিখিল জৈন আদালতে তার আর্জিতে বলেন, অভিনেত্রীর সঙ্গে তার বহুদিন কোনো যোগাযোগ নেই। তার অনাগত সন্তানের জনক আমি নই।

তিনি আরও জানিয়েছিলেন, নুসরাতের সঙ্গে ভবিষ্যতেও কোনো সম্পর্ক তিনি রাখতে চান না। যেহেতু আইনি প্রক্রিয়ায় ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন হয়নি, তাই অ্যানালমেন্ট করেই আলাদা হতে হতো তাদের।

বিবাহবিচ্ছেদের নিয়মানুযায়ী, নুসরাতকে আদালতে গিয়ে বলতে হতো নিখিলের সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক থাকবে না তার। কিন্তু নুসরাত ওই নিয়ম পালন করেছিলেন কিনা সে কথা স্পষ্ট নয়।

নিখিল বলেছিলেন, যেদিন জানলাম নুসরাত আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, অন্য কারও সঙ্গে থাকতে চায়; সেদিনই দেওয়ানি মামলা করেছি আমি। নুসরাতের মা হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিইনি আমি।

অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে— নুসরাত ফের বিয়ে করেছেন যশ দাশগুপ্তকে। তাদের সন্তান ঈশানের জন্মের পরেই সে কথা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন নুসরাত।

ইনস্টাগ্রামে ছবি দিয়ে যশকে ‘স্বামী’ সম্বোধন করতেও দেখা গেছে পশ্চিমবঙ্গের এ এমপিকে।

টি-টেন লিগে খেলবেন না পাক পেসার আমির

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার মোহাম্মদ আমির। ফলে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া আবুধাবি টি-টেন লিগে আর খেলা হচ্ছে না তার।

নিজের করোনা আক্রান্তের খবর টুইটারে আমির জানিয়েছেন নিজেই। এ পাক তারকা পেসার লিখেছেন, সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই এ বছরের টি-টেন লিগে আমার খেলা হচ্ছে না। আমি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছি। তবে এখন অনেকটা সুস্থবোধ করছি। আলহামদুলিল্লাহ। আমার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।

 

এছাড়া সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট পাকিস্তানকে আমির বলেছেন, গত ৮ নভেম্বর করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ শনাক্ত হই। গত কয়েকদিন ধরে লাহোরের আবহাওয়া খুব একটা ভালো নয়। তাই আমি আমার স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। এখন নিজের রুমে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছি। আমার পরিবারের বাকি সবাই ভালো আছে।

টি-টেন লিগের পঞ্চম আসরে বাংলা টাইগার্সের হয়ে খেলার কথা ছিল এ তারকা পেসারের। সেটি আর হচ্ছে না এখন। আগামী শনি অথবা রোববার করাচিতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমিরের। সেখান থেকে দুবাই গিয়ে লংকান প্রিমিয়ার লিগের জন্য প্রস্তুতি নেবেন তিনি।

পাকিস্তান একাদশে নেই হাসান আলি ও ইমাদ ওয়াসিম

বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে আগামীকাল মিরপুরে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে একাদশ ঘোষণা না করলেও নিজেদের স্কোয়াড ১২ জনে নামিয়ে এনেছে সফরকারীরা।

বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচের একাদশে থাকা তিন খেলোয়াড়কে রাখেনি তারা। অর্থাৎ বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের একাদশে অন্তত তিনটি পরিবর্তন থাকছে তাদের।

সেই ১২ জনের দলে নেই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজের জায়গায় নেওয়া আরেক অলরাউন্ডার ইফতিখার আহমেদ।

দলে রাখা হয়নি বিশ্বকাপ একাদশে খেলা আসিফ আলি ও ইমাদ ওয়াসিম। দলে আছেন হায়দার আলি, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। এই চারজনের মধ্যে অন্তত তিনজন খেলবেন প্রথম ম্যাচে।

প্রথম ম্যাচের জন্য পাকিস্তানের ১২ জনের দল

বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), হায়দার আলি, ফাখর জামান, শোয়েব মালিক, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ, শাদাব খান, মোহাম্মদ ওয়াসিম, হারিস রউফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলি।

নওগাঁয় নির্বাচনি সহিংসতায় আহত যুবকের মৃত্যু

নওগাঁর মান্দা উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত রানা (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান।

নিহত রানা উপজেলার উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে। রানা স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

জানা যায় গত ১৩ নভেম্বর নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দীন মণ্ডল ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গ্রামপুলিশসহ আটজন আহত হন।

তাদের মধ্যে রানা গুরুতর আহত হন। সংঘর্ষের ওই ঘটনায় ওই দিনই আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দীন বাদী হয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলামসহ ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করেন।

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, গত ১৩ নভেম্বর নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দের দিন বিকাল ৫টার দিকে সতিহাটবাজার এলাকায় আমার কর্মী-সমর্থকরা আনারস প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দীনের কর্মীরা মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে বের হন। উভয়পক্ষ মুখোমুখি হলে হানিফ উদ্দীনের লোকজন কোনো উসকানি ছাড়াই আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার সমর্থক সাইফুল ইসলাম, রানা ও সাহাদত হোসেন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ কোনো মামলা নেয়নি।

হানিফ উদ্দীনের দাবি, শফিকুল ইসলামের সমর্থকরাই তার সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। সতিহাট বাজারে থাকা তার একটি নির্বাচনী ক্যাম্প ভেঙে দিয়েছে। এতে তাদের হামলায় তার পাঁচ কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা করলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ আসামিরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরছেন এবং নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে মান্দা থানার ওসি শাহিনুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ওই ঘটনায় ৬০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দীন একটি মামলা করেছেন। তবে অন্য পক্ষ থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।