বৃহস্পতিবার ,১৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 605

আমিরাতে প্রথম ওমিক্রন রোগী শনাক্ত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাওয়া গেল করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন। গত বুধবার (১ ডিসেম্বর) আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টুইটারে এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা গেছে, ওমিক্রনে আক্রান্ত নারী দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক। সম্প্রতি তিনি তার দেশ থেকে আমিরাতে এসেছেন। টুইট বার্তায় স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ওমিক্রনে আক্রান্ত নারী ইতোমধ্যে করোনার টিকা গ্রহণ করেছেন।

২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমবারের মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে করোনার নতুন ধরন শনাক্তের বিষয়ে সতর্ক করে। অবশ্য পরে জানা যায়, এর আগেই নেদারল্যান্ডসে পাওয়া গিয়েছিল ধরনটি। তখন এর আনুষ্ঠানিক কোনো নাম না থাকলেও ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপে দেরি করেনি বিশ্ব। আফ্রিকান দেশগুলোর ওপর একের পর এক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অসংখ্য দেশ।

ফিলিস্তিন সংকটের মূল কারণ খুঁজে বের করতে বাংলাদেশের আহ্বান

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই ফিলিস্তিন সংকটের মূল কারণ খুঁজে বের করে তার সমাধানসহ ইসরাইলি আগ্রাসনের অবসানে সত্যিকারের প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। ইসরাইল যাতে সব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইন এবং জাতিসংঘ রেজুলেশনসহ ২৩৩৪ (২০১৬) সংশ্লিষ্ট অন্যান্য জাতিসংঘ রেজুলেশন যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে সম্মত হয় তা আমাদেরই নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় সময় বুধবার (১ ডিসেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রশ্নে আয়োজিত এক প্লেনারি সভায় বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এসব কথা বলেন।

১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী দ্বি-জাতি সমাধান কাঠামোর আওতায় পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, কার্যকর ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায় সঙ্গত অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অটুট ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

ইসরাইলি দখলদার বাহিনী কর্তৃক বাড়িঘর ও অবকাঠামো ভেঙে ফেলা, দখল, বহিষ্কার, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং ফিলিস্তিনিদের রক্তপাত ঘটানোর কারণে ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে মর্মে উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, ইসরাইলের এহেন কর্মকাণ্ড জাতিসংঘ রেজুলেশন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের প্রতি সুস্পষ্ট অবজ্ঞা প্রদর্শন।

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার ঘৃণ্য সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে এবং অধিকৃত ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সংঘটিত নৃশংস অপরাধের অবশ্যই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি এসব অপরাধ তদন্তের জন্য স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের চলমান কার্যক্রমকে স্বাগত জানান। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এ বিষয়ক অগ্রগতিকেও স্বাগত জানান।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্নে জাতিসংঘে দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলমান থাকার অর্থ হচ্ছে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার একটি স্পস্ট অনুস্বাক্ষর। জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে তার ন্যায্য স্থান প্রদানসহ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত, দীর্ঘস্থায়ী, ব্যাপকভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিতে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পুনরায় আহ্বান জানান বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

শীতে শিশুর রোগ ও প্রতিকারের উপায়

শীতে বেশি অসুস্থ হয় শিশুরা। এ সময় শিশুরা কী ধরনের রোগে আক্রান্ত হয় এবং কীভাবে প্রতিকার পাওয়া যায়।

শীতে শিশুদের কী কী রোগ দেখা যায়?

মূলত এ সময় শিশুরা নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ঠাণ্ডা, কাশি, সর্দি এবং অ্যাজমায় বেশি আক্রান্ত হয়। আর এর সঙ্গে সিজন্যাল জ্বর তো রয়েছেই।

এসব রোগের লক্ষণ:

ঠাণ্ডা অনেক দিন স্থায়ী হওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট অনুভব, বুকের খাঁচা দেবে যাওয়া, দ্রুত শ্বাস নেওয়া।

কারা বেশি আক্রান্ত হয়:

সাধারণত আমাদের দেশের অপুষ্টিতে ভোগা কম ওজনের শিশুরাই এ ধরনের রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। আর দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা সুষম খাদ্য এবং যত্নের অভাবে পুষ্টিহীনতায় ভোগে। তাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও কম থাকে।

কীভাবে সতর্ক হতে হবে?

শিশু অসুস্থ হলে মায়ের বুকের দুধ দিতে হবে এবং নিয়মিত খাবার খাওয়াতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তার ঠাণ্ডা না লাগে। তাদের ধুলাবালি থেকেও দূরে রাখতে হবে। শিশু একটানা তিন দিনের বেশি অসুস্থ থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

চিকিৎসা:

নিউমোনিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে ১৫ দিনের চিকিৎসাতেই শিশু ভালো হয়ে যায়। আর ভাইরাসজনিত জ্বরও ৩ থেকে ৫ দিনেই সেরে যায়। শিশুকে জন্মের পর থেকে সব টিকা সময়মতো দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। টিকার পাশাপাশি ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়েও তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, সব টিকা নিয়মিত দিলে শিশু বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা পায় এবং তার মধ্যে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

শিশুকে শীতের পোশাক পরাতে হবে। আর গোসলের সময় হালকা গরম পানি ব্যবহার করলে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। সাধারণ সর্দি-কাশিকে অবহেলা না করারও পরামর্শ দেন ডাক্তাররা।

শীতের সবজির উপকারিতা

হেমন্তের কোমল হিমেল হাওয়া যেমন শীতের আবেশ জাগাচ্ছে, তেমনি বাজারে থরে-থরে সাজানো শীতের সবজিও রসনাবিলাসীদের রসনাতৃপ্ত করার জন্য প্রস্তুত।

সবজি খেতে আমরা কম বেশি সবাই খুব পছন্দ করি। আর শীতকালীন সবজির তো কথায় নাই। কেননা সবজির জন্য সবচেয়ে ভালো সময় হলো শীতকাল।

আর আমাদের দেশে শীতকালে প্রায় সব সবজি পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি জানেন কী এই শাকসবজিগুলো থেকে আমরা কী কী উপাদান পাই কিংবা এর উপকারিতা কী?

আপনি জানেন কী কিছু কিছু সবজিতে এমন উপাদান আছে; যা কিনা আপনার ক্যান্সার প্রতিরোধক? আবার কিছু সবজি আপনার উচ্চরক্ত চাপ কমিয়ে জটিল রোগ থেকে আপনাকে মুক্ত রাখে? যদি আপনি না জানেন কিংবা আপনি জানতে আগ্রহী হন তাহলে জেনে নিন কিছু জনপ্রিয় শীতকালীন সবজির উপকারিতা…।

শীতে যত ভিন্ন রকম সবজি পাওয়া যায়, সারা বছরজুড়ে তার কিয়দাংশ পাওয়া যায় না। আমাদের দেশে শীতকালীন শাক-সবজির বীজ ঢাকাসহ প্রায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলা শহরের বিভিন্ন বীজ ভাণ্ডার থেকে সংগ্রহ করা যায়। আপনি চাইলে এই সবজির বীজ খুব সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন এবং সবজির চাষ করতে পারেন। আমাদের দেশে শীতের সবজি বলতে এক সময় জনপ্রিয় ছিল ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, ব্রোকলি, গাঁজর, লাউ, টমেটো, শিম, আলু, ওলকপিসহ নানান প্রকার সবজি।

আর এখন এসব সবজি বারো মাসকাল বাজারে পাওয়া যায়। তবুও শীতেকালে চাষকৃত এই সবজিগুলার কদর কিন্তু এখনও রয়ে গেছে। শুধু সহজলভ্যতায় নয় এ সকল সবজির পুষ্টি গুণও অধিক। শীতের প্রতিটি সবজিতেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়া প্রায় সব শাক সবজিতে থাকে প্রচুর পানি যা দেহে পানির ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম। এই এন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান যা ত্বকের বার্ধক্যরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। আমাদের ত্বকের সজীবতা ধরে রাখে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। শাক-সবজির আঁশ ও এন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান খাদ্যনালীর ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই সুস্থ ও সুন্দর থাকার জন্য এসব শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। আসুন জেনে নেই শীতের সবজির গুণাগুণ সম্পর্কে—
গাজর:
সবজির মধ্যে গাজর অন্যতম প্রধান। গাজর কাঁচা ও বিভিন্ন ভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। গাজর আমাদের দেশে অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু শীতকালীন একটা সবজি, যা আপনি এখন প্রায় সারা বছরই বাজারে পাবেন। তরকারি বা সালাদ হিসেবে গাজর খাওয়া যায়।

প্রাপ্ত উপাদান:
গাজরে রয়েছে প্রচুর ক্যারোটিন। এতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন এ, বি ও সি এবং পর্যাপ্ত খাদ্য শক্তি রয়েছে। আমাদের দেশে প্রচলিত অধিকাংশ শাক সবজি ও ফলমূলের চেয়ে গাজরে ভিটামিন ‘এ’র মাত্রা অধিক। শিশুদের রাত কানা রোগ প্রতিরোধ ও শরীরে শক্তি জোগাতে গাজর খাওয়া উচিত। ৪-৬ বছর বয়সের একটি শিশুর দৈনিক ৩০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ‘এ’ খাওয়া প্রয়োজন। অপরদিকে পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন ৭৫০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ‘এ’ খাওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে দু’একটি গাজর খেলে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’র অভাব সহজেই পূরণ হতে পারে। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে রয়েছে জলীয় অংশ ৮৫.০ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.৯ গ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৫৭ কিলোক্যালরি, আমিষ১.২ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, শর্করা, ১২.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, লৌহ ২.২ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ১০৫২০ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি১ ০.০৪ এবং ভিটামিন বি২ ০.০৫ মিলিগ্রাম।

উপকার:
গাজরে আছে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। অন্যান্য উপাদানগুলো অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। গাজরে প্রয়োজনীয় ক্যারোটিনয়েড যা আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। আপনি যদি গাজরের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করেন তাহলে ত্বকের মরা কোষ দূর হবে এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

ধনেপাতা:
এখন বারো মাস পাওয়া গেলেও এটা আসলে শীতকালীন সবজি। গাড়-সবুজ রঙ্গের এই সবজি বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। নানান পদের তরকারি, চাটনি ও আচার তৈরি করে খাওয়া হয়।

প্রাপ্ত উপাদান:
ধনেপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফলিক অ্যাসিড।

উপকার:
ধনেপাতায় যে ভিটামিন, মিনারেল, খনিজ লবণ ও অন্যান্য উপাদান পাওয়া যায় তা আমাদের ত্বকের জন্য যথেষ্ট প্রয়োজনীয়। এই ধনেপাতার ভিটামিনগুলো আমাদের ত্বকে প্রতিদিনের পুষ্টি জোগায়, চুলের ক্ষয়রোধ করে থাকে এবং আমাদের মুখের ভেতরের নরম অংশ গুলোকে রক্ষা করে। মুখ গহ্বরের দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ধনে পাতার ভিটামিন এ আমাদের চোখের পুষ্টি জোগায়। রাতকানা রোগ দূর করতে ধনেপাতা বিশেষ ভূমিকা রাখে।

কোলেস্টেরলমুক্ত এই ধনেপাতা আমাদের দেহের চর্বির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ধনেপাতায় প্রয়োজনীয় আয়রন আমাদের শরীরের রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে থাকে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখতেও ধনেপাতার অবদান অনেক বেশি।

এছাড়াও ধনেপাতা তে আছে প্রচুর পরিমাণে-কে। ভিটামিন-কে তে ভরপুর ধনেপাতা হাড়ের ভঙ্গুরতা দূর করে আমাদের শরীরকে শক্ত-সামর্থ্য করে। তবে মজার কথা হল যে, ধনেপাতা রান্নার চেয়ে কাঁচা খেলে উপকার বেশি পাওয়া যায়। “অ্যালঝেইমারস” নামে এক ধরনের মস্তিষ্কের রোগ রয়েছে, যা নিরাময়ে ধনেপাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শীতকালীন আমাদের ঠোঁট ফাটা, ঠাণ্ডা লেগে যাওয়া, জ্বর জ্বর ভাব দূর করতে ধনেপাতা যথেষ্ট অবদান রাখে।

বিপাকীয় সমস্যা যখন জন্মগত, কী করবেন?

জন্মগত মেটাবলিক রোগসমূহ বংশগতভাবে বাহিত হয়। এতে নবজাতক বা শিশুর দেহে এক বা একাধিক এনজাইমের ঘাটতি বা কাজের অস্বাভাবিকতার কারণে প্রোটিন সংশ্লেষ বাধাগ্রস্ত হয়।

ফলে কোনো দেহবর্জ্য ক্রমশ দেহে জমা হতে থাকে ও পরবর্তী ধাপের উপাদানটি তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। ক্ষতিকারক উপাদানের পরিমাণ দেহে বাড়তে থাকে।

জন্মগত বিপাকীয় সমস্যার ধরন ও প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যলয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম।

প্রধানত জিনের মিউটেশনের কারণে এ সমস্যাটি ঘটে। মিউটেশন জিনের একটি নির্দিষ্ট এনজাইমের নিয়ন্ত্রক অংশটিতে ঘটলে ওই এনজাইম এবং তার কো-এনজাইম বা কো-ফ্যাক্টর কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে; তথ্য প্রবাহকারী প্রোটিন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সংবেদনশীল সিস্টেমের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়।

পৃথিবীতে কমপক্ষে তিনশ’ জন্মগত মেটাবলিক রোগ শনাক্ত হয়েছে। দিনে দিনে আরও এ ধরনের নতুন রোগ শনাক্ত হচ্ছে। এ দলভুক্ত অনেক রোগ শনাক্ত হওয়ার বাইরে আছে। বিভিন্ন দেশের প্রায় পাঁচ হাজার জীবিত শিশুর মাঝে একজন এ রোগে আক্রান্ত থাকতে পারে। এ দলভুক্ত রোগগুলোর একেকটির প্রাবল্য একেক রকম।

যেমন- ফ্যামিলিয়াল হাইপার কোলেস্টেরলেমিয়া প্রতি পাঁচশ’ জীবিত নবজাতকের একজনের থাকতে পারে; ফিনাইল কিটোনরিয়া বারো হাজারে একজনের থাকতে পারে; অর্গানিক এসিডোইউরিয়া পনেরো হাজারে একজনের থাকতে পারে; গ্লাইকোজেন স্টোরেজ ডিজিজ ষাট হাজারে একজনের; গ্যালাকটোসেমিয়া পঁয়তাল্লিশ হাজারে একজনের; হমোসিস্টোনরিয়া এক লাখে একজন এবং ম্যাপলসিরাপ ইউরিনডিজি দুই লাখ নব্বই হাজার নবজাতকের মাঝে একজনের থাকতে পারে।

এ জিনগত ত্রুটিসমূহ অটোসোমাল রিসেসিভ ট্রেইট হিসাবে পূর্ব পুরুষ থেকে উত্তর পুরুষে বাহিত হয়। কোনো একজনের দেহে এ রোগ থাকলে পরবর্তী চারটি সন্তানের একজনের (২৫ শতাংশ) আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। এ দলভুক্ত কিছু রোগ এক্স-লিঙ্কড্; যেখানে মাতা বাহক, পুরুষদের ৫০ শতাংশ স্বাভাবিক অথবা রোগাক্রান্ত। মাইটোকন্ড্রিয়াল রোগগুলো যাদের আছে তাদের সবকটি (১০০%) সন্তানই এ রোগে আক্রান্ত হবে।

এ রোগকে দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয় : ক্যাটাগরি ১ এর রোগসমূহে আক্রান্ত ব্যক্তির এনজাইমের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। ক্যাটাগরি ২ এ দলভুক্ত রোগসমূহে মেটাবলিক পাথওয়ে আক্রান্ত হয়। ক্যাটাগরি ২ এর রোগসমূহকে আবার ১, ২, ৩ এভাবে ভাগ করা হয়।

এ রোগগুলোর শারীরিক লক্ষণ নবজাতক শিশু কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিণত বয়সেও দেখা দিতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনির্দিষ্ট বিপাকীয় লক্ষণসমূহ দেখা দিতে পারে।

যেমন- শিশুর খাদ্য গ্রহণে অনীহা, ঘন ঘন বমি হওয়া, পানি শূন্যতা, দুর্বল বোধ করা, মাংশপেশি থলথলে বা শক্তিহীন মনে হওয়া এবং খিচুনি। কোনো কোনো শিশুর শরীরে ইনফেকশনেও এ রকম দেখা দেয়।

এ দলভুক্ত শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হল জীবাণু সংক্রমণ। তবে কিছু কিছু শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট হতেও দেখা যায়। কিছু কিছু নবজাতক এ রোগগুলোর লক্ষণ নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। যদিও ভালোভাবে লক্ষ্য না করলে তা শনাক্ত হতে সময় লাগতে পারে।

এ রোগগুলোকে শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে নবজাতকদের স্ক্রিনিং টেস্ট করার কোনো বিকল্প নেই। এতে যাদের রোগ ধরা পড়বে তাদের চিকিৎসা দিতে হবে এবং ভালো ফলাফল সেক্ষেত্রে আশা করা যেতে পারে।

পরিণত বয়সে বা পরে কোন এক সময় এ রোগগুলো ধরা পড়লে চিকিৎসার পরও ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। অনেক ক্ষেত্রে রোগাক্রান্ত সন্তান ধারণকারিণী মা’রও বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- ফিনাইল কিটোনরিয়ায় আক্রান্ত মাকে সন্তান গর্ভে ধারণকারী সময়ে খাদ্যাভ্যাসে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনতে হয়। গ্লাইকোজেন স্টোরেজডিজিজ রোগীদের অসিদ্ধ ভুট্টার শর্করা যথেষ্ট ভালো ফল পাওয়া যায়।

মেটাবলিক ত্রুটি সাপেক্ষে শৈশবে বা কৈশোরে রোগের লক্ষণ দেখা দেয়া নির্ভর করে। যেমন- প্রোপাইওনিয়া এসিডেমিয়ায় আক্রান্ত বালকদের মাঝে মাঝেই ২-৩ দিন যাবৎ বমি হতে থাকে, যা খাদ্য গ্রহণে বিরত থাকলেই ঠিক হয়ে যায়।

এ রোগে আক্রান্ত পরিণত বয়সিদের হাত-পা কাঁপে এবং ক্রমশ স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে থাকে। যাদের ফ্রুকটোজ জাতীয় খাদ্য হজমে এনজাইমের ত্রুটি থাকবে তারা ফ্রুকটোজ জাতীয় খাবার খেলে মারাত্মক বিপাক জনিত সমস্যায় পড়বেন। এনিমিয়া বিপাক জনিত সমস্যার রোগীরা সবচেয়ে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হন এবং ঘন ঘন আইসিইউতে নিতে হতে পারে।

শৈশব বা কৈশোরে কিছু কিছু রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন- এলক্যাপটোনরিয়ায় আক্রান্তদের বড় বড় জয়েন্টগুলোতে ও মেরুদন্ডে ব্যথা শুরু হয় তৃতীয় বা চতুর্থ দশকে।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে গ্লুকোজ বেশি কমে যাওয়া) পরে যে রোগগুলো সেগুলো সাধারণত শৈশবেই প্রতিভাত হয়। যেসব শিশু-কিশোর অল্প পরিশ্রমে কাতর হয়ে পড়ে, তাদেরও এ দলভুক্ত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। উইলসনডিজিজ কৈশোরে বা প্রাপ্তবয়সেই দেখা দেয়।

রোগ শনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা করা হয়। যা রোগীর লক্ষণ, পারিবারিক ইতিহাস ইত্যাদিও ভিত্তিতে নিরূপিত হয়। এ রোগগুলো অনেক সময়ই অগোচরে থেকে যায় আর যখন তীব্র লক্ষণ দেখা দেয়, তখন রোগ শনাক্তকরণের চেষ্টা করা হয়।

এর মধ্যেই হয়তো অনেকটা অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গিয়ে থাকতে পারে। তাই, সম্ভব হলে প্রতিটি শিশুর জন্মগত মেটাবলিক রোগের স্ক্রিনিং করা উচিত। এ রোগগুলোর পরীক্ষা সমূহের মধ্যে রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কারও কারও আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্সরে, সিটিস্ক্যান, এমআরআই ও বিশেষ জেনেটিক টেস্ট করা দরকার হতে পারে। টেস্টগুলো বিশেষ ধরনের হলেও বাংলাদেশেই এখন তা সম্ভব। এমনকি সন্তান মায়ের পেটে থাকা অবস্থাতেই স্যাম্পল নিয়ে টেস্ট করা যায়। যতদ্রুত রোগ শনাক্ত করা যাবে, চিকিৎসায় তত ভালো ফল আশা করা যেতে পারে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ১৯৩ জনের চাকরি

শূন্যপদ পূরণের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে একটি প্রোগ্রাম। এতে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামে (সেসিপ) ‘ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর’ পদে ১৯৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর
পদ সংখ্যা: ১৯৩ জন (সিভিল কনস্ট্রাকশন ১৩ জন, কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ১, ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন ৮২, জেনারেল ইলেকট্রনিক ওয়ার্কস ২৭, জেনারেল ইলেকট্রনিকস ৭, প্লাম্বিং অ্যান্ড পাইপ ফিটিং ১৭ এবং রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪৬ জন)।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এক বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশ করে।
বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি হিসেবে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://www.ngi.teletalk.com.bd/-এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ ডিসেম্বর ২০২১ রাত ১২টা পর্যন্ত।

তিন পদে জনবল নেবে সিআইডি

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)। এতে ৩ ভিন্ন পদে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

 

পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ৫ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ১২,৫০০ থেকে ৩০,২৩০

পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর
পদ সংখ্যা: ২ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০ থেকে ২২,৪৯০

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদ সংখ্যা: ৩ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০ থেকে ২০.০১০

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর হিসাবে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা https://www.cid.gov.bd/ অথবা https://www.police.gov.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। পরে তা নিজ হাতে লিখে পূরণ করে আবেদন পাঠাতে হবে।

আবেদনের ঠিকানা: অতিরিক্ত আইজিপি, সিআইডি হেড কোয়ার্টার্স, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের শেষ সময়: ২৩ ডিসেম্বর ২০২১

তিন লাখ টাকা চুক্তিতে পরীক্ষা দেয় অন্যজন

তিন লাখ টাকার বিনিময়ে অন্যকে দিয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চান্স পেলেও ভর্তি নিশ্চিত করতে পারেনি এক ভর্তিচ্ছু। বৃহস্পতিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় (এফ ইউনিট) ৫২তম মেধাস্থান নিয়ে ভাইভা দিতে আসে রায়ান আমিন আফ্রিদি।

ভাইভা দেওয়ার সময় উত্তরপত্রের হাতের লেখার সঙ্গে মিল না পাওয়ায় কর্তব্যরত শিক্ষকরা তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে পাঠান।

আফ্রিদি চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আফ্রিদি তার জালিয়াতি করে চান্স পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে। সে জানায়, তিন লাখ টাকার বিনিময়ে সনেট নামের একজনের সঙ্গে তার চুক্তি হয়। পরে তার প্রবেশপত্র নিয়ে অন্য একজন পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান যুগান্তরকে বলেন, আইন অনুষদের ভাইভা দিতে আসলে তার উত্তরপত্রের হাতের লেখার সঙ্গে এখনকার লেখা মিল না পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বলেছে, সনেট নামের একজনের সঙ্গে তার তিন লাখ টাকা চুক্তি হয়েছিল। তার হয়ে অন্য আরেকজন ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর বেশি সে আর কোনো তথ্য দেয়নি।

প্রক্টর আরও বলেন, তাকে মামলা দিয়ে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকে এ জালিয়াত চক্রটি শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছি।

এর আগে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদে সাক্ষাৎকার দিতে আসা মোস্তফা কামাল নামে আরেক ভর্তিচ্ছুকে আটক করে আশুলিয়া থানার সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুয়েটে প্রথমবারের মতো স্তন ক্যান্সার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বুয়েটে প্রথমবারের মতো স্তন ক্যান্সার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে সেমিনারের আয়োজন করে বুয়েট বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি (বিএমইএস)।

কর্মশালা পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও জেনেরাল সেক্রেটারি ড. মাসুমুল হক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্তন ক্যান্সার থেকে আরোগ্য লাভ করা বুয়েটের সাবেক ছাত্রী নবনিতা ইসলাম।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার অন্যতম। রক্ষণশীল পরিবারের নারীরা সাধারণত জড়তা থেকেই রোগ সম্পর্কে কাউকে কিছু জানাতে চান না। অথচ প্রাথমিকভাবে ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে এবং সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পেলে স্তন ক্যান্সার থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

কর্মসূচিতে ড. মাসুমুল হক ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ, স্ক্রিনিং এর উপায়, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দেন।

স্তন ক্যান্সার থেকে আরোগ্য লাভ করা নবনিতা ইসলাম পিএইচডিরত অবস্থায় ক্যান্সার ধরা পরার পর চিকিৎসা থেকে শুরু করে শারিরীক ও মানসিকভাবে ক্যান্সার মোকাবেলা করার অনুপ্রেরণার গল্প বলেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বাথরুমে মিলল ‘দঙ্গল’ অভিনেতার লাশ

ভারতের মুম্বাইয়ের ভারসোভা এলাকায় নিজ ফ্ল্যাটে এক বলিউড তারকা রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে।

বাথরুম থেকে উদ্ধার হয়েছে তার পচাগলা দেহ। এ অভিনেতার নাম ব্রহ্ম মিশ্র, মির্জাপুর ওয়েবসিরিজে ললিত চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভারতের মুম্বাইয়ের ফ্ল্যাট থেকে ব্রহ্ম মিশ্রের অর্ধ পচাগলা দেহ উদ্ধার করে মুম্বাই পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুপার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ধারণা, হত্যা বা আত্মহত্যা নয়, হঠাৎ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ বছর বয়সি এই অভিনেতার। কারণ সম্প্রতি হৃদযন্ত্রের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। গত ২৯ নভেম্বর বুকে যন্ত্রণা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন মিশ্র। ডাক্তার তাকে বেশ কিছু ওষুধ দেয়। গত দু-তিন দিন আগেই মৃত্যু হয়েছে তার।

পুলিশ জানিয়েছে, অটোপসি রিপোর্ট এলেই অভিনেতার মৃত্যুর কারণ এবং সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে দু-তিন দিন আগেই মৃত্যু হয়েছে তার, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

ব্রহ্ম মিশ্রের বাড়ি ভোপালে। ছোটবেলা থেকেই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউট থেকে অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন ব্রহ্ম। বলিউডে জায়গা করে নিতে মুম্বাইয়ে এসে বসবাস শুরু করেন তিনি। অভিনয়ের শুরুটা হয় মঞ্চ থেকে।

২০১৩ সালে ‘চোর চোর সুপার চোর’ ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় মিশ্রের। এরপর বদ্রিনাথ কি দুলহানিয়া, কেশরি, দঙ্গল, সুপার ৩০-র মতো বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে তাকে জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে মির্জাপুর ওয়েবসিরিজের ললিত চরিত্রটি।