রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 540

যাত্রীকে মারধর করায় রেল টিটি বরখাস্ত

রেলযাত্রী এক আনসার সদস্যকে মারধরের অভিযোগে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ট্রেন টিকেট কালেক্টর (টিটি) মেহেদি হাসান রাসেলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিএম) নাসির উদ্দিন অভিযুক্ত টিটি রাসেলকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন।

রাজশাহী স্টেশন ম্যানেজার আব্দুল করিম এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, স্টেশনের ভেতরে এক যাত্রীকে মারধরের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেটি বৃহস্পতিবার রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেখেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকালে টিটি রাসেলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার আদেশ দেন।

এর আগে এলাকা তুলে গালাগালি দেওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জিএম অসীম কুমার তালুকদারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ পেয়েই জিএম যাত্রীকে মারধরকারী টিটি রাসেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার খেসবা মন্টুর ছেলে আনসার সদস্য রুবেল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ধুমকেতু আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে রাজশাহী পৌঁছান। ট্রেন থেকে নেমে স্টেশনের বাইরে যাওয়ার সময় নারী টিটি রেহেনাজ পারভিন তুতুল তার টিকিট দেখতে চান। এ সময় ঘটনাস্থলে আসেন টিটি রাসেল। টিকেটে নামের বানানে গরমিল থাকায় রুবেলকে মারধর শুরু করেন দুই টিটি। তাকে মারতে মারতে স্টেশনের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে আবারও মারপিট করেন। যাত্রী রুবেলের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে গালাগালি করতে থাকেন। একপর্যায়ে অন্য যাত্রীদের হস্তক্ষেপে রুবেলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এদিকে আনসার সদস্য রুবেলকে মারধর ও গালাগালির একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। দুই টিটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান রাজশাহীস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমিতির নেতৃবৃন্দ। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে। বৃহস্পতিবার সমিতি পশ্চিম রেলের জিএম বরাবর অভিযোগ দেন। এর ফলে টিটি রাসেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রের পতন হবে!

ক্যাপিটাল হিল আক্রমণের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ভাষণ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন এই ভাষণে।

বাইডেন মন্তব্য করেছেন রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলো তাকে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের পতন হবে। আমেরিকার রাজনৈতিক অবস্থাও তাদের মতো হবে।

বাইডেন তার ভাষণে বলেন, তারা (চীন, রাশিয়া) আমাকে বলেছে গণতন্ত্র হলো মন্থর। ক্রমপরিবর্তনশীল কঠিন এই বিশ্বে গণতন্ত্র দিয়ে উন্নতি সম্ভব নয়। তারা বলছে আমরা তাদের মতো হয়ে যাব। তারা বলছে আমেরিকা স্বৈরাচারী, একনায়কতন্ত্রীদের জায়গা।

তবে বাইডেন জানান, আমেরিকা কখনো এমন ছিল না। এমনকি কখনো এমন হবে না। এখানে ক্ষমতার পালা বদল হবে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে। অস্ত্রের মাধ্যমে নয়।

তাছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের নাম না বলে বাইডেন বলেন, আমাদের সাবেক প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছেন ও যে দাঙ্গাবাজরা ক্যাপিটাল হিল আক্রমণ করেছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত অর্থের কিছু করতে পারেনি।

সূত্র : সিএনএন

লকডাউনের নামে চীনে অত্যাচারের ভয়ানক সব তথ্য

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চীন জিয়ান প্রদেশে কড়াকড়ি লকডাউন আরোপ করে। ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে প্রদেশটিতে থাকা ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

চীন দাবি করেছে জিয়ান প্রদেশে তারা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছেন।

তবে লকডাউনের আড়ালে ওই অঞ্চলের মানুষ নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। দেশটির সামাজিক মাধ্যমগুলোতে অনেকেই জানাচ্ছেন, অপ্রয়োজনীয় কঠোর নীতির কারণে কতোটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাদের। অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়ে যায় যে, চিকিৎসা সেবা, প্রয়োজনীয় সেবা থেকে তারা বঞ্চিত হন, সঙ্গে খাবারের কষ্টেও ভুগতে হয় তাদের।

উইবোতে করা একটি পোস্টে জানানো হয়, করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট না থাকায় একজন গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত করা হয়নি। তীব্র প্রস্রব বেদনায় ভুগতে থাকা ওই নারীর হাসপাতালের সামনেই রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ভয়ানক ব্যাপার হলো, সে সময়ও তাকে হাসপাতালের ভেতর জায়গা দেওয়া হয়নি। এমন অবস্থায় দুই ঘণ্টা বাইরে বসে থাকার পর তার গর্ভপাত হয়ে যায়।

আরেকজন জানান, এই করোনা রিপোর্টের কারণে হার্ট অ্যাটাক করার পরও তার বাবাকে ভর্তি করা হয়নি। এমন কঠিন অবস্থায় হাসপাতালের ভেতরে রোগীকে ঢোকানো হবে কিনা এ সিদ্ধান্ত নিতে নিতে তার বাবা মারা যান।

উইবোতে একজন আক্ষেপ করে লেখেন, করোনা আপনাকে না মারতে পারলেও এই নীতি-নির্ধারকরা মেরে ফেলতে পারবে।

সূচকের বড় উত্থানে চলছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

সূচকের বড় উত্থানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন চলছে।

 

এ সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন বেলা ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনে ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স সূচক ৭১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৭ হাজার ১ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৪৭৫ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২৬০১ পয়েন্টে।

এ পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪০টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ৭৫টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৫টির।

অপরদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ১২৭ পয়েন্ট বেড়ে ২০ হাজার ৪৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

৬ শতাংশ ছাড়িয়ে বছরের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি

খাদ্যসহ ভোগ্য পণ্যের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে বিগত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশের কোঠা ছাড়িয়ে গেছে। চলতি অর্থবছরে টানা ছয় মাস ধরেই বাড়ছে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গত মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

অর্থাৎ ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশের মানুষ যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পেয়েছিল গত মাসে সেই সেবা বা পণ্য কিনতে ১০৬ টাকা ০৫ পয়সা দিতে হয়েছে।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির এই হার ২০২১ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।

আগের মাস অক্টোবরে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আগস্টে হয়েছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

ডিসেম্বরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই এই সূচক বেড়েছে। তবে খাদ্যবহির্ভূততে বেড়েছে বেশি – ৬ দশমিক ৮৭ থেকে ৭ শতাংশ। আর খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ হয়েছে।

গত বছর আগস্ট থেকে মূল্যস্ফীতির পারদ চড়ছে। সে মাসের মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ক্রমেই তা বেড়ে ৬ শতাংশ ছাড়াল।

বন্ধ করা হয়েছে খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণের উৎস

হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে। তার ক্ষুদ্রান্তের নিচে রক্তক্ষরণের উৎস বন্ধ করতে ‘ব্যান্ড লাইগেশন’ করা হয়েছে। এর ফলে সাময়িকভাবে তার রক্তক্ষরণ বন্ধ আছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও চিকিৎসক।

তবে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ায় যে কোনো সময় নতুন উৎস দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে বলে তার চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন।

খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর ক্যাপসুল এন্ডোস্কোপি পরীক্ষায় খালেদা জিয়ার ক্ষুদ্রান্তের নিচে রক্তক্ষরণের উৎসটি দেখতে পান চিকিৎসকেরা। এরপর সোমবার রাতে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে উৎসটি চিহ্নিত করে তার ব্যান্ড লাইগেশন করা হয়।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেএম জাহিদ হোসেন বলেন, চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তার যে ধরনের চিকিৎসা দরকার সে রকম প্রযুক্তিগত সুবিধা বাংলাদেশের কোনো হাসপাতালে নেই। দ্রুত বিদেশ পাঠালে তার উন্নত চিকিৎসা সম্ভব।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর গত ১৩, ১৭, ২৩ ও ৩০ নভেম্বর বড় ধরনের রক্তক্ষরণের কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন মারাত্মক মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়েন। পরিস্থিতি ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে ২৪ নভেম্বর চিকিৎসকেরা তার এন্ডোস্কোপি ও কোলোনোস্কোপি করেন। ২৮ নভেম্বর রাতে সংবাদ সম্মেলনে মেডিকেল বোর্ড জানায়, খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত।

রাষ্ট্রপতির সংলাপে যাবে না জেএসডি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের চলমান সংলাপে অংশ নেবে না জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি।

বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

অন্যদিকে এই ইস্যুতে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছেন জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব। তার দলও রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে সংলাপে অংশ নেবে না বলে জানা গেছে।

সংলাপে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে সাইফুল হক বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনকল্পে রাষ্ট্রপতির সংলাপ অপ্রয়োজনীয়, প্রচারসর্বস্ব ও রাষ্ট্রপতির মূল্যবান সময়ের অপচয় মাত্র। রাষ্ট্রপতি ব্যক্তিগতভাবে যাই মনে করুন না কেন, বাস্তবে সরকার তথা প্রধানমন্ত্রীর মতামত ও পরামর্শের বাইরে সাংবিধানিকভাবে তার কিছুই করার নেই। গত দুই নির্বাচন কমিশন এবং তার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ ও সার্চ কমিটির অভিজ্ঞতাই তার এক বড় নজির। বিশেষ করে নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের তিক্ত ও করুণ অভিজ্ঞতা তার প্রমাণ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, আনছার আলী দুলাল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য- মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, সিকদার হারুন মাহমুদ, কামরুজ্জামান ফিরোজ, ঢাকা মহানগর নেতা সালাউদ্দীন আহমেদ, কাঞ্চন মিয়া প্রমুখ।

গত ২০ ডিসেম্বর প্রথম দিনে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ২২ ডিসেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইতোমধ্যেই ১৬টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছেন তিনি।

এর আগে নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিকে সিইসি এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। গত কয়েকটি মেয়াদে রাষ্ট্রপতি ‘সার্চ কমিটি’র সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। বর্তমান ইসির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি। এ সময়ের মধ্যেই রাজনৈতিক প্রস্তাবের ভিত্তিতে সার্চ কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নতুন কমিশন গঠন করবেন, যাদের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

দেশে আরও ১০ জনের ওমিক্রন শনাক্ত

দেশে আরও ১০ জনের দেহে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ২০ জনের দেহে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলো।

বৃহস্পতিবার জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জার (জিআইএসএআইডি) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আক্রান্তদের সবাই ঢাকা শহরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

এতে বলা হয়, গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারির মধ্যে রোগীদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। যার মধ্যে গত ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাত দিনে পাঁচ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে, ওয়েবসাইটটিতে করোনার ওমিক্রন আক্রান্তদের বিদেশ ভ্রমণের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

দেশে সর্ব প্রথম গত ১১ ডিসেম্বর দেশে প্রথম দুজনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়। তারা জিম্বাবুয়ে ফেরত বাংলাদেশি দুই নারী ক্রিকেটার ছিলেন। তারা বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন।

৩১ ডিসেম্বর দেশে তিন জনের দেহে ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার খবর জানায় জিআইএসএআইডি। এরও আগে ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় একজন এবং রাতে তিনজনের দেহে ওমিক্রন শনাক্ত হয়। আগের দিন ২৭ ডিসেম্বর রাতে আরও একজনের নমুনায় করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানায় জিআইএসএআইডি।

৬ শতাংশ ছাড়িয়ে বছরের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি

খাদ্যসহ ভোগ্য পণ্যের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে বিগত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশের কোঠা ছাড়িয়ে গেছে। চলতি অর্থবছরে টানা ছয় মাস ধরেই বাড়ছে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গত মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

অর্থাৎ ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশের মানুষ যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পেয়েছিল গত মাসে সেই সেবা বা পণ্য কিনতে ১০৬ টাকা ০৫ পয়সা দিতে হয়েছে।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির এই হার ২০২১ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।

আগের মাস অক্টোবরে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আগস্টে হয়েছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

ডিসেম্বরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই এই সূচক বেড়েছে। তবে খাদ্যবহির্ভূততে বেড়েছে বেশি – ৬ দশমিক ৮৭ থেকে ৭ শতাংশ। আর খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ হয়েছে।

গত বছর আগস্ট থেকে মূল্যস্ফীতির পারদ চড়ছে। সে মাসের মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ক্রমেই তা বেড়ে ৬ শতাংশ ছাড়াল।

দেশীয় ব্যাংকসমূহের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইউসিবি

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবি) ২০২১ সালে ৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার
সমপরিমান বৈদেশিক বানিজ্য সম্পাদন করেছে। ২০২০ সালের অনুপাতে এই প্রবৃদ্ধির হার ৫০%। এই
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে ইউসিবি দেশীয় ব্যাংকসমূহের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। এই
উপলক্ষ আজ ইউসিবি প্রধান কার্যালয়ে উদযাপন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে ইউসিবি’র ব্যবস্থাপনা
পরিচালক জনাব আরিফ কাদরী সহ অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।