লকডাউনের নামে চীনে অত্যাচারের ভয়ানক সব তথ্য

0
203

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চীন জিয়ান প্রদেশে কড়াকড়ি লকডাউন আরোপ করে। ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে প্রদেশটিতে থাকা ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

চীন দাবি করেছে জিয়ান প্রদেশে তারা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছেন।

তবে লকডাউনের আড়ালে ওই অঞ্চলের মানুষ নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। দেশটির সামাজিক মাধ্যমগুলোতে অনেকেই জানাচ্ছেন, অপ্রয়োজনীয় কঠোর নীতির কারণে কতোটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাদের। অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়ে যায় যে, চিকিৎসা সেবা, প্রয়োজনীয় সেবা থেকে তারা বঞ্চিত হন, সঙ্গে খাবারের কষ্টেও ভুগতে হয় তাদের।

উইবোতে করা একটি পোস্টে জানানো হয়, করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট না থাকায় একজন গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত করা হয়নি। তীব্র প্রস্রব বেদনায় ভুগতে থাকা ওই নারীর হাসপাতালের সামনেই রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ভয়ানক ব্যাপার হলো, সে সময়ও তাকে হাসপাতালের ভেতর জায়গা দেওয়া হয়নি। এমন অবস্থায় দুই ঘণ্টা বাইরে বসে থাকার পর তার গর্ভপাত হয়ে যায়।

আরেকজন জানান, এই করোনা রিপোর্টের কারণে হার্ট অ্যাটাক করার পরও তার বাবাকে ভর্তি করা হয়নি। এমন কঠিন অবস্থায় হাসপাতালের ভেতরে রোগীকে ঢোকানো হবে কিনা এ সিদ্ধান্ত নিতে নিতে তার বাবা মারা যান।

উইবোতে একজন আক্ষেপ করে লেখেন, করোনা আপনাকে না মারতে পারলেও এই নীতি-নির্ধারকরা মেরে ফেলতে পারবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here