শুক্রবার ,১৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 523

ফখরুলের বাসার সবাই করোনা আক্রান্ত

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের পর তার বাসায় অবস্থানরত কন্যা, ভাই-ভাবী ও কাজের লোকসহ সবাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম শুক্রবার বিকালে মির্জা ফখরুলের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে তার উত্তরার বাসায় যান। এ সময় আরও ছিলেন- ডা. জাহিদুল কবির, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, ডা. সাইফুল আলম বাদশা, ডা. সাখাওয়াত রাজিব ও ডা. মুনতাসির। তারা ফখরুলের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন।

ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, বিএনপির মহাসচিবসহ তার বাসার সবাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে তারা বাসায় থেকেই নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

তিনি জানান, মির্জা ফখরুলের করোনা আক্রান্ত হওয়ার দ্বিতীয় সপ্তাহ চলছে। বাসার অন্যরা পর্যায়ক্রমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শারীরিক অবস্থা বেশি জটিলতা না থাকলেও তার গলায় খুসখুসে কাশি আছে। অন্যদেরও তেমন কোনো জটিলতা নেই। আগামী বুধবার মির্জা ফখরুল আবারো করোনার নমুনা পরীক্ষা করাবেন। বিএনপি মহাসচিব দেশনেত্রী খালেদা জিয়াসহ সবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ক্ষমতা জনগণকে বুঝিয়ে দেবে বিএনপি

অচিরেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে হুঙ্কার দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।

তিনি বলেন, ‘অবৈধ সরকারের খুন, গুম ও দুর্নীতি শুধুমাত্র এ দেশের জনগণের মাঝেই নয় বরং সারা বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই সরকারের মন্ত্রী, এমপি, সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে। তবুও এই সরকারের টনক নড়ছে না।’

‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আজ সারা বাংলাদেশে ঐক্যবদ্ধ। এই ঐক্যবদ্ধ বিএনপি অচিরেই সরকারকে পতন ঘটিয়ে জনগণের ক্ষমতা জনগণকেই বুঝিয়ে দেবে।’

শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

লৌহজং উপজেলা বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওমর ফারুক রাসেলের সভাপতিত্ব এবং সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম খান দোলন ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ অভির সঞ্চালনা করেন।

আব্দুস সালাম অনুষ্ঠান শেষে শীতার্তদের মাঝে পাঁচ শতাধিক কম্বল বিতরণ।

তিনি বলেন, বিনা ভোটের অবৈধ সরকার সুকৌশলে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও ফরমায়েশি রায় দিয়ে দীর্ঘ দুই বছর পরিত্যক্ত কারাগারের বন্দি রেখে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করেছে। তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। বর্তমানে সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি আর বিদেশে সুচিকিৎসার দাবি আজ শুধু বিএনপির দাবি নয়, এই দাবি আজ সারা বাংলার জনগণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- লৌহজং উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ্ জাহান খান, সাধারণ সম্পাদক হাবীবুর রহমান অপু চাকলাদার, সিনিয়র সহসভাপতি নুরু এ আলম ঢালী, সহসভাপতি গোলাম গাউস সিদ্দিকী, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির মো. সিদ্দিক মোল্লা, নজরুল ইসলাম বাচ্চু, এম শুভ আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল সারেং, আল ইউসুফ আজাদ চঞ্চল মোল্লা, লৌহজং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওবায়দুল ইসলাম রাজন, টিপু সুলতান, মোস্তাফিজুর রহমান এলবার্ট, কাজী আহসান বায়োজিদ, আওলাদ হোসেন, শামীম পারভেজ, সদস্য শরিফ বেপারী, জামাল শেখ, নজরুল ইসলামসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

যেখানে তদবির দরকার সেখানেই চালাব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের স্বার্থে যেখানে তদবির চালানো দরকার সেখানেই সরকার তদবির করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সে (বিলিয়া) এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

র‌্যাব ও এর সাত কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে লবিস্ট নিয়োগ করবে কিনা, জানতে চাইলে আবদুল মোমেন বলেন, আমি এসব বলতে পারব না। লবিস্ট নিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের চর্চা। এটা বোধ হয় ২০১৩-১৪ সালে করেছিল এবং ওরা কাজ করে। প্রত্যেক দেশই লবিস্ট নিয়োগ দেয়। আমাদের দেশে বলা হয় তদবির। তবে যেখানে তদবির দরকার, সেখানে আমরা চালাব। দেশেও তো কাজ করতে গেলে অনেক সময় তদবির লাগে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সময়-সময় আমাদের অনেক ধরনের দুর্যোগ আসে। আমরা সেগুলো সমাধান করি। এখনো একটা হয়তো অসুবিধা আসছে। আমেরিকানরা পরিপক্ব জাতি। তারা দেখবে। যদিও র‌্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে গত কয়েক বছরে সন্ত্রাস কমেছে। এটা তাদের নিরপেক্ষ সমীক্ষা। সেগুলো নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করবে নিশ্চয়ই।

গণতন্ত্রে বাংলাদেশ দিন দিন পরিকপক্কতা অর্জন করছে জানিয়ে আবদুল মোমেন বলেন, গণতন্ত্রে অনেক ধাক্কা আসে। সব গণতন্ত্রেই অপরিপূর্ণতা আছে। এটা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমরা দিনে দিনে পরিপক্বতা অর্জন করেছি।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিপক্বতা অর্জন করার মধ্যেও ধাক্কা খায়। এ ধরনের ধাক্কাটাক্কা সব দেশে আসে। কোথাও দুর্বলতা থাকলে আমরা অবশ্যই তা দূর করার চেষ্টা করব।

শ্বাসটান উঠলে কী করবেন?

শীতকালে অনেকেই শ্বাসকষ্টে ভোগেন। শিশুদের অনেকে এডিনয়েডের সমস্যার কারণে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে পারে না। আবার হাঁপানি রোগীদের তো এই ঋতুতে যন্ত্রণার শেষ নেই। এসব রোগীদের ক্ষেত্রে আকস্মিক টান উঠাটা স্বাভাবিক।

বিশেষ করে হঠাৎ ঠাণ্ডা আবহাওয়ায়, ধুলাবালি লাগলে, নোংড়া পরিবেশে গেলে, ঘর ঝাড়-মোছ করলে বা ফুলের পরাগ রেণুর সংস্পর্শে এলে হাঁপানি-সাইনাসের রোগীদের শ্বাস টান ওঠে। ভাইরাস সংক্রমণ, সর্দিকাশিও এ সমস্যার জন্য দায়ী। এমতাবস্থায় অনেকে ঘাবড়ে যান। এ সময় করণীয় সম্পর্কে ধারণা থাকলে রোগী সহজেই এই ধকল কাটিয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশান সেন্টারের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।

* শ্বাসটান উঠলে রোগীকে সোজা হয়ে বসতে বলুন ও আশ্বস্ত করুন যে কিছুই হয়নি, আতঙ্কের কিছু নেই।

* উপশমকারী সালবিউটামল বা সালবিউটামল ও ইপরাট্রোপিয়াম যুক্ত ইনহেলার স্পেসারের সাহায্যে ধীরে ধীরে পাঁচটি চাপ নিন। স্পেসার না থাকলে কাগজের ঠোঙা ব্যবহার করতে পারেন।

* স্পেসারের মধ্যে প্রতিবার এক চাপ দিয়ে তা থেকে পাঁচবার শ্বাস নিতে হবে। এভাবে পাঁচবার চাপ দিন। বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে খেয়াল করুন, শ্বাস বড় করে ওষুধ ঠিকমতো টেনে নেওয়া হচ্ছে কিনা, খেয়ে ফেললে কাজ হবে না।

* পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। বিশ্রাম নিন। তারপরও শ্বাসকষ্ট না কমলে আবার পাঁচ চাপ নিন। এভাবে মোট পাঁচবার (মোট ২৫ চাপ) নেওয়া যেতে পারে।

* এরপরও শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির টান না কমলে রোগীকে কাছাকাছি হাসপাতালে নিতে হবে বা নেবুলাইজার যন্ত্রের সাহায্য লাগবে। হাসপাতালে পৌঁছার আগ পর্যন্ত পাঁচ চাপ করে ইনহেলার নিতে থাকবেন।

* শুরুতেই জিহবা, নখ বা আঙুল নীল হয়ে এলে, শ্বাসকষ্টের জন্য কথা না বলতে পারলে বা চেতনা হারিয়ে যেতে থাকলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াই ভালো। এক্ষেত্রে নেবুলাইজার ছাড়াও অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়।

সেই টিএসসিতে অনুষ্ঠিত হলো কাওয়ালির আসর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাওয়ালির আসরে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে ‘কাওয়ালি ও প্রতিবাদী গান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের সঞ্জীব চত্বরে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কাওয়ালি ব্যান্ড ‘সিলসিলা’।

এর আগে বুধবার প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে টিএসসিতে কাওয়ালি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে হামলা চালায়। এতে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার কাওয়ালির আসর শেষে ‘সিলসিলা’ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা আরবি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী লুৎফর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গত দিনের হামলার প্রতিবাদে আজকের এই আয়োজন। এই আয়োজন থেকে জানিয়ে দিতে চাই, হামলা করে সংস্কৃতির অগ্রযাত্রাকে দমানো যাবে না। এই সুন্দর যাত্রার সঙ্গে আমরা আছি থাকব। আয়োজনে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। এর মাধ্যমে সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটেছে।

অনুষ্ঠানের আগে বুধবার হামলার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে ‘কাওয়ালি মিছিল’ বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলে বাম ছাত্র সংগঠন ও ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। মিছিলটি টিএসসি থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

মধ্যরাতে শাবি উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও

হল প্রভোস্টের পদত্যাগ, আবাসিক ছাত্রীহলের বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভিন্ন দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান করছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে বিভিন্ন দাবিতে এ অবস্থান কর্মসূচি করছেন তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা হল প্রভোস্টদের পদত্যাগ, হল প্রভোস্টদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়াসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরেন।

এর আগে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই’ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এমন মন্তব্য করেছেন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রীহলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা বিভিন্ন দাবিতে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে তিনি বলেন ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই।’ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘কিসের জরুরি? কেউ তো আর মারা যায় নাই’।

শিক্ষার্থীরা বলেন, হল প্রভোস্টরা বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। হল প্রভোস্টরা শিক্ষার্থীদের প্রায় সময়ই বলেন ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দয়া করে থাকতে দিয়েছি এটাই বেশি’।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত আটটা থেকে বিভিন্ন দাবিতে সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের শিক্ষার্থীরা একসাথে জড়ো হয়ে হল প্রভোস্টদের অবগত করেন। এরপর এতরাতে আসতে পারবোনা বলে তিনি শিক্ষার্থীদের এমন মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট জাফরিন আহমেদ বলেন, এত রাতে হল প্রভোস্টরা আসতে পারছেন না। আমরা তাদের বলেছি তারা যেন হলে ফিরে যায়। আমরা তাদের সাথে সমস্যাগুলো নিয়ে বসবো।

সন্তানকে বুকে নিয়ে আবেগপ্রবণ রাজ-শুভশ্রী

করোনার তৃতীয় ঢেউ চলমান। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ভারতে সেই মাত্রা যেন আরও এক ধাপ এগিয়ে। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন একের পর এক টালিউড তারকারা।

সাত দিন আইসোলেশন কাটিয়ে কাজে ফিরছেন রাজ চক্রবর্তী। করোনা মুক্ত হয়ে প্রথমে দেখা করলেন ছেলের সঙ্গে, কোলে দিয়ে আদরে ভরিয়ে দিলেন ছেলেকে। প্রায় আট দিন পর সন্তানকে বুকে জড়িয়ে আনন্দ আর ধরে না রাজের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এ কয়েক দিনে ইউভানের সঙ্গে তার মা শুভশ্রীর ফেসটাইমের কথোপকথন হোক বা শুভশ্রীর মেডিটেশনের ভিডিও করা, সোশ্যাল মিডিয়ায় তার অনুরাগীদের আপডেট দিয়েছেন।

এবার ইউভানকে কোলে নিয়ে ছবি তুলে তার ক্যাপশনে লিখলেন— ‘চটকে খেয়ে নেব’।

কয়েক দিনের জমে থাকা আদর খেয়ে অবাক ইউভান। করোনা মুক্ত হয়েই কাজে নেমে পড়লেন রাজ। করোনা মোকাবিলায় ব্যারাকপুরের বাসিন্দাদের জন্য সব পরিষেবা দিতে স্থানীয় নেতদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ চক্রবর্তী।

প্রসঙ্গত চলতি মাসের ৪ জানুয়ারি রাজ ও শুভশ্রী তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর। হোম আইসোলেশনে ছিলেন এ তারকা দম্পতি। ঠাকুমার কাছে ছিল ছোট্ট ইউভান। রাজ শুভশ্রী দুজনেই মিস করছিলেন সন্তানকে। আট দিন পর কোলে নিয়ে মন প্রাণ জুড়িয়ে নিয়েছেন তারা।

সুখবর জানালেন সংগীতশিল্পী ন্যান্সি

তৃতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে এ সুখবর জানিয়েছেন ন্যান্সি নিজেই। সেখানে স্বামী মহসিন মেহেদীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এ গায়িকা।

ভিডিওটি ন্যান্সি তার অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলেও পোস্ট করেছেন। সেখানে ন্যান্সি লিখেছেন— ‘মেহনাজের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। মেহনাজ, পরিবার তোমাকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে (বেবি)।’

প্রসঙ্গত ন্যান্সির আগের দুই সন্তানের নাম রোদেলা ও নায়লা। ২০০৬ সালে ন্যান্সি ভালোবেসে বিয়ে করেন ব্যবসায়ী আবু সাঈদ সৌরভকে। রোদেলা ও নায়লা সেই সংসারের। ওই সংসার ভাঙনের পর বন্ধু নাজিমুজ্জামান জায়েদের সঙ্গে ঘর বাঁধেন ন্যান্সি। গত বছরের এপ্রিলে জায়েদের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে ন্যান্সির। বিচ্ছেদের কয়েক মাস পর পারিবারিক আয়োজনে গীতিকার মহসিন মেহেদীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

অ্যাথলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে বিলবাও

সৌদি আরবের রিয়াদে বৃহস্পতিবার রাতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে বিলবাও।

গত আসরের চ্যাম্পিয়ন তারা। গোলরক্ষক উনাই সিমোনের আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও সমতা ফেরান ইয়েরে আলভারেস লোপেস। জয়সূচক গোলটি করেন নিকো উইলিয়ামস।

পুরো ম্যাচে বলদখলে এগিয়ে ছিল অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। অ্যাথলেটিকো ১০ শটের মধ্যে মাত্র দুটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে বিলবাওয়ের ১০ শটের মধ্যে ছয়টিই লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল। প্রথম ১৫ সেকেন্ডের মধ্যেই বিলবাওয়ের জালে বল পাঠান জোয়াও ফেলিক্স। তবে লাইন্সম্যান পতাকা তোলে অফসাইডের ঘোষণা দেন। তা ছাড়া প্রথমার্ধের বাকি সময়ে একচেটিয়া আধিপত্য করলেও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি অ্যাথলেটিকো।

৬২তম মিনিটে সৌভাগ্যসূচক গোলে এগিয়ে যায় মাদ্রিদ। কর্নারে ফেলিক্সের হেডে জোর ছিল না তেমন, বল পোস্টে লেগে ঝাঁপিয়ে পড়া গোলরক্ষক সিমোনের পিঠে লেগে বিলবাওয়ের জালে জড়ায়। তার কিছুক্ষণ পরই সমতায় ফিরতে পারত বিলবাও। কর্নারে ইনিগো মার্টিনেসের হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকান গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক।

৭৭তম মিনিটে কর্নারে কাছ থেকে জোরালো হেডে বিলবাওকে সমতায় ফেরান লোপেস। তিন মিনিট পর জয়সূচক গোলের উৎসও কর্নার। দানি গার্সিয়ার হেড একজনের গায়ে বাধা পাওয়ার পর বাঁ পায়ের শটে গোলটি করেন উইলিয়ামস। এর পর থেকেই গোল পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে যায় অ্যাথলেটিকো। যোগ করা সময়ে মারাত্মক এক ফাউল করে লালকার্ড দেখেন অ্যাথলেটিকোর ডিফেন্ডার জোসে মারিয়া হিমেনেস।

রোববার শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে বিলবাও।

৭ লাখ টাকা হলেই বেঁচে যাবে নাঈম

বাঁচার আকুতি মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী মেধাবী ছাত্র নাঈম মোল্যার (২০)। তিনি ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে রাজধানী ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নাঈমের চিকিৎসায় এ পর্যন্ত কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। উন্নত চিকিৎসা করাতে প্রয়োজন আরও অন্তত ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। কিন্তু তার দরিদ্র বাবার পক্ষে এত টাকা সংগ্রহ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসা চালিয়ে নিতে জরুরি ভিত্তিতে সমাজের বিত্তবান-হৃদয়বান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়ে আকুল আবেদন জানিয়েছে নাঈমের পরিবার।

নাঈম ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের পাটপাশা গ্রামের মো. সোরহাব মোল্যার একমাত্র ছেলে। নাঈম ২০২০ সালে সালথা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন।

ছোটবেলা থেকে মেধাবি ছিলেন নাঈম। তার স্বপ্ন লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হওয়া। কিন্তু মরণব্যাধি ক্যান্সারের থাবায় ভাঙতে যাচ্ছে তার সেই স্বপ্ন। নাঈমের বাবা-মা তাদের একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কিন্তু অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারার কষ্টে নাঈমের অসহায় বাবা-মা এখন বাকরুদ্ধ।

নাঈমের প্রতিবেশীরা জানান, মেধাবী ছাত্র নাঈম। কয়েক মাস আগে তার মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। নাঈম অত্যন্ত বিনয়ী ও ভালো ছেলে। হঠাৎ তার এমন ব্যাধি ধরা পড়ল, যা সত্যিই দুঃখজনক। নাঈমের বাবা একজন খেটে খাওয়া মেহনতি দিনমজুর। তার সামর্থ্য নেই ছেলের চিকিৎসা খরচ চালিয়ে যাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে সমাজের বিত্তবান-সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা নাঈমের চিকিৎসা খরচ চালাতে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে, হয়তো বেঁচে যাবে এ মেধাবী ছাত্রের প্রাণ।

নাঈমকে সাহায্য পাঠানোর জন্য:

ইউসিবি ব্যাংক, সালথা উপশাখা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট- ইতালি টেলিকম, অ্যাকাউন্ট নম্বর: ০৬৯২১১২০০০০০১০৯৮