বুধবার ,১০ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 506

সময়ের মাল্লা

সময়ের মাল্লা
জীবনের নিগাদ কালো অন্ধমায়ায়
হারিয়ে যেওনা প্রিয়া,
সময়ের প্রতি সদা সজাগ বন্দনায়
যৌবনে ফুটাও ক্রিয়া।

সময়ের মাল্লা
বৃক্ষের শাখা-প্রশাখার অগ্নিরেখায়
জোয়ারে বাঁধে রিয়া,
কত কাল যুগ কেটে গেল খেলায়
আসেনি ঘরে মিয়া।

সময়ের মাল্লা
নিশান জ্বালিয়ে লক্ষ্যভেদে নিকায়
খবর নেই কোন ধিয়া,
জাগ্রত চেতনায় দলে দলে মাল্লায়
সুর তুলে বলো সিয়া।

সময়ের মাল্লা
আসবে যখন সত্যের জ্যোতি ধরায়
বিজয় মালা পরবে নিয়া।
বুঝবে তখন অবিনাশী প্রাণের তল্লায়
বক্ষ স্মারকে লেখা থিয়া।

কান পাকলে বা পর্দা ফেটে গেলে কী করবেন?

দীর্ঘদিন সর্দি-কাশি লেগে থাকলে কানে পানি জমতে পারে। আবার গোসলের সময় পানি ঢুকেও কানে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় কানের পর্দা ফুটো হয়ে যায়। আবার কোনো কোনো সময় কানে পুঁজ হয়।

আবার কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিল কিছু রোগের কারণেও কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে বা কান দিয়ে পুঁজ ও পানি পড়তে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের কানের ইনফেকশন বা সর্দি-কাশি যাকে আমরা সাধারণ ভাষায় কমন কোল্ড বলে থাকি তা থেকে কানে সমস্যা হয়ে থাকে। এমন কোনো বাচ্চা নেই, যার জীবনে কোনো না কোনো সময় একবারও কানের ইনফেকশন হয়নি।

বেশিরভাগ সময় সুষ্ঠু চিকিৎসার মাধ্যমে এ ইনফেকশনের সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। যদি এ ইনফেকশনের সুষ্ঠু চিকিৎসা না হয় বা পর্যাপ্ত চিকিৎসা না হয়, তা হলে ইনফেকশন থেকে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন নাক-কান ও গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জাহির আল-আমিন।

কানের সমস্যা কাদের বেশি হয়

যেসব বাচ্চা এডিনয়েড গ্রন্থির প্রদাহে অনেক দিন ধরে ভোগে বা যেসব বাচ্চার এডেনয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়, তাদের কানের সমস্যা আরও বেশি হয়ে থাকে। ঘনঘন কানের ইনফেকশন থেকে কানের পর্দা ফেটে যায়। অনেক সময় টনসিল, নাক বা সাইনাসের ইনফেকশন ঘন ঘন হতে থাকলে বা সবসময় নাক বন্ধ থাকলেও কানের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

এডিনয়েড, টনসিল বা নাকের সমস্যা অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে এটি ইউস্টেশিয়ান টিউবের ওপর প্রভাব ফেলে এবং দেখা যায় টনসিল। এডিনয়েড বা নাকের সমস্যার চিকিৎসা হওয়ার পরও ইউস্টেশিয়ান টিউবের ফাংশন কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ ফিরে আসে না। ফলে কান পাকা বা কানের পর্দা ফাটা রোগীর চিকিৎসা জটিল আকার ধারণ করে বা এটি সহজে সারতে চায় না।

বড়দের ক্ষেত্রে কান পাকা রোগটি সাধারণত ছোটবেলা থেকেই শুরু হয়ে থাকে। তাদের হয় ছোটবেলা থেকেই কানের পর্দা ফাটা থাকে অথবা ইউস্টেশিয়ান টিউবের কার্যক্ষমতা ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কানের পর্দা আগে থেকেই দুর্বল থাকে। অনেক সময় দেখি কানের ভেতর পানি গেলে কান পাকা শুরু হয়। আপাতত দৃষ্টিতে তাই মনে হয়; কিন্তু কানের ভেতরে পানি গেলে কান পাকা রোগ শুরু হওয়ার কথা নয়।
আবার কানের ওপর প্রচণ্ড আঘাত হলে সুস্থ পর্দাও ফেটে যেতে পারে। যেমনটি হতে পারে কানে ভালোমতো থাপ্পড় লাগলে। অল্প সর্দি-কাশিতে কানের পর্দা ফেটে গিয়ে পুঁজ-পানি বের হচ্ছে। কানের পর্দা সুস্থ থাকলে এ রকম হওয়ার কথা নয়। বয়স্ক রোগীদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছোটবেলা থেকে কানের পর্দা দুর্বল থাকে অথবা ক্রমাগত নাক বা সাইনাসের প্রদাহের কারণে বা ক্ষেত্রবিশেষে টনসিলের ক্রমাগত প্রদাহের কারণে কানের পর্দা দুর্বল হয়ে যায়।

যেসব লক্ষণে বুঝবেন কান পাকা

রোগী কানে কম শুনতে পারেন— এটি সামান্য থেকে মারাত্মক পর্যন্ত হতে পারে। কান পাকার জন্য কান দিয়ে পুঁজ-পানি বের হয়। অনেক সময় মাথা ঘুরায়। মাথার ভেতরে ভোঁ ভোঁ শব্দ হয়। অনেক সময় কানে ব্যথা হতে পারে। এ কান দিয়ে পুঁজ-পানি পড়াটা প্রাথমিক পর্যায়ে মাঝে মাঝে হয়; কিন্তু ক্রমাগত কান পাকতে থাকলে অনেক সময় দেখা যায়, কান কোনো সময় শুকাতেই চায় না। অনেক সময় আবার সর্দি-কাশি লাগলেই কান দিয়ে পানি বের হতে থাকে।

কী করবেন
পর্দা ফাটা থাকলে অবশ্যই কান শুকনা রাখতে হবে। কানের ভেতর যেন পানি না যায়। গোসল করার সময় তুলাতে তেল দিয়ে ভিজিয়ে তারপর তুলা চিপে কানে দিয়ে গোসল করতে হবে।

কোনো সময়ই পানির তলে সাঁতার কাটা যাবে না বা পানিতে ঝাঁপ দেয়া যাবে না। কানে ইনফেকশন থাকলে কানটি ঠিকমতো পরিষ্কার করা দরকার এবং তারপর কানে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ দিতে হয়।

কান পরিষ্কার করা জরুরি এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে এটি করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কদাচিৎ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেতে হবে বা ইনজেকশন দেওয়া লাগতে পারে।

অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ কান শুকনা অবস্থায় কানে দেওয়া নিষেধ- এটি কানে মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলতে পারে, এমনকি কানে শোনা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কাজেই শুকনা কানে ইচ্ছামতো অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করার প্রবণতা অবশ্যই দূর করতে হবে।

কানে শোনা এবং কানের অন্যান্য ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য অডিওগ্রাম করানো দরকার। এতে বোঝা যায় কান কতখানি নষ্ট হয়েছে। অনেক সময় সমস্যা আমরা বুঝতে পারি না; কিন্তু ভেতরে ভেতরে কানের ক্ষতি হতে থাকে এবং শ্রবণশক্তি ক্রমাগত কমতে থাকে। কাজেই প্রতি ৩ থেকে ৬ মাস অন্তর কানের হেয়ারিং টেস্ট করে শ্রবণশক্তির পরিমাণ রেকর্ড করা উচিত।

শীতে ফেসওয়াশ ব্যবহার নিয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

মুখে ব্রণ আছে এমন অনেকে সারা বছর যে ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন, শীতকালেও একই ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন। অর্থাৎ গরমকালে যে ফেসওয়াশ ব্যবহার করেছেন, শীতকালেও সেই ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন।

এ বিষয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের ডার্মাটোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. জিনাত মেরাজ স্বাস্থ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডক্টর টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান বিস্তারিত।

এ ধরনের ফেসওয়াশ ত্বকের জন্য অনেক কড়া। ফেসওয়াশ কড়া হলে আমাদের ত্বকের ওপরের লেয়ারে যে পানি থাকে সেটা কমিয়ে দেয়। এমনকি ত্বকের নিচের কয়েকটা লেয়ার পর্যন্ত শুষ্ক করে ফেলে। এজন্য গরমে যেসব ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন, সেগুলো শীতে ব্যবহার করবেন না।

শীতে জেল বেইজড কিছু ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে কিছু বাংলাদেশ পাওয়া যায়। ট্রাইজেরা (Trixera) জেল নিউট্রেড নামের একটা ফেসওয়াশ পাওয়া যায়। এটা একটা নিউট্রিশন ফেসওয়াশ। যাদের ব্রণের ত্বক, তারা এটা ব্যবহার করতে পারেন।

আর যাদের মুখে ব্রণ নাই, তারা যে কোনো একটি সফট ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। শীতকালে সেরাভি (Cerave) ফেসওয়াশ ব্যবহার ত্বকের জন্য খুবই ভালো। এছাড়া যেসব ফেসওয়াশে ইউরিয়া, গ্লিসারিন আছে সেগুলো দেখে কিনবেন। কারণ এগুলো ত্বকের জন্য ভালো।

শীতকালে বেশি গরম পানি দিয়ে বেশি সময় গোসল করবেন না। গোসলের পর শরীর ভেজা থাকতেই একটু তেল মাখতে পারেন। অথবা যে কোনো একটি হাইড্রেটিং লোশন মাখতে পারেন। এগুলোর মধ্যে পানির আদ্রতা ধরে রাখার সামর্থ্য আছে।

সূত্র: ডক্টর টিভি

দুপুরে ফের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসবে শাবি শিক্ষার্থীরা

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) চলমান অচলাবস্থা নিরসনে রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তবে এই আলোচনায় কোনো ফলাফল আসেনি।

বিষয়টি সমাধান করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফের আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ফলে রোববার দুপুর ১টার দিকে ফের শিক্ষার্থী ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির মধ্যে অনলাইনে আলোচনা হবে।

শনিবার দিবাগত রাতে হওয়া আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী অনশনরত শিক্ষার্থীদের আহ্বান করেন অনশন ভাঙতে। এছাড়া উপাচার্যর পদত্যাগের যে দাবি তারা করছেন সেটি থেকে সরে আসার অনুরোধ করেন।

কিন্তু শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, তারা কোনোভাবেই উপাচার্যর পদ্ত্যাগের আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না।

আরো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়- যারা অনশন করছেন, তারাও ফলাফল না আসা পর্যন্ত অনশন ভাঙবেন না।

এর আগে শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আন্দোলনকারীদের মুঠোফোনে কথা বলিয়ে দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। এসময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দেন এবং প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসার আহ্বান জানান।

প্রথমে শিক্ষার্থীরা ঢাকায় আসতে সম্মত হলেও পরে অনশনকারী সহপাঠীদের কথা বিবেচনায় ঢাকায় না গিয়ে অনলাইনে আলোচনার প্রস্তাব দেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেন।

এ বৈঠকের পর সন্ধ্যায় অনলাইনে আলোচনার কোনো সিদ্ধান্ত না আসলেও রাত ১২টায় আসে অনলাইনে আলোচনার সিদ্ধান্ত। এর পরিপ্রেক্ষিতেই হয় আলোচনা।

শাবিপ্রবিতে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের কুশপুত্তলিকা দাহ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন।

দাহ করার আগে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা নিয়ে অনশনস্থল হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত মঞ্চ পর্যন্ত মিছিল করেন।

এরপর মুক্ত মঞ্চেই তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে শনিবার বিকালে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে প্রতিকী মরদেহ নিয়ে কাফন মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়। এসময় তারা সেখানে কিছু সময় অবস্থান করেন।

এরপর রাত ৯টার দিকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন শিক্ষার্থীর।

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশনে ইতোমধ্যেই পার হয়েছে দীর্ঘ সময়। ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

অনশনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ জন শিক্ষার্থী। তারা নগরীর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ওর বিচারের অপেক্ষায় আছি: সুবাহ

অভিনয় দিয়ে সাড়া না জাগাতে পারলেও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় ছিলেন মডেল ও অভিনেত্রী শাহ হুমায়রা হোসেন সুবাহ।

সেই সুবাহ গত দুই মাস ধরে ফের আলোচনায়। এবার নাসির নয়, গায়ক ইলিয়াসের সঙ্গে তার বিয়ে এবং দাম্পত্য কলহের বিষয়গুলো উঠে আসছে গণমাধ্যমে।

সংগীতশিল্পী ইলিয়াস হোসাইনকে ভালোবেসে বিয়ে করলেও এক সপ্তাহ না পেরোতে ওই সম্পর্কেও ভাঙনের সুর বাজছে।

ইলিয়াসের বিচার চাইলেন সুবাহ। ইলিয়াস থেকে মুক্তি চান তিনি। ইলিয়াসের বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনছেন এ অভিনেত্রী।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে সুবাহ বলেন, ‘ইলিয়াসের কাছ থেকে মুক্তি চাচ্ছি। ইলিয়াস আমার সঙ্গে অন্যায় করেছেন। আমি তার শাস্তি চাই, ওর বিচারের অপেক্ষায় আছি।’

ইলিয়াসের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতন মামলা করেছেন সুবাহ। এ ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলাও করেছেন সুবাহ।

জানা গেছে, দুটি মামলা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন সুবাহ।

যৌতুক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশনের সহকারী কমিশনার (এসি) গোর্কি চৌধুরী বলেন, ‘ইলিয়াসের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী সুবাহর করা যৌতুকের জন্য মারধরের মামলাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত চলছে। তদন্তের পর এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

একই রকম বক্তব্য দিয়েছেন ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পর্নোগ্রাফি আইনে করা মামলাটি তদন্তকারী কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াসিন হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর সংগীতশিল্পী ইলিয়াস হোসেনকে বিয়ে করেন সুবাহ। সুবাহর এটি প্রথম বিয়ে হলেও ইলিয়াসের দ্বিতীয় বিয়ে। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নিশাত আলমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ইলিয়াস।

১০১ টাকা দেনমোহরে পরীমনির বিয়ে

১০১ টাকা দেনমোহরে শরিফুল রাজের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত ও সমালোচিত নায়িকা পরীমনি।

শুক্রবার গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের পর শনিবার রাতে হয়ে গেল জমকালো আয়োজনে শরিফুল রাজ-পরীমণির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

অতিথির তালিকায় ছিলেন তিন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চয়নিকা চৌধুরী ও রেদওয়ান রনি। সঙ্গে দুই পরিবারের স্বজনরা।

জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন পরীমনি। এখন ঢালিউডের জনপ্রিয় এ নায়িকা সন্তানসম্ভবা।

তাদের বিয়ে নিয়ে নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম জানান, ১০১ টাকা দেনমোহরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়। বিয়েতে উকিল বাবার ভূমিকায় ছিলেন নির্মাতা রেদওয়ান রনি।

নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী জানান, এই বিয়ে আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কারণ তারা আগেই বিয়ে করেছেন। শুধু দুই পরিবারের স্বজনদের পরিচয় আর নিজেদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্যই এ আয়োজন।

প্রসঙ্গত গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘গুনিন’ ছবির শুটিং শুরুর পর শরিফুল রাজের সঙ্গে পরিচয় হয় পরীমনির। পরিচয়ের মাত্র ৭ দিনের মধ্যে প্রেম হয় তাদের। এর পর গোপনে বিয়ে করেন তারা।

মাঠে নামাজ আদায়ে প্রশংসায় ভাসছেন মাহমুদউল্লাহ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছে ঢাকা। মিরাজের চট্টগ্রাম জয় পেয়েছে ৩০ রানে।

দল হারলেও ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ছিলেন এদিন আলোচনায়।

মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়; খেলায় বিরতির ফাঁকে তার নামাজ আদায়ের দৃশ্য ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে সাড়া ফেলেছে।

যা গতকাল রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল বিষয়টি।

শনিবার রাতে মিরপুর শেরেবাংলায় টসে হেরে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাদের ইনিংসের নবম ওভার শেষে দেওয়া হয় আড়াই মিনিটের প্রথাগত স্ট্র্যাটেজিক টাইমআউট।

চট্টগ্রামের দুই ব্যাটার আর ঢাকার সব ফিল্ডার যখন পানি পান করে নিজেদের সতেজ করার মাধ্যমে বাকি অংশের পরিকল্পনা সাজিয়ে নিচ্ছিলেন, তখন সুযোগ বুঝে উইকেটের পাশেই নামাজে দাঁড়িয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। বুটজোড়া খুলে মাথার ক্যাপ উল্টে নিয়ে ফরজ তিন রাকআত নামাজ আদায় করেন।

যদিও মাহমুদউল্লাহর নামাজ ওই টাইমআউটের জন্য নির্ধারিত আড়াই মিনিটে শেষ হয়নি। তখন তার নামাজ শেষের জন্য অপেক্ষা করা হয়। অবশ্য বেশি সময় নেননি মাহমুদউল্লাহ। আরও ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হয় সবাইকে। তার পর দশম ওভারের খেলা শুরুর নির্দেশ দেন মাঠের আম্পায়াররা।

ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে উইল জ্যাক ও পরে বেনি হাওয়েলের ঝড়ো ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৬১ রান তোলে চট্টগ্রাম। বল হাতে মাহমুদউল্লাহ ১ ওভার করে দেন ১২ রান।

১৬২ রানের তাড়ায় ওপেনার তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে হাফসেঞ্চুরি এলেও দল হারে ৩০ রানে। এক বল বাকি থাকতে ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় ঢাকার ইনিংস।
ব্যাট হাতে মাহমুদউল্লাহ করেন ৫ বলে ৫ রান।

বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল: কে কার মুখোমুখি?

যুব বিশ্বকাপে আরব আমিরাতকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

এ বিশাল ব্যবধানের জয়ের পর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে টাইগার যুবারা।

বাংলাদেশের জয়ে পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের ৮ দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে।

দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ‘এ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। তাই কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত।

গত বিশ্বকাপের রানার্সআপকে সুপার এইটেই পেয়ে যাচ্ছে এবার রাকিবের দল।

‘এ’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ দক্ষিণ আফ্রিকা।

‘সি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। তাদের প্রতিপক্ষ ‘ডি’ গ্রুপ রানার্সআপ অস্ট্রেলিয়া। ‘ডি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকার সামনে পড়েছে ‘সি’ গ্রুপের রানার্সআপ আফগানিস্তান।

সূচি অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের মহারণ শুরু ২৬ জানুয়ারি থেকে। সব ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায়।

এক নজরে কোয়ার্টার ফাইনালের সূচি

২৬ জানুয়ারি : ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা
২৭ জানুয়ারি : শ্রীলংকা-আফগানিস্তান
২৮ জানুয়ারি : পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া
২৯ জানুয়ারি : বাংলাদেশ-ভারত

সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের ২০২১-২৩ মেয়াদের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ওই অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকালে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সোনারগাঁওয়ের (নারায়ণগঞ্জ-৩) সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত ও সোনারগাঁও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া।

সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি এমএম সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবুবকর সিদ্দিকের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম, সোনারগাঁও থানার ওসি হাফিজুর রহমান-পিপিএম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার ফেন্সী, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি ছাত্রলীগ নেতা এবং আসন্ন সোনারগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ছগির আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এইচএম মাসুদ দুলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, অ্যাডভোকেট নূরজাহান, সোনারগাঁও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী, আশরাফুজ্জামান, নাসরিন সুলতানা ঝরা, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শাহ মোহাম্মদ সোহাগ রনি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ হোসাইন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাসেল মাহমুদ, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা বাবু, কমিউনিস্ট পার্টির সোনারগাঁও উপজেলা সভাপতি শংকর প্রকাশ, বাসদের সোনারগাঁও সমন্বয়ক বেলায়েত হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চললনা করেন সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের মিজানুর রহমান ও বিউল হোসেইন।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য একেএম মাহফুজুর রহমান, সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সাবেক আহ্বায়ক মাসুদ সায়ান, সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মোক্তার হোসেন মোল্লা, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি কবি রহমান মুজিব, অধ্যক্ষ ড. নূরে আলম, সুবর্ণ গ্রাম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কবি শাহেদ কায়েস, সুজনের সোনারগাঁও শাখার সভাপতি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, সোনারগাঁও প্রেস ইউনিটির সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাংবাদিক মনিরুজ্জামান, সোনারগাঁও থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি গাজী মোবারক, সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম অনিক, আড়াইহাজার রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি এমএ হাকিম, ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রহিম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসেন চিশতী সিপলু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসাইন, বিকশিত সমাজকল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান তাওফিকা শাহেদ ও সোনালী ব্যাংক সোনারগাঁও শাখার ব্যবস্থাপক মতিউর রহমানসহ বিশিষ্টজনরা।