শনিবার ,১৫ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 388

সরকারি চাকরিতে পুরুষদের দাড়ি-টুপির ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা

আফগানিস্তানে সরকারি দপ্তরে পুরুষ কর্মীদের উপর নতুন নির্দেশনা দিয়েছে দিয়েছে তালেবান সরকার। দাড়ি না রাখলে এবং মাথায় টুপি না পরলে চাকরি চলে যেতে পারে বলে নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্স তিনটি পৃথক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

নিরাপত্তার আশঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্ররা জানায়, কর্মীরা নতুন নিয়ম ঠিক মতো মেনে চলছে কি না দেখার জন্য আফগানিস্তানের পূণ্যের প্রচার এবং পাপের প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা সোমবার দেশটির সব সরকারি দপ্তরের প্রধান ফটকে পাহারা দিয়েছে এবং নজর রেখেছে।

নতুন নির্দেশনায় সরকারি চাকরিজীবীদের দাড়ি না কামাতে, আফগানিস্তানের ঐতিহ্যবাহী পোশাক-ঢিলেঢালা আফগানি লম্বা কুর্তা ও পাজামা পরতে এবং মাথায় টুপি বা পাগড়ি বাঁধার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সরকারি দপ্তরগুলোকে সঠিক সময়ে সব কর্মীদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার নির্দেশও জারি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই কর্মকর্তা জানান, নতুন নির্দেশনা না মানলে কর্মীরা কার্যালয়ে ঢুকতে পারবে না। নির্দেশা না মানলে তাদের চাকরিচ্যুত করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। রোববার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ টাস্কফোর্স গঠনের কথা জানানো হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিজিএফআই মহাপরিচালক, এনএসআই মহাপরিচালক, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই সভাপতি, যুগ্মসচিব (আইআইটি-২)।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/প্রতিষ্ঠানকে দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান; নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক বাজারদর ও আমদানিসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ; কোনো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহ চেইনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির উদ্ভব হলে ‘দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেল’ হতে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ; পণ্য উৎপাদন, পরিশোধন ও আমদানি হতে স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রয় পর্যন্ত সার্বিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান; নিত্যপণ্যের সরবরাহ চেইন স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান; বর্ণিত কার্যাবলির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক বা আনুষঙ্গিক অন্য সব প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পাদন; কমিটি প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করবেন; প্রয়োজনে অন্য সদস্য কো-অপ্ট করা যাবে; ‘দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা’বিষয়ক গঠিত টাস্কফোর্স কমিটিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তরের একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি জরুরি ভিত্তিতে মনোনয়ন প্রদানপূর্বক প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

কঠোর তদারকিতে জোর

তিন কারণে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বেড়েছে। এগুলো হচ্ছে-করোনার প্রকোপ কমার পর হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়া, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি এবং প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের ফলে টাকার প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়া। এসব কারণে চলতি অর্থবছরেও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়বে। এ চাপ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে অর্থনীতির সব খাতে কঠোর তদারকি বাড়াতে হবে। কেননা করোনার প্রকোপ কমলেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিপূর্ণভাবে পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে এখনও ঝুঁকির আশঙ্কা রয়ে গেছে।

সোমবার রাতে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২০-২১’ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। গত অর্থবছর শেষ হওয়ার প্রায় ৯ মাস পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করল। আগে প্রতিবেদনটি সাধারণত সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে প্রকাশিত হতো। করোনার কারণে অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন হতে দেরি হওয়ায় প্রতিবেদনটি প্রকাশ করতে দেরি হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র। প্রতিবেদনে অর্থনীতির সব খাতের গত অর্থবছরের তথ্য-উপাত্ত ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতির গতিবিধিও তুলে ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থানও রয়েছে এতে। চলতি অর্থবছরের অর্থনীতির একটি পূবাভাস ও করণীয় সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু সুপারিশও তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ায় চাহিদা কমে গিয়েছিল। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম কমে গিয়েছিল। গত বছরের শেষ দিকে করোনার প্রকোপ কমায় হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যায়। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও সচল হতে থাকে। বাড়তে থাকে পণ্যের দাম। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। অন্যান্য প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। পণ্যের দাম বাড়ার কারণে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির নামে দেশ মূল্যস্ফীতি আমদানি করছে। এতে দেশেও মূল্যস্ফীতির হারে চাপ বেড়েছে। একই সঙ্গে দেশের বাজারেও পণ্যের দাম বেড়েছে। এতেও মূল্যস্ফীতি উসকে দিচ্ছে। করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় ২৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব প্যাকেজের দ্বিতীয় পর্যায় এখন চলছে। কোনো কোনো প্যাকেজের তৃতীয় পর্যায় চলছে। প্যাকেজ বাস্তবায়নের কারণে বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়ানো হয়েছে। এটিও মূল্যস্ফীতির হার বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এসব মিলে আগামী মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতির হার আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ হার কমাতে ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি এগিয়ে নিতে হলে অর্থনীতির সব খাতে কঠোর তদারকি অপরিহার্য। কেননা করোনাভাইরাসের প্রভাবে যে ক্ষতি হয়েছে তা থেকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিপূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করতে ঝুঁকির মাত্রা এখনও উড়ে যায়নি। নানাভাবে পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ঝুঁকি আসতে পারে। সেদিক থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, গত দুই বছর করোনার কারণে দেশে অর্থনীতি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে রপ্তানি আয়, রেমিট্যান্স প্রবাহ, কৃষি ও সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ভালো হওয়ায় দেশের অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। সার্বিকভাবে জীবনযাত্রার মানও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও বস্তি এলাকায় খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে সরকারের পদক্ষেপের ফলে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনার টিকার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে যাওয়ায় অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে অর্থনীতি প্রত্যাশার বেশি গতিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আরও মনোযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে টাকার প্রবাহ সব খাতেই বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার ওপর জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করেছে। গত অর্থবছরের শুরুর দিকে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বেড়ে গেলে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ৭৯৪ কোটি ডলার ক্রয় করেছে। অর্থবছরের শেষ দিকে আমদানির দেনা পরিশোধের চাপ বাড়ায় চাহিদার জোগান দিতে ব্যাংকগুলোর কাছে ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। বছর শেষে এসে ডলারের দাম বাড়ায় টাকার কিছুটা অবমূল্যায়ন হয়েছে।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মধ্যকার ব্যবধান কমানোর উদ্যোগ নিয়েও সফলতা মিলছে না। গত অর্থবছরে এ ব্যবধান আগের চেয়ে বেশি বেড়েছে। বিনিয়োগের চেয়ে সঞ্চয় বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু এখন বিনিয়োগের চেয়ে সঞ্চয় কম। ফলে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের ব্যবধান বেড়েই চলেছে।

প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার চলতি অর্থবছরে কমবে। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে তা কমে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার কমলেও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বাড়বে। চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রবৃদ্ধির দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশ। প্রথম স্থানে থাকবে ভারত। তাদের প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে ৮ শতাংশ। তবে তা গত অর্থবছরের চেয়ে কম। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির হার বাংলাদেশের চেয়ে কম হবে।

মূল্যস্ফীতির হার বাংলাদেশে বাড়ার আশঙ্কা করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি হবে পাকিস্তানে। দ্বিতীয় অবস্থানে শ্রীলংকা, তৃতীয় অবস্থানে ভারত।

‘ইতিহাস বিকৃতির জনক বিএনপি’

বিএনপি এ দেশের ইতিহাস বিকৃতির জনক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, তারাই ইতিহাসের ফুটনোট জিয়াউর রহমানকে ইতিহাসের নায়ক বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সোমবার সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

তিনি দুঃখ করে বলেন, যার নেতৃত্বে বাঙালি জাতির হাজার বছরের আরাধ্য যে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা আসে সেই বঙ্গবন্ধু বিএনপির শাসনামলে হয়ে যান এক নিষিদ্ধ নাম।
মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলা শ্লোগানকে বিএনপি নিষিদ্ধ করে দেয়,বন্ধ করে দেয় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রচার।

গণমাধ্যম থেকে পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালানো হয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিহাস বিকৃতির ঘৃণ্য চর্চা বিএনপি আবারও শুরু করেছে।

ফখরুলের বক্তব্যের কড়া জবাব দিলেন ওবায়দুল কাদের

‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই ইতিহাস বিকৃতি করেছে’— বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, তার (ফখরুল) এ অভিযোগ চরম অসত্য, ভিত্তিহীন এবং ‘পাগলের প্রলাপ’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সোমবার সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ কখনও ইতিহাস বিকৃতি করে না বরং প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরে বলেই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা তাদের চেয়ারপারসন জিয়াকে দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং দণ্ডিত পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মতো ঘৃণ্য অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপির হাতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ইতিহাস কিছুই নিরাপদ নয় বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, ইতিহাস চলে তার নিজস্ব গতিতে। এ চির সত্য বিএনপি নেতারা হয়তো জানে না, হাতের তালু দিয়ে যেমন সূর্যকে ঢাকা যায় না, তেমনি স্বাধীনতার ইতিহাসও আজ স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল।

‘আওয়ামী লীগের সময় শেষ হয়ে এসেছে’— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সময় শেষ হয়ে আসেনি, সময় শেষ হয়ে এসেছে বিএনপি’র অপরাজনীতির।

তিনি বলেন, জনগণের আস্থায় এখন আর বিএনপি নেই, জনগণ এখন আর বিশ্বাস করে না হাঁটুভাঙা, পরাশ্রয়ী বিএনপি এ দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবে।
নেতিবাচক রাজনীতির কারণে জনগণ বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলেও মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনে করেন, সাম্প্রতিককালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণের প্রত্যাখ্যান এবং তাদের আন্দোলনের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় বিষয়টি আরও পরিস্কার হয়ে গেছে।

‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমরা কী পেলাম?’—বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যে বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে মুক্তির অর্ধশতক পর যারা বলেন স্বাধীনতার ৫০ বছরে কী পেলাম, প্রকৃতপক্ষে তারাই স্বাধীনতাকে হৃদয়ে ধারণ করে না, চেতনায় ধারণ করে না, সে প্রশ্নই এখন চলে আসে?

গণমাধ্যমকর্মী বিল সংসদে উত্থাপন

গণমাধ্যমকর্মীদের বেতন পরিশোধ, ছুটি নির্ধারণ এবং দাবি নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনে আদালত গঠনের বিধান রেখে একটি নতুন আইন করতে জাতীয় সংসদে বিল তোলা হয়েছে।

সোমবার তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। এরপর তা ৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পাঠানো হয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে।

বিলে বলা হয়েছে, কোনো গণমাধ্যমকর্মীর বেতনকাল এক মাসের বেশি হবে না। পরবর্তী মাসের সাত কর্মদিবসের মধ্যে বেতন পরিশোধ করতে হবে।

এই বিলে বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচ বছর পরপর গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যূনতম ওয়েজ বোর্ড গঠন হবে। ওয়েজ বোর্ড সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, বেসরকারি টেলিভিশন, বেতার ও নিবন্ধিত অনলাইন মাধ্যমের জন্য প্রয়োজনে পৃথক পৃথক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবে।

আগে শুধু সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার জন্য এই ওয়েজ বোর্ড গঠন করা হতো। এদিকে তিন বছর পরপর ১৫ দিনের শ্রান্তি বিনোদন ছুটির কথাও বলা হয়েছে বিলে।

প্রস্তাবিত আইনে বলা আছে, গণমাধ্যমে পূর্ণকালীন সাংবাদিক, কর্মচারী এবং নিবন্ধিত সংবাদপত্রের মালিকানাধীন ছাপাখানাসহ নিবন্ধিত অনলাইন গণমাধ্যমে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত কর্মীদের ‘গণমাধ্যমকর্মী’ বলা হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের তিনটি বিভাগ করা হয়েছে এই বিলে। সেগুলো হলো- অস্থায়ী বা সাময়িক, শিক্ষানবিশ এবং স্থায়ী।

বিলে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমকর্মীকে সপ্তাহে অন্যূন ৪৮ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। এর বেশি কাজ করাতে চাইলে অধিকাল (ওভার টাইম) ভাতা দিতে হবে।

আগে গণমাধ্যম কর্মীদের এসব বিষয় চলত ‘দ্য নিউজপেপার এমপ্লয়িজ (চাকরির শর্তাবলী) আইন- ১৯৭৪’ এর আওতায়। এর সঙ্গে শ্রম আইনের কিছু বিষয় সাংঘর্ষিক হচ্ছিল। পরে সাংবাদিকদের শ্রম আইনের আওতায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের শ্রমিক হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।

প্রস্তাবিত বিল পাস হলে গণমাধ্যম কর্মীরা আর শ্রমিক থাকবেন না, তাদের ‘গণমাধ্যমকর্মী’ হিসেবে বর্ণনা করা হবে।

‘দ্য নিউজপেপার এমপ্লয়িজ (চাকরির শর্তাবলী)’ আইনে সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক ও প্রেস কর্মচারীদের চাকরির শর্ত, আর্থিক বিষয় ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ করা ছিল।

সরকার ওই আইনকে রহিত করে সব শ্রমিকের জন্য ২০০৬ সালে ‘শ্রম আইন’ প্রণয়ন করে, যাতে সংবাদপত্রের সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক ও প্রেস কর্মচারীদের বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০১৮ সালে বিলটির নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত এই আইনে বলা হয়েছে, একজন গণমাধ্যমকর্মী বছরে ১৫ দিন নৈমিত্তিক ছুটি পাবেন। এছাড়া প্রতি ১১ দিনে পাবেন একদিন অর্জিত ছুটি। এই ছুটি ভোগ না করলে তা জমা থাকবে এবং চাকরি শেষে সর্বোচ্চ ১০০ দিন নগদায়নের সুবিধা পাবেন।

চিকিৎসকের প্রত্যয়ন সাপেক্ষে একজন গণমাধ্যমকর্মী চাকরির মেয়াদের অন্যূন ১৮ ভাগের এক ভাগ সময় পূর্ণ বেতনে অসুস্থজনিত ছুটি পাবেন।

বিলে বলা আছে, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে, একজন গণমাধ্যমকর্মী পূর্ণ বেতনে এককালীন বা একাধিকবার অনূর্ধ্ব ১০ দিন পর্যন্ত উৎসব ছুটি ভোগ করতে পারবেন। আর উৎসবের দিনে কাজ করালে, প্রতি কার্যদিনের জন্য দুইদিনের মূল বেতন বা দুইদিনের বিকল্প ছুটি মঞ্জুর করতে হবে।

এক বছর চাকরির পর, ভবিষ্যৎ তহবিলে কর্মী ও মালিকের আট থেকে ১০ শতাংশ চাঁদার কথা বিলে বলা হয়েছে।

বিলে প্রতি প্রতিষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মী ও মালিকের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ‘গণমাধ্যমকর্মী কল্যাণ সমিতি’ গঠন করার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, সরকার এক বা একাধিক বিভাগীয় এলাকার জন্য গণমাধ্যম আদালত স্থাপন করতে পারবে।

এই আদালতে একজন চেয়ারম্যান এবং দুইজন সদস্য থাকবেন। কর্মরত জেলা জজদের মধ্যে থেকে চেয়ারম্যান হবেন। আর সদস্যের একজন গণমাধ্যম মালিক হবেন, আরেকজন গণমাধ্যমকর্মী।

বিলে বলা হয়েছে, এক বছর চাকরিরত অবস্থায় কোনো গণমাধ্যমকর্মী মারা গেলে মৃতের মনোনীত ব্যক্তি বা তার উত্তরাধিকারীকে কর্মীর প্রত্যেক পূর্ণ বছর বা ছয় মাসের অধিক সময় চাকরির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩০ দিনের এবং কর্মরত বা কর্মকালীন দুর্ঘটনার কারণে ৪৫ দিনের বেতন দিতে করতে হবে।

কোনো স্থায়ী কর্মী ৩০ দিনের নোটিস এবং অস্থায়ী কর্মী ১৫ দিনের নোটিস দিয়ে চাকরিতে ইস্তফা দিতে পারবে।

আর কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত কর্মী ছাঁটাই করতে চাইলে সরকারকে দ্রুত লিখিতভাবে জানাতে হবে। ছাঁটাই করতে হলে কর্মীকে এক মাসের লিখিত নোটিস দিতে হবে অথবা এক মাসের মূল বেতন দিতে হবে। এছাড়া ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রতি বছর চাকরির জন্য ৩০ দিনের মূল বেতন দিতে হবে।

রোজায় কতদিন ক্লাস চলবে জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

রোজায় দেশের সব স্কুল-কলেজ খোলা থাকছে। ক্লাস চলবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, করোনাভাইরাস জনিত রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণকল্পে এ বিভাগের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত যথাযথ বিধি অনুসরণপূর্বক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অব্যাহত রাখার অনুরোধ করা হলো।

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মেহেরপুরে ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে। এ জন্য ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর আইন, ২০২২’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে হিজরি ১৪৪৩ (২০২২ খ্রিস্টাব্দ) সালের পবিত্র রমজান মাসে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য অফিস সময়সূচি নির্ধারণ হয়।

দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে সশরীরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই বেশিরভাগ নিয়ম আইনে রয়েছে। দুটি ব্যতিক্রম বিষয়ও অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনবোধে আচার্যের অনুমোদন নিয়ে স্নাতকদের উদ্যোক্তা রূপে বিকাশ করার জন্য তাদের বাস্তবানুগ প্রস্তাবের আলোকে কারিগরি ও অন্যান্য সহায়তা দিতে অঙ্গীভূত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিজনেস ইনকিউবেটর প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রফেশনাল কোর্স চালু করা যাবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এটি হলে দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫৩টিতে। অন্যদিকে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে ১০৮টি।

এছাড়া মন্ত্রিসভায় অথরিটি টু ইনোভেশন (এটুআই) আইন-২০২২ এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে পরিচালিত ‘অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন’ প্রকল্পটি আইনে প্রতিষ্ঠিত অথরিটির অধীনে চলে যাবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হবে।

বোর্ড অব ডিরেক্টররা এটির নীতি নির্ধারণ করবে। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন। এই প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরতদের বেতন কাঠামো তারা নিজেরাই ঠিক করবে।

ওজন কমাবে যেসব পানীয়

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। এতে শরীরের পানিশূন্যতাই শুধু দূর হবে না, সেই সঙ্গে কমবে খাবার গ্রহণের চাহিদাও। তবে যারা ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম ও ডায়েট করছেন তারা বিশেষ কিছু পানীয় পানে উপকার পাবেন একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। জেনে নিন সেগুলো কী কী।

গ্রিন টি: গ্রিন টিতে অল্প ক্যাফিন থাকে। শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে ক্যাফিন অত্যন্ত কার্যকর। এ ছাড়াও এতে ‘ক্যাটেচিন’ নামক অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট রয়েছে যা বিপাক ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। বিপাক ক্রিয়া স্বাভাবিক থাকলে ওজন কমানোও সহজ হয়ে যায়। তাই দিনে তিন থেকে পাঁচ কাপ গ্রিন টি পান করলে শরীর থেকে ৩৫-৪০ শতাংশ মেদ ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সকালে লেবু পানি পানে হাইড্রেট করে, টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে, শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে
দারুচিনি ও মধু পানি: মেদ ঝরাতে দারুচিনি ও মধুর মিশ্রণ একসঙ্গে করে গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে পারেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অর্ধেক গ্লাস পান করে বাকিটা সকালে ঘুম থেকে উঠেই খেয়ে নেবেন। এতে ওজন যেমন কমবে তেমনই শরীরের পানির চাহিদা কিছুটা হলেও মিটবে।

লেবু পানি: সকালে ঘুম থেকে উঠে লেবু পানির সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। সকালবেলা খেতে ইচ্ছে না করলে সারা দিনে একবার বা দুবার এই লেবু পানি পান করুন। লেবু পানি শরীরে বাড়তি চর্বি ভাঙার কাজ করে। আর সকালে লেবু পানি পান হাইড্রেট করে, টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে, শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে।

জিরা পানিতে আয়রনের পাশাপাশি ভিটামিন এ ও সি থাকে, যা অ্যান্ট অক্সিডেন্টের সুবিধা দেয়
জিরা পানি: জিরা পানিতে আয়রনের পাশাপাশি ভিটামিন এ ও সি থাকে, যা অ্যান্ট অক্সিডেন্টের সুবিধা দেয়। এক্ষেত্রে রাতে দুই টেবিল চামচ জিরা এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি সকালে খালি পেটে পান করবেন।

এ ছাড়া আরও পান করতে পারেন কালো কফি ও দারুচিনির মিশ্রণ, দইয়ের স্মুদি, করলার জুস, সবজির জুস, ডাবের পানি এবং আদা ও লেবু পানি। আর মদ্যপান করবেন না। নিয়মিত মদ্যপানের ফলে ওজন বেশি হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বেশি থাকে। এবং মোটা হওয়ার ঝুঁকি স্বাভাবিকের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

বয়সের ছাপ মুছে ফেলুন যোগাসনে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধে একাধিক রোগব্যাধি। আজ পায়ে ব্যথা তো কাল হজমের সমস্যা, পরশু ঘুম আসছে না— কিছু না কিছু লেগেই থাকে। প্রতিদিন দীর্ঘ হয় প্রেসক্রিপশনে ওষুধের নামগুলো। তারপরেও শরীর নামক যন্ত্রে ছন্দ থাকে না। তবে নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে সুস্থ থাকা সম্ভব। বয়সের ছাপ শরীর ও মন থেকে মুছে ফেলতে যোগাসন ও প্রাণায়ামের জুড়ি মেলা ভার। এক্ষেত্রে যোগাসনের সময়ে সঠিক নিয়ম মেনে চললে তবেই মিলবে সুফল। যোগাসনের সময় কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন, জেনে নিন।

যোগব্যায়াম করার প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে কিছু খাবেন না। খাবার সঠিক ভাবে হজম হলে তবেই যোগাসন করুন। নইলে অল্পতেই ক্লান্তিভাব চলে আসবে। সবচেয়ে ভালো হয় খালি পেটে যোগব্যায়াম করলে। দুর্বল লাগলে বিশেষজ্ঞরা যোগাভ্যাসের আগে ঈষদুষ্ণ পানিতে মধু মিশিয়ে পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
যোগব্যায়ামের সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ আসন আর প্রাণায়ামের ওপরেই দিতে হবে। এ সময় মোবাইল, টিভি কিংবা অন্য কোনো গ্যাজেট ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়।

যোগব্যায়ামের সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ আসন আর প্রাণায়ামের ওপরেই দিতে হবে
তাড়াহুড়ো করে যোগব্যায়াম করবেন না। অতিরিক্ত ক্লান্ত বোধ করলে কিংবা সারাদিনের কঠোর পরিশ্রম করে যোগাসন না করাটাই ভালো। দিনের শুরুতে যোগাভ্যাস করলে সবচেয়ে উপকার পাবেন। যোগাভ্যাসের শুরুতে এবং শেষে এক মনোযোগে ধ্যান করতে ভুলবেন না।
শরীরে কোনো চোট-আঘাত পেলে যোগব্যায়ামের জটিল কোনা আসন করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে করা উচিত। নইলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এক্ষেত্রে পোশাকের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। যোগাসনের সময় খুব বেশি আঁটসাট পোশাক না পরাই ভালো। যোগাসন করেই অনেকে গোসল করে ফেলেন। এই ভুল কখনই করবেন না। যোগাসনের পর অন্তত ৩০ মিনিট গোসল করবেন না। এই সময়ের মধ্যে কিছু খাদ্য কিংবা পানীয় না খাওয়াই ভালো।