শনিবার ,১৩ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 330

হঠাৎ ‘উধাও’ সয়াবিন তেল

দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা যখন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে কেনাকাটায় ব্যস্ত তখনই বাজার থেকে উধাও হয়ে গেল সয়াবিন তেল।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী, বনানী, তেজকুনীপাড়াসহ বড় বড় কাঁচাবাজারের মুদি দোকানগুলোতেও এ ভোজ্যতেলের দেখা মিলছে না।

দুএকটি দোকানে পাওয়া গেলেও চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই অপ্রতুল।

শুধু রাজধানীই নয়; মফস্বলের বাজারগুলোতেও রাতারাতি উধাও সয়াবিন তেল!

ঈদের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ তেল বাজারে না পেয়ে অনেকেই দিশেহারা, মাথায় হাত দিয়ে বসেছেন – ঈদে কীভাবে মেহমানদারী করবেন?

খুচরা দোকানিরা বলছেন, পাইকারী বা আড়তদাররা বলছেন, তাদের কাছে সয়াবিন তেল নেই। পাইকারী ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানিগুলো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাই এই সংকট।

যদিও ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা দাবি করছেন, তারা আগের মতই সরবরাহ করছেন। মাঝপথে কোথাও ‘গরবড়’ হচ্ছে।

একটি প্রসিদ্ধ সয়াবিন তেল প্রস্তুতকারক কম্পানির পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা দাবি করেন, চাহিদা অনুযায়ী তারা সরবরাহ করছেন। তাদের দিক থেকে কোনো ঝামেলা নেই।

অন্য আরেকটি ব্র্যান্ডের তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি অ্যাডভাইজার শফিউর রহমান বলেন, মিল থেকে সয়াবিন ও পাম তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। এর পরেও কোথায় কী কারণে তেলের সঙ্কট হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্টদের উপর ছেড়ে দেন তিনি।

প্রশ্ন হচ্ছে – এ ‘গরবড়’টা লাগলো কোথায়? তবে কি ফের মজুতদার সিন্ডিকেটের কবলে দেশ?

ঢাকার বনানীর এক মুদি দোকানি বললেন, গত দুইদিন ধরে সয়াবিন তেল কিনতে পারছি না। ফলে বিক্রি বন্ধ রয়েছে। সয়াবিন না পেয়ে কেউ কেউ রাইস ব্রান তেল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

কারওয়ান বাজারে রাকিব ও আলী স্টোরের দুই দোকানি বললেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলেরসরবরাহ সঙ্কট চলছে। ডিলাররা তেল দিচ্ছে না তাদের। তাই তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।

মহসিন ইসলাম নামের এক দোকানি বলেন, প্রতি ড্রাম ৩৭ হাজার টাকা করে কিনে খোলা সয়াবিন তেল কিনেছিলাম কয়েকদিন আগে। চাহিদার তুলনায় মজুত কম বিধায় কিছু পরিচিত ক্রেতার কাছে তেল বিক্রি করছেন এ দুদিন। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের ক্রয়মূল্য ১৮১ টাকা ও পাম তেলের ক্রয় মূল্য ১৭১ টাকা করে পড়েছে তার।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য স্থানের চিত্রও প্রায়ই একই রকম। প্রায় জায়গাতেই গত দুইদিনে তেল মিলছে না।

চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড় এলাকার এক দোকানি জানালেন, ১৫ দিন ধরে কোনো কোম্পানির ডিলারের প্রতিনিধি আসেনি। যোগাযোগ করলে তাদের বলা হচ্ছে, ঈদের পরে দাম বাড়ানো হবে বলে কোম্পানি যেমন তেল ছাড়ছে না, তেমনি কোথাও কোথাও মুজদ করা হচ্ছে।

উদ্ধুত পরিস্থিতিতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তাতেই ‘গরবড়’-এর একটা বড় রহস্যজট খুলল।

বোঝা গেল, ঈদের পর দাম বাড়বে শুনে অসাধু ব্যবসায়ীরা তেল মজুত করেছেন।

অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফাহমিনা আক্তারের নেতৃত্বে রোববার বেলা ১১টার পর কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটে অভিযান চালানো হয়।

মার্কেটের তিনতলায় ডিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের এক গুদাম খুলতেই বেরিয়ে আসে কার্টনভরা সয়াবিন তেল। সেই তেল নিচতলার মুদিদোকানিদের কাছে বিক্রি করা হয়। আর সয়াবিন তেল মজুত করায় তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিসমিল্লাহ জেনারেল স্টোর নামের তেলের এক ডিলারের গুদামে ৫ লিটারের ১০০ কার্টন বা ৪০০ বোতল (মোট ২ হাজার লিটার) সয়াবিন তেল পান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে সয়াবিন তেল পরিশোধনকারী কোম্পানি থেকে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে জানিয়ে ফাহমিনা আক্তার বলেন, ‘আমরা খুচরা ও পাইকারি বাজারের পাশাপাশি সয়াবিন তেল পরিশোধনকারী কোম্পানির মিলগেটেও তদারকি করছি। সেখান থেকে প্রতিদিন রেকর্ড পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বোতলের গায়ে উল্লেখ করা দামের চেয়ে কেউ এক টাকা বেশি দামে বিক্রি করলে জরিমানা করা হবে। বেশি দামে তেল বিক্রি করতে দেখলে ভোক্তাদের অধিদপ্তরের হটলাইনে (১৬১২১ নম্বরে) অভিযোগ করুন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে ইউক্রেইন যুদ্ধ শুরুর সময়েও দেশের অনেক এলাকার অনেক দোকানে তেল পাওয়া যায়নি। মার্চের প্রথমে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কথা বলে দেশে ভোজ্যতেলের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অন্তত ৪০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কোথাও কোথাও খোলা সয়াবিনের দাম ২০০ টাকাও নেওয়া হয়।

পরে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি দামও কমে আসে। মার্চের ওই সময়ে সরকার ভোজ্যতেলের ওপর থেকে ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের পর দামেও সমন্বয় করে। নতুন দরে প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৪০ টাকা এবং পাম তেল ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি আমদানি করে পূরণ করা হয়। সাত থেকে আটটি প্রতিষ্ঠান অপরিশোধিত তেল আমদানি করে পরিশোধন করে বাজারে ছাড়ে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, এ বছর মার্চ ও এপ্রিল দুই মাসে সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ৯২ হাজার টন, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে (১ মার্চ-২৮ এপ্রিল) ১ লাখ ৩৭ হাজার টন সয়াবিন তেল বন্দরের কাস্টম বন্ডেড ট্যাংক টার্মিনাল থেকে খালাস করেছে কোম্পানিগুলো।

শেষ রাতে হঠাৎ বৃষ্টিতে গরমে স্বস্তি

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছিল জনজীবন। টানা কয়েকদিন ধরেই গ্রীষ্মের উষ্ণতা ছিল। শেষ রাতে ঢাকায় হঠাৎ বৃষ্টির দেখা মিলেছে। এতে তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করা নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে ঈদযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছে এই বৃষ্টি।

রোববার দিবাগত শেষ রাতে এ বছরের রমজানের শেষ সেহরি খেতে উঠে মুসল্লিরা। রাত সাড়ে তিনটার দিকে শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড় ও মুহুর্মুহু বজ্রপাত। এরপর বেড়ে যায় বৃষ্টির প্রাবল্য। সঙ্গে বাড়তে থাকে বাতাসের গতি। মুহূর্তে যেন শীতলতা ছড়িয়ে পড়ে। তবে বজ্রপাতের তুলনায় বৃষ্টি ততটা হয়নি। ঝড় থেমে গেলেও ভোর ৫টা পর্যন্ত গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, রোববার রাতে রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, রংপুর, ও নীলফামারী জেলা ছাড়াও বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলি চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

স্পেন সি-ফুড এক্সপো গ্লোবাল: বাংলাদেশের অর্জন ‘আশাব্যঞ্জক’

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সি-ফুড এক্সপো গ্লোবালের আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্যিক প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে লাল-সবুজের বাংলাদেশও। স্পেনের পর্যটন নগরী বার্সেলোনায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ২৮তম বিশ্বের বৃহৎ এ সি-ফুড এক্সপো গ্লোবাল গত ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু হয়। ২৮ এপ্রিল শেষ হওয়া বিশ্বের বৃহত্তম এই এক্সপোতে অংশ নেয় বাংলাদেশও। এবারের সি-ফুড এক্সপো গ্লোবালে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের ৯টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ৬০ লাখ ডলার রপ্তানি আদেশ এবং ১২০ লাখ ডলারের সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ পেয়েছে। এতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাংলাদেশে সম্ভাবনার বার্তাটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে সদ্য শেষ হওয়া বার্সেলোনা সি-ফুড এক্সপো গ্লোবালের মাধ্যমে ইতিবাচকভাবে পৌঁছে দেওয়া গেছে বলে মনে করছেন স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্টরা।

২৬ এপ্রিল মেলার প্রথম দিনে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান এবং স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। এ সময় বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক, সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রোগ্রামের টিম লিডার সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেইন, বার্সেলোনায় বাংলাদেশের অনারারি কনসাল রামন পেদ্রো, স্পেন বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নুরিয়া লোপেজ, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা এবং শীর্ষ সি-ফুড রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা উপস্থিত ছিলেন।

রাতে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন এবং বার্সেলোনার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীদের সম্মানে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

সীফুড এক্সপো গ্লোবালে এবারের অংশগ্রহণকারী ৯টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান- ক্রিমসন রোজেলা সি-ফুড লিমিটেড, এম ইউ সি-ফুডস লিমিটেড, সাউদার্ন ফুডস লিমিটেড, ব্রাইট সি-ফুড লিমিটেড, ন্যাশনাল সি-ফুড ইন্ডাস্টিজ লিমিটেড, বিডি সি-ফুড, সবি ফিশ প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গ্লোব ফিশারিজ লিমিটেড এবং মাসুদ ফিশ প্রসেসিং অ্যান্ড আইস কমপ্লেক্স লিমিটেড প্রায় ৬০ লাখ ডলার রপ্তানি আদেশ ও ১২০ লাখ ডলারের সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ পেয়েছে।

স্পেনে প্রবাসী শিশু কিশোরদের নিয়ে ব্যতিক্রমী ইফতার

স্পেনে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বাংলাদেশী মালিকানাধীন দেশ রেস্তুরার আয়োজনে প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু কিশোরদের নিয়ে ব্যাতিক্রমী এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দেশটির রাজধানী মাদ্রিদের রেস্তোরাঁয় এ ইফতারের আয়োজন করা হয়। দেশ রেস্তুরার পরিচালক মো. আবুল হোসেন ও কামরুজ্জামান সুন্দরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ব্যাতিক্রমী এই ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বায়তুল মোকাররম বাংলাদেশ মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন মনির, বায়তুল মোকাররম বাংলাদেশ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা হাসান বিন মোহাম্মদুল্লাহ, শাহজালাল লতিফিয়া ফুলতলী মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, আল হুদা মসজিদের ইমাম ও খতিব মো. নুরুল হুদা প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের জন্য ইবাদত সাধ্যের বাইরের কিছুই নয়। এর জন্য চাই অন্তরের ভালোবাসা। এই ভালোবাসাটা শিশু-কিশোরদের মনে ঢালতে হবে একেবারে ছোটবেলা থেকেই। আর এ জন্য সবচেয়ে উত্তম ও জরুরি ভূমিকা পালন করবেন মা বাবা।

বক্তারা আরো বলেন, মানবতার মুক্তি সনদ মহাগ্রন্থ আল-কুরআন নাযিলের মাস মাহে রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি অর্জনের মাস। একটি মাস রমজান হলো পুরো বছরের প্রশিক্ষনের মাস। তাই পবিত্র মাহে রমজানে প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু -কিশোরদের মাঝে রমজানের প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের জন্য অভিবাবকদের প্রতি আহবান জানান।

একই সঙ্গে সুন্দর বাংলাদেশি কমিউনিটি হিসেবে মিলেমিশে বসবাস করার জন্য শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

শেষে স্পেনসহ সারা বিশ্বে বসবাসরত প্রবাসী এবং বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ’র সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বিশ্বব্যাপী একই দিনে কেন ঈদ উদযাপন হয় না? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

পৃথিবীর বুকে চন্দ্র ওঠা ও অস্ত যাওয়ার ওপর কিছু ইবাদত বন্দেগি নির্ভর করে। আর কিছু ইবাদত বন্দেগী নির্ভর করে সূর্যের উদয় ও অস্ত যাওয়ার ওপর। যেমন আমরা ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সম্পর্ক সূর্যের টাইমের সঙ্গে। আর রোজার সম্পর্ক চাঁদের সঙ্গে। ঈদের সম্পর্ক চাঁদ ওঠার সঙ্গে।

আল্লাহ পাক কুরআনে কারিমের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীসের মাধ্যমে বিশ্বের মানুষকে জানিয়েছেন, কীভাবে রমজানের রোজা শুরু করতে হয়, আর কীভাবে শেষ করতে হয়, ঈদ কেমন করে করতে হয়।

এ বিষয়ে পবিত্র কুরআন শরীফে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। রাসূল (স) তাঁর হাদীসে বলেছেন, তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো আর চাঁদ দেখে তোমরা ঈদ করবে। কিন্তু সারা বিশ্বে একজন চাঁদ দেখলেই কি সবার জন্য ওই হাদীস প্রযোজ্য হবে নাকি এটা প্রত্যেক দেশ ও এলাকার জন্য ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখতে হবে। এ বিষয়ে যুগান্তরকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ঢাকার শাইখ যাকারিয়া (রহ) রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ।

কারা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে, কী করবেন?

স্তন ক্যান্সার একটি জটিল রোগ। ক্রমবর্ধমান হারে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। স্তন ক্যান্সার শুধু নারীদের নয়, পুরুষদেরও হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫ হাজারের বেশি মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যার ৯৮ শতাংশ নারী এবং ২ শতাংশ পুরুষ।

প্রতি বছর শুধু স্তন ক্যান্সারে সাড়ে সাত হাজারের বেশি নারী মারা যাচ্ছেন।

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রফিক আহমেদ।

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কাদের বেশি

* পারিবারিক ইতিহাস অর্থাৎ মা, খালা, বোন, রক্তের সম্পর্ক যুক্ত। পরিবারের একজনের ক্যান্সার হলে অন্যদের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা বেশি লক্ষ করা যায়।

* যারা নিয়মিত স্ক্রিনিং করান না।

* বয়স ৪০ বছরের বেশি হলে কোনো উপসর্গ ছাড়াই চিকিৎসকের পরামর্শে ছয় থেকে বারো মাস অন্তর সব মহিলাকে ম্যামোগ্রাম করাতে হবে। রুটিন পরীক্ষা তো করাতেই হবে।

* ১২ বছরের আগে যদি ঋতুস্রাব শুরু হয়।

* কারও ঋতুস্রাব যদি ৫৫ বছরের পরও চলতে থাকে।

* প্রথম সন্তান যদি ৩৫ বছরের পর হয়। স্তনে অন্য কোনো রোগ হয়।

* যাদের সন্তান হয় না অর্থাৎ বন্ধ্যা।

* যাদের উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি বা তারও বেশি।

উপরোক্ত যে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে।

স্তন ক্যান্সার থেকে পরিত্রাণের উপায়

* ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

* কায়িক ও শারীরিক পরিশ্রম করুন। প্রতি দিন ঘাম ঝড়িয়ে ৩০-৪৫ মিনিট ব্যায়াম করুন।

* প্রতিদিন ৪ ধরনের ফল ও সবজি খেতে হবে।

* ধূমপান, মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।

* জন্ম বিরতিকরণ পিল সেবন থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে যাদের বয়স ৩৫ বছর পার হয়েছে।

* ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পর অনেকেই হরমোন থেরাপি গ্রহণ করেন- সেটি থেকে বিরত থাকুন।

* দুগ্ধবতী মায়েরা অবশ্যই বাচ্চাকে ৬ মাস পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ পান করাবেন। কমপক্ষে ২ বছর বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন।

* ওষুধে রোগ সারায় আবার ওষুধেই স্তন ক্যান্সার হয়। যদি কেউ টেমক্সিফেন অথবা রেলক্সিফেন ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন করেন।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন

* বুকের মধ্যে শক্ত চাকা, ঘন পুরো বা অমসৃণ, একই স্থানে থাকে।

* স্তন ফুলে গেলে গরম অনুভব হলে, লাল হয়ে গেলে অথবা ত্বক কালো হয়ে গেলে।

* স্তনের আকার, আকৃতি যদি দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

* স্তনের ত্বকে যদি গর্ত হয় বা কুঁচকে যায়।

* নিপল যদি বেশি চুলকায়, র‌্যাশ হয়, ঘা হয়।

* নিপল যদি হঠাৎ করে ফুলে যায় বা অংশ বিশেষ ফুলে যায়।

* হঠাৎ করেই নিপল দিয়ে রক্ত বা সাদা, যে কোনো তরল জাতীয় আঠালো পদার্থ নিঃসরণ হতে শুরু করে।

* হঠাৎ করেই স্তনের মধ্যে ব্যথা শুরু হয়েছে- তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।

এমনটি হলে- তখন আর দেরি নয়, দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

ক্যান্সারের একটি মূল্যবান স্লোগান হচ্ছে- ‘শুরুতে পড়লে ধরা ক্যান্সার রোগ যায় যে সারা’।

তুরস্কে ঈদ করবেন অনন্ত-বর্ষা, শাকিব নিউইয়র্কে, জয়া-বুবলী ঢাকায়

মহামারির কারণে গত দুই বছর ঘরেই কেটেছে তারকাদের। করোনার প্রকোপ কিছুটা কমে যাওয়ায় এবার দেশের বাইরে ঈদ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অনেকে। আবার শুটিংয়ের জন্য বিদেশে থাকা তারকাদের কেউ কেউ ঢাকায় ফিরছেন ঈদ করতে।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় জুটি অনন্ত জলিল ও বর্ষা জুটি ঈদ কাটাবেন তুরস্কে। দুই ছেলেকে নিয়ে তুরস্কের পথে উড়াল দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান অনন্ত জলিল।

এবার ঈদে তাদের কোনো সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না, এ জুটির ‘দিন: দ্য ডে’সহ একাধিক সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান ঈদ করছেন নিউইয়র্কে। সিনেমার শুটিংয়ের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সিনেমার প্রচারে অংশ নিতে ঈদের আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় ফেরার কথা থাকলেও ফেরা হচ্ছে না তার।

ঈদের মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘গলুই’ ও ‘বিদ্রোহী’ সিনেমা দেখার আহ্বান জানিয়েছেন শাকিব।

শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে সাকিব লিখেছেন- বহুদিন ধরে আছি দেশের বাইরে। ঈদও হচ্ছে তাই সবার থেকে দূরে। তবে দূরে থাকলেও আছি ভক্ত-দর্শকদের সঙ্গে, ঈদে মুক্তি পাওয়া আমার দুটি সিনেমা নিয়েই।

‘দর্শকের ভালোবাসা ও আগ্রহের কারণেই শতাধিক সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে ‘বিদ্রোহী’। বিগত বছরগুলোতেও দর্শক আগ্রহের কারণে শতাধিক সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে আমার সিনেমাগুলো। আশা করছি, ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।’

সাধারণত ঈদের দিনে ছেলে আব্রাম খান জয়কে সময় দিয়ে থাকেন শাকিব। এবার ছেলেকে পাচ্ছেন না তিনি। জয়কে নিয়ে ঢাকায় ঈদ উদযাপন করছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস।
আরেক চিত্রনায়িকা বুবলীরও ঢাকায় ঈদ করার কথা রয়েছে।

এদিকে দুই বাংলায় জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এবারের ঈদে ঢাকায় থাকার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

জয়া আহসান জানান, দেশেই ঈদ করছি। আমি একবার কলকাতায় ঈদ করতে গিয়ে কেঁদেছিলাম। মিষ্টি পোলাও, মাটন খেয়ে কেঁদেছিলাম।

ঈদের আগে বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় ‘ফেরেশতে’ নামে একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি।

এবার ঈদে বেশ কয়েকটি টিভি নাটক নিয়ে আসছেন ছোট ও বড়পর্দার অভিনেতা মোশাররফ করিম; তিনি ঈদে পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় থাকার পরিকল্পনার কথা জানালেন।

আচমকা হামলায় গুরুতর আহত কিলি পল

তানজানিয়ান সোশাল মিডিয়া তারকা কিলি পল ভয়ংকর এক হামলার স্বীকার হয়েছেন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ হামলার কথা নিজেই জানিয়েছেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতপরিচয়ের কয়েকজন ব্যক্তি ছুরি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে তাকে। পরে আত্মরক্ষা করে কোনোরকমে জীবন বাঁচিয়েছেন তিনি।

কিলি তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের ছবির সঙ্গে গোটা ঘটনাটি শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমার উপর আচমকা পাঁচ জন হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা আমার ডান হাতের পায়ের আঙুল ছুরির আঘাত করে। আমার ডান হাতে পায়ে পাঁচটি করে সেলাই পড়েছে। আমাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় কিন্তু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ আমি নিজেকে আত্মরক্ষা করতে পেরেছি। দুজনকে পেটাতেও পেরেছিলাম। বাকিরা পালিয়ে গেছে। কিন্তু আমি গুরুতর আহত হয়েছি। আমার জন্যে দোয়া করবেন। এ ঘটনা ভীতিকর ছিল।’

তার উপর হামলার খবর পেয়ে মনখারাপ অনুরাগীদের। সকলের প্রার্থনা, দ্রুত সুস্থ হয়ে যান কিলি।

কোনো না কোনো ভারতীয় গানে ঠোঁট মিলিয়ে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নেটদুনিয়ার চর্চার শীর্ষে উঠে আসে তানজানিয়ার কিলি ও তার বোন নিমা। কখনও হিন্দি ছবির গান কিংবা সংলাপে তো কখনও নাচ সকলের করে নজর কেড়েছেন তারা।

ভারতীয় মিউজিক এবং হিন্দি ছবির গানকে কিলি যেভাবে বিশ্ব দরবারে জনপ্রিয় করে তুলেছেন, তার জন্যই তাকে কৃতজ্ঞ জানিয়েছেন ভারতীয় হাই কমিশন। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে তানজানিয়ায় ভারতীয় হাই কমিশনে পৌঁছে কিলি বিশেষ সম্মান গ্রহণ করেন।

আদ্যন্ত নিজস্ব সংস্কৃতি, আদবকায়দা মেনে সেইমতো পোশাক পরেই তিনি সম্মান নিতে এসেছিলেন।

এছাড়াও সম্প্রতি ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তানজানিয়ার সোশাল মিডিয়া তারকা এর দুই ভাইবোনের প্রশংসা করেছেন। ২৬ বছরের কিলি এবং ২৩ বছরের নিমা তানজানিয়ার পূর্ব পাওয়ানি অঞ্চলের বাসিন্দা। তারা পেশায় গবাদি পশুপালক। তানজানিয়ার রাজধানী দোডোমাতে স্কুলে পড়ার সময় থেকেই হিন্দি সিনেমার অনুরাগী কিলি পল

প্রতিপক্ষের জালে হালি পূরণ করে লা লিগা শিরোপা জিতল রিয়াল

চার ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা উৎসবে মাতল রিয়াল মাদ্রিদ।

ঘরের মাঠে শনিবার এস্পানিওলকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে স্প্যানিশ লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

এ নিয়ে রেকর্ড ৩৫ বারের মতো লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

ম্যাচে ধারালো সব আক্রমণে গিয়েছে এস্পানিওল। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলটাই পায়নি তারা।

ম্যাচে মোট ২০ শট নেয় এস্পানিওল, যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে ১১ শটের ৫টি লক্ষ্যে রাখে রিয়াল, যার চারটিতেই গোল পেয়েছে রিয়াল।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই জোড়া গোলে করে ২-০ ব্যবধানে রিয়ালকে এগিয়ে দেন রদ্রিগো। ৩৩ মিনিটে মার্সেলোর পাস থেকে গোল করেন রদ্রিগো। দশ মিনিট পর আরও এক গোল ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার।

প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে স্কোরশিটে নাম লেখান মার্কো আসেনসিও ও করিম বেনজেমা।

৫৫ মিনিটে কামাভিঙ্গার অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন মার্কো আসেনসিও।

৮১ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের পাসে এস্পানিওলের জালে হালি পূরণ করেন ফরাসি স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা।

এই জয়ে ৩৪ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত হয়েছে রিয়ালের। সমান ম্যাচে সেভিয়ার পয়েন্ট ৬৪, এক ম্যাচ কম খেলে বার্সেলোনার ৬৩।

‘তাকে সরালে পাকিস্তানের ক্রিকেট পিছিয়ে যাবে’

পাকিস্তানের রাজনীতিতে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। ইমরান খান সরকার হটিয়ে ক্ষমতার মসনদে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ।

পাকিস্তানে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও ক্রিকেট খুব ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে। সরকার পরিবর্তন হলেই তার প্রভাব পড়ে ক্রিকেট বোর্ডে।

ইমরান খান প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানোর পর তার নিয়োগ করার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চেয়ারম্যান রমিজ রাজার এই পদে থাকা নিয়ে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। বলা হচ্ছে অনিশ্চয়তার সুতোয় ঝুঁলছে রমিজ রাজার পদ।

তবে রমিজ রাজাকেই পিসিবি চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান সাবেক পিসিবি প্রধান তৌকির জিয়া। তার মতে, রমিজকে মেয়াদ পূরণ করতে দেওয়া উচিত। তাকে সরালে সামনে এগোনোর বদলে পিছিয়ে যাবে পাকিস্তান ক্রিকেট।

পদাধিকার বলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চিফ প্যাট্রন (প্রধান পৃষ্টপোষক) দেশটির প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজ শরিফ এখন এই পদে। তিনি চাইবেন তার অনুগত কাউকে এই পদে বসাতে।

খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষে ধারাভাষ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকা রমিজ রাজাকে ক্রিকেট প্রশাসনে নিয়ে আসেন তাই সতীর্থ ইমরান খান। পাকিস্তানের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের একান্ত চাওয়াতেই মূলত গত সেপ্টেম্বরে দায়িত্ব নেন রমিজ। তার দায়িত্বের মেয়াদ তিন বছর।

দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বল্প সময়ে ভালো কিছু পদক্ষেপে পাকিস্তানের ক্রিকেটে নতুন প্রাণের জোয়ার এনেছেন রমিজ। তাকে সেই পথে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত পিসিবির প্রধানের দায়িত্ব পালন করা তৌকির। ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ৩ বছর মেয়াদে কাজ করতে দেওয়া উচিত রমিজকে।

‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আমাদের খেলাধুলা বিশেষ করে ক্রিকেট থেকে রাজনীতি সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা উচিত। পরিবর্তন মানে হলো, নিজস্ব ধারনার বাস্তবায়ন করা। রমিজ রাজা দায়িত্ব পেয়েছে ৫-৬ মাস হলো। এখন তাকে সরিয়ে যাকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে নিজের চিন্তা-ভাবনা নিয়ে আসবে। অনেক পরিবর্তন আনবে। এতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বদলে আরও পিছিয়ে যাবে পাকিস্তানের ক্রিকেট।”

ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক একবারেই পছন্দ নয় তৌকিরের। তার মতে, ক্রিকেটের বদলে দেশ চালানোয় মনোযোগ দেওয়া উচিত রাজনীতিবিদদের।