সোমবার ,১৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 269

পুলিশের কর্মকাণ্ড নিয়ে সংসদে যা বললেন রুমিন ফারহানা

জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, এই সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় বাহিনী নয়, পুলিশ দলীয় বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। পুলিশের কাছে গেলে নতুন সমস্যায় পড়তে হয় কি না, এই আশঙ্কায় মহাবিপদে পড়লেও মানুষ পুলিশের কাছে যেতে চায় না।

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২১–২২ সালের সম্পূরক বাজেটের ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিচারবহির্ভূত হত্যা গুম তো করেই, হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এর প্রতিকার চাইতে গেলেও নির্যাতন নেমে আসে।

এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তবে তিনিও স্বীকার করেন, পুলিশে কেউ খারাপ নেই, এটা কেউ হলফ করে বলতে পারবে না।

এদিন সম্পূরক বাজেটে জননিরাপত্তা বিভাগের জন্য ১৭৮ কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়। এই বরাদ্দ ছাঁটাই করার দাবি জানান ১০ জন সংসদ সদস্য।

পুলিশের কর্মকাণ্ড নিয়ে সংসদে যা বললেন এমপি হারুন

জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেছেন, পুলিশ বহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুমের অভিযোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অসত্য নয়।

সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য পুলিশকে সব কাজের লাইসেন্স দিচ্ছে মন্তব্য করে হারুন বলেন, নির্বাচন কমিশন নামে প্রতিষ্ঠানটি বিলুপ্ত করে দেন। এটাকে পুলিশ বাহিনীর হাতে ন্যস্ত করে দেন। কী প্রয়োজন, খামাখা? প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপকল্প–২০৪১, এই পর্যন্ত যত দিন থাকবেন, সেই পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের দরকার নেই। পুলিশের আইজিপিকে প্রধান করে দেন। তাদের অধীনে নির্বাচন দেন। দরকার নেই। আইন করেন সংসদে, সেইভাবে নির্বাচন হবে।

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২১–২২ সালের সম্পূরক বাজেটের ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় হারুন আরও বলেন, তার এলাকায় সম্প্রতি র‌্যাবের ডিজির সফর উপলক্ষে নিরাপত্তার নামে সব সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফটকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেখান থেকে কোনো শিক্ষার্থীকে বের হতে দেওয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তবে তিনিও স্বীকার করেন, পুলিশে কেউ খারাপ নেই, এটা কেউ হলফ করে বলতে পারবে না।

এদিন সম্পূরক বাজেটে জননিরাপত্তা বিভাগের জন্য ১৭৮ কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়। এই বরাদ্দ ছাঁটাই করার দাবি জানান ১০ জন সংসদ সদস্য।

ইয়াবা-হেরোইনসহ ৬৩ জনকে গ্রেফতার

বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, হেরোইন এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ অন্তত ৬৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদক সেবন ও কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

সোমবার ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার একই সময় পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ৯৫১০ পিস ইয়াবা বড়ি, ২২৩ গ্রাম ৮২ পুরিয়া হেরোইন, ১৫ কেজি ৫৮১ গ্রাম গাঁজা, ১২৫ বোতল ফেন্সিডিল, ৪০ ক্যান বিয়ার ও ১৫টি ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৭ টি মামলা করা হয়েছে।

চার মোবাইল অপারেটরকে ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা জরিমানা

অবৈধ ভিওআইপির (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) কাজে সিম ব্যবহার হওয়ায় চার মোবাইল অপারেটরকে মোট ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির অভিযানে উদ্ধারকৃত অবৈধ ভিওআইপিতে ব্যবহৃত সিম নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরদের আবেদন, শুনানী ও পর্যবেক্ষণ শেষে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এ জরিমানা করে।

গত ৭ জুন বিটিআরসির সচিব মো. নূরুল হাফিজের সই করা এক চিঠিতে চার মোবাইল অপারেটরকে ৩০ জুনের মধ্যে জরিমানা পরিশোধের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এতে টেলিটককে ৫ কোটি টাকা, রবিকে ২ কোটি টাকা, গ্রামীণফোনকে ৫০ লাখ টাকা এবং বাংলালিংককে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অপারেটরগুলোকে প্রশাসনিক জরিমানা পরিশোধের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিটিআরসির সহযোগিতায় বিভিন্ন অভিযানে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ বিভিন্ন অপারেটরের ৫২ হাজার ৩৪৪টি সিম কার্ড জব্দ করেছে।

বিটিআরসি বলছে, এর দায়ভার কোনোভাবেই অপারেটরগুলো এড়াতে পারে না। কেননা, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ ও এনআইডি নম্বর যাচাই সাপেক্ষে সিম বিক্রি করতে হয়। অথচ, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা টেলিকম অপারেটরদের অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে হাজার হাজার সিম সংগ্রহ করে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

বিটিআরসির নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পরও অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা থামানো যাচ্ছে। অভিযানে উদ্ধারকৃত সিমের মধ্যে টেলিটকের সিমই সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এছাড়াও রবি, গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের সিমও ব্যবহৃত হয়।

তরুণদের প্রতি শায়খ আহমাদুল্লাহর বিশেষ নিবেদন

আবেগ মানব স্বভাবের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। আবেগহীনতা মানবিক ত্রুটি। অতএব আবেগের যথার্থ ও পরিমিত ব্যবহার যেমন কাম্য, তেমনি আবেগের যথেচ্ছ ব্যবহারও পরিহার্য এবং পরিত্যাজ্য।

মানবিক আবেগ ও অনুভূতি তাড়িত হয়ে যেমন মানুষ অনেক ভালো কাজ করেন, মহৎ কাজ করেন; তেমনি সাময়িক আবেগের বশবর্তী হয়ে অনেক বড় বড় ভুলও করে ফেলেন। অনেক সাময়িক ভুলের খেসারত মানুষকে জীবনভর দিয়ে বেড়াতে হয়। অসময়ের অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আবেগের ব্যবহার মানুষকে বিপথগামী করে।

কাজেই প্রিয় তরুণ ও যুবকদের প্রতি নিবেদন— আবেগকে ভালো কাজে ব্যবহার করুন। আবেগ-তাড়িত হোন, কিন্তু আবেগের বশবর্তী হবেন না। নিজের আবেগকে শরিয়তের নির্দেশনার নিরিখে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ, বয়োজ্যেষ্ঠ ও মুত্তাকীদের পরামর্শ নিন, তাদের সাহচর্যে থাকুন।

আবেগ অনেকটা সফট ড্রিংকসের মতো। খুব তাড়াতাড়ি উবে যায়। বর্তমান সময়ের তরুণ-যুবকদের আবেগের অনেকখানি খরচ হয় অবৈধ ভালোবাসায়।

অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, যারা বিয়ের আগে অবৈধ প্রেমে অনেক বেশি আবেগ-কাতর থাকেন, বিয়ের পর স্ত্রীর প্রতি অতটা আবেগ ধারণ করেন না। এর কারণ হারামের প্রতি মোহ মানুষকে হালালের আগ্রহ থেকে বঞ্চিত করে। হালালের স্বাদ থেকে বঞ্চিত করে।

সুতরাং শুভার্থী হিসেবে তরুণ-যুবকদের প্রতি আমার আবেদন— অন্তরের আবেগ জমিয়ে রাখুন বৈধ ভালোবাসার জন্য, এটি পাওয়ার অধিকার যার তার জন্য। আবেগ ও প্রেম যদি অপাত্রে অপচয় করে ফেলেন, তা হলে যথার্থ পাত্রে খরচ করার সময় তা অবশিষ্ট থাকবে না।

এখনকার দাম্পত্য-কলহের মূলে রয়েছে প্রেমহীনতা। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও আস্থার অনুপস্থিতি। স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও আস্থার ঘাটতির জন্য বিবাহ-পূর্ব প্রেম অনেকাংশে দায়ী।

কুয়েতের স্থানীয় আইন লঙ্ঘন করে প্রবাসীদের বিক্ষোভ

কুয়েতের স্থানীয় আইন লঙ্ঘন করে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) অবমাননায় অবস্থান ও বিক্ষোভ করে প্রবাসীরা। দেশটিতে বিদেশী ও প্রবাসীদের যে কোনো ধরনের বিক্ষোভ সভা সমাবেশ করা নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয়।

কুয়েতের ফাহাহিল এলাকায় শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে কিছু সংখ্যক প্রবাসী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সমর্থনে অবস্থান ও বিক্ষোভের আয়োজন করে। শনিবার স্থানীয় আরবি দৈনিক আল রাই পত্রিকায় অবস্থান ও বিক্ষোভের সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদ উল্লেখ করা হয় আইন লঙ্ঘন করার প্রবাসীদের গ্রেফতার নির্দেশ জারি করা হয়। গ্রেফতার কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন। গ্রেফতারকৃতদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং তারা পুনরায় যেন কুয়েতে প্রবেশ করতে না পারে সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীসহ সবাইকে যথাযথভাবে স্থানীয় আইন মেনে চলতে বলা হয়েছে।

হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)কে নিয়ে ভারতে বিজেপি দুই নেতা অবমাননাকর বক্তব্য প্রতিবাদের ঝড় শুরু হয় কুয়েত, কাতার,আরব আমিরাত সহ আরব দেশ গুলো থেকে এরপর বিভিন্ন দেশের মুসলিম নাগরিকরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করছে।

জেনেভায় শেষ হলো আইএলও সম্মেলন

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় গত ২৭ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর ১১০তম সম্মেলন।

শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৬টায় সম্মেলনের সব কার্যক্রম শেষ হয়। এদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সম্মেলনের প্ল্যানারি সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

স্ট্যান্ডার্ড সেটিং কমিটি ও কমিটি অন দি অ্যাপ্লিকেশন অব স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট উপস্থাপন ও পর্যালোচনার পর তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

শনিবারের এই সেশনে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এহসান এ এলাহী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর জেনারেল অতিরিক্ত সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব হুমায়ুন কবির এবং শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় শ্রমিক লীগের ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ হোসাইন অংশ নেন।

আইএলওর মহাসচিব গাই রাইডারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সদস্য ফিরোজ হোসাইনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অন্য সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা এই সেশনে রিপোর্টের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। সভা সমাপনীর পর শ্রমিক প্রতিনিধি মো. ফিরোজ হোসাইন এই সেশনের সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে পরিচিত হন।

আইএলওর মহাসচিব গাই রাইডারের সঙ্গে পরিচিতি পর্বে ফিরোজ হোসাইন বাংলাদেশের কথা বললে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করেন এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

এর আগে সংসদ সদস্য এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য শামসুন নাহার ভূঁইয়া এবং শ্রমিক প্রতিনিধি ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ হোসাইন সাইড লাইনে ভারতের শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ ছাড়া ভারতের এম্প্লয়ার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

তীব্র গরমেও যেভাবে সুস্থ থাকা যায়

গরমকাল চলছে প্রকৃতিতে। একদিন বৃষ্টি না হলেই ভ্যাপসা গরম। ঘর থেকে বের হলেই ঘেমে অস্থির। ঘরে সিলিং ফ্যানের বাতাসও যথেষ্ট নয়। এমতাবস্থায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

গরমে সুস্থ থাকার উপায় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বারডেমের ল্যাবরেটরি সার্ভিসেসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী।

গ্রীষ্মের গরমে ঘরের বাইরে রোদে ব্যায়াম করে শরীর ক্লান্ত তো হয়, ঘেমে নেয়ে উঠেন অনেকে। সাঁতার কাটা, সাইকেল চালান, দৌঁড়ান, হাঁটা যাই হোক না কেন। আর কড়ারোদে বেশ কিছু সময় ব্যায়াম করলে বিপদ হতে পারে যখন-তখন।

ব্যায়ামের আগে শরীর যেন জলপূর্ণ থাকে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন।

শ্বাস ছাড়ছেন, ঘামছেন, প্রস্রাব করছেন, জল তো বেরুচ্ছেই শরীর থেকে। জলের অভাবে শরীরে হবে পানিশূন্য। প্রতিদিন তাই জল পরিপূর্ণ চাই, শরীরের কাজকর্ম যাতে ঠিকমতো চলে সেজন্য যথেষ্ট পানি পান করা চাই, জলীয় খাবার খাওয়া চাই।

কী পরিমাণ পানি চাই শরীরে

প্রতিদিন ১৬ কাপ পানি পুরুষের জন্য আর নারীদের জন্য ১১ কাপ, পরামর্শ ‘ইন্সটিটিউট অব মেডিসিন, ন্যাশনাল একাডেমি, আমেরিকা।

আমাদের প্রতিদিন খাদ্যে জলীয় অংশ থাকলেও বেশির ভাগ তরল আসা উচিত পানীয় জল থেকে। শরীরের যা ওজন, এর অর্ধেক পরিমাণ, আউন্স পরিমাপে যা হয়, তা পানকরা উচিত, যেমন ওজন ১৬০ পাউন্ড হলে অন্তত ৮০ আউন্স পানি পান করা উচিত (আট আউন্স) গ্লাসের দশগ্লাস পানি। গড়পরতা হিসেবে মানুষ নিজের তরল চাহিদা প্রতিদিন মেটায় না।

যদি প্রস্রাবের রং পরিষ্কার বা খড়ের রং হয় তাহলে বুঝবেন যথেষ্ট পানি পান করা হচ্ছে। প্রস্রাব গাঢ় রঙের হলে বুঝবেন পানিশূন্যতা হয়েছে। পিপাসা পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ঠিক না।

পানি শূন্যতার অন্যান্য লক্ষণ হল বমিভাব, মাথা হালকা লাগা। দিনভর ঠিকমতো পানি পান করছেন তা নিশ্চিত করার জন্য যেখানেই যাবেন, সঙ্গে যেন থাকে পানিভর্তি বোতল।

গাড়িতে রাখুন, কর্মস্থলেও রাখুন। সঙ্গে বহনও করুন, হাঁটলেও। একসঙ্গে সব পানি পান করবেন এজন্য অপেক্ষার দরকার নেই। পানি পান করে পেট ভরাট একসঙ্গে করার দরকার কি, পেট ভারি ভারি লাগবে।

পানি ছাড়া অন্যান্য পানীয় সম্বন্ধে কথা

ব্যায়ামের সময় যে পানি হানি হয়, শুধু পানি পান করেই তা পূরণ করা সম্ভব। তবে যারা ৬০ মিনিটের বেশি, বিশেষ করে গরমকালে ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য হাইড্রেশন ড্রিংক (যাতে থাকে পানি, সোডিয়াম-পটাশিয়াম ইলেকট্রোলাইট) (যা ঘামের সঙ্গে ক্ষয় হয়) গ্রহণ যথাযথ।

কিছু কিছু এথলেট ব্যায়ামে বা শরীরচর্চায় যে শক্তি ক্ষয় হয় পরিপূরণের জন্য ও পেশিতে তা পুনঃস্থাপনের জন্য জুস বা দুধ পান করে থাকেন। শরীরে পানিশূন্যতা হলে পায়ে খিচুনি হতে পারে, খিল ধরতে পারে, ক্লান্তি অবসাদ হতে পারে। পর্যাপ্ত পানির অভাবে, শরীর ঘেমে শীতল হতে পারে না। এর ফলে তাপাহত হওয়ার আশংকা বেড়ে যায়।

গরমে বাইরে যাওয়ার আগে একটু ভাবুন

সকালে যদি ব্যায়াম করতে পারেন (সকাল ১০টার আগে) বা (দিনের শেষে বিকাল ৪টার পর) তাহলে কড়ারোদ এড়ানো যাবে। শীতল ছায়া যেসব পথে আছে সেখান দিয়ে হাঁটুন। মধ্যহ্নে যদি শরীরচর্চা করতে হয় কখনও তাহলে হালকা বর্ষা বেছে নিন, (সাঁতার কাটা বা জল ক্রীড়া) যেদিন খুব বেশি তাপ, সেদিন ব্যায়াম অন্দরে করাই ভালো

অন্দরে শরীরচর্চা

বাইরে উত্তাপ খুব বেশি হলে, তাহলে ঘরের বাইরে বিকল্প অনেক অন্দর-ব্যায়াম আছে। জিমে না যেতে চাইলে, ঘরে বসে সাইক্লিং, জগিং, দড়ি লাফ, ভারউত্তোলন, উঠবস, ডানবৈঠক, ইয়োগা চলতে পারে।

১৫ জুন থেকে তিন সপ্তাহ কোচিং সেন্টার বন্ধ

এসএসসি-সমমান পরীক্ষার জন্য আগামী ১৫ জুন থেকে পরবর্তী তিন সপ্তাহ পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভাশেষে এ কথা জানান তিনি।

দীপু মনি বলেন, এ বছর এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ শিক্ষার্থী। আগামী ১৯ জুন এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ৬ জুলাই পর্যন্ত। সারা দেশে তিন হাজার ৭৯০ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি জানান, এ বছর সাধারণ ৯টি বোর্ডের অধীনে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর বাইরে দাখিলে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

দুবছরে ঝরে পড়েছে ৪ লাখের বেশি

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৯ জুন। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৩ জন। বাকিরা অনিয়মিত ও ফল উন্নয়ন প্রার্থী। যারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী, তাদের সঙ্গে দুবছর আগে নবম শ্রেণিতে নিবন্ধন করেছিল ২৩ লাখ ১ হাজার ৪৬৯ জন। অর্থাৎ, পরীক্ষার সময় এসে দেখা যাচ্ছে ৪ লাখ ৭ হাজার ৫৪৬ জনই ঝরে পড়েছে। তাদের মধ্যে আবার নারী শিক্ষার্থী ২ লাখ ৫৫ হাজার ২৮০ জন বা ৬২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, সুশীলসমাজ ইতঃপূর্বে ঝরে পড়া সম্পর্কে যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, এ তথ্য থেকে তা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে বিভিন্ন স্তরেই এভাবে ঝরে পড়ার চিত্র আছে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্তের অভাবে সেটি জানা যাচ্ছে না। আর ঝরে পড়া এসব শিক্ষার্থী কোথায় গেল, সেটাও জানা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আশঙ্কা করছি, তাদের মধ্যে ছেলেদের অনেকেই হয়তো শিশুশ্রমে ভিড়ে গেছে। আর ছাত্রীদের বিয়ে হয়েছে। মূলত শিক্ষার ব্যয় বহন করতে না পেরে লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়ার সংখ্যাটা বেশি। খানা সমীক্ষায় আসন্ন জনশুমারিতে ঝরে পড়ার এই দিকটিও তুলে আনার পরামর্শ দেন তিনি।

তবে এ প্রসঙ্গে ভিন্ন কথা শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির। রোববার সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিসংখ্যান তা বলছে না। আমাদের পরিসংখ্যানে ছেলেদের তুলনায় এ বছর মেয়ে শিক্ষার্থী বেশি। প্রতিবছর মানোন্নয়নের জন্য অনেকে পরীক্ষা দেয়। কিন্তু গতবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে, শুধু আবশ্যিক বিষয়ে। সে কারণে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী নেই বললেই চলে। গতবার যদি পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা হতো, তাহলে যারা অকৃতকার্য হতো তারা এবারও পরীক্ষায় অংশ নিত। সে কারণে এবার পরীক্ষার্থী কম মনে হচ্ছে। আসলে নিয়মিত পরীক্ষার্থী কমেনি। এছাড়া প্রতিবছর এমনও হয়, কেউ কেউ রেজিস্ট্রেশন করেও পরীক্ষা দেয় না। কিন্তু এক্ষেত্রে তা হয়নি। সবাই পাশ করেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবছর পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করা হয়। কিন্তু এবার তা করা হয়নি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এবার যে ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, তাদের মধ্যে অনিয়মিত ১ লাখ ২৫ হাজার ১১৮ জন, বিভিন্ন বিষয়ে গতবছর ফেল করা প্রার্থী ২৬ হাজার ৮৬৯ জন, আর ফল উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৮২৭ জন। নিয়মিত পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৩ জন। অন্যদিকে ২০২১ সালের তুলনায় এবার (২০২২) পরীক্ষার্থী কমেছে ২ লাখ ২১ হাজার ৩৮৬ জন। এ বছর করোনার ভয়ানক ডামাডোল ছিল। ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে অক্টোবরে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপরও আগের বছরের (২০২০) তুলনায় ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৪ জন বেশি ছিল।

যুগান্তরের আর্কাইভ ঘেঁটে দেখা যায়, ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত হিসাবে অংশ নেয় ১৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৮০ জন শিক্ষার্থী। তখন নবম শ্রেণিতে নিবন্ধন করেছিল ২২ লাখ ৮৭ হাজার ৩২৩ জন। অর্থাৎ বাকি ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৬ জন বিভিন্ন কারণে পরীক্ষা দেয়নি। এটা নিবন্ধন করা শিক্ষার্থীর তুলনায় ২৪ শতাংশ ছিল। গত বছরও ঝরে পড়ার তথ্য গোপনে মরিয়া ছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপরও ৯টি শিক্ষা বোর্ডের যে তথ্য পাওয়া যায়, তাতে দেখা যায়- নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল ১৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৮০ জন। দুবছর আগে এসব বোর্ডে নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেছিল ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৫৬ জন। বাকি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৮৭৬ জন খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭২ শতাংশই ছিল ছাত্রী।

অনেকের ধারণা, দুর্বল শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়ে থাকে কারিগরি বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে। এবার সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থীই ঝরে পড়েছে এই শাখায়। মোট ২ লাখ ১১ হাজার ৫১৪ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৯ জন। ছিটকে পড়েছে ৬৯ হাজার ৮৬৫ জন, যা ৩৩ শতাংশ। এরপরই স্থান অপর বিশেষায়িত শিক্ষা মাদ্রাসার। দাখিলে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৮৮ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯৬ জন। বাদ যাচ্ছে ৭৯ হাজার ৮৯২ জন। শতকরা হার ২৪.৫৯ শতাংশ। গত বছর এই বোর্ডে ২১ দশমিক ৮২ শতাংশ ঝরে পড়েছিল।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঝরে পড়ায় শীর্ষে আছে যশোর বোর্ড। বোর্ডটিতে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯৭ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯০ জন। পরীক্ষা দিচ্ছে না ৩৩ হাজার ৪০৭ জন বা ১৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। ঝরে পড়ার হারে সাধারণ বোর্ডের মধ্যে দ্বিতীয় কুমিল্লা বোর্ড। ওই বোর্ডে ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। এভাবে ঢাকায় ১৩.৩৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ১৩.৮২, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১২.৩১, বরিশালে ১৫.১৫, সিলেটে ১৪, দিনাজপুরে ১৫.৪৮ এবং ময়মনসিংহে ১৩.৩৭ শতাংশ ঝরে পড়েছে।

পরীক্ষা সামনে রেখে রোববার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১৯ জুন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ জুলাই। এই পরীক্ষায় মোট অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ৯ হাজার ৫১১ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ১২ হাজার ৩৫৭ জন। এবার ছাত্রী সংখ্যা বেশি ২ হাজার ৮৪৬ জন। পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ১৫ জুন থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে। ওইদিন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আছে। ওইদিনের পরীক্ষা একদিন এগিয়ে ২৪ জুন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২৫ জুন এসএসসির ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয়পত্র, দাখিলে বাংলা দ্বিতীয় পত্র আর এসএসসি-ভোকেশনালে গণিতের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন। এছাড়া দাখিলে ২ লাখ ৬৮ হাজার এবং এসএসসি-দাখিল (ভোকেশনাল) ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬২ জন। এ বছর বিদেশের আটটি কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছে মোট ৩৬৭ জন পরীক্ষার্থী।

শিক্ষামন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিল-কোচিং সেন্টার স্থায়ীভাবে বন্ধের উদ্যোগ আছে কি না? জবাবে তিনি বলেন, ‘কোচিং শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর; তা আমরা বলছি না। সব শিক্ষার্থীর মেধা এক থাকে না। অনেক শিক্ষার্থীর ক্লাসের বাইরে সহযোগিতা প্রয়োজন। শ্রেণিকক্ষে তাদের সব চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। তাই তাদের জন্য কোচিং প্রয়োজন আছে। তবে কোনো কোনো শিক্ষক ক্লাসে মনোযোগ না দিয়ে কোচিং নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। কোচিং না করলে নম্বর কমিয়ে দেন, যা অনৈতিক। তবে কোচিংয়ের ধরন পালটানো হবে।’

অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্যসব প্রতিষ্ঠানের মতো হুট করে বন্ধ করে দেওয়া যায় না। পরিকল্পনা করে বন্ধের একটি রূপরেখা তৈরি করার চেষ্টা চলছে। অননুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদেরও সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। যদিও অনুমোদনহীন সিংহভাগই প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান। এছাড়া নিম্নমাধ্যমিকের কিছু প্রতিষ্ঠান আছে। এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাখা হবে না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নতুন এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শিগগিরই এমপিও ঘোষণা দেওয়া হবে।’

এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর সিদ্দীক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।