বুধবার ,২৯ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 759

পাখির নাম ‘রঙিলা দোয়েল

স্মৃতির ভাণ্ডার হাতড়ে যখন সুন্দর কিছু সামনে চলে আসে সেটা প্রকাশ করার মধ্যে আলাদা তৃপ্তি কাজ করে। স্মৃতি রোমন্থনে আবেগ তাড়িত হয়ে উঠি আমরা। এমনই একটি পাখি নিয়ে আজকের লেখা।

আজ থেকে ৭ বছর আগের কথা। মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে কয়েকজন ফটোগ্রাফারের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাদের মতো আমিও নতুন কোনো পাখির সন্ধানে গিয়েছিলাম। সবাই মিলে বোটানিক্যাল গার্ডেনের গোলাপ বাগানসংলগ্ন বাঁশঝাড়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এমন সময় একটি বিশালাকার গুইসাপের দেখা পেলাম। আমরা সবাই গুইসাপের ছবি তুলছিলাম। হঠাৎ চোখ পড়ে একটি গাছের ডালে বসা পাখিটির উপর। পাখিটি নিচে নেমে বাঁশঝাড়ের শুকনা পাতা উল্টিয়ে খাবার খেতে শুরু করলো। ক্যামেরা তাক করতেই নিমিষের মধ্যে পাখিটি উড়ে গেল। এর আগে পাখিটি দেখিনি। ফলে আগ্রহ বেড়ে যায়। পাখিটি খুঁজতে শুরু করি। এমন সময় পাখিটি ঝোপের ভেতর থেকে মাথা উঁচু করলে উত্তেজনা বেড়ে গেল। ক্যামেরা তাক করার আগেই আবার সে নিজেকে লুকিয়ে ফেলে।

আমিও নাছোড়বান্দা! পাখিটির জন্য অপেক্ষায় রইলাম। সঙ্গে থাকা ফটোগ্রাফাররা উৎসুক হয়ে জানতে চাইলেন নতুন পাখির দেখা পেলাম কিনা? সময়টি ছিল ২০১৪ সালের জানুয়ারি। সতীর্থদের বললাম একটা পাখির দেখা পেলাম, অথচ ছবি তোলার সুযোগ দিচ্ছে না। বারবার লুকোচুরি খেলছে। আমার কথায় সবাই পাখিটিকে খোঁজা শুরু করল। এমন সময় পেছনে তাকিয়ে দেখলাম খোলা জায়গায় পাখিটি খাবার খাচ্ছে। সতীর্থরা বুঝে ওঠার আগেই বেশ কয়েকটি ক্লিক করলাম। শাটারের শব্দে সবাই জানতে চাইলো কি পাখির ছবি তুলছি? ইশারায় পাখিটি দেখিয়ে ছবি তুলতে বললাম। যে যার মতো ছবি তুলল। এমন সময় একজন পাখিটির পরিচয় বলল। নাম জানার পর আনন্দে মনটা ভরে উঠল।

যে পাখির কথা এতক্ষণ বলছিলাম সেটি হলো রঙিলা দোয়েল। প্রায় ২৬ সে.মি. দৈর্ঘ্য এবং ৯৫-১০৫ গ্রাম ওজনের এই পাখি Zoothera বংশীয় Turdidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। মাছের আঁশটের মতো পালকে বাদামী পায়ের উভচর পাখি। এরা চকচকে জলপাই-বাদামি রঙের পাখি। গলা থেকে পেটজুড়ে কালো রঙের বাঁকা রেখা রয়েছে। মাথার তালু, পিঠ ও লেজের উপরিভাগে ছোট ও মাঝারি মাপের কালচে পালক রয়েছে। লেজের পেছনে আড়াআড়িভাবে কালচে-বাদামি রেখা টানা। ডানার প্রান্তে ও কানের পাশে একটা করে কালো টিপ বসানো। ঠোঁটের গোড়া হলুদ এবং আগার দিকটা কালচে। পা ও নখের রং গোলাপি রঙের।

চিত্রিত বাদামি দামা বা রঙিলা দোয়েল বনের বনতলের গুল্মলতায় বিচরণ করে। তবে পানির ধারের পত্রগুচ্ছ এদের বেশি পছন্দ। এরা সচারচর একা বা জোড়ায় থাকে। মাটিতে ঝরাপাতা ও আবর্জনায় ঠোঁট ঢুকিয়ে খাবার খোঁজে। এদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে পোকা, পোকার লার্ভা ও রসালো ফল। খুব ভোরে ও সূর্য ডোবার আগে এরা বেশি কর্মচঞ্চল হয়। মূলত এই দুই সময়ে খাবারের সন্ধানে খুবই ব্যস্ত থাকে। এপ্রিল মাস থেকেই প্রজননের জন্য প্রস্তুতিমূলক গানের সুরে ডাকতে থাকে। মার্চ থেকে অক্টোবর মাস এদের প্রজননকাল। প্রজননকালে ঝোপের ভেতর ডালে শ্যাওলা, পাতা, ঘাস ও মূল দিয়ে বাটির মতো চওড়া বাসা বানায়। নিজেদের বানানো বাসায় মেয়েপাখিটি ৩-৪টি ডিম পাড়ে। উভয়ে মিলে ডিমে তা দিয়ে ছানা ফোঁটায়। ছানাদের পরিচর্যা ও সংসারের যাবতীয় কাজ দুজনে মিলে করে।

রঙিলা দোয়েল বাংলাদেশের অনিয়মিত পাখি। শীতে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে দেখা যায়। এ ছাড়াও ভুটান পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমারসহ দক্ষিণ, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর বৈশ্বিক বিস্তৃতি রয়েছে। এরা বিশ্বে বিপদমুক্ত বলে বিবেচিত। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এরা সংরক্ষিত।

বাংলা নাম: চিত্রিত বাদামি দামা বা রঙিলা দোয়েল
ইংরেজি নাম: Scaly Thrush/ Golden Mountain Thrush
বৈজ্ঞনিক নাম: Zoothera dauma (Latham, 1790)

সারা দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট এ বছরই

চলতি বছরের মধ্যেই সারা দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট পাওয়া যাবে- এমনটাই জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।তিনি বলেন, উচ্চগতির ইন্টারনেটের জন্য অপটিক্যাল ফাইভার ব্রডব্যান্ড সংযোগ চলতি বছরেই পৌঁছে যাবে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দেশের ৭১টি দ্বীপ এই সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে।

বুধবার ঢাকায় এফোরএআই আয়োজিত ব্রডব্যান্ড পলিসি ২০২১ (প্রস্তাবিত) রিভিসান শীর্ষক ভার্চুয়াল কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাওর ও দুর্গম চরসহ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১২ হাজারেরও বেশি ওয়াইফাই জোন স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রডব্যান্ড পলিসির খসড়া প্রণয়নে এফোরএআই’র ভূমিকার প্রশংসা করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, আগামী ১০ বছরের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে সরকার একটি টেকসই নীতিমালা তৈরি করছে। এই নীতিমালা কেবল ব্রডব্যান্ড নীতিমালা নয়, এটি সব দিক বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ ইন্টানেট নীতিমালা।

এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশে মোবাইল প্রযুক্তি বিকাশের ধারবাহিকতা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হলেও ১৯৯৭ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ মোবাইল যুগে প্রবেশ করে। ১৯৯৭ সালের পর টুজি, ২০১৩ সালে থ্রিজি এবং ২০১৮ সালে ফোরজি নেটওয়ার্ক যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক-নির্দেশনায় বাংলাদেশ ফাইভজি যুগে প্রবেশের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

ফাইভজি প্রযুক্তি আগামী দিনের শিল্পের মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করবে উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা কৃষিতেও এই প্রযুক্তি কাজে লাগাতে পারব।

মন্ত্রী এ সময় টেলিকম অ্যাক্ট নিয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানান।তিনি বলেন, ডিজিটাল সংযোগ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ডিজিটাল মহাসড়ক হিসেবে কাজ করছে। করোনাকালে জীবনযাত্রা সচল রাখতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ভূমিকা তুলে ধরেন মোস্তাফা জব্বার।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে ও এফোরএআই’র কান্ট্রি সমন্বয়ক শহীদ উদ্দিন আকবরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- এটুআই’র পলিসি অ্যাডভাইসার আনির চৌধুরী, রবির সিইও মাহতাব আহমেদ, অ্যামটবের সেক্রেটারি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এসএম ফরহাদ এবং এফোরএআই উপ-পরিচালক এলিনুর।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ।

মালয়েশিয়ায় দুই মন্ত্রীর পদায়ন

মালয়েশিয়ায় দুই মন্ত্রীকে পদায়ন করা হয়েছে। এদের মধ্যে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা সিনিয়র মন্ত্রী দাতুক ইসমাইল সাবরী ইয়াকুবকে দেশটির ২য় ক্ষমতাধর উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। তার সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিশামুদ্দিন হুসেনকে সিনিয়র প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে বুধবার (৭ জুলাই) বিকালে দেশটির রাজার বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের থেকে স্থানীয় গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিশামুদ্দিন এখন সিনিয়র প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যে দায়িত্বে ইসমাঈল সাবরী ইয়াকুব ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও) আরও জানিয়েছে, ইসমাইলের এ নিয়োগ স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দেশের সরকার পরিচালনা এবং জনগণের চাহিদা পূরণে প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনকে সহায়তা করবেন। ইয়াং ডি-পার্টুয়ান আগোংকে (দেশটির রাজা) অবিলম্বে কার্যকর হওয়া দুটি নিয়োগের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা যায়, তাদের নিয়োগের ফলে মহামারি মোকাবেলা করতে পেরিকাতান ন্যাশনাল রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বাধীন সরকারের সক্ষমতা বাড়বে এবং সহযোগী দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য জোরদার করতে সরকারকে শক্তিশালী করতে পারবে। ইসমাইল হলেন উম্নো সহ-সভাপতি আর হিশামউদ্দিন বরিশান নেশিয়ালের ট্রেজারার জেনারেল।

এদিকে গত কয়েক দিন আগে উম্নো নেতাদের মধ্যে হাই-প্রোফাইল বৈঠক শেষে উপমন্ত্রীর পদে ইসমাইলের নিয়োগ এলো- এমন জল্পনা ছিল যে দলটি আগস্টের আগে শিগগিরই সরকার ছাড়বে।
প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন এ দায়িত্ব হিশামুদ্দিনকে অর্পণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, জাতিকে মহামারি থেকে লড়াই করে উদ্ধারে তিনি জনগণের জন্য দায়বদ্ধ বলে অবগত রয়েছেন। আমি এটাও বিশ্বাস করি যে, আমরা সব পক্ষের স্থায়িত্ব, মতানৈক্য এবং সহযোগিতা নিয়ে শুধু এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।

মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হাইকমিশনের

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা কঠিন সময় পার করছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের একাধিক কর্মচারী করোনার তাণ্ডবে আইসিউতে ভর্তি। ফলে গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সরাসরি পাসপোর্ট সেবা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট সেবা সীমিত আকারে চলছে। দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে প্রবাসীদের কথা মাথায় রেখে খুব শীঘ্রই দূতাবাসের সব কার্যক্রম আবার আগের মতো স্বাভাবিকভাবে চালু হবে। এমতাবস্থায় মালয়েশিয়া অবস্থানরত সব প্রবাসীর ধৈর্য ধরতে আহবান জানানো হয়েছে।

দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, ১ নভেম্বর ২০২০ থেকে ৩০ জুন ২০২১ পর্যন্ত আবেদনকৃত ১ লাখ ৯৩ হাজার পাসপোর্টের মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ প্রতিদিন চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে। ফলে প্রতিটি সময় আতঙ্কে দিন পার করতে হচ্ছে প্রবাসীদের। তবে রিক্যালিব্রেশনে যারা নিবন্ধিত হয়েছেন তাদের আতঙ্কের কিছু ঘটেনি বলে জানা গেছে।

অবৈধ অভিবাসীদের জন্য জাতীয় কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি (পিক) শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে দেশটির মন্ত্রিপরিষদ। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ টিকাদান কর্মসূচি চলবে।
সোমবার (৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি-জেনারেল দাতুক ওয়ান আহমদ ডাহলান আবদুল আজিজ এক বিবৃতিতে বলেন, ২৩ জুন বৈঠকে পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। তিনি জানান, বৈঠকে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে পুনর্বিবেচনার মেয়াদ বাড়ানো বিষয়ে সম্মত হয় মন্ত্রিপরিষদ।

আহমদ ডাহলান বলেছেন, ১ জুলাই পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩ জন অবৈধ অভিবাসী এই পরিকল্পনার আওতায় নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে ৯৭ হাজার ৮৯২ জন রিটার্ন পুনরুদ্ধার প্রোগ্রামের আওতায় তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে নিবন্ধন করেছেন এবং শ্রম পুনরুদ্ধার প্রোগ্রামের অধীনে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮৯ জন বৈধতায় নিবন্ধিত হয়েছেন। এর মধ্যে কতজন বাংলাদেশি নিবন্ধিত হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের সমস্যার ইতিবাচক সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দক্ষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতির মাঝেও বৈধ-অবৈধ নির্বিশেষে বাংলাদেশি কর্মীদের করোনা চিকিৎসা এবং ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকা কর্মীদের এবং অবৈধ শ্রমিকদের বৈধকরণের ইতিবাচক সম্মতি প্রদান মালয়েশিয়ার সরকারের সুদৃষ্টির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

এমন পরিস্থিতিতে হাইকমিশন মালয়েশিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে, যাতে কাউকে কর্মহীন হয়ে দেশে ফিরে যেতে না হয় এবং বিষয়টি চলমান আছে। শ্রম স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের জন্য পুনরুদ্ধার কর্মসূচিতে বৈধতা দিয়ে পুনরায় কর্মে নিয়োগদানে এবং চলমান মহামারি সময়ে ধরপাকড় বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারওয়ার।

এছাড়া মালয়েশিয়া সরকার নিজ দেশের নাগরিক এবং বিদেশি অভিবাসী সবাইকে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করছে।

উসিলা দিয়ে দোয়া করা কি জায়েজ?

প্রশ্ন: দোয়া করার সময় কারো উসিলা দিয়ে দোয়া করা যায় কি? যেমন যদি বলা হয়- ‘হে আল্লাহ! বড় পীরের উসিলায় আমার দোয়া কবুল করুন। অথবা বলা হয় নবী মুহাম্মাদুর রাসুলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উসিলায় আমার দোয়া কবুল করুন।

উত্তর: নবী-ওলীদের উসিলা দিয়ে দোয়া করা শরীয়তে জাযেজ আছে। এতে কোনো অসুবিধা নেই।
রাসুলুল্লাহ (সা.) এর উসিলা দিয়ে দোয়া করা বৈধ ও উত্তম কাজ। এমনিভাবে সাহাবা-তাবেয়ীসহ আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিদের উসিলা দিয়েও দোয়া করা বৈধ।

তবে উসিলার দুটি অর্থ রয়েছে-

১. সরাসরি মাধ্যম গ্রহন। (আল্লাহর দরবারে দোয়া গৃহিত হওয়ার জন্য গাইরুল্লাহকে আল্লাহর সহকারী মনে করে তাদের কাছে সাহায্য ও সুপারিশ চাওয়া এবং তাদের কারো কাছে আশা পূরণের আবেদন করা, আল্লাহ ও নিজের মাঝে মধ্যস্থতাকারী মাধ্যম হিসেবে গ্রহন করা যেমনটা কাফেররা তাদের দেবতাদের ক্ষেত্রে গ্রহন করতো)

২. বরকতময় সত্ত্বা ও গুনের দোহাই দেয়া।

প্রথম অর্থে উসিলা গ্রহন সর্বসম্মতিক্রমে অবৈধ। আমাদের ফকীহ মুজতাহিদরা ওই মাসআলাটা মূলত ‘ইস্তিগাছা’ শিরোনামের অধীনে আলোচনা করেছেন।

দ্বিতীয় অর্থে উসিলা বৈধ। কারন তখন ‘হে আল্লাহ, রাসুলের উসিলায়/আউলিয়াদের উসিলায় আপনি আমাদের কবুল করে নিন’ বলার অর্থ হচ্ছে, ‘হে আল্লাহ, রাসুল (সা.) আপনার প্রিয় এবং আমরা আপনার সেই প্রিয়জনকে ভালোবাসি। আপনার প্রিয়জনও আমাদেরকে ভালোবাসতেন। আপনার প্রিয়জনের প্রিয়জন হিসেবে, অনুগত উম্মত হিসেবে আমাদের ওপরে রহম করুন, আমাদের দোয়া কবুল করুন।

আমরা আপনার অনুগত ও প্রিয় বান্দা হিসেবে আপনার ওলীদেরকে ভালোবাসি। আপনার প্রিয় বান্দাদের প্রতি এই ভালোবাসার উসিলায় আপনি আমাদের দোয়া কবুল করুন।’

কারন এই সূরতে (অর্থাৎ দ্বিতীয় অর্থে) গাইরুল্লাহের সাহায্য নেয়া হচ্ছেনা বরং হুব্বে রাসূলের/হুব্বে আউলিয়ার দোহাই দেয়া হচ্ছে। সহীহ হাদিসের আলোকে হুব্বু ফিল্লাহ হিসেবে যা মূলত ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। আর ইবাদতের দোহাই দিয়ে দোয়া করা বুখারীর হাদিসের আলোকে বৈধ!

একবার হযরত ওমর ফারুক (রা.) দুর্ভিক্ষের সময় হযরত আব্বাস (রা.)-এর উসিলা দিয়ে বৃষ্টির জন্য দোয়া করেছিলেন। (খাইরুল ফাতাওয়া, ১৯৭)

হজরত উমাইয়া (রা.) থেকে বর্ণিত যে, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম নিজে ফকির ও মুহাজিরদের উসিলা দিয়ে যুদ্ধে জয়লাভ করার জন্য দোয়া করেছেন।

এছাড়া আরো অনেক হাদিস দ্বারাও উসিলা দেওয়ার কথা প্রমাণিত আছে। (মিশকাত শরীফ, ৪৩৯, খাইরুল ফাতাওয়া ১; ১৯৩, আবু দাউদ শরীফ, ৪৩৯)

তবে বর্তমান ফিতনা-ফাসাদের যুগে মানুষদের মধ্যে আকিদার জ্ঞান না থাকায় অনেকে এমন এমন কথা বলে, যাতে ঈমান চলে যাওয়ার আশংকা থাকে। অনেক পীর-বুজুর্গকে সমস্যা সমাধানকারী বিশ্বাস করে। তাদের কাছে প্রার্থনা করে অনেকে বহক্কে আব্দুল কাদির জিলানী, বহকে খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী বলে দোয়া করে থাকে। অথচ এভাবে দোয়া করা নিষেধ। (তারিখে খতীব- ১; ২৩)

 

ডিজিটাল স্কেলে ওজন করে গরু-ছাগল বিক্রি করা কি জায়েজ?

রাজধানী ঢাকার কোরবানির হাটগুলোতে ইদানীং জীবিত পশুর ওজন মাপার জন্য বসানো হয়েছে ওজন মাপার ডিজিটাল স্কেল। এসব স্কেলের এক পাশ দিয়ে গরু বা ছাগল প্রবেশ করিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রেখে আরেক পাশ দিয়ে বের করা হয়। এতে স্কেলে ওই পশুটির ওজন পরিমাপ হয়ে যায়।

পশু কেনাবেচায় ক্রেতা-বিক্রেতার মূল্য নির্ধারণের সন্দেহ দূর করার জন্যই এ স্কেল বসানো হয়েছে। ছোট সাইজের গরু কেজিপ্রতি ৩০০-৩২০ টাকা দরে আর বড় ও সুন্দর আকৃতির গরু ৩৫০-৪০০ টাকা দরে বিক্রির চুক্তি হওয়ার পর ওজন মাপার স্কেলে উঠানো হয় এবং এতে সর্বমোট কেজির সংখ্যা ও তার দাম বেরিয়ে আসে। তাই যারা গরু বিক্রি করেন তারাও বিক্রির সময় গরুর ওজন দেখেন, আর যারা কেনেন তারাও ওজন দেখে নেন।

এখন প্রশ্ন হলো— শরিয়তের দৃষ্টিতে এভাবে জীবন্ত গরু-ছাগল ওজন করে বিক্রি করা বৈধ হবে কিনা?

ফিকহে হানাফির পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে যদিও জীবন্ত পশু ওজন করে বিক্রিকে নাজায়েজ বলা হয়েছে; কিন্তু পরবর্তী সময় হাঁস-মুরগি ওজন করে বিক্রির প্রচলনের কারণে মুফতিয়ানে কেরাম একে জায়েজ বলে ফতোয়া দিয়েছেন।

আর বর্তমানে জীবন্ত গরু-ছাগলও ওজন করে বিক্রির প্রচলন হয়ে গেছে, বিধায় তাও জায়েজ হবে। উপরন্তু এ পদ্ধতিতে ক্রেতা-বিক্রেতার ধোঁকাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

এ ছাড়া আলোচ্য পদ্ধতিটি পশুর মূল্য নির্ধারণের একটি প্রক্রিয়া মাত্র। আগেকার কিতাবসমূহে ওই পদ্ধতিতে পশু বিক্রি নাজায়েজ বলার একটি কারণ এও ছিল যে, চুক্তির সময় পশুর নিশ্চিত চূড়ান্ত মূল্য কারওই জানা থাকে না।

কিন্তু চুক্তির মজলিসেই যখন স্কেল দ্বারা মেপে তার সঠিক পরিমাপ বের করা হয়, তখন তার পুরো মূল্যও উভয়পক্ষের জানা হয়ে যায়। আর এতে তাদের মাঝে কোনোরূপ ঝগড়া সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা বাকি থাকে না।

চলতি বছরেই সারা দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, চলতি বছরের মধ্যেই সারা দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেটের জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে যাবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ৭১টি দ্বীপ সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে। হাওর ও দুর্গম চরসহ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এ ছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১২ হাজারেরও বেশি ওয়াইফাই জোন স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী বুধবার ঢাকায় এফোরএআই আয়োজিত ব্রডব্যান্ড পলিসি ২০২১ (প্রস্তাবিত) রিভিসান শীর্ষক ভার্চুয়াল কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান।

বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এটুআই-এর পলিসি এডভাইসার আনির চৌধুরী, রবি‘র সিইও মাহতাব আহমেদ,অ্যামটবের সেক্রেটারি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এসএম ফরহাদ এবংএফোরএআই উপপরিচালক এলিনুর অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বিটিআরসি‘র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এফোরএআই এর কান্ট্রি সমন্বয়ক শহীদ উদ্দিন আকবর।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্রডব্যান্ড পলিসির খসড়া প্রণয়নে এফোরএআই এর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, সামনের দশবছরের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে একটি লাগসই নীতিমালা সরকার তৈরি করছে। এই নীতিমালাকে কেবল ব্রডব্যান্ড নীতিমালা নয় এটি সবদিক বিবেচনায় একটি পুর্ণাঙ্গ ইন্টানেট নীতিমালা বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মোস্তাফা জব্বার দেশে মোবাইল প্রযুক্তি বিকাশের ধারবাহিকতা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হলেও ১৯৯৭ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারি কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ মোবাইল যুগে প্রবেশ করে।

তিনি বলেন, ১৯৯৭সালে পর ২জি, ২০১৩সালে থ্রিজিএবং ২০১৮সালে ফোরজি নেটওয়ার্ক যুগে বাংলাদেশ প্রবেশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ ৫জি যুগে প্রবেশের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

অনুষ্ঠানে শ্যামসুন্দর সিকদার ব্রডব্যান্ড নীতিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এটি একটি সময়োচিত পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। এই জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

বিআরটি ও মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে

বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) এবং মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে সমন্বয় করে কমপ্লায়েন্স মেনে যথাযথভাবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বুধবার (৭ জুলাই) এয়ারপোর্ট রোড এবং দক্ষিণখান এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ডিএনসিসি মেয়র একথা বলেন।

তিনি বলেন, বিআরটি কর্তৃপক্ষ কমপ্লায়েন্স মেনে কাজ না করায় এয়ারপোর্ট রোডসহ আশেপাশের এলাকায় পরিবেশ দূষণসহ বিভিন্ন ধরণের জনভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। বিআরটি কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই জনকল্যাণে এয়ারপোর্টের সন্নিকটস্থ মহাসড়কে প্রতিবন্ধকতাবিহীন একটি ইউটার্নের সুব্যবস্থা রাখতে হবে।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, বিআরটি কর্তৃপক্ষকে রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাথ সচল রেখে কাজ করতে হবে। জনগণের যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয় সেজন্য নিয়মিত রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাথ পরিষ্কারের ব্যবস্থা করতে হবে।

মেয়রের উপস্থিতিতে ৭ নম্বর অঞ্চলের ৫০ নং ওয়ার্ডের আজমপুর রেলগেট হতে কসাইবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে কাঠের গুড়ি রেখে রাস্তা ও ফুটপাথ দখল করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টিকারী মালামাল জব্দ করে সেগুলো স্পট নিলামের ব্যবস্থা করা হয়।

এসময় ৫টি জায়গায় জব্দকৃত মালামালগুলো আলাদাভাবে ৫টি স্পট নিলামে সর্বমোট ১১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকায় বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়।

আইএফআইসি ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি

আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড ‘ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার’ পদে লোক নেবে। এ পদে নারী-পুরুষ উভয়ে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক পাস।

বয়স: ১০ জুলাই ২০২১ তারিখে সর্বোচ্চ ৩০ বছর বয়স।

বেতন: ২৮,৩৭০ টাকা। ১ বছরের প্রবেশন সময়কাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার হিসেবে বেতন হবে ৩৫,৯৯০ টাকা এবং ব্যাংকের নীতিমালা অনুসারে অন্যান্য সুবিধা।

কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থান।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে https://career.ificbankbd.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ জুলাই, ২০২১।

মানবিক সাহায্য সংস্থায় চাকরির সুযোগ

মানবিক সাহায্য সংস্থা (এমএসএস) জাতীয় পর্যায়ের একটি সুপ্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটি তাদের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৫টি পদে মোট ২৪০ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: এরিয়া ম্যানেজার (ক্ষুদ্রঋণ)

পদ সংখ্যা: ২০টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর পাশ।

অভিজ্ঞতা: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে এরিয়া ব্যবস্থাপক পদে ন্যূনতম ২ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মাঠ পর্যায়ে ন্যূনতম ৮ বছর কাজের অভিজ্ঞতা এবং কমপক্ষে ৪টি ক্ষুদ্রঋণ শাখার কার্যক্রম সুপারভিশন ও মনিটরিং কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়স: সর্বোচ্চ ৪২ বছর বয়স।

বেতন: শিক্ষাণবীশকালে (৬ মাস) মাসিক বেতন প্রার্থীর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। স্থায়ীকরণের পর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মাসিক বেতন ৩০,০০০-৪০,০০০ টাকা।

পদের নাম: শাখা ব্যবস্থাপক (ক্ষুদ্রঋণ)

পদ সংখ্যা: ৮০টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর পাশ।

অভিজ্ঞতা: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে শাখা ব্যবস্থাপক পদে ন্যূনতম ৩ বছর অভিজ্ঞতাসহ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে কমপক্ষে ৫ বছর অথবা সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক পদে শাখা পরিচালনায় ন্যূনতম ৪ বছর অভিজ্ঞতাসহ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে কমপক্ষে ৬ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়স: সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স।

বেতন: শিক্ষাণবীশকালে (৬ মাস) মাসিক বেতন প্রার্থীর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। স্থায়ীকরণের পর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মাসিক বেতন ৩০,০০০-৩৬,০০০ টাকা।

পদের নাম: কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার

পদ সংখ্যা: ১০০টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর পাশ।

অভিজ্ঞতা: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে ঋণ কার্যক্রমে মাঠকর্মী/সমপদে ন্যূনতম ৩ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়স: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়স।

বেতন: শিক্ষাণবীশকালে (৬ মাস) মাসিক বেতন প্রার্থীর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। স্থায়ীকরণের পর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মাসিক বেতন ২০,০০০-২৫,০০০ টাকা।

পদের নাম: শাখা ব্যবস্থাপক (এমএসএমই)

পদ সংখ্যা: ১০টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর পাশ।

অভিজ্ঞতা: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদ্র উদ্যোগ/মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ঋণ কার্যক্রমে শাখা ব্যবস্থাপক পদে ন্যূনতম ২ বছর অভিজ্ঞতাসহ ঋণ কার্যক্রমে কমপক্ষে ৬ বছরের অভিজ্ঞতা এবং কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকা ঋণ স্থিতির শাখা পরিচালনার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বয়স: সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স।

বেতন: শিক্ষাণবীশকালে (৬ মাস) মাসিক বেতন প্রার্থীর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। স্থায়ীকরণের পর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মাসিক বেতন ৩০,০০০-৪০,০০০ টাকা।

পদের নাম: লোন অ্যান্ড সেভিংস অফিসার (এমএসএমই)

পদ সংখ্যা: ৩০টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর পাশ।

অভিজ্ঞতা: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদ্র উদ্যোগ/মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ঋণ কার্যক্রমে মাঠকর্মী/সমপদে ন্যূনতম ২ বছর অভিজ্ঞতাসহ ঋণ কার্যক্রমে কমপক্ষে ৪ বছরের অভিজ্ঞতা এবং কমপক্ষে ৩ কোটি টাকা ঋণ স্থিতি পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়স: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়স।

বেতন: শিক্ষাণবীশকালে (৬ মাস) মাসিক বেতন প্রার্থীর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। স্থায়ীকরণের পর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মাসিক বেতন ২৫,০০০-৩০,০০০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র ‘নির্বাহী পরিচালক, মানবিক সাহায্য সংস্থা (এমএসএস), ২৯, পশ্চিম পান্থপথ (৪র্থ তলা) ঢাকা-১২০৫’ বরাবর হাতে হাতে/ডাক/কুরিয়ার যোগে পাঠাতে হবে। খামের উপর পদের নাম উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া অনলাইনে আবেদন ও বিস্তারিত জানা যাবে এই ঠিকানায়: www.mssbd.org/career।

‘এরিয়া ম্যানেজার (ক্ষুদ্রঋণ)’, ‘শাখা ব্যবস্থাপক (ক্ষুদ্রঋণ)’ এবং ‘কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার’ পদে আবেদনের শেষ তারিখ ১৫ জুলাই, ২০২১। ‘শাখা ব্যবস্থাপক (এমএসএমই)’ এবং ‘লোন অ্যান্ড সেভিংস অফিসার (এমএসএমই)’ পদে আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ জুলাই, ২০২১।