বৃহস্পতিবার ,৩০ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 751

বাদল দিনের কিছু রান্না

বেগুন ভাজা

যা লাগবে: গোল বেগুন ১টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, হলুদ-মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ৩-৪টি, ধনিয়া গুঁড়া আধা চা চামচ, জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ, টকদই ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া সামান্য, সরিষার তেল ভাজার জন্য, লবণ স্বাদমতো।

যেভাবে করবেন : বেগুন ভালো করে ধুয়ে গোল গোল চাক করে কেটে নিন। চাক করা বেগুনে সব মসলা টকদই, লেবুর রস ও লবণ মেখে ১০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে তাতে ২-৩টি করে বেগুনের চাক দিয়ে মাঝারি আঁচে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ২-৩ মিনিট পর এপিঠ-ওপিঠ বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন। ওই তেলে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ বাদামি করে ভেজে নামিয়ে ভাজা বেগুনগুলো পরিবেশন পাত্রে রেখে পেঁয়াজ বেরেস্তা ছিটিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

গরুর ভুনা মাংস

যা লাগবে: গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ৫-৬টি, আদা রসুন বাটা দেড় টেবিল চামচ, গরম মসলা গুঁড়া দেড় চা চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী বাটা সামান্য, দারুচিনি এলাচ ৩-৪টি, তেজপাতা ২টি, টকদই ১ কাপ, তেল প্রয়োজন মতো, লবণ স্বাদমতো।

যেভাবে করবেন: মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি পাত্রে মাংস, টকদই, বাটা ও গুঁড়া মসলা ভালো করে মেখে ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ, দারুচিনি এলাচ, তেজপাতা হালকা ভেজে মেরিনেট করা মাংসগুলো দিয়ে কিছুক্ষণ কষান। কষানো হলে সামান্য পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে মাখা মাখা হয়ে এলে জায়ফল-জয়ত্রী বাটা ও কাঁচামরিচ দিয়ে নেড়েচেড়ে ভুনা ভুনা করুন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

ইলিশ মাছের দোপেঁয়াজা
যা লাগবে: ইলিশ মাছ ৬-৭ টুকরা, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, হলুদ-মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়া ১-২ চা চাম, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা রসুন বাটা ২ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৬-৭টি, সরিষার তেল দেড় কাপ, লবণ স্বাদমতো।

মাংসের নরম খিচুড়ি ও চিংড়ির বাহারি বিরিয়ানি

মাংসের নরম খিচুড়ি ও চিংড়ির বাহারি বিরিয়ানি রেসিপি দিয়েছেন নাজনীন সুমি

মাংসের নরম খিচুড়ি

যা লাগবে: রান্না করা গরু বা খাসির মাংস ১/২ কেজি, চাল হাফ কেজি, মুগ ডাল ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুন বাটা ১/২ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনিয়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া হাফ চা চামচ, ৪-৫টি মরিচ ফালি, তেজপাতা ২টি, ৪/৫টি এলাচ, ৫-৬টি লবঙ্গ, ২ খণ্ড দারুচিনি, তেল পরিমাণ মতো, গরম পানি পরিমাণ মতো, লবণ পরিমাণ মতো।

যেভাবে করবেন: একটি বড় প্যানে তেল দিয়ে গরম করে নিন। এতে বাকি পেঁয়াজ কুচি ঢেলে দিন। নরম হয়ে এলে আদা-রসুন বাটা দিয়ে নেড়ে দিন। এরপর গরম মসলা ও অন্যসব মসলা দিয়ে দিন। মসলা একটু ভেজে নিয়ে এতে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে ভালো করে নেড়ে কষাতে থাকুন। চাল ভালো করে কষানো হলে গরম পানি দিয়ে রান্না করতে থাকুন। চাল প্রায় সিদ্ধ হয়ে এলে রান্না করা মাংস দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন এবং ঢেকে আরও ১০ মিনিট অল্প আঁচে রাখুন। রান্না হলে চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

চিংড়ির বাহারি বিরিয়ানি

যা লাগবে: গলদা চিংড়ি ৩টি, লেবুর রস ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, সয়াসস ১/৪ চা চামচ, আদা ও রসুন বাটা ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, চিলিসস ১ টেবিল চামচ, সরিষা বাটা ১/৪ চা চামচ, চিনি পরিমাণমতো, বারবিকিউসস ১/৪ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণ মতো।

পোলাওয়ের জন্য: তেল ও ঘি একত্রে আধা কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, এলাচ ৬টি, দারুচিনি ৩টি, কাঁচামরিচ ২০টি, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, পানি চালের দ্বিগুণ পরিমাণ, আলুবোখারা ১০টি, মাওয়া আধা কাপ, বিরিয়ানি মসলা ১ চা চামচ, বেরেস্তা ১ কাপ।

যেভাবে করবেন: প্রথমে গলদা চিংড়িতে লেবুর রস, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ, আদা বাটা, রসুন বাটা, মরিচ গুঁড়া, চিলিসস, চিনি, সরিষা বাটা, বারবিকিউসস দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। এবার ওভেনের বেকিং ট্রেতে তেল ব্রাশ করে ২২০ ডিগ্রিতে ১৫-২০ মিনিট বেক করে নিন বা গরম তেলে ভেজে নিন। মাঝে একবার উল্টিয়ে দিতে হবে।

এরপর গরম তেলে গরম মসলা, আদা বাটা ও কাঁচামরিচ দিয়ে ভেজে এতে চাল দিয়ে কষিয়ে নিন। পানি ঢেলে দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এবার তাতে লবণ, বিরিয়ানি মসলা ও আলুবোখারা দিয়ে ঢিমা আঁচে ২০ মিনিট দমে রেখে দিন। এবার ভাজা গলদা চিংড়ি, মাওয়া ও বেরেস্তা দিন। কিছুক্ষণ দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ওষুধের বিকল্প কয়েকটি ভেষজ উপাদান

করোনা মহামারির মাঝে সবাই কমবেশি আতঙ্কিত। এর ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে অনেকেই নিচ্ছেন নানারকম পদক্ষেপ। তবু এটির প্রকোপ বেড়েই চলেছে। এর প্রতিকারে অনেকেই আবার বেছে নিচ্ছেন বিভিন্ন রকম ভেষজ উপাদানকে।

করোনা ছাড়াও বিভিন্ন রোগের প্রতিকারে আমাদের নির্ভর করতে হচ্ছে নানারকম ওষুধের ওপর। রোগ বেশি হয়ে গেলে আবার খেতে হয় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধও। এটি মূলত খাওয়া হয় শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়া মেরে ফেলতে। অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের শরীরের ওপরে ফেলে নানারকম ক্ষতিকারক প্রভাব।

এর বাইরেও রোগ নিরাময়ে ব্যবহার হয়ে আসছে বিভিন্ন রকমের ভেষজ উপাদান। আর এগুলোর ক্ষতিকারক প্রভাব বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিকের তুলনায় কম। কিন্তু এ ভেষজ উপাদানগুলো চাইলেই ব্যবহার করতে পারি বিভিন্ন রোগের ওষুধের বিকল্প হিসেবে। এতে এগুলো আমাদের স্বাস্থ্যে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলবে না।

আমাদের হওয়া সাধারণ রোগের প্রতিকার হিসেবে প্রথমেই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করে ভেষজ উপাদান ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না কোনো ভেষজ উপাদান কোনো রোগের নিরাময়ে ব্যবহার করা যাবে। তাই জানুন বিভিন্ন ভেষজ উপাদানগুলো, যা কাজ করে অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে—

হলুদ
অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন ঔষধি কাজে ব্যবহার করে আসা হয় হলুদ। এতে থাকে ‘কার্কিউমিন’ যা ব্যক্টেরিয়া ও ফাংগালের বিরুদ্ধে লড়াই করে। তাই হলুদ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সব ধরনের সংক্রমণ রোধে কার্যকরী হিসেবে কাজ করে।

আমলকী
আমাদের পেটের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে আমলকী অনেক কার্যকরী হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া এটি সব ধরনের ক্রনিক ইনফেকশনের আক্রমণে বাধা প্রদান করে।

হরীতকী
এটি আমাদের পেটে জমে থাকা বায়ু বের করে দিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি পেটের নানা রকম জীবাণুনাশ করার পাশাপাশি পেট ফাঁপা কমাতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে কার্যকরী।

তুলসি পাতা
তুলসিপাতায় বিশেষ ধরনের অ্যালকালয়েড থাকায় এটি জ্বর-সর্দি-কাশি নিরাময়ে অনেক ভালো কাজ করে। এ ছাড়া এটি শরীরে শ্লেষ্মা বিনাশেও অনেক উপকারী।

দারুচিনি
সব ধরনের রোগজীবাণু প্রতিহত করতে অনেক কার্যকরী হচ্ছে দারুচিনি। এটির রয়েছে সরাসরি জীবাণুকে ধ্বংস করার মতো ক্ষমতা। এ ছাড়া এটি শ্বাসযন্ত্রের সব ধরনের সংক্রমণ বিনাশে কার্যকরী।

বাসকপাতা
বাসকপাতার রস বা এটি ফোটানো পানি শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এটি আমাদের শুকনো কাশি, জমে থাকা কফ এবং কাশির সঙ্গে রক্তপাত হওয়ার সমস্যাকে নিরাময় করেতে পারে। এ ছাড়া এটি লিভারের জন্যও অনেক উপকারী।

আদা
আদা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এটি শরীরকে গরম রাখতে ও শরীরের জীবাণুকে বিস্তার লাভ রোধ করতে সাহায্য করে। আর এটি শরীরের বিপাকক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

লবঙ্গ
গলাব্যথা, টনসিল ও ল্যারিনজাইটিসের মতো সমস্যাকে রোধ করতে সাহায্য করে লবঙ্গ। এ ছাড়া এটি গলাব্যথা এবং গলায় বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন রোধ করে।

গোলমরিচ
এটি জ্বরনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। আর এটি যে কোনো ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশনকেও কমাতে সাহায্য করে।

থানকুনি পাতা
প্রতিদিন ১০টি থানকুনি পাতা চিবিয়ে খেলে এটি অনেক উপকারে আসে। এটি আমাশয়, জিয়ার্ডিয়ার জীবাণু মারতে কার্যকরী।

কালমেঘ
এটি জ্বর কমাতে উপকারী। এ ছাড়া এটি লিভারের জন্য এবং পেটের যে কোনো সংক্রমণ রোধে কার্যকরী হিসেবে কাজ করে।

বিড়ঙ্গ
এটি শরীরের সব ধরনের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে ধ্বংস করতে পারে। গরম পানিতে এটি পান করলেই মিলবে অনেক উপকার।

আনারস পাতা
আনারসের পাতার নিচের সাদা অংশ নিয়ে সেটি রস করে খেলে মিলবে পেটের কৃমি বা প্যারাসাইট থেকে প্রতিকার।

ফুসফুস পুনর্বাসন কার্যক্রম

ফুসফুসের পুনর্বাসন কার্যক্রম বলতে কী বুঝায়?
এটা একটা কার্যক্রম, যেখানে ফুসফুসের রোগীরা দলবদ্ধভাবে ফুসফুসের ব্যায়াম শিখে এবং একসঙ্গে সবাই মিলে নিজের ফুসফুসের শক্তি ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যায়াম করে। এখানে দলবদ্ধভাবে কাজ করার কারণে এক রোগী অন্যজনের জন্য উৎসাহী হয়।

এ কার্যক্রমে শেখা যায়- কীভাবে অসুখ নিয়ে ব্যায়াম করে সুস্থ থাকা যায়। এ কার্যক্রমের অংশ ৫টি।
১. রোগীকে পরিপূর্ণভাবে মূল্যায়ন করা অর্থাৎ তার ফুসফুসের রোগ ও তার ক্ষমতা বুঝে নেওয়া
২. ফুসফুস ও শারীরিক ব্যায়ামের প্রশিক্ষণ
৩. শিক্ষা কার্যক্রম
৪. খাদ্যাভ্যাস উন্নতিকরণ
৫. সবসময় মানসিক চাপ কমান ও কমাতে সাহায্য করা।

ফুসফুস পুনর্বাসন কার্যক্রম একটা টিমের মাধ্যমে বা দলবদ্ধরূপে করতে হয়। এই দলে ডাক্তার, নার্স, ফিজিওথেরাপিস্ট এবং প্রশিক্ষণ ইত্যাদি থাকতে পারে।

ফুসফুস পুনর্বাসন কার্যক্রম মানুষের শ্বাসকে সহজতর করে, তাদের জীবনের মানকে উন্নত করে, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এবং হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন কমায়। এ পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পর রোগীরা অনেক সময় তার পূর্ব কাজে ফিরে যেতে পারে, যা ছেড়ে দিয়েছিল এক সময় সিওপিডি বা শ্বাসকষ্টের কারণে।

এরশাদ গরিব-দুঃখীদের ভালোবাসতেন: অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি

প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবং জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ গরিব-দুঃখী মানুষকে পছন্দ করতেন, ভালোবাসতেন। তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি সব সময় গরিব-দুঃখী মানুষকে নিয়ে ভাবতেন, তাদের কল্যাণের জন্য অস্থির থাকতেন।

৯ বছরের শাসনামলে তিনি গরিব-দুঃখী ও অসহায়দের জন্য গুচ্ছগ্রাম, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়ে শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটি ও ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করেছিলেন। পল্লীবন্ধু দেশের নাগরিকদের এতই ভালোবাসতেন যে, কুয়েত-ইরাক যুদ্ধের সময় আটকে থাকা বাংলাদেশিদের নিজ উদ্যোগে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেছিলেন। এ রকম একজন দেশ ও জনদরদি রাষ্ট্রনায়ককে আজ আমরা হারিয়ে ফেলেছি, যা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। তিনি দেশবাসী ও জাতীয় পার্টি পরিবারের সবার কাছে পল্লীবন্ধু এরশাদের রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।

সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় জাতীয় মহিলা পার্টির উদ্যোগে পার্টির পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচির নবম দিনে শুক্রবার কাকরাইল কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাদ আসর পবিত্র কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারমানের উপদেষ্টা ড. মো. নূরুল আজহার শামীম, যুগ্ম-মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন খান, দপ্তর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম মিন্টু, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসহাক ভুঁইয়া, যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম, যুগ্ম-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান কবির, কেন্দ্রীয় সদস্য-আলমগীর হোসেন, মিনি খান, মশিউর রহমানসহ পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

‘বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্রে দৃশ্যমান, কিন্তু মানুষের সংকটে অদৃশ্য’

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেছেন, করোনার এ মহাসংকটে বিএনপি-জামায়াত কীভাবে ক্ষমতায় যেতে পারে তার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাদের কোনো নেতাকর্মী মানুষের পাশে নেই। সরকার পতনের জন্য তারা বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়ে দেশি-বিদেশি লবিস্ট নিয়োগ করেছে। কিন্তু একটা টাকা নিয়েও তারা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। মূলত দেশের বিরুদ্ধে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্র দৃশ্যমান, কিন্তু মানুষের সংকটে তারা অদৃশ্য।

শুক্রবার হযরত শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজার শরীফে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের উদ্যোগে ৩ হাজার এবং পল্লবীতে রূপনগর থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে-ই আলম খোকনের উদ্যোগে মল্লিকা হাউজিংয়ে ৫শ অসহায় ও দুস্থ নাগরিকের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক এসব কথা বলেন।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নেতৃত্বে আমরা মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। মানুষের এ মহাসংকটে যুবলীগের নেতাকর্মীরা সারা দেশে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই ঘোর সংকটে মানবসেবাই আমাদের একমাত্র ব্রত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন পাভেল, তথ্য ও যোগাযোগ (আইটি) সম্পাদক শামছুল আলম অনিক, উপ-ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হাসান সুপ্ত, ঢাকা মহানগর উত্তর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মুক্তার হোসেন চৌধুরী কামাল, অ্যাডভোকেট সওকত হায়াত, ইঞ্জিনিয়ার আসাদুল্লাহ তুষারসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতারা।

খুলনায় তিন হাসপাতালে আরও ১০ জনের মৃত্যু

খুলনায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর হার কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাসপাতালে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ছয়জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার খুলনাতে সর্বোচ্চ ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ৮ ও ৭ জুলাই ২২ জন, ৬ ও ৫ জুলাই ১৭ জন, ৪ জুলাই ১৫ জন, ৩ ও ২ জুলাই ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় তিনজন ও উপসর্গে তিনজন মারা গেছেন। হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮৮ জন। যার মধ্যে রেডজোনে ১১৫ জন, ইয়েলোজোনে ৩৩ জন, আইসিইউতে ২০ জন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৬ জন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১৩০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২১ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ জন।

খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছেন ডা. প্রকাশ দেবনাথ।

তিনি জানান, হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৪৫ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছেন ৪৪ জন।

মানিকগঞ্জে কর্মহীনদের বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে যুবলীগ

লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় দু:স্থদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছেন দিচ্ছে মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার দুপুরে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার কোর্ট চত্বর, শহীদ রফিক সড়ক এলাকা, পূর্ব দাশড়া ও গঙ্গাধরপট্টিসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় এক হাজার পরিবারের মধ্যে তারা এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীন, সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র রমজান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা, যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুর রহমান জনি, আহবায়ক কমিটির সদস্য ফিরোজ আলম খান, সাদেকুল ইসলাম সোহা, মনিরুল ইসলাম খান মনি, সামিউল আলীম রনি, পৌর যুবলীগ নেতা মশিউর রহমান, মাহমুদুল হক শুভ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা বলেন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ফজলে শামস পরশ ও মাঈনুল হোসেন নিখিলের নির্দেশে মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগ লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় দু:স্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যতোদিন লকডাউন থাকবে, ততোদিন যুবলীগ অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুর রহমান জনি বলেন, পৌর এলাকা থেকে আমরা এ কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের এই কর্মসূচি পুরো জেলায় চলমান থাকবে। খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- ৫ কেজি চাল, দুই কেজি আটা, দুই কেজি আলু, এককেজি ডাল, এক কেজি লবন ও একটি হুইল সাবান।

‘জামাই দুই নম্বরী’তে কেয়া

সিনেমা দিয়েই শোবিজে পা রাখেন এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাবরিনা সুলতানা কেয়া। তবে মাঝে কয়েক বছর অভিনয়ে বিরতি নিয়েছিলেন।

বিরতি কাটিয়ে গত দুই বছর থেকেই নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন ছবিতে। করোনাকালেও নতুন ছবির শুটিং করেছেন তিনি। বড়পর্দার এই অভিনেত্রী সিনেমার পাশাপাশি নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা আছে।

সর্বশেষ চার বছর আগে অভিনেতা সজলের সঙ্গে জুটি বেঁধে একটি খণ্ডনাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। নাটকটি বেশ দর্শকপ্রিয়তা পায়। এরপর আর নাটকে দেখা যায়নি কেয়াকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারো নাটকে অভিনয় করছেন এই অভিনেত্রী। নাটকটির নাম ‘জামাই দুই নম্বরী’।

কমল সরকারের রচনায় এটি পরিচালনা করছেন চিত্র নির্মাতা সাদেক সিদ্দিকী। নাটকটি আগামী ঈদে এটিএন বাংলায় প্রচার হবে। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে কেয়া বলেন, ‘অভিনয় তো অভিনয়ই। সেটা নাটক কিংবা সিনেমা, যেটাই হোক না কেন।’

সিনেমায় অভিনয়েই আগ্রহ বেশি আমার। তবে ঈদ কিংবা বিশেষ কোনো আয়োজনে যেহেতু দর্শক বেশি থাকে টিভি নাটকে তাই এবার নাটকে অভিনয় করছি। গল্প, চরিত্র সবই পছন্দের। নির্মাতাও ভালো। আশা করছি নাটকটি উপভোগ্য হবে। এদিকে সম্প্রতি রকিবুল আলম রকিবের পরিচালনায় ‘ইয়েস ম্যাডাম’ নামের একটি সিনেমার ডাবিং শেষ করেছেন এই চিত্রনায়িকা।

একই পরিচালকের ‘সীমানা’ নামের একটি ছবিতেও অভিনয় করছেন তিনি। এছাড়া আলী আজাদের পরিচালনায় ‘বনলতা’ এবং জি স্বাধীনের ‘কথা দিলাম’ নামের নতুন দুটি সিনেমার শুটিংও করছেন এই চিত্রনায়িকা। আগামী ঈদে এটিএন বাংলায় একটি নাচের অনুষ্ঠানে একক নাচ পরিবেশন করবেন কেয়া।

কেন আলোচনায় নেই পড়শী

দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় নেই এক সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পড়শী। অনুরুপ আইচ ও আরফিন রুমীর হাত ধরে সংগীতাঙ্গনে জনপ্রিয়তা পান তিনি। তারপর থেকে তার জয়জয়কার শুরু হয় চারিদিকে। আরফিন রুমীর সঙ্গে তার তিনটি গান এখনো সুপারডুপার হিট। তারপর থেকে ভালোই যাচ্ছিল পড়শীর সময়।

হঠাৎ ‘রাস্তা’ শিরোনামের একটি গান বের করেন এই শিল্পী। রবিউল ইসলাম জীবনের কথায় গানটির বিরুদ্ধে অশ্লীলতার অভিযোগ ওঠে। এটির ভিডিওতেও নিজেকে অশ্লীলভাবে উপস্থাপন করেন পড়শী। সেই গানটিতে লাইকের চেয়ে ডিসলাইকের সংখ্যাই বেশি ছিল।

এ সমালোচনার পর থেকে নিজেকে আড়াল করে ফেলেন পড়শী। তারপর থেকে তাকে আর সেভাবে পাওয়া যাচ্ছিল না স্টেজ শো, নতুন গান কিংবা ইউটিউবেও। কিছুদিন আগে ইমরানের সঙ্গে তার একটি নতুন গান প্রকাশ হয় সিএমভি থেকে। এই গানটিতে লাইক ভিউয়ের পরিমাণ বাড়লেও পড়শী কিংবা ইমরানের আগের জনপ্রিয় গানগুলোর মতো আলোড়ন তৈরি হয়নি। এর প্রেক্ষিতে অনেকেই বলছেন পড়শীর মনে হয় আর গানে ফিরে আসা সম্ভব নয়। কারণ ইমরান এই সময়ে ইউটিউবে অসম্ভব জনপ্রিয় একজন শিল্পী।

ইমরানের সঙ্গে গান করেও পড়শী তার পূর্বের গান ‘তোমারই পড়শ’, ‘খুঁজে খুঁজে’ গানগুলোর মতো আলোড়ন তুলতে পারেনি। সে কারণে পড়শীকে নতুন করে চিন্তা করতে হবে এবং আরফিন রুমীর দারস্থ হয়ে হলেও নতুন করে নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণ করতে হবে বলে ভাবছেন সংগীতবোদ্ধারা। তবে আরফিন রুমী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে গানে ফিরেননি। তবে পড়শী ঘনিষ্ঠ অনেকেই বলছেন আরফিন রুমীর হাত ধরেই আবারও যেন পড়শী সংগীতাঙ্গনে নতুনভাবে যাত্রা শুরু।

এ প্রসঙ্গে যতবারই পড়শীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ততবারই তার ব্যক্তিগত নাম্বার পাওয়া যায় না। হয়ত তার মা কিংবা ভাইয়ের মোবাইলে কথা বলতে হয়। তারা পড়শীকে সব সময়ই আড়াল করে রাখেন। তাতে করে পড়শী অনেকের চেয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতায় থাকেন সারা বছর। এটিও তার সংগীত ক্যারিয়ারে একটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবেই বিবেচিত হয়। অন্যদিকে গানের পাশাপাশি সিনেমাতেও শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন পড়শী।

সেখানে একটি গানেও পারফর্ম করতে দেখা গিয়েছিল পড়শীকে। এরপর পড়শীকে পরবর্তীতে আর কোনো গানেও দেখা যায়নি। নিন্দুকেরা বলছেন যে, পড়শী হয়ত ভেবেছিলেন যে শাকিব খানের ওপর ভর করে ফিল্মে যদি গায়িকার পাশাপাশি নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়, সেজন্য তিনি আকর্ষণীয় পোশাক পরে যথাসাধ্য চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তবে পড়শীভক্তরা অভিনয়ে নয় গানেই স্বমহিমায় ফিরে আসার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।