বৃহস্পতিবার ,৩০ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 752

এক তোড়া ফুলের দাম ৬৮ লাখ, নষ্ট হবে না সারা বছরেও

ফুল কার না ভালো লাগে? ঘর সাজানো থেকে শুরু করে উপহার দেওয়া- ফুলের আবেদন সব জায়গাতেই। তবে ফুলের মন মাতানো সৌন্দর্য কিন্তু বেশি দিন থাকে না। গাছ থেকে ছেঁড়ার পর সহজেই নষ্ট হয়ে যায় ফুল।কেমন হবে যদি গাছ থেকে ফুল ছেঁড়ার পরও বছর জুড়ে ভালো থাকে?

সম্প্রতি দুবাইয়ে বিজ্ঞানীরা এমন এক ধরনের গোলাপ আবিষ্কার করেছেন যা এক বছরেও নষ্ট হবে না। তবে এই ফুলের একটা তোড়া কিনতে হলে গুনতে হবে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৮ লাখ টাকা।

ফরএভার রোজ লন্ডন মানে যুক্তরাজ্যভিত্তিক এক প্রতিষ্ঠান এমন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন যাতে ফুলের প্রাকৃতিকভাবে নষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়া খুব ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়। ইকুয়েডরের কিয়েটো শহরে এই ধরনের গোলাপের চাষ করা হচ্ছে। সেখানকার আগ্নেয় জমিতে উৎপন্ন এই ফুলের পাঁপড়ি সহজে পচে যায় না বলে ফরএভার রোজের প্রতিষ্ঠাতা ইব্রাহিম আল সামাদি জানিয়েছেন।

এসব ফুলগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রথমে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়, এরপর তা বিশেষ প্রক্রিয়ায় শুকানো হয়। ফুলগুলো সংরক্ষণের জন্য এক প্রস্তুত হয়ে গেলে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে কাঁচের জারের মধ্যে তা প্রদর্শন করা হয়।

এরই মধ্যে অবশ্য হাই প্রোফাইল ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এই ফুল। আইফেল টাওয়ার কিংবা ইউকর্ন আদলের ফুলের তোড়ার অর্ডার পেয়েছে ফরএভার রোজ।

দীর্ঘতম জিহ্বার রেকর্ড!

২০ বছর বয়সী এক তরুণ জিহ্বা দিয়ে নাক তো বটেই চোখও প্রায়ই ছুঁয়ে ফেলতে পারেন। ১০ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার দৈর্ঘের জিহ্বা নিয়ে রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের জিহ্বা ৮ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার আর প্রাপ্তবয়স্ক নারীর জিহ্বা ৭ দশমিক ৯ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

ভারতের তামিলনাড়ুর বাসিন্দা কে প্রবীণ নামে ওই তরুণের জিহ্বা ঠাঁই পেয়েছে ইন্ডিয়ান বুক অব রেকর্ডে। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি জিহ্বার দৈর্ঘ্য মেপে তাকে দীর্ঘতম জিহ্বার অধিকারীর খেতাব দেওয়া হয়।

মিনিটে ২১৯ বার জিহ্বা দিয়ে নাক স্পর্শ করে গত বছর এশিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম উঠিয়েছিলেন প্রবীণ।

বর্তমানে তিনি জিহ্বা দিয়ে চোখের পাতা স্পর্শ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রমাণ সাইজের জিহ্বা দিয়ে সহজেই নাকের সব অংশ, এমনকি হাতের কনুই পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারেন তিনি।

অর্থের সহায়তার অভাবে গিনেস বিশ্ব রেকর্ড পরযন্ত পৌঁছাতে পারছেন না তিনি। তবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

টোকিওতে পথচারীদের মুগ্ধ করছে দৈত্যাকার বিড়াল

জাপানের টোকিওর সিনজুকু রেলস্টেশনের সামনে দিয়ে যারা আসা-যাওয়া করছেন, তারা বেশ অবাক হচ্ছেন বিড়ালের মিউ মিউ ডাকে। রাস্তায় হঠাৎ বিড়াল এলো কোথা থেকে, এমন ভাবনায় আশেপাশে তাকাতেই নজরে পড়ছে এক ভবনের উপরে দৈত্যাকার আকৃতির একটি বিড়াল।

বিশাল আকৃতির এই বিড়াল দেখে প্রথম অনেকে ভড়কে গেলেও, পরবর্তীতে মুগ্ধ হচ্ছেন সকলেই। কেননা বিশাল আকৃতির বিড়ালটি বাস্তব না হলেও, থ্রিডি প্রযুক্তির হওয়ায় হুবহু জীবন্ত বিড়ালের মতোই দেখতে।

টোকিওতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেছে। তাই একটু আনন্দ দিয়ে মানুষজনকে চাঙা করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় এক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপনের মধ্যে এই থ্রিডি বিড়াল দেখাচ্ছে। ১৬৬৪ স্কয়ার ফুটের কার্ভড এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত বিশাল এই থ্রিডি বিড়াল খুবই প্রাণবন্ত। ৪কে রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লেতে নড়াচড়া পাশাপাশি উচ্চস্বরে এর মিউ মিউ ডাক যেকারো নজর কাড়তে বাধ্য।

এ প্রসঙ্গে এক পথচারী বলেন, ‘বিলবোর্ডের ডিসপ্লেতে থ্রিডি বিড়াল দেখা যাওয়ার সময়টি আমাদের কাছে দারুন উপভোগ্য কিছু মনে হচ্ছে। এর সুন্দর চেহারা মনে এক ধরনের প্রশান্তি এনে দেয়।’

টোকিওতে কোভিড পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা জারির কারণে থ্রিডি বিড়ালটি স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিলবোর্ড পরিচালনাকারী সংস্থা ইউনিকা।

প্যারিসে ‘আমাদের রান্নাঘরে’র ব্যতিক্রমী আয়োজন

করোনা আর লকডাউনে হাঁপিয়ে ওঠা প্যারিসবাসীদের এক চিলতে আনন্দ আয়োজন আর ব্যতিক্রমী খাবার উৎসবের আয়োজন করলো ফ্রান্সে বসবাসরত রমণীদের ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের রান্নাঘর’।

মূলত প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম ও ভিনদেশিদের কাছে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী রসনার পরিচয়, স্বাদ তুলে ধরতে এবং গৃহিণীদের মধ্য থেকে নারী উদ্যোক্তা তৈরি করাই এ গ্রুপের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

গ্রুপের এডমিন রুবাইয়া খান ও মোডারেটর শাহানাজ আক্তারের পরিচালনায় ৪ জুলাই (রোববার) লা-কোর্নোভের সিটি ফ্লোরিয়াল পার্কের এ আয়োজনে প্রায় দু-শতাধিক অতিথি স্বপরিবারে অংশগ্রহণ করে।

ফায়া, স্বদেশ এবং মাল্টিমিডিয়া সার্ভিসের স্পন্সরে আয়োজিত এ আয়োজনে নানা রকমের মাংস, মাছ, হরেক রকমর ভর্তা, ভাজি, সবজি, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, পিঠাপুলি, দই, কেক, ডেজার্ট, ফ্রেশ জুস, চা, নাস্তাসহ প্রায় ১০০ আইটেমের বাংলাদেশি খাবারের অতিথিদের আপ্যায়ন করানো হয়।

অনুষ্ঠানে গান, নাচ ও আবৃতি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন গ্রুপের উপদেষ্টা সোহেল ইবনে হোসাইন, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মনিরুল ইসলাম, কমিউনিটি নেতা ও সমাজসেবী সাইফুল ইসলাম, উম্মে সালমা তিথি, লিজা আহমেদ, নাজনিন রাব্বি ইভা প্রমুখ।

‘আমাদের রান্নাঘর’ গ্রুপের মোডারেটর ও নারী নেত্রী শাহানাজ আক্তার তৃষ্ণা বলেন, বিদেশে জন্ম নেওয়া নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙ্গালীর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য মণ্ডিত সংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী খাবার তুলে ধরা এবং নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে এ গ্রুপ কাজ করে যাবে।

আমিরাতে গোল্ডেন ভিসা পাবে মেধাবী শিক্ষার্থী

সংযুক্ত আরব আমিরাতে হাইস্কুলে (এখানকার হাইস্কুলের ক্লাস লেভেল বাংলাদেশের এইচএসসি পর্যন্ত) অধ্যয়নরত বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে শতকরা ৯৫ নম্বরপ্রাপ্ত এবং সেদেশে অবস্থানরত তাদের পরিবারের সব সদস্যদের ১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা দেবে দেশটির সরকার।

গত সপ্তাহে আমিরাত সরকারের উদ্ধৃতি দিয়ে গালফ নিউজ ও খালিজ টাইমস এ তথ্য জানায়। উল্লেখ্য, আরব আমিরাতে অবস্থানরত প্রচুর বাংলাদেশি ছেলেমেয়ে দেশটির বিভিন্ন স্কুল-কলেজে পড়ালেখা করছে এবং পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করছে।
মেধা বিকাশের মর্যাদায় ১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা প্রদানের এ খবরটি তাদের প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পড়ালেখায় আরও ব্যাপকভাবে উৎসাহ জোগাবে বলে মনে করেন অভিভাবকরা। এজন্য আমিরাত সরকারকে মোবারকবাদ জানিয়েছেন তারা।

লকডাউনে ভালো নেই আলেমরা

চলমান করোনা দুর্যোগের প্রভাবে প্রায় সব খাতই বিপর্যস্ত। কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষা খাতে এ অভিঘাতে যে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশে করোনা আঘাত হানার পর সরকার গত বছরের ১৭ মার্চ বন্ধ করে দেয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তারপর ১২ জুন কওমি মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়া হলেও চলতি বছরের ৮ এপ্রিল আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে চলতে থাকে একের পর এক লকডাউন।

দীর্ঘ এ লকডাউনে বন্ধ মাদ্রাসার আয়ের খাত, বন্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন। ফলে নাকাল হয়ে পড়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সবাই। বাধ্য হয়ে অনেকে পরিবর্তন করছেন শিক্ষকতার পেশা, অন্য কিছু আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছেন প্রাণপণ।

দীর্ঘ আঠারো বছর ইমামতি করেছেন বরিশালের মাওলানা আনিসুর রহমান। ইমামতির বেতন নিতান্ত স্বল্প হলেও স্থানীয় একটি কোচিংয়ে আরবি পড়ানোর সুবাদে দিন চলে যেত অনায়াসে। কিন্তু করোনার কারণে বন্ধ হয়ে যায় কোচিং। ইমামতির স্বল্প বেতনে জীবিকা নির্বাহ বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও আশায় ছিলেন একদিন কোচিং খুলবে। টানা লকডাউনে আশা যখন নিরাশায় পরিণত হলো, তিনি সিদ্ধান্ত নেন পেশা বদলানোর।

যুগান্তরকে মাওলানা আনিসুর রহমান বলেন, ‘একজন আমাকে পরামর্শ দিল, ঢাকায় গিয়ে ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করতে পারেন। এতে বেশ আয় হবে এবং অনায়াসে সংসারও চলবে। তার পরামর্শে জুনের শেষদিকে ঢাকা এসে এই ভ্যান নিয়েছি। আজকেই প্রথম ভ্যান নিয়ে বের হলাম।’

মাওলানা আনিস এক আত্মীয়ের সহযোগিতায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সেদিনই প্রথম সবজির ভ্যান নিয়ে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নিজের দুর্দশার কথা বলতে খুব লজ্জা লাগে! বেশি কিছু বলতে চাই না, বুঝতেও চাই না। শুধু বুঝি-পরিবারের পাঁচ সদস্যের মুখে তিনবেলা খাবার তুলে দিতে হবে। করোনার জন্য কোচিং বন্ধ থাকায় খুবই নাজেহাল অবস্থায় আছি। বাধ্য হয়ে সবজি বিক্রিতে নেমেছি। কেমন বেকায়দায় পড়েছি, বুঝতেই পারছেন!’

রাজধানীর এক মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষিকা আলেমা আয়েশা জান্নাত। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর দুই সন্তান নিয়ে তিনি একাই থাকেন। তার আয়েই চলে পরিবার। মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার বেতনও বন্ধ হয়ে যায়। জীবিকা নির্বাহের বিকল্প উপায় হিসাবে কিছু টাকা ঋণ করে অনলাইনে স্বল্প পরিসরে ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা পলিসি ধরতে না পারায় এখানেও লোকসান গুনতে হয় তাকে। তার ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত অ্যাক্সিডেন্টে আঘাতপ্রাপ্ত হয় তার পা। এখন নিতান্তই মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই আলেমা।

করোনার প্রথম দিকে এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল বিভিন্ন সেবা সংস্থা, রাজনৈতিক দল, কওমি শিক্ষা বোর্ড। তবে এখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। তাদের বুকে গুমরে ওঠা দীর্ঘশ্বাস তাদের বুকেই নিভৃতে মরে।

এ বিষয়ে আন নূর হ্যাল্পিং হ্যান্ডের নির্বাহী পরিচালক মাওলানা আনসারুল হক ইমরান বলেন, আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। প্রতিনিয়ত সাহায্যের আর্তি জানিয়ে মেসেজ আসছে। হাহাকারে বুক ভারী হয়ে উঠছে আমাদের। সেদিন একজন প্রসিদ্ধ আলেম আমাকে মেসেজ করে বললেন, খুব সংকটে আছি। যদি সাহায্য করতেন ভালো হতো। আপনি আমাকে চিনবেন। তাই আমি আপনার সামনে আসতে পারব না লজ্জায়। পরে তার বাবা এসে সাহায্য নিয়ে যান।

সামনে কুরবানির ঈদ উল্লেখ করে মাওলানা আনসারুল হক বলেন, ‘কুরবানির ঈদে আমরা গরু জবাই করে মাংস বিতরণ করব। দুঃসময়ে ঈদ এলে মানুষের দুঃখ বাড়ে। চেষ্টা করব সেই দুঃখ কিছুটা হলেও ঘোচাতে। শুধু আমরা নই, বরং আমাদের সবাইকেই চেষ্টা করতে হবে। সবাই যদি সবার পাশে দাঁড়াই, তাহলে এ বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সহজ হবে।’

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছাড়পত্রের অপেক্ষায় বায়োটেকের কোভাক্সিন

ভারতের বায়োটেকের তৈরি করোনা ‘কোভ্যাক্সিন’ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটতে পারে সহসা। এটিকে ছাড়পত্র দিতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

১৬ জানুয়ারি থেকে ভারতে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে প্রাথমিক ভাবে দু’টি করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল। সেরাম ইনস্টিটিউটের- কোভিশিল্ড এবং হায়দারাবাদের বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন।

বহু মানুষ এই টিকা পাওয়ার পরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই টিকা নিয়ে বিদেশ যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে কোভ্যাক্সিন নিয়ে মুখ খুলল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখ্য বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন জানিয়েছেন, ‘করোনার প্রতিরোধক হিসেবে কোভ্যাক্সিন যথেষ্ট কার্যকর। ডব্লিউএইচও এখনও ছাড়পত্র না দিলেও অচিরেই তারা কোভ্যাক্সিনকে স্বীকৃতি দেবে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে।’

সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌম্য জানিয়েছেন, ‘কোভ্যাক্সিনের করোনা প্রতিরোধক ক্ষমতা বেশ ভালো। যদিও করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ততটা কার্যকরী নয় এই ভ্যাকসিন। কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের রিপোর্ট তাদের হাতে পৌঁছেছে। সেই রিপোর্ট দেখেই ডব্লিউএইচও-র মনে হয়েছে, এই টিকাটি যথেষ্ট কার্যকরী।’

গত ২৩ জুন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে বৈঠক হয় বায়োটেকের। সেখানেই নিজেদের সকল রিপোর্ট ডব্লিউএইচও-র হাতে তুলে দেয় বায়োটেক কর্তৃপক্ষ। পরে সেই রিপোর্ট প্রকাশ করে বায়োটেক দাবি করে, করোনার উপসর্গযুক্তদের ক্ষেত্রে ৭৭ দশমিক আট শতাংশ কার্যকর কোভ্যাক্সিন। অতিমাত্রায় উপসর্গ যাদের, তাদের ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিন ৯৩ দশমিক চার শতাংশ কার্যকরী। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কোভ্যাক্সিন কাজ করে ৬৫ দশমিক দুই শতাংশ।

লকডাউনে বিদ্যুৎ পানি গ্যাস বিল মওকুফের দাবি

চলমান লকডাউনে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল এবং হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এসএম জুলফিকার আলী জুনু। একই সঙ্গে তিনি বকেয়া বিলের কারণে লকডাউন চলাকালীন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার আবেদনও জানান।

শুক্রবার তিনি ডাকযোগে এ আবেদন প্রেরণ করেন বলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।

এতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রধান অভিভাবক আপনি। তাই আপনার কাছে জনস্বার্থে আমাদের আবেদন এই যে, দেশে কোভিড-১৯ এর কারণে জনগণকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষায় সরকার সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে। আমরাও লকডাউন প্রতিপালন করছি, বর্তমানে গৃহবন্দি হয়ে আছি।

এ অবস্থায় দেশের অধিকাংশ কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীর আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের অনেক মানুষ মারাত্মক অর্থকষ্টে আছেন, মানবিক জীবনযাপন করছেন। বাসাভাড়া দিতে দেশের অধিকাংশ মানুষের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আরও কতদিন যে আমাদের গৃহবন্দি হয়ে থাকতে হবে কারও জানা নেই।

এমতাবস্থায়, দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আপনার কাছে আমাদের দাবি-দাওয়া থাকবে- লকডাউন চলাকলীন দেশের সমস্ত বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল, হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করে দেবেন। এছাড়া লকডাউন চলাকালীন বকেয়া বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, গ্যাস বিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার জন্য অনুরোধ করছি।

সপ্তাহের সেরা চাকরি

করোনাকালীন চাকরির বাজারে চলছে অস্থিরতা। ফলে চাকরি নামক সোনার হরিণটি দিন দিনই অধরা হয়ে উঠছে। এ হতাশার মধ্যেও কিছু প্রতিষ্ঠান আশার আলো দেখাচ্ছে। তবে তার জন্য আপডেট থাকতে হবে নিজেকে।

তাই চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধার্থে তুলে ধরা হলো সপ্তাহের সেরা চাকরির বিজ্ঞাপনগুলো। খুঁজে নিন আপনার পছন্দের চাকরির বিজ্ঞাপনটি—
• প্রাণ গ্রুপে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি পদে চাকরি
• সেনাবাহিনীতে একাধিক কোরে চাকরির সুযোগ
• কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে ২৮১ শূন্যপদে নিয়োগ
• আরএফএল গ্রুপে ভাইস প্রিন্সিপ্যাল পদে একাধিক চাকরি
• আড়ংয়ে অফিসার পদে চাকরির সুযোগ
• ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি
• ব্র্যাক ব্যাংকে অফিসার পদে চাকরির সুযোগ
• একাধিক পদে চাকরি দিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ
• এইচএসসি পাসে চাকরি দিচ্ছে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো
• পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরে ৪৫ জনের চাকরি
• বসুন্ধরা গ্রুপে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরির সুযোগ
• বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কে একাধিক চাকরি
• প্রোগ্রাম হেড পদে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে ব্র্যাক
• অর্থ মন্ত্রণালয়ে অষ্টম শ্রেণি পাসে চাকরির সুযোগ
• ওয়ালটন হাই-টেকে একাধিক চাকরির সুযোগ
• ব্র্যান্ড এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি দিচ্ছে এসিআই
• আইএফআইসি ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি
• সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক চাকরির সুযোগ
• মীনা বাজারে এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি
• ওয়ালটন ডিজি-টেকে একাধিক চাকরির সুযোগ
• টিএসএস পদে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে এসিআই

 

মাহমুদউল্লাহর টেস্ট থেকে অবসরের গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন পাপন

প্রায় ১৬ মাস পর সাদা জার্সির দলে প্রত্যাবর্তন করেই ক্যারিয়ারসেরা দেড় শ রানের ইনিংস খেললেন বাংলাদেশের ‘দ্য পিলার’ খ্যাত তারকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

বিষয়টি নিয়ে দেশের ক্রিকেটভক্তরা যখন তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন তখনই সবাইকে বিস্মিত করে দেওয়ার মতো এক গুঞ্জন ভেসে এলে সুদূর জিম্বাবুয়ে থেকে।

টেস্টের অভিজাত ফরম্যাট থেকে অবসরে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। হারারে টেস্টের পর আর তাকে সাদা জার্সির দলে দেখা যাবে না। অবশ্য বিষয়টি এখনও ড্রেসিংরুমের গুঞ্জন।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি মাহমুদউল্লাহর মুখ থেকে। তবে ইতোমধ্যে খবরটি দেশের ক্রিকেটভক্তদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। গণমাধ্যমগুলোতেও প্রকাশ হয়েছে সে খবর।

এদিকে মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে এ রকম সংবাদে বিভ্রান্ত হয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। বিষয়টি কি সত্যি নাকি শুধুই গুঞ্জন?

জবাবে বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন, তিনি হতবাক হয়েছেন। এমন খবর তার কাছে অস্বাভাবিক লেগেছে। কারণ মাহমুদউল্লাহ তার কাছে নাকি টেস্ট খেলতে চান বলে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

এক গণমাধ্যমকে নাজমুল হাসান বলেছেন,‘আমাকে অফিশিয়ালি কেউ কিছু বলেননি। তবে একজন ফোন করে জানিয়েছে, এই টেস্টের পর আর মাহমুদউল্লাহ টেস্ট খেলতে চায় না। ড্রেসিংরুমে নাকি সবাইকে সে এটা বলেছে। কিন্তু আমার কাছে এটা খুবই অস্বাভাবিক লেগেছে। খেলা তো এখনো শেষ হয়নি! আর জিম্বাবুয়ে যাওয়ার চার–পাঁচ দিন আগে অন্যান্য সবার মতো মাহমুদউল্লাহও আমাকে লিখিত দিয়ে গেছে যে, টেস্ট ফরম্যাটে সে খেলতে চায়। সে তিন ফরম্যাটেই খেলতে চায়। পুরোপুরি কনফার্ম হতে আমি তাকে আমার বাসায় দুবার ডেকে জিজ্ঞেস করেছি। সেখানেও সে আমাকে নিশ্চিত করেছে সে টেস্ট খেলতে চায়। প্রয়োজনে বলও করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সে। তাইতো তাকে টেস্ট স্কোয়াডে নেওয়া হয়েছে। এখন সে কীভাবে অবসরের কথা বলেছে? এটা আমার বুঝে আসছে