শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 619

সহিংসতা বন্ধ না হলে ইউপিসহ সব নির্বাচন বর্জন: জাতীয় পার্টির মহাসচিব

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, নির্বাচনে সহিংসতা ও জোর করে ভোট নেওয়া বন্ধ না হলে আগামীতে জাতীয় পার্টি ইউনিয়ন পরিষদসহ (ইউপি) সব নির্বাচন বর্জন করবে। শুক্রবার বাদ জুমা রংপুর নগরীর দর্শনায় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মহাসচিব বলেন, জনগণের ভোট ছাড়াই এখন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কাছে মনোনয়নই এখন মুখ্য, কারণ মনোনয়ন পেলে জোর করেই নির্বাচিত হওয়া যায়। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানবিক কারণে তার চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করতে পারেন, এটা তার এখতিয়ার। আর এটা বিএনপি ও বর্তমান সরকারের বিষয়। এখানে আমাদের বলার বা করার কিছু নেই।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব নেতাকর্মীদের নিয়ে এরশাদের কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ এবং মোনাজাত শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করলে দলের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। এরপর সরাসরি মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তিনি নগরীর দর্শনা এলাকায় এরশাদের বাসভবন পল্লী নিবাসে এসে পৌঁছান। অনুষ্ঠান শেষে তিনি রংপুর সার্কিট হাউজে অবস্থান করেন। পরে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

আগামী নির্বাচনে এককভাবে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ করবে উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব বলেন, মানুষ বিএনপি আর আওয়ামী লীগকে আর চায় না। দল দুটি জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছে। জনগণ এখন জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। এজন্য জনমুখী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি কাজ করছে। জাতীয় পার্টি এখন পুরোপুরি বিরোধী দল। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এখন আর জাতীয় পার্টির যোগসূত্র নেই। তাই তৃণমূলে দলকে সংগঠিত করে আগামীতে আবারও জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অরাজকতার বিষয়টি আমি সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি। আমি তাকে বলেছি, আপনার নৌকার প্রার্থীরা চান আমাদের লাঙ্গলের প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা তুলে নিক আর তারা বিনা ভোটে নির্বাচিত হোক। যারা নাকি সরকারি দল নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করতে চায়, তারা ভোট না জোট করে নেবেন এই কষ্টটা তারা করতে চান না।

এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, রংপুর বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান ও রংপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সেলিম উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, ইকবাল হোসেন তাপস, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, এনজিওবিষয়ক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন মাস্টার, মহাসচিবের সহধর্মিণী সাবেক অতিরিক্ত সচিব রোকসানা কাদের ও ছেলে ইসরারুল হক, জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ও মহাসচিবের একান্ত সচিব বেলায়েত হোসেন আরিফসহ জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয়, রংপুর বিভাগীয় ও জেলা-মহানগর পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও রংপুর মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম, জাতীয় যুব সংহতি রংপুর জেলা সভাপতি হাসানুজ্জামান নাজিম, যুব সংহতি রংপুর মহানগর সভাপতি শাহীন হোসেন জাকির, জেলা জাপার প্রচার সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রিপন, স্বেচ্ছাসেবক পার্টি রংপুর মহানগর সভাপতি ফারুক মন্ডল, ছাত্র সমাজ রংপুর মহানগর সভাপতি ইয়াসির আরাফাত আসিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম গুরুতর অসুস্থ

জাতীয় অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি রফিকুল ইসলাম গুরুতর অসুস্থ। তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ‘ভেন্টিলেশনে’ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি তিনি তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছেন

অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর পেটে ব্যথার কারণে তাকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষার পর তার ফুসফুসে পানি জমার বিষয়টি ধরা পড়ে। তখন থেকে বিএসএমএমইউর বক্ষব্যাধি (রেসপিরেটরি মেডিসিন) বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম মোশাররফ হোসেনের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

রফিকুল ইসলামকে পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যেতে চাইলেও তাতে তিনি সায় দেননি। এর মধ্যে গত সোমবার তাকে বিএসএমএমইউ থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের ছেলে বর্ষণ ইসলাম শুক্রবার রাতে একটি গণমাধ্যমকে বলেন, নিউমোনিয়ার কারণে আব্বা দুদিন ধরে তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শুক্রবার সকালে শ্বাসকষ্টে নিস্তেজ হয়ে পড়ায় তাকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়, এখন তিনি ঘুমাচ্ছেন।

বর্ষণ ইসলাম জানান, নিউমোনিয়ার জন্য তার বাবাকে একটি অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। এর জন্য পাঁচ-ছয় দিন সময় লাগে। এটা যদি কাজ করে এবং ফুসফুস যদি পরিষ্কার হয়, তাহলে রফিকুল ইসলাম স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারবেন। বর্ষণ ইসলাম বাবার সুস্থতার জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন।

রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা রফিকুল ইসলাম সেই সময়ের দুর্লভ আলোকচিত্রও ধারণ করছিলেন।

রফিকুল ইসলাম বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০১৮ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক হন। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদক পেয়েছেন । ২০২১ সালের ১৮ মে সরকার তাকে তিন বছরের জন্য বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব দেয়।

আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে

সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। এছাড়া পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বাসসের।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপের বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

শ্রীমঙ্গলে শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা কম থাকায় সেখানে শীতের আমেজ দেখা দিয়েছে।

ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম, সীতাকুণ্ড ও কুতুবদিয়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার আমল

আল্লাহতায়ালা তার বান্দাদের পরীক্ষা করার জন্য মাঝে মধ্যে তাদের বিভিন্ন বিপদ-আপদ কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন করেন।

এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদ-আপদ পৃথিবীতে আল্লাহতায়ালার কুদরতের নিদর্শন। ভূমিকম্প তার এ নিদর্শনসমূহের অন্যতম।

মানুষ যখন আল্লাহপ্রদত্ত এসব শাস্তির সম্মুখীন হয়, তখন আল্লাহর কুদরতের সামনে তার অসহায়ত্ব স্মরণ করে ও মেনে নিয়ে তার কাছে বিনয়াবনত চিত্তে এসব দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার দোয়া করতে হয়।

ফুকাহায়ে কেরাম ভূমিকম্পের সময় বেশি বেশি নফল সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও আশ্রয় চাইতে বলেছেন।

রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এ দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে। এছাড়া যে কোনো দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে পড়তে পারেন-

লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন।

অর্থ: তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তুমি পবিত্র সুমহান। আমি নিশ্চয়ই জালিমদের দলভুক্ত।

এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে একবার আয়াতুল কুরসি পড়ে নিতে পারেন। এ আয়াতের ফজিলত আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। যে এ আয়াত পড়ে ঘুমাতে যায়, ঘুমন্ত অবস্থায় আল্লাহ তাকে, তার পরিবার ও প্রতিবেশীকে সব ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

তুর্কি মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় দিশেহারা নর্থ সাইপ্রাস প্রবাসী বাংলাদেশিরা

তুরস্কের ইতিহাসে তুর্কির মুদ্রা লিরার দরপতন সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়েছে। ২০০৫ সালে তুরস্কের মুদ্রাকে রোমানিয়ার লিউ থেকে তুর্কিশ লিরায় পরিবর্তন করা হয়।
তুর্কিশ লিরা চালু হবার পর থেকে বিশ্ববাজারে লিরার মান ভালোই ছিল। ২০১৪ সালে এরদোয়ান ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎ করে অস্বাভাবিকভাবে লিরার দরপতন শুরু হয়। ২০০৬ সালে তুর্কিশ এক লিরার মান ছিল বাংলাদেশি ৫২ টাকা, ২০০৭ সালে ৪৮ টাকা, ২০০৮ সালে ৫৮ টাকা, ২০০৯ সালে ৪২ টাকা, ২০১০ সালে ৪৬ টাকা, ২০১১ সালে ৪৫ টাকা, ২০১২ সালে ৪৫ টাকা, ২০১৩ সালে ৪৫ টাকা, ২০১৪ সালে ৩৫ টাকা, ২০১৫ সালে ৩২ টাকা, ২০১৬ সালে ২৬ টাকা, ২০১৭ সালে ২১ টাকা, ২০১৮ সালে ২১ টাকা, ২০১৯ সালে ১৫ টাকা, ২০২০ সালে ১৪ টাকা, ২০২১ সালের শুরুতে ১১ টাকা থাকলেও তা বর্তমানে ৬-৭ টাকায় এসে পৌঁছেছে।

তুর্কিশ লিরার ইতিহাসে সর্বোচ্চ লিরার মূল্য ছিল ২০০৮ সালে; যা এক তুর্কিশ লিরায় ৫৮ টাকা পাওয়া যেত। ২০১৭ সালে আমেরিকা অবরোধ দেওয়ার পর থেকে তুরস্কে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মুদ্রাস্ফীতি শুরু হয়; যা এখন সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়েছে। তুরস্ক এবং তুরস্কের অধীনস্থ দ্বীপ দেশ নর্থ সাইপ্রাসে লিরা ব্যবহৃত হয়।

১৯৭৪ সালে গ্রিক সাইপ্রাস থেকে একটা অংশ তুরস্ক কেড়ে নিয়ে নর্থ সাইপ্রাস দেশ গঠন করে। নর্থ সাইপ্রাস ও গ্রিক সাইপ্রাস দুইটাই একটা দ্বীপ রাষ্ট্র হলেও দুই দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, মুদ্রা, জীবন যাত্রার মান, রাস্তাঘাট, শিক্ষা ব্যবস্থা সবকিছুই যেন মুদ্রার এপিটওপিট। এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের কোন কিছুই মিল নেই।

বর্তমানে নর্থ সাইপ্রাসে প্রায় ৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন। সেখানে বসবাসরত যেসব বাংলাদেশিরা চাকরি করে তারা মাসে দুই হাজার লিরা থেকে ৫ হাজার লিরা পর্যন্ত বেতন পায়। বাসাভাড়া খাবার খরচ মিলিয়ে এক হাজার লিরার মতো চলে যায়। মাস শেষে দেশে ২ হাজার লিরা পাঠালে আগে যেখানে বাংলাদেশি ৫০ হাজারের বেশি আসত সেখানে এখন ১০ হাজার টাকারও নিচে নেমে গেছে। বলতে গেলে এখন দেশে টাকা পাঠানোর মতো কোনো অবস্থায় নেই।

এমন শোচনীয় অবস্থায় সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেদের দুর্দশার কথাও জানাচ্ছে। প্রতিদিন লিরার মান কমে যাচ্ছে, সকালে এক রেইট হলে বিকালে আরেক রেইট, রাতে এক রেইট হলে পরেরদিন সকালে আরেক রেইট। একজনে হতাশা থেকে বলছে রাতে ঘুমানোর আগে বাংলাদেশি এক লাখ টাকা গুনলাম সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি সেটা ৫০ হাজার টাকা হয়ে গেছে। কেউ কেউ এই মুদ্রাস্ফীতির জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের একঘেয়েমি সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন। এরকম চলতে থাকলে সেখানে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ফেরত আসার উদ্বেগ জানিয়েছেন।

অন্যদিকে তুরস্কে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি বসবাস করে। তাদের অবস্থাও খুব শোচনীয়। এরকম চলতে থাকলে হয়তো তাদেরও দেশে ফেরত আসতে হবে। তুর্কি থেকে আসা রেমিটেন্স বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে।
সুতরাং তুর্কির এই মুদ্রাস্ফীতি শুধু তুরস্কের সমস্যাই নয়, এটা রীতিমতো বাংলাদেশেরও একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাঁচ দিনের সফরে গ্রিসে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

গ্রিসের রাজধানী এথেন্স বিমানবন্দর “এলেফথেরোস ভেনিজেলোস”-এ এসে পৌঁছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ (এমপি)।

গ্রিসে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ ও বিশ্বজিৎ পালসহ দূতাবাসের সব কর্মকর্তা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে প্রাচীন সভ্যতার দেশ গ্রিসে স্বাগতম জানান তাকে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ কমিউনিটির সভাপতি হাজী মো. আব্দুল কুদ্দুস, গ্রিস আওয়ামী লীগের সভাপতি মান্নান মাতুব্বর, সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাওলাদার, সাংগঠনিক লোকমান উদদীন। মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব আহমেদ মুনির সালেহীন, বাংলাদেশ ওয়েজ-আর্নার বোর্ডের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হামিদুর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিশ্বজিৎ ভট্টাচারিয়া খোকন (এনডিসি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ সারোয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ মনোয়ার মোকাররম এবং পিডব্লিউডির প্রকৌশলী কাজী ফিরোজ হাসান। মুজিব বর্ষের কর্মসূচি অনুযায়ী গ্রিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারের সন্তানদের বাংলা শিক্ষা কার্যক্রমের আওয়াতায় বঙ্গবন্ধুর নামে একটি বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের জায়গা নির্ধারণ ও সংশ্লিষ্ট গ্রিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করা সফরের মূল উদ্দেশ্য বলে জানা গেছে।

পাঁচ দিনের সফরে মন্ত্রীকে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস থেকে সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাজধানী এথেন্স থেকে তিনশ বিশ কিলোমিটার দূরে বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা “মানোলাদা” গ্রাম পরিদর্শনে মন্ত্রী প্রবাসীদের সব দুঃখ-দুর্দশা নিরসনের লক্ষ্যে প্রবাসীদের বাসস্থানের সমস্যার সমাধান করত স্থানীয় মেয়রের সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মন্ত্রীর গ্রিস সফরে গ্রিসে বসবাসরত সব প্রবাসী বাংলাদেশির সব সমস্যার সমাধানের সুনির্দিষ্ট পথের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন বিশিষ্টজনরা।

ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

মেথি শাক যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায়, তেমনি এর স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। চিকিৎসায়ও ব্যবহার হয়ে থাকে এই শাক।

মেথি স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক ও চুলের জন্যও বেশ উপকারী। অনেক সময় মুখের ব্রণ কমে গেলেও দাগ থেকে যায়। মেথির পাতা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহারে ব্রণের দাগ দূর করতে পারে।

আসুন জেনে নিই ত্বক ও চুলের জন্য ঘরোয়া এই উপাদানের ব্যবহার সম্পর্কে।

মেথি পাতার ফেস মাস্ক

মেথি পাতা এবং দইয়ের ফেসমাস্ক ত্বকের জন্য উপকারী। এই ফেসপ্যাকটি তৈরি করতে ১০০ গ্রাম মেথি পাতা এবং এক চামচ দই নিন। পেস্ট তৈরি করতে প্রথমে মেথি পাতা পরিষ্কার করে সেগুলো পিষে নিন। এই পেস্টে দই মেশান। এবার এটি মুখ এবং গলায় লাগান। ফেসমাস্ক শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

শীতে ত্বকের যত্নে কলার ফেসপ্যাক

শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এ সময় লোশন বা গ্লিসারিন ব্যবহারে ত্বক ভালো থাকে।

কাজের প্রয়োজনে রোজ যাদের বাইরে যেতে হয়, তাদের জন্য সপ্তাহে বা মাসে দুদিন ফেসপ্যাক ব্যবহার করা ভালো।

এখন প্রশ্ন হলো– কী ফেসপ্যাক ব্যবহার করবেন। ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক। এ ক্ষেত্রে কলার ফেসপ্যাকও ব্যবহার করতে পারে। কলার ফেসপ্যাকে ত্বক কোমল ও উজ্জ্বল হয়।

আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন কলার ফেসপ্যাক।

কলার ফেসপ্যাক

একটি পাকা কলা চটকে নিয়ে ১ চা চামচ নারিকেল তেলের সঙ্গে মেশান। মুখে মাখুন, শুকিয়ে যেতে দিন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা কমে যাবে।

কলার ম্যাসাজ ক্রিম

কলার ম্যাসাজ ক্রিম তৈরির জন্য হাফ কলা, এক চামচ মধু, ২ চামচ লেবুর রস, সামান্য হলুদ গুঁড়ো এবং আধা চামচ দই নিন। এসব উপকরণ একটি পাত্রে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পেস্ট তৈরি করে মুখে ব্যবহার করুন।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

৭ দৈনন্দিন অভ্যাসে হতে পারে ব্যাক পেইন

ব্যাক পেইন বা পিঠের ব্যথা সাধারণত অল্প সময়ে হয় না। এটি দীর্ঘ সময়ের অভ্যাসের ফলেই হয়ে থাকে। আর বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার অ্যান্ড স্ট্রোক (এনআইএনডিএস) অনুসারে, জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষই তাদের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে পিঠের ব্যথায় ভোগেন। আর পিঠের ব্যথা যখন দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন তা আপনার দৈনন্দিন জীবনেও অনেক খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই যেসব কারণে বা অভ্যাসে ব্যাক পেইন হতে পারে, সেগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়া উচিত। আসুন জেনে নিই যে সাত দৈনন্দিন অভ্যাসে হতে পারে ব্যাক পেইন—

১. একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে বেশিক্ষণ বসে থাকলে
একইভাবে বা একটি নির্দিষ্ট স্থানে বেশিক্ষণ বসে থাকলে আপনার বসার অবস্থান আপনার মেরুদণ্ডে চাপ দিতে পারে। ফলে ব্যাক পেইন হতে পারে। তাই এ সমস্যা এড়াতে সবসময় সোজা হয়ে বসতে হবে এবং একইভাবে বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।

২. উঁচু জুতা
আপনার ব্যাক পেইনের জন্য সবচেয়ে খারাপভাবে দায়ী কারণগুলোর অন্যতম একটি হচ্ছে— উঁচু জুতা পরা। এক ইঞ্চির বেশি উঁচু জুতা পরলে তা আপনার পায়ে ও মেরুদণ্ডে চাপ বৃদ্ধি করে, যা পরে ব্যাক পেইন সৃষ্টি করে।

৩. অস্বস্তিকর ও অনেক বেশি পুরনো গদি
অস্বস্তিকর ও অনেক বেশি পুরনো গদিতে নিয়মিত ঘুমালে তা একসময় গিয়ে ব্যাক পেইন সৃষ্টি করতে পারে। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন অনুসারে, একটি ভালো গদি মাত্র ৯ থেকে ১০ বছর স্থায়ী হয়। এর চেয়ে বেশি পুরনো গদিতে ঘুমালে আপনার মেরুদণ্ডে চাপ বাড়তে পারে এবং তা পরে ব্যাক পেইন তীব্র করে তুলতে পারে।

৪. ব্যায়ামের অভাব
আপনার শরীর যদি সক্রিয় না হয়, তা হলে এটি ব্যাক পেইনের একটি সমস্যা হতে পারে। আপনার শরীরে নিয়মিত ভালোভাবে সচল থাকা প্রয়োজন, যা শুধু ব্যায়াম করার মাধ্যমে করা যেতে পারে। আর ব্যায়াম না করলে আপনার শরীর শক্ত হয়ে যায় তা পিঠে ব্যথা বা ব্যাক পেইন সৃষ্টিতে অবদান রাখতে পারে।

৫. ধূমপান
ধূমপান ক্যালসিয়ামের শোষণকে হ্রাস করে এবং নতুন হাড়ের বৃদ্ধি রোধ করে। এ ছাড়া ধূমপান থেকে ঘন ঘন কাশি হলেও তা পিঠে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

৬. খারাপ ঘুম
খারাপ ঘুম বা অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাসের কারণে ব্যাক পেইন হতে পারে। আর আপনার যদি নিয়মিতভাবে ঘুমের অভাব হয়ে থাকে, তবে তা পিঠের ব্যথা আরও বাড়তে পারে।

৭. পুষ্টির অভাব
প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান না খাওয়া হলে তা পিঠে ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তথ্যসূত্র: হেলথসর্টস

কাঁধের জয়েন্টে ব্যথা কেন হয়, কী করবেন?

ফ্রোজেন শোল্ডার কাঁধের এমন একটা রোগ, যাতে ব্যথার মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং এক সময় তা অসহনীয় হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে কাঁধের নড়াচড়াই অসম্ভব হয়ে পড়ে।

কাঁধের জয়েন্টে ব্যথার কারণ, উপসর্গ ও চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের অর্থোপেডিক ও অর্থোপ্লাস্টি সেন্টারের হেড ও চিফ কন্সালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন।

কারণ : ফ্রোজেন শোল্ডারের তেমন কোনো কারণ জানা যায়নি। ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া বা শরীরে অতিরিক্ত মেদ, হাইপার থাইরয়েড, হৃদরোগ ও প্যারালাইসিস রোগীদের মধ্যে ফ্রোজেন শোল্ডারের প্রকোপ বেশি দেখা গেছে। কাঁধের অস্থিসন্ধিতে যে পর্দা থাকে, তার দুটি আবরণ থাকে। একটি ভেতরের দিকে, আরেকটি বাইরের দিকে। এ দুই আবরণের মাঝখানে কিছুটা ফাঁকা জায়গা থাকে, যেখানে এক ধরনের তরল পিচ্ছিল পদার্থ থাকে, যা কাঁধের নড়াচড়ার জন্য জরুরি। এ রোগে ওই দুই পর্দার মাঝখানের জায়গা ও পিচ্ছিল পদার্থ কমে যায়, ফলে কাঁধের নড়াচড়া মসৃণভাবে হয় না এবং প্রচুর ব্যথার সৃষ্টি করে। ব্যথা দিন দিন বাড়তে থাকে এবং এক সময় তা অসহ্য হয়ে পড়ে। সাধারণত মধ্যবয়সেই এ রোগ বেশি দেখা যায়।

উপসর্গ : ফ্রোজেন শোল্ডার রোগীর কাঁধের নড়াচড়া, বিশেষ করে হাত ওপরের দিকে উঠানো এবং হাত ঘুরিয়ে পিঠ চুলকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কাঁধের এক্স-রে করলে তা প্রায় স্বাভাবিক পাওয়া যায়। কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে সেখানে আগে আঘাত ছিল বলে জানা যায়। কদাচিৎ কাঁধ কিছুটা শুকিয়ে যাওয়ার মতো মনে হতে পারে। এটা হয় ব্যথার কারণে, দীর্ঘদিন আক্রান্ত কাঁধ ব্যবহার না করলে। আবার কিছু রোগীর ক্ষেত্রে হাত ঝিঁঝি করা, শক্তি কম পাওয়া, এমনকি পাশাপাশি হাত একেবারেই উঠাতে না পারার মতো লক্ষণ দেখা যায়। তাদের খুব সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা উচিত, রোগটি ফ্রোজেন শোল্ডার, নাকি স্নায়ুরোগজনিত কোনো সমস্যা, নাকি অতীতের আঘাতের ফলে রোটেটর কাফের ছিঁড়ে যাওয়া জনিত কোনো সমস্যা। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসার ধরনও ভিন্ন হয়।

চিকিৎসা : কোনো ধরনের অপারেশন ছাড়াই এ রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়। প্রথমে রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে, এটি খুব সাধারণ একটি সমস্যা। পাশাপাশি হালকা কিছু ব্যথানাশক দেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সঠিক ও বিশেষ কিছু ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনা থেকে ফ্রোজেন শোল্ডার ভালো হয়ে যায়, যদিও কিছুটা সময় লাগে। ব্যায়াম বা ব্যথানাশকে কাজ না হলে, অর্থোপেডিক চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে কাঁধের অস্থিসন্ধিতে স্টেরয়েড ইনজেকশন প্রয়োগও করতে হতে পারে। এটার অবশ্য ফল বেশ ভালো এবং রোগীরাও অনেক সময় এটি নেয়ার জন্য উদগ্রীব থাকেন। তবে স্টেরয়েড ইনজেকশন দিলেও ফ্রোজেন শোল্ডার হলে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই, যা সব সময় চালিয়ে যেতে হবে। তাই ফ্রোজেন শোল্ডার নামক অর্ধপঙ্গুত্ব নিয়ে আর বসবাস নয়।