শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 589

মাধ্যমিকের বই ছাপা বাকি ৪৬ শতাংশ

আর মাত্র ২০ দিন পর শুরু হবে নতুন শিক্ষাবর্ষ। কিন্তু এখনও মাধ্যমিক স্তরের ৪৬ শতাংশ পাঠ্যবই মুদ্রণ বাকি আছে। প্রাথমিক স্তরের পরিস্থিতি ভালো। তবে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরের ইংরেজি ভার্সনের ছাপা কাজের অবস্থা করুণ।

প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বই মুদ্রণের কার্যাদেশই এখনও হয়নি। আর আগামী বছর নতুন শিক্ষাক্রমের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য প্রথম ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন পাঠ্যবই মুদ্রণের কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত শুধু ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ের পাণ্ডুলিপি তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক স্তরের কোনো খবর নেই।

এ অবস্থায় বছরের প্রথম দিন দেশের সব স্কুলে সব শিক্ষার্থী সব বই পাবে না বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অবশ্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা যুগান্তরকে বলেন, প্রাথমিক স্তরের বই ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। মাধ্যমিক কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে যে কোনো মূল্যে কাজ শেষ করা হবে। প্রাক-প্রাথমিকের বই ছাপানোর চুক্তি আগামী সপ্তাহের মধ্যে শেষ করা হবে। এরপর মুদ্রাকররা সময় পেলেও তাদের এ মাসের মধ্যেই বই সরবরাহ করতে বলা হবে। বই নিয়ে প্রতি বছরই সংকটের কথা বলা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বই পেয়ে যায়। প্রাথমিকের বই পুরোদমে মুদ্রিত ও সরবরাহ হচ্ছে। মাধ্যমিকের বেশিরভাগ বইয়ের চুক্তি শেষ হয়েছে। কিছু বই সরবরাহও হয়েছে। প্রাক-প্রাথমিক স্তর নিয়ে যে সমস্যা, তা দু-এক দিনের মধ্যে কেটে যাবে।

প্রাক- প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এবার প্রায় ৩৫ কোটি বই ছাপানো হচ্ছে। এরমধ্যে প্রাথমিকে ১০ কোটি আর মাধ্যমিকে ২৫ কোটি। সাধারণত ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। সেই হিসাবে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে বাকি আছে ২০ দিন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক স্তরের বই যথাসময়ে কিছুতেই পৌঁছানো সম্ভব হবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। কেননা, বুধবার পর্যন্ত ১৩ কোটি বই ছাপানো হয়েছে। আর এরমধ্যে মাত্র সাড়ে ৮ কোটি মাঠপর্যায়ে পৌঁছানোর লক্ষ্যে পাঠানো হয়েছে। সেই হিসাবে এখনও ১২ কোটি বা ৪৬ শতাংশ বই মুদ্রণই হয়নি।

অন্যদিকে প্রাথমিক স্তরের ১০ কোটির মধ্যে ৮৩ শতাংশ ছাপানো শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে। এ স্তরের ৫ লট (প্রায় ২০ লাখ) বই মুদ্রণের কাজ পেয়েছিল বর্ণশোভা নামের একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু তারা শেষ মুহূর্তে চুক্তি করেনি। এরফলে এই বইয়ের কাজ পিছিয়ে গেছে। পরে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ওই কাজ দেওয়া হয়েছে। এগুলো কাজে খুব পিছিয়ে। আর বর্ণশোভার জামানতের ২৮ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে এনসিটিবি।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের উল্লিখিত সংখ্যার মধ্যেই ইবতেদায়ি, দাখিল এবং ইংরেজি ভার্সনের বই হিসাব করা হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, ইংরেজি ভার্সনের বই মুদ্রণের গতি এবারে কম।

বিশেষ করে মাধ্যমিকের পরিস্থিতি বেশি খারাপ। এর পাশাপাশি মাধ্যমিকের অন্য বইয়ের মুদ্রণ পরিস্থিতিও করুণ। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ের দরপত্র প্রক্রিয়া এবার দেরিতে করা হয়। মুদ্রাকররা ৯ নভেম্বর পর্যন্ত কাজটি করার চুক্তির সময় পেয়েছিলেন। দরপত্র অনুযায়ী, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বই ছাপাতে চুক্তির পর ৭০ দিন আর অষ্টম-নবম শ্রেণির বইয়ের জন্য ৮৪ দিন আছে। এ হিসাবে প্রথম দুই শ্রেণির বই সরবরাহে মুদ্রাকররা মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত সময় পাচ্ছেন। আর পরের দুই শ্রেণির বই ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পৌঁছায়।

এ প্রসঙ্গে এনসিটিবির এক সদস্য যুগান্তরকে বলেন, আইনত মুদ্রাকররা যে সময়ই পাক না কেন, তারা জানে যে-এটা সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পভুক্ত। এটির অনিবার্য সময়সীমা আছে। বর্তমানে মেশিন এতটাই অত্যাধুনিক যে মুদ্রাকররা চাইলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব। এর প্রমাণ হচ্ছে, ৭ ডিসেম্বর একদিনে ৭৬ লাখ বই পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া সক্ষমতা দেখেই কাজ দেওয়া হয়েছে। তাই যে বা যারা সরকারকে সর্বোচ্চটা দেবে না, তাদের চিহ্নিত করে রাখা হবে। আগামীতে তাদের কাজ দেওয়া হবে।

ভুলের দায় মুদ্রাকর ও শিক্ষার্থীদের : এবার জীবনে প্রথম স্কুলে যাবে প্রায় ৩৪ লাখ শিক্ষার্থী। তাদের জন্য অনুশীলন গ্রন্থ বা হাতের লেখার খাতা ‘এসো লিখতে শিখি’ এবং পাঠ্য ‘আমার বই’ ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। অনুশীলন গ্রন্থ ইতোমধ্যে মুদ্রাকররা সরবরাহ করেছেন। কিন্তু আটকে গিয়েছিল পাঠের বইটি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, ‘আমার বই’ মুদ্রণের জন্য এবার আটটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য (প্যারামিটার) নির্ধারণ করে দেয় এনসিটিবি। এগুলোর মধ্যে ‘গ্লোস’ (চকমক বা ঝিলিক দেওয়ার ক্ষমতা) ৪০ জিইউ নির্ধারণ করা হয়। গত দশ বছর ধরে এ শর্ত ছিল না। কেননা, এ স্তরের বইটি ছাপানো হয় ‘হোয়াইট গ্লোসি প্রিন্টিং পেপারে’। এর পুরুত্ব ৮০ শতাংশ, উজ্জ্বলতা ৮৫ শতাংশ, উড-ফ্রি পাল্পসহ ৭টি শর্ত আরোপ করা হয়। সাধারণত আর্ট পেপার বা আর্ট কার্ডে গ্লোস শর্ত থাকে। অর্থাৎ অবাস্তব শর্ত জুড়ে দেওয়ায় মুদ্রাকররা বাজারে কাগজ পাচ্ছেন না। এ কারণে তারা ভুল সংশোধন করে শর্ত শিথিল করতে এনসিটিবিকে অনুরোধ জানান। কিন্তু সে পথে না গিয়ে সংস্থাটি আগেরটি বাতিল করে নতুন দরপত্র ডাকে। সেটি অনুযায়ী ৮ ডিসেম্বর ৪টি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। প্রক্রিয়া অনুযায়ী এখন এনসিটিবি এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। এরআগে এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন নিতে হবে। এতে অন্তত এক সপ্তাহ চলে যেতে পারে। এরপর মুদ্রাকরদের কার্যাদেশ দেওয়া হবে। এটি গ্রহণের পর ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলে তারা ৭ দিন পাবেন। এই স্তর শেষ হলে চুক্তি চূড়ান্ত করবে। কার্যাদেশপ্রাপ্তরা ২৮ দিন সময় পাবেন। তারপরে তারা বই মুদ্রণ শুরু করবেন এবং তা সরবরাহে তারা ২৫ দিন সময় পাবেন। এ হিসাবে ফেব্রুয়ারি লেগে যেতে পারে বই সরবরাহে।

মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, এনসিটিবি বই ছাপতে যে কাগজ নির্ধারণ করেছিল দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎসে খোঁজ নিয়েও তারা সেই কাগজ পাননি। এ অবস্থায় সমস্যার সমাধানে বারবার ধরনা দেওয়া সত্ত্বেও এনসিটিবির দায়িত্বপ্রাপ্তরা সমস্যা নিষ্পত্তি করেননি। মূলত তারা দরপত্র তফসিল তৈরিতে ভুল করেছেন। শাস্তি থেকে বাঁচতে সংশোধনে না গিয়ে নতুন দরপত্র ডাকে। তাদের এ মানসিকতা ও ভুলের দায় চেপেছে মুদ্রাকর ও শিক্ষার্থীদের ওপর। কেননা, আগের দরপত্র অনুযায়ী মুদ্রাকররা বইয়ের কাগজ কিনেছিলেন। তখন এর দর ছিল ৯৫ হাজার টাকা টন। বর্তমানে ৮২ হাজার টাকা দর। কাজও পেয়েছেন বাজার দর অনুযায়ী। ফলে মুদ্রাকরদের সবমিলে বড় ধরনের গচ্চা যাচ্ছে। এছাড়া নতুন দরপত্রের কারণে এখন বই ছাপতে দেরি হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা সময়মতো তা পাবে না।

নতুন শিক্ষাক্রমের বই : সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারে নতুন শিক্ষাক্রমে প্রথম ও ষষ্ঠ শ্রেণির বই তৈরির কথা। এগুলো দেশের ১০০ উপজেলার ১০০ স্কুলে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বা পাইলটিং হবে। এরমধ্যে ৪ থেকে ৭ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জে একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে বিশেষজ্ঞদের রেখে ষষ্ঠ শ্রেণির বই তৈরি করা হয়। এখন তা সম্পাদনা করা হবে। এরপর মুদ্রণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। জানা গেছে, পাইলটিং বাস্তবায়নের জন্য প্রধান শিক্ষক ও একাডেমিক সুপারভাইজারদের আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তর এভাবে এগিয়ে গেলেও প্রাথমিক স্তরের কোনো খবর নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি এনসিটিবি চেয়ারম্যান। তবে বলেছেন, সিদ্ধান্ত অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে।

সংরক্ষণে প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষার আহ্বান

‘উড়লে আকাশে প্রজাপতি, প্রকৃতি পায় নতুন গতি’ এই প্রতিপাদ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১তম প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় জহির রায়হান অডিটরিয়ামের সামনে এ মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার। এরপর দিনব্যাপী চলে এ মেলার কার্যক্রম। মেলা উপলক্ষ্যে দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীরা ভিড় জমায় সবুজের এ আঙিনায়। মেলায় ঘুরতে এসে শিশু কিশোর এবং তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরা ছিলেন উচ্ছ্বসিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কীটতত্ত্ব শাখার আয়োজনে প্রতিবছর এ প্রজাপতি মেলার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রজাপতি সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের জন্য সিরাজগঞ্জের কলেজ শিক্ষক হাসমত আলীকে ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ দেওয়া হয়। বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুসিয়াস্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান সমী। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত মেলায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কুইজ, বক্তৃতা, প্রজাপতি বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রজাপতির ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রাশেদা আখতার বলেন, কীটপতঙ্গ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রকৃতি, মানুষ এবং সামাজিক পরিবেশকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে উন্নয়ন চিন্তা করতে হবে। এ সময় জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল জব্বার হাওলাদার, চ্যানেল আই-এর পরিচালক এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, বার্ড ক্লাবের সভাপতি ইনাম আল হক, মৌসুমী টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাতলুব আখতার প্রমুখ পরিবেশ রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন। মেলার আহ্বায়ক প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনোয়ার হোসেন বলেন, প্রজাপতিকে রক্ষা করার জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশকে বাঁচাতে হবে। পরিবেশ-প্রকৃতি সুরক্ষিত না হলে প্রজাপতি বাঁচবে না। আগে বাংলাদেশে সাড়ে তিনশ’ থেকে চারশ’ প্রজাতির প্রজাপতি লক্ষ করা যেত। সেই সংখ্যা এখন কমে এসেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লক্ষ করা যেত একশ’ বিশ প্রজাতির প্রজাপতি। এখন এই সংখ্যা নেমে এসেছে ষাটে। মানুষ প্রকৃতিমনস্ক হলে প্রকৃতি সুরক্ষিত থাকবে। প্রকৃতি সুরক্ষার জন্য বনাঞ্চল ও সবুজ বনভূমি রক্ষা করতে হবে।’

অধিনায়কত্ব পেলেও বেতন বাড়ছে না

টি-টোয়েন্টির পর ভারতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হলো রোহিত শর্মাকে। অধিনায়কের গুরুদায়িত্ব পেলেও বেতন বাড়ছে না এই তারকা ওপেনারের।

রোহিত অধিনায়ক হওয়ার পর তার বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। একইভাবে বেতন কমছে না এতদিন ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে যাওয়া বিরাট কোহলির। দুইজনের বেতন সমানই থাকছে।

ভারতীয় ক্রিকেট দলের কেন্দ্রীয় চুক্তি মোতাবেক- এ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হিসেবে প্রতি বছর ৭ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন রোহিত। এখন দুই ফরম্যাটে অধিনায়ক হওয়ার পরেও তা-ই পাবেন। রোহিত ছাড়াও সাত কোটি রুপি পারিশ্রমিক পান বিরাট কোহলি ও জসপ্রিত বুমরাহ।

ছেঁড়া জাল দিয়ে বেরিয়ে গেল বল, রেফারি দিলেন গোল কিক!

অদ্ভুতুড়ে ঘটনার জন্ম দিল ইতালীয় ষষ্ঠ বিভাগ লিগ প্রোমোজিওনে।

পেনাল্টি থেকে খেলোয়াড় গোল করলেন। ছেঁড়া জাল দিয়ে বল চলে গেল পোস্টের পেছনে।

গোল মানলেন না রেফারি। তিনি বাঁশি বাজালেন গোল কিকের!

সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ জানায় পেনাল্টি কিক পাওয়া পক্ষের খেলোয়াড়রা। এক পর্যায়ে রেফারির সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এক খেলোয়াড় । তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে রেফারি লাল কার্ড তাকে৷

যদিও ভিডিওতে পরে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, বলটি গোল লাইন পেরিয়ে জালে প্রবেশ করেছিল এবং একটি ছেঁড়া জায়গা দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল।

তথ্যসূত্র: রয়েটার্স

গত রোববার প্রোমোজিওনে ভিগোলো মার্চেসে ও ফুতুরো ফোর্নোভো মেদেসানোর ম্যাচে এই অদ্ভুতুড়ে ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় শাস্তি পেয়েছেন ওই রেফারি। তিনি অবশ্য নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন।

তাতে ম‍্যাচটি পুনরায় আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন লিগের ক্রীড়া বিচারক। আগামী শুক্রবার ম্যাচটি পুনরায় আয়োজন হবে।

অন্যদিকে শাস্তি পেয়েছেন লাল কার্ড দেখা পিয়েরলুইজি আর্কারি নামের ফুটবলারকেও। কারণ ওই ঘটনায় রেফারিকে হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। যে কারণে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে আর্কারিকে।

রোফারি জানিয়েছেন, পেনাল্টি কিকে বলটি ছেঁড়া জাল দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ায় তার ধারণা হয়, শট লক্ষ‍্যে ছিল না। গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে গেছে। তাই তিনি গোল কিকের বাঁশি বাজান।

ওই ঘটনার পর লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্কারি। দশ জনের দলে পরিণত হয় ভিগোলো। ম্যাচটি ২-১ গোলে হেরে যায় তারা।

মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধে দুই ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় চরাঞ্চলের সিরতা ইউনিয়নে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে ধরে দুই ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।

শনিবার সকালে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ওই মসজিদের কমিটি ও জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এনিয়ে একাধিক সালিশ-বৈঠক হয়েছে।

শুক্রবার আবারো সালিশ হওয়ার কথা ছিল। ঘটনার সময় সিরতা বাজারে নিজের দোকানে অবস্থানকালে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা রফিকুল ও তার ভাই শফিকুলকে রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রফিকুল ইসলাম মারা যান।

রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা নেয়ার পথে শফিকুল মারা যায়। এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।

চা ব্যবসায়ীর শরীরে গরম পানি ঢেলে দিলেন ইউপি সদস্য

বরগুনার বেতাগীতে চা ব্যবসায়ী মো. রাসেলের (৩৫) শরীরে চায়ের কেটলি থেকে ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে দিয়েছেন ইউপি সদস্য মো. সিদ্দিকুর রহমান। শুক্রবার রাত ৯টায় উপজেলার খাঁনেরহাট বাজারে ঘটনাটি ঘটে।

মো. সিদ্দিকুর রহমান বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

দগ্ধ শরীর নিয়ে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন চা ব্যবসায়ী মো. রাসেল ৩৫। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এর সত্যতা পেয়েছেন এমনটাই জানান বেতাগী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক করুণ চন্দ্র বিশ্বাস।

প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে খাঁনেরহাট বাজারে অবস্থিত চায়ের দোকানে বসে এলাকার কয়েকজন লোক সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সম্পর্কে সমালোচনা করেন। তারা (এলাকার লোকজন) বলেন ইউপি সদস্য সিদ্দিক জন্ম নিবন্ধন সংশোধন বাবদ ২ থেকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

এমন আলোচনায় চা-ব্যবসায়ী রাসেল বলেন, এসব আলোচনা করলে দোকানের বাহিরে গিয়ে করেন। তখন দুলাল ডাক্তার নামের এক ব্যক্তি চা ব্যবসায়ী রাসেলের সঙ্গে তর্ক করেন এবং ইউপি সদস্যকে ডেকে এনে বলেন- চা ব্যবসায়ী তোমার (ইউপি সদস্য সিদ্দিক) সম্পর্কে লোকজনের সঙ্গে সমালোচনা করেন।

এরপর ইউপি সদস্য চা ব্যবসায়ী রাসেলকে বাহিরে ডাকেন কিন্তু দোকান থেকে বের না হলে ওই ইউপি সদস্য ও তার কাছের লোক দুলাল ডাক্তার দোকানের মধ্যে ঢুকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানে থাকা চায়ের কেটলির ফুটন্ত গরম পানি ওই চা ব্যবসায়ী রাসেলের শরীরে ঢেলে দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এত পাশবিক নির্যাতন আমি আর দেখি নাই। কোনো কারণ ছাড়াই রাসেলের শরীরে গরম পানি ঢেলে দেন। এর সঠিক বিচার হওয়া দরকার।

চা ব্যবসায়ী রাসেল বলেন, আজ গরিব বলে এতটা নির্যাতিত হয়েছি। বিচারটা সৃষ্টিকর্তার কাছেই দিলাম। একজন জনপ্রতিনিধির যদি এমন আচরণ হয় তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়।

ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ও একটা বেয়াদব, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম মাত্র শুধু হাতাহাতি হয়েছে। কোনো গরম পানি আমি শরীরে দেইনি। সম্পূর্ণ অভিযোগই মিথ্যা।

হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.খলিলুর রহমান খান বলেন, একজন চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণের নিরাপত্তা দেয়া আমার দায়িত্ব। খবরটি শুনে আমি বেতাগী থানায় জানাই ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেতাগী থানার ওসি মো.শাহ আলম হাওলাদার বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্যাতন করে কেউ পার পাবে না।

নাইজেরিয়ায় মসজিদে গুলি করে ১৬ মুসল্লি হত্যা

নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় নাইজার প্রদেশে একটি মসজিদে গুলি চালিয়ে ১৬ মুসল্লিকে হত্যা করেছে বন্দুকধারীরা। এ সময় কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

নাইজারের মাশেগু এলাকার বা’য়ারে গ্রামের মসজিদটিতে চালানো ওই হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর বিবিসি ও ওয়াশিংটন পোস্টের।

নাইজার প্রদেশের সরকারি কর্মকর্তা আল হাসান ইশাহ মাজাকুকা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার ভোরের নামাজের সময় মুসল্লিদের ওপর গুলি চালানো শুরু করে হামলাকারীরা।

হামলার সময় এক পথিক এগিয়ে আসলে তাকেও গুলি করে হত্যা করে মোটর সাইকেলে আসা হামলাকারীরা। ওই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দুর্গম এলাকায় পালিয়েছেন।

পার্শ্ববর্তী কাতসিনা প্রদেশে বন্দুকধারীদের অপর একটি দল সরকারি এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে তার বাড়িতে গুলি করে হত্যা করেছে।

নাইজেরিয়ার এই অঞ্চলে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। এই সপ্তাহের শুরুতে নাইজার প্রদেশে এক বাসে আগুন দিয়ে ৩০ যাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা করে বন্দুকধারীরা।

মার্কিন গোয়েন্দা বিমানকে ধাওয়া করল রুশ যুদ্ধবিমান

রাশিয়ার একটি এসইউ-৩০ যুদ্ধবিমান কৃষ্ণসাগরের আকাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পি-৮এ মডেলের গোয়েন্দা বিমানকে ধাওয়া করে তাড়িয়ে দিয়েছে।

কৃষ্ণসাগরের আকাশে শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিফেন্স কন্ট্রোল সেন্টার (এনডিসিসি)। খবর দ্যা হিলের।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার কৃষ্ণসাগরের আন্তর্জাতিক পানিসীমা থেকে রাশিয়ার সীমান্ত অভিমুখী একটি লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে রাশিয়ার রাডার ব্যবস্থা। এরপর সেটি যাতে রাশিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করতে না পারে সেজন্য ঘটনাস্থলে একটি এসইউ-৩০ যুদ্ধবিমান পাঠানা হয়।

যুদ্ধবিমানটির পাইলট ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান লক্ষ্যবস্তুটি একটি মার্কিন পি-৮এ গোয়েন্দা বিমান। এ অবস্থায় মার্কিন গোয়েন্দা বিমানটিকে কৃষ্ণসাগরের আকাশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

রাশিয়া আরও জানিয়েছে, বিদেশি বিমানটি কৃষ্ণসাগর ত্যাগ করার পর রুশ যুদ্ধবিমানটিও নিরাপদে নিজ ঘাঁটিতে ফিরে আসে। আকাশসীমা ব্যবহারের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে মস্কো জানিয়েছে।

বিয়ের সন্ধ্যায় কত মূল্যের লেহেঙ্গায় সেজেছিলেন ক্যাটরিনা?

রাজস্থানের সওয়াই মাধোপুরের ফোর্ট-বারওয়াতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একেবারে পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুদের উপস্থিতিতে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ এবং অভিনেতা ভিকি কৌশল।

বলিউডের এই বহু চর্চিত এবং প্রতীক্ষিত বিয়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ছিল। ক্যাটরিনা কাইফ অবশ্য বিয়ের আগে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এই গোপনীয়তার খানিক ইঙ্গিত দিয়ে ছিলেন।

বলিউডের অন্যান্য দম্পতিদের মতো ভিকি এবং ক্যাটরিনার বিয়ের পোশাকের পরিকল্পনায় ছিলেন সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়। বিয়ের দিন সন্ধ্যায় ক্যাটরিনা সেজেছিলেন জারদৌসী এমব্রয়ডারি করা মটকা সিল্কের লাল লেহঙ্গায়।

ক্যাটরিনার ওড়নাটির পাড়ে ছিল সোনার জরির কাজ। এ ছাড়া ক্যাটরিনা পরেছিলেন ২২ ক্যারেটের হিরার গহনা।

ক্যাটরিনা কাইফের পরনে ছিল লাল রঙের লেহঙ্গা। এটির দাম ১৭ লাখ টাকা। বহুমূল্যের এই রাজকীয় লেহঙ্গায় বৃহস্পতিবার বিয়ের সন্ধ্যায় আরও যেন মোহময়ী হয়ে উঠেছিলেন বলিউডের নববধূ ক্যাটরিনা কাইফ কৌশল।

‘আমি যে তোমার’ এখন ইউটিউবে

হামেদ হাসান নোমানের পরিচালনায় নির্মিত হয়েছিল নাটক ‘আমি যে তোমার’। লেজার ভিশনের প্রযোজনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাশার, তানিয়া বৃষ্টিসহ অনেকে। ঢাকার বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে চিত্রায়িত নাটকটি এখন ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে।

আলোচিত এ নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে খায়রুল বাশার বলেন, নাটকটির গল্প ও আমার চরিত্র-দুটোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ভিন্নধর্মী একটি গল্পে নাটকটি নির্মিত হয়েছে। আশা করছি এটি দর্শকের প্রিয় একটি নাটক হয়েছে। এটি ছাড়াও খায়রুল বাশার একখণ্ডের নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। তানিয়া বৃষ্টিও নাটকের অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নাটকের লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=EHhQ-zZPIeQ