রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 531

হাওড় দ্বীপ চর ভাতা পাবেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্মকর্তারা

হাওড়, দ্বীপ ও চর ভাতা পাবেন সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে গেল বছরের ৯ ডিসেম্বর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। সে নির্দেশনায় হাওড়, দ্বীপ ও চর হিসাবে ঘোষিত ১৬টি উপজেলায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্দিষ্ট হারে ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

এতে মূল বেতনের সঙ্গে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৬৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা ভাতা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা এসব ১৬টি উপজেলায় কর্মরত থাকলে এক হাজার ৬৫০ টাকা ভাতা পাবেন। ১৯তম গ্রেড ১ হাজার ৭০০, ১৮তম গ্রেড ১ হাজার ৭৬০ এবং ১৭তম গ্রেড ১ হাজার ৮০০ টাকা করে পাবেন বলে নির্দেশনায় জানানো হয়। এ ছাড়া ১৬ গ্রেডের কর্মীরা ১ হাজার ৮৬০, ১৫ গ্রেডের ১ হাজার ৯৪০, ১৪ গ্রেডের ২ হাজার ৪০, ১৩ গ্রেডের ২ হাজার ২০০, ১২ গ্রেডের ২ হাজার ২৬০, ১১ গ্রেডের কর্মকর্তারা ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে এ ভাতা পাবেন। অপরদিকে ১০ম গ্রেডের ৩ হাজার ২০০, ৯ম গ্রেডের ৪ হাজার ৪০০, ৮ম গ্রেডের ৪ হাজার ৬০০ ও ৭ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা হারে ভাতা পাবেন।

এ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর থেকে এ ভাতা কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়। হাওড় দ্বীপ ও চরাঞ্চলের ১৬টি উপজেলায় নাগরিক সুবিধা কিছুটা কম বলে জানায় ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়ায় এখানকার শাখাগুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এসব এলাকায় কাজ করতে চান না। বদলি হওয়ার জন্য তদবির করে বিভিন্ন পর্যায় থেকে। কেউ যদি এসব এলাকায় না থাকে তবে শাখাগুলো চলবে কি করে? তাই বাড়তি এ ভাতা দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজ করতে উৎসাহিত করল সরকার।

‘এতদিন সেভাবে নামিনি, আজ নামলাম’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে নারায়ণগঞ্জ- ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, আচরণবিধির কারণে এতদিন সরাসরি নামিনি ঠিকই কিন্তু আমাদের মূল ধারার সব নেতাকর্মীই নৌকার জন্য নেমেছেন। কিন্তু বিভিন্ন কথা কানে আসছে। এতদিন সেভাবে নামিনি, আজ নামলাম।

সোমবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের বাঁধন কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শামীম ওসমান এমপি তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান আরও বলেন, এখানে কে প্রার্থী ,হু কেয়ারস। কলাগাছ না আমগাছ সেটা দেখার বিষয় না। এটা আমার স্বাধীনতার নৌকা, এটা বঙ্গবন্ধুর নৌকা, এটা আমাদের ৪৯ জন লাশের নৌকা, চন্দন শীলের ২ পায়ের বিনিময়ের নৌকা। নৌকার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কষ্টের সংবাদ সম্মেলন দাবি করে শামীম ওসমান তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি শুরুতেই বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি আইনপ্রনেতা, আমি আইন ভঙ্গ করলে এটা শোভনীয় নয়। আজকে এই দিনে বঙ্গবন্ধু তার মা ও মাটির কাছে ফিরে এসেছিলেন। প্রথমেই বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সব শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান।

তিনি বলেন, আমি অবাক হই, আমি কেন সব সময় সাবজেক্ট হই। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) খুব ছোট একটা করপোরেশন। এখানে তৃণমূলের রাস্তা থেকে উঠে আসা নেতারা আছেন। তারা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাবিহীন বাংলাদেশে রাজনীতি শুরু করেছেন। আমার ফতুল্লায় কয়েকদিন আগে নির্বাচন হয়েছে। আমি যাইনি কথাও বলিনি।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল, সেক্রেটারি খোকন সাহা, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি হাসান ফেরদাউস জুয়েল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহসিন মিয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল, সেক্রেটারি শওকত আলী, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি মানু, এনায়েতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, বিলুপ্ত মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ গাজী সালাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া প্রমুখ।

কে প্রার্থী, হু কেয়ারস

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, এখানে কে প্রার্থী, হু কেয়ারস। কলাগাছ না আমগাছ সেটা দেখার বিষয় না। এটা আমার স্বাধীনতার নৌকা, এটা বঙ্গবন্ধুর নৌকা, এটা আমাদের ৪৯জন লাশের নৌকা, চন্দন শীলের ২পায়ের বিনিময়ের নৌকা। নৌকার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বাঁধন কমিউনিটি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে শামীম ওসমান এমপি তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কষ্টের সংবাদ সম্মেলন দাবি করে দুপুর ২টা ২৫মিনিটে শামীম ওসমান তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি শুরুতেই বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি আইনপ্রনেতা, আমি আইন ভঙ্গ করলে এটা শোভনীয় নয়। আজকে এই দিনে বঙ্গবন্ধু তার মা ও মাটির কাছে ফিরে এসেছিলেন। প্রথমেই বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সব শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান’।

তিনি বলেন, আমি অবাক হই, আমি কেন সব সময় সাবজেক্ট হই। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) খুব ছোট একটা করপোরেশন। এখানে তৃণমূলের রাস্তা থেকে উঠে আসা নেতারা আছেন। তারা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাবিহীন বাংলাদেশে রাজনীতি শুরু করেছেন। আমার ফতুল্লায় কয়েকদিন আগে নির্বাচন হয়েছে। আমি যাইনি কথাও বলিনি।’

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল, সেক্রেটারি খোকন সাহা, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি হাসান ফেরদাউস জুয়েল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহসিন মিয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল, সেক্রেটারি শওকত আলী, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি মানু, এনায়েতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, বিলুপ্ত মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ গাজী সালাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া প্রমুখ।

থাইল্যান্ড-বাংলাদেশের কূটনীতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী

৫ অক্টোবর ২০২২ সাল থাইল্যান্ড এবং বাংলাদেশের মাঝে বিরাজমান দীর্ঘ কূটনীতিক সম্পর্কের ৫০তম সুবর্ণজয়ন্তী। এ উপলক্ষে রয়েল থাই দূতাবাস দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ঐতিহাসিক মাইলফলকগুলোকে স্মরণ করতে চায়। তাই দুই দেশের মানুষের সঙ্গে পারস্পরিক বন্ধুত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বিশেষ কিছু নিবন্ধ প্রকাশ করবে।

রাজা মাহাভাজিরালংক্রনের ১৯৯২ সালের বাংলাদেশে সফরের ৩০তম বার্ষিকী উদযাপনে এবং মহারাজা ভূমিবল আদুলিয়াদে ও মহারানি সিরিকিতের ঢাকা ও চট্টগ্রাম সফরের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে থাই দূতাবাস এ বছরের জানুয়ারি ও মার্চ মাসে দুইটি নিবন্ধ প্রকাশ করতে যাচ্ছে। ঢাকায় নিযুক্ত থাই দূতাবাস ব্যাংককে রাজকীয় সংরক্ষণাগারে সংরক্ষিত তৎকালিন সেই পরিদর্শনে স্থিরচিত্র প্রদর্শনের জন্য রাজার দরবার হতে অনুমতি পাওয়ায় অত্যন্ত গর্বিত।

উল্লেখিত নিবন্ধনসমূহ ও পরিদর্শনগুলো থাই ও বাংলাদেশী উভয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবে। ছোট গল্প ও গান সম্বলিত ‘৫০ গল্পে থাইল্যান্ড’ এবং ‘৫০ সুরে থাইল্যান্ড’ ধারাবাহিকটি রয়েল থাই দূতাবাস চলতি মাস থেকে পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা শুরু করবে। ‘৫০ গল্পে থাইল্যান্ড’, আসলে থাইল্যান্ডের জীবনধারা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে যা প্রয়াস-ই বাংলাদেশী সংস্কৃতির সাথে সাদৃশ্যময়ী; যেমন- সুবর্ণভূমি ও সোনার বাংলা, টুকটুক ও বেবি ট্যাক্সি, ভাসমান নৌ বাজার, মাছ ও ভাতের গুরুত্বে, সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ ইত্যাদি। ১৩ জানুয়ারি ২০২২ থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে এই ধারাবাহিকটি ইংরেজি বাংলা উভয় ভাষাতে প্রকাশ করা হবে।

সঙ্গীত ও গান নিয়ে সাাজানো ‘৫০ সুরে থাইল্যান্ড’ দিয়ে দর্শকেরা থাইল্যান্ডকে আরো গভীরভাবে বিনোদনের মাধ্যমে অনুভব করার সুযোগ খুঁজে পাবে। এ ধারাবাহিকটি থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে সুর এবং ১৯৩০ এর দশক হতে আসা বিভিন্ন সঙ্গীত ঘরনার জনপ্রিয়তা অন্বেষণ করেছে, যা ‘বেবি বুমারর্স’দের থেকে সহরবাদের উত্থান পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান সামাজিক বিকাশকে প্রতিফলিত করেছে।

গানের কথা বা কোথাও কোথাও গানের বাহারি সুরের ব্যবহার করে ৫০ সুরে থাইল্যান্ড আসনে শিল্পায়নের সম্প্রসারণ, আত্মীয়তার ঘনিষ্ঠ বন্ধন, নারীর অধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য সচেতনতা ছাড়াও নানা বিষয়ে থাইল্যান্ডকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। আবার ¯রাতারা লুক ক্রং (শহুরে গান) এবং লুক থুং (পল্লী গান) মাঝে পার্থক্যের পাশাপাশি থাই সমাজ যেভাবে নগরায়ন থেকে বিশ্বায়নের সাথে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে তার সম্পর্কে জানবে।

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ থেকে প্রতি শনিবার দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে উদ্ধৃত গানসমূতের ইউটিউব লিঙ্কসহ ধারাবাহিকটির ইংরেজি প্রকাশ করা হবে। তাছাড়া বছরজুড়ে দূতাবাস থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংরক্ষণাগার থেকে থাইল্যান্ড কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি এবং ১৯৭২ সালে কূটনীতিক সম্পর্ক স্থাপন সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিভিন্ন নথি ও স্থিরচিত্র প্রকাশ করবে। ’৭২ এর ফেব্রুয়ারিতে থাইল্যান্ড বাংলাদেশ স্বীকৃতি দেওয়ার পর উভয় দেশ নিজেদের সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকতার প্রস্তুতির জন্য ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মধ্যে বিরাজমান দারুণ উত্তেজনা এই ‘ফিরে দেখা ৫০ বছর’ নামক শিরোনামের মাধ্যমে পুনারায় অনুভবের সুযোগ খুঁজে পাবে।

দেশের মাটিতে প্রবাসী সাংবাদিকের একক সংবাদ প্রদর্শনী

জার্মান বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান লিটনের সংবাদের একক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার সকাল দশটায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান হলে এই প্রদর্শনী (ভিডিও) ও তার লেখা বই ‘ফিরে দেখার জগাখিঁচুরী’র মোড়ক উন্মোচন ও গুণীজন সন্মাননা প্রদান করা হবে।

অনু্ষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালেদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন জাবির ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক শফি আহমেদ তালুকদারসহ আরো অনেকে।

জার্মান বাংলা প্রেস ক্লাব ও অস্ট্রেলিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে এনএনসি। উপস্থাপনায় থাকবেন নিউজ ২৪ এর নিউজ এডিটর চন্দ্রানী চন্দ্রা।

মলত্যাগে ব্যথা ও রক্তক্ষরণ হলে কী করবেন?

শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন অনেকেই। সচেতন না হলে সেটি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। একপর্যায়ে মলত্যাগে ব্যথা এবং রক্তক্ষরণও হতে পারে।

পাইলস, ফিস্টুলা মলদ্বারের জটিল রোগ। এর কোনটির কারণে রক্তক্ষরণ হচ্ছে সেটি বুঝতে হলে লক্ষণ ও উপসর্গে দৃষ্টি দিতে হবে।

মলদ্বারের দেয়ালের পাতলা প্রথম আস্তর ফেটে বা ছিঁড়ে যখন ক্ষতের সৃষ্টি হয় সেই ক্ষতকে এনাল ফিশার বা ফিস্টুলা বলা হয়। মলত্যাগের সময় যখন শক্ত বা বড় আকারের মল পায়ুপথ দিয়ে বেরিয়ে আসে তখন ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে এনাল ফিশারের সূচনা করে।

মলত্যাগে ব্যথা এবং রক্তক্ষরণ এনাল ফিশারের প্রধান উপসর্গ। এনাল ফিশার হলে মলদ্বারে যে মাংসপেশি (এনাল/মলদ্বার স্ফিংটার) থাকে সেই পেশির ব্যথাযুক্ত সংকোচন অনুভূত হতে পারে।

সচরাচর ছোট্ট শিশুদের ফিস্টুলা হয় যদিও যেকোনো বয়সেই এনাল ফিশার হতে পারে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন গুলশানের আরএ হাসপাতালের বৃহদান্ত ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রকিবুল আনোয়ার।

ফিস্টুলা সাধারণত চিকিৎসার মাধ্যমেই ভালো করা সম্ভব যেমন খাবারে বেশি করে শাকসবজি, ফলমূল যোগ করা, অধিক পরিমাণে পানি পান করা ইত্যাদি। কোনো ক্ষেত্রে ওষুধ বা সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। অনেক সময় সার্জারির পরও ফিস্টুলা দেখা দেয়।

মলত্যাগের পরে ব্যথা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মলের ওপর তাজা রক্ত দেখা যায় অথবা মল ত্যাগ করার পর টয়লেট পেপারে রক্ত দেখা যেতে পারে। পায়ুপথের শেষে ঘা অনুভব করা যায় এবং বেশ কিছুদিন থাকার পর এই ঘায়ের মুখের ত্বক ঘায়ের নিচে কিছুটা পর্যন্ত ফেটে গিয়ে চামড়ায় ছোট একটা পিণ্ড সৃষ্টি হয় যার নাম ‘পাইলস প্রহরী’ অর্থাৎ যেন অতন্দ্র প্রহরীর মতো শতভাগ সময় ঘা-টা পাহারা দেয়।

সচরাচর শক্ত অথবা বিশাল আকারের মলত্যাগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘস্থায়ী পাতলা পায়খানা, পায়ুপথকে যৌন সহবাসে ব্যবহার এবং সন্তান জন্মদানের সময় এনাল ফিশার সৃষ্টি হয়। মাঝে মধ্যে ক্রোনস অথবা অন্ত্রের অন্যান্য প্রদাহ, পায়ুপথের ক্যান্সার, এইডস, সিফিলিস এবং টিবির কারণে ফিস্টুলার সৃষ্টি হয়।

ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী ফিশার সাধারণত মাংসপেশি বা স্ফিংটার পর্যন্ত বর্ধিত হয়। সার্জারি ছাড়া আরোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

এনাল ফিশার একবার হলে বারবার হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। পায়ুপথে এনাল ফিশারের অবস্থান ফিশার হওয়ার কারণ নির্দেশনা করতে পারে। পায়ুপথের সামনে অথবা পেছন দিক না হয়ে ফিশারের পার্র্শ্বস্থানে অবস্থান সাধারণত ক্রোনস, টিবি, সিফিলিস ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।

এনাল ফিশারের চিকিৎসার জন্য পরামর্শ প্রয়োজন। চিকিৎসক রোগীর ইতিহাস জেনে সাবধানে পায়ুপথ পর্যবেক্ষণ করবেন। যদি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভাস ও জীবনযাত্রা পরিচালনায় উপকার না হয় তবে চিকিৎসক মেডিকেল চিকিৎসা শুরু করবেন। উপসর্গ ও ফিশার ভালো না হওয়ার কারণ হচ্ছে যে, যে মুহূর্তে পায়ুপথ ছিঁড়ে যায় সে মুহূর্তে মলদ্বারের মাংসপেশির (এনাল/মলদ্বার স্ফিংটার) সেই ব্যথাযুক্ত সংকোচন হয় এবং সেই সংকোচন ব্যথার সৃষ্টি করে এবং ফিশারের ঘা শুকাতে বাধার সৃষ্টি করে। ওষুধ, স্নায়ুবিক নিয়ন্ত্রণ অথবা শল্যচিকিৎসা সবই নির্ভর করে ওই পেশিসংকচন প্রতিরোধ করার ব্যবস্থাপনার ওপর। পেশি সংকোচন বন্ধ করে পেশির শিথিলতা নিশ্চিত করতে পারলে ফিশার ভালো হওয়া শুরু করে।

পেশির শিথিলতার জন্য ব্যবহার করা হয় নাইট্রাইট জাতীয় ওষুধ যা হৃৎপিণ্ডের ব্যথা এনজাইনা রোধে ব্যবহার করা হয়। বটুলিনিয়াম টক্সিন পায়ুপথের স্নায়ুকে অবশ করে মাংসপেশি শিথিল করে এবং সার্জারির মাধ্যমে ল্যাটারাল স্ফিংটারোটোমিও একইভাবে কিন্তু স্থায়ীভাবে এনাল/মলদ্বার স্ফিংটার শিথিল করে, সে কারণে অপারেশন করলে ফিশার দ্রুত ও স্থায়ী আরোগ্য লাভ সম্ভব হয়।

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হবে কিনা, প্রশ্নে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের বৃদ্ধির কারণে নির্দিষ্ট সময়ে ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে কিনা প্রশ্ন উঠেছে।

বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা গেছে।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, ‘পরিস্থিতি বুঝে’ এসএসসি-এইচএসসির সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘গত বছরের ন্যায় ২০২২ সালেও পাবলিক পরীক্ষা নিতে চাই আমরা। তবে সময়মতো হবে না। এটি খুবই স্বাভাবিক। কারণ শিক্ষার্থীরা সেভাবে ক্লাস করতে পারেনি। আমরা একটা আভাস দিয়েছি যে, হয়তো ক্লাস করিয়ে বছরের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষাগুলো নিতে পারব। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই পরীক্ষা হবে। এখনও সিদ্ধান্ত সে জায়গায় আছে। আমাদের এখনও সেটিই পরিকল্পনা।’

সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২২ সালের পরীক্ষা হবে কিনা জানতে চাইলে জবাবে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

মহামারির কারণে নির্দিষ্ট তারিখ বলা সম্ভব নয় জানিয়ে দীপু মনি বলেন, আমরা পর্যবেক্ষণ করতে থাকব এবং ক্লাস করাতে থাকব। যখন নেওয়ার মতো পরিস্থিতি হবে, তখন আমরা পরীক্ষাটা নেব। আশা করি পরীক্ষা নেওয়ার দুই থেকে তিন মাস আগে বলতে পারব, কোন তারিখে পরীক্ষা হচ্ছে। সদিচ্ছা যতই থাকুক, এটা তো আমাদের হাতে নেই।

দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর ২০২০ সালের মার্চে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ৫৪৩ দিন পর গত ১২ সেপ্টেম্বর আবার শ্রেণিকক্ষে ফেরে শিক্ষার্থীরা।

সে সময় স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট ও পাঠ মূল্যায়নের মাধ্যমে তাদের পরবর্তী শ্রেণিতে তুলে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও শেষ হয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে আমরা এসএসসি নিতে পেরেছিলাম কিন্তু এইচএসসি নিতে পারিনি। ২০২১ সালে পরীক্ষা হবে হবে না এরকম নানান অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বছরের শেষ দিকে পরিস্থিতি আমাদের পক্ষে ছিল বলে করতে (পরীক্ষা নিতে) পেরেছি।’

জাতীয়করণের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান

জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোটসহ একাধিক সংগঠন।

সোমবার সকাল ১০টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন তারা। সারা দেশ থেকে আসা শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনও সেখানে যোগ দিচ্ছেন।

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি তোলা হয়েছে অবস্থান কর্মসূচি থেকে।

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারীকরণের দাবি জানিয়েছিল এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোট ।

সেই সময়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সরকারীকরণের দাবি মানা না হলে ১০ জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

তারই পদক্ষেপ হিসেবে সোমবার এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রেখেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোটের আহ্বায়ক মাঈন উদ্দিন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি তালুকদার আব্দুল মান্নাফ, মহাসচিব মো. মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স, নির্বাহী মহাসচিব অরুপ সাহা, বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ এমপিওভুক্ত শিক্ষক অনলাইন পরিষদের সভাপতি আবু তালেব সোহাগ, বাংলাদেশ শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক বেনী মাধব দেবনাথ, সদস্য সচিব দীদার হোসেন প্রমুখ।

প্রথম কোরিয়ান হিসেবে গোল্ডেন গ্লোবস জিতলেন স্কুইড গেম অভিনেতা

প্রথম কোরিয়ান হিসেবে এ বছর গোল্ডেন গ্লোবস পুরস্কার পেয়েছেন নেটফ্লিক্সের আলোচিত সাইভাইরাল থ্রিলার সিরিজ স্কুইড গেমের অভিনেতা ও ইয়েং সু। ৭৯তম গোল্ডেন গ্লোবসের আসরে টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার ওঠে স্কুইড গেম অভিনেতার ঝুলিতে।

ওই সিরিজে ও ইয়েং সু একজন সাধারণ বৃদ্ধ ওহ ইল চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাকে সিরিজে প্লেয়ার ০০১ বলে ডাকা হচ্ছিল। মৃত্যুর আগে আনন্দে সময় পার করতে চেয়েছিলেন স্কুইড গেমের ওহ ইল।

এদিকে এমন সময় ও ইয়েং সু পুরস্কার জিতলেন, যখন দূর্নীতি ও বৈচিত্রহীনতার অভিযোগে গোল্ডেন গ্লোবস সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে। হলিউড বয়কট করার কারণে এ বছরের গোল্ডেন গ্লোবস টেলিভিশন কিংবা অনলাইনে সম্প্রচারিত হচ্ছে না। কোনো দর্শক ছাড়াই গোল্ডেন গ্লোবসের অফিসিয়াল হোমপেজ এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিজয়ীদের ঘোষণা করা হয়েছে।

মারা গেছেন অস্কারজয়ী সিনেমার নির্মাতা

মারা গেছেন অস্কারজয়ী সিনেমার নির্মাতা জিন-মার্ক ভ্যালি। গত রোববার তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি।
তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ভ্যারাইটি গণমাধ্যম ও প্রয়াত নির্মাতার প্রযোজনা সহযোগী নাথান রোস।

জিন-মার্ক ভ্যালির প্রযোজনা সহযোগী প্রডিউসিং পার্টনার নাথান রোস এক স্টেটমেন্টে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এখনো মৃত্যুর কারণ জানতে পারিনি। তিনি ছিলেন সত্যিকারের সৃষ্টিশীল মানুষ। ব্যক্তি হিসেবে ভালো মানুষ। সব সময় ভিন্ন ধরনের কাজের চেষ্টা করতেন। যারা তার সঙ্গে কাজ করেছেন, তারা তার প্রতিভা ও দৃষ্টিভঙ্গি দেখেছেন।

তিনি একাধারে আমার কাছে বন্ধু, সৃষ্টিশীল কাজের অংশীদার ও আমার বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। এমন দিকনির্দেশনা দেখানো মানুষকে মিস করব। তার রেখে যাওয়া সৃষ্টির যে সুন্দর শৈলী ও প্রভাব বিস্তারকারী কাজ রয়েছে, সেটা দিয়েই দর্শকদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন।

আইএমডিবির তথ্যমতে, জিন-মার্ক ভ্যালি প্রায় ৩ যুগের ক্যারিয়ারে ৯টি সিনেমা নির্মাণ করেছেন। তিনি সম্পাদনার পাশাপাশি প্রযোজক ছিলেন। ‘ওয়াইল্ড’, ‘ডালাস বায়ার ক্লাব’ ছাড়াও তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ইয়াং ভিক্টোরিয়া’। এটি তিন শাখায় অস্কারে মনোনয়ন পায়, ‘ক্যাফে ডি ফ্লোরে’, ‘ডেমোলিশন’। সদ্য প্রয়াত এই নির্মাতা সম্প্রতি ঘোষণা করেছিলেন ‘লেডি ইন দ্য লেক’ সিরিজের নাম। কাজ শুরুর আগেই মারা গেলেন। তিনি ৯ মার্চ ১৯৬৩ সালে কানাডার মন্ট্রিলে জন্মগ্রহণ করেন।