রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 530

শিশুর এডিনয়েডের লক্ষণ, কখন অস্ত্রোপচার করাবেন?

শীতকালে শিশুদের শর্দিজনিত নানা রোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে গলা ও কানের সমস্যা বেড়ে যায় এই সময়ে।
যাদের ঠান্ডা-কাশি লেগে থাকে তাদের শিশুর নাকের পেছনে মাংস বেড়ে যেতে পারে। এমনটি হলে শিশুদের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, নাক দিয়ে না নিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়। শব্দ করে শ্বাস নেয় এমনকি ঘুমের মধ্যে কখনও হঠাৎ দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, ঘনঘন সর্দি লাগার কারণে নাকের পেছনে এডিনয়েড নামক লসিকাগ্রন্থি বড় হয়ে যায়।

এডিনয়েড কী, এর লক্ষণ ও চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী।

এডিনয়েড গ্রন্থি কী
নাকের পেছনে এডিনয়েড গ্রন্থি থাকে। এটি গঠনগত দিক থেকে টনসিলের মতো। এডিনয়েড বাইরে থেকে দেখা যায় না। কারণ আমাদের তালুর ওপরে এডিনয়েড থাকে। কাজেই এটা খালি চোখে দেখার কোনো উপায় নেই।
এডিনয়েড দেখতে হলে এক্স-রে করতে হবে বা বিশেষ ধরনের অ্যান্ড্রোস্কোপ (Nasoendoscope) আছে, সেগুলো দিয়ে দেখা যেতে পারে।

শিশুর ঘনঘন ঠান্ডা লাগার কারণে নাকের পেছনে এডিনয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়। যার কারণে নাকের মাংস বাড়ে।
এডিনয়েড গ্রন্থি বড় হলে যেসব সমস্যা হয়

১. শিশু মুখ হাঁ করে ঘুমায়। রাতে ঘুমের মধ্যে শব্দ হয় বা নাক ডাকে। এ সমস্যা বেশিমাত্রায় হলে ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে। যাকে চকিং বলে। ঘুমের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য দম বন্ধ থাকতে পারে। যাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ এপনিয়া বলে।
২. শিশু ঘনঘন সর্দি-কাশিতে ভোগে। একবার সদি-কাশি হলে তা সহজে সারতে চায় না।
৩. সর্দি গলার পেছন থেকে ইউস্টেশিয়ান টিউবের মাধ্যমে কানে চলে যায়। ফলে কানে ঘনঘন ব্যথা, কানে ইনফেকশন, কানের পর্দা ফেটে যাওয়া, কানের ভেতর পানি জমা, কানে কম শোনা বা গ্লুইয়ার সমস্যা হতে পারে।
৪. এডিনয়েডের কারণে ঘনঘন গলার ইনফেকশন, খুসখুসে কাশি, গলার স্বর বসে যাওয়া হতে পারে।
৫. শরীরের ভেতর অক্সিজেনের স্বল্পতার জন্য ঘুম ঘুম ভাব, পড়ালেখা ও স্কুলে অমনোযোগী হওয়া, বুদ্ধিমত্তা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়। রাতে বিছানায় প্রস্রাবও করতে পারে।
এসব উপসর্গ দেখলে বুঝবেন শিশু এডিনয়েডের সমস্যায় ভুগছে।

এডিনয়েডের সঙ্গে কানের সম্পর্ক
কানের সঙ্গে উর্ধ্বশ্বাসনালীর সংযোগ রক্ষাকারী পথটিকে বলা হয় ইউস্টেসিয়ান টিউব। এর পাশেই থাকে এডিনয়েড। তাই এডিনয়েড বড় হলে ইউস্টেসিয়ান টিউবের পথটি রুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে। ফলে মধ্যকর্ণে শ্লেষ্মা আবদ্ধ অবস্থায় জমে যেতে পারে, কানে ব্যথা হতে পারে এবং অবস্থাভেদে শিশু কানে কম শুনতে পারে। এডিনয়েড বড় হয়ে যাওয়ার কারণে শিশুর নাক বন্ধ থাকে। ফলে শিশু মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়।
এই মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়ার কারণে শিশুর খাবার গ্রহণে বিলম্ব কিংবা অসুবিধা হয়। এছাড়া শিশুর মুখের কোনা দিয়ে লালা পড়তে পারে। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে শিশুর উপরের পাটির সামনের দাঁত উঁচু হয়ে যায়, মাড়ি নরম হয়ে পড়ে, নাক চেপে যায়, সর্বোপরি চেহারায় একটা হাবাগোবা ভাব চলে আসে। সামগ্রিকভাবে এই উপসর্গসমূহের কারণে শিশুর চেহারায় যে পরিবর্তন সূচিত হয় তাকে বলা হয় ‘এডিনয়েড ফেসিস’।

চিকিৎসা
বাচ্চাদের এ সমস্যার ক্ষেত্রে অবশ্যই নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এমন হলে বয়সভেদে এন্টি-হিস্টামিন, মন্টিলুকাস্ট, নাকের স্প্রে/ড্রপ এবং প্রয়োজনবোধে এন্টিবায়োটিক দিয়ে মেডিকেল চিকিৎসা করা হয়। সঙ্গে কানে শোনার পরীক্ষাও করে নিতে হয়।
কখন অস্ত্রোপচার করাবেন
অনেক সময় শিশুর বয়স ১২-১৪ বছর হলেও এডিনয়েড স্বাভাবিক হয় না। ওষুধের মাধ্যমে নিরাময় না হলে শিশুর কষ্ট দীর্ঘতর হলে বিভিন্ন পরীক্ষার পর সম্পূর্ণ অজ্ঞান করে অপারেশনের মাধ্যমে এডিনয়েড ফেলে দিতে হয়, যা একটি নিরাপদ সার্জারি ।
টনসিলেকটমির মতোই এডিনয়েডেকটমিও একই প্রকৃতির অপারেশন। এ অপারেশনে চিকিৎসক নাসাপথের পেছনে থাকা এডিনয়েডটি কেটে বাদ দিয়ে দেন। ঘনঘন এডিনয়েডের সমস্যায় চিকিৎসক এ পদ্ধতি অবলম্বন করেন। এডিনয়েড যেহেতু পরবর্তীকালে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে, তাই এই অঙ্গ বাদ দিলে শিশুর কোনো সমস্যা হয় না।
১. যদি নাক প্রায়ই বন্ধ থাকে এবং এক্স-রে করে তার প্রমাণ পাওয়া যায় তবেই অস্ত্রোপচার করাতে হবে
২. এডিনয়েড বড় হয়ে যাওয়ার কারণে যদি মধ্যকর্ণে ইনফেকশন হয় এবং মধ্যকর্ণে তরল পদার্থ জমে আটকে থাকে
৩. যদি বারবার মধ্যকর্ণের ইনফেকশন হয়
৪. ঘুমের মধ্যে যদি শিশুর দম বন্ধ (স্লিপ এপনিয়া) অবস্থা হয়
অস্ত্রোপচারের উপকারিতা
অস্ত্রোপচারের পর শিশু ক্রমশ সুস্থ হয়ে ওঠে, শিশুর নাক বন্ধ অবস্থার উন্নতি হয়। এ সময়ে শিশুকে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে।
অ্যালার্জি থাকলে অপারেশনের পর শিশুকে অ্যালার্জির জন্য দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ দিতে হবে। অপারেশনের দুই-তিন দিনের মধ্যেই শিশু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে শিশু সম্পূর্ণভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।

অস্ত্রোপচার না করালে যে ঝুঁকি
গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শিশুর নাক বন্ধ থাকার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। এর ফলে শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ বিঘ্নিত হয়। ফলে শিশুর বুদ্ধির বিকাশ কম হয়। এছাড়া শিশু ক্রমাগতভাবে কম শোনার কারণে ক্লাসে অমনোযোগী হয়ে পড়ে, পড়াশোনায় খারাপ করে এবং শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়।
একপর্যায়ে শিশুর মধ্যকর্ণের ইনফেকশন জটিল হয়ে কানের পর্দা ফুটো করে দেয় এবং শিশু কানপাকা রোগের নিয়মিত রোগী হয়ে যায় অর্থাৎ দীর্ঘস্থায়ী কানপাকা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

মলত্যাগে ব্যথা ও রক্তক্ষরণ হলে কী করবেন?

শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন অনেকেই। সচেতন না হলে সেটি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। একপর্যায়ে মলত্যাগে ব্যথা এবং রক্তক্ষরণও হতে পারে।

পাইলস, ফিস্টুলা মলদ্বারের জটিল রোগ। এর কোনটির কারণে রক্তক্ষরণ হচ্ছে সেটি বুঝতে হলে লক্ষণ ও উপসর্গে দৃষ্টি দিতে হবে।

মলদ্বারের দেয়ালের পাতলা প্রথম আস্তর ফেটে বা ছিঁড়ে যখন ক্ষতের সৃষ্টি হয় সেই ক্ষতকে এনাল ফিশার বা ফিস্টুলা বলা হয়। মলত্যাগের সময় যখন শক্ত বা বড় আকারের মল পায়ুপথ দিয়ে বেরিয়ে আসে তখন ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে এনাল ফিশারের সূচনা করে।

মলত্যাগে ব্যথা এবং রক্তক্ষরণ এনাল ফিশারের প্রধান উপসর্গ। এনাল ফিশার হলে মলদ্বারে যে মাংসপেশি (এনাল/মলদ্বার স্ফিংটার) থাকে সেই পেশির ব্যথাযুক্ত সংকোচন অনুভূত হতে পারে।

সচরাচর ছোট্ট শিশুদের ফিস্টুলা হয় যদিও যেকোনো বয়সেই এনাল ফিশার হতে পারে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন গুলশানের আরএ হাসপাতালের বৃহদান্ত ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রকিবুল আনোয়ার।

ফিস্টুলা সাধারণত চিকিৎসার মাধ্যমেই ভালো করা সম্ভব যেমন খাবারে বেশি করে শাকসবজি, ফলমূল যোগ করা, অধিক পরিমাণে পানি পান করা ইত্যাদি। কোনো ক্ষেত্রে ওষুধ বা সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। অনেক সময় সার্জারির পরও ফিস্টুলা দেখা দেয়।

মলত্যাগের পরে ব্যথা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মলের ওপর তাজা রক্ত দেখা যায় অথবা মল ত্যাগ করার পর টয়লেট পেপারে রক্ত দেখা যেতে পারে। পায়ুপথের শেষে ঘা অনুভব করা যায় এবং বেশ কিছুদিন থাকার পর এই ঘায়ের মুখের ত্বক ঘায়ের নিচে কিছুটা পর্যন্ত ফেটে গিয়ে চামড়ায় ছোট একটা পিণ্ড সৃষ্টি হয় যার নাম ‘পাইলস প্রহরী’ অর্থাৎ যেন অতন্দ্র প্রহরীর মতো শতভাগ সময় ঘা-টা পাহারা দেয়।

সচরাচর শক্ত অথবা বিশাল আকারের মলত্যাগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘস্থায়ী পাতলা পায়খানা, পায়ুপথকে যৌন সহবাসে ব্যবহার এবং সন্তান জন্মদানের সময় এনাল ফিশার সৃষ্টি হয়। মাঝে মধ্যে ক্রোনস অথবা অন্ত্রের অন্যান্য প্রদাহ, পায়ুপথের ক্যান্সার, এইডস, সিফিলিস এবং টিবির কারণে ফিস্টুলার সৃষ্টি হয়।

ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী ফিশার সাধারণত মাংসপেশি বা স্ফিংটার পর্যন্ত বর্ধিত হয়। সার্জারি ছাড়া আরোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

এনাল ফিশার একবার হলে বারবার হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। পায়ুপথে এনাল ফিশারের অবস্থান ফিশার হওয়ার কারণ নির্দেশনা করতে পারে। পায়ুপথের সামনে অথবা পেছন দিক না হয়ে ফিশারের পার্র্শ্বস্থানে অবস্থান সাধারণত ক্রোনস, টিবি, সিফিলিস ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।

এনাল ফিশারের চিকিৎসার জন্য পরামর্শ প্রয়োজন। চিকিৎসক রোগীর ইতিহাস জেনে সাবধানে পায়ুপথ পর্যবেক্ষণ করবেন। যদি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভাস ও জীবনযাত্রা পরিচালনায় উপকার না হয় তবে চিকিৎসক মেডিকেল চিকিৎসা শুরু করবেন। উপসর্গ ও ফিশার ভালো না হওয়ার কারণ হচ্ছে যে, যে মুহূর্তে পায়ুপথ ছিঁড়ে যায় সে মুহূর্তে মলদ্বারের মাংসপেশির (এনাল/মলদ্বার স্ফিংটার) সেই ব্যথাযুক্ত সংকোচন হয় এবং সেই সংকোচন ব্যথার সৃষ্টি করে এবং ফিশারের ঘা শুকাতে বাধার সৃষ্টি করে। ওষুধ, স্নায়ুবিক নিয়ন্ত্রণ অথবা শল্যচিকিৎসা সবই নির্ভর করে ওই পেশিসংকচন প্রতিরোধ করার ব্যবস্থাপনার ওপর। পেশি সংকোচন বন্ধ করে পেশির শিথিলতা নিশ্চিত করতে পারলে ফিশার ভালো হওয়া শুরু করে।

পেশির শিথিলতার জন্য ব্যবহার করা হয় নাইট্রাইট জাতীয় ওষুধ যা হৃৎপিণ্ডের ব্যথা এনজাইনা রোধে ব্যবহার করা হয়। বটুলিনিয়াম টক্সিন পায়ুপথের স্নায়ুকে অবশ করে মাংসপেশি শিথিল করে এবং সার্জারির মাধ্যমে ল্যাটারাল স্ফিংটারোটোমিও একইভাবে কিন্তু স্থায়ীভাবে এনাল/মলদ্বার স্ফিংটার শিথিল করে, সে কারণে অপারেশন করলে ফিশার দ্রুত ও স্থায়ী আরোগ্য লাভ সম্ভব হয়।

শাহরুখ খানের বাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

একের পর এক ঝড় বয়ে চলেছে বলিউড তারকা শাহরুখ-গৌরীর ওপর। কিছু দিন হলো ছেলে জেল থেকে ফিরেছে। ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছিল খান পরিবার। এরই মধ্যে পেলেন আবারও হুমকি। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

খবরে বলা হয়, শুধু শাহরুখ খানের বাড়ি নয়, মুম্বাই শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানোর হুমকি দেন ফোনের অপর প্রান্তে থাকা এক যুবক।

৬ জানুযারি মুম্বাই পুলিশের কাছে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। জানান মুম্বাইয়ের বেশ কয়েকটি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। এর তালিকায় রয়েছে শাহরুখ খানের বাড়ি ‘মান্নাত’। বোমা দিয়ে মান্নাত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন সেই ব্যক্তি।

এই ফোন পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসে মুম্বাই পুলিশ। শুরু হয় খোঁজ। অবশেষে জানা গেল, অভিযুক্ত মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের গঙ্গানগর এলাকার বাসিন্দা জিতেশ ঠাকুর।

তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত এই প্রথম নয়, এর আগেও এ রকম ফোন করেছে। আপাতত মহারাষ্ট্র পুলিশ জিতেশকে রিমান্ডে নিয়েছে।

জানা গেছে, স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় অশান্তি হয় যুবকের। ফলে মদপান করে এমন কাণ্ড ঘটান তিনি। এর আগে একাধিকবার মধ্যপ্রদেশ সরকারের কন্ট্রোলরুমে ফোন করে হুমকি দিয়েছেন। এবার মদপানরত অবস্থাতেই মহারাষ্ট্র পুলিশের কন্ট্রোলরুমে ফোন করেন। এ ঘটনার সঙ্গে নাশকতার কোনো সম্পর্ক নেই বলে পুলিশ বলেছে। গ্রেফতার হওয়া জিতেশকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। খুব শিগগির আদালতে তোলা হবে তাকে। মহারাষ্ট্র পুলিশ ইতোমধ্যে মধ্যপ্রদেশ পুলিশের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছে।

সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রয়োজনে মহারাষ্ট্র পুলিশের একটি টিম জিতেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

তবে সুরক্ষিত আছেন শাহরুখ-গৌরি-আরিয়ান-সুহানারা। মাদক বিতর্কে ছেলে আরিয়ানের গ্রেফতারির পর খুব কমই প্রকাশ্যে এসেছেন শাহরুখ খান। সম্প্রতি অভিনেতা দিগন্ত হাজারিকা শাহরুখের সঙ্গে একটি শুটিং সেট থেকে ছবি পোস্ট করেছিলেন। শোনা যাচ্ছি, ‘পাঠান’ ছবির অসম্পূর্ণ শুটিংয়ের কাজ শুরু করেছেন।

ইমরানের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, মুখ খুললেন প্রভা

বছরের শুরুতেই অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভার সঙ্গে গায়ক ইমরানের প্রেমের গুঞ্জন চাউর হয়। এ বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রভা জানালেন, গত বছরটি তাকে বদলে দিয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে ছবিসহ এক পোস্টে মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী। রোববার রাতে ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন প্রভা।

ছবিটির ক্যাপশনে প্রভা লিখেছেন, গত বছরটি আমাকে বদলে দিয়েছে। জীবনে যত খারাপ কিছুই ঘটুক না কেন, তা গ্রহণ করতে হবে। এটিও আমাকে বিশ্বাস করিয়েছে। খুব খারাপ কিছু প্রত্যাশা করলেই যে তা ঘটবে তা-ও নয়। ভালো-মন্দ দুটোই ক্ষণস্থায়ী।

প্রভা বিশ্বাস করেন, কাউকে ধরে রাখা যায় না। আর সে কথা উল্লেখ করেই এই অভিনেত্রী লেখেন, কাউকে শক্ত করে ধরলেই যে সে থেকে যাবে কিংবা হালকা করে ধরলেই যে চলে যাবে বিষয়টি তেমন নয়।

সমস্ত সংকট নিজেকেই কাটিয়ে উঠতে হয়— বিষয়টি গত বছর খুব ভালো করে উপলদ্ধি করেছেন প্রভা। তা জানিয়ে তিনি লেখেন, আপনি নিজেই নিজের রক্ষাকারী এ বিষয়টিও গত বছর আমাকে শিখিয়েছে। আপনি যদি নিজেকে রক্ষা করতে না পারেন, তবে অন্য কেউ করবে না।

লেখাটির শেষাংশে প্রভা জানান, গত বছরটি তার জন্য গেম চেঞ্জার ছিল। কিন্তু তার জীবনের ঠিক কি কি বদলেছে, কীভাবে হলো, সেসব বিষয় আড়ালে রেখেছেন এই অভিনেত্রী।

লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরি

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়ের শঙ্কায় দাঁড়িয়ে পাল্টা আক্রমণের পথই বেছে নিলেন লিটন দাস। এর মধ্যে লিটন দাস তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি।

রীতিমতো ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে ক্যারিয়ারের ২য় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। মাত্র ১১৩ বলে সেঞ্চুরির পথে তিনি ১৪টি চার ও একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়েছেন।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭৪ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২৬৮ রান। ইনিংস পরাজয় এড়াতে বাংলাদেশকে আরও ১২৭ রান করতে হবে।

এর আগে উদ্বোধনী ব্যাটার সাদমান সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ নাঈম মিলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে করেন ৪৪ রান। দলীয় ৭১ রানে ফিরে যান শান্ত। নিল ওয়্যাগনারের শর্ট বলের স্রোতে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নামা শান্ত সেই রোমাঞ্চের বলি হয়েই ফেরেন ৫ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ রান করে।

এরপর উইকেটে আসেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ নাঈম-মুমিনুল হক করেন ৩৪ রান। দলীয় ১০৫ রানের মাথায় নাঈম ফিরে যান ব্যক্তিগত ২৪ রান করে।

বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট জুটি মাত্র ১৮ রানেই ভেঙে যান। ব্যক্তিগত ৩৭ রান করে ফিরে যান মুমিনুল হক।

এরপর উইকেটে আসেন ইয়াসির আলী। তিনিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি। ব্যক্তিগত মাত্র ২ রান করে বিদায় নেন তিনি। এখন ব্যাট করছে সোহান ও লিটন দাস।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬১ ওভারে ৫ উইকেটে ২২৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ইনিংস পরাজয় এড়াতে আরও ১৭২ রান করতে হবে মুমিনুল হকদের। ক্রিজে রয়েছেন লিটন দাস এবং মেহেদি হাসান মিরাজ। নুরুল হাসান করেছেন ৭৬ বলে ৩৬ রান। লিটন ৯৪ বলে ৭৮ রান এবং মিরাজ ২৮ বলে ৩ রানে ক্রিজে আছেন। ইনিংস ব্যবধান এড়াতে লড়ে যাচ্ছে তারা।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ রান করেন লিটন দাস (৮) । নাঈম শেখ ও মুমিনুল হক শূন্য। সাদমান ইসলাম সাত, নাজমুল হোসেন শান্ত চার। মাত্র ২৭ রানে টপঅর্ডারের পাঁচ উইকেট নেই। এমন শুরুর পর ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। এরপরই লিটনের প্রতিরোধ শুরু হয়।

প্রথম ইনিংসে ৫২১ রান করা নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ৩৯৫ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ।

শতরানের জুটি উপহার দিয়ে সাজঘরে সোহান

ষষ্ঠ উইকেটে শতরানের জুটি গড়ার পর আউট হয়ে সাজঘরে ফিরছেন নূরুল হাসান সোহান। লিটন দাসের সঙ্গে ওই জুটিতে ১০১ রান করে মিচেলের বলে ওয়েগনারের দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নেন তিনি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৭০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪০ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। ইনিংস পরাজয় এড়াতে আরও ১৫৫ রান করতে হবে বাংলাদেশকে।

মঙ্গলবার দিনের শুরুতে চাপ সামাল দিয়ে লড়াইয়ের কিছুটা ইঙ্গিত দেয় মুমিনুল হক বাহিনী।

হ্যাগলি ওভালে দ্বিতীয় টেস্টে ফলোঅনে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের প্রতিরোধ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি কিইউ পেসাররা।

রিচার্ড হেডলি ও স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের উত্তরসূরিদের দাপটে দ্বিতীয় সেশনে আবারও বিপর্যয়ে পড়ে। এক উইকেটে ৭১ রান করা বাংলাদেশ ১২৮ রানেই দলের টপ অর্ডারের ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে। এর পর ক্রিজে নামেন নূরুল হাসান সোহান।

চট্টগ্রামে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন

চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে বায়েজিদ থানার টেকনিক্যাল মোড় এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে বায়েজিদ ও আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের ১১টি গাড়ি প্রায় আড়াইঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, সকাল পৌনে ৮টার দিকে টেকনিক্যাল মোড়ের একটু আগে আনোয়ারা গার্মেন্টস নামের ওই পোশাক কারখানায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে দুটি ইউনিটের ১১টি গাড়ি চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

বিলুপ্ত প্রজাতির ৫ বনবিড়াল ছানা!

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় বিলুপ্ত প্রজাতির পাঁচটি বনবিড়ালের ছানা স্থানীয়রা উদ্ধার করেছেন।

সোমবার রাতে উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া থেকে ওই বিড়াল ছানাগুলোকে উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দা তন্ময়, তানভীর ও আনাস। এর ওই বনবিড়ালের ছানাগুলোকে বিবিসিএফ ও বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, ৮ জানুয়ারি শালঘর মধুয়া গ্রামের কয়েকজন বিরল প্রজাতির পাঁচটি বনবিড়ালের ছানা দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে ওই এলাকার স্থানীয় তিন যুবক ছানাগুলোকে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া টিমকে খবর দেন।

পরে বন বিভাগ কুষ্টিয়া ও বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) যৌথভাবে ওই বনবিড়ালের ছানাদের বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে।

বন বিভাগ কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া টিম শাহাবউদ্দিন মিলন, পাখি গবেষক এসআই সোহেল, নাব্বির আল নাফিজসহ বন বিভাগ কুষ্টিয়ার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইতিহাসে প্রথমবার মানবদেহে বসানো হলো শূকরের হৃৎপিণ্ড!

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মানবদেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে শূকরের হৃৎপিণ্ড। এ প্রক্রিয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে অঙ্গদানের ক্ষেত্রে যে সমস্যার মুখে পড়তে হয়, তা থেকে মুক্তি মিলতে পারে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রর বাল্টিমোরের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিকেল স্কুলের বিবৃতির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গত শুক্রবার ৫৭ বছরের এক ব্যক্তির দেহে শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যা জিনগত দিক থেকে পরিবর্তন করা হয়েছিল। আপাতত ওই রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং তার শরীরের অঙ্গ কীভাবে কাজ করে, সেদিকে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে।

চিকিৎসকদের দাবি, প্রাণীদের থেকে মানবদেহে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে মাইলফলক হতে চলেছে এ ঘটনা।

অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক বার্টলে গ্রিফিথ বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী অস্ত্রোপচার ছিল। অঙ্গের অভাব যে রয়েছে, সেই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে আমাদের আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে এ ঘটনা।

তিনি বলেন, আমরা সতর্কভাবে কাজ করেছি। তবে আমরা আশাবাদী যে বিশ্বের এ ধরনের প্রথম অস্ত্রোপচারের ফলে ভবিষ্যতে রোগীদের সামনে নয়া দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

কেন মানুষের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হলো না জানতে চাইলে ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে— ডেভিড বেনেট (৫৭) নামে এক ব্যক্তি গত কয়েক মাস ধরে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছিলেন। একটি যন্ত্রের মাধ্যমে চলছিল তার হৃৎপিণ্ড। তার শরীরের যা অবস্থা ছিল, তাতে মানবদেহের হৃৎপিণ্ডের ধকল সইতে পারতেন না। সাধারণ অঙ্গগ্রহীতার শারীরিক অবস্থা যদি অত্যন্ত খারাপ হয়, তা হলে এ রকম পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।

অঙ্গ প্রতিস্থাপনের আগে ডেভিড বলেছিলেন, বিষয়টি এ রকম ছিল যে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়তে হবে অথবা এই প্রতিস্থাপন করতে হবে। আমি বাঁচতে চাই। আমি জানি, এটি অন্ধকারে তীর ছোড়ার মতো বিষয় ছিল। এই অঙ্গ প্রতিস্থাপনই ছিল আমার শেষ বিকল্প।

তিনি আরও বলেন, আমি সুস্থ হওয়ার পর বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াতে উন্মুখ হয়ে আছি।

জাপানে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ

জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপসহ যেসব ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেসব ঘাঁটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলার জন্য অত্যন্ত কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

এসব ঘাঁটিতে করোনাভাইরাসের মহামারি দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। খবর জাপান টাইমসের।

এ ছাড়া গত ৩০ নভেম্বর বিদেশিদের প্রবেশে জারি করা নিষেধাজ্ঞা আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবত থাকবে।

জাপানে মোতায়েন মার্কিন সেনাবাহিনী এবং জাপান সরকারের যৌথ বিবৃতিতে এই কড়াকড়ি আরোপের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দুই সপ্তাহের জন্য মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকে একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সেনাসদস্যরা বাইরে যেতে পারবেন না। এ ছাড়া প্রতিটি সেনাসদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে।

জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে একদিনে দেড় হাজার জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। গত শনিবার ওকিনাওয়ায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল।

গত ডিসেম্বর মাস থেকে জাপানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কাশিদা মঙ্গলবার নতুন করে আরও বিধিনিষেধ আরোপ করবেন বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছেন।