শনিবার ,১৩ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 445

একাদশে ভর্তিতে চতুর্থ ধাপের আবেদন শুরু

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য চতুর্থ ধাপে অনলাইনে আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। শনিবার থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে। চলবে আগামীকাল রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের অনলাইন ভর্তির আবেদন শুরু হয়। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ধাপে ভর্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির লক্ষ্যে পুনরায় (চতুর্থ ধাপে) আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সবাইকে সময়সূচি অনুসরণ করতে বলা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চতুর্থ ধাপে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করে ফল প্রকাশ করা হবে ১ মার্চ রাত ৮টায়। শিক্ষার্থীর সিলেকশন ও নিশ্চায়ন এবং ভর্তি ২ মার্চ থেকে ৩ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

জানা গেছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সারাদেশে ১৫ লাখ ৬ হাজার ৭৬৩ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। এর মধ্যে তৃতীয় ধাপ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৬ জন শিক্ষার্থী পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়।

শোকাহত আফরান নিশো

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। নানাবিধ চরিত্রে অভিনয়ের কারণে দেশেই নয়, ভারতেও ছড়িয়ে রয়েছে তার অগণিত ভক্ত। পশ্চিমবঙ্গের অনেক দর্শক নিশোর নাটক নিয়মিত দেখেন।

রূপসা চ্যাটার্জি তেমনই এক ভক্তের নাম। তিনি নিশোর নাম পর্যন্ত নিজের হাতে ট্যাটু করেছিলেন। নিশোর সেই ভক্ত আর নেই। শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মারা গেছেন তিনি। খবরটি নিশ্চিত করেছেন রূপসার স্বামী অজয় কুমার চ্যাটার্জি।

বিশেষ এই ভক্তের মৃত্যুর খবরে শোকাহত আফরান নিশো। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন- ‘কিছু সংবাদ দুঃখের৷ বাংলাদেশে আসলে অবশ্যই দেখা হতো। কিন্তু ভাগ্যের কাছে হেরে যেতে হলো ক্যান্সারে আক্রান্ত আমার এক পাগল ভক্তের৷ ওপারে ভালো থাকবেন।’

কলকাতায় আফরান নিশোর ভক্তদের অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল প্রিয় তারকার সঙ্গে দেখা করার। কিন্তু কলকাতায় সেভাবে যাওয়া হয় না এই অভিনেতার। তাই গত বছরের ৮ ডিসেম্বর নিজের জন্মদিনে সেখানকার ভক্তদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন।

ওই সময় রূপসা বলেছিলেন, ‘আমি আপনার ডাইহার্ট ফ্যান কিনা জানি না। এতটুকু জানি, উঠতে, বসতে, খেতে, ঘুমাতে- সবখানেই নিশোকে দেখি।

‘জীবনে যাই ঘটুক না কেন, তোমার সামনে আবার ইট থাকবে’

ভারতের দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সব থেকে রোমান্টিক দম্পতি বললেই সামান্থা রুথ প্রভু এবং নাগা চৈতন্যর নাম উঠে আসে। তাদের এই জুটি সর্বদাই নজর কেড়েছেন অনুরাগীদের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেটে গেছে অনেক মাস। এবার নাগা চৈতন্যর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। বিচ্ছেদের পর এই প্রথম বিস্ফোরক মন্তব্য করে সকলকে চমকে দিয়েছেন তিনি।

হলিউড অভিনেতা উইল স্মিথের লেখা ধার করে সামান্থা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, বিগত ৩০ বছর ধরে আমরা সবাই ব্যর্থতা, বিচ্ছেদ, অপমান ও মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে গেছে। আমি খুনেরও হুমকি পেয়েছি। আমার টাকা নষ্ট হয়েছে। আমার পরিবার ভেঙে গেছে। এমনকি আমার ব্যক্তিগত সবকিছু প্রকাশ্যে এসেছে।

সামান্থা আরও বলেন, আমার সবকিছু ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। আবারও একটা একটা করে ইট গেঁথেছি। জীবনে যাই ঘটুক না কেন, তোমার সামনে আবার ইট থাকবে। এবার বিষয়টা হল, তুমি আবার নতুন করে ইট গাঁথবে কিনা সেটাই আসল বিষয়।

এখানেই থামেননি সামান্থা। উইল স্মিথের বইয়েরও ছবি দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, পরিশ্রম করো। ভুল থেকে শিক্ষা নাও। কখনও ভেঙে পড়ো না। সব সময়েই হাসি-ঠাট্টায় থাকো। এই বইয়ের মাধ্যমেই নিজের মনের ভাব প্রকাশ করেছেন সামান্থা।

নাগা চৈতন্যর সঙ্গে ডিভোর্সের ঘোষণা করে দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু লিখেছিলেন, অনেক চিন্তা-ভাবনার পর আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে আলাদা হয়ে নিজেদের পথ খুঁজে নিতে চলেছি। বিচ্ছেদ নিয়েও পরক্ষে মুখ খুলেছিলেন দুজনেই।

গত বছর ২ অক্টোবরই নাগা চৈতন্যর সঙ্গে ডিভোর্সের ঘোষণা করে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা। তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনায় রয়েছেন সামান্থা। বিচ্ছেদের কিছুদিন পর থেকেই নিজেকে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রেখেছেন সামান্থা। এবার নাগা চৈতন্যর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। বিচ্ছেদের পর এই প্রথম বিস্ফোরক মন্তব্য করে সকলকে চমকে দিয়েছেন সামান্থা।

দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থাকে নিয়ে সবসময়েই সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। নাগা চৈতন্যর স্ত্রী হিসেবে নয় বরং নিজের একটি আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন এই অভিনেত্রী। ২০১৭ সালে বিয়ের আগে দীর্ঘ সময় লিভইন রিলেশনশিপে ছিলেন এই জুটির। সেই সম্পর্ক এখন অতীত।

বিচ্ছেদের পর সামান্থা নিজের কাজে মন দিয়েছেন। আগামী ছবি ‘শকুন্তলম’-এর পোস্টার শেয়ার করেছেন তিনি। ছবি পোস্ট করে সামান্থা লিখেছিলেন, শকুন্তলম ছবির ফার্স্ট লুক। শকুন্তলমের শকুন্তলা। ছবি দেখে সামান্থার প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন তারকা তথা অনুরাগীরা।

রাশিয়ার বিপক্ষে খেলবে না পোল্যান্ড

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের আঁচ লেগেছে ক্রীড়াঙ্গনেও। বিশেষ করে ইউরোপের বিভিন্ন ফুটবল ক্লাবে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন খেলোয়াড়, স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপা লিগের নকআউট প্লে-অফের ফিরতি ম্যাচের আগে ‘যুদ্ধ বন্ধ কর’ লেখা ব্যানার নিয়ে এক কাতারে দাঁড়িয়েছিলেন বার্সেলোনা ও নাপোলির খেলোয়াড়রা।

চ্যাম্পিয়নস লিগের গোল উদযাপনেও লিসবনে গত বুধবার ইউক্রেনের জাতীয় প্রতীক দেখিয়ে দেশকে সমর্থন জানান বেনফিকার ডিফেন্ডার ইয়ারেমচুক।

এবার রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরোধিতায় পদক্ষেপ নিল পোল্যান্ড। রাশিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানাল দেশটি।

আগামী ২৪ মার্চ মস্কোতে প্লে-অফের সেমিফাইনালে রাশিয়ার মুখোমুখি হওয়ার কথা পোল্যান্ডের। আরেক সেমিতে দেখা হবে সুইডেন ও চেক প্রজাতন্ত্রের। দুই সেমিফাইনালের বিজয়ী দল কাতার বিশ্বকাপের টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ফাইনালে।

এর আগে তিন দলই আভাস দিয়েছিল, রাশিয়ায় খেলতে রাজি নয় তারা।

শনিবার পোল্যান্ড সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ায় তো নয়ই, রাশিয়ার বিপক্ষেই খেলবেই না তারা। একই সিদ্ধান্ত নিতে সুইডেন ও চেক প্রজাতন্ত্রকেও আহ্বান জানিয়ে পোল্যান্ড।

তবে ফিফা পোল্যান্ডের সিদ্ধান্ত মেনে না নিলে কাতার বিশ্বকাপে দেখা যাবে না পোলিশদের। তাতেও আপত্তি নেই পোল্যান্ড অধিনায়ক রবার্ট লেওয়ানডোস্কির।

দেশ ও ফেডারেশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখ তারকা।

এক টুইটে লেওয়ানডোস্কি লিখেছেন , ‘এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। ইউক্রেনের ওপর সশস্ত্র আগ্রাসনের এই কঠিন সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে খেলার কথা ভাবতেও পারছি না আমি। রাশিয়ার ফুটবলার ও সমর্থকরা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী নয়, কিন্তু আমরা এমন ভান করতে পারি না, যেন কিছুই হচ্ছে না।’

এদিকে সামরিক আগ্রাসন বন্ধে রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পদক্ষেপ নিয়েছে ইউনিয়ন অব ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও।

এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ভেন্যু রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে প্যারিসে সরিয়ে নিয়েছে উয়েফা।

‘বাংলাদেশকে ভালোবেসেছিলাম, কিছু লোক বিশ্বাস করেনি’

দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর ফের বাংলাদেশে হাজির জেমি সিডন্স। টাইগারদের সঙ্গে এটি অস্ট্রেলীয় কোচের ‘দ্বিতীয় ইনিংস’।

অ্যাশওয়েল প্রিন্স জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব ছাড়ার পর সিডন্সকে এই ভার সঁপে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব পেয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানলেন এ অস্ট্রেলীয় কোচ।

এরইসঙ্গে আগেরবার তার বিদায়টা যেমন ছিল, সেটি নিয়ে অভিমানের সুরও ফুটে উঠল সিডন্সের কণ্ঠে।

তার সেই বিদায়টা সুখকর হয়নি সেবার।

২০১১ বিশ্বকাপে দেশের মাঠে বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতার পর তার সঙ্গে আর চুক্তি নবায়ন করেনি বিসিবি। চারিদিক থেকে সমালোচনা শুনছিলেন তিনি।

বাংলাদেশকে ভালোবেসে তিনি টাইগারদের সঙ্গে থাকতে মরিয়া ছিলেন। এমনকি প্রধান কোচ থেকে স্রেফ ব্যাটিং কোচ হয়ে থেকে যাওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। এরপরও তাকে আর রাখেনি বোর্ড।

শনিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সেই স্মৃতিচারণ করলেন সিডন্স। জানালেন, বাংলাদেশকে ভালোবেসে এখানে থাকতে চেয়েছিলেন, কিন্তু কিছু লোক তা বিশ্বাস করেনি।

ফের বাংলাদেশে আসা প্রসঙ্গে সিডন্স বলেন, ‘সবশেষের বার আমি বাংলাদেশকে ভালোবেসেছিলাম, কিন্তু কিছু লোক তা বিশ্বাস করেনি। আগেরবারের তিন বছর আমার ভালো লেগেছে। অপেক্ষায় ছিলাম ও আশা করছিলাম, কোনো একটি সুযোগ আবার আসবে। এখন, এই তো আমি এখানে।’

এমন বিদায়ের পরও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে ভাটা পড়েনি সিডন্সের। যোগাযোগটা রেখেছিলেন নিজের তাগিদেই।

সিডন্স বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগটা আমার টিকেই ছিল। বোর্ড সদস্যদের সঙ্গে, যাদের খুব ভালো করে চিনতাম এবং ক্রিকেটারদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ হতো। এবার একটি সুযোগ আসে এইচপি দলের ব্যাটিং পরামর্শক হওয়ার। যেখানে জুনিয়রদের সঙ্গে জাতীয় দলও ছিল। জাতীয় দলে ক্রিকেটারদের সঙ্গে তো কাজ করতামই। সেটা পূর্ণকালীন নাকি নয়, তা নিশ্চিত ছিলাম না। সেটাকে পাত্তাও দেইনি।’

স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে, স্ত্রীকে হত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যা প্রচার!

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের পর পরিবারে অশান্তি দেখা দেয়। একপর্যায়ে নির্যাতনে স্ত্রীকে হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যা প্রচার চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাকারা বটতলী কসাইপাড়া থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মিনার নাহার পুতুমনি (২৮) একই এলাকার মকছুদ আহমদের মেয়ে।

নিহত মিনার নাহারের ভাই মো. দিদার যুগান্তরকে জানান, আট বছর আগে একই গ্রামের ফরিদুল আলমের ছেলে আলাউদ্দিনের সঙ্গে একই এলাকার মিনার নাহারের বিয়ে হয়।

তাদের পরিবারে এক কন্যা ও এক ছেলেসন্তান রয়েছে। বিগত কিছু দিন আগে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ তৈরি হয়। এর মধ্যে আলাউদ্দিন দ্বিতীয় বিয়ে করে বসে। স্বামী অন্যত্র বিয়ে করার কথা শুনে মিনার নাহার পুতুমনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বামী আলাউদ্দিনও প্রায় সময় তাকে মারধর করতেন।

তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকত জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমার বোনকে তার স্বামী শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে খুন করেছে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল ৯ টায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় মিনার নাহার পুতুমনির ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলেও শুনতে পান তারা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহাবউদ্দিন জানান, স্বামী আরেকটি বিয়ে করেছে। ফলে স্ত্রী মিনার নাহার পুতুমনি বাপের বাড়ি চলে যায়। এ নিয়ে পরিষদে বিচার হয়েছে, তারা দুজন সমঝোতায় এসে ফের সংসার শুরু করেন। কিন্তু সন্ধ্যায় শুনলাম তাকে সবাই নির্যাতন করে মেরে মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে!

চকরিয়া থানার এসআই মাঈনউদ্দিন জানান, কাকারা এলাকায় এক গৃহবধূর মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করি। এলাকাবাসী থেকে জানতে পারি, মৃত্যুর আগে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিষক্রিয়া ওয়াশ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করে; কিন্তু অভিভাবকরা সেখানে না নিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চকরিয়া থানার পরিদর্শক তদন্ত জুয়েল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যায় কাকারা এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত দুদিনে চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকা থেকে দুই গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করার পর আজকে কাকারা এলাকা থেকে অপর গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

মাহফিলে দোকান বসানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

ওয়াজ মাহফিলে দোকান বসানো কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুরে উপজেলা মহেশপুর ইউনিয়নের ধানজাইল গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহতদের কাশিয়ানী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ধানজাইল পূর্বপাড়া বাইতুন নুর জামে মসজিদে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে দোকান বসানো নিয়ে ওই গ্রামের সোহেল মিয়ার ছেলে মেহেদী মিয়া ও মনোয়ার মোল্যার ছেলে হাসান মোল্যার মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত গণ্যমান্য লোকজন সমঝোতা করে দেন। এরই জের ধরে শনিবার দুপুরে হাসান মোল্যার চাচাতো ভাই আব্দুর রহমান আলফাডাঙ্গা কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে গাজীপুর এলাকায় পৌঁছালে মেহেদীসহ ১২ যুবক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

পরে দু’পক্ষের লোকজন ঢাল-সড়কি, রামদা ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে কলেজ শিক্ষার্থীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

আহতরা হলেন- মো. হাবিবুর রহমান মোল্যা (৫৫), সানোয়ার মোল্যা (৫০), সোহেল মোল্যা (৩৫), মমিন মোল্যা (২৫) রতন মোল্যাসহ (২৪) ১০ জন। গুরুতর আহত রতনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

কাশিয়ানী থানার এসআই মো. আজিজুর রহমান বলেন, ওয়াজ মাহফিলে দোকান বসানো নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকার একটা ভালো কাজ করল: ডা. জাফরুল্লাহ

নিজের দেওয়া তালিকা থেকে নতুন সিইসি (কাজী হাবিবুল আউয়াল) বেছে নেওয়ায় রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে জাফরুল্লাহ বলেন, সরকার একটা ভালো কাজ করল। এখন সরকার যদি তাকে (নতুন সিইসি) বিরক্ত না করে, তাকে যদি তার মতো করে চলতে দেয়, তাহলে তিনি খারাপ করবেন না। তার অনেক সাহসী গুণাবলী আছে।

সার্চ কমিটির কাছে নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার পছন্দের যে আটজনের নাম প্রস্তাব করেছিলেন- সেই তালিকায় ৮ নম্বরে থাকা সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়ালকে নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে বেছে নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

শনিবার বিকালে নতুন ইসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি পর সন্ধ্যায় জাফরুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, কাজী হাবিবুল আউয়ালের নাম আমি প্রস্তাব করেছিলাম। নাম প্রস্তাব করার আগে তার সঙ্গে আমার কোনো আলাপ হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে চিনি। তিনি একজন সৎ লোক। তিনি খারাপ করবেন না।

ডা. জাফরুল্লাহ আশা প্রকাশ করে বলেন, আমি আশা করব- উনি (সিইসি) নির্বাচনে কারো কথা শুনবেন না। উনাকে এখন সবার সমর্থন দেওয়া দরকার। আমি মনে করি, বহুদিন পরে আমরা একজন সহাসী লোক পেয়েছি।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়ালকে নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার নেতৃত্বাধীন ইসির নতুন ৪ কমিশনার হলেন- বেগম রাশিদা সুলতানা (জেলা ও দায়রা জজ, অবসরপ্রাপ্ত), আহসান হাবীব খান (ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, অবসরপ্রাপ্ত), মো. আলমগীর (সিনিয়র সচিব, অবসরপ্রাপ্ত) ও আনিছুর রহমান (সিনিয়র সচিব, অবসরপ্রাপ্ত)।

গত ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন গঠনে প্রথমবারের মতো আইন প্রণয়ন করে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও সুধীজনের কাছ থেকে নাম আহ্বানের সিদ্ধান্ত হয়। একইসঙ্গে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক আহ্বান করে সার্চ কমিটি। সরাসরি ও ইমেইলের মাধ্যমে সার্চ কমিটির কাছে প্রায় পাঁচশজনের নাম জমা পড়ে।

বিশিষ্টজনদের মধ্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরীও আমন্ত্রণ পেয়ে সার্চ কমিটির সঙ্গে বসেন। সেখানে ইসির জন্য তার পছন্দের ৮টি নামের তালিকা দেন সার্চ কমিটির হাতে। সেই প্রস্তাবিত তালিকায় যারা ছিলেন, তারা হলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন এবং নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সাবেক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, সাবেক সচিব শওকাত আলী, খালেদ শামস, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল ও সাবেক আইনসচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল।

পরে জাফরুল্লাহ চৌধুরীও সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এম সাখাওয়াত হোসেনের নাম প্রস্তাব করেছি। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি নাজমুন আরা, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বদিউল আলম মজুমদারের নাম প্রস্তাব করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু অনুসন্ধান কমিটি ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবে, তাই নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আরও দু–তিনজনের নাম বলেছি। তার মধ্যে সাবেক সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল, খালেদ শামসের নাম বিবেচনা করা যেতে পারে।’

নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কী বলছে

ভোটের প্রতি দেশের মানুষের আস্থা ফেরানোই নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। তাদের মতে, বিদায়ী কমিশনের নেতৃত্বে গত ৫ বছরে জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ে যে ভোট হয়েছে- তাতে মানুষের মতামত প্রতিফলিত হয়নি। বরং অনেক জায়গায় ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। এ কারণে সাধারণ মানুষের ভোটের প্রতি এক ধরণের অনাস্থা তৈরি হয়েছে। নবগঠিত ইসির প্রথম কাজ হবে মানুষের আস্থা ফেরানো।

দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির দাবি, সরকারের অনুগত লোক দিয়েই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, এটা আরেকটি হুদা কমিশন। এসব নিয়ে তাদের কোনো আগ্ৰহ নেই। শেখ হাসিনার সরকার বা তাদের করা কমিশনের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে না। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। ওই সরকার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। তার অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে তাতে বিএনপিসহ সব দল অংশগ্রহণ করবে।

শনিবার যুগান্তরকে দেওয়া আলাদা প্রতিক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা এসব কথা বলেন। এর আগে সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়ালকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম রাশিদা সুলতানা, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবীব খান এবং সাবেক সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর ও আনিছুর রহমানকে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) হিসেবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

নতুন নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নতুন নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সরকারের পছন্দের লোক। তারা সবাই সরকারের অনুগত, সুবিধাভোগী ও তোষামোদকারী। এদের অধীনে নির্বাচনে যাবেন না তারা। নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে তার দলের কোনো আগ্রহ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের কাছে এটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো কমিশন কাজ করতে পারবে না। এটা জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে। আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, সরকাররকে পদত্যাগ করে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। ওই সরকার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। তার অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে তাতে আমরাসহ সব দল অংশগ্রহণ করবে।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার যে নাটক করেছে যার শেষ ধাপ ছিল আজ (শনিবার)। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের দিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সার্চ কমিটি সরকারের তালিকা অনুযায়ী লোকদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতিও সরকারের দেওয়া পাঁচজনের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এটা পুরোটাই নাটক।

নতুন নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা এ সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ হয়েছে। প্রশাসনের সর্বত্র সরকারের লোকজন। যারা নিয়োগ পেয়েছেন তারা সরকারের সুবিধাভোগী। সরকার তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। অনুগত বলেই তাদের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এ কমিশন নিয়ে আমাদের কোনো আগ্ৰহ ছিল না। এখনো নেই। নতুন ইসিতে যাদের নাম দেখলাম এটা আরেকটি হুদা কমিশন হয়েছে। এদের প্রত্যেকেই শেখ হাসিনা সরকারের সুবিধাভোগী।

নবগঠিত নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে জানতে চাইলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি। তিনি বলেন, গত ৫ বছরে দেশের মানুষের নির্বাচনের প্রতি যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণে কাজ করবে নতুন কমিশন- এমনটাই আমি আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনি ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি নানা কারণে ভেঙে পড়েছে। এই ভেঙে পড়া ইসিকে পুনর্গঠন, পুনর্বিন্যাস করে এবং নির্বাচনের প্রতি জন আস্থা ফিরিয়ে আনাই হবে নতুন ইসির জন্য আগামী দিনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আর যদি তারা তা করতে ব্যর্থ হন- তাহলে ফলাফল কারও জন্যই সুখকর হবে না।

সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং চার নির্বাচন কমিশনারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি আশা করি নির্বাচন কমিশন গঠনের আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটির মাধ্যমে সুপারিশকৃত দশজন উপযুক্ত ব্যক্তির মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি কমিশন গঠন করেছেন। এই কমিশন দেশের সংবিধান ও আইনকে সমুন্নত এবং নির্বাচন কমিশনের মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে আগামীতে তাদের মেয়াদকালে অনুষ্ঠিতব্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে সাফল্য অর্জন করবেন।

জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, ‘কাজী হাবিবুল আউয়ালকে (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) চিনি, জানি। তার সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। কিন্তু বাকি চার কমিশনার সম্পর্কে তেমনটা জানি না। আমরা খোঁজখবর নেব। তারপর প্রতিক্রিয়া জানাব।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, কাল (রোববার) বেলা ১১টায় বনানীর পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয় রজনীগন্ধায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা শেষে তারা নবগঠিত নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে দলীয় অবস্থান এবং বক্তব্য সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরবেন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সরকারের আস্থাভাজন ও ঘনিষ্ঠজন বলে বিবেচিত লোকদের দিয়েই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে- এটাই বাস্তব সত্য।

তিনি আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে দুজনকে চিনি না, বাকি তিনজনকে ভালোভাবে চিনি। যাদের চিনি তারা সরকারেরই আস্থাভাজন বলে বিবেচিত। সাইফুল হক বলেন, প্রয়োজন ছিল মেরুদণ্ডসম্পন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন। সেরকমটা না করে সরকার অতীতের ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে নিজেদের পছন্দের এবং আস্থাভাজন লোক দিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। এতে করে ভবিষ্যতে সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

ইয়াবা-ফেনসিডিলসহ ৬১ জনকে গ্রেফতার

ইয়াবা-ফেনসিডিল এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ ৬১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদক সেবন ও কেনাবেচায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। শনিবার ভোর ৬টা থেকে রোববার ভোর ৬ টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ৩৫৪৯ পিস ইয়াবা বড়ি, ১৮০ বোতল ফেনসিডিল, ১৪.৫ গ্রাম ৯৩ পুরিয়া হেরোইন, ৭ কেজি ২৯০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৪টি মামলা করা হয়েছে।