শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 364

ফেসবুক লাইভে এসে রাবির সাবেক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ফেসবুক লাইভে এসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদের সোহাগ খন্দকার নামের এক সাবেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিলে শনিবার ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারুকলা অনুষদের ওই বিভাগের ২০১০-১১ সেশনের শিক্ষার্থী নুর আহম্মেদ।

সোহাগ খন্দকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষের চারুকলা অনুষদের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার কয়ানিজপাড়া গ্রামে।

আত্মহত্যার আগে সোহাগ খন্দকার তার ফেসবুক টাইমলাইনে চারটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসগুলো হলো— ‘ভালো থাকুক সেসব মানুষ যারা শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। যার কাছে অন্যের গুরুত্ব নাই বললেই চলে;’ ‘যদি কেউ আমার উপর কষ্ট নিয়ে থাকেন। আল্লাহর দোহাই মাফ করে দিবেন;’ ‘জীবনের কাছে হার মেনে গেলাম। আমি আর পারলাম না;’ এবং ‘একটা মানুষ যখন আর জীবনের কাছে যখন হেরে যায় তখন আর করার কিছু থাকে না।’

সোহাগ খন্দকারের বিভাগের জুনিয়র শিক্ষার্থী নুর আহম্মেদ জানান, শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সোহাগ। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সোবহান বলেন, বিষয়টি আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছ থেকে শুনেছি। তার পরিবার থেকে কোনো তথ্য এখনো পাইনি। যদি ঘটনা সত্য হয়, তবে তা খুব বেদনাদায়ক। আত্মহত্যা কোনো সমাধান হতে পারে না।

সিনেমায় নায়িকা ‘সংকট’, যা বললেন শাবনাজ

বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমায় নায়িকা–সংকটে ভুগছে ঢাকাই সিনেমা অঙ্গন।

নায়িকা সংকটের বিষয়টি মানতে নারাজ অনেক পরিচালক- প্রযোজক। তাদের মতে, নায়িকা আছেন কিন্তু দর্শক গ্রহণযোগ্য নায়িকার সংকট আছে।

পরীমনি, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, বিদ্যা সিনহা মিম, ববি, নুসরাত ফারিয়া, শবনম বুবলী, পূজা চেরি. দীঘির মতো নায়িকারাও সিনেমা হলে দর্শক টানতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

যে কারণে পরিচালকরা নতুন মুখের সন্ধানে নেমেছেন বলে খবর।

তবে এটাও কোনো সমাধান নয় বলে জানিয়েছে গুণী নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান।

সোহানসহ চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, শাবানা, ববিতা, চম্পাদের পর তাদের জায়গা দখল করেন শাবনাজ, শাবনূর, মৌসুমী, পপি, পূর্ণিমা। তারা দর্শকের মন জয় করে নেন। সেই সময় নায়কদের পাশাপাশি এই নায়িকাদের নামেও সিনেমা চলত। কিন্তু গত দেড় দশকে সেই অবস্থা আর নেই।

দেশের চলচ্চিত্রে নায়িকাদের এমন নাজুক অবস্থান কেন? সে প্রসঙ্গে এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনাজ বলেন, ‘আমার প্রথম ছবি চাঁদনী ছিল নায়িকার নাম দিয়েই। আমি ২২টি ছবিতে অভিনয় করেছি। এর মধ্যে পাঁচ-ছয়টি ছবি ছিল নায়িকার নামে। তারও আগে শাবানা আপা, ববিতা আপাদের নামে সিনেমা চলত। কিন্তু এখন কি সেই ধরনের গল্পে ছবি তৈরি হচ্ছে? আমাদের সময় একেকজন পরিচালক একেকভাবে আমাদের উপস্থাপন করেছেন। এতে দর্শক ভিন্ন কিছু পেয়েছেন। দর্শকও গ্রহণ করেন আমাদের। এখন তা কোথায়?’

নায়িকাদের এ ব্যর্থতার কারণ হিসেবে শাবনাজ মনে করেন, ভালো গল্প এর অন্যতম কারণ। নায়িকাদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

শাবনাজ বলেন, ‘এখন ভালো গল্প, ভালো চিত্রনাট্যের অভাব আছে। তা ছাড়া আমাদের সময় যেসব নায়িকা ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো করেছেন, পারিশ্রমিকের সঙ্গে সঙ্গে ভালো কাজের তাগিদটাও বেশি ছিল তাদের। এখন যারা কাজ করছেন, তাদের পারিশ্রমিকের দিকে নজরটা একটু বেশি থাকে।’

বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার বলিউড অভিনেত্রী

বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আয়েশা তাকিয়া।

গোয়া বিমানবন্দরে অভিনেত্রীকে বিমানবন্দরে কর্তব্যরত এক পুলিশ অফিসারসহ আরো দুজনের বিরুদ্ধে হেনস্তা করেন বলেন অভিযোগ এনেছেন আয়েশার স্বামী ফারহান আজমির।

অভিযুক্তরা হলেন – অফিসার আর পি সিং, এ কে যাদব, কমান্ডার রাউত এবং সিনিয়র অফিসার (এসপি ক্যাটাগরি) বাহাদুর।

এ নিয়ে টুইটে ফারহান আজমি প্রতিবাদ জানালে ভারতে সাড়া পড়ে যায়।

ফারহানের অভিযোগ, দুই নিরাপত্তা কর্মী তাদের উদ্দেশ্যে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেছেন।

অভিযুক্ত দুই নিরাপত্তা কর্মীর ছবিসহ টুইটারে গোটা ঘটনার বিবৃতি দিয়েছেন ফারহান।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ফারহান লেখেন, ইন্ডিগোর শুক্রবার ৮টা ৪০ মিনিটের একটি ফ্লাইটে আমরা মুম্বাই যাচ্ছিলেন। গোয়া বিমানবন্দরে অফিসার আর পি সিং, এ কে যাদব, কমান্ডার রাউত এবং সিনিয়র অফিসার বাহাদুর বর্ণবাদী আচরণ করেন। উদ্দেশ্যমূলকভাবে তার স্ত্রী আয়েশাকে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেন।

শুধু তাই নয়; বিমানবন্দরে উচ্চস্বরে তার (ফারহান) নাম উচ্চারণ করে অপমান করে তারা। তার পকেটে হাত দিয়ে তল্লাশি চালান নিরাপত্তা রক্ষীরা।

বাংলাদেশ সফরের আগে কোচ নিয়োগ দিল শ্রীলংকা

আগামী মাসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অংশ নিতে বাংলাদেশ সফরে আসবে শ্রীলংকা ক্রিকেট দল। ঢাকা সফরের আগে প্রধান কোচ নিয়োগ দিল লংকানরা।

সবশেষ অ্যাশেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে চাকরি হারান সিলভার উড। ইংল্যান্ডের সাবেক এই প্রধান কোচকেই নিয়োগ দিল শ্রীলংকা।

শনিবার এক বিবৃতিতে ক্রিকেট শ্রীলংকা জানায়, দুই বছরের চুক্তি হয়েছে ইংল্যান্ডের সাবেক এই কোচের সঙ্গে। মিকি আর্থার পদত্যাগ করার পর কয়েক মাস ধরে শ্রীলংকার স্থায়ী প্রধান কোচের পদটি খালি ছিল।

গত বছরের শেষের দিকে শ্রীলংকার কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান আর্থার। এরপর তিনি যোগ দেন ডার্বিশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবে।

আত্মঘাতী ব্যাটিংয়ে বিপদে বাংলাদেশ

তাইজুল ইসলামের ছয় উইকেটের পরও প্রথম ইনিংসে ৪৫৩ রানের পাহাড় গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দেখিয়ে দিয়েছে সেন্ট জর্জেস পার্কের উইকেট কতটা ব্যাটিংবান্ধব। সেই উইকেটেই আত্মঘাতী ব্যাটিংয়ে শনিবার পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের দ্বিতীয়দিন শেষে মহাবিপদে বাংলাদেশ। পাঁচ উইকেটে ১৩৯ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। এখনো পিছিয়ে তারা ৩১৪ রানে। শুধু ফলো-অন এড়াতেই আরও দরকার ১১৫ রান। মুশফিকুর রহিম ৩০ ও ইয়াসির আলী অপরাজিত আট রানে। ক্রিজে নামার সময় বাংলাদেশের ব্যাটাররা যেন ধৈর্য নামের বস্তুটা সাজঘরে রেখে আসেন। যার আদর্শ উদাহরণ হতে পারেন তামিম ইকবাল। প্রায় এক বছর পর টেস্ট খেলতে নামা তামিম ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট চালিয়ে নিজের উইকেটটা বিলিয়ে দিয়ে আসেন। ৫৭ বলে করেন ৪৭ রান। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদুল হাসানকে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরিয়েছিলেন ডুয়ানে অলিভিয়ের। দ্বিতীয় উইকেটে ৭৯ রানের জুটিতে সেই ধাক্কা অনেকটাই সামাল দিয়েছিলেন তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৩৩)। কিন্তু শেষ বিকালে উইয়ান মুলডারের মিডিয়াম পেসে ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। শুরুটা তামিমকে দিয়ে। অফ-স্টাম্পের বাইরে পিচ করে ভেতরে ঢোকা বল অকারণে অনসাইডে খেলার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়েন তামিম। পরের ওভারে একই কৌশলে নাজমুলকে ফেরান মুলডার। একটু পর অধিনায়ক মুমিনুল হককেও এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তিনি। ১২২ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসাবে বিদায় নেন লিটন দাস। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে তাকে বোল্ড করেন অলিভিয়ের। ব্যাটিংয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ফলো-অন এড়ানো খুব কঠিন হবে বাংলাদেশের জন্য।

২৭৮/৫-এ দ্বিতীয়দিন শুরু করা দক্ষিণ আফ্রিকা লাঞ্চে যায় সাত উইকেটে ৩৮৪ রান স্কোর বোর্ডে জমা করে। দ্বিতীয়দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ দুটি উইকেট পেলেও মহারাজের ফিফটি স্বাগতিকদের ৪০০-র কাছাকাছি নিয়ে যায়। দিনের শুরুতে খালেদ আহমেদের সঙ্গে ভেরেইনের কথা কাটাকাটি খানিকটা উত্তেজনা ছড়ায়। পরে ভেরেইনের (২২) মিডল স্টাম্প ছিটকে দেন খালেদই। প্রথমদিনের মতো কালও বাংলাদেশকে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন এই ডান-হাতি পেসার।

এদিন প্রথম সেশনে প্রোটিয়ারা দুই উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান যোগ করে। এর মধ্যে মহারাজ তুলে নেন টেস্টে নিজের চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি। উইয়ান মুলডার (৩৩) তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। এ দুজন সপ্তম উইকেটে যোগ করেন ৮৪ রান। লাঞ্চের আগে ৫৬ রানে অপরাজিত ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাঁ-হাতি স্পিনার মহারাজ মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর বাইশ গজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। বলা ভালো, তাকে সম্পর্ক চ্ছিন্ন করতে বাধ্য করেন তাইজুল। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাওয়া মহারাজকে ৮৪ রানে থামান বাংলাদেশের বাঁ-হাতি অফ-স্পিনার। স্লগ সুইপ শট খেলতে গিয়ে মিস করেন প্রোটিয়া ব্যাটার। বল আঘাত করে মিডল স্টাম্পে। মহারাজের চমৎকার ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। ৯৫ বলের ইনিংসে নয়টি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকান মহারাজ। স্বাগতিকদের রেখে যান তিনি ৪১৮/৮-এ। মহারাজ সেঞ্চুরি মিস্ করলেও তাইজুল পেয়ে যান ইনিংসে নিজের পঞ্চম উইকেট। হারমারকে (২৯) আউট করার মধ্য দিয়ে তাইজুল নিজের ষষ্ঠ শিকার ধরেন। তৃতীয় আম্পায়ারের মাধ্যমে হারমারের নিশ্চিত আউট তাইজুলকে এনে দেয় তার ১৫০তম টেস্ট উইকেট। তাইজুলের ছয় উইকেট ছাড়াও খালেদ আহমেদ পান তিন উইকেট। শেষ ব্যাটার লিজার্ড উইলিয়ামসকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে ৪৫৩ রানে প্রোটিয়াদের প্রথম ইনিংসের যবনিকাপাত টানেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

গুগলে ডাক পেলেন ববি শিক্ষার্থী

বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্ট গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ডাক পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবু সায়েমকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লিখেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্ট গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জবের অফার পেয়েছেন আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ। এটা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বড় অর্জন।

তিনি আরও লেখেন, আবু সায়েম টিম রবোট্রাসে হয়ে এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আইসিপিসি এবং এনসিপিসিতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। ২০১৭-২০ সালে এই টিমের অফিসিয়াল কোচ হিসেবে আমি গর্বিত। তার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা। আশা করি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীও তার পথ অনুসরণ করবে।

আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ বলেন, সিএসইতে যারা পড়ে তাদের সবারই ইচ্ছা থাকে গুগলের মতো কোনো না কোনো জায়গায় জব করার। আমারও এই ইচ্ছাটা ছিল। প্রথম বর্ষ থেকেই কন্টেস্ট প্রোগ্রামিং করতাম। আমি যখন সপ্তম সেমিস্টারে ছিলাম তখন সিঙ্গাপুর থেকে একটা অফার পেয়েছিলাম৷ ওই সময় থেকে ইচ্ছা ছিল যেহেতু একটাতে হয়েছে এখন দেখি আসল টার্গেট গুগলে হয় কিনা।

তিনি আরও বলেন, গুগলের ইন্টারভিউ প্রসেসটা অনেক লম্বা এবং কঠিন। গত নভেম্বরে আমার ইন্টারভিউ শুরু হয়। এই চার-পাঁচ মাসে অনেক রাউন্ড, প্রসেস পার করে ফাইনালি গতকাল অফারটা পেয়েছি। প্রত্যেকটি রাউন্ড শেষেই অনেক টেনশন ছিল এর পর কী হবে না হবে। ফাইনালি সব কিছু পার করে অফার পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না।

ঘুস নেওয়ায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

ঘুস নেওয়ার অভিযোগে রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। তাদের প্রত্যাহার করে রাজশাহী জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গত শুক্রবার রাত ৯টার সময় জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে এ দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছেন মুন্ডুমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মাসুদ রানা।

প্রত্যাহারকৃতরা হলেন- এসআই নজরুল ইসলাম ও এএসআই সাহাজুল ইসলাম।

এই দুজনের বিরুদ্ধে ঘুস গ্রহণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়াই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে পুলিশ লাইনে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুন্ডুমালা পৌর এলাকার চুনিয়াপাড়া গ্রামে হামদুল নামের এক ব্যক্তি সরকারি খাসজমির ওপরে ব্যক্তিমালিকানাধীন সাবমার্সেবল পাম্প বসানোর চেষ্টা করছিলেন। গ্রামবাসী তাতে বাধা দেয় এবং মুন্ডুমালা পৌর মেয়রের কাছে একই জায়গায় বড় পাম্প বসানোর দাবি করেন গ্রামের মানুষ। এতে করে পুরো গ্রামবাসীর খাওয়ার পানির ব্যবস্থা হবে। মেয়র সাইদুর রহমান গ্রামবাসীর পক্ষে মত দিয়ে পাম্প বসানোর প্রতিশ্রতি দেন।

এরই মধ্যে শুক্রবার সকালে হঠাৎ মুন্ডুমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত এসআই নজরুল ইসলাম ও এএসআই সাহাজুল ইসলাম ব্যক্তিমালিকানাধীন হামদুলের পক্ষ নিয়ে তার কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সরকারি জায়গায় পাম্প বসানোর কাজ শেষ করেন।

এদিকে শুক্রবার বিকালে দুই পুলিশ কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মিছিল করতে এলাকাবাসী মুন্ডুমালা বাজারে জড়ো হয়। বিষয়টি টের পেয়ে পৌরসভার মেয়র সাইদুর রহমান জেলা পুলিশ সুপারকে মোবাইলে বিষয়টি অবহিত করেন।

এর পর পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার গোদাগাড়ী সার্কেল আসাদুজ্জামানকে ঘটনাস্থলে পাঠান। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে আসেন তানোর থানা ওসি কামরুজ্জামান মিয়া। তারা প্রাথমিক তদন্ত করে দুই পুলিশ কর্মকর্তার ঘুস নেওয়ার সত্যতা পান।

তানোর থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ঘটনার সত্যতা পেয়ে শুক্রবার রাতে তাদের পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী কখন নির্বাচিত হবেন?

পাকিস্তানের ইতিহাসে অনাস্থা ভোটে হেরে যাওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাম লেখালেন ইমরান খান।

শনিবার মধ্যরাতে অনাস্থা ভোটে হেরে যান তিনি। দেশটির ইতিহাসে অনাস্থা ভোটে হেরে কোনো প্রধানমন্ত্রী পদ হারাননি।

বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবে ইমরানের বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে ১৭৪টি। প্রস্তাব পাসের জন্য দরকার ছিল ১৭২ ভোট।

পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইমরান খান। তার পতনের মধ্য দিয়ে দেশটির নির্বাচিত একজন প্রধানমন্ত্রীও তার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারলেন না।

এদিকে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে নতুন সংসদ নেতা পদে মনোনয়নপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয়ে নতুন সংসদ নেতা পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, আগামীকাল (সোমবার) নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হবে।

এবার জল্পনা-কল্পনা কে বসছেন ইমরান খানের আসনে। নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন সদ্য সাবেক বিরোধী দলনেতা শাহবাজ শরিফ।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে থাকা শাহবাজ শরিফ ফলপ্রকাশের পর পরই জানিয়েছেন, প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন তিনি। ‘পুরনো পাকিস্তানকে স্বাগত’ বলে আনন্দ প্রকাশ করেন অন্যতম বিরোধী নেতা বিলাওল ভুট্টো।

এরই মধ্যে ইমরান খান ইসলামাবাদ ছেড়েছেন বলে খবর প্রকাশ পেয়েছে।

ফলাফল ঘোষণার পর স্পিকার আয়াজ সাদিক শাহবাজ শরীফকে বক্তৃতা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

শাহবাজ কার বক্তৃতায় বলেন, আমরা এই নতুন দিনটি দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, নতুন সরকার গঠন হলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর কোনো প্রতিশোধ নেওয়া হবে না।

ইমরানের অনাস্থা ভোটের অধিবেশনটি শনিবার চার বার মূলতবি করা হয়েছিল।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরু হয়। কিন্তু অনাস্থা ভোটের আগে ইমরান খানের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংসদের ভেতর তুমল হট্টগোলে জাতীয় পরিষদের স্পিকার সাময়িকভাবে অধিবেশন মুলতবি করেন।

এর দুই ঘণ্টা পর আবার অধিবেশন শুরু হয়। পরে দেওয়া হয় যোহরের নামাজের বিরতি। এরপর পুনরায় শুরু হলে আবারও হট্টগোলে বিরতিতে যান স্পিকার। পরে দুদফায় দেওয়া হয় ইফতার ও এশার নামাজের বিরতি। রাত সাড়ে ৯টায় তা আবার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিলম্বিত হয়।

শেষমেষ পাকিস্তান সময় শনিবার রাত ১২টা বাজার ১০ মিনিট আগে অনাস্থা ভোট শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খানের শেষ নির্দেশ কী ছিল?

রাতভর নাটকীয়তার পর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে (পার্লামেন্ট) অনাস্থা ভোটে হেরে ইমরান খান প্রধানমন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। স্পিকারের পদত্যাগের পর তার ভাগ্য নির্ধারণী ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

স্পিকার আসাদ কায়সারের পদত্যাগের পর প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ত্যাগ করেন ইমরান খান। পিটিআইয়ের সিনেটর ফয়সাল জাভেদ খান এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সরকারি বাসভবন থেকে তিনি বিদায় জানিয়েছেন।

টুইটে তিনি লেখেন এইমাত্র ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রীর হাউস থেকে বিদায় দেখেছি। তিনি সদয়ভাবে বেরিয়ে গেলেন এবং মাথা নত করলেন না। তিনি পুরো জাতিকে উত্তোলন করেছেন।

শনিবার রাত ২টার দিকে পাকিস্তান মুসলিম লিগের (এন) সদস্য আয়াজ সাদিকের পরিচালনায় অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমরান খানের বিরুদ্ধে ৩৪২ জন আইনপ্রণেতার মধ্যে ১৭৪ জন ভোট দেন। যদিও বিরোধীদের ১৭২ জনের সমর্থন দরকার ছিল।

শনিবার গভীর রাতে ভোটাভুটি শুরুর কয়েক মিনিট আগে স্পিকার আসাদ কায়সার পদত্যাগ করেন। এ সময় তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হতে তিনি পারবেন না।

প্রধানমন্ত্রীর হাউস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় কিছু আদেশ জারি করেছেন ইমরান খান। সাবেকে এ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক যোগাযোগের বিশেষ সহকারী শাহবাজ গিল জানান, অফিস ছাড়ার আগে ইমরান খান তার প্রধান সচিব আজম খানকে সংস্থাপন বিভাগে রিপোর্ট করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ইমরান খানের শেষ আদেশ নিয়ে টুইটারে একটি পোস্ট করেন শাহবাজ গিল।

এতে তিনি লিখেছেন, ইমরান খান তার পেশাদারিত্বের জন্য আজম খানের প্রশংসা করেছেন এবং ‘অত্যন্ত সততা ও অধ্যবসায়’ এর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার কারণে তার পরিষেবার স্বীকৃতি দিয়েছেন।

আজম খানের বদলির আদেশ–সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সচিব হিসেবে কর্মরত আজম খানকে অ্যাস্টাবলিশমেন্ট ডিভিশনে বদলি করা হলো। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

রিজার্ভ থেকে আয় কমেছে ২১০ কোটি টাকা

করোনার প্রভাবে গত প্রায় দুই বছর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অর্থ বিনিয়োগ করে আয় আরও কমেছে। গত এক বছরের ব্যবধানে এ খাতে আয় কমেছে ২১০ কোটি টাকা বা প্রায় ৪ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার মান কমে যাওয়ার গতি রোধ হওয়ায় এবার পরোক্ষ লোকসান হয়নি। যা আগের বছর হয়েছিল। তবে বিভিন্ন খাতে এবার আয় বেশি হারে কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে এ খাতে আয় হয়েছিল ৫৩৯৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে আয় হয়েছে ৫২৮৫ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে আয় কমেছে ২১০ কোটি টাকা বা প্রায় ৪ শতাংশ। এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে আয় কম হয়েছিল ১৯৮৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে এবার আয় কমার হার হ্রাস পেয়েছে। গত অর্থবছরে করোনার ধকল কম ছিল। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা বাণিজ্যে গতি ফিরতে শুরু করেছে। ফলে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মান বাড়তে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রা থেকে আয় কমার প্রবণতা হ্রাস পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অর্থ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও সরকারি বন্ডে ঝুঁকি বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে। করোনার প্রভাবে গত বছর প্রায় সব দেশের মুদ্রার মান ও বন্ডের সুদের হার কমেছে। এ কারণে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ থেকে আয় কম হয়েছে। তবে লোকসান হয়নি, আয় হয়েছে, কিন্তু আয়ের হার বেশ কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক বন্ডের সুদের হার নেতিবাচক হয়ে গেছে। কোনোটার সুদের হার শূন্যে নেমে গেছে। এসব কারণে এমনটি হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের একটি বড় অংশই বিভিন্ন দেশের সরকারি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। এ থেকে অর্জিত মুনাফা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ হয়। ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক গতিতেই এগোচ্ছিল। ওই বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ২০২০ সালের মার্চ থেকে জুন সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য ছিল স্থবির। ওই সময় থেকেই বিশ্ববাজারে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার দাম কমতে থাকে। একই সঙ্গে কমতে থাকে বিভিন্ন দেশের সরকারের ছাড়া বন্ডের সুদের হার। মূলত ফেব্রুয়ারি থেকে মুদ্রা ও বন্ড বাজারে পতন শুরু হলে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ তুলে নেওয়া শুরু করে। কারণ করোনার প্রকোপ বৃদ্ধিতে সুদের হার ও মুদ্রার দাম কমে যাওয়ায় রিজার্ভের অর্থ বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে আগেই সেগুলো বিক্রি করে দেয়। এতে লোকসানের মাত্রা কমানো সম্ভব হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রার দাম কমে যাওয়ার কারণে রিজার্ভে পরোক্ষ লোকসান হয়েছিল ২৬৬৪ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এ খাতে কোনো লোকসান হয়নি। মুদ্রার মান বেড়েছে ১০৯৩ কোটি টাকা।

করোনার প্রকোপ কমায় গত অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মুদ্রার মানও বেড়েছে। ফলে আয়ের নেতিবাচক ধারা ও লোকসানের হার কমে এসেছে।

প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রা থেকে আয় হয়েছিল ৪৯৬৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এ খাতে আয় হয়েছে ২৫৭৭ কোটি টাকা। এ সময়ে আয় কমেছে ২২৮৯ কোটি টাকা বা ৪৬ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সুদ বাবদ আয় হয়েছিল ৪৯৩২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে হয়েছে ২৫৪৫ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে সুদ বাবদ আয় কমেছে ২৩৮৭ কোটি টাকা বা ৪৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। একই সময়ের ব্যবধানে কমিশন বাবদ আয় ৩৪ কোটি টাকা থেকে কমে ৩২ কোটি ডলারে নেমেছে। আয় কমেছে দুই কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, করোনার সময়ে ২০২০ সালের মাঝামাঝিতে ইউরো বন্ডের সুদের হার নেতিবাচক অবস্থায় গিয়েছিল। ডলার বন্ডের সুদের হার দশমিক ৩৫ শতাংশ থেকে কমে দশমিক ১২ শতাংশে নেমে এসেছিল। এ ছাড়া ইউরোর দরপতন হয়েছিল ২৬ শতাংশ, ডলারের ১৮ শতাংশ। অন্যান্য মুদ্রারও দরপতন হয়েছিল। যে কারণে সুদ থেকে আয় কমে গিয়েছিল।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার দাম বাড়ার কারণে ২০১০-২০ অর্থবছরে এ খাতে আয় বেড়েছিল ৪২৭ কোটি টাকা। ২০২১ সালে বেড়েছে ২৬০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে আলোচ্য সময়ে মুদ্রা বিক্রি করে আয় তিন হাজার ৯১ কোটি টাকা থেকে কমে হয়েছে এক হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। এ খাতে আয় কমেছে এক হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা বা ৫১ শতাংশের বেশি।

মুদ্রা বিক্রি করা হয়নি অথচ দাম কমেছে এ কারণে ২০১৯-২০ অর্থবছরে লোকসান ছিল দুই হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে এ খাতে কোনো লোকসান হয়নি। বরং মুনাফা হয়েছে এক হাজার ৯৩ কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, ২০২০ সালে করোনার প্রভাবে যে হারে আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন মুদ্রার মান ও বন্ডের সুদের হার কমেছিল গত বছর তা অনেকটা আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। এতে নতুন করে লোকসান হয়নি। ফলে লাভের মুখ দেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৪২৪ কোটি ডলার। গত ৩০ জুন ছিল ৪৬৪০ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪৩৭০ কোটি ডলার।