শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 348

প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির ইফতার ও দোয়া

দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন বলেছেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে প্রবাসী এবং দেশবাসীর কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, প্রবাসীদের খবরা-খবরে এই যাবত আমিরাতের সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মীরা পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি কনস্যুলেটের বিভিন্ন সেবা প্রসঙ্গে বলেন, প্রবাসীদের কষ্ট করে পাসপোর্ট, প্রবাসী কার্ড এবং অন্যান্য বিষয়ে খবর নিতে দূর-দূরান্ত থেকে টাকা খরচ করে না এসে তাদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা হবে বলে জানান।

রোববার (১৭ এপ্রিল) দুবাই মুড়ি ডিলাক্স রেস্টুরেন্ট হলে আরব আমিরাত প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির (প্রসাস) আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রসাসের সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল মান্নানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুবাই নিযুক্ত বাংলদেশের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন লন্ডনের বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, দুবাই কনস্যুলেটের প্রথম সচিব ( পাসপোর্ট ও ভিসা) মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল, প্রসাস এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ নুরুল আবছার তৈয়বী, মাওলানা ফজলুল কবির চৌধুরী, মাওলানা নুরে বাংলা, প্রসাস এর সাবেক সভাপতি শিবলী আল সাদিক, প্রসাসের উপদেষ্টা মাহাবুব হাসান হৃদয়, প্রসাসের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসিম উদ্দিন আকাশ, প্রসাসের দপ্তর সম্পাদক ওবায়দুল হক মানিক, সেলিম উদ্দিন, মাহাবুব সরকার, প্রকৌশলী আবু হেনা চৌধুরী, শেখ মোক্তিয়ার হোসেন, জয়নাল আবেদিন, মামুন মাহিন, ওবায়দুল হক, মামুন, জায়েদ ঈমাম পারভেজ, শামসুল হক প্রমুখ।
আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেশমুখী কুয়েত প্রবাসীরা

দীর্ঘ দুই বছর করোনা সংকট কাটিয়ে স্বস্তির ও স্বাভাবিক পরিবেশে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে অন্যান্য দেশের প্রবাসীদের মতো কুয়েত প্রবাসীরাও ছুটছেন দেশে। রমজানের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে ঈদের আগমুহূর্তে যাত্রীদের দেশে যাওয়ার চাহিদা আগ্রহ বেশি দেখা যায়। ফলে ঈদ উৎসবকে ঘিরে টিকিটের জন্য ভিড় দেখা যায় ট্রাভেল এজেন্সিগুলোতে।

করোনার পূর্বে কুয়েত-ঢাকা রুটে বাংলাদেশ বিমানের সপ্তাহে ৪টি ফ্লাইট পরিচালনা হতো এখন ৩টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়। যার কারণে বাধ্য হয়ে অন্যদেশে ট্রানজিট এয়ারলাইনসে ঈদের আগ মুহূর্তে দেশে ছুটছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশ বিমানের কুয়েত চট্টগ্রাম রুটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বাড়ি ফিরতে যাত্রাপথে নানা ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয় বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি, ফেনী, নোয়াখালীর কুয়েত প্রবাসীদের। পুনরায় এ রুটে বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবি জানান প্রবাসীরা।

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের ঘরোয়া প্রতিকার

গরমে তেলতেলে ত্বকের সমস্যা অনেকেরই দেখা দেয়। এমন ত্বক বিরক্তির কারণ হয়ে ওঠে। তবে তৈলাক্ত ত্বক মুখের বলিরেখা ও মুখের রঙের পরিবর্তন হওয়া থেকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে।

ত্বক তেলতেলে থাকলে তাতে সহজে ধুলোবালি আটকে যায়। যার ফলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়ে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই এমন হলে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখার বিকল্প নেই।

বাড়িতে খুব সাধারণভাবেই নেওয়া যেতে পারে তেলতেলে ত্বকের যত্ন। নিয়মিত শসার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর হয়ে যায়। শসার রস করে তাতে চালের গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

গোলাপ জল ও লেবুর রস আধা ঘণ্টা মুখে লাগিয়ে রেখে আলতোভাবে তুলা দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। এতে ত্বক পরিষ্কারসহ ব্রণ এবং ফুসকুড়ির দাগ থাকলে সেটিও চলে যাবে।

এক চামচ বেসনের সঙ্গে অল্প হলুদের গুঁড়ো ও টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে তা কিছুক্ষণ মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। এতে মুখের তৈলাক্তভাব দূর হবে।

শসার রসে বেশন বা আটা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে ও গলায় ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে।

ডিমের সাদা অংশ মুখে লাগিয়ে এর ওপর টিস্যু পেপার দিয়ে ১০ মিনিট রাখতে হবে। শুকানো হয়ে গেলে ত্বক পরিষ্কার করে নিলেই ত্বকের লোমকূপ বড় দেখানোর সমস্যা দূর হবে।

নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করলে তা তেলতেলেভাব দূর করতে অনেক কার্যকরী।

রসুনে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক থাকে। অনেকের কাছেই অজানা যে, ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করতে রসুনের পেস্ট ব্যবহারে অনেক সুফল পাওয়া যায়।

চন্দনের গুণাবলি রয়েছে অনেক। ত্বকের তেলতেল ভাব দূর করতে চন্দনের গুঁড়োর সঙ্গে মুলতানি মাটি ও এতে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তা শুকিয়ে যাওয়ার পর ধুয়ে ফেললেই মিলবে তেলহীন মসৃণ ত্বক।

এ ছাড়া শুধু মুলতানি মাটির সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট করে একই পদ্ধতিতে ব্যবহার করলেও দূর হবে তৈলাক্তভাব।

আপেলের রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই মিলবে সুফল।

অল্প অল্প জ্বর কেন হয়?

জ্বরের রকমফের আছে। অনেকের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। আবার কারও ছেড়ে ছেড়ে জ্বর আসে। অনেক সময় হালকা জ্বর থাকে গায়ে, যেটির যন্ত্রণা বেশ কয়েক দিন বইতে হয়।

জ্বরের মাত্রা বহু রোগের নির্দেশ করে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আজিজুর রহমান।

জ্বর নিজে কোনো রোগ নয়, অনেক রোগ প্রকাশ পায় জ্বর রূপে। সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৯৮.৬ ফারেনহাইট। যখন শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তাকে জ্বর বলে। অল্প অল্প জ্বর বলতে যখন শরীরের তাপমাত্রা থার্মোমিটারে ৯৯ থেকে ১০১ ফারেনহাইটের মধ্যে থাকে।

শরীরে দীর্ঘদিন (দুই সপ্তাহের বেশি) অল্প অল্প জ্বর থাকতে পারে যে রোগে—

যক্ষ্মা – লিস্ফোমা – কালাজ্বর, ম্যালেরিয়া – এইচআইভি ইনফেকশন -শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোড়া যেমন- ফুসফুসে ফোড়া, লিভারের ফোড়া – কানেকটিভ টিস্যু রোগ যেমন রিউমাটয়েড আর্থ্রাটিস, এসএলই – থাইরয়েড রোগ যেমন- হাইপারথাইরয়জ্জিম – কৃত্রিম জ্বর – ওষুধজনিত জ্বর – আরও অন্যান্য কারণে যেমন- ফুসফুসে ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, কিডনি ক্যান্সার।

দীর্ঘদিন জ্বর থাকলে তার অন্তর্নিহিত কারণ জানার জন্য রোগীর কাছ থেকে বিস্তারিত ইতিহাস নিতে হবে, জ্বর কখন আসে, কীভাবে আসে, কীভাবে চলে যায়, দিনের কোনো ভাগে বেশি জ্বর থাকে, জ্বরের সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ আছে কিনা।

যেমন— দীর্ঘদিনের অল্প অল্প জ্বর, বিকালের দিকে আসে, রাতে থাকে, সকালে কমে যায়, ঘাম দিয়ে জ্বর ভালো হয়ে যায়, সঙ্গে দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকে, কখনও কখনও কাশির সঙ্গে রক্ত যায়, শরীরের ওজন কমে যায়, খাবারে অরুচি থাকে, যক্ষ্মা রোগীর সঙ্গে বসবাসের ইতিহাস থাকে, তা হলে সন্দেহ করা হয় তার যক্ষ্মা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের জ্বরের ইতিহাসের সঙ্গে রাতে শরীর ঘামানোর ইতিহাস, ক্ষুধামন্দা, শরীরে চুলকানি, জন্ডিসের ইতিহাস, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গ্লান্ড ফুলে যাওয়ার ইতিহাস থাকলে লিস্ফোমা সন্দেহ করা হয়। অল্প অল্প জ্বরের সঙ্গে ডান দিকের ওপরের পেট ব্যথা, মাঝে মধ্যে পাতলা পায়খানার ইতিহাস, পরীক্ষা করে যদি জন্ডিস, লিভার বড় পাওয়া যায় তা হলে সন্দেহ করা হয় লিভারে ফোড়া হয়েছে। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, ঘাম দিয়ে জ্বর কমা, দুর্গন্ধযুক্ত হলুদ রঙের কাশি থাকলে সন্দেহ করা হয় ফুসফুসে ফোড়া হয়েছে।

দীর্ঘ দিনের জ্বরের সঙ্গে যদি খাবারে রুচি স্বাভাবিক থাকাসত্ত্বেও ওজন কমে যায়, যে স্থানে জ্বর হয়েছে সেখানে বসবাসের ইতিহাস, মাটির ঘরে মেঝেতে থাকার ইতিহাস, পাশে গরুর ঘর থাকার ইতিহাস থাকলে এবং পরীক্ষা করে রক্তশূন্যতা, পেটের উপরিভাগে চাকা থাকলে সন্দেহ করা হয় কালাজ্বর।

দীর্ঘদিনের জ্বরের ইতিহাসের সঙ্গে গিঁটে গিঁটে ব্যথা এবং সকালে ঘুম থেকে জাগার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা বেড়ে যায় এবং মুখে ঘা, গায়ে লাল লাল দাগের ইতিহাস থাকলে কানেকটিভ টিস্যু রোগ যেমন- রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, এসএলই হয়েছে সন্দেহ করা হয়। তাই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে সঠিক ইতিহাস দিয়ে এবং সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করে বেশিরভাগ জ্বর ভালো করা সম্ভব।

কেমন হবে হৃদরোগীর দাম্পত্য জীবন?

হৃদরোগীদের জীবনযাপনে নানা পরিবর্তন আনতে হয়। তাদের খাদ্যাভ্যাস, পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবন হবে পরিকল্পিত। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রভুত উন্নতিতে দ্রুত ও সময়মতো রোগ নির্ণয়, জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা এবং ভালো কার্যকর ও কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ওষুধ আবিষ্কারের ফলে হাজার হাজার হৃদরোগীরা হার্ট অ্যাট্যাকের পরও স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম জীবনযাপন এমনকি মিলনও করতে পারছে।

তবে হৃদরোগীদের শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন দুশ্চিন্তা ও চাপ নিবিড় যৌন সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পারস্পরিক ধৈর্য ও বোঝাপড়া খুবই জরুরি। কোনো ব্যক্তি পুরুষ বা মহিলা যেই হোক না কেন যিনি হৃদরোগে ভুগছেন, যৌনক্রিয়া অবশ্যই মানসম্মত জীবনাচরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

হৃদরোগীদের দাম্পত্য জীবন কেমন হবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মেডিনোভা সার্ভিসেসের মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মো. তৌফিকুর রহমান

বিভিন্ন কারণ নিবিড় যৌন সম্পর্কের বাধা হতে পারে। যৌনমিলনের সংখ্যা ও গুণগতমান কোনো মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর অনেকখানি নির্ভরশীল। হৃদরোগের অনেক উপসর্গ যেমন বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট বা দম বন্ধ হয়ে আসা বা অতিরিক্ত বুক ধড়ফড় করা যৌনমিলনের যথাযথ আনন্দকে কমিয়ে মাটি করতে পারে।

পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গে প্রয়োজনীয় রক্ত সরবরাহ না হলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা যৌন দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। যদিও নারীদের ক্ষেত্রে যোনীপথের উত্তেজনা ও যথাযথ পিচ্ছিলকরণের জন্য এখানে রক্ত সরবরাহের কোনো সম্পর্ক নেই।

তাছাড়া উচ্চরক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও ডিপ্রেসন যথাযথ যৌন আকাঙ্ক্ষা ও সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করতে পারে।

হৃদরোগে ব্যবহৃত কিছু কিছু ওষুধও যৌন আকাঙ্ক্ষা ও চরম যৌন সুখের অনুভূতিতে বা ওরগ্যাজমে ব্যাঘাত করতে পারে। হৃদরোগ বা হার্ট ফেইলুরের জন্য দেওয়া কোনো ওষুধ চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া কোনোভাবেই পরিবর্তন বা বাদ দেওয়া যাবে না, এ আশংকায় যে এই ওষুধগুলো যৌন দুর্বলতা করছে বা যৌন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিচ্ছে, কারণ সব কিছুর ওপরে সুস্থ হার্ট বা হৃদ স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিতে হবে। পরিপূর্ণ আনন্দময় যৌন জীবনের জন্য অবশ্যই হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে হবে।

স্বাভাবিক যৌন জীবনে ফিরতে সব চেয়ে বেশি সমস্যা হয় বাইপাস সার্জারি করার পর, যদিও স্বাভাবিক কাজকর্ম, চাকরি বা পেশায় বা সামাজিক জীবনে ফিরতে তেমন সমস্যা হয় না।

অপারেশন পরবর্তী অস্বচ্ছন্দ অনুভব করা, নিজের বুকের মাঝখানের কাটা দাগ এবং বিপরীত যৌন অংশীদারের অহেতুক ও অমূলক আশংকা ও ভয় স্বাভাবিক যৌন জীবনে ফিরতে বাধা। কিন্তু যারা বাইপাস অপারেশন পরবর্তী সময়ে কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে ও নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করে তারা খুবই দ্রুত এমনকি কয়েক মাসের মধ্যেই স্বাভাবিক যৌন সম্পর্কে ফিরতে পারে, এমনকি তাদের যৌন তৃপ্তির মাত্রাও বেশি হয়।

হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বা হার্ট এট্যাক হলে বা কোনো হার্ট ফেইলুর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আসার পর যে ভয়টা সবচেয়ে বেশি কাজ করে যে, নিবিড় যৌন সম্পর্কের সময় নতুন করে হার্ট এট্যাক হয় কিনা বা পুনরায় শ্বাসকষ্ট শুরু হয় কিনা বা হঠাৎ মৃত্যু হয় কিনা। যদিও সিনেমা বা মিডিয়াতে যা দেখান হয়, বাস্তবে যৌন সংসর্গের সময় রোগীর হার্ট এট্যাক হওয়া খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায় কারণ যৌনমিলনের সময় যে শারীরিক পরিশ্রম হয় তা খুব কম সময় ব্যাপী। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ও পরিচিত যৌন পার্টনার বা অংশীদারের সঙ্গে তাই যৌনক্রিয়ার সময় হার্ট এট্যাকের ঘটনা খুবই কম। শারীরিক পরিশ্রমের দিক বিবেচনা করলে যৌনমিলন অল্প থেকে মাঝারি ধরনের শারীরিক ব্যায়াম যা হালকা গৃহকর্মের সমান বা দুই ধাপ সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠার সমান।

তবে হৃদরোগীদের যাদের হৃদযন্ত্রের করোনারী ধমনীতে ব্লক আছে তাদের কারও কারও যৌনমিলনের কয়েক মিনিট বা ঘণ্টার পর বুকে মৃদু ব্যথা হতে পারে, তবে যারা নিয়মিত ব্যায়ামের সময় কোনো বুকে ব্যথা অনুভব করেন না তাদের ক্ষেত্রে এটা খুবই কম হয়। হৃদরোগীদের জন্য এ সতর্ক বার্তা যে, যারা বুকে ব্যথার জন্য নিয়মিত নাইট্রেট জাতীয় ওষুধ খান তারা অবশ্যই ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা যৌন দুর্বলতার জন্য ব্যবহৃত সিলডেনাফিল বা টাডালাফিল জাতীয় ওষুধ পরিহার করবেন।

যেসব হৃদরোগীদের বুকে ইমপ্লান্টেড কার্ডিয়াক ডিফিব্রিলেটর মেশিন লাগান আছে তারা বা তাদের যৌন পার্টনার অনেক সময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে যে, নিবিড় ভালোবাসাবাসির সময় মেশিন কোনো ইলেকট্রিক শক দেয় কিনা আর শক দিলেও যৌন পার্টনার সাধারণত কোনো ব্যথা পান না বা তার কোনো ক্ষতি হয় না। কিন্তু কেউ যদি শক পায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

যাদের হৃদরোগ আছে ও তা নিয়ন্ত্রণে আছে তাদের যৌনমিলনে কোনো সমস্যা নেই। যদিও অধিকাংশ হৃদরোগীদের যৌনমিলনে কোনো সমস্যা হয় না তারপরও বিশেষ করে হার্ট এট্যাকের পর বা হার্ট ফেইলুর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর হাসপাতাল থেকে ছুটি শেষে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার পর যৌনমিলনে উপযুক্ততা সাপেক্ষে যৌনমিলনে অগ্রসর হওয়া যেতে পারে। যেসব হৃদরোগীরা উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন যেমন অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপ, আনস্ট্যাবল বা অস্থিতিশীল এনজাইনা বা গুরুতর হার্ট ফেইলুর রোগীদের ক্ষেত্রে যৌন সংসর্গ এড়িয়ে চলতে হবে এবং যথাযথ চিকিৎসা ও কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশনের পর রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলে তখন যৌনমিলন করা যাবে।

হৃদরোগীদের জন্য যৌন পার্টনারের সঙ্গে নিবিড় ভালোবাসা করা এক ধরনের ইমোশনাল চ্যালেঞ্জ বা প্রতিকূলতা। নিজের চিকিৎসক ও নিজের যৌন অংশীদারের সঙ্গে যথাযথ আলোচনার মাধ্যমে তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব। নিজের দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসক আপনাকে প্রয়োজনীয় শিক্ষণীয় জিনিসপত্র বা ক্ষেত্র বিশেষে আপনার ও আপনার জীবন সঙ্গীকে প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং বা পরামর্শ প্রদান করবেন যা আপনাকে স্বাভাবিক যৌন জীবনে ফিরতে সাহায্য করবে।

হৃদরোগীদের জন্য হৃদরোগ নির্ণয়ের পর সফলভাবে যৌন জীবন শুরু করার জন্য কতিপয় পরামর্শ হল-

* এমন এক সময় বের করতে হবে যখন দুজনই বিশ্রামে ও রিল্যাক্সড। সাধারণত কোন বেলার খাবার খাওয়ার কমপক্ষে ২ ঘণ্টার পর হলে ভালো।

* এমন জায়গা পছন্দ করা উচিত যা পরিচিত, ঘরোয়া, ব্যক্তিগত ও আরামপ্রদ।

* যৌনমিলনের পূর্বে আপনার চিকিৎসক আপনাকে কোন ওষুধের পরামর্শ করলে তা গ্রহণ করতে হবে।

* আলিঙ্গন ও আদর বা সোহাগের মাধ্যমে শুরু করা যেতে পারে যা অধিক আরামপ্রদ। যদি কোনো বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট না হয় তবে আরও অগ্রসর হওয়া যেতে পারে।

* যৌনমিলনের সময় নিজেদের পারস্পরিক অবস্থান হবে আরামপ্রদ ও অভ্যাস মতো। সতর্ক থাকতে হবে যে যিনি উপরে অবস্থান করবেন তার অধিক শক্তির প্রয়োজন।

* যদি কোনো উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা থাকে তা জীবন সঙ্গীকে অবহিত করতে হবে, পরস্পরের আবেগ অনুভূতিকে মূল্যায়ন বা সম্মান দিতে হবে।

ফের সড়কে শিক্ষার্থীরা

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফা সংঘর্ষের পর ইফতার করেই আবারও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তার দুপাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা। বর্তমানে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও রয়েছেন রাস্তায়। তারা নিউ সুপার মার্কেট সংলগ্ন ফুট ওভারব্রিজের নিচে অবস্থান করছেন।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সংর্ঘের ঘটনায় নিউমার্কেট এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। মোবাইল অপারেটর ও ওই এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এ তথ্য জানায়।

মোবাইল অপারেটর সূত্র জানায়, সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৪টার পর থেকে ওই এলাকায় এই সেবা বন্ধ রয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঙ্গলবার বিকাল থেকে আগামী ৫ মে পর্যন্ত ঢাকা কলেজের সব আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এদিন বিকালের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনে লাশ হবেন, তবু হল এবং ক্যাম্পাস ছাড়বেন না বলে ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, এক দোকানে খাবারের বিল পরিশোধ নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে সোমবার মধ্যরাতে দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রায় আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে রাত আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আবারও চলে এ সংঘর্ষ।দুপুরের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া শুরু করলে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ, পুলিশের ‘ভূমিকা’ নিয়ে যা বলছে ক্ষুব্ধ ছাত্ররা

ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজধানীর নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। দুপক্ষের এ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, সংঘর্ষের শুরু থেকেই পুলিশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করেনি। তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের ওপর টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। এতে করে আমাদের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়।

তবে পুলিশ দাবি করছে, সকাল থেকেই পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। দুই পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করায় পুলিশ সরে যায়।

এক দোকানে খাবারের বিল পরিশোধ নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে সোমবার মধ্যরাতে দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে ছাত্রদের প্রায় আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে রাত আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আবারও চলে এ সংঘর্ষ। দুপুরের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া শুরু করলে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সকাল থেকেই পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করায় পুলিশ সরে যায়। এরপর দুপুর পৌনে ১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে অগ্রসর হয়।

এদিকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফা সংঘর্ষের পর ইফতার করেই আবারও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তার দুপাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা। বর্তমানে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও রয়েছেন রাস্তায়। তারা নিউ সুপার মার্কেট সংলগ্ন ফুট ওভারব্রিজের নিচে অবস্থান করছেন।

অভিনয়ে ফিরলেন হৃদি হক

অভিনয় দিয়েই বিনোদন অঙ্গনে কাজ শুরু করেছিলেন হৃদি হক। পরে পরিচালনাতেও প্রতিভার সাক্ষর রাখেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয়ে তেমন একটা দেখা যায় না হৃদি হককে। সেই বিরতি কাটিয়ে আবারো অভিনয়ে ফিরলেন তিনি।

বাংলাদেশ বেতারের আগামী ঈদের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকটির নাম ‘জীবন মানে সিনেমা নয়’।

তারিক মঞ্জুরের রচনায় নাটকটি প্রযোজনা করেছেন সৈয়দা ফরিদা ফেরদৌসী যাত্রী। নাটকের কেন্দ্রীয় একটি চরিত্রেই তাকে অভিনয়ে পাওয়া যাবে।

এ প্রসঙ্গে হৃদি হক বলেন, বেতার নাটকের প্রতি এখনো দর্শকের ব্যাপক আগ্রহ আছে। আমারও পছন্দের একটি মাধ্যম এটি। এতে অভিনয় করে ভালো লেগেছে। এদিকে বর্তমানে সরকারি অনুদানে নির্মিত একটি সিনেমা পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন হৃদি হক। সিনেমাটির নাম ‘ ১৯৭১ সেইসব দিন’।

প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে দুই ভাইয়ের চরিত্রে তারা

চলচ্চিত্র অঙ্গনে শিল্পী সমিতির বিগত কয়েকটি নির্বাচনে প্যানেলের পরাজিত প্রার্থীদের সমিতি মুখো হতে দেখা যায়নি।

এমনকি পর্দায়ও তাদের সেই মনোভাব স্পষ্ট। ক্যামেরাম্যান ওই প্রার্থীদের যুগল দৃশ্য ধারণ করতে পারেননি এমন নজিরও বহু।

এ নজির বর্তমান কমিটিতে বিদ্যমান। তবে ব্যতিক্রম ছোটপর্দার নির্বাচনে। এখানে নির্বাচনে কে জয়ী কে পরাজিত সেটা মুখ্য নয়; বরং পরাজিতকে সঙ্গে নিয়েই নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন জয়ীরা। পরাজিত প্রার্থীও ততদিনে পরাজয়ের গ্লনি ভুলে নেমে পরেন কাজে।

এমনই এক অভাবনীয় দৃশ্য দেখা গেল আসছে ঈদে বাংলা টিভির জন্য নির্মিত ৭ পর্বের ‘বিয়াই সাব’ নাটকে। অভিনয় শিল্পী সংঘের গত নির্বাচনে অনুষ্ঠান সম্পাদক পদের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয় অভিনেতা রাশেদ মামুন অপু এবং সাংবাদিক ও নন্দিত মূকাভিনেতা নিথর মাহবুবকে দুই ভাইয়ের চরিত্রে একই ফ্রেমে বন্দি করেছেন নাট্যকার রাজীব মণি দাস। গত নির্বাচনে তাদের মধ্যে জয়ী হয়েছেন অপু।

নাট্যকার রাজীব মণি দাস এ বিষয়ে বলেন, ঈদের নাটকে চমক থাকা চাই, এই নাটকেও নানা ধরনের চমক আছে। এর মধ্যে একটি চমক হলো অভিনয় শিল্পী সংঘের গত নির্বাচনে একই পদের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে একই নাটকে একই ফ্রেমে দুই ভাইয়ের চরিত্রে বন্দি করা। তাদের দুইজনের সঙ্গেই আমার ভালো সম্পর্ক। সেখান থেকেই দর্শকদের নতুন কিছু দেওয়ার চিন্তা মাথায় আসে। নাটকে নিথর মাহবুবকে বড় আর রাশেদ মামুন অপুকে ছোট ভাইয়ের চরিত্রে দেখা যাবে। নাটকটিতে একদিকে যেমন হাসি-ঠাট্টা রয়েছে, অন্যদিকে পরিবারকেন্দ্রিক সামাজিক ম্যাসেজও রয়েছে। আশা করি নাটকটি দর্শকদের কাছে উপভোগ্য হবে।

এটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন মীর সাখাওয়াত ও জাদু ফরিদ। নাটকটি আসছে ঈদে বাংলা টিভির ঈদ আয়োজনে ঈদের দিন থেকে ৭ম দিন পর্যন্ত প্রচার হবে বলে জানিয়েছেননাট্যকার। তিনি আরও জানান ঈদের দিন থেকে ‘স্বপ্নের কারিগর’ ইউটিউব চ্যানেলেও নাটকের পর্বগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ পাবে।

রুবেলের মৃত্যুতে শোকাহত মাশরাফি-সাকিবরা যা লিখলেন

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মোশাররফ হোসেন রুবেল আর নেই।

প্রায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে ব্রেইন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বাঁহাতি স্পিনার মোশাররফ রুবেল।

এ খবরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও মোশাররফ রুবেলের সতীর্থ সাকিব, মুশফিক, রিয়াদ, তামিমরা শোকসন্তপ্ত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক জানিয়েছেন সবাই।

সন্ধ্যায় রুবেলের মৃত্যুসংবাদ জানার পর ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক।

রুবেলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তিনি।

খুব বেশি কিছু লেখার ভাষা খুঁজে পাননি শোকাহত ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। রুবেলের একটি সাদাকালো ছবি পোস্ট করেছেন তিনি।

টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও রুবেলের পরকালীন সুখের জন্য তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

শোকাতুর মুশফিকুর রহিম লিখেছেন, খবরটা শুনে সত্যিই মন খারাপ হলো, মোশাররফ রুবেল ভাই। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এটি একটি দুঃখের দিন। আসুন আমরা সবাই তাকে আমাদের প্রার্থনায় রাখি ইনশাআল্লাহ।

সৌম্য সরকার লিখেছেন, শান্তিতে থাকুন মোশাররফ হোসেন রুবেল ভাই। তোমাকে মিস করব।

রুবেল ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজার বন্ধু। তাই শোকাহত বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক লিখলেন, ভালো থাকিস বন্ধু।

রুবেলকে দেশের অন্যতম সেরা স্পিনার বলেছেন সাকিব আল হাসান।

ফেসবুকে লিখেছেন, ‘দীর্ঘদিনের সতীর্থ ও দেশের অন্যতম সেরা স্পিনার মোশাররফ হোসেন রুবেলের অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি আর শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি থাকলো আমাদের সমবেদনা।’