রবিবার ,১৪ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 435

আমি টাকা গিলতে চাই

আমি বাংলাদেশের অত্যন্ত সাধারণ পরিবারের সন্তান। খুব অল্প বয়সেই বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে শিখেছি। বয়সের তুলনায় ছোটবেলার স্মৃতিগুলো হৃদয়ে বেশ শক্ত হয়ে আজও গেঁথে আছে।
১৯৭১ সালের যুদ্ধের আগের কিছু কিছু ঘটনা মনে আছে, যেমন- বাড়িতে কাজের লোকদের রুটি খেতে দিলে তারা অনেক সময় বদনাম করত। তখন আমার বড় কাকা বলতেন “মোদের রাজা আইয়ুব খান তিনি গমের রুটি খান। তোমাদের খেতে ক্ষতি কী”?

তখন সন্ধ্যায় মাঝেমধ্যে বাড়িতে মিটিং হতো, কীভাবে পাকিস্তানি শাসকদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা যায়। তখন বাপ-চাচাদের বলতে শুনেছি দুইশো বছর ব্রিটিশ আমাদের সব শোষণ করে নিয়ে গেছে। জমিতে নীল চাষ করেছে আর আমরা হয়েছি বঞ্চিত। ব্রিটিশ তাড়িয়ে ভেবেছিলাম ভালো থাকবো কিন্ত তা আর হলো না। চলছে পাঞ্জাবিদের অত্যাচার, অবিচার।

পরে সেই ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলো। পরিবার এবং দেশের লাখো লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে আনা হলো বাংলার স্বাধীনতা। বুক ভরা আশা নিয়ে সোনার বাংলা গড়ার নতুন চেতনা সবার বুকে। সে যে কী আনন্দ যা আজও চোখে ভাসে। কিন্তু কী হতে কী হয়ে গেল! তারপরও বেঁচে থাকার তাগিদে থেমে গেলে চলবে না। সংগ্রাম করতেই হবে, মুক্তি একদিন হবেই ইনশাআল্লাহ।

আমরা মূলত এগারো ভাই-বোন। বাবা-মার প্রথম সন্তান জন্মের চার বছর পর কলেরায় মারা যান। তারপর একে একে দশ ভাই-বোনের সংসার বাবা-মার। ১৯৮৪ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আমার ছোট এক ভাই মারা যায়, বর্তমান আমরা ছয় ভাই তিন বোন বেঁচে আছি। তবে দেশে বসবাস করেন মাত্র একজন। বাবা-মা মারা গেছেন ডিসেম্বর ২০০৬ এবং জানুয়ারি ২০০৭ সালে।

যখন দেশে সবাই গ্রামের পরিবেশে বসবাস করেছি তখন দেখেছি বড় একটি মাছ রান্না হয়েছে। মাছের মাথা সবারই পছন্দ কিন্তু মা সমসময় এমনভাবে ভাগ করেছেন যেন কেউ বঞ্চিত না হয়। অর্থাৎ একবার পেলো একজন, তও পরেরবার পাবে অন্যজন। নির্ভুলভাবেই তিনি এই ন্যায়বিচারটি করতেন। মা-বাবা সবার জন্যই সব সময় ন্যায়বিচার করেন, সঠিক সিদ্ধান্ত নেন।

সেই থেকেই মূলত শিক্ষা পেয়েছি কীভাবে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করতে হবে। পরে নিজে বাবা হয়েছি। আমার একটি ছেলে একটি মেয়ে। কখনও তাদেরকে আলাদাভাবে দেখিনি, দুজনকেই সমমানের সুযোগ সুবিধার মধ্যে গড়ে তুলতে শতভাগ চেষ্টা করে চলছি। আবার যখন পরিবারের বাইরে দেশের কথা ভাবি, তখন ভাবি যে দেশের জন্য কিছু করতে হবে। অন্যেরাও যেন আমাদের মতো সুযোগ-সুবিধা পায় এমনটি মন মানসিকাতা আমাদের সবার মাঝে কমবেশি রয়েছে। কারণ আমি সব সময় মনে করি দেশের উন্নতি হওয়া মানেই আমারও উন্নতি যদিও আমি দেশে থাকিনা তারপরও আমার মন-মানসিকতার বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি।

এখন আমার ভাবনা যারা দেশে থেকে দেশের মানুষের জন্য সবকিছু করার জন্য জীবন যৌবন দিয়েছে যেমন বঙ্গবন্ধুর কথায় বলি, তিনি জেলহাজত থেকে শুরু করে ভালো-মন্দ অনেক কিছুর সঙ্গে জড়িত হয়েছেন ঠিকই তারপরও মানুষের জন্য কিছু করা নিজের দেশের জন্য কিছু করা এ থেকে বিরত হননি কখনও। তাহলে কেন এমন হলো? বর্তমানে যে ক্ষমতায় আসে সেই লুটপাটে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আমরা স্বাধীন, কোনো উপনিবেশিক শক্তি আমাদের শাসন করছে না। আমরা এখন পরস্পর পরস্পরের খুব কাছের মানুষ। তারপরও কেন এতো ভেদাভেদ! রাষ্ট্রের দায়িত্বে যারা আছে তারা তও সেই আমার নিজের বাবা-মার মতো একটি বড় পরিবারের দায়ভার নিয়েছে। তাদেরও তও ঠিক আমার মার মতো সেই একটি মাথা সত্ত্বেও যেন কেউ বাদ না পড়ে এমন করে ম্যানেজ করার কথা? কিন্তু সমস্যাটি তাহলে কোথায়? এতবড় দায়িত্ব পেতে তও দরকার পরম করুণাময় রাব্বুল আলআমিনের আশীর্বাদ! এত বড় সুযোগ পেয়ে কীভাবে সম্ভব দেশের মানুষের পেটে লাথি মেরে তাদের ন্যায্য অধিকার হরণ করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক টাকার পাহাড় গড়া? ভেবেছে কি তারা এর শাস্তি কত মারাত্মক হবে? মনে হচ্ছে এরা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে। এত পথভ্রষ্ট যে এরা মনে করছে এমনটি- আমি সব খেয়েছি কিন্তু কিছুতেই আমার মন, প্রাণ পেট ভরছে না। কী করি? সম্পদের পাহাড় গড়েছি কিন্তু মনে শান্তি নেই। সব রয়েছে, সব হয়েছে কিন্তু রাতে ঘুম আসে না। আমার শরীরে তাবৎ জায়গায় শুধু জ্বালাপোড়া। এটা নেই, সেটা নেই, শুধু নেই আর নেই।

অন্যদিকে যা আছে তাও ঠিকমতো উপভোগ করার সময় নেই। কারণ আমি তো ব্যস্ত। ওইযে আমার তও ওটা নেই। ওটার কখনও শেষ হবে না কারণ ওটা চলমান। এমতাবস্থায় আমার মত শত শত লোভী এবং পাপীদের একমাত্র কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে শুধু অর্থ গলাধঃকরণ। আমাদের এখন এছাড়া ছাড়া কিছু করার নেই। যুগে যুগে এমনটিই হয়েছে যদি আমরা পুরনো ইতিহাস খুলে দেখি। কিন্তু এগুলো দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না কারণ আমি আরো চাই। আমি এখন খেতে নয় গিলতে চাই। আমি এখন মানুষ নই আমি হয়েছি দানব। তাই আমি টাকা গিলতে চাই, দাও আমাকে তোমার যা কিছু আছে আমি শুধু নেব আর গিলবো। আমার বিশাল উদরপূর্তি করতে প্রয়োজন কাড়িকাড়ি টাকা। টাকা দাও টাকা চাই, টাকা দাও টাকা চাই, টাকা, টাকা, টাকা।

গর্ভকালে নারীর বুকে ব্যথা হয় কেন, কী করবেন?

গর্ভধারণকালে অনেক নারী বুকে ব্যথা অনুভব করেন। কারও কারও স্তনে ব্যথা হয়। এতে অনেকেই ঘাবড়ে যান এই ভেবে যে, স্তন ক্যান্সার হয়েছে!

স্তনে আঘাতের কারণেও এমনটি হতে পারে। আবার গর্ভকালে অন্তঃসত্ত্বাদের স্তনের আকার পরিবর্তন একটা স্বাভাবিক ঘটনা।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আজিজুর রহমান।

দেহে হরমোনের পরিবর্তনে কিশোরী মেয়েদের যখন পিরিয়ড হয় প্রকৃতিগতভাবেই তারা তাদের স্তনে হালকা ব্যথা অনুভব করে থাকেন। অনেক সময় পিরিয়ড হওয়ার আগেও স্তনে ব্যথা হয়। পিরিয়ড হওয়ার আগে ও পরে দেহে হরমোনের পরিবর্তনের কারণেই এ ব্যথা হয়ে থাকে। তাই ভয়ের কোনো কারণ নেই। পিরিয়ড শেষ হয়ে গেলে এ ব্যথা থাকে না।

আবার গর্ভকালীন গর্ভধারণের সময় নারীরা স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। সাধারণত গর্ভবতীর গর্ভাবস্থা তিন মাস চলাকালীন স্তনে ব্যথা হওয়া শুরু হয়। তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায় এবং অনেক সময় স্তনের ওপর দিয়ে নীলশিরা দেখা যায়। এর কারণ তখন দেহে অনেক বেশি পরিমাণে রক্ত প্রবাহ হতে থাকে ও হরমোনের পরিবর্তন ঘটে।

অনেক সময় নারীদের স্তনে প্রদাহজনিত সমস্যা হয়। এটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ফাঙ্গাসের আক্রমণে হয়ে থাকে। এ সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং এ ব্যথা থেকে জ্বরও আসতে পারে। ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

স্তনের ভেতর এক ধরনের সিস্ট হতে পারে, এর ভেতর তরল জাতীয় পদার্থ থাকে এবং এর নাম ব্রিজসিস্ট। স্তনের গ্রন্থি যখন বৃদ্ধি পায় তখন অনেক সময় এ সিস্ট দেখা দেয়। সিস্টের কারণে স্তনে ব্যথা হয়। যখন সিস্টের আকার বৃদ্ধি পায় তখন আপনি নিজেও বুকে হাত দিয়ে এ সিস্ট অনুভব করতে পারবেন। সিস্ট অনুভব করতে পারলে অতিশিগগির স্তন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

মা হওয়ার পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও অনেক নারী স্তনে ব্যথা পেয়ে থাকেন। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর আগে ও পরে সব সময় স্তন পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো। এতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ফাঙ্গাস হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

অনেক সময় স্তনে ঘা হয়ে থাকে, যার কারণে স্তনে ব্যথা হয়। এ সমস্যাটি হয় যখন স্তনের নিপলে ব্যাকটেরিয়া দেখা দেয় এবং বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় যখন ভাইরাস আক্রমণ করে। এ সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।

বুকে ব্যথা হওয়ার মারাত্মক কারণ হলো স্তন ক্যান্সার। স্তনে ব্যথা অবিরত তখন হবে যখন আপনি দীর্ঘদিন ধরে স্তন ক্যানসারে ভুগবেন।

করণীয়
জীবন চর্চায় কিছুটা পরিবর্তন এনে স্তনে ব্যথা হওয়ার প্রবণতা কমে আসতে পারে। যেমন—

* স্তনের মাপ অনুযায়ী ব্রা পরুন। ছোট মাপের ব্রা এড়িয়ে চলুন।

* স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ করুন যাতে চর্বি কম ও পুষ্টি বেশি থাকে।

* দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন তা হলে আপনার দেহে হরমোন পরিবর্তনের সমস্যা দূর হবে।

* ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১ (থায়ামিন) এবং ভিটামিন ই এসব উপাদান দেহের জন্য দরকার। এ উপাদানসমৃদ্ধ খাদ্যগ্রহণ করা উচিত।

শীতে ফেসওয়াশ ব্যবহার নিয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

মুখে ব্রণ আছে এমন অনেকে সারা বছর যে ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন, শীতকালেও একই ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন। অর্থাৎ গরমকালে যে ফেসওয়াশ ব্যবহার করেছেন, শীতকালেও সেই ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন।

এ বিষয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের ডার্মাটোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. জিনাত মেরাজ স্বাস্থ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডক্টর টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান বিস্তারিত।

এ ধরনের ফেসওয়াশ ত্বকের জন্য অনেক কড়া। ফেসওয়াশ কড়া হলে আমাদের ত্বকের ওপরের লেয়ারে যে পানি থাকে সেটা কমিয়ে দেয়। এমনকি ত্বকের নিচের কয়েকটা লেয়ার পর্যন্ত শুষ্ক করে ফেলে। এজন্য গরমে যেসব ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন, সেগুলো শীতে ব্যবহার করবেন না।

শীতে জেল বেইজড কিছু ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে কিছু বাংলাদেশ পাওয়া যায়। ট্রাইজেরা (Trixera) জেল নিউট্রেড নামের একটা ফেসওয়াশ পাওয়া যায়। এটা একটা নিউট্রিশন ফেসওয়াশ। যাদের ব্রণের ত্বক, তারা এটা ব্যবহার করতে পারেন।

আর যাদের মুখে ব্রণ নাই, তারা যে কোনো একটি সফট ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। শীতকালে সেরাভি (Cerave) ফেসওয়াশ ব্যবহার ত্বকের জন্য খুবই ভালো। এছাড়া যেসব ফেসওয়াশে ইউরিয়া, গ্লিসারিন আছে সেগুলো দেখে কিনবেন। কারণ এগুলো ত্বকের জন্য ভালো।

শীতকালে বেশি গরম পানি দিয়ে বেশি সময় গোসল করবেন না। গোসলের পর শরীর ভেজা থাকতেই একটু তেল মাখতে পারেন। অথবা যে কোনো একটি হাইড্রেটিং লোশন মাখতে পারেন। এগুলোর মধ্যে পানির আদ্রতা ধরে রাখার সামর্থ্য আছে।

ছাত্রলীগ না করায় মারধর, রোবাবর পর্যন্ত অনশন স্থগিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি না করায় ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ওয়ালিদ নিহাদের ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শুরু করা অনশন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের আশ্বাসে স্থগিত করলেন শিক্ষার্থীরা।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচে আমরণ অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও লোকপ্রশাসন সরকার বিভাগের শিক্ষকদের আশ্বাসে অনশন স্থগিত করেন তারা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তাই আমরা হামলাকারীর বিচার ও সাত দফা দাবি বাস্তবায়নে আমরণ অনশনে বসেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সময়ে হামলাকারীর বিচার হোক।

তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর জালাল উদ্দিন স্যার ও বিভাগের শিক্ষকরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন- হামলাকারীদের সঠিক বিচার হবে। তাই আমরণ অনশন রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছি। হামলাকারীর বিচার ও দাবি আদায় না হলে আবারো আন্দোলনে যাব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর উজ্জল কুমার প্রধান জানান, আমি তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব। তদন্ত রিপোর্ট প্রায় শেষের দিকে। তদন্ত রিপোর্ট প্রশাসনের কাছে পেশ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারার ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর জালাল উদ্দিন বলেন, এ ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনোভাবেই কাম্য নয়। তদন্ত কমিটি তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দাখিল করার কথা থাকলেও দুই কার্য দিবসেই শেষ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ছুটিতে আছেন। রোববার আসলে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছে।

এর আগে ছাত্রলীগ না করায় লোকপ্রশাসন ও সরকার বিদ্যা বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের ওয়ালিদ নিহাদ নামে এক ছাত্রকে রোববার হলের একটি কক্ষে ডেকে রাতভর নির্যাতন করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারসহ সাত দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

যে কারণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকারকে যৌতুক মামলায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. তরিকুল ইসলাম এ নির্দেশ দেন।

সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিন বিভাগের প্রভাষক।

জানা যায়, গত ৩১ জানুয়ারি তার স্ত্রী পূজা স্বর্ণকার বাদী হয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তরিকুল ইসলামের আদালতে যৌতুক মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার সমন জারির দিন ধার্য ছিল। এদিন সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার জামিন নেওয়ার জন্য উপস্থিত হলে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন আদালত।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আবু হুরায়রা সোহেল বলেন, ২০২০ সালের ৮ জুন সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের অলোক স্বর্ণকারের মেয়ে পূজা স্বর্ণকারের সঙ্গে একই এলাকার যুগল কৃষ্ণ স্বর্ণকারের ছেলে সাধন চন্দ্র স্বর্ণকারের রেজিস্ট্রিকৃতভাবে বিবাহ হয়। এরপর একই বছরের ২৭ নভেম্বর ধর্মীয় নিয়ম-নীতি মেনে উভয়ের মধ্যে বিবাহ হয়।

বিয়ের সময় সাধন চন্দ্রকে খরচ বাবদ দুই লাখ টাকা মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঘরের ফার্নিচার ও মোটরসাইকেল দেওয়া হয়। এরপর তিনি ৫ লাখ টাকার জন্য পূজাকে বিভিন্নভাবে চাপ দিতে থাকেন সাধন। এতে কাজ না হওয়ায় প্রায়ই তাকে মারধর করতে থাকে।

সর্বশেষ চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে আদালতে যৌতুক মামলা করা হয়।

ফোক ডিভা সায়েরা রেজা ফ্যান ক্লাবের বর্ষপূর্তি

রাজধানীর স্থানীয় একটি পার্টি সেন্টারে ২ মার্চ সন্ধায় ছিল সুফি-ফোক ডিভা সায়েরা রেজা অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের প্রথম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান। বর্ষপূর্তির কেক কেটে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সায়েরা রেজা। উল্লেখ্য, সায়েরা রেজা অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের জন্মগত বছর ২২ ফেব্রুয়ারি।

সভাপতিত্ব করেন ক্লাবটির সভাপতি এসএম শাহিদুজ্জামান লাঞ্জু, সঞ্চালনা করেন ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক নিশাত তপু ও শেখ রাঙা। আরো উপস্থিত ছিলেন- ক্লাবের সদস্য তরুন আহম্মেদ, সুমন, শিপন, রাকিব, ইফতেখার সিজান, প্রান্ত সাহেজাদ, ইমন, সাকিল, ফয়সাল রুপম, সিফাত-আল শুভ, হৃদয়, লান্জু, শান্ত, বিজয়, জুইন মাহমুদসহ বিভিন্ন জেলার ভক্ত অনুরাগীরা।

ভারতীয় ওয়েব সিরিজে আফরান নিশো

দেশের টিভি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। নাটকের পাশাপাশি তিনি ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও নাম লিখিয়েছেন।

ইতোমধ্যে ওয়েবে ‘মরীচিকা’ ও ‘রেডরাম’-এর মতো আলোচিত কনটেন্টে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন।

এবার নিশো ভারতীয় ওয়েব সিরিজে যুক্ত হলেন। এর নাম ‘কাইজার’। কাইজারের নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন আফরান নিশো। যিনি একজন হোমিসাইড ডিটেকটিভ। এর জন্য নিজের শরীর ও চেহারায় পরিবর্তন এনেছেন এই অভিনেতা। চমকপ্রদ রূপেই পর্দায় আসতে চলেছেন গুণী এই তারকা। জানা গেছে, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে টানা ২০ দিন শুটিং হবে।

ভারতীয় প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের জন্য নির্মিত হচ্ছে সিরিজটি। বুধবার (২ মার্চ) থেকে ঢাকায় শুরু হয়েছে এই সিরিজের শুটিং।

গত বছরই ২০টি অরজিনালস ওয়েব সিরিজের ঘোষণা দেয় হইচই। তখনই জানানো হয়, এগুলোর মধ্যে পাঁচটি নির্মাণ করবেন বাংলাদেশি নির্মাতা। ‘কাইজার’ নামের সিরিজটি বানাবেন তানিম নূর। যিনি এর আগে বহুল আলোচিত ‘কনট্র্যাক্ট’ ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করেছেন।

নতুন প্রজেক্টটি নিয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না নিশো কিংবা নির্মাতা তানিম নূর কেউই। নিশোর সঙ্গে এতে কারা অভিনয় করছেন সেটাও রাখা হচ্ছে গোপন। নিশো কেবল বললেন, ‘একদমই নতুন এবং একেবারে ভিন্ন এক চরিত্রে দর্শক আমাকে দেখতে পাবেন’।

আফরান নিশোর প্রচুর ভক্ত ছড়িয়ে আছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। তারা নিশোর নাটক নিয়মিত দেখেন। এ সিরিজের মাধ্যমে সেখানে তার জনপ্রিয়তা অনেকখানি বাড়তে চলেছে।

অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার রড মার্শ আর নেই

অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার রড মার্শ আর নেই। শুক্রবার ৭৪ বছর বয়সে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৯৬টি টেস্ট ও ৯২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। রড মার্শ অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের নির্বাচক হিসেবেও কাজ করেছেন।

কিছুদিন আগে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাওয়ার আগে গাড়িতেই হৃদরোগে হন তিনি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অস্ট্রেলিয়া দলে মার্শ ছিলেন একজন গেম চেঞ্জার। প্রথম উইকেট কিপার হিসেবে ১৯৭২ সালে এডিলেড টেস্টে তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি (১১৮ ) হাঁকান।

১৯৯০ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি এডিলেডে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট একাডেমির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় দলের নির্বাচক ছিলেন।

সাংবাদিকের যে প্রশ্নে ক্ষেপে যান লিটন দাস

আফগানিস্তান সিরিজে ব্যাট হাতে একাই মোহাম্মদ নবির দলকে হারিয়ে দিচ্ছেন লিটন দাস।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ জয়ে মুখ্য অবদান ছিল লিটন দাসের। একটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিসহ তিন ম্যাচে ৭৪.৩৩ গড়ে সর্বোচ্চ ২২৩ রান করেন সিরিজসেরা লিটন।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসাবে বুধবার প্রকাশিত আইসিসি ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ারসেরা অবস্থানে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ ওপেনার। তিন ধাপ এগিয়ে লিটন এখন ৩২ নম্বরে।

তার ব্যাট হাসলো মিরপুরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও। খেলেছেন ৪৪ বলে ৬০ রানের ইনিংস।

এমন সব দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর যে কথাটি উঠে আসে তাহলো – বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা হারিয়েছিলেন লিটন দাস। তাকে ছাড়াই সাজানো হয়েছিল পাকিস্তান সিরিজের দল।

পরে বিপিএল ও বাকি দুই ফরম্যাটে ভালো করে লিটন আবারও ফিরেছেন জাতীয় দলে। আর টি-টোয়েন্টি দলে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই লিটন হাঁকালেন দারুণ এক অর্ধশতক।

আর এমন পারফরম্যান্সের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে লিটন কটু মেজাজ হারালেন। কারণ পাকিস্তান সিরিজে তার বাদ পড়ার বিষয়টিকে সংবাদ সম্মেলনে ‘ব্রেক’ আখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছিল ‘বিশ্রাম’ বা ‘বিরতি হিসেবে’।

এতেই ক্ষেপে যান লিটন।

এক সাংবাদিক ‘বাদ দেওয়া’ না বলে ‘বিশ্রাম’ বলতে চাইলে ক্ষোভ উগরে দেন লিটন। বলেন, ‘আমাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল নাকি বাদ?। বিশ্রাম কী? আমি কি অনেক ক্রিকেট খেলে ফেলেছি, যে বিশ্রাম নেব। ছুটি? পুরো খবর আগে ভালো করে জানবেন, তারপর প্রশ্ন করবেন। বিশ্বকাপের পর এসে সরাসরি ন্যাশনাল লিগে খেলেছি, ছুটি নিলাম কোথায়?’

তবে এরপর পরই মেজাজ সামলে নেন লিটন।

জাতীয় দল থেকে এই বিরতি-ই তাকে দুর্দান্ত ফর্মে তুলতে সহায়তা করল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে লিটন বলেন, ‘আমি তো কিছু না কিছু খেলছিলামই। টেস্ট খেলছিলাম, ওয়ানডে খেলেছিলাম। ধারাবাহিক ছিলাম। তারা আমাকে মনে করেছে, লিটনকে খেলালে ভালো হবে। আমি চেষ্টা করেছি শতভাগ দেওয়ার।’

এর পর এ ওপেনার বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে চাপ বেশি। ওয়ানডেতে সময় পাওয়া যায়। টেস্টে আরও বেশি। যদি ছন্দে থাকেন সব সংস্করণই সহজ হয়ে যায়। আর টি-টোয়েন্টি চাপের খেলা হলেও ভালো ইনিংস খেলার জন্য সময় থাকে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশেষ পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের। বিশেষ করে পাওয়ারপ্লেতে বেশি রান করতে চেয়েছিল স্বাগতিকরা।

লিটন বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ছিল ১৬০ রান করার। এর বেশি চিন্তা করলে ঝুঁকি নিতে হতো। স্পিনে তারা খুবই ভালো। আমরা চিন্তা করেছি ১৫০/১৬০ রান করার।

‘সেন্টমার্টিনে নতুন করে আর কোনো অবকাঠামো নয়’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজম বলেছেন, সুন্দর দ্বীপ আরও সুন্দর গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ১৩ সুপারিশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ চলমান রয়েছে। বিশ্বব্যাপী পরিচিত দেশের এক মাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন রক্ষায় নতুন করে আর কোনো হোটেল ও অবকাঠামো করতে দেওয়া হবে না।

মূলত দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনাসহ দ্বীপবাসীদের কথা চিন্তা করে এসব সুপারিশ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপ ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় কেন্দ্রে ১৩টি সুপারিশ বাস্তবায়নে অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভা পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ।

পরিবেশ অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজম বলেন, দ্বীপের পরিবেশ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এখন পর্যন্ত ৯৬০ থেকে ১২০০ পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণে কাম্য। তবে এখানকার মানুষের জীবিকা নির্বাহ করে সেন্টমার্টিনে পর্যটক নির্ধারণ করা হবে সেন্টমার্টিনে।

আলী আজম বলেন, দ্বীপ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। সেটি বাস্তবায়নে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি। মূলত দ্বীপে জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা, ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন এবং নতুন স্থাপনা বন্ধসহ সরকার খুব দ্রুত একটি নীতিমালা তৈরি করবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এসব নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হবে।

সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘দ্বীপে পরিবেশ রক্ষায় সব শ্রেণির পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ কাজ করে যাচ্ছে। দ্বীপ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখতে পরিবেশের কাজ চলমান রয়েছে। এখন থেকে সার্বক্ষণিক আমাদের টিম কাজ করবে।

চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ১৩ সুপারিশ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তর কাজ করছে। দ্বীপ রক্ষায় এখন থেকে বর্ষা মৌসুমে পালাক্রমে এখানে আমাদের লোকজন কাজ করবে।

ডিসি মো. মামুনুর রশিদ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে নতুন করে কোনো অবৈধ ভবন করা যাবে না। দ্বীপের ব্যবস্থাপনার কমিটির মাধ্যমে সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে নিয়ে আমরা এই দ্বীপকে পরিচ্ছন রাখব। সরকার যে নীতিমালা করেছে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।