শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 232

বিশ্ববাজারে বইছে সুবাতাস, শঙ্কা দেশে

করোনা অভিঘাতের পর বিশ্ববাজারে এখন চামড়ার বাণিজ্যে সুবাতাস বইছে। গত এক বছরে বিশ্বে চামড়ার গড় মূল্য বেড়েছে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। একই সময়ে বেড়েছে রপ্তানির চাহিদাও। কিন্তু দেশে কুরবানির পশুর চামড়ার বাণিজ্যের সুফল নিয়ে শঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

কারণ প্রতিবছর এই মৌসুমে সিন্ডিকেট করে মূল্যের ভয়াবহ ধস নামানো হয়। এ বছর এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব। এরই মধ্যে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কেমিক্যাল ও কনটেইনার ভাড়া বেশি গুনতে হচ্ছে ট্যানারির মালিকদের।

তবে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, কুরবানির চামড়ার বাজার অস্থিতিশীল প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও সমস্যা সমাধানে যৌথ সমন্বয়সহ ১১টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঈদের দিন থেকেই শুরু হবে এসব কমিটির কার্যক্রম।

সূত্রমতে, করোনাভাইরাস শুরু এবং এর আগ থেকে বিশ্ববাজারে চামড়ার মূল্য নিম্নমুখী ছিল। ২০১৮ সালে বিশ্ববাজারে চামড়ার গড় মূল্য পতন ঘটে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ। আর ২০১৯ ও ২০২০ সালে ধারাবাহিকভাবে ৮ দশমিক ৩ এবং ৮ দশমিক ২ শতাংশ হ্রাস পায়।

বিশেষ করে করোনার সময় ২০২০ সালে বিশ্ববাজারে চামড়া রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি আসে। তবে ২০২১ সালে অবিশ্বাস্যভাবে এর মূল্য বৃদ্ধি পায়। ওই বছরে গড় মূল্য বেড়েছে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ। এই মূল্যবৃদ্ধি ২০২২ সালেও অব্যাহত আছে।

বিশ্ববাজারে চামড়ার চাহিদা নিয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক রিপোর্টে দেখানো হয়, ২০২৮ সাল পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে এর চাহিদা বাড়বে। ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী চামড়ার বাজার ছিল ৩৯ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের। ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলারে এবং ২০২৮ সালে তা দাঁড়াবে ৬২ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারে।

আন্তর্জাতিক বাজারে সুবাতাসের প্রতিফলন এরই মধ্যে বইছে দেশের রপ্তানি খাতে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সূত্রে সদ্য বিদায়ি অর্থবছরে (২০২১-২২) চামড়া খাতে রপ্তানি আয় হয় ১২৫ কোটি মার্কিন ডলার। যদিও এ সময় রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা ছিল ১০৩ কোটি ডলার।

বিশ্ববাজার পরিস্থিতি ভালো থাকার ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২২ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি চামড়া রপ্তানি হয়। এটি গত বছরের তুলনায় ৩২ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

রপ্তানি আয় ও বিশ্ববাজার পরিস্থিতি ভালো থাকার সুফল কতটুকু আসন্ন কুরবানির মৌসুমে পড়বে, এ নিয়ে অনেকটা উদ্বিগ্ন ক্ষুদ্র, ছোট ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এই মৌসুমে সারা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করা হয়। একে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন ক্ষুদ্র মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু পরিকল্পিতভাবে চামড়ার প্রকৃত দাম ফেলে দিয়ে কম দামে কেনার প্রবণতা থেকে প্রতিবছরই কুরবানির চামড়া ঘিরে একটি সিন্ডিকেট তৈরি হয়। বিশেষ করে এটি ট্যানারি মালিকদের মধ্যে গড়ে ওঠে। এটি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সম্পৃক্ত হয় অনেক আড়ত মালিক। যে কারণে চামড়া কেনাবেচার মূল্য সরকার ঘোষণা করলেও শেষ পর্যন্ত মূল্যে বড় ধরনের ধস নামে।

বিশ্ববাজারে গত এক বছরে মূল্য বাড়লেও কাঁচা চামড়ায় কেনাকাটায় একই সময়ে দেশের ভেতর কোনো মূল্য বাড়েনি। তবে এক বছর পর গরুর চামড়ায় প্রতি বর্গফুটে ৭ টাকা এবং খাসিতে ৩ টাকা বাড়িয়ে মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

ওই হিসাবে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ঢাকায় কেনা হবে ৪৭-৫২ টাকা, গ্রামে ৪০-৪৪ টাকা। এছাড়া খাসির চামড়া প্রতি স্কয়ার ফুট ১৮-২০ টাকা এবং বকরির ১২-১৪ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির কারণে ইউরোপের মানুষের অবস্থা ভালো নেই। চামড়া একটি শৌখিন পণ্য। ফলে ইউরোপে এর চাহিদা কমছে। এছাড়া ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে চামড়া খাতে ব্যবহৃত সব ধরনের কেমিক্যালের মূল্য ২৫ শতাংশ বেড়েছে। বেড়েছে লবণের দামও। সব মিলে পরিস্থিতি ভালো নয়। এর মধ্যে বেঁধে দেওয়া মূল্যও বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্য বেড়েছে। এর প্রভাবে কনটেইনার খরচ কয়েক গুণ বেড়েছে। ফলে আমরা এসব বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন।

জানা যায়, কুরবানির চামড়ার বাজার স্বাভাবিক রাখতে এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেশ কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্য সচিবকে প্রধান করে গঠন করা হয়েছে ১৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় যৌথ সমন্বয় কমিটি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামানকে প্রধান করে ৭ সদস্যের সমন্বয় ও মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি বাজারে অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে বাজারে লবণ সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। অন্য সব মনিটরিং টিমকে তত্ত্বাবধান করবে।

জানতে চাইলে কুরবানির কাঁচা চামড়া সংক্রান্ত সমন্বয় ও মনিটরিং প্রধান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নুসরাত জাবীন বানু যুগান্তরকে বলেন, চামড়া সংরক্ষণ, ক্রয়/বিক্রয় ও পরিবহণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকির জন্য এরই মধ্যে সব ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঈদের দিন থেকে পরবর্তী ৫ দিন এসব কমিটি প্রয়োজনীয় মনিটরিং করবে। বিশেষ করে নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় ও বিক্রয় মনিটরিং করা হবে।

অন্যান্য কমিটির মধ্যে বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নুরীকে প্রধান করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট চট্টগ্রাম বিভাগের মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফকরুল ইসলামকে প্রধান করে সিলেট বিভাগের জন্য চার সদস্যের মনিটরিং টিম গঠন করা হয়। এছাড়া ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের রাজশাহী কার্যালয়ের উপপরিচালক অপূর্ব অধিকারিকে প্রধান করে ওই অঞ্চলের জন্য চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

খুলনা বিভাগের মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে টিসিবির উপ-ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রবিউল মোর্শেদকে প্রধান করে এবং ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উপপ্রধান মাহমুদুল হাসান।

এছাড়া রংপুর ও বরিশালের দায়িত্বে আছেন আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক রংপুর দপ্তরের নির্বাহী অফিসার সফিউল আলম এবং বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের নির্বাহী অফিসর আল-আমীন হাউলাদার। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ ও মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এছাড়া চামড়া ক্রয় ও বিক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করবেন।

আরাফাতে খুতবা দিবেন শায়খ ড. মুহাম্মাদ আবদুল করীম

চলতি বছর আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবাহ দিবেন সম্মানীত শায়খ ড. মুহাম্মাদ আবদুল করীম আল-ঈসা। একইসাথে মসজিদে নামিরাতে নামাজও পড়াবেন তিনি।

মঙ্গলবার হারামাইন শরিফাইনের জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এর আগে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ এক রাজকীয় ফরমানে এ বছর হজের খুতবার জন্য তাকে নিযুক্ত করেন।

শায়খ ড. মোহাম্মদ বিন আব্দুল কারিম আল ঈসা একজন সৌদি রাজনীতিক এবং দেশটির সাবেক বিচারমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক হেলাল অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি উচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য এবং রাবেতাতু আল-আলাম আল-ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল।

সৌদির স্থানীয় সময় আগামী ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে শায়খ মোহাম্মদ আল ঈসা হাজীদের উদ্দেশে খুতবা দেবেন। এই আরাফাতের ময়দানেই মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা:) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।

এ বছরও হজের আরবি খুতবা বাংলাসহ মোট ১৪টি ভাষায় শোনা যাবে। বাংলায় হজের খুতবা শোনা যাবে এই ওয়েবসাইটে https://manaratalharamain.gov.sa

দুশ্চিন্তা

চুলগুলো পড়ে গেল
দাড়িগুলো পেকে গেল
বয়সের সাথে।
ঝুলে গেছে বলটা
হেলে গেছে লাঠিটা
সময়ের সাথে।
আমার ঢাকা চুল
কালোই রয়ে গেল
আজীবন ধরে।
মাঝে মধ্যে দেখি তারে
ভাবি মনে মনে
কি হবে তোরে দিয়ে
লাঠি নড়ে নারে।
দাঁতগুলো নড়বড়ে
কখন ভেঙ্গে পড়ে!
চোখের গতি এখন
৬০ কিলো মিটার।
চলে না গাড়ি আর
আগের মতন।
যাত্রি সারাক্ষণ
করে শুধু ঘ্যান ঘ্যান
মেশিন ঠিকমতো চলে না বলে।
পেটখানা গোলগাল তরমুজের মতো
রসকষ নাই কিছু সমস্যা যত।
উঠতে বসতে ব্যাথা
সারা শরীরে,
খিদে লাগেনারে আর
আগের মতন।
খাবারে ভেজাল ভরা
খেতে রুচি কম,
দেশ-বিদেশ ঘুরতে বলে গিন্নি সারাক্ষণ।
ভাল্লাগেনারে সেই আগের মতন।
সময় কি চলে এলো
বুঝতে পারি নারে!
কি করব বন্ধুরা
বলে দাও মোরে!
এ কথা জানার পরে
এক বন্ধু ফোন করে বলিলো মোরে,
বলি বন্ধু কথাগুলো
শোন মন দিয়ে।
চলাফেরা করিবে সকালে-বিকেলে
কলেমাটা আগেভাগে পড়ে রাখিবে।
বলা যায়না জীবনে
কখন কী ঘটে,
পাঁচবার প্রতিদিন নামাজ পড়িবে।
৬০ থেকে ১০০ বেশি দূরে নয়
ভালো থেকো বন্ধু নিলাম বিদায়।

খরচ বাড়ছে মোবাইল ইন্টারনেটে

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ বাড়ছে। এতো দিন মোবাইল অপারেটরগুলো ইন্টারনেট সেবার বিপরীতে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিয়ে আসছিল, গত ১ জুলাই থেকে সেটি ১৫ শতাংশ আদায় করছে। এতে ৬-৮ শতাংশ বেশি দামে গ্রাহকদের ইন্টারনেট কিনতে হবে।

গত ৩০ জুন মোবাইল অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যামটব (অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ) চিঠি দিয়ে বিষয়টি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) জানিয়েছে।

বর্তমানে মোবাইল অপারেটরগুলো ৫ শতাংশ ভ্যাট দিচ্ছে। কিন্তু এ ভ্যাটের বিপরীতে রেয়াত গ্রহণ করতে পারছে না অপারেটরগুলো। অন্যদিকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিলে রেয়াত গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। তাই অপারেটরগুলো ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে চাইছে। এতে অপারেটরগুলোর সুবিধা হলেও গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কারণ ইন্টারনেট কেনায় ১০ শতাংশ ভ্যাট বেশি দিতে হবে।

এ বিষয়ে রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, গত এক বছর অপারেটরগুলো ৫ শতাংশ ভ্যাট দিয়েছে। হ্রাসকৃত হার হওয়ায় এই ভ্যাট সমন্বয় করা যায়নি। ফলে কার্যকরি ভ্যাট হার ১৭ শতাংশ গিয়ে দাঁড়িয়েছে। তা

ছাড়া চলতি বাজেটে ভ্যাট আইনে যেসব সংশোধন আনা হয়েছে, তা হিসাব-নিকাষকে আরো জটিল করে তুলেছে। তাই সব অপারেটর ইন্টারনেট প্যাকেজের ওপর ১৫ শতাংশ আদর্শ হারে ভ্যাট আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি জানান, এতে ইন্টারনেটের দাম ৬-৮ শতাংশ বাড়তে পারে।

এবার সালমান খানের আইনজীবীকে হত্যার হুমকি

কিছু দিন আগে বলিউড ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি দিয়েছিল। এবার তার হয়ে হরিণ হত্যার মামলায় লড়া আইনজীবী হস্তিমল সারস্বতকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দল।

ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই আইনজীবীর বাড়ি ঘিরে এখন কড়া নিরাপত্তার বলয়।

গায়ক সিধু মুসেওয়ালার খুনের মামলার অন্যতম প্রধান হিসেবে আপাতত পুলিশ হেফাজতে লরেন্স। অতীতে সালমানকেও হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, মুসেওয়ালার মতো করে দেব। সেই চিঠি পেয়েছিলেন সালমানের বাবা সেলিম খানের রক্ষীরা।

সারস্বত পুলিশকে জানান, ৩ জুলাই হুমকির চিঠি পেয়েছিলেন তিনি। উচ্চ আদালতের জুবিলি চেম্বারের দরজার হাতলের মধ্যে ছিল চিঠিটি। সেই চিঠিতে নাকি লরেন্স ও তার সঙ্গী গোল্ডি ব্রারের নাম সই করা ছিল।

জানা গেছে, সেই চিঠিতে লেখা ছিল— শত্রুর বন্ধু তাদের শত্রু। সম্ভবত সালমানের হয়ে মামলা লড়েই তাদের রোষদৃষ্টিতে পড়েন সারস্বত। তাকে হুমকি দেওয়া হয়, তার অবস্থাও সিধুর মতো হবে।

চিঠিটি যদিও সরাসরি সারস্বত পাননি। পেয়েছিলেন তার সহকারী জিতেন্দ্র প্রসাদ। বিদেশে ছিলেন সালমানের আইনজীবী। সেখান থেকেই পুরো বিষয়টি পুলিশকে জানান তিনি।

সিধুর খুনে আরও এক অভিযুক্ত সৌরভ মহাকালের দাবি, পরিচালক করণ জোহরও তাদের লক্ষ্যে ছিলেন। ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা ছিল।

হোটেলে ৮ ঘণ্টা কাজ করে প্রথম উপার্জন করেন সামান্থা

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার সর্বাধিক পারিশ্রমিক পাওয়া নায়িকাদের অন্যতম সামান্থা রুথ প্রভু। টালিউড, বলিউডের পর হলিউডেও কাজের সুযোগ হয়েছে তার। নিজের গ্লামার, অভিনয় গুণ ও সৌন্দর্য সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারে সোনালি সময় পার করছেন এ নায়িকা।

এই পর্যায়ে আসতে জীবনে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে সামান্থাকে। তার প্রথম পারিশ্রমিক শুনলে যে কারও চোখ ছানাবড়া হবে।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে এক কনভারসেশনে নিজের প্রথম ইনকাম নিয়ে মুখ খোলেন সামান্থা রুথ প্রভু। এক ভক্ত তাকে প্রথম উপার্জন নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে সামান্থা জানান, তার প্রথম আয় ছিল ৫০০ রুপি। তখন তিনি দ্বাদশ কিংবা একাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। খবর পিঙ্ক ভিলা ও এনডিটিভির।

ভিডিও শেয়ার করে সামান্থা জানান, ৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৫০০ রুপি আয় করেছিলেন। হোটেলে একটি কনফারেন্সে আয়োজনের কাজ করে ওই টাকা আয় করেন এ নায়িকা।

বর্তমানে সামান্থা বলিউডে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নায়িকা। প্রতি সিনেমার জন্য তিনি ৩ কোটি থেকে ৫ কোটি টাকা আয় করেন।

জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু ‘মাক্ষি’, ‘মেরসাল’, ‘রাঙ্গাস্থালাম’ কিংবা ‘সুপার ডিলাক্স’-এর মতো সফল সিনেমা করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এ ছাড়া তুমুল জনপ্রিয় ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেও প্রশংসিত হয়েছেন। আবার ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ সিনেমার আইটেম গানে আবেদনময়ী রূপে নেচে ঝড় তুলেছেন নেট দুনিয়ায়।

প্রসঙ্গত সিনেমায় সামান্থার অভিষেক হয় ২০১০ সালের তেলেগু সিনেমা ‘ইয়ে মায়া চেসাভ’ দিয়ে। এর পর অল্প সময়ের মধ্যেই তারকাখ্যাতি পান তিনি।

সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্যে যে পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে চান মাহমুদউল্লাহ

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। দ্বিতীয় ম্যাচে টাইগাররা হেরেছেন ৩৫ রানে। সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচ আজ। এই ম্যাচে মাঠে নামার আগে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ। কারণ এরই মধ্যে দুই ম্যাচের সিরিজে পরিণত হওয়া টি-টোয়েন্টি ১-০ তে এগিয়ে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাই আজ তারা নামবেন সিরিজ নিশ্চিত করতে। অপরদিকে বাংলাদেশ দলকে নামতে হচ্ছে সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়ে। এ বিষয় কথা বলেছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তিনি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি খেলাটাই এ রকম। অনেক সময় ওপেনাররা ভালো শুরু করে দেবে কিন্তু টেলএন্ডার টেনে নাও নিতে পারে। কাউকে না কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে। যেমন আগের ম্যাচে সাকিব যে ইনিংস খেলল। আমরা ১৬০ রানের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। আমাদের দলে এমন একজনকে ব্যাটিং করতে হবে। সঙ্গে কেউ ২০-৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেললে আমরা ১৬০-১৭০ রান করতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই বিশ্বাস আছে— নিয়মিত ১৬০-১৭০ রান করতে পারলে বোলাররা সেটি ডিফেন্ড করতে পারবে। আমাদের বোলিং অ্যাটাক খুব ভালো। হয়তো আগের ম্যাচে পেসাররা সেভাবে ভালো করতে পারেনি। কিন্তু অনেক ম্যাচেই আমাদের বোলাররা ছোট রানে আটকে রেখেছিল। এখনো অগাধ বিশ্বাস আছে বোলিং বিভাগের ওপর— ওরা ইনশাআল্লাহ ঘুরে দাঁড়াবে।’

সিরিজ বাঁচাতে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই সফরকারীদের সামনে। তবে কাজটা মোটেও সহজ নয় বাংলাদেশের জন্য। দলীয় অবস্থান আর ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় রীতিমতো দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে গোটা দলের।

তবে খেলাটা গায়ানায় বলেই আত্মবিশ্বাসে খানিক রসদ পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে এর আগে কোনো টি-টোয়েন্টি না খেললেও তিনটি ওয়ানডে খেলে জয় পেয়েছে দুই ম্যাচে। কিন্তু প্রথম টি-টোয়েন্টির মতো এ ম্যাচেও সঙ্গী হয়েছে শঙ্কা। কারণ পূর্বাভাসে সুখবর নেই। বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বৃহস্পতিবার ম্যাচের দিন। তাতে ম্যাচ পণ্ড হয়ে যাওয়ার শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

যদিও ম্যাচ হবে ধরে নিয়েই পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বাংলাদেশ দল। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ তো একাদশে পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন। পেসার তাসকিন আহমেদের পরিবর্তে ফিরতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। কারণ গায়ানার উইকেট অনেকটা উপমহাদেশর মতো। স্পিনাররা সহায়তা পেয়ে থাকেন। পরিসংখ্যাও স্পিনারদের হয়ে কথা বলছে। সে হিসাবে তিন পেসারের পরিবর্তনে দুই পেসার খেলানোর ভাবনা বাংলাদেশের।

আবহাওয়া আর কন্ডিশন যেমনি হোক, মানিয়ে নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়ক বলেন, ‘দিকনির্দেশনার কিছু নেই, মানিয়ে নিতে হবে। সবসময় মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে— এটিই বড় কথা। তার পর যেমন পরিস্থিতিই হোক চেষ্টা করব মানিয়ে নিয়ে আমাদের ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার।’

এ ম্যাচে বাংলাদেশ দলের ভাবনার জায়গা ব্যাটিং বিভাগ। ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হচ্ছেন ব্যাটাররা। সবশেষ ম্যাচে তবু সাকিব আল হাসান একাই লড়াই করেছেন। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে তার মতো আরেকজনকে দেখতে চান অধিনায়ক। সব মিলিয়ে ১৬০-১৭০ রানে পুঁজি বোলারদের এনে দিতে পারলে ম্যাচ জেতা সম্ভব বলে মনে করছেন তিনি।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
এনামুল হক বিজয়, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, নুরুল হাসান সোহান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, শেখ মেহেদী হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ।

গায়ানাতেও বৃষ্টির শঙ্কা

ক্যারিবিয়ানে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৩৫ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। গায়ানায় আজ রাত সাড়ে ১১টায় ক্যারিবিয়ানদের সঙ্গে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি লড়বে বাংলাদেশ। তবে শঙ্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে বৃষ্টি।

১-০ তে পিছিয়ে থাকলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নটা এখনো দেখছেন টাইগাররা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে গায়ানার উইকেট। এই ভেন্যুর পিচ প্রথাগতভাবে অনেকটাই স্পিনসহায়ক। যার ফায়দা নিয়ে গায়ানাতে তিন ওয়ানডে খেলে দুটি ম্যাচ জয়ের কীর্তি আছে বাংলাদেশের।

এবারও গায়ানায় একই রকম উইকেট দেখছেন রিয়াদ। তাই এর সুবিধা নেওয়ার কথা বলছেন তিনি। উইকেটের ফায়দা নিতে এক পেসারের জায়গায় আবারও একাদশে ফিরতে পারেন টাইগার স্পিনার নাসুম আহমেদ। গায়ানাতেও বৃষ্টি বাগড়া দিতে পারে, তাই ম্যাচ পণ্ড হওয়ারও শঙ্কা আছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২৫ কিমি যানজট

ঈদ কেন্দ্র করে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি বিকল হওয়ার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার রাত থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত রাবনা পর্যন্ত এ যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজটের কারণে ঘরমুখো মানুষ বিশেষ করে নারী ও শিশুরা বিপাকে রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, ঈদ কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষ ও ফিটনেসবিহীন বেশ কয়েকটি যানবাহন বিকল হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসনে পুলিশ এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দুই লেনের সড়ক একমুখী (ওয়ানওয়ে) করেছে। ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন এলেঙ্গা থেকে সেতুর দিকে যাচ্ছে।

অপরদিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী যানবাহন সেতু পেরিয়ে ভূঞাপুর সড়ক হয়ে এলেঙ্গা দিয়ে ঢাকায় যাচ্ছে। তবে উত্তরবঙ্গ থেকে গরুবাহী ট্রাক একমুখী সড়কের আওতায় বাইরে রয়েছে।

গরু ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত প্রচুর জ্যাম। গরুগুলো গাড়িতে শুয়ে পড়েছে। সঠিক সময় ঢাকা পৌঁছাতে না পারলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

দিনাজপুর থেকে আসা গরুবাহী ট্রাকচালক বাবু মিয়া বলেন, সিরাজগঞ্জের নলকার আগে থেকে রাত ৮টায় জ্যামে পড়েছি। সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার জোকারচর পর্যন্ত এসেছি। গরমে প্রচণ্ড দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, ফিটনেসবিহীন বিকল হওয়া কয়েকটি যানবাহন রেকার করে সরাতে সময় লেগেছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হবে বলে তিনি জানান।

২২-এ পবিপ্রবি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আগামীকাল ৮ জুলাই ২২ বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে।

২০০০ সালের ৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় সাবেক পটুয়াখালী কৃষি কলেজের অবকাঠামোতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আজ দেশ-বিদেশে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।

প্রাথমিকভাবে কৃষি, সিএসই ও বিবিএ— এই তিনটি অনুষদে ছাত্রছাত্রী ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়, যা সময়ের পরিক্রমায় আজ ৮টি অনুষদের অধীনে কৃষি অনুষদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুষদ, মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ, অ্যানিমাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদ, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স অনুষদ এবং ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুষদে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই ৮টি অনুষদের অধীনে ৯টি ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে।

৮৯.৯৭ একর আয়তনের ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ে ৩ হাজার ৬৯১ জন, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪৫১ জন এবং পিএইচডি পর্যায়ে ২৪ জন ছাত্রছাত্রী অধ্যয়নরত আছেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাসের সুবিধা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভবনগুলোতে লাগানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মাদ ইমাদুল হক প্রিন্স জানান, শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৫৩ শিক্ষক, ১৮৩ কর্মকর্তা ও ৫২৯ কর্মচারী নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা প্রদানের জন্য ৫টি ছাত্র হল এবং ৩টি ছাত্রী হল রয়েছে।

সেশনজটমুক্ত এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করার লক্ষ্যে নানাবিধ পরিকল্পনার কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির স্বনামধন্য ভাইস-চ্যান্সেলর দেশবরেণ্য কৃষি বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।

তিনি জানান, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পবিপ্রবির কৃষি অনুষদের শিক্ষকগণ দেশের কৃষিতে সমৃদ্ধি আনয়নকল্পে ফসলের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবনে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

এ ছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়টির উত্তরোত্তর উন্নয়নের জন্য বর্তমানে প্রায় সাড়ে চারশ কোটি টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় দুটি ১০তলা আবাসিক হল ও একটি ১০তলা একাডেমিক ভবন নির্মিত হবে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে বলে জানান তিনি।