শুক্রবার ,১৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 204

লক্ষ্মীপুরে জেলা পরিষদে মনোনয়ন পত্র দাখিল

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল আজ৷ এতে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক মোহাম্মদ শাহজাহান মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রির্টানিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোছাইন আকন্দের হাতে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এ পদে অন্য কেউ মনোনয়ন পত্র দাখিল না করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ের পথে তিনি। 

এছাড়া ৫টি উপজেলার সাধারণ সদস্য পদে ২২ জন আর সংরক্ষিত নারী সদস্য ২ পদে ১০ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন।

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিলের সময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকুসহ দলের অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মীরা।

রাঙ্গা-পঙ্কজের এখন কি হবে, আইন কি বলে?

নিজ দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর মশিউর রহমান রাঙ্গা এবং পঙ্কজ নাথের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে বেশিরভাগ আইন বিশেষজ্ঞ মনে করেন দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণে তাদের সংসদ সদস্য (এমপি) পদে থাকতে কোনো অসুবিধা নেই।

তারা যদি পদত্যাগ করতেন কিংবা দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিতেন তাহলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের সংসদ সদস্য পদ থাকতো না।
বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় পার্টি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের দলীয় গঠনতন্ত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ সব পদ পদবী থেকে মশিউর রহমান রাঙ্গাকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
ইতোমধ্যে এ আদেশ কার্যকর হয়েছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

তিনি রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির দলীয় সংসদ সদস্য। এর দু’দিন আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথকে আওয়ামী লীগের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরুপে মনোনীত হইয়া কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য হইবেন না’।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা হলো, দুইটা ক্ষেত্রে চলে (এমপি পদ শূন্য হবে) যাবে। যদি তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন, যে দল থেকে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। আর তিনি যদি সংসদে নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেন। এই দুই ক্ষেত্রে পদ চলে যাবে।

দুই সংসদ সদস্যের বিষয়ে তিনি বলেন, এই দুই জন তো পদত্যাগ করেননি। তাদের দলের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। কিন্তু তারা তো দলে আছেন। সেকারণে তাদের পদ যাবে না।
একই মতামত সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খানের।

তিনি বলেন, সংবিধানে সংসদ সদস্যদের অযোগ্যতার বিষয়ে বলা আছে। এই দুই জন সংসদ সদস্যের বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। তাদের ক্ষেত্রে এখন সংবিধানের অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য নয়। কারণ তারা পদত্যাগও করেননি। আবার দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও ভোট দেননি। তাই এখানে ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য নয়।

তবে সুপ্রিম কোর্টের আরেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ মনে করেন, এই দুই জন তাদের দলীয় পরিচয়ে ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। যে দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছে, সেখান থেকে পদ হারালে হলে সংসদে তার অবস্থান কোথায় হবে? এখন অন্য দলে যোগ দেওয়ার বা স্বতন্ত্র এমপি হয়ে থাকার সুযোগও নেই। কারণ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার শর্ত তিনি পূরণ করেননি। এ অবস্থায় দল তাদের অব্যাহতির বিষয়টি স্পিকারকে জানাবেন। স্পিকার এই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই চেয়ারম্যান ১৯ জন

আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের আগেই ১৯ জন চেয়ারম্যান বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে ১৯ জেলায় চেয়ারম্যান পদে একজনের বেশি কেউই মনোনয়ন দাখিল করেননি। ফলে ওই ১৯জনই বিনাভাটে নির্বাচিত হচ্ছেন। এর আগে ২০১৬ সালেও ১৯জন ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হয়েছিলেন।

৬১জেলা পরিষদের নির্বাচনের আজ বিকাল ৩টায় পর্যন্ত ছিল মনোনয়ন দাখিলের শেষদিন। নির্বাচন কমিশনে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এবার চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদে এই তিনপদে নির্বাচনের জন্য ২ হাজার ৮৬০জন মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১৬২জন মনোনয়ন দাখিল করেন। সংরক্ষিত আসনে ১৯৮৩জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৭১৫জন মনোনয়ন জমা দেন।

যে ১৯ জেলায় এবার একক বা একজন ব্যক্তি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন সেই জেলাগুলো হলো-গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝালকাঠী, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁও, নারায়নগঞ্জ, ফেনী, বরগুনা, বাগেরহাট, ভোলা, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মৌলভীবাজার, লক্ষীপুর, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ এবং সিলেট। নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে ৬১জেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর। এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর। আর আগামী ১৭ অক্টোবর সিলেটসহ দেশের ৬১টি জেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে কেউ সন্তুষ্ট না হলে আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন। আপিল কর্তৃপক্ষে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

২০০০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার নতুন করে জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করে। এরপর জোট সরকারের আমলে এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করে। প্রথমবারের মতো স্থানীয় এই সরকারে নির্বাচন হয় ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর। সে সময় ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) নির্বাচন হয়েছিল। এরমধ্যে ১৯টি জেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলার অধীনে যতগুলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোর সদস্যরাই জেলা পরিষদ ভোট দিতে পারেন।

`করোনা মহামারি সমাপ্তির পথে’

করোনাভাইরাসে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস। একইসঙ্গে করোনা মহামারি সমাপ্তির পথে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

এছাড়া বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে উল্লেখ করে সংক্রামক এই রোগের বিরুদ্ধে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই প্রধান। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস সাংবাদিকদের বলেন, ‘করোনা মহামারি শেষ করার জন্য আমরা কখনোই ভালো অবস্থানে ছিলাম না। আমরা এখনও সেখানে নেই, কিন্তু (করোনা মহামারির) শেষ দেখা যাচ্ছে।’
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই এই ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে সংক্রামক এই ভাইরাসে ৬০ কোটিরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৫ লাখেরও বেশি মানুষ।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক বলেন, করোনাভাইরাসে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং ২০২০ সালের মার্চের পর থেকে গত সপ্তাহে সংক্রমণ সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা এখন এই সুযোগটি গ্রহণ না করি, তাহলে আমরা ভাইরাসের আরও ভ্যারিয়েন্ট, আরও মৃত্যু, আরও বিধিনিষেধ এবং আরও অনিশ্চয়তার ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবো।’

এই পরিস্থিতিতে দেশগুলোকে ভাইরাসের লাগাম টেনে ধরতে যা করতে হবে তা করতে সাহায্য করার জন্য ছয়টি সংক্ষিপ্ত নীতি প্রকাশ করেছে ডব্লিউএইচও। টেড্রোস বলেন, ‘এসব নীতি সরকারগুলোর জন্য তাদের কৌশল আরও কঠোর করার এবং করোনা মহামারির সম্ভাবনাসহ ভবিষ্যতের রোগজীবাণুগুলো প্রতিরোধের জন্য তাদের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য একটি জরুরি আহ্বান।’

একইসঙ্গে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীগুলোতে ১০০ শতাংশ টিকা দেওয়ার এবং ভাইরাস শনাক্তের জন্য পরীক্ষা চালিয়ে যেতেও দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক বলেন, করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন এবং থেরাপি এই রোগের তীব্রতা রোধ করতে সাহায্য করেছে। আর তাই ভাইরাসের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ ঢেউ সম্পর্কে সতর্ক করার পাশাপাশি দেশগুলোকে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা কর্মী হাতে রাখতে হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

কারাগার থেকে এসএসসি দিচ্ছেন যে পরীক্ষার্থীরা

খাগড়াছড়িতে কারাগারে বসে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা দিচ্ছেন তিনজন পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগারের জেলার এ জি মাহমুদ।
আজ বৃহস্পতিবার থেকে (১৫ সেপ্টেম্বর) সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় কারাগারের অফিস কক্ষে বসেই অংশ নেন এই তিন শিক্ষার্থী।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন, খাগড়াছড়ি পৌরসভার কদমতলী এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সোহাগ আলম এবং সে খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র। সে একমাস আগে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাবাসী হয়। বাকি দুইজনের মধ্যে আরিফুল ইসলাম পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। কয়েকদিন আগে পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলে গেছেন। অপরজন নিপুণ ত্রিপুরা মাটিরাঙ্গা মিউনিসিপাল স্কুলের শিক্ষার্থী। একবছর ধরে সে কারাগারে আছে।

খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারের জেলার এ জি মাহমুদ বলেন, তিন শিক্ষার্থী কারাগারের অফিস কক্ষে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। তারা ৩ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা দিচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা পরীক্ষা দিতে বসছে। খাগড়াছড়ি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা জানান, জেলায় এবার তিন পরীক্ষার্থী কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। তারা যাতে নির্ধারিত সময় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে সেজন্য সব ধরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

এসএসসি পরীক্ষা দিনাজপুর বোর্ডে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ১৬৯৬

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই ১৬৯৬ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৭০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ১৬৯৬ জন।

দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁ, পঞ্চগড়, রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার মোট ২শ’ ৭৭টি কেন্দ্রে হচ্ছে পরীক্ষা। এতে অংশ নিয়েছে ২ হাজার ৬৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. তোফাজ্জুর রহমান জানান, আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে শুরু হয় এ পরীক্ষা। পরীক্ষা চলেছে, দুপুর ১টা পর্যন্ত। প্রথম দিনের পরীক্ষায় ১৬৯৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়নি পরীক্ষায়। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

এবার সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাসিত সিলেবাসে ৩ ঘণ্টার পরিবর্তে ২ ঘণ্টা পরীক্ষা হবে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। এরপর ১০-১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।
অন্যদিকে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের।

প্রতি বছর সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি পরীক্ষা হয়। কিন্তু করোনার কারণে পেছানো হয় পরীক্ষা। এরপর ১৯ জুন পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও সিলেটসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে তা আবারও পিছিয়ে যায়।

উন্নয়ন তহবিলের ঋণ পরিশোধে নতুন সুবিধা

রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণ পরিশোধে নতুন সুবিধা দিয়ে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে ইডিএফ ঋণের সব অর্থ একবারে পরিশোধ করতে হতো। এখন কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত নীতিমালা জা‌রি ক‌রে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলারের কাছে পাঠানো হয়ে‌ছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ইডিএফ ঋণের দায় আংশিকভাবে পরিশোধের সুযোগ পাবেন রপ্তানিকারকরা। ঋণের মেয়াদকালে সর্বোচ্চ দুই বার আংশিক পরিশোধ করা যাবে। অবশিষ্ট দায় ঋণের মেয়াদকালীন সময়ের মধ্যে একবারে পরিশোধ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার তিন বারে ঋণের পুরো দায় পরিশোধ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ইডিএফ থেকে রপ্তানিকারকদের উৎপাদন উপকরণাদি আমদানির ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রায় পুনঃঅর্থায়ন করে থাকে। ইডিএফ ঋণের মেয়াদ ১৮০ দিন। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে সময় আরও ৯০ দিন বাড়ানো যায়।

 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সিইসি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তার একান্ত সচিব রিয়াজ উদ্দীন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে সিইসির কোভিড পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। তবে শারীরিক কোনো জটিলতা নেই। রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আপাতত বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন।’

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সিইসির অনুপস্থিতিতে তার রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কর্মপরিকল্পনা’ প্রকাশ করে ইসি। এই কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে হাবিবুল আউয়ালের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে অসুস্থতার কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি ওই অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

কয়েক মিনিটেই নিঃশেষ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট

আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২৩ অক্টোবর মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। মজার ব্যাপার হলো, কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট। একই চিত্র বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচেরও। ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচের টিকিটও শেষ হয়ে গেছে। এমন খবর নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে মাঠের উত্তেজনার পারদ চরমে ওঠে। আর সেটা যে কোনো টুর্নামেন্টেই। সেটি যদি হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে, তাহলে তো কথাই নেই।

প্রতীকী ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানিয়েছে, ‘২৩ অক্টোবর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচের টিকিট ছাড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিক্রি হয়ে গেছে। এই ম্যাচের জন্য একটি অতিরিক্ত স্ট্যান্ডিং রুমেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। এর স্পষ্ট অর্থ হলো, যে ভক্তরা টিকিট নিতে পারেননি, তারা আর এই ম্যাচ স্টেডিয়ামে সরাসরি দেখতে পারবেন না।’

তবে ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের টিকিট এখনো বাকি আছে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সিডনিতে।

বর্তমান বরাদ্দ অনুসারে ২৭ অক্টোবর সিডনির বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। বাড়তি টিকিট ছাড়ার আগ পর্যন্ত আগ্রহী দর্শকদের অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে। গ্রুপ ২-এ ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও আছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৭ অক্টোবর শুরু হবে বাংলাদেশের মিশন। প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের ম্যাচ টিকিটও শেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে আইসিসি।

আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরই মধ্যে ৫ লাখের বেশি টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, ‘১৬টি আন্তর্জাতিক দলের সেরা খেলোয়াড়দের দেখতে ৮২টি দেশের দর্শক টিকিট কিনেছেন। ২০২০ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ৮৬ হাজার ১৭৪ দর্শকের রেকর্ড উপস্থিতির পর এবারই প্রথম আইসিসির ইভেন্টে গ্যালারিভর্তি দর্শক ফিরছে।’

বাংলাদেশের ম্যাচ প্রসঙ্গে আইসিসি জানায়, ‘বর্তমান বরাদ্দ অনুসারে ২৭ অক্টোবর সিডনির বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। বাড়তি টিকিট ছাড়ার আগ পর্যন্ত আগ্রহী দর্শকদের অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সম্প্রতি এশিয়া কাপে ভারত ও পাকিস্তান দুইবার মুখোমুখি হয়েছিল। গ্রুপ পর্বের খেলায় পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারায় ভারত। সুপার ফোরের ম্যাচে জয় দিয়ে প্রতিশোধ নেয় পাকিস্তান।

 

সরাইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ০৩:০৫ অপরাহ্ণ, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ৪৭৫ পিচ ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে সরাইল থানার পুলিশ। বুধবার ( ১৪ সেপ্টেম্বর ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সরাইল থানাধীন বড় দেওয়ানপাড়া সাকিনস্থ বড় দেওয়ানপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন হ্যালো বেকারীর উত্তর পাশে পাকা রাস্তার উপর হইতে মাদকের অভিযান চালিয়ে তাদেরকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মোঃ শাহীন প্রকাশ গার্ড মার্ডার শাহিন (৩৮) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দক্ষিন মৌড়াইল এলাকার মৃত জালাল মিয়া ছেলে ও একই উপজেলার কাজীপাড়া (দরগা মহল্লা, পৌরসভা এলাকা ৮ নং ওয়ার্ড) এলাকার মৃত আবদুল খালেক সরকারের ছেলে বাবু সরকার (৩৮)।

জানা গেছে , ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার নির্দেশে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সরাইল সার্কেল এর দিক-নির্দেশনায় এবং সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম হোসেনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শেহাবুর রহমান এর নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র)/মোঃ সাইফুল ইসলাম, এসআই (নিরস্ত্র)/মোঃ জসিম উদ্দিন, এএসআই(নিরস্ত্র)/মোঃ সাইফুল ইসলাম মাদকের অভিযান চালিয়ে বুধবার ( ১৪ সেপ্টেম্বর ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সরাইল থানাধীন বড় দেওয়ানপাড়া সাকিনস্থ বড় দেওয়ানপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন হ্যালো বেকারীর উত্তর পাশে পাকা রাস্তার উপর হইতে মোঃ শাহীন প্রকাশ গার্ড মার্ডার শাহিন (৩৮) ও বাবু সরকার (৩৮) কে আটক করা হয়, এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৭৫ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

সরাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মো.শেহাবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মাদক কারবারীদের কোন অবস্থাতে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক কারবারিরা দেশ ও জাতির শত্রু। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সরাইল থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম হোসেন বলেন,গ্রেপ্তারকৃত আসামী মোঃ শাহীন প্রকাশ গার্ড মার্ডার শাহিন বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ০১টি, মাদক মামলা- ৭টি, হত্যা মামলা ০১টাসহ মোট- ০৯টি মামলা রয়েছে এবং আসামী বাবু সরকার এর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ছিনতাই মামলা- ০১টি, মাদক মামলা- ০২টি, মোট- ০৩টি মামলা রয়েছে। আসামীদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।