বৃহস্পতিবার ,২৩ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 755

বাসায় বা খাঁচায় পাখি পালা যাবে?

প্রশ্ন: আমি বাজার থেকে একটি পাখি কিনে এনেছি। অনেকে বলেন, পাখি খাঁচায় আটকে পালন করা বৈধ নয়। কথাটি কি ঠিক?

উত্তর: যেসব পাখি খাঁচাতেই জন্মায় এবং এখানেই জীবন যাপন করে অর্থাৎ (উড়া পাখি নিয়ে এসে বন্দি করা হয়েছে এমন নয়) এসব পালিত পাখিকে নিয়মিত খাবার পানি ও চিকিৎসা দিয়ে সুন্দরভাবে পরিচর্যা করতে পারলে খাঁচায় রেখে লালন-পালন করা জায়েজ হবে।

কিছু সাহাবী থেকে খাঁচায় পাখি লালন-পালন করা প্রমাণিত রয়েছে। হজরত হিশাম ইবনে উরওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা.) মক্কায় ছিলেন। তখন সাহাবীরা খাঁচায় পাখি রাখতেন। (আল আদাবুল মুফরাদ, হাদিস ৩৮৩)

কিন্তু এক্ষেত্রে যথাযথ পরিচর্যা করতে হবে। পরিচর্যা করতে না পারলে অথবা বন্দি করে রাখার কারণে কষ্ট পেলে খাঁচায় আটকে রাখা জায়েয হবে না। বরং ছেড়ে দিতে হবে।

খাবার-পানির সঠিক ব্যবস্থা করে ও কোনো ধরনের কষ্ট না দিলে— খাঁচায় বন্দি করে পাখি পোষা জায়েজ। (আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল : ৪/৪৫৪)

প্রকাশ থাকে যে, বাইরে উড়ে বেড়ায় এমন পাখিকে খাঁচায় বন্দী করলে তাদের কষ্ট হতে পারে। তাই এ ধরনের পাখি খাঁচায় বন্দী না করাই উচিত। কেননা এতে তাদের স্বাধীন জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

তথ্যসূত্র: সহীহ বুখারি, হাদিস ৬২০৩; ফাতহুল বারী ১০/৬০১; রদ্দুল মুহতার ৬/৪০১

নামাজের জামাতে ওজু ছুটে গেলে কী করবেন?

প্রশ্ন: ফরজ নামাজ জামাতে পড়ার সময়, দ্বিতীয় রাকাতে বায়ু বের হলে ওজু করে এসে দ্বিতীয় রাকাত ধরতে হবে না প্রথম থেকে নামাজ শুরু করতে হবে?

উত্তর: জামাতে নামাজ পড়া অবস্থায় ওজু ছুটে গেলে তৎক্ষণাৎ ওজুর জন্য বের হয়ে যেতে হবে। ইমামের নামাজ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকা যাবে না।

আমর ইবনুল হারেস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নামাজরত ব্যক্তির নাক দিয়ে রক্ত বের হলে কী করণীয় এ সম্পর্কে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, সে ওজুর জন্য বের হয়ে যাবে এবং ওজু করে আসবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা- ৫৯৫০)

সালমান ফারসী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কারো যদি নামাজে ওজু ছুটে যায় তাহলে সে যেন বের হয়ে ওজু করে আসে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা- ৫৯৫৪)

দুই. ওজু করে ফিরে এসে ইমামের সঙ্গে নামাজে যোগদান করবে। ইমামের সালাম ফিরানোর পর সে উঠে দাঁড়িয়ে বাকি নামাজ যথারীতি আদায় করবে। ওজু করে ফিরে আসতে আসতে যদি ইমামের নামাজ শেষ হয়ে যায়, তবে সে একাকি অবশিষ্ট নামাজ আদায় করবে। তবে শর্ত হচ্ছে এ সময় কোনো প্রকার কথা বলা যাবে না। কথা বললে পূর্ণ নামাজ আদায় করতে হবে।

উত্তর দিয়েছেন: মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী

রাজশাহীতে আরও ১৮ রোগীর প্রাণহানি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান। এর আগে গত ২৮ জুন সর্বোচ্চ ২৫ জন মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, নতুন করে মারা যাওয়া ১৮ জনের মধ্যে তিনজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। আর ১৫ জন মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে।

মৃত ১৮ জনের মধ্যে রাজশাহীর ১০ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই, নাটোরের দুই, নওগাঁর দুই, কুষ্টিয়ার এক এবং সিরাজগঞ্জের একজন করে রোগী ছিলেন।

হাসপাতালটিতে এ মাসের নয়দিনে ১৫৭ জনের মৃত্যু হলো। এর আগে জুন মাসে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন।

শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৪ জন। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন সর্বোচ্চ ৫০১ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৪৫৪টি।

কিশোর গ্যাংয়ের কাছ থেকে রেহাই পেল না প্রতিবন্ধীও

শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. এরশেদের (২৭) জন্মের পর থেকে দুইটি হাত নেই। প্রতিবন্ধী হলেও তিনি একজন মোবাইল মেকানিক।

চট্টগ্রামের হাটহাাজরী উপজেলারী মির্জাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ওবাইদুল্লাহ নগর এলাকার তার বসতঘরের পাশে এরশাদের ‘মায়ের আশা’ নামে একটি মোবাইল সাভিসিংয়ের দোকান রয়েছে। পাশাপাশি তিনি প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের একজন নির্বাচিত ছাগল পালনকারী।

এরশাদের উপার্জনে বাধ সাধে এলাকার স্থানীয় কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা। সম্প্রতি তারা এরশাদের কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।

চাঁদা দেওয়ার সামর্থ না থাকায় কিশোর গ্যাং থেকে রক্ষা পেতে স্ত্রীর আলঙ্কার, দোকানের টাকা, নিজের মোবাইল দিয়েও কিশোর গ্যাংয়ে হাত থেকে নিস্তার পাননি প্রতিবন্ধী মো. এরশাদ।

তিনি জানান, গত ১৯ জুন দুপুরে তারর (এরশাদ) অনুপস্থিতে মির্জাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামের ছেলে হামিদুল ইসলামের (৩২) নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের ৫/৬ জন সদস্য প্রতিবন্ধী কোটায় প্রাণিসম্পদ থেকে পাওয়া ২টি ছাগল নিয়ে যেতে চায়।

এ সময় তার বড় ভাই নূর মোহাম্মদ বাধা দিলে তাকে মারধর করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসরা।

এরপর গত ২৩ জুন রাত ৮টার দিকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এসে তার মোবাইল ও দোকানের মোবাইল সাভিসিংয়ের সরঞ্জাম নিয়ে যায়।

এ সময় তারা (কিশোর গ্যাং) এ ঘটনা নিয়ে কোনো অভিযোগ বা কাউকে জানালে তাকে দোকান বন্ধ করে এলাকা ছাড়তে হবে বলে হুমকি দেয়।

এছাড়া এরশাদের মোবাইলে থাকা তার (এরশাদ) স্ত্রী ও বোনের ছবি এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং তাকে জানে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়ে গেছে।

এদিকে, এরশাদ প্রাণ বাঁচাতে গত বুধবার হাটহাজারী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতে এলাকার বখাটে কিশোর গ্যাংয়ের ৮ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত করা হয়। এরা হলেন- হামিুদল ইসলাম (৩২),হৃদয় (২৫), ফারুক (৩০), সাকিব (২২), নাঈম (২৬), খাইরুল আমিন (২৫), নাজিম (২৫) ও সাদ্দাম (২৫)।

অভিযুক্ত সবাই মির্জাপুর ইউনিয়নের ওবাইদুল্লাহ নগর ও কালা বাদশা পাড়ার বাসিন্দা। এদিকে, থানার অভিযোগ দায়ের বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে।

এ ব্যাপারে হাটহাজারী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব শর্মা বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্রাজিল ডিফেন্ডারকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ম্যাচ জিতেছিল আর্জেন্টিনা!

আগামী ১১ জুলাই ব্রাজিলের ফুটবল তীর্থ মারাকানায় কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে নামবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই লাতিন পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা।

ফাইনাল এমনিতেই রোমঞ্চকর, তারমধ্যে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ, নেইমার-মেসির শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। সবমিলিয়ে উত্তেজনা আর রোমাঞ্চের পারদ বেড়ে অসীম পর্যায়ে উঠেছে।

এমন ফাইনালই চায় ফুটবলপ্রেমীরা। তার ওপর ১৪ বছর পর দেখা হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। যে কারণে ফাইনালকে ঘিরে এখন থেকেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

ঘাটাঘাটি হচ্ছে অতীত ইতিহাস ও জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যান। শতবছরের বিশ্বকাপের আলোচিত ঘটনাগুলোও সামনে এসে ধরা দিচ্ছে।

এমন মুহূর্তে আলোচনায় এসেছে ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপের একটি বিতর্কিত ঘটনা। যা ফুটবল ডিকশনারিতে ‘দ্য হলি ওয়াটার স্ক্যান্ডাল’ নামে পরিচিত।

ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেরই জানা সেই ঘটনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দলের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল গুরুতর এক অভিযোগ।

ওই বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ম্যারাডোনা। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচে দুর্দান্ত ম্যারাডোনাকে রুখতে যারপরনাই চেষ্টা করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার (লেফট ব্যাক) ব্রাঙ্কো।

অভিযোগ রয়েছে, ব্রাংকোকে পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ ট্র্যাঙ্ক্যুলাইজার মিশিয়ে খাইয়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফিজিও। যাতে ম্যারাডোনা স্বাচ্ছন্দে নিজের কার্যসিদ্ধি করতে পারেন।

 

ঘটনা সম্পর্কে যা জানা যায়, বিরতির কিছু আগে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় পেদ্রো থ্রলিগো আহত হলে তাকে সেবা করতে আসেন ফিজিও। এ সময় আর্জেন্টাইন ফিজিওর কাছে পানির বোতল চান ব্রাঙ্কো। আর সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন আর্জেন্টিনা দলের ফিজিও। ব্রাঙ্কোকে ঘুমের ওষুধ ট্র্যাঙ্ক্যুলাইজার মেশানো পানির বোতল দেন তিনি। ব্যস, তাতেই কাজ হয়ে যায়। সেই পানি পান করে বিরতির পর মাঠে নামেন ব্রাঙ্কো। ঘুমের ঘোরে চোখ বন্ধ হয়ে আসতে থাকে তার। ম্যারাডোনাকে আটকাবেন কি নিজেকেই সামলাতে পারছিলেন না ব্রাঙ্কো।

আর সুযোগ কাজে লাগান ম্যারাডোনা। ৩ ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে ক্লডিও ক্যানিজিয়াকে ডি-বক্সে বল বানিয়ে দেন ম্যারাডোনা। ক্যানিজিয়া ব্রাজিলের জালে বল জড়িয়ে দেন অনায়াসেই।

আর ওই গোলেই নব্বইয়ের বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে যায় ব্রাজিলের। ১-০ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ হারের পর ব্রাঙ্কো দাবি করেন, আর্জেন্টাইন ফিজিওর দেওয়া সেই পানি পান করার পর থেকে তার শরীর অসার হতে থাকে। সামনের সবকিছু ঘোলাটে দেখতে থাকেন। আর তার এই দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে গোল আদায় করে আর্জেন্টিনা।

যদিও ব্রাঙ্কোর এই দাবিকে সে সময় ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিল আর্জেন্টাইন ফুটবল এসোসিয়েশন। তত্কালীন আর্জেন্টাইন কোচ কার্লোস বিলার্দোও এমন কিছু ঘটেছিল বলে স্বীকার করেননি।

ব্রাঙ্কোর এমন অভিযোগের বিষয়ে তৎকালীন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সেক্রেটারি ম্যাকরো অ্যান্তনিও টেইক্সেরিয়া বলেন, ‘এটা অত্যন্ত ভয়াবহ অভিযোগ। আমরা এ বিষয়ে সব তথ্য আগামী সপ্তাহে ফিফার কাছে পাঠাব। যদি এর মধ্যে তারা কোনো সত্যতা খুঁজে পায় তবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হবে। ’

কিন্তু ফিফা এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সে সময়। এরপর থেকে বিষয়টি ‘দ্য হলি ওয়াটার স্ক্যান্ডাল’ নামে ইতিহাস হয়ে গেল।

ওই ঘটনার ১৫ বছর পর অর্থাৎ ২০০৫ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনা এক সাক্ষাৎকারে সবাইকে চমকে দেন। ‘দ্য হলি ওয়াটার স্ক্যান্ডাল’ঘটনাটির কথা স্বীকার করেন। ব্রাঙ্কোকে দেওয়া পানিতে ট্র্যাঙ্ক্যুলাইজার ড্রাগ মেশানো ছিল বলে জানান ম্যারাডোনা।

ম্যারাডোনার এমন সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হতে না হতেই ফুঁসে ওঠে সেলেকাওরা। আর্জেন্টাইনদের ধুয়ে দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সবচেয়ে বেশি ঝাঁঝালো মন্তব্য এসেছিল নব্বইয়ে ব্রাজিল দলের কোচ সেবাস্তিও লাজারনির মুখ থেকে। আসাটাই স্বাভাবিক। কারণ ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ঘণ্টা বাজার পাশাপাশি লাজারনিরও কোচিং ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়।

তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেছিলেন, ‘ম্যারাডোনার এই স্বীকারোক্তিতে বোঝা গেল, এটা আর্জেন্টিনা দলের নোংরা ও অপেশাদারিত্বের উদাহরণ। ফিফার এখনই উচিত আর্জেন্টাইন কোচ বিলার্দো আর তাদের ওই ফিজিওকে শাস্তি দেওয়া। ঘটনার ১৫ বছর পার হয়ে গেলেও তাদের শাস্তি দেওয়া উচিৎ। কারণ এমনটা তারা আবারও করবে না সে নিশ্চয়তা কে দেবে?’

মেসিদের বিপক্ষে খেলতে পারছে না জেসুস, তীব্র ক্ষোভ নেইমারের

ব্রাজিলের ফুটবল তীর্থ মারাকানায় কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে নামবে ১১ জুলাই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই লাতিন পরাশক্তি।

তার আগেই দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল দল। ফাইনাল ম্যাচে দলের নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে পাচ্ছে না তারা।

চিলির বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে লালকার্ড দেখায় সেমিতে খেলা হয়নি জেসুসের। যে ঘটনায় ‘কুংফুম্যান’ আখ্যায় কটাক্ষের স্বীকার হন জেসুস।

এর পরও আশা ছিল, ফাইনালে ফিরবেন তিনি। কিন্তু চিলির ইউজেনিও মেনাকে বিপজ্জনক ফাউলের সে ঘটনায় তাকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে কনমেবল। সঙ্গে পাঁচ হাজার ডলার জরিমানা।বিষয়টি নিয়ে আপিল করারও সুযোগ রাখেনি কনমেবল।

আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার পরই এ সিদ্ধান্ত জানায় দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেন।

আর কনমেবলের এমন সিদ্ধান্তে যারপরনাই হতাশ হয়েছেন নেইমার। সতীর্থের ফাইনালে না নামতে পারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কনমেবলকে বিদ্রূপের ভঙিমায় তীব্র তিরস্কার জানান ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সিধারী।

নেইমার বলেছেন, ‘ জেসুসের বিষয়ে এই ধরনের সিদ্ধান্ত যেসব লোকেরা নেয়, তাদের অধীনে থেকে খেলা চালিয়ে যাওয়া খুবই হতাশা এবং লজ্জাজনক। ওরা খেলার দারুণ একটা বিশ্লেষণ করেছে এবং তার জন্য ওদের সাধুবাদ প্রাপ্য। দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি কোনোরকম আপিল করারও সুযোগ নেই। অভিনন্দন কনমেবল। আমার মনে হয়না আপনারা আসলে কী ঘটেছিল সেটা ভালভাবে লক্ষ্য করেছেন।’

আইন প্রনেতাদের নিয়ে এমন তীব্র কটাক্ষ নেইমারের ওপর কতটা ভারী পড়তে পারে তা এখন দেখার বিষয়।

বিষয়টি নিয়ে ফাইনালের আগে আয়োজকদের সঙ্গে এক মহাবিতর্কে জড়ালেন নেইমার ও তার দল।

অবশ্য এবার কোপা আমেরিকায় মাঠে দুর্দান্ত খেললেও শুরু থেকেই বিতর্কের শিরোনামে রয়েছে ব্রাজিল ফুটবল দল।

মাঠের বাইরে নানা মন্তব্য করেছেন সেলেকাও কোচ তিতে ও দলের পোস্টার বয় নেইমার।

প্রথমে তো টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিপক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন নেইমার-কাসেমিরোরা। পরে টুর্নামেন্ট শুরু হলে মাঠের খারাপ অবস্থার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন কোচ তিতে। জরিমানাও গুনতে হয় তাকে। এরপর মাঠ নিয়ে আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করেন দলের সেরা তারকা নেইমার।

মাঠ নিয়ে আয়োজকদের খোঁচা দেন নিজের ইনস্টাগ্রামে। যদিও বিপদ টের পেয়ে সেই পোস্ট মুছে দেন।

প্রসঙ্গত, ম্যানসিটির স্ট্রাইকার জেসুসের কপালই খারাপ। গতবার ফাইনালে দেখেছিলেন লালকার্ড। এবার লালকার্ড তাকে দর্শক বানিয়ে দিল ফাইনালে।

তথ্যসূত্র: গোল ডট কম

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উদ্দেশে নায়িকা বুবলীর ফেসবুক স্ট্যাটাস

কোপা আমেরিকায় ১১ জুলাই বসছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মহারণ। দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফাইনাল খেলা ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা কাজ করছে। সারাবিশ্বে ফুটবেলপ্রেমীদের মধ্যে এই উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের ফুটবলভক্তরা দুই শিবিরে ভাগ হয়ে গেছেন। ইতোমধ্যে কথার লড়াই হাতাহাতি ও মারামারিতে গিয়ে ঠেকেছে।

এ বিষয়ে দুই দলের সমর্থকদের সতর্ক করেছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী।

নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বুবলী লেখেন, ‘আমরা বাঙালিরা যেমন ভোজনরসিক, তেমনি নানান বিনোদনধর্মী শাখায় নিজেদের বিনোদিত করতে সবাই ভীষণ ভালোবাসি। তা সিনেমা হোক বা খেলা, কিংবা এ জাতীয় কিছু। এ ধরনের আনন্দপ্রেমী জাতি হিসেবে খুব গর্ববোধ করি; কিন্তু পাশাপাশি যখন দেখি বা শুনি আমাদের দেশের মানুষ বিশেষ করে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের মতো ভিন দেশের খেলা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট, রেষারেষি, হেয় করা, গালাগালি, তর্কাতর্কি, গণ্ডগোল, আহাজারি এবং আত্মহত্যার মত ঘটনা ঘটাচ্ছে তা সত্যি দু:খজনক।’

সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে এই নায়িকা আরও লেখেন, ‘ভাইয়া এবং আপুরা, যাদের জন্য আমরা এসব করছি তারা তো জানেই না যে তাদের এতো ভক্ত বাংলাদেশে আছে। আর সবাইকে চেনা তো দুরের কথা! এমনকি তাদের নিজেদের দেশের মানুষেরা তাদের নিজের দেশের খেলা শুধু উপভোগ করে। কিন্তু আমাদের মতো এরকম করে কি না আমার জানা নেই।’

দুই দলের সমর্থকদের ভুল তুলে ধরে বুবলী আরও লেখেন, ‘অবশ্যই সাপোর্টার হতে পারি, কিন্তু তাই বলে অন্য কোনো দেশের খেলা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট, ঝগড়া, ছোট করা, হেয় করা- এমন কি আত্মহত্যা! দিন শেষে এই অতি সিরিয়াস ভক্তরাই কিন্তু নিজেকে মানসিক বা শারীরিকভাবে কষ্ট দিচ্ছে, তাতে কি আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের কিছু আসছে-যাচ্ছে?’

‘ক্যাটরিনা-ফাতিমা বেশি সুন্দরী, কেন বিয়ে করেছিলেন কিরণকে’

এবার বলিউডের তারকা দম্পতি আমির খান ও কিরণ রাওয়ের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা-পরিচালক-প্রযোজক কমল আর খান।

গত শনিবার তারা বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। এর কয়েক দিন পর নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন কমল আর খান।

আমিরকে উদ্দেশ্য করে তার বক্তব্য, ‘আপনি তো সত্য কথা বলেন বলেই জানি। তা হলে বিচ্ছেদের বিবৃতিতে মিথ্যা বললেন কেন? আপনি তো বলতেই পারতেন ওই চশমাওয়ালা মুখ (কিরণ রাও) আর দেখতে ইচ্ছা করছে না।’

কমলের দাবি, তিনি যখন প্রথম শুনেছিলেন কিরণকে বিয়ে করবেন আমির, তখন নাকি তার মনে হয়েছিল, কিরণের মতো এত সাধারণ চেহারার নারীকে বিয়ে করছেন কেন! ফাতিমা সানা শেখ বা ক্যাটরিনা কাইফকে অনেক সুন্দর দেখতে, তাদের মধ্যে কাউকে বিয়ে করলে খুশি হতেন কমল আর খান।

দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান ও তার স্ত্রী কিরণ রাও। গত শনিবার তারা বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন।

ডিএসইতে দর বাড়ার শীর্ষে সিভিও পেট্রো কেমিক্যাল

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার টপটেন গেইনার বা দর বাড়ার শীর্ষে রয়েছে সিভিও পেট্রো কেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেড।

শেয়ারটির দর বেড়েছে ৯ টাকা ৯০ পয়সা বা ৯.৯৪ শতাংশ। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে লেনদেন হয়।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটি ৯৬৭ বারে ৩ লাখ ২৮ হাজার ৮০৯টি শেয়ার লেনদেন করে।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। তৃতীয় স্থানে রয়েছে এইচআর টেক্সটালই লিমিটেড।

তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- আজিজ পাইপস, সোনালী পেপার, সোনালী আঁশ, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, জেএমআই সিরিঞ্জ, সিলকো ফার্মা ও মুন্নু অ্যাগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারি লিমিটেড।

সূচকের উত্থানে শেষ হলো পুঁজিবাজারে লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনের লেনদেন। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক বেড়েছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা যায় এসব তথ্য।

এদিন ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ডিএসইর ডিএসইএক্স সূচক অবস্থান করছে ৬ হাজার ২১২ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে অবস্থান করছে ২২৪৮ পয়েন্ট ও ১৩৪১ পয়েন্টে।

এ দিনে লেনদেন হওয়া ৩৭৪টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৯১ কোম্পানির এবং কমেছে ১৫৫ কোম্পানির। এ ছাড়া দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বেড়েছে সূচক। সিএএসপিআই সূচক ১২০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৮ হাজার এক পয়েন্টে।